ক্লিন'স অল্টারনেটিভ ওয়ার্ল্ড

মায়েরা হঠাৎ হন্তারক হয়ে উঠলো কেন

১৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৩৪

শেয়ারঃ
0 11 0



গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকজন মায়ের খবর পত্রিকায় এসেছে যারা সন্তান হত্যার সাথে যু্ক্ত । অন্যের সন্তান নয়, নিজের সন্তান। যাকে দশমাস ধরে গর্ভে নিয়েছেন।
বিজ্ঞান পড়েছি বলে জানি, সন্তান নিয়ে বাবার উৎপ্রেক্ষা থাকতে পারে। সন্তানটি আসলেই তার কি-না তা নিয়ে তার সংশয় হতে পারে। ফলে অবচেতন মনে সন্তানের প্রতি তার অবহেলা এবং ঘৃণা জন্মানো অস্বাভাবিক নয়। বিশেষত যদি স্ত্রীকে ঘিরে তার সন্দেহ জোরদার থাকে। কিন্তু মায়ের দিক থেকে এরকম কোন মনোস্তাত্বিক সংকট তৈরী হবার আশংকা নেই। তিনি মা, সন্তানটি তারই। কোন সন্দেহ নেই। একারণে, বিজ্ঞানের অভিমত হচ্ছে, সন্তানের প্রতি পিতার ভালোবাসায় খাদ থাকতে পারে, কিন্তু মায়ের ভালোবাসা সম্পূর্ণ নিখাদ।

গত কয়েক মাসে দেখলাম সেরকম নিখাদ ভালোবাসার বেশ কয়েকজন মা তাদের সন্তানকে হত্যা করেছেন বা হত্যার সাথে যুক্ত থেকেছেন। পত্রিকায় সেসব খবর পড়ে সাধারণ মায়েরা ছি ছি করেছেন, লজ্জায় মুখ লুকিয়েছেন- তারা যে মা জাতির কলংক সে ব্যাপারে নিরেট মত ব্যক্ত করেছেন। ব্লগ সাইটগুলোতে সেসব মাকে লক্ষ্য করে বর্ষিত হয়েছে ঘৃনার বিষবাণ। তাদেরকে বিবিধ প্রকারে শাস্তি দিয়ে জীবন নাশের মত ব্যক্ত করেছেন অনেকেই।

এসব কিছুর মাঝেই হঠাৎ হঠাৎ আমার মাথায় বুদবুদ উঠতো একটি প্রশ্নের- মায়েরা হঠাৎ এমন হন্তারক হয়ে উঠলো কেন? যে মায়ের উচিত তার সন্তানের জীবন বাচানোর জন্য অন্যকে খুন করা, সে কিনা নিজেরই সন্তানকে খুন করছে, বা খুনে সহযোগিতা করছে!! আমার কাছে বিস্ময় লেগেছে খুব। আমার সে বিস্ময়ের ঘোর কাটাতে আমি বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে ভেবেছি। বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব খোজার চেষ্টা করেছি।
প্রথম যে প্রশ্নটির জবাব দরকার সেটা হচ্ছে- একজন মা কি আসলে প্রথমে একজন মানুষ তারপর মা; নাকি প্রথমে মা তারপর মানুষ। যদি তার মানব সত্ত্বাকে গুরুত্ব দিই- তাহলে তার মানবীয় প্রয়োজনগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারপর তার জৈবিক বিষয়গুলোকেও মর্যাদার সাথে বিবেচনা করতে হবে। আমাদের সমাজে মানুষ হিসেবে একজন মায়ের মর্যাদা কতটুকু? তার কাছ থেকে মাতৃত্বের ষোল আনা দাবী চাই, কিন্তু তার অভাব অভিযোগগুলোর দিকে দৃষ্টিপাতের আগ্রহ কত আনা আছে আমাদের?
সামিউলের মা কিংবা বিলাসী যারা তাদের সন্তানদের হত্যা করেছে কিংবা হত্যায় সহযোগিতা করেছে তাদের প্রত্যেকেরই দাম্পত্য জীবনটা অত্যন্ত বিষময় ছিলো। আমাদের দেশে এখনও একজন নারীকে তাদের মনের বিরুদ্ধে বিয়ে দেয়া হয়। এবং বিবাহিত জীবন যাপনে বাধ্য করা হয়। সেটা যে কত নির্মম একটা বিষয় তা ভেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।
সামিউলকে যেদিন হত্যা করা হয় (বলে দাবি করেছে তার বাবা) সেদিন ভদ্রলোক নারায়নগঞ্জ থেকে এসে তার স্ত্রীর রুমে না গিয়ে আলাদা রুমে গিয়ে শুয়ে পড়েছিলেন। আর এই সুযোগে সামিউলের মা তার প্রেমিকাকে ছাদ থেকে ডেকে এনেছিলেন তার ঘরে। জানি সবাই এই মাকে ঘৃণা করবেন। তার জৈবিকতাকে আগুনে পোড়াতে চাইবেন। কিন্তু এ বিষয়টিও কী ভেবে দেখার প্রয়োজন নেই কেন তার স্বামী তার কাছে না গিয়ে অন্য রুমে শুতে গেলেন। কেন গেলেন। তার তো উচিত ছিলো স্ত্রীর কাছেই থাকা। কেন তিনি স্ত্রীকে উপেক্ষা করেছেন? তার নপুংশক আচরণও সামিউলের মৃত্যুর জন্য কম দায়ী নয়। আমাদের দেশের অনেক বয়স্ক পুরুষ কম বয়সের মেয়েদের বিয়ে করে শেষমেষ শরীরের দাবিটি না মিটাতে পেরে পালিয়ে বেড়ান। সামিউলের বাবা কি তেমন কেউ ছিলেন। এই শরীরি দাবীর বাইরে মানসিক সম্পর্কের বিষয়টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাশ্চাত্যে দেখি অনেক তরুণী অনেক বয়স্ক পুরুষের সাথে সংসার করছেন। কিসের নেশায়? আমি তো মনে করি, দুটো মানুষের মনের সংযোগই তাদের যৌথ জীবনের প্রধান অনুঘটক। তারা সেটা করতে পারেন। মন যখন একসূত্রে গাথা থাকে, পরষ্পরকে জেনেশুনে তখন অনেক কিছু অবজ্ঞা করেও এক সাথে থাকা যায়। আমাদের এখানে স্বামী স্ত্রীর এই মানসিক সংয়োগের বিরাট অভাব রয়েছে। যা স্ত্রীদেরকে সংসার বিমুখ করে তোলে।

স্বামী সংসাররের প্রতি এই বিমুখতা কী সন্তান হত্যার কারণ হতে পারে? এ প্রশ্নের জবাবে তাকাতে আমাদের সমাজের বর্তমান ট্রানজিশনের দিকে। পশ্চিমা সমাজের সাথে আমাদের পরিচয় পুরনো হলেও তাদের আচরণের সাথে নিজেদের মিলিয়ে নেয়ার দুরন্ত প্রবণতাটা নতুন। আগে টিভিতে আমি কোন বিমান দুর্ঘটনায় নিহত সন্তানের জন্য যখন পশ্চিমা কোন মা’কে কাদতে দেখতাম, তখন খুব অবাক হতাম। ভাবতাম, এরা তো কেবল জৈবিক প্রেরণায় বাঁচে, সন্তানের জন্য এদের ভালোবাসা আসলো কোত্থেকে? পরে সময়ের সাথে বুঝেছি- তারা জৈবিক ভালোবাসটাকে সন্তান বাৎসল্য থেকে আলাদা করে নিয়েছে। তাই ছেলের কাছে মায়ের বয়ফ্রেন্ড কোন অভিযোগের বিষয় নয়। সেখানে নারী অনেক বেশী স্বাধীণ। যৌন বিষয়টা সেখানে নাওয়া খাওয়ার মতই সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এবং এই ইস্যুতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তাদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য সবকিছু করার অধিকার রাখে।

আমাদের দেশে আমরা যৌন বিষয়ে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের এ দাবীর বিষয়টি জানছি কেবল- কিন্তু তার স্বীকৃতি এখনো দিতে পারি নি। আমি বলছি না, পশ্চিমা বিশ্বের মতো যথেচ্ছ যৌনাকাঙক্ষাই আমাদের নারীদের তাড়িত করছে, কিন্তু এখন আকাশপ্রযুক্তির বদৌলতে তারা অনেক বেশী কিছু জানছে, ফলে তাদের মধ্যে একটা নুতন দাবিও তৈরী হচ্ছে। কিন্তু ঐ সমাজের মত বিষয়টা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করে এর একটা সুরাহা করার মতো পরিবেশ তৈরী হয় নি। ফলে গোপনে যৌনতার দাবি মেটানোর প্রবনতাটা অনেক বেশী জোরদার হয়েছে, অনেক বেশী বেপরোয়াও হচ্ছে।
এই বেপরোয়াত্বের এক চরম প্রকাশ হচ্ছে নিজের সন্তানকেও শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা।

হয়তো নিজের জীবনের সকল আশার প্রদীপই যখন একে একে নিভে যেতে থাকে তখনই কেবল একজন মা হন্তারক হয়ে ওঠে। আর মায়েদের এই হন্তারকের ভূমিকায় নামানোর পেছনে দায়ী আমাদের এই বদ্ধ সমাজ। যেখানে একজন নারীর ইচ্ছা ও স্বাধীনতা খুব খুবই মূল্যহীন।

ক্লিন
রাত ১১.৩০
১৭.৮.১০

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মাসন্তান হত্যাসমাজ ;
বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৩৯
মৈত্রী বলেছেন: প্রথম প্লাস!!
প্রথম কারণ: পরকীয়া প্রেম
পরকীয়া প্রেমের কারণ: একটু চিন্তা-ভাবনা করলে যে কেউই বুঝতে পারবে।
তবে "ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলো আমাদের কি শিখাচ্ছে?" এটা সবার আগে বিবেচনা করা জরুরী।

গুছিয়ে লিখতে পারলাম না, দুঃখিত।
১৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: আপনার কথা যথেষ্ট গোছানোই হয়েছে। আমি কিন্তু পুরুষদের একটা পরিবর্তন প্রত্যাশা করি। শুধু মেয়েদের দোষারোপ না করে নিজেদের দিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত আমাদের পুরুষদের ।

২. ১৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৫৪
স্পাইডার বলেছেন: শেখ মুজিবর কে কেন্দ্র করে বাঙ্গালী জাতি এক বিশাল ত্যাগের বিনিময়ে নিজেদের একটা দেশ স্বাধীন জাতিসত্বায় পরিচয় পেয়েছে । মনে রাখতে হবে আমাদের স্বাধীকার আন্দলন মাত্র নয় মাসের প্রসব যন্ত্রনা নয় এটা বায়ান্নর আন্দোলনের ও আগে থেকে শুরু হয়েছিলো অসংখ্য নেতা কমী সংগ্রামী জনগন তাদের ত্যগের বিনিময়ে একাত্তরে এর চূরান্ত রূপ দিয়ে ছিলেন তবে ঐযে বল্লাম শেখ মুজিব ই এটাকে চূরান্ত রূপে আনতে এক অভিন্ন প্লাটফরম সৃশ্টি করেছিলেন । তা না হলে হয়তো আরও কয়েক দশক গোলামীর বোঝা বয়ে বেড়াতে হতো ।
১৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: ভুল জায়গায় মন্তব্য দিয়েছেন। সঠিক জায়গায় আবার কপি করে নিয়ি যান।

৩. ১৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:০১
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: X(( X(( X(( অপনি ভাই না ভাবি বুঝলাম না এবং আপনার সাথে একমতও হতে পারলাম না। তবে কথা দিতেছি আপনি যদি কোনো দিন
পশ্চিম কে পূর্ব বা পূর্ব কে পশ্চিম
করে দেখাতে পারেন তবে ওই দিন আমিও আপনার সুরে গান গাইব।
"যেথায় - সেথায় যৌনাচার এইটা আমাদের অধিকার"। ;) ;)
১৮ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:১১

লেখক বলেছেন: আমি ভাই, ভাই।

৪. ১৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:০১
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: X(( X(( X(( আপনি ভাই না ভাবি বুঝলাম না এবং আপনার সাথে একমতও হতে পারলাম না। তবে কথা দিতেছি আপনি যদি কোনো দিন
পশ্চিম কে পূর্ব বা পূর্ব কে পশ্চিম
করে দেখাতে পারেন তবে ওই দিন আমিও আপনার সুরে গান গাইব।
"যেথায় - সেথায় যৌনাচার এইটা আমাদের অধিকার"। ;) ;)
১৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু যেথায় সেথায় যথেচ্ছ যৌনাচারের কথা বলিনি। এবং যৌনাচারই সকল অনচারের উৎস তাও বলিনি। মনের মিল থাকলে অনেক কিছুই উপেক্ষা করা যায়। আমাদের দেশ নারীদের বশ করার খেলা চলে, এখানে নারীদের জয় করার প্রবণতা কম। এটাই স্বামীদের কাল। আর সেই কলাচক্রে মাঝখানে সন্তানের জীবনটা হয়ে যায় নারকীয়।

৫. ১৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:০৩
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: @ স্পাইডার --- শেখ মুজিবর এর সাথে অনিনন্ত্রিত যৌনাচার এর কি সম্পর্ক ভাই? এইটা কি ভিতরের খবর নাকি? ;) ;) ;) ;) ;) ;)
৬. ১৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২৭
হোরাস্‌ বলেছেন: প্লাস। বিশ্লেষনগুলো যদিও খুব বেশী গভীর ভাবে করেননি তবুও সঠিক বলেই মনে করি।
৭. ১৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৫১
বাউন্ডুলে রুবেল বলেছেন: সত্য কথা বলায় দোষের কিছু নাই...অনেকেই হয়তো আপনাকে মাইনাস দিবে...কিন্তু আমার পক্ষ থেকে প্লাস......ধন্যবাদ...
১৮ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ১৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ২:০৬
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: ''হয়তো নিজের জীবনের সকল আশার প্রদীপই যখন একে একে নিভে যেতে থাকে তখনই কেবল একজন মা হন্তারক হয়ে ওঠে। আর মায়েদের এই হন্তারকের ভূমিকায় নামানোর পেছনে দায়ী আমাদের এই বদ্ধ সমাজ। যেখানে একজন নারীর ইচ্ছা ও স্বাধীনতা খুব খুবই মূল্যহীন।''
প্রথমেই আপনাকে স্যালুট দেই একটি মূল্যবান পোস্ট দেয়ার জন্য। আমি একজন নারী কিন্তু অন্যায়কে আমি অন্যায় জানতে শিখেছি সেই ছোটবেলা হতে।
একজন নারী কখন এপথ বেছে নেয়,,,,তার কারণ কি আমরা খোঁজ করেছি, ঐ মেয়েটির চাওয়া পাওয়া কি, শুধু কি শাড়ী,,,গয়না, গাড়ী বাড়ি নাকি আরো কিছু। পুরুষ লোকটির চাকরীর বা ব্যবসার পাশাপাশি স্ত্রীর প্রতি কি কোনই ভূমিকা নেই। পত্রিকায় দেখেছি,,,,দিনের পর দিন নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সন্তানসহ আত্নহত্যা করেছে,,,,একজন মা,,,,যে মাকে আমরা আত্মা দিয়ে ভালবাসি। কেন একটি মেয়ে তার স্বামীকে রেখে অন্য পুরুষের সাথে ইয়ে করে,,,,এর কারণও কি আমরা খুঁজে দেখেছি, বিয়ে করলাম, বউ ঘরে আনলাম,,,ব্যস দ্বায়িত্ব শেষ,,,,নাকি আরো কিছু আছে,,,,,যা আমরা প্রকাশ করতে পারি না। একজন মা যখন তার শারিরীক , মানসিক, যৌনতা, অন্যান্য নির্যাতন, পুরুষের অন্য নারীর প্রতি আসক্ত, লোভ ইত্যাদি থাকে তখন সে অন্য কিছু বেছে নেয়,,,আর যখন দেখে ফেলে তার পেটের সন্তান তখন সে তাকে প্রতিপক্ষ ভাবে।
পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় আমরা জেন্ডার নিয়ে চিল্লাচিল্লি করছি। জেন্ডার মানেই কি নারী পুরুষ যা খুশী তাই করবে????? তা নয়,,, এখানে জেন্ডার সংবেদনশীল, সেনসেটিভ হওয়া অনেক জরুরী, দুজনকেই কিছু ছাড় দিতে হয়,,,,সমানুভূতির মাধ্যমে দুজন দুজনের কাজগুলো ভাগ বা শেয়ার করতে পারে, অবসবে কিছু কথা বলা, বেড়াতে নিয়ে যাওয়া, তার অবস্থা যে আর দশজন পয়সা ওয়ালার মত নয়,,,,তা তাকে বুঝানো,,,,আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা খুব কাছাকাছি নিয়ে আসা। শিশুদের সামনে বকা না দেয়, মারপিট না করা। তাহলে ঐ শিশুটিও ঐসব শিখবে।

এখন স্কুলে একটা বিষয় খুব আলোচনা হচ্ছে,,,,তার মা,বাবা তার সাথে কেমন ব্যবহার করে, তাকে মেরে ফেলবে না তো,,,,,মা বাবার প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলতে বসেছে,,,,ভালবাসার সন্তান।
আমরা কেন যেন খাওয়ার টেবিলে এক সাথে খাই না, সকলে মিলে খাওয়া,,,কিছুটা খোসগল্প,,,শিশুদের সাথে বন্ধুত্বমূলক মনোভাব গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
বাড়িতে কে আসছে, তার কি ভূমিকা, এটা উভয় পক্ষের গভীর অবজারভেশন জরুরী,,,,বাবা এবং মা,,,,সাথে পরিবারের অন্যান্যদের।
যাই হোক অনেক কথা বলে ফেললাম,,,,,,,,ভাল থাকবেন
১৮ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:০৫

লেখক বলেছেন: েবশীরভাগ পুরুষ বিয়ে করেই ভাবে- সব দায়িত্ব শেষ। গর্দভরা বুঝে না এটা মাত্র শুরু। ফলে এই বিপত্তি।

৯. ১৮ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৪৯
অলস ছেলে বলেছেন: ভালো লেগেছে। বিভিন্ন ধরণের টানাপোড়ন অবশ্যই আছে।
১৮ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন: হুমমম...... বিভিন্ন ধরণের টানাপোড়ন অবশ্যই আছে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৯৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই