somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... কেমন হচ্ছে বলতে পারেন?? বুঝতে পারেন!!!
ডিনা- সকলের অত্যন্ত প্রিয় এবং প্রতিরক্ষিত ডিনা। যাকে ঘিরে বেঁচে থাকে সবাই, যাকে ঘিরে জেগে ওঠে সবাই, যার সৌন্দর্যে বিমোহিত সবাই, যার রহস্যে আতিপাতি হাজারো বিদগ্ধ হৃদয়- সেই ডিনা পড়ে আছে। প্রায় প্রাণহীন।

আজ যা ঘটলো তা সাধারণের চেয়ে ভিন্নতর। ডিনার প্রতিরক্ষার জন্য যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করা হয় এখানে। প্রথমত তার অবস্থানটাই অনেকটা সেই রূপকথার রাক্ষসের প্রাণের মতো- বনের মাঝে পুকুর, সেই পুকুরের মাঝে গভীর তলায় রাখা কৌটার মধ্যে কালো ভোমড়া যেন ডিনা। তাকে খুঁজে পাওয়া সহজ বিষয় নয়। তাকে আঘাত করতে হলে অন্তত দুটি প্রাচীর পেরোতে হবে যে কাউকে। এই সুদীর্ঘ পথে নানানজন আছে বহিরাগত যে কাউকে চিনে ফেলার জন্য, তাকে আক্রমণ করার জন্য। ডিনা- তাই প্রায়শই নিরাপদ। তাকে বাঁচাতে গিয়ে কতজনকে অকাতরে জীবন দিতে দেখেছে ডিনা- যেন ট্রয়ের হেলেন । কতজনের ভালোবাসায় ধ্বংসযজ্ঞের চিরন্তন প্রবাহ তাকে ঘিরে। সেই ডিনা আজ অসহায় পড়ে আছে, নিথর এবং সম্ভবত মৃত।

দূরে অনেকের কোলাহল শোনা যায়। কারা যেন আসছে এদিকে। ধীরে ধীরে দলটা স্পষ্ট হতে থাকে। ডিনার দিকেই আসছে তারা। আরো কাছে আসে। অনেকগুলো ছোট ছোট প্রিটান। সাড় বেধে এগিয়ে আসছে। একটা ছোট খাট সেনাবাহিনীর মতো। প্রত্যেকের গায়ে একই ইউনিফরম। ছোট অক্ষরে লেখা আছে তাতে- পোজান ফোর্স। তারমানে পোজান বাহিনী তারা। আগে কখনো এখানে দেখা গেছে বলে মনে হলো না। একেবারে শেষের পোজান বাহিনী একদল বন্দী নিয়ে আসলো- কিছুটা ভিন্ন ধরনের প্রিটান তারা। প্রত্যেকের চোখে মুখে দুঃখের ছাপ। বুঝাই যাচ্ছে তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে পোজানদের হাতে বন্দী হয়ে অত্যন্ত বিষণœ। কিন্তু কিছু বোধহয় করা নেই তাদের আপাতত- পোজানদের কথা শোনা ছাড়া।
বন্দী প্রিটানদের ডিনার নিথর শরীরের কাছে এনে ঠেলে দিলো পোজান বাহিনী। ডিনার দিকে তাকিয়ে আতকে উঠলো তারা। কী করেছে এরা? কী ভয়ংকর পরিকল্পনা এদের। মনে মনে ভাবে তারা। পোজানদের কাছে কী এবার তবে পতন হবে সবার? ডিনার মৃত্যু অন্তত তাদেরকে তাই মনে করিয়ে দেয়।

কয়েকজন পোজান এগিয়ে আসে বন্দী প্রিটানদের জটলার কাছে। তাদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে বাছাই করে তারা। নেতা গোছের একজন আদেশ দেয়- যাদের নাম ধরে ডাকবো তারা সামনে এসে দাড়াও। জটলার প্রিটানগুলো ফিসফাস করে ওঠে। তারপর আবার চুপ হয়ে যায়।
হঠাৎ ডাক আসে- পলা!
পলা নামের একজন প্রিটান এগিয়ে আসে। অত্যন্ত অভিজাত কিন্তু কর্মঠ চেহারার একজন নারী।
পলার পিছনে পিছনে এসে একে একে দাড়ায় গৌড়, ট্রস, লজ এবং আরো অনেকে। বাকিরা রয়ে গেলো। সম্ভবত পরের কোন কাজের জন্য। বাছাই করা প্রিটানদের নিয়ে অন্য একটি জায়গায় রাখলো পোজান দলটি। তারপর তাদেরকে কিছু একটা নির্দেশ দিতে থাকলো। ট্রস আর পলার মুখের এক্সপ্রেশনই বলে দিচ্ছে মোটেই ভালো কোন কাজের নির্দেশ আসে নি তাদের জন্য। অসহায়ের মতো তাকালো তারা চারদিক। কাউকে চোখে পড়ছে যারা তাদেরকে এই সমূহ বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারে। পোজানদের সংখ্যা এত বেশী মনে হচ্ছে এদের বিরুদ্ধে কারো পক্ষে দাড়ানোই সম্ভব নয়।

উপায় অবশ্য একটা আছে। কিন্তু সে জন্য ডিনার সুস্থ থাকাটা খুব জরুরি। কতজনকেই তো এভাবে প্রতিহত করলো ডিনা। তার শক্তির গভীরতা বুঝা কঠিন। এমনসব শত্রুর বিরুদ্ধে ডিনা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে- ভীষণ শক্তিশালি এক একজন যোদ্ধা তৈরির তথ্য আছে ডিনার কাছে। কেবল সে-ই পারে তথ্যগুলোকে ব্যবহার করতে। ট্রস, লজ এরা সবাই এসময় ডিনার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সাহায্যে মিরেনের মাধ্যমে স্পেশাল বার্তা যায় রিবোর কাছে। তখন রিবো তৈরি করে দেয় শক্তিশালি এসব যোদ্ধাদের। এরা যখন আসে, নানা দলে, নানা অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তখন আক্রমণকারীদের দুরবস্থা দেখলে আসলেই মায়া লাগে।

এমন ঘটেছে অহরহ। কিন্তু সেজন্য ডিনার কর্মক্ষম থাকাটা খুব জরুরি। কিন্তু আজ আর হতে পারবে না। কারণ সবার আগে ডিনাকেই আঘাত করা হয়েছে। ডিনার অনুপস্থিতিতিতে কেউ আসবে না। অনেক কিছুই অব্যবহৃত রয়ে যাবে। অনেক শক্তিই অপ্রদর্শিত থেকে যাবে- শত্রুর সাথে লড়াইয়ের। বিনা বাধায় পোজানরা দখল করে নিচ্ছে ডিনার রাজ্য। দখল করে নিচ্ছে ট্রস, পলা আর লজদের। তারা বোধ হয় চিরন্তন দাস হয়েই থাকবে পোজানদের- যতদিন বেঁচে থাকে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29535636 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29535636 2012-02-05 22:02:54
ননফিকশন সায়েন্স ফিকশন। ..কেমন লাগলো জানালে উপকার হয়। অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে আছে ডিনা।
একটা জরুরি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছে ও। নির্দেশনা পেলে অনেকগুলো কাজ করতে হবে। এই অপেক্ষাটা তাই অত্যন্ত দুর্বিসহ লাগছে ওর কাছে। কিন্তু নিজে নিজে কিছু করা যাবে না। তথ্যটা আগে চাই।
প্রায় পাঁচ মিনিট হলো মিরেনকে সে পাঠিয়েছে রিবোর কাছে। একটা জরুরী বার্তা নিয়ে গেছে মিরেন। রিবো সে বার্তাটা পড়তে পারলে হয়!
আজ সকাল থেকে খুব বড় ধরনের একটা গোলমাল যাচ্ছে ডিনার চারপাশ জুড়ে। খুব সুরক্ষিত একটা জায়গায় বাস করে ডিনা । কখনোই এই সুরক্ষা দেয়ালের বাইরে যায়না ও। কিন্তু তারপরও চারপাশের অস্থিরতা বুঝতে পারে। এমন ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। প্রায়ই এ ধরনের পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। আর এসব সময়ে ডিনাকে খুব সতর্ক থাকতে হয়। মিরেনের মাধ্যমে রিবোর সাথে যোগাযোগটাও বাড়িয়ে দিতে হয় বহুগুণ। সে যোগাযোগটা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ভিন্ন। অনেক দ্রুত এবং নির্ভুল। কোন রকম এদিক সেদিক হলেই বিপর্যয়। ডিনা অবশ্য এখনো বড় ধরনের কোন সমস্যার মুখে পড়ে নি এ নিয়ে। মিরেন অনেক দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব পালন করে আসছে।

আরো বেশ কিছুটা সময় পাড় হয়ে গেলো। ঠিক কতটা সময়? ডিনা ঠিক বুঝতে পারে না। অপেক্ষার মুহুর্তগুলো সবসময় দীর্ঘ হয়।

ক্রমশই অস্থিরতা বাড়ে ডিনার। কিছু একটা ভাবতে যাচ্ছিল, হঠাৎ শরীরের ঠিক মাঝখানে একটা প্রচন্ড আঘাতে ভারসাম্য হারায় ডিনা। তারপর একটা তীক্ষ্ম ছুড়ির ধার বোধ করে পেটের দিকটায়। মুহুর্তে ডিনার শরীরটা বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে। পুরো ঘটনা ঘটতে সময় লাগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। ডিনা প্রচন্ড ব্যাথায় আঁতকে ওঠে থেমে যায়। চোখ বুজার আগ মুহুর্তে হঠাৎ তার মনে হয় টিফান তার কপাল ছুয়ে গেছে। আর কিছু অনুভব বা ভাবার সুযোগ পায়না ডিনা। নিঃসার হয়ে পড়ে তার দু’টুকরো শরীর।

টিফান বেশ খানিক্ষণ বিমূঢ হয়ে থাকে ঘটনায় আকস্মিকতা ও ভয়াবহতায়। ডিনা তাদের সবার জন্য কত প্রয়োজনীয় তা এখানকার ছেলে বুড়ো প্রত্যেকে জানে। তারা যেভাবে থাকে সেটা একক এবং সামষ্টিক দিক থেকে আলাদা যেমন তেমনি একও বটে। টিফান জানে তাদের এই এলাকার বাইরেই রয়েছে আরো এরকম লক্ষ লক্ষ বাসস্থান। সেখানেও তার মতো অনেকেই আছে। আছে ডিনার মতো, রিবোর মতো, মিরনার মতো সবাই। তারা জানে পরষ্পরের উপস্থিতি। এবং তাদের প্রত্যেকের সুস্থতার উপরই নির্ভর করে তাদের টিকে থাকা। যে কেউ এক জায়গায় সমস্যায় পড়লে তার প্রভাব পড়তে পারে আশপাশের আরো কয়েক জায়গায়। এমনও ঘটে বাইরের ইন্ধনে অনেকে বিগড়ে যায়। তারা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। তাদের দমন করার জন্য ব্যবস্থা নেয় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা বিভাগ। সমূলে বিনাশ করেই তবে ক্ষান্তি মিলে। এটা না করে উপায় থাকে না। বৃহত্তর স্বার্থে কাউকে না কাউকে তো হারাতেই হবে। ঘটে আরো অনেক বিচিত্র ঘটনা। হঠাৎ বহিশত্রুর আক্রমণ হয় তাদের জগতে। হাজার হাজার এলাকা ধ্বংস হয়ে যায়। এই ধ্বংসের খেলাটা শুরু হয় ডিনাকে দিয়ে। ডিনাকে কোনভাবে দখলে নিতে পারলেই সমগ্র এলাকাটা হয়ে ওঠে শত্রুর সহজ বিচরণভূমি। টিফান, মিরনা, রিবো সবাই তখন শত্রুর হয়ে কাজ করে। অন্যের ক্রিড়ণক হয়ে কাজ করা কী যে মানসিক যন্ত্রনার বিষয়। কিন্তু কিছু করার থাকে না তাদের। তখন তারা নিজেরই প্রার্থনা করতে থাকে কেউ এসে তাদের ধ্বংস করে দিক। বুঝে শুনে শত্রুর হাতে দেহমন সপে দেয়ার বোঝা থেকে মুক্তি চায় তারা।

আজ কী এমনই কিছু ঘটলো? ডিনার ওপর প্রথম আঘাতটা অন্তত তাই মনে করিয়ে দেয় টিফানকে। অন্ধকার ভবিষ্যতের আশঙ্কায় পাংশু হয়ে যায় তার মুখটা। কী করবে ভাবে? ডিনাকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টাটা করবে? করতেই হবে। এটাই তাদের সত্যিকার বেঁচে থাকার একমাত্র উপায়।
টিফান কাছে টেনে নেয় ডিনার নিস্তেজ শরীর। ভালোভাবে খেয়াল করে। ওর চোখের দিকে তাকায়। কোথায় যেন একটা হালকা জ্যোতি এখনো লেগে আছে। মুখটা ফ্যাকাসে হয়েছে বটে কিন্তু এখনো ঠিক প্রাণহীন বোধ হয় না। কী মনে করে টিফান দ্রুত হাত দেয় ডিনার পেটের দিকে, যেখানে তার দেহটা খন্ড হয়ে গেছে। গায়ের হালকা পলিমারের পোশাকটা একটু টেনে তোলে। সপসপ রক্তে ভেসে চুপসে গেছে পোশাক। টিফান ধীরে ধীরে সড়ায় পোশাকের আবরণ। ডিনার শুভ্র শরীরের কিছু অংশ উন্মুক্ত হয় ওর চোখের সামনে। ছিন্ন, রক্তে ভেজা।

আরো একটু গভীরভাবে দেখতে যাবে টিফান হঠাৎ ডিনার গলার দিকটায় চোখ যায় ওর। গলার কাছে একটা শক্ত আবরণ থাকার কথা ডিনার। ওটা সবসময় থাকে। টিফান সন্ধিগ্ধ চোখে আরো কাছে যায়। আতঙ্কিত চোখে আরো গভীরভাবে খেয়াল করে। মনে মনে প্রার্থনা করে- যা ভাবছে তা যেন না হয়। যেন দেখে অন্তত একজায়গায় হলেও আবরণটা আছে ডিনার গলায়। দ্রুত হাত দিয়ে খানিকটা পোশাক সরায়। নিজের চোখেই বিশ্বাস হয় না। একে একে সবগুলো জায়গা পরীক্ষা করে। ডিনার গলা থেকে বুক পর্যন্ত মিথেনের আবরণ থাকার কথা। সেটা নেই। কোথাও নেই। আকাশ থেকে তারার খসে পড়ার মতো সেগুলো উধাও হয়ে গেছে। বুঝতে বাকি থাকে না টিফানের। ঘরে শত্রু বিভীষণ- মনে মনে আওড়ায়। তারপর আতঙ্কের মাঝে কোথায় যেন একটা আশার আলো ঝিলিক দেয় ওর চোখের ভেতর।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29533036 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29533036 2012-02-01 01:54:53
একটি নতুন কণার খবর
http://www.scientiaonline.com/


অথবা, সরাসরি বিবিসির ওয়েবসাইটে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29508038 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29508038 2011-12-22 20:24:03
এই মুহুর্তে দশ জন আছে সাইট-টিতে...
http://www.scientiaonline.com/

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29485926 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29485926 2011-11-18 22:02:46
বিজ্ঞানের অন্ধকার দিনে.....
প্রতিদিনকার রুটিনমাফিক 'নেচার'-এ ঢুকে দেখি ইতালিয়ান বিজ্ঞানীদের অবস্থা খারাপ ।ভূমিকম্পের আভাস ঠিকমতো দিতে পারেন নি বলে নয়, বরং মানুষকে আশ্বাস দিয়ে ঘরে থাকতে বলেছিলেন বলে ২০০৯ সালের ভূমিকম্পে নিহতের আত্মীয়স্বজনরা মামলা করেছে। মামলা চলবে। বিজ্ঞানীদের কাঠগড়ায় দাড়ানোর দিনক্ষণ বলে দিয়েছেন বিচারক।
লিংক- Click This Link

ওই খবরের নিচেই আছে- ধুণ্ধুমার মারামারি কম্পিউটার গেম খেললে বাচ্চাদের মাথা খোলে এমন দাবী করা গত প্রায় এক দশকের গবেষণার ফলাফলকে সাজানো হিসেবে দেখিয়েছে আরেকটি নামকরা জার্নাল তার খবর। বিজ্ঞানীরা টাকার বিনিময়ে এমন উদ্ভট গবেষণাফল দেখানো শুরু করেছেন, কী বলবো। এইসব গবেষকরা কী বুঝে না এখন থেকে একশ বছর বা হাজার বছর আগে শিশুরা কম্পিউটার গেম খেলতো না, তাতে তাদের মস্তিষ্কের বিকাশ থেমে থাকে নি।
লিংক: Click This Link
শেষ পেড়েকটা আসলো ডার্ক মেটার বিষয়ক থিওরির অবিশ্বস্ততা নিয়ে। গণিতের নানা মারপ্যাচে এমনসব তত্ত্ব আসছে এখন-কোন আসল কোনটা নকল বুঝা মুশকিল।
লিংক: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29449705 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29449705 2011-09-17 13:15:26
তিস্তা চুক্তি ও ট্রানজিট অধিকার থেকে অনুগ্রহ ভারতের পানিসম্পদ মন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এলেন। সাথে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। বাংলাদেশের দাবি অনুযায়ী ত্রিশ শতাংশের উপরে পানি দিতে শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছেন মমতা। যারা তাকে এতদিন অত্যন্ত নির্দয় ভেবেছিলো, তারাও শেষ পর্যন্ত মমতার এই গভীর মমত্ববোধে আপ্লুত। বাংলদেশের মানুষের প্রাণের দাবি তিস্তার পানির হিস্যা দিতে রাজী হয়েছে বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারত। এবার বাংলাদেশেরও দায় ভারতের প্রতি তার বন্ধুত্বের প্রমাণ রাখা। এখন থেকে কয়েক মাস আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর ঢাকা সফরকালে বাংলাদেশ অত্যন্ত দৃঢ়তার (!?) সাথে ভারতের মূল দাবি ট্রানজিট চুক্তির সাথে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিকে জড়িয়ে দিয়েছিলো। প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও উপদেষ্টারের দৃঢ়তার কারণে এমনকি মনমোহন সিং-এর কাছেও নত হয়নি বাংলাদেশ। হোন না তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সরাসরি তাকে জানিয়ে দেয়া হয়- তিস্তা চুক্তি না হলে ট্রানজিট বিষয়ক কোন চুক্তি বা স্মারকে সই করবে না বাংলাদেশ- করেও নি। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বারংবার আশাবাদ সত্ত্বেও তাই শেষ পর্যন্ত তিস্তা চুক্তি না হওয়ায় ট্রানজিট বিষয়ক কোন ধরনের কাগজেই সই করে নি বাংলাদেশ।
যারা আশংকা করেছিলেন- আওয়ামীলীগ ‘বিনা যুদ্ধেই দেশের মেদিনি’ ভারতের কাছে সপে দিয়ে বসে আছে তারাও শেষ পর্যন্ত মুখ লুকাতে বাধ্য হন। আওয়ামীলীগ সরকার হতে পারে ভারতের বন্ধু, কিন্তু দেশের স্বার্থ রক্ষায় তারা বদ্ধ পরিকর। সে প্রমাণ তারা দিয়েছে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি না হওয়ায় ট্রানজিট সংক্রান্ত চুক্তি বা সমঝোতা স্মারকে সই না করে।
কিন্তু এখন প্রেক্ষাপট ভিন্ন। যে মমতা ব্যানার্জীর কারণে শেষ পর্যন্ত নাকে খত দিতে হয় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে- শেষ পর্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করেও যার জন্য তিস্তা চুক্তির বায়বীয় আশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দিতে পারেন নি, সেই মমতা ব্যানার্জীকেই দেখা যাচ্ছে সানন্দে তিস্তা চুক্তি মেনে নিচ্ছেন। বাংলাদেশের জন্য এ এক বিরাট কূটনৈতিক বিজয়। কূটনৈতিক প্রজ্ঞা থাকলে ছোট দেশ হয়েও যে বড় দেশের বিরুদ্ধে জয়লাভ করা সম্ভব তার প্রমাণ দিয়েছে বাংলাদেশ। গওহর রিজভী’র ত্রিকালদর্শী পররাষ্ট্রীয় অভিজ্ঞতা, ড. আলাউদ্দিনের ভদ্রতার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ আর অর্থমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনিঃশেষ আশাবাদ শেষ পর্যণÍ বাংলাদেশকে এ বিজয় এনে দিয়েছে।

এখন ভারতের এই বন্ধুসুলভ আচরণের পর ট্রানজিট বিষয়ক চুক্তি সই করতে বাংলাদেশের আর কোন বাধা রইলো না। সুতরাং তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির পর এখন প্রত্যাশা মতো ভারত-বাংলাদেশ ট্রানজিট বিষয়ক চুক্তি সাক্ষরের আয়োজন শুরু হচ্ছে।

কয়েকমাস পরের ঘটনার বর্ণনা হিসেবে কেমন লাগলো উপরের বিবরণ? খুব অস্বাভাবিক লাগলো কী? লাগার কারণ তো নেই। কারণ, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সফরের পর দেশের সাধারণতম মানুষটি থেকে শুরু করে শীর্ষ কূটনৈতিক ব্যক্তিত্ব সবাই এখন কী ভাবছে? ভাবছে- “তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সই করলি না ভারত, দেখ্ আমরা ট্রানজিটও দিলাম না।” এ কথাটিকেই ঘুরিয়ে বলা যায়- “আমাদের সাথে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি করো ভারত, আমরা তোমাকে ট্রানজিট দেব”। তিস্তার পানি- যা আমাদের ন্যায্য অধিকার, তার বদৌলতে এভাবেই ট্রানজিটের মতো একটি স্পর্শকাতর ও বাংলাদেশের একমাত্র শক্তিশালী কূটনৈতি গুটিকে নিজের আয়ত্বে নিয়ে নিলো ভারত। এতদিন ভারত ট্রানজিট চাইতো, আর এখন আমরা তাদের ট্রানজিট দেয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির মতো নগন্য একটি বিষয়কে (কেন নগন্য বলছি তা পরে আসছে) যে অনবদ্য কূটনৈতিক দক্ষতায় ট্রানজিটের মতো একটি মহা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সাথে যুক্ত করে ফেললো ভারত তা আমাদের কর্তা ব্যক্তিরা বুঝেছেন কি-না জানি না। কিন্তু তিস্তা চুক্তির বিষয়টিকে এভাবে সামনে এনে আমাদের সর্বনাশ যা হবার হয়ে গেছে। আমাদের অনভিজ্ঞ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর বোধহীন মন্ত্রীগণ উপদেষ্টাদের দুষ্টচক্রে (ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়) পা দিয়ে দেশের সর্বনাশের পথ উন্মুক্ত করেছেন। সে পথে কেবলই হারানোর সম্ভাবনা অপেক্ষমান। ড. মনমোহন সিং-এর এ সফরের পর আমাদের আর তেমন কিছু পাবার নেই ভারতের কাছে। আমরা আমাদের সর্বস্ব হারাতে বসেছি।

আমি জানিনা লেখার শুরুতে আমি যে আশঙ্কার কথা বলেছি তা সত্যি হবে কি-না। না হোক সেটাই চাই। কিন্তু যদি কখনো সত্যি হবার সম্ভাবনা দেখা দেয় তাহলে আমাদের জনগণ যেন কিছুতেই তিস্তা চুক্তিকে ট্রানজিটের সাথে বিনিময়যোগ্য করে না তোলেন। আর এজন্য দরকার তাদের মধ্যে এ বোধ জাগ্রত করা যে, তিস্তা চুক্তি আমাদের অধিকার, আর ট্রানজিট ভারতের প্রতি আমাদের দান। আমরা আমাদের অধিকারকে যেন ভারতের অনুগ্রহ হিসেবে গ্রহণ না করি। বাংলাদেশের প্রায় সকল নদী ভারতের অবৈধ পদক্ষেপের কারণে মৃতপ্রায়। ট্রানজিটের বিনিময়ে আমরা শুধু তিস্তা নয় আরো অনেকগুলো নদীকে উদ্ধার করতে পারি- পদ্মা, ব্রক্ষ্মপুত্র, যমুনা- আরো অনেক নদী, আদায় করে নিতে পারি আরো অনেক অধিকার ও সুবিধা। আর যদি এসব ফিরে না-ই পাই তাহলে দরকার নেই তিস্তার পানি। বাংলাদেশ বাঁচলে তিস্তার পানি ছাড়াও বাঁচবে, আর মরলে কেবল তিস্তার পানি বাংলাদেশকে বাঁচাতে পারবে না। দেশের প্রধান নদীকে আমরা ভারতের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করতে পারি নি, শেখ হাসিনা সরকারের গত আমলের চুক্তি পারে নি, এবারের চুক্তিও আমাদের বাঁচাবে না। সুতরাং, তিস্তার চুক্তির বিনিময়ে যেন ট্রানজিট দেয়া না হয়। বর্তমান আওয়ামীগ সরকারে যদি একজনও দেশপ্রেমিক মন্ত্রী এমপি থাকেন- তাহলে সোচ্চার হোন, দেশকে বাঁচান, তারপর রাজনীতি করুন।
ড. মনমোহন সিং-এর সাম্প্রতিক সফরে বাংলাদেশ কী পেয়েছে তা হিসেব করা কঠিন। কিন্তু হারিয়েছে অনেক কিছু- তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনি যেভাবে শেষ পর্যন্ত অপদস্ত হলেন তা যেকোন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষের জন্য সহ্য করা কঠিন। এটা তার ব্যক্তিগত লাভ- লোকসানের বিষয় নয় কেবল, এটা দেশ হিসেবে আমাদের অবস্থানকেও খাটো করেছে। এছাড়া সরকারের মধ্যে সমন্বয়হীনতার নগ্ন প্রকাশও দেখা গেলো এ সফরকালে। সরকারের দায়িত্বশীল এক এক ব্যক্তি নানা চুক্তি বিষয়ক বিপরীতমুখী বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করেছেন। সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হচ্ছে ড. মনমোহন সিং-এর সফরটিকে ঘিরে পুরো জাতিকে ভারতের কাছ থেকে কিছু পাবার প্রত্যাশায় উদ্বেল করে তুলেছিলো সরকারের প্রচারযন্ত্র। এ বিষয়টি আমাদের জাতীয় দৈন্যকেই আবার নতুন করে তুলে ধরলো। আমরা আমাদের সম্মান রক্ষার চেয়ে কিছু পাবার বিষয়টি সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দিয়েছি। ভারত সেটা বুঝেই হয়তো শেষ পর্যন্ত আর কোন কিছুতেই আগ্রহ দেখায় নি। করজোড়ে দণ্ডায়মান কাউকে কিছু দেবার নৈতিক দায় থাকতে পারে, বাধ্যবাধকতা নেই। ভারত তাই নির্দ্বিধায় আমাদের সকল প্রত্যাশাকে অবজ্ঞা করার সুযোগ পেয়েছে।

ভবিষ্যতে যেকোন আলোচনার আগে দরকার আমাদের মেরুদ- শক্ত করা। আর দেশের ভিতরে দেশের স্বার্থ বিরোধী কাজে লিপ্ত কর্তাব্যক্তিদের দেশ থেকে বিতাড়িত করা। তবেই একসময় হয়তো আমাদের অধিকার আমরা আদায় করে নিতে পারবো। তা না হলে সকল অধিকারই ওদের অনুগ্রহে পরিণত হবে। যেমন হচ্ছে তিস্তার পানি। আর আমাদের সকল দানই হয়ে যাবে সম্প্রদান- যেমনটি হয়ে যাচ্ছে ট্রানজিট। যা ছিলো আমাদের শক্তি তা-ই এখন আমাদের সর্বনাশের মূল উপাদান হয়ে গেলো।

ক্লিন
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29448774 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29448774 2011-09-15 22:30:37
রেহমান সোবহানের দিদি.....
তো দেখলাম (আসলে শুনলাম) পক্ককেশ রেহমান সোবহান মমতা ব্যনার্জিকে একবারও তার নাম ধরে কোন কথা বললেন না- প্রতিবার বললেন 'দিদি।' যেমন- দিদি ডোন্ট লাইক শিব সংকর বা এই জাতীয় কিছু। আমি বুঝলাম না তারা কী একই মায়ের সন্তান?? এতদিন শুনতাম ভাসুরের নাম মুখে আনা যায় না। কিন্তু পাশের দেশের একটা মুখ্যমন্ত্রীর নামও যে আনা যায় না, তা অবশ্য জানা ছিলো না।

অবশ্য ভারতমাতার সন্তান হিসেবে তারা ভাই বোন হতেই পারেন। সে বিবেচনায় গেলে অবশ্য আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু এমন ভাই এদেশে পড়ে আছেন আর বোন পাশের দেশের এত বড় রাজনীতিক- বাঙলাদেশের তো সোনায় সোহাগা। কী যে আছে তার ভাগ্যে ভাই-বোনের চাপায় পড়ে কে জানে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29446414 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29446414 2011-09-11 21:44:59
আশরাফুল-সাকিব জুটি কতদূর যাবে?
ওরা দুজন ক্রিজে আজকের দিনটা কাটিয়ে দিতে পারলে তো একটা মহাকাব্য হয়ে যাবে। আশাকরছি কয়েকটা সেসন অন্তত কাটাতে পারবে।

শুভকামনা বাংলাদেশ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29426618 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29426618 2011-08-06 15:00:51
আইনমন্ত্রীর বক্তব্য শুনে মনে হলো- তবে তো এটা ছুড়ে ফেলারই যোগ্য গত কয়েকদিন ধরে সরকার পক্ষীয় লোকজন বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়ার একটি বক্তব্য নিয়ে বেশ হইচই করছেন। তিনি এক জনসভায় বলেছেন- ক্ষমতায় এলে বর্তমান সরকার কর্তৃক সংশোধিত সংবিধান ছুড়ে ফেলা দেয়া হবে। এই কথাটা শোনার পরপরই একটা কল্পিত ছবি ভেসে ওঠছে মনের পর্দায়- একটা ছোট আকৃতির বই। ছুড়ে ফেলা দেয়া হলো। বাতাসে ভাসতে ভাসতে বইটি গিয়ে পড়লো দূরে। হয়তো কাদায়, পানিতে বা নর্দমায়।

আজ আমাদের আইনমন্ত্রীর একটি বক্তব্য শুনে কল্পনাটাকে বাস্তবে দেখার লোভ হচ্ছে। একজন খুনিকে মাফ করেছেন রাষ্ট্রপতি। কোন আপত্তি ছিল না যদি খুনি রাষ্ট্রপতির কোন আপনজনকে খুন করত। তাহলে রাষ্ট্রপতির পূর্ণ এখতিয়ার আছে খুনিকে মাফ করার। কিন্তু তিনি যাকে মাফ করলেন সে খুন করেছে অন্য একজনের স্বামীকে বা অন্য একজনের বাবাকে। এই মৃত ব্যক্তির স্ত্রী বা সন্তানরা জানেই না তাদের খুন হওয়া আপনজনের হত্যাকারীকে মাফ করেছেন রাষ্ট্রপতি। পত্রিকা মারফত তারা খবরটি জেনেছেন। রাষ্ট্রপতির যদি ন্যূনতম মানবতাবোধ বা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকতো তাহলে নিদেনপক্ষে তিনি মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের সাথে কথা বলতেন। তা তিনি করেন নি। বয়সের ভারে ভোতা হয়ে আসা তার চেতনাবোধে এ ধরনের কোন প্রশ্নেরই উদয় হয় নি। তিনি খুনিকে ক্ষমা করেছেন।

খুন করা, খুনে সহযোগিতা করা যদি অন্যায় হয় তাহলে খুনিকে এভাবে ক্ষমা করাটাও বড় ধরনের অন্যায়। রাষ্ট্রপতি অন্যায় করেছেন।
আজ বিবিসি থেকে আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদকে বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি তার সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে এ ক্ষমা প্রদর্শন করেছেন। এটা বেআইনি কিছু হয়নি।
শুনে আমার চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করলো- এভাবে যদি একটি সংবিধানকে অপব্যবহার করা হয় তাহলে এ ধরনের সংবিধান ছুড়ে ফেলারই যোগ্য। যে সংবিধান অধিকারের নামে অন্যের অধিকার হরণের সুযোগ সৃষ্টি করে, আইনের শাসনের নামে আইনের অপপ্রয়োগকে উসকে দেয়- তা হাতে ধরার যোগ্য নয়। তা ছুড়ে ফেলারই যোগ্য।

আইনমন্ত্রী নিশ্চয়ই এতোটা অজ্ঞ নন যে তিনি জানেন না কোন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি এ ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। একটি ভালো উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে যে সুযোগ রাখা হয়েছে তার সবচেয়ে কলংকজনক ব্যবহার করলেন রাষ্ট্রপতি। তাহলে এ ধরনের সংবিধান দিয়ে কী লাভ? কার অধিকার সুরক্ষা দেবে এ সংবিধান?

শফিক আহমেদের কথা শুনে তাই একটি ছুড়ে ফেলে দেয়া সংবিধানের ছবি আবার মনের পর্দায় আকার চেষ্টা করলাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29417421 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29417421 2011-07-21 21:56:22
প্রথম আলোর উপসম্পাদকীয় দেখেন কি লিখছে মূলে যেতে যেতে এক পর্যায়ে সে লিখেছে- "যে পরিমল জয়ধর ভিকারুননিসার মতো একটি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন, তিনি নিশ্চয় নিজেও ভালো ছাত্র ছিলেন, তাঁর পরীক্ষার ফল নিশ্চয় উচ্চমানের, তিনি শিক্ষক হিসেবেও নিশ্চয় সফল ছিলেন (নতুবা ছাত্রীরা তাঁর কোচিংয়ে আকৃষ্ট হচ্ছে কেন?)।"


এই যদি হয় একজন কলাম লেখকের জ্ঞান গরিমা তা হলে আর কী বলার আছে। ভাগ্যিস সে বলে নাই- পরিমল দেখতে সুপুরুষ তাই মেয়েরা তার কাছে যায়।

এই বস্তাপচা জ্ঞান নিয়ে আসছে কলাম লিখতে। পরিমলের রাজনৈতিক নিয়োগ- বাংলাদেশের তীর্থস্থান কোটালিপাড়ায় তার জন্ম গ্রহণ- এসব বিবেচনায় আরো পাচজন হিন্দু শিক্ষকের সাথে একসাথে তাকে ভিকারুননিসায় নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো। এটা সবাই জানে। কিন্তু মোমেন সাহেব নিজেই আবার মেধাতত্ত্ব প্রদান করেছেন।

তারপর আরো নানা পরামর্শ তো দিয়েছেনই। কিন্তু সেসব পড়ার আর কোন ইচ্ছা জাগে নি। আপনারা পড়লে জানাতে পারেন সমস্যার মূলে গিয়ে কী পেয়েছেন এ ঘরকুনো লেখক।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29413856 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29413856 2011-07-16 07:16:13
ভিকারুননিসা নিয়ে এখনই আনন্দ নয়। নতুন ফাদের আশংকা
প্রথম আলো (যার যেকোন খবর বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়) বলছে, হোসনে আরা তিন মাসের ছুটিতে যাচ্ছে, তাই মঞ্জু আরা বেগমকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করা হয়েছে।

তারমানে সরকার আপাতত ইস্যূটিকে সামাল দিলো। তিনমাস পর হোসনে আরা আরো কিছু পশুসহ ভিকারুননিসায় আগমন করতে পারে।
আর এই তিন মাসে ভিকারুননিসায় চালানো হতে পারে শুদ্ধি অভিযান। বাদ পড়তে পারেন শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্ম হয়েছিলেন যেসব শিক্ষক- তারা।

বুঝতে হবে এ সরকারের প্রধানের সাথে সখ্যতা আছে হোসনে আরার। আর এই সরকার প্রধান প্রতিশোধ নিতে অত্যন্ত সিদ্ধহস্ত।

সুতরাং, এ বিষয়ে সবার চোখ কান খোলা রাখার অনুরোধ থাকলো। ন্যায়ের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক। সকল অপরাজনীতির উর্দ্ধে উঠুক মানবতা ও ন্যায় বিচার।

ব্লগিং কমিউনিটির জয়হোক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29412959 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29412959 2011-07-14 18:41:29
কমছে দেশ, পাঠ্যবইতে দেশের আয়তন সঠিকভাবে লেখা দরকার খবর অনুযায়ী সিলেটের বেশ কিছু ভূমি ভারতকে আপস রফার মাধ্যমে ছেড়ে দিচ্ছে সরকার। হয়তো বৃহৎ প্রতিবেশীর দাবীর কাছে নতি স্বীকার করা অবধারিত। কিন্তু সবকিছু স্বচ্ছতার সাথেই হওয়া উচিত।
আমাদের জানার অধিকার আছে কোন অংশটুকু আমাদের নয়। যেন ভুল করে ওই অংশে গিয়ে বিএসএফের গুলির শিকার না হই।

জৈন্তাপুর সীমান্তের খনিজ নিয়ে ভারতের একটা লোভ আছে। সেই লোভের কাছে আমাদের পরাজয় এমন কিছু না। আর আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বলতেও কিছু নেই এখন। সবকিছু ভালোয় ভালোয় হলেই ভালো। কী দরকার অযথা হাঙামার।
আর আমাদের পাঠ্যবইগুলোতেও দেশের এই সংকুচিত আয়তনের তথ্য দেয়া উচিত। সাথে দুটো মানচিত্র সংযোজিত করলেও ভালো হয়।- একটা এই সরকার আসার আগের, আরেকটা এই সরকার আসার পরের।

ক্লিন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29399546 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29399546 2011-06-20 07:51:26
কনকো ফিলিপ, ইউনুস টোপ ও দেশদ্রোহীতা
আজ পত্রিকায় এসেছে অধ্যাপক আনু মোহাম্মদের উক্তি- কনকোফিলিপসের সাথে যে চুক্তি হয়েছে তা দেশদ্রোহীতার শামিল। আমি একবার বলেছিলাম- কোন দেশের স্বাধীনতাই স্থায়ী ধারণা নয়। স্বাধীনতা যাদের মাধ্যমে আসে তাদের হাতেই স্বাধীনতা সবচেয়ে অনিরাপদ, যদি না সত্যিকার দেশপ্রেম থাকে তাদের। গত চল্লিশ বছরে আমরা জাতীয়ভাবে দেশপ্রেম অর্জনে ব্যর্থ হয়েছি। সামরিক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতারোহন কেবল ব্যক্তিস্বার্থকে সমুন্নত রেখেছে, দেশের স্বার্থকে নয়। তাই এতবছর পরও একটি 'দেশদ্রোহী চুক্তি' স্বাধীনতার তথাকথিত স্বপক্ষের দলের হাতেই সই হয়েছে। আর 'দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও' বলে ডাক দেয়া দেশের প্রধান বিরোধী দল এই চুক্তির বিষয়ে একটিও কথা বলে নি। কী দুর্ভাগ্য, কী অসহায় দেশ আমাদের!

আমরা এতটাই ঘুমন্ত, আমাদের বিবেক এতটাই অন্ধ, দলীয় আনুগত্যের বাইরে, দেশের প্রধানমন্ত্রী বা এলাকার সন্ত্রাসী সাংসদের বাইরে আমরা খুব কমই চিন্তা করি। নিজেদের বিবেকবোধকে সম্পূর্ণভাবেই অন্যদের কাছে সপে দিয়েছি। তারা যা বলে, তাতেই শতভাগ আস্থা। ভাবার চেষ্ট নেই- আসলেই কী হচ্ছে। যে বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুতিকাগার বলা হয় সেখানে এই চুক্তি নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য হয় নি। হওয়ার কথা না। ছাত্র সমাজ এখন পুরোটাই স্বার্থবাদী রাজনীতির একটা এক্সটেনশন মাত্র। নিজেরে শিক্ষায় নিজের সিদ্ধান্ত নেবার ইচ্ছা বা শক্তি কোনটাই নেই। এমন অবস্থায় দেশ নিয়ে খুব আশাবাদী হওয়ার উপায় নেই।

সরকার যে তাড়িঘড়ি করে মার্কিন কোম্পানী কনকোফিলিপসের সাথে চুক্তি করলো তা আরেকটি শর্তের বাস্তবায়ন মাত্র। এমন একটি অপমানজনক ও দেশ বিরোধী চুক্তি করার জন্যই শেষ পর্যন্ত ইউনুস ইস্যুতে পিছু হটেছিলো যুক্তরাষ্ট্র। যারা ইউনুস ইস্যুটিকে তারা ব্যবহার করেছিলো সরকারের উপর 'গিভ এন্ড টেক' চাপ সৃষ্টির একটি ধাপ হিসেবে। এ ধরনের আরো কিছু চুক্তি- যেমন, গভীর সমুদ্র বন্দর চুক্তি কিংবা একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের মার্কিন ইচ্ছার কাছে সরকারের নতজানু হবার নজিরও হয়তো দেখা যেতে পারে দূর ভবিষ্যতে। ইউনুস যুক্তরাষ্ট্রের কোন বিষয় নয়, বিষয় ছিলো তিনি ক্ষমতায় আসলে যা তারা পেতে চাইতো তা অন্য সরকারকে দিয়েও পাওয়ার চেষ্টা করা। গণতান্ত্রিক সরকারের কাধে অস্ত্র রেখে সব আদায় করে নিতে পারলে ব্যক্তিকে ক্ষমতায় বসানোর প্রয়োজন নেই তাদের।

আমার এ কথাগুলো হয়তো কারো কানেই বাজবে না। বাজার কথাও না। কারণ আমাদের বিবেকের কান এবং চোখ বহুদিন ধরেই বধির ও অন্ধ হয়ে গেছে। এখন আনু মোহাম্মদরা গলা ফাটিয়ে চিৎকার করলেও আমরা শুনবো না কিংবা তাদের কপাল ফেটে রক্তবন্যা বইলেও আমরা দেখবো না। অদ্ভুত অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছি আমরা। যারা অন্ধ তারাই এখন চোখে দেখবে এখানে। যাদের দেখার কথা ছিলো- তারা সব অন্ধ হয়ে গেছে যে!!

ক্লিন
৯.২৫
১৭ জুন ২০১১]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29397937 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29397937 2011-06-17 09:31:43
আপনিও পারলেন ‘মোহিত ভাই’? '''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
আপনিও পারলেন ‘মোহিত ভাই’?

উপরের প্রশ্নটা ড. ইউনুসের পক্ষ থেকে করা। গত দু’দিন ধরে দেশের ও আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিত যে অসম্পূর্ণ বা অসত্য বক্তব্য দিয়ে চলছেন, সেগুলো পড়ে নিজের মনেই হয়তো এই প্রশ্নটি করেছেন ড. ইউনুস। হয়তো অগোচড়ে দু’ফোটা অশ্রু ঝরে থাকবে তার চোখ থেকে। অথবা নীরব কান্নায় হয়তো আরো বেশী বেদনার্ত করেছেন হৃদয়।

এসবই আমার কল্পনা। জানি না, সত্যিই এরকম ঘটেছে কি-না ড. ইউনুসের ক্ষেত্রে। সত্যিই তিনি অশ্রুসিক্ত হয়েছেন কি-না তার এত কাছের মানুষগুলো তার ব্যাপারে এভাবে মিথ্যাচার করছে বলে। জানি না, তিনি কী করেছেন। তবে গত শনিবার একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত ২০১০ সালের ১৫ মার্চ অর্থমন্ত্রীর কাছে ড. ইউনুসের লেখা চিঠিটি পড়ে সত্যিই আমার চোখ সজল হয়েছে।
বাংলাদেশের মন্ত্রীরা মন্ত্রীত্বকে এতই উপভোগ করেন যে, এই পদের লোভের কাছে আর সবকিছু তুচ্ছ হয়ে যায়- সম্পর্ক, আবেগ, ন্যায়নীতি, বিবেচনাবোধ- সবকিছু। নইলে এতদিনের সম্পর্ককে পদদলিত করে, এত ভালোবাসার সম্পর্ককে অপমানিত করে কীভাবে অর্থমন্ত্রী পারলেন ড. ইউনুসের সম্বন্ধে এভাবে বক্তব্য রাখতে।
১৫ মার্চ নিজ হাতে লেখা চিঠিতে ড. ইউনুস শুরু করেছিলেন এভাবে- “প্রিয় মোহিত ভাই, আপনার হাত দিয়েই গ্রামীণ ব্যাংকের জন্ম হয়েছিল। এখন এই ব্যাংকের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশের সময় এসেছে। আমাকে এর পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরে আসতে হবে। দ্বিতীয় প্রজন্মের হাতে এর দায়িত্বভার তুলে দিতে হবে। এটা মসৃণভাবে হতে হবে। এ কাজটা আপনাকেই করে দিতে হবে। আমি সৌভাগ্যবান যে এই দায়িত্বটা আপনার ওপর বর্তিয়েছে।” এই চিঠিটির পরের অংশে ড. ইউনুস তার সরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা বলেছেন, কাদেরকে তার স্থলাভিষিক্ত করলে ভালো হয় সে সম্বন্ধে অভিমত দিয়েছেন।
অথচ গত দু’দিন ধরে কী শোনালেন অর্থমন্ত্রী?
এতো ভালাবাসা আর আস্থা যার ওপর, সেই ‘মোহিত ভাই’ মন্ত্রীত্ব রক্ষার মোহে এতটাই হিতাহিতবোধশূন্য যে, তিনি বলছেন- ড. ইউনুসকে তারা একটি সম্মানজনক প্রস্থানের পথ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ড. ইউনুস সেটা নিতে পারেন নি। অথচ গ্রামীণ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে- ড. ইউনুস এর আগেও একাধিকবার তার পদ ছাড়তে চেয়েছেন, কিন্তু পরিচালনা পরিষদ প্রতিবারই তাকে অনুরোধ করেছে থেকে যাবার জন্য। আর নিজের হাতে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানটি যাতে হঠাৎ কোন অস্থিরতার মুখে না পড়ে সেজন্য ড. ইউনুসও চেয়েছেন ধীরে ধীরে একটি পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠান থেকে সরে আসতে। সে পরিকল্পনায় সহযোগী হিসেবে জনাব মুহিতকে পেয়ে তিনি অনেকখানি নির্ভার ছিলেন। তার চিঠির ভাষায় সে ছাপ সুস্পষ্ট।

আমরা যদি ড. ইউনুসকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অপসারণের ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করি, তাহলেও বুঝতে পারবো জনাব মুহিতের সাথে তার সখ্য আসলেই অন্য পর্যায়ের ছিলো। নরওয়ের টিভি চ্যানেলে প্রথমবার ড. ইউনুসের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন আরো একধাপ এগিয়ে ড. ইউনুসকে ‘রক্তচোষা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন, তখন অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিত অনেক সাবধানী এবং সংযত মনোভাব ব্যক্ত করেছিলেন। গত দু’দিনও তিনি যে একেবারেই অসম্মানজনক কথা বলছেন ড. ইউনুসকে নিয়ে তা নয়- বরং তার কথায় সবসময় একটা দ্বৈত সুর ভেসে উঠেছে। মনে হচ্ছে তিনি তাই বলছেন, যা তিনি বলতে চান না। একবার তিনি বলছেন- “ড. ইউনুস বাংলাদেশের গর্ব”, “তাকে এভাবে নাজেহাল করায় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বাড়ে নি” (ড. ইউনুসকে নাজেহাল করলে ভাবমূর্তি বাড়বে এমন আশা তারা কীভাবে করলেন সে প্রশ্ন তোলা অবান্তর), আবার পরক্ষণেই তিনি বলছেন- যা ঘটলো তার জন্য তিনি নিজেই (ড. ইউনুস) দায়ী।
ড. ইউনুস কী করেছেন, তার কারণে কত সংখ্যক মানুষ দরিদ্র হয়েছে (?), ভিটে-মাটি ছাড়া হয়েছে (?) তা সরকারের মাথাব্যাথার কারণ হতে পারে। সরকার এজন্য ড. ইউনুসকে যত খুশি শাস্তি দিক। সে অধিকার সরকারের আছে, এবং সেটা তার দায়িত্বের মধ্যেও পড়ে। কিন্তু সেসবের কোন লক্ষণ আমরা দেখলাম না। আমরা দেখলাম কেবল প্রতিহিংসা আর ব্যক্তিগত খেয়াল খুশির নগ্ন ব্যবহার। দেশের একটি বৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সরকারী হস্তক্ষেপের এ যথেচ্ছ ব্যবহার সবার মাঝেই একটি ভীতি তৈরী করবে নিশ্চয়। আমরা এমনই অভাগা- আমাদের সকল অর্জন আমাদের উন্নতির সোপান না হয়ে অধোগতির রাজপথ তৈরী করে দেয়। যেমন দিলো ড. ইউনুসের নোবেল প্রাপ্তি। এখন মনে হচ্ছে তিনি যদি নোবেল পুরষ্কার না পেতেন তবেই আমাদের জন্য ভালো হতো। অন্তত আমাদের জাতীয় ক্ষুদ্রতাবোধের এ খবরটি বহির্বিশ্বে এভাবে ফলাও প্রচার পেতো না। খুবই অসহায়ভাবে নিজেদের পায়ে কুড়াল মারার এ প্রবণতা দেখে গেলো সকল বিবেকবান মানুষ। সরকারকে বোঝানো গেলো না তাদের গোড়ামীর কারণে কী অপূরণীয় ক্ষতির মুখে বাংলাদেশের ইমেজ।

ড. ইউনুস নিয়ে সরকারের এ প্রহসন শুরু হয়েছে অনেক আগ থেকেই। বাংলাদেশে ব্যাংকের অভাব নেই। সরকারী অনেক ব্যাংক সুষ্ঠু পরিচালনার অভাবে রুগ্ন থেকে রুগ্নতর হচ্ছে। কয়েকটি মৃত্যুপথযাত্রী। সরকার সেদিকে নজর না দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে কেন নিজেদের করায়ত্বে নিতে চাচ্ছে তা অনুধাবন করা খুব একটা কঠিন নয়। ইতোপূর্বেও আমরা বেশ কয়েকটি এনজিওকে সরকারের বশংবদ লোকের মাধ্যমে করায়ত্ত্ব করার অপচেষ্টা দেখেছি। ড. ইউনুস থাকলে সে চেষ্টাটা হয়তো করা যাচ্ছে না। এটা একটা কারণ। তবে ড. ইউনুসের প্রতি ব্যক্তিবিদ্বেষকেই অবশ্য সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন অভিজ্ঞমহল। বিশেষ করে তার রাজনৈতিক দল গঠনের চেষ্টায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবচেয়ে বেশী সমালোচনামুখর ছিলেন।

সরকারের নানা কর্মকান্ড ও বক্তব্যে ড. ইউনুসও হয়তো অনুমান করে থাকবেন গ্রামীণ ব্যাংক ছাড়তে হবে তাকে। সে জন্যই হয়তো অর্থমন্ত্রীকে চিঠিটি লিখেছিলেন তিনি, ২০১০ সালের ১৫ মার্চ। এখন থেকে প্রায় এক বছর আগে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ড. ইউনুসের সে চিঠির ব্যাপারে কোন রকম উদ্যোগ দেখা যায় নি সরকারের পক্ষ থেকে। ড. ইউনুসের পছন্দকে গুরুত্ব না দিয়ে সরকার মোজম্মেল হককে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ করে। অনেকেই প্রশ্ন করবেন- সরকার তো ড. ইউনুসের পছন্দকে গুরুত্ব দিতে বাধ্য নন। এ প্রশ্নকে গুরুত্ব দিয়েও বলা যায়- যে প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে নিজের জীবন ও স্বপ্নকে লালন করছেন ড. ইউনুস সেখানে তার পছন্দকে গুরুত্ব দিলে সরকারের এমন কিছু ক্ষতিবৃদ্ধি হতো না। বরং প্রতিষ্ঠানটি ও ড. ইউনুসের প্রতি আন্তরিকতা প্রকাশ পেত। সে সৌজন্যটুকু দেখানোর মতো উদরতা সরকারের মধ্যে ছিলো না। বরং নানাভাবে তাকে হেনস্তা করার কোন পন্থাই তারা বাকি রাখে নি। একের পর এক মামলা করে তাকে নাজেহাল করেছে। ভারতের নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদকে যখন এদেশে এনে প্রধানমন্ত্রী একুশের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করিয়েছেন, তখন আমাদের নিজেদের নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদকে আদালতে জামিন নিতে অস্থির থাকতে হয়েছে।

সরকারের এ বৈরিতার মাঝেও জনাব মুহিতের মাঝে হয়তো একটা আস্থার সম্ভাবনা খুঁজেছিলেন ড. ইউনুস। হয়তো ভেবেছিলেন এতদিনের ‘প্রিয় মোহিত ভাই’ তার অবস্থান ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে একটা সম্মানজনক সমাধান বের করবেন। কিন্তু সে আশা বাস্তবায়ন হলো না ড. ইউনুসের। রাজনীতির কাছে অন্য সকল ন্যায়নীতিই যে বিসর্জনীয়- সে চিরসত্যটাই অত্যন্ত বিকট হয়ে দেখা দিলো ড. ইউনুসের কাছে। তার ‘প্রিয় মোহিত ভাই’ তার জন্য কোন সম্মানজনক পথ খুজে দিতে পারলেন না। রাজনীতি আর ক্ষমতার মোহের কাছে বুঝি সবই অর্থহীন হয়ে গেলো।

সরকার একেবারে মরিয়া হয়ে ড. ইউনুসকে তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক থেকে উচ্ছেদ করলো। দেশের এবং দেশের বাইরের অনেক সমালোচনাও সরকারকে এ সিদ্ধান্ত থেকে টলাতে পারলো না। বাংলাদেশকে যাদের সমর্থনে বিশ্বে চলতে ফিরতে হয় তারা একজোট হয়ে অর্থমন্ত্রীর সাথে দেখা করে তাদের উদ্বেগের কথা জানালেন আনুষ্ঠানিকভাবে। তাদের এই জোটবদ্ধ উদ্যোগই প্রমাণ করে এর আগেও তারা অনানুষ্ঠানিক চ্যানেল ব্যবহার করেও নিশ্চয়ই তাদের ভাবনাটা সরকারের কাছে পৌছে দিয়েছেন। এরফলে বাংলাদেশের কী ক্ষতি হতে পারে, আন্তর্জাাতিক মহলে কী ধরনের মূল্য দিতে হতে পারে তাও নিশ্চয়ই হুমকি হোক বা অনুরোধ হোক- দু ভাষাতেই অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু সরকার অত্যন্ত অবিচলভাবে ড. ইউনুসকে অপদস্ত করতে বদ্ধপরিকর। তাকে সম্মানজনকভাবে সরে দাড়াবার সুযোগটি তারা দিলেন না। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘাড়ে বন্দুক ঠেকিয়ে নিশানা ভেদ করলেন ড. ইউনুসকে আর সারা বাংলাদেশকে।

আদালতে গিয়েছেন ড. ইউনুস। বাংলাদেশের গত কয়েক বছরের আদালতের অবস্থা বিবেচনা করে বুঝা যায় রায় কী ধরনের রায় আসবে। খুব অস্বাভাবিক কিছু না হলে ড. ইউনুস তার প্রিয় গ্রামীণ ব্যাংকে আর কখনোই ফিরবেন না হয়তো। এত যত্ন করে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানটি হয়তো সরকারী লুটপাটের শিকার হবে। সেসব নিয়ে খুব একটা আক্ষেপ করি না। কেবল বারবার মনে হচ্ছে, যার কারণে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে নতুন একটি পরিচয় পেয়েছে, একটি উঁচু আসনে অভিষিক্ত হয়ে দেশের এবং দেশের বাইরের বাংলাদেশীদের গর্বিত হবার সুযোগ করে দিয়েছে তাকে এভাবে নাজেহাল করার অধিকার সরকারের নেই।

সরকারের এ পদক্ষেপের কারণে স্বাধীনতার পর আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জনটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এতদিন যে মানুষগুলো আমাদের দেখে সমীহ করতো তারাই এখন বাকা চোখে তাকাচ্ছে। নোবেল বিজয়ী একজন অর্থনীতিবিদকে আন্তর্জাতিকভাবে হেয় করে নিজেদের শেষ ভরসার জায়গাটুকুকে আমরা বিনষ্ট করেছি। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের নাগরিকদের এ অপূরণীয় ক্ষতি সাধনের জন্য সরকারকে অভিযুক্ত করার অধিকার আমাদের রয়েছে নিশ্চয়ই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29359080 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29359080 2011-04-08 08:37:02
ভালোবাসি বাংলাদেশ।
তারপরও তোমাদের সাথেই আছি...তোমাদেরই ভালোবাসি।

ভালোবাসি বাংলাদেশ, নিঃশর্ত ভালোবাসা।

হারলেও ভালোবাসি, জিতলেও ভালোবাসি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29338141 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29338141 2011-03-04 15:36:04
সামহোয়ার ইন..এ লগ ইন সমস্য; আমি যেভাবে সমাধান করেছি। আপনাদের সমাধানপদ্ধতি শেয়ার করুন।
নিজেই দ্বিধায় পড়ে গেলাম- পাসওয়ার্ড ভুলে গেছি নাকি একাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলো।

শেষ পর্যন্ত লগইন পেন এর নিচের দিকে থাকা "পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে এখানে ক্লিক করুন" লিংকে ক্লিক করলাম।
নতুন পাসওয়ার্ডটি আমার ইমেইলে পাঠানো হলো। সেই পাসওয়ার্ড দিয়ে নতুন করে লগইন করলাম।

অনেকেই বোধহয় এ ধরনের সমস্যায় পড়ছেন। আমার ধারনা পাসওয়ার্ড পরিবর্তন ছাড়া খুব একটা গতি নেই।

কেউ অন্য সমাধান পেলে শেয়ার করুন।


ধন্যবাদ।
হ্যাপি ব্লগিং। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29337986 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29337986 2011-03-04 12:10:06
আমার লেখা আমার সবচেয়ে প্রিয় কবিতা!!! মুক্তোবণিক


মুক্তোবণিক আমি
কেবলই এক একটা দিন
নতুন মুক্তো খুঁজি

অথচ কি ভাগ্য আমার
প্রতিবার ভুল করে
জড়ো করি শিশির কণা
আর তাই দিন দিন
বেড়েই চলে জলের সঞ্চয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29335926 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29335926 2011-02-28 23:52:23
স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব সম্বন্ধে অভিমত চাই
দেশে এটার দাম ৪৮-৫২ হাজার পর্যণ্ত ঘোরাঘুরি করছে। আমি বসুন্ধরায় খোঁজ নিয়েছিলাম। ভারতের বাজার থেকে কিনলেও মনে হচ্ছে ৪০ হাজার এর মধ্যে কেনা সম্ভব। (ওয়েব রিভিউ থেকে অনুমান করছি)।

আর ১০.২ যেটা এখন নতুন করে আসলো তার চেয়ে ৭.২ কী খুবই স্লো হবার আশঙকা আছে? পরেরটা আকারের সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেমেও উন্নতি এনেছে।

আগাম ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29335310 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29335310 2011-02-27 20:08:54
তবে কী আসছে গৃহপালিত নারী??
ভেবেছিলাম, এসবই হবে মহাজাগতিক প্রাণীদের হাতে মানবজাতি বন্দীত্ব বরণ করার পর। তাদের কাছে পরাজিত হবার পর।

না, তা আর হলো না। বরং কিছু মানুষ নিজেদের নামিয়ে নিল পশুর পর্যায়ে। অথবা কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নিজেদের তুলে নিলো ভয়ংকর ক্ষমতাধর মহাজাগতিক প্রাণীদের স্তরে- টাকার জোড়ে। ফলাফল- গৃহপালিত নারী।

সম্পৃতি ইঙল্যান্ডে টাকার জন্য এক মা তার বুকের দুধ বিক্রি করা শুরু করেছে। আর সেই দুধের আইসক্রিম বানাচ্ছে এক কোম্পানী। কোম্পানীটির দাবি শীঘ্রই তারা আরো মা জোগাড় করছে দুধ সংগ্রহের জন্য। কয়েকদিন পর নিশ্চয়ই এমন হবে- এসব মায়েদের আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করবে কোম্পানিটি। যাতে তাদের দুধের উৎপাদন বাড়ে। এভাবে হয়তো একদিন তৈরী করবে নিজস্ব খামার। যেখানে বড় বড় বুকের নারীদের তারা জায়গা দেবে।

যেহেতু অর্থই সবকিছুর চালিকাশক্তি হয়ে গেছে- এ কল্পনাকে আর আকাশ কুসুম ভাবার কারণ নেই। এসবই হয়ে যেতে পারে বাস্তব।

টাকার কাছে এভাবেই পরাজিত হবে মানবতা, মানবসত্ত্বা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29334715 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29334715 2011-02-26 20:10:21
আসুন মাতি সাকিব বন্দনায়
আজ সাকিব যে সাহসিকতা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে তাতে তাকে বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বসেরা অধিনায়কের মর্যাদা দিলে ভুল হবে না। জানি বলবেন, সামনে যে সাকিবের চেয়ে আরো ভালো অধিনায়ক আসবেন না তার ভিত্তি কী। আমি বলবো আজকে তার খেলা দেখার পর মনে হয়েছে- এর চেয়ে ভালোভাবে একটি দল পরিচালনা করে জয় তুলে আনা সম্ভব নয়।

আজকের জয়ের কৃতিত্ব আশরাফুল পাবে, শফিউল পাবে, রাজ্জাক পাবে, তামিম পাবে। কিন্তু সবার উপরে সাকিব। একদম শুরুতে এভাবে স্পিন ধরে আনা আর তারপর দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা ব্যাটিং এ ব্যর্থ আশরাফুলের হাতে বল দেয়ার মতো সাহস দেখিয়ে ২৩ বছরের ছেলেটি যেন ৯৩ বছরের বীরত্বের প্রমাণ দিল।

জয় বারবার হাতছাড়া হয়ে আশংকার মধ্যেও যেভাবে সাকিব অবিচলভাবে বোলিং পরিবর্তন করে গেছে- অসাধারণ।

সাকিব বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ক্রিকেট মেধা। আসুন সবাই সাকিব বন্দনায় মাতি। দোয়া করি, সাকিব দীর্ঘদিন সুস্থ থেকে আমাদের দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে যাক।

আমাদের এভাবে আনন্দে ভাসিয়ে দেয়ার জন্য সাকিব ও তার দলকে ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29334143 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29334143 2011-02-25 22:02:00
টু দ্য স্যান্ডস অব ডি (পঁচিশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে একটা ডায়েরিমূলক লেখা)। গত দুদিন ধরে আমার বুকের ভারটা নামছে না। যখন প্রথম শুনেছিলাম বিডিআর সদরদফতরে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে, আর যখন শুনলাম বিডিআর সপ্তাহের অনুষ্ঠান চলাকালেই শুরু হয়েছে এ সংঘর্ষ, তখন থেকেই মনটা ভয়ংকর পরিণতির চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে উঠছিল। কিন্তু সেটা যে এতোটা ভয়াবহ হবে তা ভাবতে পারিনি।
গত কয়েকদিন ধরে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় আমার। কেমন যেন সাফোকেটিং একটা অবস্থা অনুভব করি থেকে থেকে। যখন প্রথম শুনেছিলাম ভীত সন্ত্রস্ত সেনাকর্মকর্তাদের কেউ কেউ ম্যানহোল দিয়ে বের হবার চেষ্টা করেছে- জীবন রক্ষার্থে, তখন থেকেই এ অবস্থা। আমার। কেবল বারবার মনে হচ্ছিল তারা হয়তো কোথাও গিয়ে আটকে গেছে। নর্দমার থকথকে পানিতে নিঃশ্বাস নিতে পারছেনা। কোন দিক যাবে তাও বোঝার উপায় নেই পাতালপুরির অন্ধকারে। দুশ্চিন্তা আর অবসন্নতা তাদের ক্রমশ গ্রাস করে ভয়ানক যন্ত্রনাকর মৃত্যুর দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।
গত কয়েকদিন আমি থেকে থেকে অশ্রুসজল হয়ে উঠছি। যখন প্রথম শুনেছিলাম আমাদের দেশেরই এতোগুলো প্রশিক্ষিত মানুষকে হত্যা করার পর তাদের লাশের উপরও চলেছে নির্দয় নির্যাতন। যদিও তাতে তাদের কিছুই যায় আসেনা। মৃতের কাছে অত্যাচারের দাম কি। কিন্তু বেঁ‍চে আছি বলেই বারবার এসব দুর্ভাগা মানুষের মৃত্যুযন্ত্রনা অনুভব করে আতঙ্কিত হয়ে উঠি।
গত কয়েকদিন ধরেই আমি মৃত্যুর চেয়ে ভয়ংকর যন্ত্রনায় আঁতকে উঠি। যখন প্রথম শুনেছিলাম মৃত অফিসারদের বাসায় বাসায় হামলা করে তাদের পরিবারের ওপরও হয়েছে নির্বাধ নির্যাতন। তাদের অবুঝ শিশু, তাদের সদ্য কিশোরী কন্যা, তাদের অসহায় স্ত্রীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা চিন্তা করতে চাইনা। চিন্তা করার প্রয়োজন্ও নেই। কারণ আমার কাছে তাদের নির্যাতন যন্ত্রনাকে মৃতূর চেয়েও ভয়ংকর মনে হয়।
কিন্তু তুমি বুঝোনি। ভেবেছিলে এই তো..এমন গোলাগুলি বাংলাদেশে হতেই পারে। অথবা ভেবেছিলে কী আর হবে। একটু পরেই হয়তো থেমে যাবে। সবকিছু নরমাল হয়ে যাবে। আগের মতো।
হ্যা, সবকিছু সত্যিই নরমাল হয়ে যাবে আগের মতো। কেবল দেড়শ পরিবার কোন কারণ ছাড়াই তাদের অভিভাবকশুন্য হয়ে পড়ল। দেড়শ স্ত্রী তাদের জীবনের মধ্যবসন্তেই বিধবা হয়ে গেল। অসংখ্য শিশু, কিশোর- কিশোরী তাদের পিতা হারিয়ে দুঃস্বপ্নের চেয়েও ভয়ংকর স্মৃতি নিয়ে বেঁচে রইল।
আমি সেনাবাহিনীর ভক্ত নেই। পৃথিবীর সকল সৈনিকের চরিত্র এক। সে সুযোগ পেলেই হত্যা করে, ধর্ষন করে। এবং এর জন্য তার অনুতাপের অবকাশ নেই। সে গড়েই ওঠে এভাবে।
তারপরও মেনে নিতে পারিনা। আপন ভাইয়ের ওপর, তার স্ত্রী সন্তানের ওপর এ পৈশাচিক আক্রমন মেনে নিতে পারিনা।

কাকে জিজ্ঞেস করবো? একটা জাতিকে অপমান করার এর চেয়ে ভয়ংকর পন্থা আর কী হতে পারে? দেশের ভেতরে একটা সুরক্ষিত জায়গায় দেশের নিরাপত্তার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের নির্বিঘ্নে হত্যা করে, তাদের মৃতদেহকে চরম অসম্মান করে, তাদের পরিবারকে অপমানিত করে গেল তারা? এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে? ভাবি আর ধিক্কার দেই নিজেকে। এমন একটা দেশে জন্ম নিয়েছি যেখানে ষড়যন্ত্রকারীরা রাষ্ট্রক্ষমতায় যায়, ষড়যন্ত্রের হোতারাই আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হয়। এখন আর এসব নিয়ে ভাবিনা, আমার কষ্টের জায়গাও নয় ওটা।
আমি শুধু শিহরিত হই দুই দিনব্যাপী নারকীয় হত্যাকান্ডের খবরও নাকি রাষ্ট্রযন্ত্র পায় নি একথা ভেবে। কেন এতগুলো জীবন আর পরিবারকে এতবড় মূল্য দিতে হলো? জানতে পারবো কোনদিন। এটাই আক্ষেপ।
বাংলাদেশে বলেই হয়তো এতবড় ঘটনাও মিথ্যার আবরণে ঢাকা পড়ে যাবে। যেমনটি পড়ে আছে অতীতের আরো মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের ঘটনা। আহ!কী কষ্ট!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29333526 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29333526 2011-02-25 00:55:11
স্টুপিড কিউপিড বলে ঝরঝর অশ্রু ঝরায় চোখ থেকে
সাদা শাড়ি আর ফুল সজ্জার মেয়ে
টি শার্ট জিন্সের ছেলেটি অপরাধী ভঙিতে দাড়িয়ে থাকে ঠায়।
স্টুপিড কিউপিড দূরে ধনুক হাতে হা করে দাড়িয়ে ভাবে
ভুল জায়গায় নিক্ষেপ করেছিলাম তীর আমার।

"আমি কখন থেকে এখানে ওয়েট করছি"”
বলে বাস্পরুদ্ধ কন্ঠ ফোন থেকে নামিয়ে চোখের জল মোছে কালো মেয়ে
আর তিন কিলো দূরে টি এসসির মাঠে পিঠাপিঠি বসে বাদাম খায় ছেলেঠি অন্য মেয়ের সাথে
স্টুপিড কিউপিড ধনুক হাতে ছাদের ওপর হা করে দাড়িয়ে ভাবে
ভুল জায়গায় নিক্ষেপ করেছিলাম তীর আমার।

চোখের কাজল কালো অশ্রুর ধারা
ফর্সা চিবুক বেয়ে গড়িয়ে পড়ে মেয়েটির
ছেলেটি পিঠে হাত বুলিয়ে বলে
"কিছু করার নেই লক্ষীটি- মায়ের কথার বাইরে যাওয়ার সাধ্য নেই আমার।"
স্টুপিড কিউপিড ধনুক হাতে রিকসার হুডের ওপর হা করে দাড়িয়ে ভাবে
ভুল জায়গায় নিক্ষেপ করেছিলাম তীর আমার।

স্কুল পড়ুয়া সদ্য কিশোরী মেয়েটি ফ্যাকাশে মুখে বলে
“"না এটা ঠিক হবেনা”"
কাধে হাত রেখে তার কাছে টেনে আরো
লোভী ছেলেটির অভয়বাণী ফোটে মুখে
“"কেউ জানবে না, চল আমার বাসায় কেউ নেই আজ।”"

ছুড়ে ফেলে তীর ধনুক মাথায় হাত দিয়ে ভাবে কিউপিড
কাজ নেই আমার এ দায়িত্বে, আমি কতই না স্টুপিড
প্রেম নেই কোন, নেই কোন ভালোবাসা
শুধু লোভ আর নীচতাকেই এতোদিান ভালোবাসা ভেবে ভুল করে এসেছি!!

ক্লিন
ভ্যালেন্টাইনস ডে ২০০৯
রাত ১২৪৬.
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29326271 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29326271 2011-02-14 08:25:27
ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আমার যেখানে জন্ম এবং যে সময়ে, সেখানে ঠিকঠাক মতো জন্মদিন, ক্ষণ হিসেব রাখার উপায় ছিলো না। আমাদের সময়ের বেশীরভাগ মানুষের মতো আমার জন্মদিনটিও তাই বানানো- ১লা মার্চ। আমার বড় ভাইয়ের জন্মদিনও তাই। আমার সেজো ভাইয়ের জন্মদিনও তাই। আমাদের তিনজনের জন্মদিনই ১লা মার্চ। আমাদের সার্টিফিকেটেও তাই লেখা। সেটা নিয়ে বাসায় প্রায়ই হাসাহাসি হয় এখন। আমাদের বাসায় তাই কারোরই জন্মদিন পালনের কোন তাড়া নেই। বানানো জন্মদিন নিয়ে কী বা আগ্রহ থাকতে পারে।

আমার একবার আগ্রহ জাগলো- দেখি মায়ের কাছ থেকে উদ্ধার করা যায় কি-না। কোন সময়ে জন্ম হয়েছিলো আমার। সমগ্র পৃথিবী ভুলে যেতে পারে, কিন্তু একজন মা ভুলবেন না। একজন সন্তানের জন্ম তার কাছে পৃথিবীর সকল ঘটনার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একজন সন্তানের জন্মকাল তাই তার মনে স্থায়ী ছাপ ফেলতে বাধ্য। আমি মাকে বললাম, মনে আছে তোমার কোন সময়ে জন্ম হয়েছিলো আমার। মা দ্বিধাহীন কণ্ঠে বললেন- শেষ মাঘের রাতের শেষাংশে। মায়ের সে কথা থেকেই আমার জন্মদিনটি বের হলো- পহেলা ফাল্গুন। এখন ক্যালেন্ডারে তাকালে সেটা ১৩ ফেব্রুয়ারি পড়ে। তবে আমি পহেলা ফাল্গুন হিসেবে মনে রাখি। ফুল ফুটুক আর না ফুটুক- এটাই আমার জীবন বসন্তের প্রথম দিন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29325325 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29325325 2011-02-12 22:28:25
মাশরাফির বোঝা উচিত.....
মাশরাফি গত কয়েকদিন ধরেই চেষ্টা করে আসছেন তার ফিটনেস বোঝানোর। ঘরোয়া ম্যাচ্ওে খেলেছেন। বল করেছেন দশ ্ওভার। কোচ বলেছেন- ঘরোয়া ম্যাচ আর আন্তর্জাতিক ম্যাচ এক বিষয় নয়।

আমার মনে হচ্ছে- বর্তমান পরিস্থিতিতে কোচের কথা মেনে নেয়া ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই। মাশরাফি দলে থাকলেই আমরা বিশ্বকাপ ট্রফিটা হাতে নিয়ে ফিরবো এমন নিশ্চয়তা কউ দিতে পারে না। সে দলে থাকলে হয়তো তার ব্যক্তিগত লাভ হতে পারে। কিন্তু দলগত বিষয় বিবেচনা একটা নতুন প্রতিভাকে সুযোগ দেয়াটাই সময়ের দাবি। বিশেষত যেহেতু মাশরাফি পুরোটা আসলেই সেরে উঠেনি।


মাশরাফির বোঝা উচিত- ফিটনেস খেলার জন্য সবচেয়ে বড় শর্ত এবং ফিটনেসহীনতার কারণে যে কউ যেকোন সময়ে দল থেকে বাদ পড়তে পারে।
আমারা্ও এমন হুজুগে যে, মাশরাফির জন্য এখন মায়াকান্না করতে করতে চোখের জল নাকের জল এক করে ফেলছি। আর তাকে দলে নেয়ার পর যখন মাঠে দুই তিনটা বল করে খোড়াতে খোড়াতে সে মাঠ থেকে ড্রেসিং রুমের দিকে হাটা দিতো তখন আমরাই তার গুষ্ঠি উদ্ধার করে গালি দিতাম।

মাশরাফির উচিত বাস্তবতা মেনে নেয়া। তার এ ধরনের আচরণ দলের জন্য েক্ষতিকর। তার কারণে অন্যদের মনোসংযোগে সমস্যা হবে। অন্য বোলাররা অযথা চাপে ভুগবে। মাশরাফির জন্য ইনজুরি নতুন কিছু নয়। তার ভাগ্য খারাপ, ইনজুরিটা বিশ্বকাপের আগে আঘাত হানলো।

আর ইনজুরির কারণে অনেক বড় খেলোয়ারই অনেক বড় আসর মিস করেছেন। গত বিশ্বকাপ ফুটবলে বেকহাম তার বড় উদাহরণ। বেকহামের মতো অভিজ্ঞ হলে মাশরাফিকে হয়তো কোন একটা পোস্ট দিয়ে দলে রাখা যেতো। যেহেতু তার সুযোগ নেই- তাই মাশরাফিকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়া উচিত- তুমি এবার বিশ্বকাপ দলে কোন সুযোগ পাবে না। এনাফ ইজ এনাফ। আমাদের অন্য ছেলেদের নিয়ে ভাবা উচিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29322767 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29322767 2011-02-08 20:57:00
তোমাকে ভেবে কষ্ট পাই কোন প্রার্থনা বা প্রাপ্তি নেই
প্রাপ্তিহীনতার কষ্টও তো তাই থাকার
প্রশ্ন নেই কোন।

তারপরও প্রায়শই কষ্ট পাই
তোমাকে ভেবে কষ্ট পাই।
দুরন্ত কষ্ট পাই
দুঃসহ কষ্ট পাই
বসন্ত শেষে কোকিলের বিরহী আত্মার মতো কষ্ট পাই।
গভীর সমুদ্রে দিকভ্রান্ত নাবিকের উপকূল না দেখার মতো কষ্ট পাই।
প্রাণহীন মরুতে ওষ্ঠাগত প্রাণের মরীচিকার নৈরাশ্যের মতো কষ্ট পাই।
তোমাকে ভেবে অকারণ অকথ্য কষ্ট পাই।



ক্লিন
রাত ৯.৪৫
৫.২.১১
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29321005 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29321005 2011-02-05 23:33:37
এবং হিমু বিষয়ক কথকতা....
আজ আবার পুরনো একটা বই এক বসায় কম্পিউটার স্কিুনেই শেষ করলাম। ....এবং হিমু বইটা। অনেক আগে একবার পড়েছিলাম। আজ পড়ার সময় কিছু মনে পড়লো, কিছু পড়লো না। আমি বইটা শেষ করলাম - একই আবেগে, একই ভালোলাগায়।

ইরা মেয়েটার কথা আবার পড়লাম। আর মনে হলো- জীবনের প্রথম ভুল হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া- আর দ্বিতীয় ভুল হয়েছে শিক্ষকতা করা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েদের বিষয়ে উপন্যাসের লেখাগুলো খুব ভালো লাগে। তাদের দেখে বিমোহিত হওয়া, তাদের যুক্তির কাছে পরাজিত পুরুষের আনন্দ- সব ভালো লাগে। যদি কোন একটা কলেজে পাস কোর্স ডিগ্রী পড়তাম- তারপর একদিন হঠাৎ এক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ের সামনে পড়া যেতো- উপন্যাসের কোন একটা চরিত্র হওয়া যেতো তখন।

আর একট বিষয় উল্লেখ্য। জেমস আর হুমায়ূন আহমেদ উভয়ের ক্ষেত্রে। তারা দুজনেই তাদের আগের স্ত্রীর কাছে ছিলেন যখন, তখন তাদের সৃষ্টিতে আলাদা মাত্রা ছিলো, উন্মাদনা ছিলো। এখন তরুণী স্ত্রীর কাছে হয়তো জীবন কাটছে ভালোই- কিন্তু একজনের গান আরেকজনের লেখা লাটে উঠৈছে।ভালোবাসায় বুদ হয়ে থাকলে সৃষ্টিতে ভাটা পড়বে- এ আর বিচিত্র কী!!

ক্লিন
রাত ১০৩২
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29302528 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29302528 2011-01-05 22:34:20
জুমলা সাইট ওয়েব আপলোড করার পর নতুন কোন ফাইল আপলোড হচ্ছেনা ।
আমি একটি ওয়েব সাইট জুমলা দিয়ে তৈরী করার পর ওয়েবে আপলোড করেছি। সাইটটি চলছে ঠিকঠাক। তবে অসুবিধা হলো- আমি নতুন কোন ছবি আপলোড করতে গেলে বা সাইটের নাম পরিবর্তন করতে গেলে তা নিচ্ছে না। এরর দেখাচ্ছে। আর ওদিকে আমার এফটিপি ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ডও জানা নেই।
জুমলার সাইটে কি এফটিপি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক? বুঝছি না সমস্যাটা বোঝাতে পারলাম কি-না। তবে কেউ যদি বুঝে থাকেন, তবে পরামর্শ দেবেন।

-ক্লিন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29295549 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29295549 2010-12-24 22:44:13
শাহরুখের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর নাতনী না গেলেই তো না???
কিন্তু আমি লজ্জিত হলাম বঙ্গবন্ধু পরিবারের একটি মেয়েকে স্টেজে উঠিয়ে নানান অপকীর্তির মহড়া প্রদর্শনে। এই চামচাগিড়িটি না করলে হতো না? মেয়েটি বললো সে শেখ হাসিনার নাতনী। বুঝতেছি না কার মেয়ে সে। আর ছেলেটির জন্য মায়া লেগেছে। কাল থেকে সে কী করে মানুষের সামনে মুখ দেখাবে বুঝতেছি না। আমাদের এখানে নারীর অমর্যাদা আছে সত্যি। তবে আমরা পুরুষকেও মর্যাদার আসনে রেখেই নারীদের মর্যাদা সমুন্নত করতে চাই। সেটা হয় নি ঐ পর্বটায়।

শাহরুখের অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার নাতনী স্টেজে এসব না করলেও পারতেন। বঙ্গবন্ধু এবং দেশের সম্মান এতে বেড়েছে বলে মনে করি না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29287237 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29287237 2010-12-10 22:32:00
আতেল ! আর্মি স্টেডিয়ামে কী হচ্ছে এখন?? আমি অনুষ্ঠানটা দেখার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু এখন স্টেডিয়ামের কোন খবর নাই। দর্শকদের কী অবস্থা।

আমাদের আতেল আছেন সেখানে জানিয়েছিলেন। আপনি কী আপডেট দিতে পারেন?

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী বৈশাখী টিভির নাজেহাল অবস্থা দেখে মায়া লাগছে। আমরা এখনো অনেক পিছিয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনে তা বুঝা যাচ্ছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29287131 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29287131 2010-12-10 20:00:50
প্রথম আলো আর উৎপল শুভ্রর হীনমন্যতা: সাকিবে অনীহা কেন??
গতকালের ম্যাচটা জয়ের পেছনে অধিনায়ক এবং খেলোয়ার হিসেবে সাকিব আল হাসান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ক্রিকেট অধিনায়ক- এর কেৌশল ও ব্যক্তিগত নৈপূন্যের ওপর অনেকখানি নির্ভর করে। সে দুটো জায়গাতেই সাকিব ছিলেন সফল।

কিন্তু উৎপল শুভ্র তার মা-মু (মাশরাফি -মুশফিক) নিয়ে নিয়ে বিস্তর প্যাচাল পারলেও এই অধিনায়ককে নিয়ে একেবারে শেষে দয়া করে বোধহয় দু'লাইন লিখেছেন।

হতাশ লাগলো। এই কাণ্ড দেখে।
Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29285105 http://www.somewhereinblog.net/blog/clingb/29285105 2010-12-07 07:05:42