প্রবাসে থাকার সুবিধা.....................
রাজনীতি নিষিদ্ধ তাই...
মিটিং-মিছিল-হরতাল নাই ।
উচ্চস্বরে মাইকের আওয়াজ নাই।
গ্যাস-পানি-ইলেকট্রিসিটির প্রবলেম নাই।
পকেটমারের উৎপাত নাই।
চুরি-ডাকাতির ভয় নাই।
অফিস আদালতে ঘুস-দুর্ণিতি নাই।
পঁচা ও বাসি খাবার নাই।
জানমাল ক্ষতির কোন ভয় নাই।
ভুমি-ঘর-দোকান দখলের কোন আশাংখা নাই।
ইভটিজিং নাই।
ফাও খাওয়ার কোন সুযোগ নাই।
ভিক্ষুক নাই। গৃহহীন মানুষ নাই। বিবস্ত্র মানুষ নাই।
অসুবিধা শুধু একটায়...............বিবাহিত হইয়াও ব্যাচেলর জীবন-যাপন করতে হয়...
দেশে এসে যে সমস্যাগুলোর সঙ্গে লড়াই করতে হবে.......
এয়ারপোর্টে ঘুস দিয়ে মালামাল বের করতে হয়।
ল্যাগেজ নিয়ে টানাটানি শুরু হয়।
বাসায় না ফেরা পর্যন্ত জানমালের ক্ষতি হওয়া সম্ভাবনা থাকে।
পকেটমার কতৃক মানি ব্যাগ-মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটে।
চাঁদাবাজ ও দলীয় ক্যাডারদের হাতে লাঞ্চিত হতে হয়।
গ্যাস-পানি-বিদ্যুতের সমস্যায় পড়তে হয়।
রাস্তা-ঘাটের নোংরা পরিবেশ হজম করতে হয়।
গাড়ীও মাইকের উচ্চ হর্ণ শুনতে হয়।
ট্রাফিক আইন অমান্য করে পথচারীদের রাস্তা পারাপারের দৃশ্য দেখতে হয়।
পার্কে কিংবা হোটেল রেস্তোরায় প্রেমিক-প্রেমিকাদের অবাধ মেলামেলা দেখতে হয়।।
স্কুলে যাওয়ার পথে ছাত্রীদেরকে ইভটিজারদের হাতে লাঞ্চিত হওয়ার দৃশ্য দেখতে হয়।
দুই প্রতিবেশী কিংবা দুই দলের মারামারির দৃশ্য দেখতে হয়।
রাজনীতিবিদদের গলাবাজি শুনতে হয়।
অফিস-আদালতে ঘুস দিয়ে গুরত্বপূর্ন কাজগুলি সম্পূর্ন করতে হবে।
প্রবাসে আসার আগে যে সমস্ত বিষয়গুলি খেয়াল রাখবেনঃ
১. আপনার সার্টিফিকেট অনুযায়ী এমআরপি পাসপোট তৈরী করুন।
২. যে দেশে প্রবাসী হবেন সে দেশ সম্পর্কে জানুন।
৩. সৎ ব্যক্তির কাছ থেকে ভিসা সংগ্রহ করুন।
৪. দালাল থেকে ভিসা নিয়ে প্রতারিত হবেন না।
৫. আপনার কর্মস্থল সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করুন।
৬. থাকা-খাওয়া কে বহন করতে জেনে নিন।
৭. দেশে আসা-যাওয়ার জন্য টিকেট ও লিভ সেলারী পাবেন কিনা জেনে নিন।
৮. ভিসা রেনুয়েল এর অর্থ কে দিবে জেনে নিন।
৯. কাজের আসায় প্রি ভিসায় আসবেন না।
১০. বিদেশ মানে টাকা আর টাকা এই কথাটি বিশ্বাস করবেন না।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



