আমার প্রিয় পোস্ট
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের কিছু বিধি সংশোধন হচ্ছে?? - মোর্শেদ নোমান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, আমাদের গলাবাজি, আমাদের দায়িত্ববোধ - শওকত হোসেন মাসুম
- বেলী ফুলের মালা........ - পুসকি
- চারিপাশে বুদ্ধিজীবীর দল, কিন্তু এদের দিয়ে দেশ বদলাবে না। - না বলা কথা
- শবে বরাতকে সামনে রেখে বেড়ে গেছে ভোগ্যপণ্যের দাম - নোয়াখালীর জাহিদুর রহমান
- আমি নতুন ব্লগার... - বৃষ্টি এবং নীলা
দেশের পোশাক শিল্পে অসন্তোষের নেপথ্যে কি BGMEA নিজেরাই???
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০
ঈদে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেওয়ার জন্য সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে তিন হাজার কোটি টাকা চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের জন্য ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি- বিজিএমইএ। একই সঙ্গে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দ্রুত দিয়ে দেওয়ার জন্য পোশাক শিল্প-মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
ব্যবসা খারাপ হওয়ার কারণ দেখিয়ে ঈদে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেওয়ার জন্য সরকারের মন্দা মোকাবেলায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে তিন হাজার কোটি টাকা চেয়ে গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে বিজিএমইএ।সংগঠনের সভাপতি সালাম মুর্শেদী তখন বলেছিলেন, ব্যবসা ভালো না হওয়ায় ৪০ শতাংশ পোশাক কারখানা মালিক ঈদে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দিতে পারবে না। শ্রমিকরা বেতন-বোনাস না পাওয়ায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হলে তার দায়িত্ব তারা নেবে না বলেও জানিয়েছিলেন মুর্শেদী। বেতন-বোনাস না পাওয়ার আশঙ্কা থেকে স¤প্রতি বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন মিছিল-সমাবেশ করে।
ওই সংবাদ সম্মেলনের চার দিনের মাথায় সোমবার সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বিজিএমইএ ভবনে সাংবাদিকদের বলেন- আসলে মন্দায় আমাদের যে ক্ষতি হয়েছে, মনের সেই কথাটাই আমরা বলতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু হতাশায় আমাদের 'এক্সপ্রেশন' (আচরণ) চেঞ্জ হয়ে গিয়েছিল এবং ল্যাঙ্গুয়েজে কিছু ভুলভ্রান্তি হয়েছে। গত ৩০ বছরে শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে তিলে তিলে এ শিল্প গড়ে উঠেছে মন্তব্য করে মহিউদ্দিন আরো বলেন, "গত কয়েকমাস ধরে রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দুমাসে প্রবৃদ্ধি কমেছে। তাই এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য সরকারের সহযোগিতা দরকার। এ সহযোগিতাকে আপনারা ভিক্ষা বলতে পারেন।
বিজিএমইএর বিরুদ্ধে সরকারকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ ওঠে বিভিন্ন মহলে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও বিজিএমইএ-র বক্তব্যের সমালোচনা করেন।
এখন নানা মহল থেকে বিজিএমইএর আচরণ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। কেউ কেউ প্রশ্ন করছেন – গত কিছুদিন পোশাক শিল্পে যে অস্থিরতা- যে শ্রমিক অসন্তোষ তা কি বিজিএমইএর তৈরি কিনা। অনেকে বলছেন এটা অসম্ভব কিছুনা।
তারা বলছেন গার্মেন্ট ব্যবসায়ীরা যখন অতিরিক্ত ব্যবসা করেন তার ভাগ কি শ্রমিকদের দেন- নাকি সরকারকে দেন? তাহলে লোকসানের ফিকির তুলে সরকারকে ব্ল্যাকমেইল করার এই চেষ্টা কেন?
বেতন বোনাসের দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষ হলে দায়িত্ব তারা নেবেন না বলে বিজিএমইএ সভাপতি প্রকারান্তরে শ্রমিক অসন্তোষেরই উস্কানী দিয়েছিলেন।
সরকারের উচিত নয়কি - বিষয়টি ভালভাবে তদন্ত করা????
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নাযীর আহমদ বলেছেন:
ডাল নে কুচ কালা হে ? ? ?
লেখক বলেছেন: অবশ্যই
ফয়েজ ০৮ বলেছেন:
জুতো পেটা করা উচিৎ
লেখক বলেছেন: যা বলেছেন
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
সরকারী সাহায্য আর ইনস্যুরেন্সের টাকার লোভ। পোশাক শিল্পে মালিকের লস নাই কখনও, ছিল না, ভবিষ্যতেও লসের কোন সম্ভবনা আছে বলে আপাতত মনে হয় না।লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন
লেখক বলেছেন: জুতা পেটা সহ আরো অনেক শাস্তি তাদের প্রাপ্য
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন:
বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পে কিন্তু মূলত শ্রমিকরা-ই পণ্য; আর গার্মেন্টস মালিকরা মধ্যস্বত্ত্বভোগী। যার কিছু পৈতৃক জমিজমা এবং ঘটে কিছু মাল আছে, সে-ই ব্যাংক লোন নিয়ে একটা গার্মেন্টস চালু করতে পারে। কিন্তু গার্মেন্টস মালিকরা ভাব নেয় যেন তাদের জন্যই দেশের অর্থনীতি টিকে আছে। অথচ এ শিল্প প্রসারের সব কৃতিত্ব শ্রমিকদের।বৈশ্বিক মন্দার কারণে কোন গার্মেন্টস মালিক ঈদের কেনাকাটা বন্ধ রেখেছে?
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন:
তবে সবকিছুর-ই একটা ভাল দিক থাকে... রোযা-রমযানের দিনে বিজিএমইএ আমাদের ভালই এন্টারটেইন করল। ব্যবসা করবে তারা, আর শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেয়া লাগবে সরকারের।
লেখক বলেছেন: মামা বাড়ির আবদার
কুয়াশায় ডাকা বলেছেন:
ফয়েজ ০৮ বলেছেন: জুতো পেটা করা উচিৎ
লেখক বলেছেন: জুতা পেটা সহ আরো অনেক শাস্তি তাদের প্রাপ্য
লালসালু বলেছেন:
মন্তব্যকারিদের যে পোশাক শিল্প সম্পর্কে ধারনা কম তা কমেন্ট দেখেই বুঝতে পারছি। আমি একটা পোশাক শিল্পে চাকরি করি। গত বছর যেই পরিমান অর্ডার পেয়েছিলাম এই বছর তার অর্ধেক অর্ডারও পাইনি। মূল্যও গত বছর থেকে অনেক কমে গেছে। হাতে গোনা ১০/১২ টি ফ্যাক্টরি ছাড়া বাকি সব ফ্যাক্টরি এইবার চরম লস দিয়েছে। তারা ব্যবসা চালু রেখেছে শুধুমাত্র ব্যাঙ্কের ভয়ে। ফ্যাক্টরি বন্ধ করলে ব্যাঙ্ক ফ্যাক্টরির সকল সম্পদ নিলামে তুলবে।তবে কছু কিছু ফ্যাক্টরি ভালো মুনাফা করেছে। ব্লগে যেই ছবিটি দেখা যাচ্ছে 'ইয়াং ওয়ান' এই ধরনের ব্যাবসা প্রতষ্ঠান এখুব ভালো চলছে।
বেতন বোনাস সবারই ন্যয্য অধিকার। সরকারের উচিত, যেইসব প্রতষ্ঠান বেতন বোনাস দিতে অক্ষম তাদেরকে লোনের ব্যব্স্থা করা যাতে তারা বোনাস দিতে পারে।
লেখক বলেছেন: ভাইজান সবার একটা বিষয়ে বোধহয় ধারণা পরিষ্কার।
পোশাক শিল্প মালিকরা যখন প্রচুর লাভ করেছেন- একটা থেকে ১০টা কারখানা তৈরি করেছেন তখন সরকারকে অতিরিক্ত ট্যাক্সও দেননি.....
শ্রমিকদের এক পয়সা বেশিও দেননি।
এক বছর লস দিয়া... সরকারকে ব্ল্যাক মেইল করতে হবে সেটা কেমন কথা???
সাহোশি৬ বলেছেন:
মামা বাড়ির আবদার আর কি। কি চমৎকার ব্ল্যাক মেইল। হয় প্রণোদনা প্যাকেজের সিংহভাগ (৫০০০ কোটির মধ্যে ৩০০০ কোটি) আমাদের দাও, নইলে জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকো। এই সমস্ত ধান্দাবাজদের শুধু চাবকানো দরকার।প্রণোদনা প্যাকেজ দেয়া উচিৎ সেইসব শিল্পকে যারা আসলেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, যামন চামড়া শিল্প, চিংড়ি শিল্প ইত্যাদি।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন
সাহোশি৬ বলেছেন:
গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রীজ নিয়ে সরকারের সত্যি ভাববার সময় এসেছে। এসব ফ্যাক্টরীকে অতি সত্ত্বর শহরের বাইরে স্থাপন করা উচিৎ। যানজটের সমস্যা মোকাবেলা করতে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী শহরের বাইরে স্থাপন করা ছাড়া উপায় নাই।
লেখক বলেছেন: ভালো প্রস্তাব
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন:
@ লালসালুঃ লোকসান মালিক বহন করে, শ্রমিক নয়। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, প্রতি বছরই বেশ কিছু গার্মেন্টস মালিক শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেওয় নিয়ে গড়িমসি করে। এবার তারা ব্যাপারটিকে একটু "লীগ্যালাইজ" করতে চেয়েছিল। বৈশ্বিক মন্দায় লোকসানের কারণে কোন গার্মেন্টস মালিক ও তার পরিবার সদস্যরা ঈদের শপিং বন্ধ রেখেছেন? এমনকি কর্মকর্তারাও তো ঠিকই তাদের ভাগের মিঠাই টুকু ঘরে তুলে নিয়েছেন। লৈাকসানের প্রভাব শুধু শ্রমিকদের ওপরই কেন পড়বে?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
অতন্দ্র তওসিফ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















