আমার প্রিয় পোস্ট
- যারা ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট এর সাথে যুক্ত তাদের জন্য কতগুলো প্রয়োজনীয় সাইটের ঠিকানা - বাপ্পী
- ▓▓▒▒░░░
IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ১ ডজন বই + একটা ফ্রি!!!!
░░░▒▒▓▓ - রাফি মাহমুদ
- নতুন GREর আদ্যোপান্ত - আসিফ মুভি পাগলা
- মাত্র দশ মিনিটেই বিনামূল্যে তৈরী করুন নিজের ওয়েব সাইট সাথে জাভা, পি.এই.পি. সহ বিভিন্ন এনিমেশন এবং নানা ধরনের এফেক্ট - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- ♫♫ ♫♫
গান গাওয়া, লিখা, সুর করা, গিটার বাজানোর সহজ A টু Z কৌশল
♫♫♫♫ - Beginner to Advanced Level - কবির চৌধুরী
- GRE ফ্রি ডাউনলোড এর কারখানা !!!যাবতীয় মালমশলা ফ্রি ডাউনলোড : পর্ব -৩ ( আপডেট এপ্রিল ৫ ২০১০) - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
শুক্রবারের বেহেশত দর্শন
২১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:২৭
ছোট বেলায় নিয়মিত নামাজ পড়তাম । আমার মনে আছে, অনেক সন্ধ্যায় এশা'র নামাজ পড়ার জন্য কনকনে শীতের মধ্য দিয়ে কী উদভ্রান্তভাবে কয়েক বাড়ি পর মসজিদে যেতাম!
বড় হতে হতে নামাজের প্রতি সে আন্তরিকতা অনেকটাই কমে গেছে। এই রমজানে আবার চেষ্টা করছি নিয়মিত নামাজের অভ্যাসটা ফিরিয়ে আনতে।
এবার শুক্রবারের কথায় আসি। আমার বাবা প্রতি শুক্রবার প্রায় সকাল থেকেই জুমার নামাজের প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেন। মা'কে বলেন, আগে আগে বাজারের কথা বলো, আমি কিন্তু নয়টার পর আর বাজারে যেতে পারবো না।
তারপর এগারটার মধ্যে গোসল করে পৌনে বারোটার দিকে তিনি মসজিদে চলে যান। বেশীরভাগ দিনেই তিনি একদম সামনের কাতারে দাড়িয়ে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করেন।
ওদিকে আমি স্বভাবতই একটু গড়াগড়ি দিয়ে শুক্রবারে একটু বেশী দেরীতে ঘুম থেকে উঠি। তারপর কম্পিউটার, পত্রিকা পড়া অথবা টিভি দেখা মিলিয়ে কখন যে প্রায় একটা বাজতে চলে তার হিসেব থাকে না। শেষের দিকে হন্তদন্ত হয়ে গোসল করে দৌড়ঝাপ করে মসজিদে যাই।
কিন্তু ততক্ষণে মসজিদ উপচে লোকজন ছাদে জায়াগা নিয়েছে। যারা সে জায়গাও পায়নি তারা মসজিদের লাগোয়া প্যাসেজে কেউ জায়নামাজ আর অধিকাংশই পত্রিকা বিছিয়ে বসে যায়।
আমি এই দলে থাকি। জায়নামাজ নিয়ে বাইরে বসে পড়ি। আশেপাশে টুকটাক ময়লা ছড়ানো, ধুলো বালি- তার মধ্যেই জায়নামাজ বিছাতে হয়। আর ভাগ্য খারাপ থাকলে লাগোয়া বাথরুমের গন্ধটাও বেমালুম উপেক্ষা করতে হয়।
আমি যখন বাইরে বসে এই কষ্ট স্বীকার করে নামাজের জন্য অপেক্ষায়, তখন জানালা দিয়ে ভিতরে তাকালে দেখি আমার বাবা একেবারে সামনের সাড়িতে মসজিদের ভেতরে শুভ্র টাইলসের উপর ফ্যানের নিচে বসে আছেন।
তখন আমার মনে হয়, এটাই যেন বেহেশতের এক একটা স্তর। আমার বাবা আল্লাহর জন্য একটু বেশী ভালোবাসা প্রদর্শন করে আগে মসজিদে এসেছেন । তাই তিনি আছেন জান্নাতুল ফেরদৌসে। আর আমি অনেক পরে এসেছি। আমাকেও আল্লাহ বঞ্চিত করেন নি। কিন্তু আমার অবস্থান শেষের দিকে কোন একটা জান্নাতে।
প্রায় শুক্রবারেই, এভাবেই আমি বেহেশতের নানা স্তর উপলব্ধি করি।
ক্লিন
বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হুমমম.......
লেখক বলেছেন: দোয়া করি একদিন জান্নাতুল ফেরদৌসে জায়গা করে নিন। আমি তো শেষ বয়স ছাড়া আশা দেখছি না। আল্লাহ ততদিন বাচিয়ে রাখলে হয়।
গোধুলী রঙ বলেছেন:
হুমমম...........................
লেখক বলেছেন: ঠিক তাই। ..........................
লেখক বলেছেন: আল্লাহতায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিকপথে চলার তৌফিক দান করুন
অলস ছেলে বলেছেন:
উত্তম চিন্তা
বিবেক বিবাগী বলেছেন:
আমি আজও একেবারে দেড়টায় মসজিদে গেলাম, এবং আপনার কথার সত্যতা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। আসলেই...।
লেখক বলেছেন: আমি আরেকটি নতুন অভিজ্ঞতা পেলাম আজ। একটি ছোট ছেলের পাশে নামাজে দাড়িয়েছিলাম। ইমাম সাহেব যখন মুনাজাত শুরু করলেন ছেলেটির সে কি কান্না। এত আন্তরিক কান্না আমি কম দেখেছি মুনাজাতে। প্রায় সাত আট মিনিটের মুনাজাতে কেদেই গেলো ছেলেটি। ওর কান্না দেখে আমারও চোখে পানি এসে গেল। নিজেকে প্রশ্ন করে মনে হলো- এরকম কান্না আমি কখনো কাদতে পারি নি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















ঠিক তাই।