আমার প্রিয় পোস্ট

কাঁদো, যখনি কাঁদতে ইচ্ছে করবে। কান্না শুদ্ধতম আবেগ প্রকাশের একমাত্র উতকৃষ্ট মাধ্যম। অতি সুখের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়, অতি দু:খের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়। কাজেই কাঁদো, কেঁদেই তোমার জীবনকে তুমি শুদ্ধতা দান করো। - তুর্কী মরমী কবি দাদায়েম ঈমাস

আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫২

শেয়ারঃ
0 0 0

আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি। জন্মের পর থেকে জীবনের এই শেষ প্রান্তে এসেও আমি একদিকে কাত হয়ে হেলে আছি। নিজেকে এখন মনে হয় পিসার ঐ হেলানো টাওয়ারটার মতো। ভালবাসা-ঘৃণায়, হিংসা-দ্বেষে, রাগে-ক্ষোভে, সরলতা-জটিলাতায় ক্ষুধা-তৃষ্ঞায়-কাতরতায় আমি প্রতিনিয়ত একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি। যদিও কখনোই আমি এই হেলে পড়াটাকে ভালভাবে ব্যবহার করতে পারিনি। তাইতো আমার জীবন বারবার হেলে পড়ার নির্মমতার শিকার হয়েছে। মাঝে মাঝে আমার হাসফাস লাগে। কবি সুনীল ৩৩ বছর অপেক্ষা করে ধৈর্য্য হারিয়ে শেষে হাহাকার করে বলেছিলেন "নাদের আলি, আমি আর কতো বড় হবো?" কবির মতো আমারো চিতকার করে বলতে ইচ্ছে করে, আমি আর কতো হেলে পড়বো? কতবার কতটুকু হেলে পড়লে আমি এই হেলে পড়ার নির্মমতা থেকে মুক্তি পাবো?

নিজের কোন জন্মদিনের কথাই আমার নিজ থেকে কখনো মনে আসেনা। হেলে পড়তে পড়তে আমার জন্মদিনের কথাও আজ মাথা থেকে ছিটকে পড়েছে। এখন সন্তানেরা, বন্ধু-বান্ধবেরা শুভেচ্ছা জানালেই মনে হয় যে ঐদিন আমি জন্মেছিলাম। ঐদিন থেকেই আমি পৃথিবী নামক কারাগারে বন্দী হতে বাধ্য হয়েছিলাম। সুখে-অসুখে, চৈত্র-বৈশাখে, বৃষ্টি-বাদলে, গ্রীষ্ম-বর্ষায়, আনন্দ-বেদনায়, রাগ-অভিমানে, বালতির জলে-চোখের জলে, হাসি-কান্নায়, প্রেমে-অপ্রেমে, ক্ষুধা-তৃষ্ঞায়, ঝগড়া-বিবাদে, মিলন-বিচ্ছেদে যারা দীর্ঘ দিন একসাথে ছিলেন, আজ থেকে অনেক বছর আগে ১লা ফাল্গুনে যারা তিন কবুলের এক সামাজিক শেকলের মাধ্যমে আবদ্ধ হয়েছিলেন এক মহান দৃঢ় বন্ধনে, তাঁদের পারস্পরিক ভালবাসার ফলস্বরূপ আমি পৃথিবীতে আবির্ভূত হলাম এবং একদিকে হেলে পড়তে শিখলাম। যদিও হেলে পড়াতে বরাবরই আমি বেশ হতবিহ্বল বোধ করি। তারপরও আমাকে হেলে পড়তে হয়েছে, আজও হেলে পড়তে হয়।

জন্মের পর প্রায় সাতটি বছর বাবাকে পাশে পাইনি। জীবনের প্রয়োজনে, ইদুর দৌড় দৌড়াতে দৌড়াতে বাবাকে দেশের সীমারেখা পার হয়ে পাড়ি দিতে হয়েছিল বিদেশে। কাজেই শুরু হয়েছিল আমার হেলে পড়া। মাকে বেশী কাছে পেয়েছিলাম, স্বভাবতই আমি মায়ের দিকে হেলে পড়লাম। ছোটবেলার কোন স্মৃতিই আজ বেশী মনে পড়েনা, শুধু এটুকু মনে আছে কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করতো কাকে বেশী ভালবাসি, মাকে না বাবাকে? আমি নির্দ্বিধায় উত্তর দিতাম, "আমি মাকে বেশী ভালবাসি"। যদিও কালে অকালে, সুযোগে-দুর্যোগে আমি অনেকবারই আমার বাবার দিকেও নির্দ্বিধায় হেলে পড়েছি।(ক্লোজআপহাসি)

সবচেয়ে বিহ্বল বোধ করতাম যখন আমার মা-বাবা দাম্পত্য কলহ নামক রোমান্টিক ঘটনার রোমান্টিসিজমে নিজেদের জড়িয়ে ফেলতেন। কলহের একপর্যায়ে আমার মা চিরাচরিত নিয়মে আমাকে নিয়ে নানার বাড়ির দিকে রওয়ানা হওয়ার পায়তার করতেন। আমি হতাশ দৃষ্টিতে দিশেহারা একটা ভাব নিয়ে মা-বাবা দু’জনের দিকেই তাকিয়ে থাকতাম। কার দিকে হেলে পড়বো তা নিয়ে মনে চলতো তুমুল যুদ্ধ। মা না বাবা.....বাবা না মা....আবার বাবা না মা.... অথবা.... মা না বাবা....। মা...বাবা...মা...বাবা...মা...মা...মা...বাবা...বাবা...বাবা...মা...বাবা...মা...বাবা চলতো আমার দীর্ঘ, জটিল পারমুটেশন কম্বিনেশন। কখনই কোন উত্তর খুজে পাইনি। যদিও চরম নির্মমতায় আমাকে সবসময়ই কারও না কারও দিকে হেলে পড়তে হতো। বড়োই বিহ্বল, অসহায় বোধ করতাম। কেউ যেন আমার দেহটাকে, আমার মনটাকে টেনে দুই টুকরো করে ফেলছে, এমন মনে হতো আমার।

বড়ো হতে থাকলাম, হেলে পড়তে শিখলাম প্রবলভাবে। মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, যখন যার দিকে হাওয়া আমি তার দিকেই হেলে পড়েছি দ্বিধাহীন চিত্তে। সুবিধাবাদী মানুষের মতো, তালগাছ হয়ে খাম্বার মতো দাড়িয়ে থাকা বরাবরই ছিল আমার স্বভাব বিরুদ্ধ। কখনও কখনও প্রবল আকর্ষনে হেলে পড়েছি কোন এক নারীর দিকেও। কিন্তু মা-বাবা হেলে পড়ার বেশী সুযোগ দিলেন না। তাঁদের কাছে এই হেলে পড়াটাকে সামাজিকভাবে ঠিক বিধিসম্মত মনে হয়নি। আমি মায়ের দিকে, বাবার দিকে, ঘরের দিকে, বাড়ীর দিকে, ইতিহাস-পাতিহাস-রাজহাসের দিকে, এমনকি বটগাছের দিকে অথবা উত্তর-দক্ষিন-পূর্ব-পশ্চিম আরও নানা দিকে অযুত-নিযুত-লক্ষবার হেলে পড়তে পারি, কিন্তু কোন মেয়ের দিকে, কোন নারীর দিকে আমি হেলে পড়তে পারিনা। এতে আমাদের সমাজপতিরা ক্ষুব্ধ হন, দেবতারা রূষ্ঠ হন। তাইতো মা-বাবা চব্বিশ বছর বয়সেই আমার প্রতি হেলে পড়া সেই নারীর সাথে আমাকে সামাজিক শেকলে আবদ্ধ হতে বাধ্য করলেন। আমি বড়ই উতফুল্ল বোধ করেছিলাম। মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির মতো হেলে পড়তে না চাইতেই একেবারে পতনের লাইসেন্স।

গিন্নির কোলে পতিত হলাম। তার দিকে যারপরনাই ভাবে হেলে পড়লাম। কিছুদিন যেতে না যেতেই হঠাত পেছন পানে টান অনুভূত হলো। গিন্নির প্রতি হেলে পড়লেও প্রকৃতি আমার রশিটি রেখে দিয়েছিলেন আরেকজনের হাতে। তাই এই বিপরীতমুখী টান। হতাশার সাগরে নিমজ্জিত হয়ে অসহায় বোধ করতে লাগলাম। বান্গালী মধ্যবিত্তের চিরাচরিত সেই বউ-শাশুড়ীর যুদ্ধ। মাঝে আমি চিড়েচ্যাপ্টা অবস্হায় ফাঁটা বাঁশে লেজ আটকে পড়া সেই বাদরের মতো ত্রাহি ত্রাহি করতে লাগলাম। আজ গিন্নি অনুযোগ করে তো কাল মা এসে তার অভিযোগ জানিয়ে যায়। হেন কোন বিষয় নেই যাতে তাদের দু’জনের দ্বিমত হয়না। মা উত্তর বললে তার বউ বলে দক্ষিন, বউ পূর্ব বললে শাশুড়ী বলে পশ্চিম। আমার চোখের জল ফেলা ছাড়া কোন গতি রইলনা।(আম্মাআআ) মা আর বউয়ের ঠেলাঠেলিতে আমার ভালবাসার ভালো বাসাটি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়লো। মা...বউ...মা...বউ...বউ...মা...বউ...মা...বউ...বউ...মা...মা...বউ...মা...বউ...মা.. এভাবে আবার সেই পারমুটেশন কম্বিনেশনের গোলকধাঁধায় আটকা পড়লাম।(বাঁচাওওও)

এরই মাঝে জীবনের সবচেয়ে স্মরনীয় ঘটনা ঘটলো। আমাদের ঘর আলো করে ফুটফুটে চাঁদের মতো এলো এক দেবশিশু। আমি পেলাম পিতৃত্বের অমোঘ আস্বাদ। গিন্নি পেল বহুল প্রতিক্ষিত মাতৃত্বের কোমল যন্ত্রনা। সৃষ্টিশীলতার বেদনায় সে রাঙা হয়ে উঠলো। তার কোল জুড়ে আসল আমাদের প্রথম সন্তান “হাসি”। আমার মা-বাবাও দাদা-দাদী হয়ে আনন্দে নাচতে থাকলেন। হাসি বড় হতে থাকলো, বছর খানেকের মাঝে আমার আর গিন্নির পরস্পরের হেলাহেলির ফলস্বরূপ আরেক দেবশিশুর আগমন ঘটলো। প্রথম সন্তান হাসির সাথে মিলিয়ে দ্বিতীয় জনের নাম রাখা হলো "খুশী"। হাসি-খুশী বড়ো হতে থাকলো, তাদের দু’জনকে নিয়েই আমাদের পরিবারে আনন্দের বান ডাকতে থাকলো। বানের তোড়ে ভেসে গেলাম এবং গিয়ে পড়লাম আবার সেই পারমুটেশন কম্বিনেশনের মায়াজালের বিভ্রমে।

হাসি-খুশী দু’টোর মাঝে সবসময়ই ঝগড়া লেগে থাকতো। এখন হাসির বিচার তো একটু পর খুশীর বিচার। এই খুশীর কান্না তো কিছুক্ষন পরই হাসির চিতকার। এমন কোন দিন নেই যে অফিস থেকে ফেরার পর আমার উপর হেলে পড়ার নির্মমতা বিরাজ করেনি। হাসিকে খুশী রাখার জন্য খুশীকে চোখ রাঙাতে হতো, আবার খুশীর মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলার জন্য পর মূহুর্তেই হাসিকে শাসাতে হতো। এ বড়ো অদ্ভুত মায়ার গোলকধাঁধা। হাসি...খুশী...হাসি...খুশী...হাসি...হাসি...খুশী...খুশী...হাসি...খুশী...হাসি...খুশী... আবার সেই চিরাচরিত পারমুটেশন কম্বিনেশন। আবার সেই চিরচেনা হেলে পড়া।(বাঁচাওওও)

চাকুরী জীবনেও বারবার হেলে পড়তে হলো। ঘুষ খেতে হবে ভেবে, সেকালের সোনার হরিণ “সরকারী চাকুরী” কে বুড়ো আঙুল দেখানোর মতো দুঃসাহসিক কর্ম সম্পাদনার পর আমি অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ঠাই নিয়েছিলাম একটা ব্যক্তিগত মালিকানাধিন প্রতিষ্ঠানে। ব্যবসার মালিক দুই সহোদর। রাজা আর বাদশা। বড়ো ভাই রাজা মিয়া প্রতিষ্ঠানের বড়কর্তা আর ছোট ভাই বাদশা মিয়া প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্হাপনা পরিচালক। দু’জনে বেশ মিল, দু’জনে বেশ অমিল। আর এই অমিলের কারনেই আমাকে চাকুরী জীবনেও পেতে হলো আবার হেলে পড়ার স্বাদ। রাজা মিয়া আর বাদশা মিয়ার মাঝে চেহারার যেমন মিল স্বভাবের তেমনি অমিল। দু’জন সম্পূর্ন বিপরীত মেরুনিবাসী। বিপরীত মেরুর এই উভমুখী টানে আমাকে অফিসেও প্রতিনিয়ত একদিকে হেলে থাকতে হলো। রাজা...বাদশা...রাজা...বাদশা...রাজা...রাজা...বাদশা...বাদশা... যেন এ এক মরন ধাঁধা। পারমুটেশন কম্বিনেশেনর এই গোলকধাঁধায় পড়ে চাকুরী বাচানোই হয়ে গেল বিরাট যন্ত্রনা। তবে আশার কথা ছিল রাজা-বাদশার বিপরীতমুখী স্রোত। চাকুরী আমার অনেকবারই আটকে গেল এই উভমুখী স্রোতের গ্যাড়াকলে।

আজ জীবনের শেষ প্রান্তে দাড়িয়েও আমি হেলে আছি। হেলে আছি অনন্তের আস্বাদে, চির অন্ধকারের দিকে। মৃত্যুর ঘুম আমাকে আজ ডাকছে প্রবলভাবে হাতছানি দিয়ে। আমি হেলে আছি, হেলে থাকতে থাকতেই আমি একদিন কবরের গাঢ় অন্ধকারে পতিত হবো। রোগ-শোকে কাতর এই আমি হেলে আছি। প্রতিক্ষা করছি মৃত্যুর, যেমন করে প্রতিক্ষা করেছিল কবি রফিক আজাদের কবিতার নায়ক। প্রেমিকার প্রতি তার সেই প্রতিক্ষা কি ফুরিয়েছিল? আমিও হেলে থাকতে থাকতে অপেক্ষারত, আমারটা কবে ফুরোবে? মা-বাবা গত হয়েছেন কতদিন তা আজ মনে নেই, চোখ বুজলেই ভেসে ওঠে চেহারাদু’টো, গন্ডবেয়ে গড়িয়ে পড়ে টপটপ অশ্রু। মেয়ে দু’টো দেশের বাইরে জামাইয়ের সাথে। সুখে থাক আমার জানেরা, আমার হাসি খুশীরা। গিন্নির মুখ খানা মনে পড়লেই চোখ দু’টো ঝাপসা হয়ে যায়। আমি কাদতে পারিনা। শুধু বিমুড় হয়ে পড়ে থাকি, আজীবন তার দিকে হেলে থাকি। কতদিন, কতরাত একসাথে কেটেছে, একই ছাদের নীচে....কত স্মৃতি...কত....হাসি...কত....কান্না...রাগ...অভিমান...খুনসুটি...কত সুখ...কত...দুখের এক মিশেল অনুভূতি...বিছানার চাদর....ঘরের দেয়াল....ফুলদানী....দেয়ালে...দেয়ালে...ওয়েল...পেইন্টিং...রেকাবে রেকাবে বইয়ের জন্জাল...কথোপকোথনে মুগ্ধ...কন্ঙাবতী...বনলতা সেন...রাত্রি...অতন্দ্রিলা ঘুমাওনি জানি... যেতে হবে বহুদূর ঘুমোনর আগে...পূর্নিমার চাদ যেন ঝলসানো রুটি...প্রিয়...প্রিয়...প্রিয়...পঙক্তিগুলো, মুখগুলো...ভুলগুলো...ভালোবাসাগুলো....ফুলগুলো....ঝরে গেল। আমি শুধু পড়ে থাকলাম, জেগে থাকলাম, হেলে থাকলাম। একাকী...নিঃসন্গ....


 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫৯
সৃজন বলেছেন: পারমুটেশন কম্বিনেশনের মায়াজাল.......।

অসাধারন হইছে .......@সামী মিয়াদাদ

২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০১
বিহংগ বলেছেন: অসাধারন, কাব্যময় গদ্য, দারুন রচনাশৈলী।
৫++++
৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: লাইফটারে এখন পারমুটেশন-কম্বিনেশন ছাড়া আর কিছু মনে হয় না...থোর বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়... @ সৃজন

ধন্যবাদ, এই দীর্ঘ লেখা পড়ার জন্য@বিহংগ
৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৬
এলোমেলো বলেছেন: অদ্ভুদ সুন্দর ৫
৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩০
কালপুরুষ বলেছেন: অপূর্ব! চমত্কার!! আমি মুগ্ধ!!!
৫++
৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫
অন্যআনন বলেছেন: আপনি খুব ভালো একজন মানুষ সামী। ভীষণ সুন্দর সব আশাবাদের দিকে হেলে থাকা একজন মানুষ!
৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪২
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ধন্যবাদ, দীর্ঘ লেখাটা ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য @ এলোমেলো

কালপুরুষদা, আমি যদি আপনার মতো কবিতা লেখতে পারতাম?
আমি অনুপ্রানিত দাদা আপনার কাছ থেকে এমন মন্তব্য পেয়ে।
৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আননদা, মন্তব্য পেয়ে বড়ো ভাল লাগতেছে। একজন উদার, ভাল মানুষই পারে আপনার মতো এমন মন্তব্য করতে।
৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮
অন্যরকম বলেছেন: ৫..... ফেভরিটেড!...... বাকরুদ্ধ!

মাত্র ২৪ শেই কর্ম সাধনা...!!! অথচ আমার ২৪ পার হয়ে গেছে... এখনো হেলতেও পারি নাই , কেউ হেলায়ও দেয়নাই !

১০. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩০
তুষারমানব বলেছেন: হেলে দুলেই পড়ে ফেললাম।
অসাধারন.....

১১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৯
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: হেলে পড়লে আর সোজা হইতে পারবেননা। তখন বুঝবেন ঠেলা....
এত লম্বা লেখাখান পড়ছেন কষ্ট কইরা....কৃতজ্ঞতা রইল....

তুষারমানব, ধন্যবাদ হেলেদুলে লেখাখান পড়ার জন্য। আপনারে দেখিন খুব একটা? তুষারের তলে চাপা পড়লেন নাকি?
১৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৩
তুষারমানব বলেছেন: হেহ হেহ! চাপা পড়ি নাই। ব্লগে একটু অনিয়মিত।
১৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৯
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: পিয়াল ভাই....আর হ্যালতে পারুমনা...তাইলে ভূমিকম্প হইতে পারে ....কৃতজ্ঞতা দাদা...

তুষারমানব, হুমমমমম...নিয়মিত হন...নিয়মিত হন...
১৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৬
যীশূ বলেছেন: আমি তো আপনার দিকে খানিকটা হেলে গেলাম। দারুন লেখা।
১৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৬
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: অনুপ্রাণিত হইলাম যীশুদা....আমি আপনার দিকে আগে থাইকাই হেলানো আছিলাম...
১৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৩
সাইফুর বলেছেন: কি লেখছেন....? জটিল সুন্দর
১৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৩
সাইফুর বলেছেন: পন্চ ভুষিত করলাম
১৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সাইফুর, ধন্যবাদ ভাই...সত্যিই অনুপ্রাণিত...মন্তব্য পাইয়া...পন্চভুষিত হইয়া....
২০. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৬
অচেনা বাঙালি বলেছেন: হেইলা ৫ দিলাম।
সুন্দর সাবলীল গদ্য। একটানে পর্লাম।
২১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৪
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর লেখা সামী। লম্বা লেখা আমি সাধারনত পড়তে পারিনা, আর আপনার লেখাটা শুরু করে একটানে শেষ না করে পারলাম না। ৫।
২২. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০৯
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: অচুদা ...ধইন্যবাদ এত বড় লেখা কষ্ট করে পড়ার জন্য...আমিও আপনার দিকে হেইলা গেলাম...না হেইলা মুক্তি নাই...

@মাহমুদউল্লাহ, এত বড় লেখা কষ্ট করে পড়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা ভাই...আপনিও লেখেন...আর কত পড়বেন?
২৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৪
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: হা হা সামী ভাই, আমারে দিয়া লেখা হবেনা তেমন একটা, লিখতে বসলেই আলসেমি লাগে, তাই আমার ব্লগের নাম দিছি গরিবের ব্লগ। ওখানে কোন দিনই টাকাপয়সা (লেখাটেখা) হবেনা।
২৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৫
কেএসআমীন বলেছেন: শুধু ৫ দিলাই না। প্রিয় পোস্টেও স্থান করে দিলাম। চমত্কার। টংগী কমলাপুরের নতুন ট্রেনের উপর একটি পোস্ট আছে আমার...
২৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৯
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: @মাহমুদউল্লাহ, আপনাকে একটা বুদ্ধি দেই। লেখালেখির রাজনীতিতে নামেন। দেখবেন টাকাপয়সার অভাব হবেনা। দেখেন না আমাদের দেশের অবস্হা...
২৬. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:২৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: @েকএসআমীন, কৃতজ্ঞতা ভাই, দারুনভাবে অনুপ্রাণিত...ধন্যবাদ
২৭. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: পিসা'র টাওয়ার দেখি আপনি,এত হেইলাও টিকে আসেন। হেলানো ৫ দিলাম।
২৮. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩১
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: এইবার পতিত হইতে চাই, হেলে থাকতে থাকতে আর ভাল্লাগতেছেনা....ধন্যবাদ, বিশাল লেখাখান পড়ার জন্য@ফারহান দাউদ
২৯. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪০
অজানা একজন বলেছেন: এত বড় ক্যা?
পড়তে পড়তে হয়রান হয়া গেলাম ।

যট্টুক পড়ছি ভাল হইছে । চালায়া যান
৩০. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৩
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: খালি "ধন্য" দিলাম। "বাদ"খানা বাদ দিলাম। অর্ধেক পড়ার জন্য। আমি কি করুম...জীবনটা এত লম্বা কেন? আমিওতো পতনের অপেক্ষায় আছি। তা কট্টুক পড়ছেন যদি বলেন...?@অজানা একজন
৩১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০৯
মুজিব মেহদী বলেছেন: লেখাটা দীর্ঘ বটে কিন্তু সুলিখিত। অতএব ৫।

আমারও অনেক রকমের হেলে পড়া আছে। অন্যদেরও কি নেই? আছে। কিন্তু সবাই আমরা বলি না, বলতে পারি না। আপনি পেরেছেন।
৩৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৩
ভাইটামিন বদি বলেছেন: এভাবে হেলতে দুলতেই জীবনটা পার করে দেন....
মনে হয় কমবেশী সব্বাই দিচ্ছি...
ভাল্লাচ্ছে...
৩৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪৪
মিরাজ বলেছেন: সামী মিয়াদাদ, ভালো লাগলো লেখাটা পড়ে। বোঝা যাচ্ছে এটা আপনার জীবনের কাহিনী নয় তবে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়গুলো সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

ঝরঝরে গদ্য।
৩৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪০
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: @মুজিব মেহদী, ভাইয়া আপনার কাছ থেকে এমন মন্তব্য পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত। আপনাদের সকলের এত এত ভাল লেখার মাঝে আমারগুলোর দিকে তাকালে বড়োই লজ্জিত হতে হয়। অল্প কথায় ভাব প্রকাশের আর্টটা এখনও শিখতে পারলাম না। ধন্যবাদ আপনাকে।

@ফাহমিদুল, ধন্যবাদ ভাই।

@ভাইটামিন বদি, বদি ভাই জীবনটা ট্রেনের লাখান। হেলতে দুলতেই চইলা যাইতাছে।ধইন্যবাদ আপনারে লেখাখান পঠনের লাইগা।

@মিরাজ, ধন্যবাদ আপনাকে এই দীর্ঘ লেখাটা পড়ে মন্তব্য দেয়ার জন্য। আপনাদের সকলের অনুপ্রেরনাই আমার সম্বল।
৩৬. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:২৮
অজানা অচেনা বলেছেন: অসাধারন লেখা! হেলে পড়ার মতোই(লেখার প্রতি)।
প্রিয় পোস্টে+, আর সেই সাথে ৫ তো আছেই।
৩৭. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: @অজানা অচেনা, কৃতজ্ঞতা।
৩৮. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৫
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: @অন্যরকম, হেলে পড়লে আর সোজা হইতে পারবেননা। তখন বুঝবেন ঠেলা....
এত লম্বা লেখাখান পড়ছেন কষ্ট কইরা....কৃতজ্ঞতা রইল....

আগেরবার নামখান লিখতে ভুইলা গেছিলাম, এখন হঠাত খেয়াল হইলো....সুরি বস @অন্যরকম
৩৯. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৩
ছায়ার আলো বলেছেন: দারুন লাগলো...৫ এর চাইতে বেশি দিতে পারলে দিতাম...প্রিয় পোস্টে রাখলাম :-)
৪০. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৩
মুকুল বলেছেন: অসাধারণ!!! প্রিয় পোস্ট!
*****
৪১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৫
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: @ছায়ার আলো, কৃতজ্ঞতা। আমি দারুনভাবে অনুপ্রানিত।

@মুকুল। অনুপ্রেরনা পেলাম ভবিষ্যতের লেখায়। ধন্যবাদ আপনাকে।
৪২. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২
চতুরভূজ বলেছেন: ৫
আগেই পড়েছি, এখন প্রিয়তে যোগ করলাম!
৪৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৩
েজবীন বলেছেন: লেখাটা অনেক ভালো লাগল।

৪৪. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩১
বিহংগ বলেছেন: নতুন কোনো পোস্ট আছে কিনা দেখে গেলাম।
ধন্যবাদ।
৪৫. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪৫
নীলাঞ্জনা বলেছেন: সামী মিয়াদাদ : অসাধারণ একটি লেখার জন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি!!!

৫++

আর প্রিয় পোস্ট করে রাখছি।

আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।ভালো থাকবেন।
৪৬. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:০৪
বিহংগ বলেছেন: সামী ভাই, আমার আজকের পোস্টটা দয়া করে পড়বেন।
৪৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০০
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: @চতুরভূজ, আপনার মতো সুব্লগারের কাছ থেকে এহেন প্রশংসা আমার জন্য সত্যিই ভাল লাগার মতো একটি ব্যাপার। আমি অনুপ্রাণিত এবং উচ্ছসিত এবং সম্মানিত। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, ।ভাল থাকবেন।

ধন্যবাদ @ জেবীন, কষ্ট করে বড় লেখাটা পড়েছেন।

আপনাকেও অভিনন্দন আমার পাঠক হওয়ার জন্য, আপনিও ভাল থাকবেন। @নীলান্ঞ্জনা

পড়তেছি @বিহংগ

৪৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৫
ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: বহুদিন আপনি আমার লেখা নিয়ে মন্তব্য করেন না। আপনি কি আমার উপর বিরক্ত।
৪৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৭
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: না না না....ভাইরে বিরক্ত হওয়ার কোন কারনই নাই। আপনি লিখতে থাকুন...@ফরহাদ
৫০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪১
আনন্দময় বলেছেন: অনেক দিন মন্তব্য করতে পারিনি কিন্তু আপনার সাইটটা ঠিক ঘুরে গেছি্
লিখাটা পড়তে পড়তে মনে হয়েছে এত তারাতারি কেন শেষ হয়ে গেল,অন্তর ছুয়ে গেল লেখাটা।
আমরা যে আপনার দিকে হেলে পড়ছি এটা কি আপনি বুঝতে পারছেন?
অসাধারন অসাধারন....।
৫১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৭
সৃজন বলেছেন: নতুন লেখা চাচ্ছি............@সামী
৫২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আমিও কৃতজ্ঞ আপনার প্রতি, ধন্যবাদ @আনন্দময়

আইতাসে বস...টাইট হ্ইয়া ধৈর্য্য ধইরা বসেন @ সৃজন
৫৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪
এরশাদ বাদশা বলেছেন: সামী ভাই, ক্ষুরধার লেখনী, ব্যতিক্রমী শব্দ চয়ন আর অসাধারণ বর্ণনা; কি নেই এই লেখায়! রীতিমতো বাকরুদ্ধ! স্যালুটের সাথে ৫!
৫৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৮
অরুনাভ বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর....যুগ যুগ বেচে থাকুক আপনার হেলে থাকা....
৫৬. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৯
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আপনাকেও স্যালুট @ এরশাদ বাদশা

জটিল ধন্যবাদ @ রাশেদ

আপনিও হেলে থাকুন, হেলাতে থাকুন @ অরুনাভ
৫৭. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: পইড়া দিলডা ঠান্ডা অইলো!

প্রিয়...প্রিয়...প্রিয়...পঙক্তিগুলো, মুখগুলো...ভুলগুলো...ভালোবাসাগুলো....ফুলগুলো....ঝরে গেল। আমি শুধু পড়ে থাকলাম, জেগে থাকলাম, হেলে থাকলাম। একাকী...নিঃসন্গ....


এইডাই জেইবন!
৫৮. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: এইটাই জীবন!!!! @ প্রশ্নোত্তর, ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
৬০. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৩৯
নাঈম বলেছেন: অ----সা-----ধা-------র------ন। এত চমৎকার লেখনীশৈলী আমি আগে আর দেখিনি। ৫ এর চেয়ে বেশী কিছু থাকলে সেটাই দিতাম। চালিয়ে যান, সামী। অদ্ভূত সুন্দর এই লেখাটার জন্য আপনাকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম।
৬১. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৪০
নাঈম বলেছেন: আগের garbage কমেন্টসগুলো মুছে দিয়েন।
৬২. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৪৫
নাদান বলেছেন: অসাধারন একটা লেখা !! কেমন করে মিস করলাম এটা !! ৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫
৬৩. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: অসাধারন ধন্যবাদ @ চে

ধন্যবাদ নাইম.....আপনি নতুন এসেছেন ভাই, তাই আমার লেখাটাকে এত ভাল বলছেন......এখানে আরও অনেক ভাল ভাল ব্লগার আছেন যাদের লেখনীশক্তি আমার থেকে আরও উন্নতমানের। আমার লেখা আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমি অনুপ্রানিত। ভাল থাকবেন। @ নাইম

আমি যেমন করে আপনারগুলো মিস করে যাই? ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকবেন @ নাদান
৬৪. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪১
নরাধম বলেছেন: অসাধারণ। ৫......এবং প্রিয়।
৬৫. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৭
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ধন্যবাদ....কৃতজ্ঞতা রইলো....ভাল থাকবেন @নরাধম
৬৬. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৪
মদনবাবু বলেছেন: মজার আত্মজীবনি।।
৬৭. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১২
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: তাই নাকি?.....ধন্যবাদ আপনাকে @মদনবাবু
৬৮. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৮
আবু সালেহ বলেছেন: প্প্বৃপ্প্বগুপ্প্বজ্জপ্প্ব্মপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ব্য প্প্বক্ষ্মপ্প্ব্ত্রপ্প্বুপ্প্মপ্প্বেন্প্প্মপ্প্ব্যে................
প্প্ম্র+++++
৬৯. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০৫
ফারজানা১৬ বলেছেন: এত সুন্দর লেখাটা আগে পড়িনি বলে আফসোস হচ্ছে!
৭০. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৩
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আমারো আফসুস হচ্ছে....আমিও একজন পাঠিকা পেলাম বড় দেরীতে@ফারজানা১৬
৭১. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১৩
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন: এক টানে পড়ে ফেললাম, দা-রু-ন লেগেছে..লেখাটার প্রতি কিছুটা হেলেও পড়েছিলাম.......এ রকম একটি লেখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৩২

লেখক বলেছেন: একটানে একটা হেলানো ধন্যবাদ দিয়ে দিলাম খুজে খুজে আমার এই লেখাটিকে পড়ার জন্য।

৭২. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৬
চতুরভূজ বলেছেন: সামী মিয়াদাদ ফিরে আসুন
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চতুরভূজ.....কিন্তু আমিও যে নিষেধাজ্ঞার খড়গের বলি হয়েছি!!!!! কিভাবে আসি?

৭৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪০
বিহংগ বলেছেন:
সামী আর কী খবর?
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: ভাল বস। ছাড়া পেয়ে বেশ ভাল লাগছে এখন। আপনি ভাল থাকবেন। কবিতা চাই, গল্প চাই....প্রতিনিয়ত আপনার কাছ থেকে।

৭৪. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: অসাধারন লেখা ... কত ভালো ভালো লেখা মিস করছি!!
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জ্বিনের বাদশা

৭৫. ০৫ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০০
ফিউজিটিভ বলেছেন: পুরোনো লেখায় মন্তব্য এই প্রথম।
না করে পারলাম না।

খুবই ভাল লেগেছে।

নিজের জীবনের সাথে মিল খুজে পেলাম অনেক ক্ষেত্রেই।

হাসি-খুশীর জন্য শুভকামনা।
০৫ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর এই লেখায় মন্তব্য পেয়ে আমারো ভাল লাগছে? এটার কথা এখনও মানুষ মনে রেখেছে?

ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য

শুভকামনা কিভাবে পৌছাবো সেটা নিয়ে কিন্চিত চিন্তিত

০৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: কাকাবাবু যে? আর কি রহস্যের সমাধান হলো?

৭৭. ২৯ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭
নূর-ই-হাফসা বলেছেন: ওয়াও চমৎকার হয়েছে ।এত হেলে থাকা কষ্টকর।
০৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: মোটেও না....আমি নিরন্তর হেলে থাকি

হেলে থাকাতে আমার ক্লান্তি নেই

০৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭৯. ০৮ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
পাপী বলেছেন: ঐ মিয়া!! এতো ষু্ন্দর ল্যাখেন ক্যা? :@
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: জানিনা কেন লিখি, ক্যামনে লিখি...শুধু জানি কেন লিখিনা

৮০. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩
জেরী বলেছেন: অসাধারন লেখা ...

অফলাইনে আগে পড়েছি কিন্তু কমেন্টস করা হয়নি:(
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: এইতো কমেন্ট দিয়া দিলেন জেরী....ভাল থাইকেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫৮৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাকে বলা হয়েছে, তুমি যা ইচ্ছা তাই করো কিন্তু লিখতে পারবেনা। কিছু লিখতে গেলেই তোমার টুটি চেপে ধরা হবে, কিছু...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই