somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উইকিলিকসে বাংলাদেশ বিষয়ক নথি ,বিডিআর বিদ্রোহে উদ্বিগ্ন কেন ভারত । শেখ হাসিনার পাশে দাঁডা়য় কেন তারা ।

২৮ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিযে় উদ্বিগ্ন হযে় পডে়ছিল ভারত সরকার। ২০০৯ সালের সংকটজনক ওই পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার প্রতি দৃঢ় সমর্থন বজায় রাখে দেশটি। বিডিআর বিদ্রোহের পরপরই ভারতের পররাষ্ট্রসচিব শিবশঙ্কর মেনন দিল্লিতে যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেযা়র্স স্টিভেন হোযা়ইটের সঙ্গে বৈঠক করেন। উইকিলিকসের ফাঁস করা নথি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য হিন্দু গতকাল রবিবার এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 'বাংলাদেশে ২০০৯ সালে বিদ্রোহের পর হাসিনাকে সমর্থন জুগিযে়ছিল ভারত' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকদের পাঠানো তিনটি গোপনীয় তারবার্তার প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়। পিলখানায় বিডিআর জওযা়নরা ২৫ ফেব্রুযা়রি বিদ্রোহ করে। দুদিন বাদে ২৮ ফেব্রুযা়রি ভারতের পররাষ্ট্রসচিব শিবশঙ্কর মেনন নিজ কার্যালযে় যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেযা়র্স স্টিভেন হোযা়ইটকে ডেকে পাঠান।
আলোচনায় ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বাংলাদেশ রাইফেলসে বিদ্রোহের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি শেখ হাসিনার নবনির্বাচিত সরকারের ওপর এর প্রভাব নিযে় শঙ্কা ব্যক্ত করেন। এ বিষযে় স্টিভেন হোযা়ইট ২ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে একটি তারবার্তা (১৯৪৬৬১ : গোপনীয়) পাঠিযে়ছিলেন। সেখানে বলা হয়, বিদ্রোহ চলার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জিকে টেলিফোন করেন। শেখ হাসিনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদাযে়র সহযোগিতা চান। তবে সহযোগিতার ধরন সম্পর্কে তিনি কিছু বলেননি। প্রণব মুখার্জি প্রযো়জনে 'সাডা়' দেওযা়র আশ্বাস দেন।
শিবশঙ্কর মেনন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিককে জানান, বিষয়টি নিযে় ভারত সরকার লন্ডন, বেইজিং ও টোকিওর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে। বিডিআর বিদ্রোহ নিযে় ভারতের উদ্বেগ ছিল দুটি। প্রথমত, উদ্ভূত পরিস্থিতির সুযোগ নিযে় কট্টরপন্থী ধর্মীয় দল জামাযা়তে ইসলামী 'ঘোলাপানিতে মাছ
শিকারের' চেষ্টা করতে পারে। ঘটনার সঙ্গে জামাযা়ত সরাসরি জডি়ত_ এমন কথা সরাসরি বলেননি শিবশঙ্কর। তবে যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেযা়র্সকে তিনি জানান, বিডিআর বিদ্রোহ পূর্বপরিকল্পিত এবং ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে ভরাডুবি ও ধর্মীয় জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সরকারের নেওযা় বিভিন্ন পদক্ষেপে জামাযা়তে ইসলামীর নেতৃত্বের মধ্যে হতাশা রযে়ছে। ভারতের উদ্বিগ্ন হওযা়র দ্বিতীয় কারণ হলো_বিদ্রোহের ঘটনা বাংলাদেশে বেসামরিক সরকার ও সেনাবাহিনীর সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিককে শিবশঙ্কর বলেন, বিদ্রোহে অনেক কর্মকর্তাকে হারানো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিযা় সৃষ্টি করতে পারে। এতে সমস্যায় পড়তে পারে হাসিনার সরকার। বিদ্রোহী জওযা়নরা সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার পর লাশ পযো়নালায় ফেলে দেয় বলে উল্লেখ করেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব। তবে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান মইন উ আহমেদের ওপর ভরসা রেখে বলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে তিনি সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন।
বিডিআর বিদ্রোহ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দেওযা় বিবৃতির প্রশংসা করেন শিবশঙ্কর মেনন। তিনি পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটানোর জন্য ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত যোগাযোগ এবং সমন্বিত পদক্ষেপ নেওযা়র ওপর জোর দেন। শিবশঙ্কর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, প্রথম পর্যাযে়র জটিল অবস্থার অবসান হযে়ছে, কিন্তু এর পরে কী ঘটবে তা বোঝার জন্য অনেক দিন লাগতে পারে।
বিডিআর বিদ্রোহের প্রায় এক মাস পর ২০০৯ সালের ২৬ মার্চ ওযা়শিংটনে আরেকটি তারবার্তা (১৯৮৯৫২ : গোপনীয়) পাঠায় যুক্তরাষ্ট্রের দিল্লি দূতাবাস। সে সময় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালযে়র সহকারী সচিব যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তাদের বলেন, বিদ্রোহের সঙ্গে ধর্মীয় কট্টরপন্থী দলের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিযে় দিল্লি উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, বিদ্রোহের হোতাদের অনেকে আগের বিএনপি সরকারের সমযে় নিযো়গ পায় এবং তাদের সঙ্গে জামাযা়তে ইসলামীর সম্পর্ক রযে়ছে।
এর কযে়ক দিন পরেই (১৩ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্রসচিব শিবশঙ্কর মেনন ঢাকা সফর করেন। দিল্লি ফিরে গিযে় শিবশঙ্কর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার বারলেইযে়র সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। আলোচনায় ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের পর বাংলাদেশ নাজুক অবস্থায় রযে়ছে। ওই বৈঠক সম্পর্কে ১৬ এপ্রিল ওযা়শিংটনে একটি তারবার্তা (২০২৬১৫ : গোপনীয়) পাঠায় দূতাবাস।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে আশঙ্কা প্রকাশ করে শিবশঙ্কর বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিযে় উগ্রপন্থীরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে অস্থিতিশীল করতে পারে। এতে ভারতে জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলা চালানোর সুযোগ তৈরি হবে। কোন গোষ্ঠীগুলোর ব্যাপারে ভারত সরকার উদ্বিগ্ন_ রাষ্ট্রদূতের এমন প্রশ্নের জবাবে শিবশঙ্কর বলেন, জামাযা়তে ইসলামী থেকে শুরু করে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী, বাংলাদেশের (হুজি, বি) মতো জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো নিযে় ভয় পাওযা়র কারণ রযে়ছে।
শিবশঙ্কর বলেন, যদিও খুব মামুলি ইস্যু প্রায়ই বাংলাদেশের রাজনীতিকে হজম করে ফেলে, তার পরও তিনি বিস্মিত, কারণ বিদ্রোহের পর চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি হলেও বাংলাদেশের রাজনীতিকরা বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিযা়র বাডি়র মতো কিছু বিষয় নিযে় ব্যস্ত আছেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের দোদুল্যমানতা নিযে় ভারত উদ্বিগ্ন ছিল। মেনন ধরে নিযে়ছিলেন, বাংলাদেশ সরকার ঠিকমতো কাজ করছে না। পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিযে় উদ্বিগ্ন হযে় পডে়ছিল ভারত সরকার। ২০০৯ সালের সংকটজনক ওই পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার প্রতি দৃঢ় সমর্থন বজায় রাখে দেশটি। বিডিআর বিদ্রোহের পরপরই ভারতের পররাষ্ট্রসচিব শিবশঙ্কর মেনন দিল্লিতে যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেযা়র্স স্টিভেন হোযা়ইটের সঙ্গে বৈঠক করেন। উইকিলিকসের ফাঁস করা নথি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য হিন্দু গতকাল রবিবার এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 'বাংলাদেশে ২০০৯ সালে বিদ্রোহের পর হাসিনাকে সমর্থন জুগিযে়ছিল ভারত' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকদের পাঠানো তিনটি গোপনীয় তারবার্তার প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়। পিলখানায় বিডিআর জওযা়নরা ২৫ ফেব্রুযা়রি বিদ্রোহ করে। দুদিন বাদে ২৮ ফেব্রুযা়রি ভারতের পররাষ্ট্রসচিব শিবশঙ্কর মেনন নিজ কার্যালযে় যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেযা়র্স স্টিভেন হোযা়ইটকে ডেকে পাঠান।
আলোচনায় ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বাংলাদেশ রাইফেলসে বিদ্রোহের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি শেখ হাসিনার নবনির্বাচিত সরকারের ওপর এর প্রভাব নিযে় শঙ্কা ব্যক্ত করেন। এ বিষযে় স্টিভেন হোযা়ইট ২ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে একটি তারবার্তা (১৯৪৬৬১ : গোপনীয়) পাঠিযে়ছিলেন। সেখানে বলা হয়, বিদ্রোহ চলার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জিকে টেলিফোন করেন। শেখ হাসিনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদাযে়র সহযোগিতা চান। তবে সহযোগিতার ধরন সম্পর্কে তিনি কিছু বলেননি। প্রণব মুখার্জি প্রযো়জনে 'সাডা়' দেওযা়র আশ্বাস দেন।
শিবশঙ্কর মেনন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিককে জানান, বিষয়টি নিযে় ভারত সরকার লন্ডন, বেইজিং ও টোকিওর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে। বিডিআর বিদ্রোহ নিযে় ভারতের উদ্বেগ ছিল দুটি। প্রথমত, উদ্ভূত পরিস্থিতির সুযোগ নিযে় কট্টরপন্থী ধর্মীয় দল জামাযা়তে ইসলামী 'ঘোলাপানিতে মাছ
শিকারের' চেষ্টা করতে পারে। ঘটনার সঙ্গে জামাযা়ত সরাসরি জডি়ত_ এমন কথা সরাসরি বলেননি শিবশঙ্কর। তবে যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেযা়র্সকে তিনি জানান, বিডিআর বিদ্রোহ পূর্বপরিকল্পিত এবং ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে ভরাডুবি ও ধর্মীয় জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সরকারের নেওযা় বিভিন্ন পদক্ষেপে জামাযা়তে ইসলামীর নেতৃত্বের মধ্যে হতাশা রযে়ছে। ভারতের উদ্বিগ্ন হওযা়র দ্বিতীয় কারণ হলো_বিদ্রোহের ঘটনা বাংলাদেশে বেসামরিক সরকার ও সেনাবাহিনীর সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিককে শিবশঙ্কর বলেন, বিদ্রোহে অনেক কর্মকর্তাকে হারানো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিযা় সৃষ্টি করতে পারে। এতে সমস্যায় পড়তে পারে হাসিনার সরকার। বিদ্রোহী জওযা়নরা সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার পর লাশ পযো়নালায় ফেলে দেয় বলে উল্লেখ করেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব। তবে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান মইন উ আহমেদের ওপর ভরসা রেখে বলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে তিনি সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন।
বিডিআর বিদ্রোহ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দেওযা় বিবৃতির প্রশংসা করেন শিবশঙ্কর মেনন। তিনি পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটানোর জন্য ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত যোগাযোগ এবং সমন্বিত পদক্ষেপ নেওযা়র ওপর জোর দেন। শিবশঙ্কর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, প্রথম পর্যাযে়র জটিল অবস্থার অবসান হযে়ছে, কিন্তু এর পরে কী ঘটবে তা বোঝার জন্য অনেক দিন লাগতে পারে।
বিডিআর বিদ্রোহের প্রায় এক মাস পর ২০০৯ সালের ২৬ মার্চ ওযা়শিংটনে আরেকটি তারবার্তা (১৯৮৯৫২ : গোপনীয়) পাঠায় যুক্তরাষ্ট্রের দিল্লি দূতাবাস। সে সময় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালযে়র সহকারী সচিব যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তাদের বলেন, বিদ্রোহের সঙ্গে ধর্মীয় কট্টরপন্থী দলের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিযে় দিল্লি উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, বিদ্রোহের হোতাদের অনেকে আগের বিএনপি সরকারের সমযে় নিযো়গ পায় এবং তাদের সঙ্গে জামাযা়তে ইসলামীর সম্পর্ক রযে়ছে।
এর কযে়ক দিন পরেই (১৩ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্রসচিব শিবশঙ্কর মেনন ঢাকা সফর করেন। দিল্লি ফিরে গিযে় শিবশঙ্কর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার বারলেইযে়র সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। আলোচনায় ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের পর বাংলাদেশ নাজুক অবস্থায় রযে়ছে। ওই বৈঠক সম্পর্কে ১৬ এপ্রিল ওযা়শিংটনে একটি তারবার্তা (২০২৬১৫ : গোপনীয়) পাঠায় দূতাবাস।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে আশঙ্কা প্রকাশ করে শিবশঙ্কর বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিযে় উগ্রপন্থীরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে অস্থিতিশীল করতে পারে। এতে ভারতে জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলা চালানোর সুযোগ তৈরি হবে। কোন গোষ্ঠীগুলোর ব্যাপারে ভারত সরকার উদ্বিগ্ন_ রাষ্ট্রদূতের এমন প্রশ্নের জবাবে শিবশঙ্কর বলেন, জামাযা়তে ইসলামী থেকে শুরু করে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী, বাংলাদেশের (হুজি, বি) মতো জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো নিযে় ভয় পাওযা়র কারণ রযে়ছে।
শিবশঙ্কর বলেন, যদিও খুব মামুলি ইস্যু প্রায়ই বাংলাদেশের রাজনীতিকে হজম করে ফেলে, তার পরও তিনি বিস্মিত, কারণ বিদ্রোহের পর চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি হলেও বাংলাদেশের রাজনীতিকরা বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিযা়র বাডি়র মতো কিছু বিষয় নিযে় ব্যস্ত আছেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের দোদুল্যমানতা নিযে় ভারত উদ্বিগ্ন ছিল। মেনন ধরে নিযে়ছিলেন, বাংলাদেশ সরকার ঠিকমতো কাজ করছে না।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:৪২
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×