ক্লিন'স অল্টারনেটিভ ওয়ার্ল্ড

নারীর মর্যাদা ও বোরকার প্রতিবন্ধকতা (?)

২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪৩

শেয়ারঃ
0 0 0

আমাদের আদালত হঠাৎ হঠাৎ যুগান্তকারী কাজ কারবার করে বসে। প্রায়শই পত্রিকায় আসে আদালতের মামলার জটে নাকি পা ফেলো যায় না। অথচ আমাদের বিচারকগণ বিশেষ করে ধর্মীয় ইস্যুতে কোথা থেকে যেন ঠিক ঠিক সময় বের করে নেন।

আজও ঠিক সেরকম একটা রায়ের খবর শুনলাম। এবার বলা হয়েছে কোন প্রতিষ্ঠানে বোরকা পড়া বাধ্যতামূলক করা যাবে না। আদেশটা যে বিশেষ করে মাদ্রাসাগুলোকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। কারণ, কোন সরকারী অফিস কিংবা অন্য কোন সরকারী বিদ্যালয় কিংবা বেসরকারী স্কুলে এমন বোরকা পড়ার বাধ্যকতা নেই। এই আদেশের ফলে মাদ্রাসার নিয়ম-কানুনে একটা বিশৃঙ্খলা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। অনেকেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে মাদ্রাসার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে জোর করে বোরকা পড়ানোর অভিযোগ এনে তাদের হয়রানি করতে পারে।

সেটা আলাদা বিষয়। বোরকা বিষয়টিকে অনেক প্রগতিশীলই নারী নির্যাতনের বিশেষ নিদর্শন হিসেবে বিবেচনা করেন। এই ব্লগেও তেমন মতামত ইতোমধ্যেই অনেকে ব্যক্ত করেছেন।
বোরকাকে আমি একটু ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে চাই।

আমার অভিমত হচ্ছে বোরকা পড়া না পড়াটা মানুষের নিতান্ত ব্যক্তিগত পছন্দ হওয়া উচিত। যেমন, একজন স্ত্রী বোরকা পড়বেন কি-না সেটা তারই সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়। তার স্বামীর এ ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করার কিছু নেই।

কিন্তু যদি একজন স্ত্রী সত্যিই চায় তার স্বামী ব্যাতীত অন্য কোন পুরুষের দৃষ্টির মধ্যে সে না পড়ুক, অন্য কোন পুরুষ তাকে দেখে কোন রকম যৌনাকাংখা পোষণ করার সুযোগ না পাক- তাহলে সে নিশ্চয়ই অনেক শালীন পোশাক আশাকই চয়ন করবে। সে নিশ্চয়ই খোলামেলা পোশাকে রাস্তায় বের হবে না, কর্মক্ষেত্রে যাবে না।

একইভাবে একজন স্ত্রীপ্রেমিক স্বামীও পারবে না যেকোন নারীকে দেখে তার দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে থাকতে। ইসলাম এ বিষয়টার উপরই গুরুত্ব দিয়েছে। নারী পুরুষ উভয়কেই বলা হয়েছে তাদের দৃষ্টি অবনত রাখতে।

যারা মনে করে রাস্তাঘাটে বা কর্মক্ষেত্রে খোলামেলা পোশাকের নারীদের দেখে তাদের মনে কোন রকম প্রতিক্রিয়া হয় না, তারা ঠিক কতটা সত্যি বলেন? এমন পুরুষ কতজন আছেন? সুতরাঙ নারীদেরই উচিত তাদের নিজেদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করা। পুরুষের ওপর নিজের সুরক্ষার ভার না দেয়া। এ জন্যই তারা চাইলে বোরকা পড়তে পারেন। একইসাথে একজন পুরুষকেও নিশ্চয়ই তিনি প্রলুব্ধ করা থেকে বিরত রাখতে পারেন। এটা যে সব সময় চোখ ঢাকা বোরকা পড়েই করতে হবে এমন কথা নেই। অনেক সময়, ঠিকমত শাড়ী পড়ে মাথায় একটা স্কার্ফ পড়েও এমন অনুভূতি অর্জন করা যায়।

বোরকার সুবিধা হচ্ছে, এটা এমনভাবে বানানো যে বাতাসে তা সরে গিয়ে শরীর উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার চান্স নেই। তাই শাড়ী পড়ে যেমন হঠাৎ বেআব্রু হয়ে যাবার ভয় আছে, একটা বোরকা পড়ে নিলে সে দুশ্চিন্তা থাকে না। এটা অনেকটা অনেকগুলো আলগা কাগজকে আলাদা করে না ধরে একটা প্যাকেটে ভরে নিয়ে বহন করার সুবিধার মতো।

বোরকার বিষয়টা ইসলাম বলে নাই, রাসূলের সময় এমন পোশাক ছিলোও না। ইসলামে আছে শরীর ঢেকে রাখার নির্দেশ। সে নির্দেশ পালনের জন্য এই পোশাকটাকে উদ্ভাবন করা হয়েছে। কারণ এর উপরেল্লেখিত সুবিধাদি।

ক্লিন

 

বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৫৩
নীল পরী বলেছেন: আপনি কি বোঝাতে চাইলেন অবশেষে? হয়তোবা আমারই ভুল আপনার পোষ্ট পড়ে কিছুই বুঝতে পারিনি।

তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনভাবেই বোরকার সমর্থন করিনা। পুরুষদের সমস্যার কারনে নারীরা কেনো বোরকা পড়বে?? আমি অশালীন পোশাকে পক্ষে নই বা সমর্থন করিনা। তাই বলে মধ্যযুগীয় বোরকা সিস্টেমও চরমভাবে ঘৃনা করি। নিজের শালীনতা নিজের কাছে। এটাকে জোর করে চাপিয়ে দেয়া ঠিক হবেনা। আর ইসলাম অনুসারে পুরুষদের লোভ সংবরন করার জন্য নারীদের উপর চাপিয়ে দেয়া এই আজিব পোশাকও (বোরকা বা চোখ বাদে সব প্রত্যঙ্গ ঢেকে রাখা) বড়ই কিম্ভুতকিমাকার!

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া আমার উদ্দেশ্য নয়। তবে কেউ মনঃকষ্ট পেলে আমি দুঃখিত।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: আমার অভিমত হচ্ছে, ইসলাম নারীদের উপর বোরখা চাপায় নি। ইসলাম বলেছে নারীদের (এবং পুরুষদেরও) শালীনতা বজায় রাখতে। বোরকাটা হয়তো কোন টেইলারের আবিষ্কার। এটা এক ধরনের ইনোভেশন। যে স্ত্রী তার স্বামীকেই ভালোবাসে সে কোন অপর পুরুষের লোলুপ দৃষ্টির বিষয় হতে চাইবে না। কিন্তু সমাজটাতো এমন নিয়ম করে দেয়নি যে, লোলুপ পুরুষটিকে ধরে শাস্তি দেবে। সুতরাং উদ্যোগটা তখন নারীই নিতে পারে- নিজেকে রক্ষার।
আমি কিন্ত বিষয়টাকে নারীর উপরই ছেড়ে দিচ্ছি। এটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ। ব্যক্তিগত অনুভূতির বিষয়।

২. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:০৩
বাংলাপ্রতিদিন বলেছেন: আদালতকেই সরকার পরিচালনা করতে দেয়া উচিত।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: হা হা...পৃথিবীর আদালত চালিত দেশ হতে পারে বাংলাদেশ।

২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি দেখি আমার প্রায় সব কথাকেই ভালো কথা বলছেন। ভালো কথা। :)

৪. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:০৭
মহানাম বলেছেন: বেগম রোকেয়ার দেশ থেকে বোরকাটাই তুলে দেওয়া উচিত। এই বিশেষ পোষাক আজকাল কত যে অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত হয়ে গেছে, তার হিসেব দিলে আর একটা হাদিস হয়ে যাবে।
২৪ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ৯:০১

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: অযথাই হাদিস শব্দটি ব্যবহার করলেন। বেগম রোকেয়ার রচনাবলী একটা হোলি গ্রেইল। তিনি ভাষার মারপ্যাচে অনেক কথাই বলেছেন।
তবে একটা কথা তিনি বারবার পরিষ্কার করতে চেয়েছেন, তিনি নারীদের মানসিক দাসত্ব মোচনের কথা বলেছেন। আর এর জন্য যদি বোরকাও ত্যাগ করতে হয় তিনি তা করতে বলেছেন। সুতরাঙ মূল বিষয় হচ্ছে মানসিকতার পরিবর্তন।

পুরুষ ইচ্ছে করলে নারীকে বোরকান্দী করছে, আবার ইচ্চে হলে তাকে বারে নিয়ে যাচ্ছে, এতে নারীর কোন মর্যাদা নেই। নারী তার ইচ্ছায় তার মর্যাদা নিয়ে তার সিদ্ধান্ত নিক- এটাই ছিলো বেগম রোকেয়ার ইচ্ছা। অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধে তিনি একথা পরিষ্কার বলেছেনও।

নারীর মর্যাদা কিংবা প্রগতিশীলতা তো উন্মুক্ততা কিংবা নিজেকে দশজন পুরুষের কাছে প্রার্থণীয় করে তোলার মধ্যে নয়। বরং তার যোগ্যতা ও ব্যক্তিত্বের মধ্যে। আপনি বেগম রোকেয়ার মাথায় আচল তোলা একটা ছবি আর হালের তসলিমা নাসরিনের খোলামেলা একটা ছবির দিকে তাকালেই বুঝবেন নারী মুক্তির রহস্য কোথায়।

বেগম রোকেয়ার জন্য আবারও শ্রদ্ধাঞ্জলি।

৫. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:১০
চন্দ্রবিন্দু ও আরও অনেকে বলেছেন: ৪৬৮ নম্বর মাইনাস চলিতেছে, ৫০০ পূর্ণ করুন, ইতিহাসের অংশ হোন।

Click This Link
৬. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:২২
অসিমের সিমানা বলেছেন: @নীল পরী,ধরুন আপনার অনেক মুল্যবান সম্পদ আছে।ডাকাত পড়তে পারে বা কেউ নিয়ে যেতে পারে এই ভয়েই তো আপনি আলমারি কিনবেন।আবার চাবি দেয়ে তালাও দিবেন।পারলে একজন দারোওয়ান রাখবেন তা দেখে রাখার জন্য।কেনো এত কিছু?ডাকাত যে আপনার ঘরে পড়বে তা কি আপনি জানেন?নাও তো পড়তে পারে?কিন্তু তারপর ও মানুষ এগুলো করে কারন, যদি ডাকাত পড়ে সেই ভাবনা থেকেই।
বোরখা পড়া টা কখনোই বাধ্যবাধক নয়।কিন্তু শালীনতা বজায় রাখা জরুরী।দেখুন,শারমিন লাকী ও শারী পড়েন আবার বিপাশা বসু ও শাড়ি পরেন।পার্থক্য টা কোন জায়গায় বুঝতে পারছেন আশা করি।
ব্লগার ক্লিন বলেছেন বোরখা পড়লে শালিনতা টা বজায় রাখতে সুবিধা হয় এই।
৭. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৫
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: বোরখা পড়লে শালিনতা টা বজায় রাখতে সুবিধা হয় এই।

উত্তম


ভ্রাতা গন আপনাদের উপরেও শালীনতার দায়িত্ব আছে
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: হুমমম... ভ্রাতৃগণেরও উচিত তাদের দৃষ্টিতে সম্বরণ করা। তাহলে কিন্তু ভগ্নীগন আরো সহজভাবে চলাচল করতে পারতো।

৮. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৭
জামিনদার বলেছেন: কি করবেন ভাই। সব কিছুই এখন মানুষের অধিকার। আর সেটা যদি ইসলামের বিরুদ্ধে হয় তাইলেতো মানবাধিকার তার অধিকারের ঝুড়ি নিয়ে হাজির হয়। বোরকাতো হিন্দুরা পরে না। পরে মুসলমান। আর যে মুসলমান সত্যিই ধর্মীয় অনুসাশনের কথা ভেবে নিজেকে এর আওতায় আনতে চায় তার জন্য বাধ্যবাদকতার প্রশ্নই উঠেনা। সে নিজেই হয়ত এটাকে সম্ভ্রম রক্ষার একটি পদ্ধতী মনে করে যা অন্যভাবেও করা যায়। কিন্তু যে এটা মানতে রাজি নয় অথচ তার সম্ভ্রম রক্ষা করতে চায় সে যদি অন্যকোনভাবে নিজের সম্ভ্রব রক্ষা করে চলে তাহলে তার জন্য বোরকা বাধ্যবাদকতার পক্ষে আমি নাই। তৃতীয়ত যে বিদ্রোহী মূলত সেই এবস ক্ষেত্রে অধিকারের প্রশ্ন তোলে। তাকে তার মত ছেড়ে দেওয়া হোক। রাস্তার উলুঙ্গ হয়ে অথবা অর্ধ নগ্ন হয়ে যদি তার নাচতে ইচ্ছা হয় তাহলে সে নাচুক। কারণ তাদের কাছে নৈতিকতার অর্থ কিন্তু অন্যরকম। আমি উলুঙ্গ হয়ে চলব এটা আমার অধিকার কিন্তু আপনি চোখদুটি হাতে নিয়ে হাটবেন। তাকালেই ইভটিজিং, মানবাধিকার লংঘন।
দুঃখ লাগল প্রথম আলোর এই খবর নিয়ে বার বার প্রথম পাতায় উস্কানীমূলক পোষ্ট দেয়া হয়েছে। তারা অনেকই হিন্দু। এক পর্যায়ে আমি মদন নামে এক ভারতীয় দস্যু শিরোনামে যোগ করল মাদরাসায় বোরকা পরা বাধ্যবাদকতা নিয়ে পোষ্ট দিল। যেটা সম্পুর্ণ তার নিজের সংযোগ। আমরা এখানে ধর্মান্ধ, অসুস্থ্য, আরআত্ম পক্ষ সমর্থন করতে হলে বলতে হয় আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমাদের জন্ম সেখানে হয় নাই যেখানে জন্মহয় পরিচয় বিহীন।

ধন্যবাদ।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

আমার কাছে মনে হয় কি- বোরকা যতো না ইসলামিক পোশাক তারচেয়েও বেশী প্রতিরক্ষামূলক পোশাক। যেমন ধরুন, বাংলাদেশের সিনেমার নায়িকারা কয়েক বছর আগেও বোরকা পরে শপিং এ যেতেন। তারা নিশ্চয়ই পর্দা রক্ষার জন্য এ কাজ করতেন না। করতেন উটকো ঝামেলা থেকে বাচার জন্য।

অনেক চোরাকারবারী মহিলারা কিংবা ধরুন যারা রাস্তায় বাসে আপনার দিকে বিশেষ রোগের মহৌষধের লিফলেট বিলি করে- সেসব নারীরাও বোরকা ব্যবহার করে। সেটাও পর্দার জন্য নয়। বরং তাদের প্রতিরক্ষা ও পরিচয় গোপন রাখার জন্য।

সুতরাং, বোরকা যতো না ইসলামিক, তারচেয়ে তার ব্যবহারিক মূল্য বেশী। বিষয় টা হচ্ছে, ইসলাম যে ধরনের প্রতিরক্ষা চায় তা বোরকা দিয়ে সহজে করা যায়। ব্যস এটুকুই। যদি অন্য কোন পোশাকেও এ দাবী পূরণ হয়, তাহলে তাতেই সই।

৯. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:২২
কালের শপথ বলেছেন: কয়দিন পর রুল হবে.............................
সেনাবাহিনীতে নির্দিষ্ট পোশাক পড়তে বাধ্য করা যাবেনা।
হাসপাতালে নার্সদের ড্রেস কোড মানতে বাধ্য করা যাবেনা।
হাফ প্যান্ট পরেও ইমামতি করা যাবে।
১০. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:১৬
অলস ছেলে বলেছেন: হুমমম। :) এটা্ও ঠিক। আপনার কথাগুলো প্রায় সবই আমার ভালো লেগেছে। যদিও সব ভালো লাগা ঠিক না, মোহ সৃষ্টি হতে পারে, পক্ষপাত হতে পারে। দেখা যাক, লিখে যান, পড়ে যাবো আশা করছি।

ক্লিন /:)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৫০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই