অর্থনীতিবিদের মতে সমগ্রবিশ্বে অর্থনীতিতে একটি কঠিন সংকট চলছে ।কেউ কেউ আবার এই সংকটকে অর্থনৈতিক প্রত্যার্বতন বলে আক্ষ্যয়িত করেন। সংকট বা প্রত্যার্বতন যেটাই হোক না কেন বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাজারে যে স্হবিরতা চলছে এরফলে সারা বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি আজ মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের পথ বা উপায় বের করার জন্য সম্প্রতি জার্মানীর লিন্ডাউ নামক একটি ছোটশহরে বিশ্বের সেরা অর্থনীতিবিদের উপস্হিতিতে একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো । ৬০টি দেশের প্রায় ৩০০জন প্রতিনিধি মধ্যে ১৪ জন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ এই সম্মেলনে অংশগ্রহন করেন । বিশ্বের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট সমন্ধে বিজ্ঞ অর্থনীতিবিদগণ যথেষ্ট ওয়কিবহাল আছেন। কিনতু সকল বিজ্ঞব্যাক্তিগণ সমূহ বিপদ ও হতাশার বানী ছাড়া এই দূর্যোগ মোকাবেলার জন্য কোন উপদেশ বা ব্যবস্হাপত্র সরবরাহ করতে পারেন নাই।অন্যদিকে আমাদের ড. প্রফেসর ইউনুস সাহেব এই সংকট থেকে উত্তরণ হবার আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।
১৯৯৭ সালে নোবেল বিজয়ী মাইরোন সুলেজ বিশ্বপুজিবাজার সংকট কিভাবে বা কবে শেষ হবে এবিষয়ে কোন ধারনা দিতে পারেন নাই।
১৯৯৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী রোবার্ট মেরটন গত বছরের চেয়ে এবছর বেশী হতাশাবাদী।
২০০০ সালে নোবেল বিজয়ী ডানিয়েল ম্যাকফেডেন বলেন যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন শিল্পে ধসের ফলে সৃষ্ট সংকট সারাবিশ্বে প্রভাব পড়েছে।
২০০১ সালে নোবেল বিজয়ী যোসেফ উজেন ষ্টিগলিজ বলেন বিগত বছরগুলোতে পুজিবাজার সঠিকভাবে পর্যবেক্ষন ও নিয়ন্ত্রন না করার ফলে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
১৯৮৪ নোবেল বিজয়ী রোবার্ট সলোঊ বলেন বিশ্ব এখন প্রত্যার্বতনের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করছে কিনা এখনও আমরা জানিনা, তবে এজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
অর্থনীতির এই ক্রান্তিকালে বড় বড় অর্থনীতিবিদের নিকট থেকে যখন হতাসা ব্যতিত কিছুই পাওয়া গেল না তখন জনাব ড. ইউনুস সাহেবের আশারবানী যেন সকল অন্ধকার দুর করে নতুন প্রভাত এনে দিল।
জনাব ড. ইউনুস সাহেবের মুখে ফুল চন্দনপড়ুক এবং তার ভবিষ্যতবানী বাস্তবে রূপলাভ করুক এ প্রত্যাশা করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

