আমার প্রিয় পোস্ট

অধঃপতিত দাড়ীওয়ালা শুকর শাবকেরা, আমি তোদের মুখে কষে একটা লাথি দিলাম। অতঃপর সাবান পানি দিয়ে পা-খানা ধুয়ে নিলাম। আমার পা তোদের মুখের থেকে শতগুন পবিত্র

৭১ এ মহান আল্লাহ কি পাকিস্তানীদের পক্ষে ছিলেন না?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:২৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

"ইসলাম" শব্দের অর্থ শান্তি। যুগে যুগে ইসলাম শান্তির বানীই প্রচার করে গিয়েছে। পৃথিবী ব্যাপী তাই লাখো লাখো মানুষ ইসলাম ধর্মে দিক্ষীত হন। ইসলামের মর্মবানী অনুধাবন করেই মানুষ ইসলামে ধর্মান্তরিত হন। ইসলাম ধর্ম সবসময় শান্তির কথাই বলে আসছে।

তবুও আমরা ইসলামের ইতিহাস ঘাটাঘাটি করলে দেখতে পারি যে এই ইতিহাসেও অনেক রক্ত লেগে রয়েছে। আমাদের মহানবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) এর জীবতকালেও যুদ্ধ হয়েছে। আল্লাহর নির্দেশে আমাদের মহানবীও যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন বিধর্মী, কাফেরদের বিরুদ্ধে। কোন কোন সময় যুদ্ধটি অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। আল্লাহ মহান কোরআনেও এইসব যুদ্ধ সম্পর্কে বানী দিয়েছেন। শিষ্টের প্রচারের জন্য, দুষ্টের দমনের জন্য কখনো কখনো অস্ত্রকেই কথা বলতে হয়। মহান আল্লাহ তা-আলা সবসময় দুষ্টের দমন এবং শিষ্ঠের প্রচারই চান। তাই যুদ্ধ অনেক সময় সমাজ গঠনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। কারন

You Have to be Cruel Only to be Kind

সমাজ পরিবর্তনের জন্য অনেক সময় চাই স্বশস্ত্র বিপ্লব। আল্লাহর নির্দেশে তাই আমাদের রাসূলও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ইসলাম প্রতিষ্টার জন্য যুদ্ধগুলো ছিল অবশ্যম্ভাবী ঘটনা।

আমাদের বান্গালীদের জীবনেও যুদ্ধ এসেছে বারেবারে। আমাদের ইতিহাস বিপ্লবের ইতিহাস, আন্দোলনের ইতিহাস। আমরা কোন কিছুই খুব সহজে অর্জন করতে পারিনি। মুখের ভাষা থেকে শুরু করে ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার সবই আমাদের আন্দোলন করে, বিপ্লব করে অর্জন করতে হয়েছে। ১৯৭১ এ আমরা স্বাধীনতাও অর্জন করেছি এক স্বশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে।

কাদের বিরুদ্ধে আমরা বান্গালীরা যুদ্ধ করেছি? আমরা যুদ্ধ করেছি পৃথিবীর অন্যতম সুসংগঠিত একটি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে। পাকিস্তান সামরিক বাহিনী। সে সময় পাকিস্তান সামরিক বাহিনী ছিল পৃথবীর নামকরা সব সামরিক বাহিনীর অন্যতম। গুর্খা বাহিনী আর পাকিস্তান আর্মী ছিল পৃথিবীতে কঠোরতম। এহেন এক বাহিনীর বিরুদ্ধে কারা যুদ্ধ করেছে? বাংলার একঝাক দামাল সন্তান। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যেখানে ছিল সামরিক বাহিনীর লোক থেকে ইশ্টিষনের কুলী পর্যন্ত। ছাত্র, চাকুরীজীবি, মজুর, কৃষক, যুবক, বৃদ্ধ, কে ছিলনা সেই মুক্তিযুদ্ধে। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান নির্বিশেষে সবাই এই যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিল। সে যুদ্ধ ছিল বান্গালীর প্রানের যুদ্ধ।

ইসলামের ইতিহাস সম্পর্কে যারা একটুখানি জানেন, তারাও বদরের যুদ্ধ, খন্দকের যুদ্ধ, উহদের যুদ্ধ, এবং আরও নানা যুদ্ধ সম্পর্কে কিছুটা হলেও বলতে পারবেন। বদরের যুদ্ধে খোদার সৈনিকদের সংখ্যা মাত্র ছিল ৩১৩। আর যুদ্ধের ফলাফলও নিশ্চই কারো অজান নয়? মাত্র ৩১৩ জন বিশ্বাসী সৈনিক নিয়েই আমাদের মহানবী (সাঃ) হাজার হাজার বিধর্মীদের সাথে সেই যুদ্ধে জয়ী হয়েছিলেন। কোরআনে সুরা আনফাল এ বদরের যুদ্ধের বর্ননা পাওয়া যায়। মহান আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস, রাসূলের উপর আস্হাই তাদেরকে কাফেরদের বিরুদ্ধে জয়ী হতে সাহায্য করেছিল। এরপর কালে কালে আরও অনেক যুদ্ধই সংঘটিত হয় কাফের, বিধর্মীদের বিরুদ্ধে। সেই সকল যুদ্ধে বিশ্বাসীরা অল্পকিছু সৈনিক নিয়েই হাজার হাজার সৈন্য সম্বলিত কাফেরদের বিরুদ্ধে জয়ী হয়েছিলেন। কারন মহান আল্লাহ সুবহানাতা-আলা বিশ্বাসীদের সমর্থন করেছিলেন। মুসলমানদের সমর্থনে ছিলেন। সে সব যুদ্ধ ছিল মুসলমানদের ইসলাম প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ।

এখন আসি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে। পাকিস্তানীরা যুদ্ধ করেছিল অবিভক্ত পাকিস্তানের জন্য। আর বান্গালীরা যুদ্ধ করেছিল বাংলাদেশের সর্বাত্বক স্বাধীনতার জন্য। ৪৭ থেকে ৭১ পর্যন্ত এই দীর্ঘদিন সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন দিক থেকে নিপিড়ীত হতে হতে বান্গালী আর সহ্য করেনি। ১৯৭১ এর ২৫ শে মার্চে পাকিস্তান সেনাবাহিনী অতর্কিত হামলা চালায় বান্গালীদের উপর। বান্গালীও গড়ে তুলে প্রতিরোধ। সে সময়ের সবচেয়ে কঠোর সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে।

পাকিস্তানীদের সাথে আমাদের দেশের কতিপয় মানুষও নিজেদের মা/ভাই/বোনের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। কারন হিসেবে তারা অবিভক্ত পাকিস্তানের সাথে সাথে ইসলাম ধর্মকেও জড়িত করেছেন। যদিও ৪৭ এ ধর্মীও দ্বিজাতিত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ভারতবর্ষ ভাগ হয়েছিল, কিন্তু কায়েদ-এ-আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ইসলাম চর্চা নিয়ে কিন্তু যুগ যুগ ধরেই সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। পাকিস্তান ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছিল, পাকিস্তান ইসলাম চর্চার পীঠ কেন্দ্র, পাকিস্তান বিভক্ত হয়ে গেলে আমাদের এই পূর্ববাংলা হয়ে উঠবে হিন্দুদের/মালাউনদের/বিধর্মীদের পীঠস্হান। তাই যুদ্ধে পাকিস্তানীদের সহায়তা করে ইসলামকে রক্ষা করতে হবে।

কিন্তু এটি যদি বাস্তবিকই ইসলাম রক্ষা বা ইসলাম প্রচারের যুদ্ধ হতো তবে আমার বিশ্বাস, দৃঢ় বিশ্বাস, এর ফলাফলটা উল্টো হতো। ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যে সব যুদ্ধ যুগে যুগে সংঘটিত হয়েছে তার ইতিহাস ঘাটলেই এ বিষয়ে আমরা সকলেই নিঃসন্দেহ থাকবো। মহান আল্লাহ স্বয়ং যেখানে খাটি মুসলমানদের সমর্থক সেখানে তাদের পরাজয় কোনভাবেই রোধ হতে পারেনা। বিজয় মুসলমানদের অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু তা হতে হবে আল্লাহর আইন প্রতিষ্টার জন্য। আল্লাহ সর্বশক্তিমান, তিনি ইচ্ছা করলে যে কোন ফলাফলকেই নিমিষে বদলে দিতে পারেন, তিনি পারেন পাথরেও ফুল ফোটাতে।

তাই আমার মনে বার বার একটি প্রশ্নই জাগে, ঐতিহাসিক যুদ্ধগুলোতে যেখানে বিধর্মীদের তুলনায় খুবই অল্পসংখ্যক ঈমানদার বিশ্বাসী নিয়ে হাজার হাজার বিধর্মীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় করা গেল, সেখানে আধুনিক অস্ত্র সজ্জিত পৃথিবীর অন্যতম সামরিক বাহিনী নিয়েও পাকিস্তানী ইসলাম রক্ষাকর্তারা কেন আমাদের মতো ৩০৩ রাইফেল ধারী বিধর্মী বান্গালীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় করতে পারলেন না। তবে কি -

৭১ এ মহান আল্লাহ কি পাকিস্তানীদের পক্ষে ছিলেন না? তবে কেন বিধর্মী বান্গালীর বিরুদ্ধে ইসলাম রক্ষাকারীদের এই পরাজয়?



দ্রষ্টব্য:
(এই লেখাটা পোষ্ট দিতে গিয়েই আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে আমি নির্বাসিত)

 

 

  • ৭৩ টি মন্তব্য
  • ৫৫৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:২৭
comment by: সাইফুর বলেছেন: আল্লাহ আছেন ন্যায়ের পক্ষে.........
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: সেটাই বস

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: সেটাই বস.....আল্লাহ ন্যায়ের পক্ষে

২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩০
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভালো পোস্ট। জন্মযুদ্ধে দেন নাই?
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: দিতাছি বস....ওয়েট

৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩২
comment by: মাছরাঙ্গা বলেছেন: সামী, প্রথম পাতায় অভিনন্দন। অভিনন্দন সব দেশপ্রেমীদের জন্যও।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: প্রিয় কবি.....অনেক ধন্যবাদ.....আবার আপনার কবিতা চাই.....অনেকদিন আপনার কবিতা মিস করছি...লিখে চলুন, পড়ে চলুন....নিরন্তর

আপনাকেও অভিনন্দন.....বিরতি থেকে ফিরে আসার জন্য

৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৪
comment by: দুঃখবিলাস বলেছেন: হুম ভালো লাগলো
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: হুমমমম......প্রীত হইলাম

৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫
comment by: শয়তান বলেছেন: ভালো পোস্ট। +
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: ......শয়তান তো দেখি ভালা.....

৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪১
comment by: আহাব বলেছেন: ভালো লেখা। খুব ভালো লাগলো
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আহাব আপনাকে

৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বস আপনেও ব্যান খাইছেন এইটা জানতে পাইরা খুব দুঃখ লাগলো। যাই হোউক আপনে এক খান সুন্দর পোস্ট দিছেন। আগাইয়া যান বস, আর এখটু দোয়া রাইখেন যাতে এইবার নীতিমালায় যেনো চেন্জ্ঞ আসে!

এইটা আসলে দরকার এই ওপেন প্লাটফরমে!
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: উদাসীদা.....আমি নীতিমালার বিপক্ষে লেখছিলাম এই কারনেই। আমি ভাই একটু ধরো তক্তা মারো পেরেক টাইপ, ফালাফালি একটু বেশীই করি। যাই হোক.....নীতিমালার চেন্জ প্রয়োজন এটাতোরে ভাই সকলেই জানে। এখন আমাদের কর্তৃপক্ষ যদি চেন্জ করেন তবে সবারই শান্তি হবে। অনেক সাজেশন অলরেডি দেয়া হইছে। সেইখান থেকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন করে তারা কিছু একটা দাড় করাইতে পারেন।

আপনাকে ধন্যবাদ বস, আমি সর্বদা আপনাদের সাথেই আছি।

৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
comment by: ওবায়েদ বলেছেন: ''সেখানে আধুনিক অস্ত্র সজ্জিত পৃথিবীর অন্যতম সামরিক বাহিনী নিয়েও পাকিস্তানী ইসলাম রক্ষাকর্তারা কেন আমাদের মতো ৩০৩ রাইফেল ধারী (বিধর্মী বান্গালীদের )বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় করতে পারলেন না। তবে কি

৭১ এ মহান আল্লাহ কি পাকিস্তানীদের পক্ষে ছিলেন না? তবে কেন বিধর্মী বান্গালীর বিরুদ্ধে ইসলাম রক্ষাকারীদের এই পরাজয়? ''



সত্যিই কি যুদ্ধটা শুধু বিধর্মী বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে হয়েছিলো?
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: সাথে যারা ছিল তারা তো ঘোর বিধর্মী। বান্গালীদের মাঝে তাও দুই-একফোটা ইসলাম ছিল.....ওবায়েদুল্লাহ ছিলো, নাজিরুল্লাহ ছিলো, নাসিরুল্লাহ ছিলো, রুমী, আজাদ, জুয়েল, বদি, আলম, এরা ছিলো....কিন্তু বাকীরা তো হিন্দু/মালাউন/কাফের/মুর্তাদ

৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫
comment by: ওবায়েদ বলেছেন: হিন্দু মালাউন কাফের মর্তাদ কতজন ছিলো? আর মুসলমান কতজন ছিলো?
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধাদের সবাইতো ছিলো হিন্দু/কাফের/মুর্তাদ.....হাহাহাহাহাহাহাহাহা....পাকিস্তানীরা ছিল ইসলামের সৈনিক.....সাথে আছিলেন আমাগো রাজাকার/শান্তিবাহিনী/আল-বদর/আল-শামস ভাইয়েরা, তারা সকলেই আছিলেন ইসলামের ঝান্ডা ওড়ানো আল্লাহর সৈনিক.....আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী....আমিও বিধর্মী/কাফের/মুর্তাদ/হিন্দু/মালাউন/দুষ্কৃতিকারী...হাহাহাহাহাহাহাহাহাহা

১০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪
comment by: ওবায়েদ বলেছেন: আপনার লেখা বাংলাদেশের ইতিহাস হবে না। তারপরও বলবো মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মসকারা করবেন না।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: আমি কি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মশকরা করছি নাকি? যদি আপনার মনে কোন আঘাত দিয়ে থাকি তবে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমাকে ক্ষমা করবেন।

আর ভাইয়া, আমি তো এখানে ইতিহাস লিখতে আসিনি? আমি ঐতিহাসিকও নই। তাই ইতিহাস লেখার ধৃষ্টতা কখনোই দেখাইনা। আমি আমার ভাবনাটা জাষ্ট শেয়ার করেছি মাত্র। আপনার দ্বিমত থাকলে সাদরে আমন্ত্রিত। যুক্তিপূর্ন আলোচনায় সামী কখনো না বলেনা।

আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে ভাইয়া আমি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কখনো মশকরা করিনি। আপনি আপনার কথাটা ফিরিয়ে নিলে আনন্দিত হবো।

১১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭
comment by: স্নোবল বলেছেন: ওবায়েদ বলেছেন: হিন্দু মালাউন কাফের মর্তাদ কতজন ছিলো? আর মুসলমান কতজন ছিলো?
--------------------------------------------------------------------------------
হা হা হা...এইটা যে কত বড় সাইকো, এই মন্তব্য দেখলেই বুঝা যায়। যতসব কুলাঙ্গার ভোদাই অপোগন্ডের দল; মুখের ভাষাই বুঝায়ে দেয় ছোটলোকের কালচার থেকে উঠে আসচে।
১২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: স্নোবল বলেছেন: ওবায়েদ বলেছেন: হিন্দু মালাউন কাফের মর্তাদ কতজন ছিলো? আর মুসলমান কতজন ছিলো?
--------------------------------------------------------------------------------
হা হা হা...এইটা যে কত বড় সাইকো, এই মন্তব্য দেখলেই বুঝা যায়। যতসব কুলাঙ্গার ভোদাই অপোগন্ডের দল; মুখের ভাষাই বুঝায়ে দেয় ছোটলোকের কালচার থেকে উঠে আসচে।

_____________________________________________

একমত
১৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: "মহান আল্লাহ স্বয়ং যেখানে খাটি মুসলমানদের সমর্থক সেখানে তাদের পরাজয় কোনভাবেই রোধ হতে পারেনা। বিজয় মুসলমানদের অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু তা হতে হবে আল্লাহর আইন প্রতিষ্টার জন্য।"

দেখুন, আপনি একটা ভুল ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে তর্ক করছেন, ইসলামকে ব্যবহার করে যখন তর্ক করবেনই, তখন তথ্যগত ত্রুটি সহ্য হয় না... :(

সেটা বুঝানোর জন্যই একটা মন্তব্য করব, যদিও তর্কে জড়ানোর বিন্দু মাত্র ইচ্ছা নেই। উহুদের যুদ্ধ হয়েছিল রাসুল (সা) এর জীবদ্দশাতেই। রাসুল (সা) নিজে সে যুদ্ধে আহত হয়েছেন। কিন্তু, সে যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজয় হয়েছ