

![]()
রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত-ছাত্র এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ কমপক্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। উত্তেজিত ছাত্ররা দফায় দফায় হামলা চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, ক্লাসরুম, লাইব্রেরি ও ল্যাবরেটরিতে ব্যাপক ভাংচুর করেছে। সংঘর্ষ চলাকালে ছাত্ররা পুলিশকে লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছোড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এ সময় ১০ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। পুলিশ অর্ধশত ছাত্রকে আটক করলেও প্রায় ২০ ছাত্রকে গ্রেফতার দেখিয়ে অন্য ছাত্রদের ছেড়ে দিয়েছে। গতকালের এ ঘটনার মূল হোতা চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মিথুন নামের এক ছাত্রকে বহিষ্কার করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্র জানায়, একজন ছাত্রের পরীক্ষা দেয়াকে কেন্দ্র করে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় কয়েক শিক্ষার্থী বহিরাগত কিছু সঙ্গীসহ ক্যাম্পাসে ঢোকে। সকাল ১০টার দিকে বহিরাগতরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে বিভিন্ন গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থার সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ডাকে পুলিশ ক্যাম্পাসে এসে অবস্থান নেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের ছাত্র মিথুনের ৮০ হাজার টাকা বকেয়া ছিল। সে বকেয়া পরিশোধ না করেই পরীক্ষা দেয়ার চেষ্টা করে। প্রশাসন খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, মিথুন রেজিস্ট্রেশনের টাকাও পরিশোধ করেনি। এ ঘটনায় প্রশাসন তাকে রেজিস্ট্রেশনের টাকা পরিশোধ করতে বলে এবং পরীক্ষা দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে বলে জানায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিথুন পরীক্ষার ছাড়পত্র আনতে গেলে অ্যাকাউন্টস অফিসার তা দিতে অসম্মতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিথুন অ্যাকাউন্টস অফিসারকে হুমকি দেয়।
উপাচার্য আরও জানান, তিনি গতকাল সকাল ১০টায় ক্যাম্পাসে ঢুকলে প্রধান ফটক বন্ধ দেখতে পান। ক্যাম্পাসের ভেতরে বেশিরভাগই বহিরাগত ছিল উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, তাদের কাছে কারণ জানতে চাইলে তাকে বহিরাগতরা জানায়, ক্যাম্পাসে পুলিশ থাকলে তারা কোনো কথা বলবে না। এ কথার পর উপাচার্য পুলিশ সদস্যদের বাইরে যেতে বলেন। পুলিশ বাইরে যাওয়ার পরপরই বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে তাণ্ডব চালাতে থাকে। তারা ব্যাপক ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে। উপাচার্য জানান, পল্লব নামের এক সাবেক ছাত্র এ হামলায় নেতৃত্ব দেয়। এ সময় ক্যাম্পাসের প্রায় ২০ লাখ টাকার সম্পদ ক্ষতি হয় বলে তিনি জানান। এ ঘটনায় মিথুনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, পরে আর কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বহিরাগত, ছাত্র এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। এ সময় বহিরাগতরা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তারা ক্যাম্পাসে ব্যাপক ভাংচুর করে। আহতদের চিকিত্সার জন্য বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, গতকাল বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরু না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অনেকেই পাঠাগারে বসে পড়াশোনা করছিল। কিন্তু সেখানে ঢুকে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করতে করতে একটি কক্ষে এনে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে আটক করে।
রমনা জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নূরুল হক সাংবাদিকদের জানান, বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থানায় ফোন করে পুলিশের সহায়তা চায়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকতে চাইলে শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তাদের ছোড়া পেট্রোল বোমা ও ইটপাটকেলে অন্তত ১০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১০ রাউন্ড কাঁদানো গ্যাস ছোড়ে।
রমনা থানার ওসি শিবলী নোমান গতরাতে জানান, আটক করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০ জনকে গ্রেফতার করে অন্যদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত-ছাত্র এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ কমপক্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। উত্তেজিত ছাত্ররা দফায় দফায় হামলা চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, ক্লাসরুম, লাইব্রেরি ও ল্যাবরেটরিতে ব্যাপক ভাংচুর করেছে। সংঘর্ষ চলাকালে ছাত্ররা পুলিশকে লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছোড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এ সময় ১০ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। পুলিশ অর্ধশত ছাত্রকে আটক করলেও প্রায় ২০ ছাত্রকে গ্রেফতার দেখিয়ে অন্য ছাত্রদের ছেড়ে দিয়েছে। গতকালের এ ঘটনার মূল হোতা চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মিথুন নামের এক ছাত্রকে বহিষ্কার করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্র জানায়, একজন ছাত্রের পরীক্ষা দেয়াকে কেন্দ্র করে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় কয়েক শিক্ষার্থী বহিরাগত কিছু সঙ্গীসহ ক্যাম্পাসে ঢোকে। সকাল ১০টার দিকে বহিরাগতরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে বিভিন্ন গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থার সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ডাকে পুলিশ ক্যাম্পাসে এসে অবস্থান নেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের ছাত্র মিথুনের ৮০ হাজার টাকা বকেয়া ছিল। সে বকেয়া পরিশোধ না করেই পরীক্ষা দেয়ার চেষ্টা করে। প্রশাসন খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, মিথুন রেজিস্ট্রেশনের টাকাও পরিশোধ করেনি। এ ঘটনায় প্রশাসন তাকে রেজিস্ট্রেশনের টাকা পরিশোধ করতে বলে এবং পরীক্ষা দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে বলে জানায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিথুন পরীক্ষার ছাড়পত্র আনতে গেলে অ্যাকাউন্টস অফিসার তা দিতে অসম্মতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিথুন অ্যাকাউন্টস অফিসারকে হুমকি দেয়।
উপাচার্য আরও জানান, তিনি গতকাল সকাল ১০টায় ক্যাম্পাসে ঢুকলে প্রধান ফটক বন্ধ দেখতে পান। ক্যাম্পাসের ভেতরে বেশিরভাগই বহিরাগত ছিল উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, তাদের কাছে কারণ জানতে চাইলে তাকে বহিরাগতরা জানায়, ক্যাম্পাসে পুলিশ থাকলে তারা কোনো কথা বলবে না। এ কথার পর উপাচার্য পুলিশ সদস্যদের বাইরে যেতে বলেন। পুলিশ বাইরে যাওয়ার পরপরই বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে তাণ্ডব চালাতে থাকে। তারা ব্যাপক ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে। উপাচার্য জানান, পল্লব নামের এক সাবেক ছাত্র এ হামলায় নেতৃত্ব দেয়। এ সময় ক্যাম্পাসের প্রায় ২০ লাখ টাকার সম্পদ ক্ষতি হয় বলে তিনি জানান। এ ঘটনায় মিথুনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, পরে আর কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বহিরাগত, ছাত্র এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। এ সময় বহিরাগতরা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তারা ক্যাম্পাসে ব্যাপক ভাংচুর করে। আহতদের চিকিত্সার জন্য বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, গতকাল বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরু না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অনেকেই পাঠাগারে বসে পড়াশোনা করছিল। কিন্তু সেখানে ঢুকে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করতে করতে একটি কক্ষে এনে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে আটক করে।
রমনা জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নূরুল হক সাংবাদিকদের জানান, বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থানায় ফোন করে পুলিশের সহায়তা চায়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকতে চাইলে শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তাদের ছোড়া পেট্রোল বোমা ও ইটপাটকেলে অন্তত ১০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১০ রাউন্ড কাঁদানো গ্যাস ছোড়ে।
রমনা থানার ওসি শিবলী নোমান গতরাতে জানান, আটক করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০ জনকে গ্রেফতার করে অন্যদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



