ছন্দকবিতা আমি দুটো কারণে পছন্দ করি না। তাই লিখিও না। প্রথমত. এ কবিতা অত্যন্ত অনাধুনিক মনে হয়। রবীন্দ্রনাথ নজরূলেরটা পড়তে খুব একটা খারাপ লাগে না। কিন্তু নিজে লিখতে গেলে বেজায় বিরক্ত লাগে।
দ্বিতীয়ত. এবং এটাই বড় কারণ: ছন্দকবিতা লেখা কঠিন। সত্যিকার ছন্দ মিলিয়ে লাইনগুলো সাজনো অত্যন্ত কষ্টসাধ্য বিষয়। আমার মতো শখের কবিদের সে সময় নেই। এই দুই ফ্যাক্টর মিলিয়ে আমার ছন্দ কবিতা লেখা হয় না খুব একটা। তবে অনেকিদন ধরে চেষ্টা করেও ইদানিঙ একটি আধুনিক কবিতা লিখতে পারছি না। তাই এই ছন্দ কবিতা লিখেছি। তবে বেশীদূর এগোতে পারিনি। কারণ, দ্বিতীয়ত.
......................................................................................
শীর্ণ নদী, সবুজ ঘাসের প্রান্ত ধরে ধরে
রোজ ছেলেটি ফিরতো যখন ছোট্ট কুড়ে ঘরে
মায়ের চোখের মুক্তো দানায় হৃদয় উজার করা
ভালোবাসা পড়তো ঝরে স্নেহের ফল্গুধারা।।
নদীর ঘাটে, মাঠের বাটে, কিংবা বটের ছায়ে
ছো্ট্ট বুকে দুঃখ নিতো ছোট্ট ছেলে বয়ে
পাখির সাথে, ঘাসের সাথে কিংবা ফুলের কাছে
দুঃখ ব্যথা বিলিয়ে দিতো সকাল সন্ধ্যা সাঝে।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



