আমার প্রিয় পোস্ট

কাঁদো, যখনি কাঁদতে ইচ্ছে করবে। কান্না শুদ্ধতম আবেগ প্রকাশের একমাত্র উতকৃষ্ট মাধ্যম। অতি সুখের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়, অতি দু:খের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়। কাজেই কাঁদো, কেঁদেই তোমার জীবনকে তুমি শুদ্ধতা দান করো। - তুর্কী মরমী কবি দাদায়েম ঈমাস

আসেন আমরা সবাই মিল্যা নামাজ পইড়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচার চাই

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩১

শেয়ারঃ
0 0 0

ট্রয় ছবিটা যারা দেখছেন তাদের নিশ্চই এই দৃশ্যটার কথা মনে আছে। যুদ্ধের ময়দানে একিলিসরে খুজা হইতাছে, কিন্তু একিলিসের কোন পাত্তা নাই। পরে দেখা গেল দুই-দুইটা মাইয়ার লগে একিলিস ক্রিয়ারত বিছানায়। এক পিচ্চি পুলা আইসা একিলিসরে খবর দিলো যে সম্রাট একিলিসরে যুদ্ধের ময়দানে আশা করতাছেন। একিলিস দুই মাইয়ার মাঝখান থাইকা উইঠা যুদ্ধে গিয়া বিরুদ্ধপক্ষের সবচেয়ে মস্তান যোদ্ধারে এক কোপে ঘায়েল কইরা ফালাইলো। দুই মাইয়ার লগে যৌনকর্মও তার যুদ্ধের স্পৃহারে দমাইতে পারেনাই। একিলিস গ্রীক ইতিহাসের বীরদের আসনে বিরাট আসন নিয়া এখনও বাইচা আছে। সে কয়টা মাইয়ার লগে কয়বার সেক্স করলো এইগুলা কোন বিষয় না। যুদ্ধের ময়দানে কি করলো সেটাই বিবেচ্য।

আমাগো দেশে যুদ্ধাপোরাধী কুত্তারা ’৭১ আমাগো কয়টা মা-বইনের ইজ্জত লুটছে আর কয়টারে তাগো পাকি বাপগো হাতে তুইলা দিসে তার কোন ইয়ত্তা নাই। কয়জন বাপ-ভাইরে তারা নিজ হাতে হত্যা করছে? কয়জনরে চউখ বাইন্দা নিয়া তুইলা দিসে তাগো আব্বাহুজুরগো হাতে? সেই কুত্তাগুলা আইজ মুখে ইসলাম ইসলাম কইয়া ফ্যানা তুলতাছে আর চুখে ঠুলি পরাইতাছে আমাগো মতো সাধারণ মাইনসের। তাইলে এইটা বুঝা গেল মাইয়া মাইনসের ইজ্জত নিয়া খেলা কইরাও ইসলাম ইসলাম কইরা ফ্যান তুলা যায়। কেউ একজনরে ধর্ষনের পরপরই তিনকুলি সমেত উজু কইরা নামাজ পড়লেই সব গোনাহ মাফ। আমি নামাজও পড়লাম, আল্লাহ-রাসূলের নামও নিলাম, আবার ধর্ষনও কলাম, ইজ্জত নিলাম ফাতেমা, হাজেরা, সাবেরা, সায়রা বানুর। আলহামদুলিল্লাহ....খোদা মেহেরবান এবং দয়াশীল।

ঈশপের একখান গল্প পড়ছিলাম এই রকম। জিউস প্রথম মানুষ বানাইছেন। মাইনসের গলার সামনে পিছনে দুইটা থলি ঝুলাইয়া দিসেন। জিউসরে জিকানো হইলো দুইটা থলির কারন কি। জিউস কইলেন পিছনের থলিটা মানুষটার নিজের দোষ দিয়া পূর্ন, আর সামনের থলিটা পূর্ণ অপরের দোষ দিয়া। এমন করার কারন কি জিজ্ঞেস করা হইলে জিউস উত্তর দিলেন, এতে মানুষ তার নিজের দোষ দেখতে পারবোনা।

আমরা মাইনসেরা বেশ্যাবাড়ী গিয়া নিজেরা তাগো লগে ঘুমাইতে পারি। কিন্তু অন্য কাউরে বেশ্যাবাড়ী যাইতে দেখলেই আমাগো ছিছি শুরু হইয়া যায়। আমরা রাস্তায় বারাইলে মাইয়াগো বুকপাছা দেইখা লোল ফেলতে পারি, কিন্তু অন্য কাউরে এমন করতে দেখলেই তারে “পারভার্ট” বইলা গাইল দেই। আমরা নেটের আনাচে-কানাচে ফাক পাইলেই ঘুইরা বেড়াই নেংটা নেংটা মাইয়া দেখোনের আশায়, কিন্তু আরেকজনরে তেমন করতে দেখলেই কুরুচীপূর্ণ মনোভাব বইলা ঠোট উল্টাই। অথচ নেটে সবচেয়ে বেশী ট্রাফিক হয় পর্ণসাইট গুলাতে। মানুষেদের আমাগো অনেকটা ব্যাচেলারের আবরার ভাইয়ের স্বভাব।

এখন কেউ যদি সেই পর্ণ সাইটের ট্রাফিকগো কামে লাগাইয়া একটা জনমতের সৃষ্টি করে যুদ্ধাপোরাধী কুত্তাগো বিরুদ্ধে, এইখানে এতো ফালাফালির কি আছে বুঝলাম না। কুত্তা-শুয়োরগুলা মা-বইনরে ধর্ষন কইরা, আমাগো বাপ-ভাইগো মাইরা ফালাইয়া যদি ইসলাম ইসলাম করতে পারে তাইলে আমরা পরবর্তী প্রজন্মরা নেটে পর্ণ ছবি, আর ভিডিও দেখতে দেখতে তাগো বিচার কেন আশা করতে পারবোনা?

জীবনের প্রতিটা মূহুর্তেই ওই কুত্তাগো বিচারের দাবী করা উচিত। হউক না তা পর্ণ সাইট দেখার সময় বা শুক্কুর বারে জুম্মার নামাজের সময়। যারা পর্নসাইটের বিপক্ষে গলা বাজাইতেছেন তারা আমাগো কি করতে বলেন?

তাইলে কি আমরা সবাই মিল্যা গোসল উজু ইত্যাদি কইরা পাক-সাফ হইয়া নামাজে দাড়াইয়া খালি আল্লাহর কাছে যুদ্ধাপোরাধী শুয়োরগুলার বিচার চামু?

আসেন তাইলে আমরা সবাই তাই করি।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩২
ইয়র্কার বলেছেন: যেখানে যে অবস্থায় যেভাবে হোক, যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই। জীবনের প্রতিটা মূহুর্তেই ওই কুত্তাগো বিচারের দাবী করা উচিত।
৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৩
মুকুল বলেছেন: জীবনের প্রতিটা মূহুর্তেই ওই কুত্তাগো বিচারের দাবী করা উচিত।
---
সহমত।


সবাই যার যার অবস্থান থেকে সোচ্চার হোন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে অবস্থান নিন।
৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
ইয়র্কার বলেছেন: যেখানে যে অবস্থায় যেভাবে হোক, যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই। জীবনের প্রতিটা মূহুর্তেই ওই কুত্তাগো বিচারের দাবী করা উচিত।


সামহোয়্যারে "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই" শিরোনামে ব্যানার চাই।
৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
সেলটিক সাগর বলেছেন: কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
ইয়র্কার বলেছেন: যেখানে যে অবস্থায় যেভাবে হোক, যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই। জীবনের প্রতিটা মূহুর্তেই ওই কুত্তাগো বিচারের দাবী করা উচিত।


সামহোয়্যারে "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই" শিরোনামে ব্যানার চাই।
৬. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
আকাশচুরি বলেছেন: সামহোয়্যারে "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই" শিরোনামে ব্যানার চাই।
৭. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
শামীম রিয়াজ বলেছেন: হাহ! কয়জনে নামাজে দাড়াইয়া এইসব দোয়া করসে সন্দেহ আসে, অথচ কিছহু একটা হইলেই ধম্ম ধম্ম কইরা মুখে ফেনা তুলতে তুলতে ছুইটা আসে! হাহ!
৮. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
আবু সালেহ বলেছেন:


আগে নামাজ পড়াটা শুরু করেন.................
৯. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
মিঠাই বলেছেন: আবু সালেহ, আগে মাস্টারবেশন বন করেন, তারপর নামাজ পড়া শুরু করেন। উলটা উপদেশ ঝাড়েন ক্যা? যেইটা আগে করনের কাম, সেইটা আগে করেন মিয়া।
১০. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৬
মিঠাই বলেছেন: হালা আগে নামাজ পড়নের উপদেশ পাড়োস আগে; আগে মাইয়া মানুষের দিকে আড় চোখে চাওন বন করনের কাম, তারপর নামাজ পড়নের কাম। বেকুবের ছানা এইটাও যানে না কুনটার আগে কুন্টা করা দরকার।
১১. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৬
একরামুল হক শামীম বলেছেন: জীবনের প্রতি মুহুর্তে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

দারুন পোস্ট।
১২. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
ওয়ার হিরো বলেছেন: সাবাস সামী ভাই ঠিক আছে।
১৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ইয়র্কার বলেছেন: যেখানে যে অবস্থায় যেভাবে হোক, যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই। জীবনের প্রতিটা মূহুর্তেই ওই কুত্তাগো বিচারের দাবী করা উচিত।

পোস্ট ভালো হৈছে সামী
১৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।

সামহোয়ারইনের ব্যানের এর প্রতিফলন দেখতে চাই।
১৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৭
অ্যামাটার বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই, আর এ'জন্যই এমন সুযোগও কাউকে দিতে চাই না, যাতে এই স্পিরিটটা নষ্ট হয়ে যাক।
১৬. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: একবার এক মার্কিন কোম্পানি চে-গুয়েভারার ছবি সংবলিত আন্ডারওয়্যার বের করার সিদ্ধান্ত নেই।তখন চে-গুয়েভারার মেয়ে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে সেই কোম্পানির এই বাণিজ্যিক চেষ্টা রুখে দেয়।

হাজার পান্ক তরুন-তরুনী চেগুয়েভারার টি-শার্ট বুকে ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়।চে কিংবা চে'র আদর্শ সম্পর্কে যাদের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই।তবু সেই চেষ্টাকে না রুখে চেগুয়েভারার মেয়ে শুধু এইটার প্রতিবাদ করলো কেন? আপনার কি মনে হয়?
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: কুত্তা-শুয়োরগুলা মা-বইনরে ধর্ষন কইরা, আমাগো বাপ-ভাইগো মাইরা ফালাইয়া যদি ইসলাম ইসলাম করতে পারে তাইলে আমরা পরবর্তী প্রজন্মরা নেটে পর্ণ ছবি, আর ভিডিও দেখতে দেখতে তাগো বিচার কেন আশা করতে পারবোনা?

জীবনের প্রতিটা মূহুর্তেই ওই কুত্তাগো বিচারের দাবী করা উচিত। হউক না তা পর্ণ সাইট দেখার সময় বা শুক্কুর বারে জুম্মার নামাজের সময়।




আমার কথাটাই আবার কোট করলাম। আর কিছু বলার নাই

১৭. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
পথিক!!!!!!! বলেছেন: সামী খ্যাপলেন যে বড় বেশী....

কথা সত্য ...
ঐ যৌবন সাইটে অনেকেই আমরা যাই ...কিন্তু স্বীকার করতাছিনা ...

কিন্তু সাইটাকে ভাল কাজে ব্যবহার করে সাইটার খারাপ দিকটাকে প্রকারন্তরে সাপোর্ট করা হলো না?

যেমন আমাদের আওয়ামীলীগ ভাল উদ্দেশ্যে ...এরশাদের সাথে হাত মিলিয়েছে ..কিন্তু এতে এরশাদের অতীত কর্মকে সমর্থন করা হয়ে গেলো না

সেটা রাজনীতির মাঠে ঠিক কিন্তু নীতির মাঠে ঠিক না।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: পথিকদা, যুদ্ধাপোরাধীদের বিচারের দাবীটা আসলে কোন আদর্শ বা নীতির ব্যাপার নয়। এটা সামগ্রিক ভাবেই হওয়া উচিত। আমার বক্তব্যও তাই। আমরা যৌবনজ্বালায় থাকি আর জুম্মার নামাজে থাকি সব জায়গায়ই আমাদের এই দাবীর ব্যাপারে সোচ্চার হতে হবে।

আর ঐসব সাইটে যারা ভিজিট করেন তারা কি সবাই খুব খারাপ? আমার আপনার মতো সকলেই কিন্তু সেই সব সাইটে গিয়ে ঢু মারেন। আমার আপনার মতো বিবেকবান মানুষেরাই। এখন সেখান থেকে যদি কোন জনমত গঠন করা যায় তো খারাপ কি?

১৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ঠিক ;; ভাল কথা বলছেন ;; এই গুলি রে ধইরা পাকিস্থান পাথাই দেয়া উচিত ;; পাকিস্তান চইলা যা শালারা;;
১৯. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০২
ইয়র্কার বলেছেন: পথিক একটা যায়গায় ভুল বুঝতেছেন। যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবীতে ওই সাইটে যাওয়ার জন্য কাউকে বলা হচ্ছে না।

ওই সাইটে যারা অলরেডি যায়, তারা যুদ্ধাপরাধীর দাবীতে সোচ্চার হয়েছে, এটাই অমি পিয়াল বলেছেন।

তাদের দেখাদেখি আমি আপনি সামহোয়্যারইনেই সোচ্চার হই। জে জে তে আমার আপনার যাওয়ার দরকার নেই।
২১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪
মিঠাই বলেছেন: তো পথিক সাহেব, কেন তাইলে যোউবন জালায় জান, হিট বাড়ান? এইটা কি খারাপ সাইটকে সাপোর্ট করা হইল না?
২২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৭
মহফুজ মেহদী বলেছেন: অসাধারণ লিখছেন...
২৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩
পথিক!!!!!!! বলেছেন: @মিঠাই
অবশ্যই সেটা অন্যায় ....
আমি অন্যায় করেছি বলেই অন্যয় ন্যায় হয়ে যায়না।
২৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: প্রিয় পোস্ট নিলাম। এত কিছুর পিছনে আমার মূল সূরটা ছিলো সামহোয়ারেও এই আন্দোলন শুরু হোক। বাকাপ
২৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৮
জাফর হোসেন খান বলেছেন: পর্নোগ্রাফি পতিতাবৃত্তি খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা, খুব কম নারীই এতে নিজের ইচ্ছায় জড়িত হয়। বেশীরভাগ নারীকে জোর করে পর্নো ও পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। যারা বাধ্য করে তারা ভাল লোক হতে পারেনা, তাদের এই অবৈধ কাজকে বৈধতা দিলে, কিছুদিন পরে তারা আপনার স্ত্রী কন্যাকে কিডন্যাপ করে পতিতাপল্লীতে বিক্রি করে দিতে পারে। আমেরিকার উন্মুক্ত পর্নো বানিজ্যর ফল তারা পাচ্ছে, প্রতিদিন দুনিয়াতে সবচেয়ে বেশী নারী ধর্ষিত হয় , আমেরিকাতে। সেখানে রীতিমত নিলাম ডেকে নারী বেচাকেনা হয়।
এই ভয়ংকর বানিজ্যে জড়িতদের নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে নামলে বিষয়টা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যাবে, যুদ্ধাপরাধীরা ইতিমধ্যে ব্যাপক আনন্দ পাচ্ছে।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: তাইলে আমরা এখন কি করুম?


আমি পির-এ-কামেল-কুতুবে রাব্বানী-গাউসিয়াল আজম-মাইজ ভান্ডারী-কোরানে হাফেজ-বুলবুলে বাগদাদ-হুজুরে আলা জাফর হোসেন খানকে ইমাম করিয়া সামুব্লগবাসীর সকল পুরুষকে নামাজে দাড়াইয়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচারের দাবীতে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানানোর আহ্বান জানাইতেছি। আমীন

২৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪০
হাসান বিপুল বলেছেন: পুরা সাপোর্ট। এমুন একটা লেখাই আশা করতেছিলাম।
২৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
তামিম ইরফান বলেছেন: জাফর ভোদাও বাসায় গিয়া বাল ফালাও
২৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৭
তামিম ইরফান বলেছেন: পোষ্টের সাথে ১০০% সহমত@সামীভাই
২৯. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫১
েক আিম বলেছেন: সাইম্মা খেপলি কে? আরে এই ব্যাপারটায় আমিও একমত: কিন্তু কথা হইল মোবাইল কম্পানির লাহান: আমগো অনুভুতি বেইচা খাওয়া বুদ্ধি না তো??
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: মোবাইল কোম্পানীর কথা আমরা সকলেই জানি, কিন্তু সবই তো ঠিকঠাক মতো চলতাছে। আমারা ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনে আলাপ করি।

ব্যাপারটারে ঐভাবে দেখ। যৌবনজ্বালা টাইপ পর্ণৌগ্রাফিক সাইটে কিন্তু তোর আমার মতো মাইনসেরাই আমরা যাই। এখন কেউ যদি গিয়া সেইখানে ঢু মারে, আর ঐ ব্যানারটা দেখে যে ইনিশিয়েটিভটা নেয়া হইতেছে তাতে সামিল হয় তো সেইটাকে আমি স্বাগতমই জানাবো।

যুদ্ধাপোরাধীগো বিচারের জন্য যৌবনজ্বালা বা জায়নামাজ সবই আমার কাছে সঠিক প্লাটফরম মনে হয়। যার যেমন সাধ্য।

৩০. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫২
জাফর হোসেন খান বলেছেন: হুজুরে আলা কি জিনিস? আমি ঐপদের কেউ নয়, আপনার নিজের ইমাম আপনি নিজে হওয়াটাই বেশী দরকার।
৩১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৭
জাফর হোসেন খান বলেছেন: আমি যতদুর শুনেছি, যৌবনজালার মালিকানা পরিবর্তন হয়েছে, যৌবনজালার পক্ষে বিপক্ষে পোস্টগুলোতে জনৈকদের দৌড়ে এসে কমেন্ট করাটা খেয়াল করে দেখবেন। যৌবনজালাতে পর্নো না থাকলে তারা দুদিনেই পঙ্গু হয়ে যাবে। তারা কখনো পর্নো বাদ দিবেনা। যারা যৌবনজালাতে যায়, তারা পর্নের জন্যই যায়। মুক্তিযুদ্ধের ভিডিও দেখতে নয়।শেষ কথা বলি, কাউকে অন্ধ অনুকরন করবেন না।
৩২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৭
নারিকেল-জিন্জিরা বলেছেন: সহমত
আসলেই এভাবে কখন চিন্তাই করিনি।
+++
৩৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৯
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: জীবনের প্রতিটা মূহুর্তেই ওই কুত্তাগো বিচারের দাবী করা উচিত।
---
সহমত।


সবাই যার যার অবস্থান থেকে সোচ্চার হোন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে অবস্থান নিন।

কিছু ভার্চুয়াল মোল্লার শিরদাঁড়া সোজা হইয়া যাইতেছে। সকাল থেকে দেখতেছি!X(X(
৩৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৬
কঁাকন বলেছেন: জীবনের প্রতিটা মূহুর্তেই ওই কুত্তাগো বিচারের দাবী করা উচিত

+++++++++++++++++++
৩৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সামী মিয়াদাদ,

আপনার এই পোস্টে মাইনাস দিলাম, এটি জানিয়েই কিছু কথা বলছি- আশা করি, অন্তত আপনার সাথে রেশারেশির বদলে যুক্তি-তর্ক হবে।

আমার এ বিষয়টিতে পোস্টখানি (Click This Link) পড়ার আহবান থাকলো। সেখানে ঢু মারতে বা আলোচনা চালাতে ইচ্ছা না-ও করতে পারে এ সম্ভাবনায় পোস্ট থেকে কিছু অংশ তুলে দিচ্ছি:

...........

আমাদের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি কেবল দু-একজনের ফাসীর দাবী নয়, এটি খুব বেশী করে আদর্শিক দাবী- এবং আরেকটি আদর্শিক অবস্থানের মৃত্যুর দাবী। গোলাম আযমদের ফাসী চাই বটে, কিন্তু এসবের সাথে উচ্চারিত-অনুচ্চারিত মূল চাওয়া হচ্ছে- যে রাজনীতি, যে মতবাদিক অবস্থান গোলাম আযমদের যুদ্ধপরাধ সংগঠিত করিয়েছিল তারও কবর চাই। অন্যতম প্রধান যুদ্ধাপরাধ হলো আমাদের নারীর প্রতি সহিংসতা, ফলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়া মানে নারীর প্রতি সহিংস হওয়ার সমস্ত আয়োজনেরও বিরোধিতা করা। ফলে- এ কারণেই কোন পর্ণো সাইটের ব্যানারে এবং উদ্যোগে এমন দাবী উত্থাপন অসমর্থন যোগ্য। পর্ণো সাইটের ভিজিটরেরা নিজস্ব উদ্যোগে এ দাবি করতেই পারে, কিন্তু যখন এমন উদ্যোগ নিয়ে সাইট কর্তৃপক্ষ ভিজিটরদের মাঝে যায়- বা সিগনেচার ক্যাম্পেইন বা বিভিন্ন রকম উদ্যোগ নিতে থাকে- তখন সেটাকে সমর্থন করার মতো কিছুই থাকে না।

আমি আগের পোস্টে একটি কথা বলেছিলাম। সেটা হচ্ছে- লাভের কথা। এক কুত্তাও যদি গোলাম আযমের পাছায় কামড়ায় তাতেও তো লাভ!- আসলে কথাটি ঠিক বলিনি। আমি অবশ্যই চাই- গোলাম আযমদের পাছায় কামড় বসুক- খুব করেই চাই, কিন্তু অবশ্যই আদর্শকে বিসর্জন দিয়ে নয়। জামাত-শিবির এদেশ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাক চাই, কিন্তু তাকে নিশ্চিহ্ন করতে গিয়ে আওয়ামী পন্থায় খেলাফত মজলিস টাইপের অন্য কোন ইসলামী দলকে চরম শক্তিশালী বানানোকে যেমন সমর্থন করতে পারিনা- এটি তেমন। দরকার হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আরো দশটা বছর পরে হবে, কিন্তু আদর্শকে-মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে জলাঞ্জলী দিয়ে নয়....... (জামাত নিশ্চিহ্ন হোক এটা আওয়ামী লীগ মোটেও চায়না, এবং আমি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধের দাবিকে একসূত্রে গাঁথা মনে করি)।

---------------------

এবারে দু একটি পোস্টের যুক্তিগুলো সম্পর্কে কিছু বলা যাকঃ
সামী মিয়াদাদ বলেছেনঃ একিলিস দুই মাইয়ার মাঝখান থাইকা উইঠা যুদ্ধে গিয়া বিরুদ্ধপক্ষের সবচেয়ে মস্তান যোদ্ধারে এক কোপে ঘায়েল কইরা ফালাইলো। দুই মাইয়ার লগে যৌনকর্মও তার যুদ্ধের স্পৃহারে দমাইতে পারেনাই। একিলিস গ্রীক ইতিহাসের বীরদের আসনে বিরাট আসন নিয়া এখনও বাইচা আছে। সে কয়টা মাইয়ার লগে কয়বার সেক্স করলো এইগুলা কোন বিষয় না। যুদ্ধের ময়দানে কি করলো সেটাই বিবেচ্য।
==>>আগেই বলেছি- যৌবনযাত্রার অমুক মামা- তমুক মামা যৌবনযাত্রায় যাই করুক না কেন, বাস্তব জীবনেও যতজনের সাথে সেক্স করুক না কেন- সে অজুহাতে তার কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণের বিরোধিতা করা হচ্ছে না এখানে। বরং বলা হচ্ছে প্লাটফর্মের অংশগ্রহণের বিরোধিতার কথা। মাগুড়ছড়ার ক্ষতিপূরণের দাবিতে অক্সিডেন্টালের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হচ্ছে। এটাতে কেয়ার্নের যেকোন চাকুরীরত লোক অংশ নিতেই পারে, কিন্তু খোদ কেয়ার্নও যদি এ আন্দোলনে সামিল হতে চায়, তবে কি সেটাকে সমর্থন করা হবে?

যৌনতা মানুষের জীবনে কতখানি স্বাভাবিক একটি বিষয় তার এক লম্বা ফিরিস্তি তুলে ধরে আরাশি বলেছেন, "প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রাপ্তবয়স্ক সাইটে যাওয়া যদি ঠিক থাকে, প্রাপ্তবয়স্কদের একটি আন্দোলন, প্রাপ্তবয়স্কদের একটি সাইট থেকে শুরু হলে ক্ষতি কি? জাত যায় যায় বলে এই কলরোলে মুখোশের আড়ালে মুখ লুকিয়ে রাখার স্ববিরোধীতা কেন ?"
একই ধরণের যুক্তিই অনেকেই করেছেন। প্রশ্ন এসেছে "আপনি কি মাস্টারবেশন করেন না?"... ইত্যাদি।
==>>এ ঘরানার যুক্তি সবচেয়ে বিরক্তিকর। যৌবনযাত্রার ব্যানারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী উত্থাপনকে অসমর্থন করার সমার্থক যেন যৌনতাকেই অস্বীকার করা- এই হলো এ ঘরানার যুক্তির ধরণ। এবং শেষে আবার যৌনতাকে পর্ণোকেন্দ্রিক যৌনতারও সমার্থক বানিয়ে দেয়া হলো! এবং অবাক ব্যাপার হচ্ছে- অনেকে যায়, প্রচুর ভিজিটর পর্ণো ভিজিট করে, এটাকে খুব স্বাভাবিক- এবং "ঠিক" ব্যাপার বলে এনারা রায় দিয়ে দিচ্ছেন! "প্রাপ্তবয়স্ক"দের একটি আন্দোলন "প্রাপ্তবয়স্ক"দের একটি সাইট থেকে শুরু হলে ক্ষতি কি- কথাটিই আপত্তিকর। কেননা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন মোটেই ২য় "প্রাপ্তবয়স্ক" অর্থে প্রাপ্তবয়স্কদের আন্দোলন নয়।

সচলায়তনের অচ্ছুত বলাইয়ের কমেন্টও এখানে এক পোস্টে কপি পেস্ট করা হয়েছে দেখলাম, সেখানে বলা হয়েছেঃ"যৌবনজ্বালা একটি প্রাপ্তবয়স্ক সাইট এখানে আপত্তি? ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিন্তু পর্ন দেখে না, এরকম কতভাগ মানুষ আছে? যারা পর্ন দেখে, তারা গণহারে খারাপ লোক? যারা মদ খায়, তারা গণহারে খারাপ লোক? যারা চটি পড়ে, তারা গণহারে খারাপ লোক? যদি তা-ই হয়, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। এবং এই মন্তব্যের পরের কথাগুলো পড়ার দরকার নেই। যদি না হয়, তাহলে যে লোকগুলো একটা সাইটে, একটা ফোরামে সময় কাটায়, তা প্রাপ্তবয়স্ক বিষয় নিয়ে আলাপ করে হোক আর রাজনীতি নিয়ে হোক আর দেশের অর্থনীতি নিয়ে হোক, তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইতে গেলে আমার খারাপ লাগবে কেন?"
==>>যারা পর্ণো দেখে তারা খারাপ কি ভালো এটা প্রশ্ন নয়, তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইতে পারবে না এমনটিও বলা হচ্ছে না- শুধু আপত্তি প্লাটফর্ম কি হবে সেটা নিয়ে। মদ বিরোধী কোন র‌্যালিতে গ্যালাক্সি বা শাকুরায় যায় এমন লোক অংশগ্রহণ করলে কেউই আপত্তি করবে না, কিন্তু শাকুরা বা গ্যালাক্সি নিজেই যদি এমন মদ বিরোধি র‌্যালি নামায় তবে সেটার সিরিয়াসনেস কি থাকবে? (অনেকে সেটাকে কমেডি ভাববে, কেউ ভাববে ব্যাটাদের আসল উদ্দেশ্য কি?), বিষয়টা অনেকটা এরকম।
সে লোকগুলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইলে আমার খারাপ লাগে না, বরং ভালোই লাগবে- তবে তাদের ঐ ফোরাম থেকে এ দাবি উচ্চারিত হলে অবশ্যই ভালো লাগবে না।
............
৩৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আপনি বরাবরই আমার প্রিয় একজন লেখক। আপনার অনেক লেখাই আমি মন দিয়ে পড়ি। মাইনাস আসলে কোন ব্যাপার না। যুক্তি তর্কটাই আসল।

আসলে কি? আপনি মাগুরছড়ার যে যুক্তিটি দিলেন তার সূত্র ধরেই বলি, যৌবনজ্বালা বা যৌবন যাত্রা প্লাটফর্ম টি কি কখনো্ কোন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়েছে? যদি তারা এমন করে থাকে তবে ঐ প্লাটফরম থেকে যুদ্ধাপোরাধীদের বিচারের দাবী চাওয়া নিতান্তই ভন্ডামী হবে। একটা পর্নোসাইট থেকে দাবীটি উঠেছে বলে তা আজ নিন্দিত। সাইট কর্তৃপক্ষরা ব্যক্তিগত ভাবে দাবী করলে ঠিক আছে, কিন্তু তাদের সাইটকে ব্যবহার করলেই দোষ? এটা আসলে ঠিক আমার বোধগম্য হয়না। তাই তাদের যুদ্ধাপোরাধীদের বিচারের দাবীকে আমি কন্ট্রাডিকটরি মনে করিনা। যদিও অনেকে এখানে অনেক ব্যবসায়ীক মতলব খুজছেন।

মাগুর ছড়া নিয়ে আপনার যুক্তিটি তোলা যেতে পারে যদি খোদ জামাতই যুদ্ধাপোরাধীদের বিচারের দাবী করে। যেমন আপনি বলেছেন মদ বিরোধী আন্দোলনে যদি সাকুরা সামিল হয় তবে তাতে মানুষ সন্দেহ তো পোষন করবেই। তাই জামাত যদি হঠাত শ্লোগান তুলে যুদ্ধাপোরাধীদের বিচারের দাবীতে, তখন তা হাস্যস্পদই হবে। কিন্তু যৌবনযাত্রার বেলায় কি তা বলা যায়?

কিন্তু সাইটটি যদি মিথ্যাচার করে কোন ব্যাপারে তবে আমি তার নিন্দাই জানাবো। মিথ্যাচার করে কোন কিছুকে প্রতিষ্ঠিত করা যায়না।

আমি এখানে একমত আপনার সাথে। আমরা শুধু যুদ্ধাপোরাধীদের বিচারের দাবী করছি। কিন্তু যে আদর্শ তারা সমাজে রেখে যাচ্ছে তাকে প্রতিরোধ করার কোন পন্থাই অবলম্বন করা হচ্ছেনা। প্রকৃত যুদ্ধাপোরাধীরা কিন্তু ঠিকই তাদের আদর্শ সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে রেখে যাচ্ছে।

সবশেষে আপনাকে ধন্যবাদ মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য। নিজেও সম্মানিত আপনার লেখায় জায়গা করে নিতে পেরে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: @নাস্তিকের ধর্মকথা

৩৭. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
রেটিং বলেছেন: প্রিয় সামী, আপনাকে আমিও বইলা মাইনাস দইলাম
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: মাইনাসের জন্য ধন্যবাদ রেটিং...তবে আলোচনা করলে আরো ভাল লাগতো ভাই

৩৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৮
রাঙা মীয়া বলেছেন: প্রিয় সামী, আপনাকে আমিও বইলা মাইনাস দিলাম ।

আপনার কাছে কয়েকটি প্রশ্ন----
১.মুক্তিযুদ্ধে চেতনাকে কি আপনি পবিত্র ও মহান মনে করেন না ?

২. যুদ্ধপরাধীদের বিচারের দাবীতে জেজে ফোরামের বিতর্কে কি ফোরামের রেটিং বাড়েনি?

৩. যুদ্ধপরাধীদের বিচারের ইস্যু না থাকলে মহাজোট কি বিপুল বিজয় অর্জন করতো ?

০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মূ্ল্যবান মাইনাসের জন্য।

১. প্রশ্নটি অবান্তর। তাই উত্তর দিলাম না।

২. জেজের হিট আমার ধারনা সামহোয়ার থেকে বেশী। অনেকেই ব্লগিং জিনিসটারে আতলামী হিসেবে নেয়। কিন্তু জেজে টাইপ সাইটগুলোতে কমবেশী সবাই ঢুঁ মারে। আতেল, কবি, শিল্পী, গায়ক, ব্যবসায়ী, হুজুর, কামেল, হাফেজ, আপনি , আমি....সবাই। আর বিচার চাইতে গেলে তাদের রেটিং যদি বাড়ে তো দোষের কি আছে?

দেখুন...সমাজে পতিতাবৃত্তি চলছে সেই আদিকাল থেকে। এখন কারও যদি ইচ্ছে করে, পতিতাপল্লীতে গিয়ে যৌনতৃপ্তি পাওয়া সেটা তার ব্যাপার। এজন্য কি আমরা পতিতাবৃত্তিকে দোষ দেব? আমরা আগে নিজেদের ঠিক করি, তারপর অন্যেরটা নিয়ে টানাটানি করবো। আগে জেজে টাইপ সাইটগুলোর ট্রাফিক কিভাবে কমাবেন সেটা ভাবুন, এতোই যদি আপনাদের সমাজ সচেতনতা।

৩. আমার ধারনা করতো। যুদ্ধাপোরাধীর বিচার ছাড়াও আরো অনেক ব্যাপারেই ৪ দলীয় জোটের উপর দেশে জনগন খেপে আছে।

ধন্যবাদ

রাঙামিয়া.....৩ তারিখে আসুন.....এই আন্দোলনে শরীক হতে নিশ্চই আপনার আপত্তি নেই....দেখা হবে নিশ্চই। ভাল থাকবেন।

৩৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৯
রাঙা মীয়া বলেছেন: সামী,থ্যাংকস । ৩ তারিখের ব্যাপারে কিছু জানিনা। দয়া করে বলবেন কি ?
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: ভাস্করদার স্টিকি পোষ্টখানা পড়ে দেখেন....জেনে যাবেন

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০১০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাকে বলা হয়েছে, তুমি যা ইচ্ছা তাই করো কিন্তু লিখতে পারবেনা। কিছু লিখতে গেলেই তোমার টুটি চেপে ধরা হবে, কিছু...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই