আমার প্রিয় পোস্ট

কাঁদো, যখনি কাঁদতে ইচ্ছে করবে। কান্না শুদ্ধতম আবেগ প্রকাশের একমাত্র উতকৃষ্ট মাধ্যম। অতি সুখের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়, অতি দু:খের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়। কাজেই কাঁদো, কেঁদেই তোমার জীবনকে তুমি শুদ্ধতা দান করো। - তুর্কী মরমী কবি দাদায়েম ঈমাস

শিবিরের জন্মদিনে সামী'র ব্লগীয় অনুভুতি

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

শেয়ারঃ
0 0 0

জন্মদিনে পরিচিত কাউকে শুভেচ্ছা জানাতে খুব ইচ্ছে করে। শুভেচ্ছা জানিয়ে মনে একটা তৃপ্তি পাওয়া যায়। কিন্তু তারিখ সংক্রান্ত বেশীর ভাগ বিষয়ই আমার খুব একটা মনে থাকেনা বিধায় শত ইচ্ছে থাকা সত্বেও অন্তিম সময়ে আমি দিনটির কথা ভুলে যাই। শুভেচ্ছা আর জানানো হয়না। বন্ধু-বান্ধব এ ব্যাপারে আমার উপর মহা খাপ্পা। আমার সীমাবদ্ধতা যে জন্মদিনের ব্যাপারে আমি ভাল বন্ধু হতে পারিনি।

আজও দেশে অনেকে জন্মেছে। অনেকেই হয়তো জন্মায়নি। না জন্মেই তারা চিরবিলীন হয়ে গিয়েছে মহাকালের গর্ভে। এই দিনে আরও অনেকেই জন্মেছিলেন, অনেকে জন্মাবেন। আমিও হয়তো এই দিনে জন্মাতে পারতাম। কিন্তু আমি এইদিনে জন্মাইনি। আমি আমার মা-বাবা’র কাছে অশেষ কৃতজ্ঞ যে আমাকে এই দিনে জন্মানোর জন্য তারা কোন জৈবীক প্রক্রিয়ায় অংশ নেন নি। এই দিনে জন্মালে হয়তো আমি আজকের সামী হতাম না। হয়তো অন্য কিছু হতাম।

এটা ভেবেই আমার আনন্দ জাগে। আমি এই দিনে জন্মাইনি। আরও অনেক কিছুর জন্য আমার আনন্দ জাগে। কলেজে পড়ুয়াকালীন সময়ে ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনের সামনে বসে আমরা বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিতাম। জোহরের আজান হলেই কোন এক বিশেষ সংগঠনের নেতারা এসে আমাদের নামাজের দাওয়াত দিতেন। আমাদের মাঝে অনেকেই যেত, বেশীরভাগই যেতনা। এই না যাওয়ার দলে থাকতেই আমি সচ্ছন্দ এবং আনন্দ বোধ করতাম। আমি অনেক আনন্দ বোধ করাতাম, উল্লসিত হতাম, নিজের প্রতি কৃতজ্ঞতায় আমার মন ভরে যেত।

আমার বন্ধুদের এই নামাজে না যাওয়ার পেছনে হয়তো লক্ষ-কোটি কারন ছিলো। আমার একটাই কারন ছিলো। কোন শিবির কর্মীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ পড়া আর যাই হোক সামী’র জীবনের সাথে যায় না। শিবির কর্মী আর সামী একসাথে একই কাতারে দাড়িয়ে একই ঈমামের পেছনে দাড়িয়ে নামাজ পড়ছে, ভাবতেই আমার মনটা বিষিয়ে উঠতো। এই বিষটুকু আমার অন্তরে হয়তো আজীবনের জন্য শেকড় গেড়ে বসে আছে। আমি এই বিষটুকুকে খুব উপভোগ করি।

তখন বেশ ছোট ছিলাম। বয়স ৮/৯ হবে। সময়টা হবে ১৯৮৮/৮৯ এর দিকে। সিলেটে থাকতাম। স্কুলে যাই, খেলাধূলা করি, কমিক পড়ি, বাবার হাত ধরে বাজারে যাই, ফুপি-চাচুদের আদর খাই, মাঝে মাঝে দুষ্টুমি করলে মা-বাবা’র বকা খাই। অনেকটা ডেল কার্নেগীর দুশ্চিন্তাহীন জীবন। জীবনটা খুব দুশ্চিন্তহীন থাকেনা। চিন্তা এসে ভিড় করে নিশ্পাপ শিশু মনে। তখন আর মনটাও নিশ্পাপ থাকেনা। বিষে ভরে ওঠে। তীব্র-ঘৃন্য বিষ।

মনে পড়ে সময়টার কথা। বাবা বাগানে কাজ করছিলেন। বাবার পাশে আমি দাড়িয়ে বল দিয়ে খেলছিলাম। হঠাত একটি হোন্ডা মটরবাইক চালিয়ে দু'জন (তিনজনও হতে পারেন) এসে আমাদের বাসায় হাজির হলেন। বাবাকে এসে একটি খবর দিলেন। বাবার নাম ধরে বললেন, "ভাই, মুনীরকে ওরা স্ট্যাব করেছে। ড্রেনে ফেলে রেখে গিয়েছে।" বাবাকে বিহ্বল অবস্হায় দেখলাম তাদের সাথে আলাপ করছেন। "স্ট্যাব" শব্দের মানে আমি তখন জানতাম না। এখনও জানিনা। আমার কখনো এই শব্দের অর্থ জানতে ইচ্ছে হয়নি। "স্ট্যাব" শব্দটি আমার কাছে একটি মূর্তিমান বিভিষিকা।

সেদিন ৫ টি স্ট্যাব করা হয়েছিলো মুনীরকে। সে পড়েছিলো সিলেটেরই কোন এক রাস্তার পাশে ড্রেনে। খুনীরা কিরিচের আঘাতে জর্জরিত করে তাকে ড্রেনে ফেলে রেখে গিয়েছিলো। তারা হয়তো "নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার" বলে আঘাত করেছিলো কিরিচ দিয়ে। তারা হয়তো কোরানের বানীও উচ্চারন করেছিলো। তাদের একটুও হাত কাপেনি রামদা চালাতে, কিরিচ চালাতে, রক্ত ঝরাতে। তারা ছিলো ইসলামের সৈনিক। তারা ছিলো শিবির সৈনিক। তারা মুনীরকে হত্যা করেছিলো নির্মম ভাবে।

মুনীর। আমার মেঝ ফুপির সবচেয়ে ছোট দেবর। ১৯৮৮/৮৯ এর দিকে তিনি সিলেট এম, সি কলেজে পড়তেন। জাসদের রাজীনতি করতেন। ৮ ভাইবোনের মাঝে সবচেয়ে ছোট। সবার পরে এসেছিলেন। সবার আগেই চলে গেলেন। শিবিরের ইসলামী সৈনিকেরা সেদিন একজন পিতাকে পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী বস্তু উপহার দিয়েছিলেন। তার আদরের ছোট ছেলের লাশ।

মুনীর চাচুর একটা স্মৃতিই আমার মনে আছে। আর কোন স্মৃতি আমি ইচ্ছে করেই মনে রাখিনা। আমাকে কোলে বসিয়ে তিনি একটি ম্যাজিক দেখিয়েছিলেন ফুপির পানচিনির সময়। হাতের মধ্যমা আর তর্জনী দিয়ে একটি মজার ম্যাজিক। অনেক বছর পর আমি আমার ৫ বছর বয়েসী ভাগ্নিকে কোলে বসিয়ে এই ম্যাজিকটি দেখিয়েছিলাম। আমার স্মৃতিপটে তখন মুনীর চাচুর ম্যাজিক দেখানোর দৃশ্যটি ভেসে উঠেছিলো। তবে আমি তার মতো লাশ হইনি। কেউ আমাকে কুপিয়ে ড্রেনে ফেলে যায়নি।

খবরটি পাওয়া মাত্র বাবা সাথে সাথে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তখন আমাদের বাসায় টেলিফোন ছিল না। বাবা’র মুখে শুনেছি সেদিন সারা রাত তারা সবাই এদিক ওদিক রক্তের জন্য ছুটেছিলেন। অনেক রক্তের প্রয়োজন ছিল আর মুনীর চাচুর রক্ত ছিলো খুব দূর্লভ। ও নেগেটিভ। যার কারনে এদিক ওদিক ছুটোছুটি করেও তারা খুব একটা রক্ত জোগাড় করতে পারেন নি। বাবা সেদিন বলছিলেন এসব খুব আক্ষেপ করে। পরেরদিন অনেকেই ওসমানী হাসপাতালে ভিড় করেছিলেন রক্তে দানের জন্য। কিন্তু তখন সব শেষ।

আর বিশেষ কোন স্মৃতিই আমার মনে নেই। তবু অনেক চেষ্টা করেও আমি ভুলতে পারিনি মুনীর চাচুর সেই অন্তিম শয়নের দৃশ্য। মৃত্যুর কিছু আগে হাসপাতালে তাকে আমি দেখতে গিয়েছিলাম। তখনও তিনি মৃতই ছিলেন। তার পাশের বেডে ছিলেন জুয়েল নামক আরেকজন।

যতটুকু মনে পড়ে জুয়েল ছিলেন খুবই কম বয়েসী। এসএসসি পাশ বা এই রকম কিছু একটা। আমি তাকেও দেখতে গিয়েছিলাম। তাকেও আমার মৃতই মনে হয়েছে। আরেকজন হিন্দু ছিলেন তাদের সাথে। তপন। বিয়ে করার কথা ছিলো কিছুদিন পর। কিন্তু বিয়ে আর করা হয়নি। শিবিরের কিরিচ তাকে বিয়ে করতে দেয়নি। তাদের সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা তেমন। তাই বলা হলোনা তাদের গল্প। চোখ বুজলেই তাদের নাম আমি দেয়ালে দেয়ালে লেখা দেখতে পাই।

এই ঘটনার পর পুরো সিলেট উত্তাল রূপ ধারন করে। চারিদিকে শুধু মুনীর-তপন-জুয়েল। আমি যেদিকেই যেতাম দেয়ালে দেয়ালে শুধু তাদের হত্যার বিচার চেয়ে স্লোগান লেখা থাকতো। সিলেটের এমন কোন দেয়াল নেই যা এদের খুনীর বিচারের দাবী চেয়ে শ্লোগান দেয়নি। আমি সেইসব দু:সহ স্মৃতি নিয়ে বড়ো হচ্ছিলাম।

মানুষের ছোটবেলা যেখানে ভরপুর ছিলো অনেক অনেক মধুময় স্মৃতিতে সেখানে শিবিরের সৈনিকেরা আমাকে উপহার দিয়েছিলেন হত্যার স্মৃতি, ধ্বংসের স্মৃতি, রক্তের স্মৃতি, বিষাদময়তার স্মৃতি, শ্লোগানের স্মৃতি, নি:সংশতার স্মৃতি। আমি তাদের কাছে অশেষভাবে কৃতজ্ঞ।

সেই কৃতজ্ঞতা আমি এখনও বয়ে বেড়াচ্ছি। শিবির দেখলেই ঘেন্নায় আমার মুখ থুথু তে ভরে যায়। আমার খুব ইচ্ছে হয় তাদের মুখে থুথু দেই। তাদের কে জিজ্ঞেস করি ইসলামকে বিক্রি করে, ইসলামকে বিকৃত করে, ইসলামকে পন্য বানিয়ে তাদের কেমন মুনাফা হচ্ছে। তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হয় মুনীরকে আঘাত করার সময় তারা কি একবারও নিজের ভাইটির কতা ভেবেছিলো, জুয়েলকে খুন করার সময় একবারও কি তারা ভেবেছিলো একটি সদ্য কলেজ পড়ুয়া কিশোরের কথা? তপনের কথা বাদই দিলাম, সে বেচারাতো ছিলো মূর্তাদ-হিন্দু।

আমার তাই শিবির দেখলেই মনটা বিষিয়ে ওঠে। মুখটা ভরে ওঠে ঘৃণ্য থুথু তে, বমি আসে। ইচ্ছে করে আমি গলগল করে শিবিরের মুখে বমি করে দিই। কিন্তু বাস্তবে আমি তা করতে পারিনা। আমার সীমাবদ্ধতা আমাকে তা করতে দেয়না। তবু আমি চেষ্টা করি।

কলেজের প্রথম দিনই আমাকে শিবিরের পাল্লায় পড়তে হয়েছিলো। বাবা-মা’র সাথে ফর্ম আনতে গিয়েছি। সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এম.সি কলেজে। অনেক স্মৃতি জড়ানো এই কলেজকে ঘিরে। শিবিরের একজন আমার সাথে কথা বলতে এলেন। তখন বুঝতে পারিনি তিনি শিবির। পরে বুঝেছিলাম। আমাকে নামধাম জিজ্ঞেস করতেই তিনি এমন ভাবে কথা (এখন সত্যিই মনে নেই) বলা শুরু করেছিলেন সাথে সাথেই আমি বুঝে গিয়েছিলাম তিনি কি। তাকে উত্তর দিয়েছিলাম, ভাইয়া কলেজে ছাত্ররাজনীতি ভাল না। আর ইসলাম নিয়ে রাজনীতি তো আরো খারাপ। তিনি আর কিছু বলেননি। প্রথম দিনই হয়তো এতো ঘাটাতে চাননি। বাবা আমাকে সেখান থেকে নিয়ে এসেছিলেন। পরে এ নিয়ে বকা খেতে হয়েছিলো এভাবে উদ্ধত ভাবে কথা বলার কারনে।

আমি সেদিন খুব তৃপ্তি পেয়েছিলাম। হয়তো কিছু্ই না। কিন্তু সদ্য মেট্রিক পাশ করা একটা ছেলের কাছে এটাই হয়তো অনেক কিছু ছিলো। পরে এই শিবির কর্মীরাই আমাদের নামাজের দাওয়াত দিতেন। ইসলামী সন্গীত শোনাতেন। দলবেধে আমাদের কাছে আসতেন নামাজের দাওয়াত দেয়ার জন্য। আমি দলের পেছন থেকে সটকে পড়তাম। আমার তাদের সাথে কথা বলার রুচী হতোনা। আমার বমি পেত, ঘেন্না হতো। শিবির কর্মীর মুখে ইসলামের বানীত, নামাজের দাওয়াতে আমার কিশোর মন বিদ্রোহী হয়ে উঠতো। তাদের কে আমার খুনীদের উত্তরসূরী মনে হতো। তাদের হাতেও আমি টাটকার রক্তের দাগ দেখতে পেতাম, কিরিচের হুন্কার দেখতে পেতাম, রামদার ঝনঝনানি শুনতে পেতাম। তাই এরকম নীরবে নিভৃতে হয়তো মুনীর-তপন-জুয়েলের এক বিন্দু রক্তের ঋনও আমি শোধ করতে পেরেছিলাম।



(ব্লগার সুদীপ্ত একটি পোষ্টে জিজ্ঞেস করেছিলেন মুনীর-তপন-জুয়েল কে? প্রশ্নটা শুনেই অনেক স্মৃতি এসে মনকে বিষিয়ে দিলো। মন্তব্যের উত্তরে এতোকিছু বলা সম্ভব ছিলোনা বলেই এই পোষ্টের অবতারনা।)

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৩
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: শুধু একটা দলের এরকম উল্টাপাল্টা কাজের জন্য নাস্তিকদের ফালাফালি শুরু হয়...এই দল কেমনে এখনো টিকে আছে আশ্চর্য লাগে!

মন খারাপ করা অতীত
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: টিকেই তো আছে.....স্বগর্বে ৩২ তম জন্মদিন পালন করতেছে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: লেখাটার জন্য অনেক ধন্যবাদ সামী । +++++
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: তুমারেও ধন্যবাদ

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: এইটাই...নৃশংস

৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
কিরণময়ী বলেছেন: "আমি একজন উতকৃষ্ট ভন্ড।" এটা প্রোফাইলে পড়ার পর কেউ কি আপনার লিখাকে পাত্তা দিবে ??দিবেনাতো ...যেমন আমি দিতে পারিনি।
লিখেছেন ভাল।তাই প্লাস দিয়েছি।কিন্তু সত্য মনে হয়নি,বেশির ভাগ কথা পছন্দ হয়নি।যেমনঃনামাজের ডাকের ব্যাপারটা।
শিবিরকে ঘৃনা করতে গিয়ে নামাজকে ঘৃনা করে ফেলেছেন।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: পাত্তা দেবেন না বললেন। তাহলেতো মন্তব্যই করা উচিত হয়নি আপনার। আপনার সত্য মনে না হলে কিছুই যায় আসেনা। ১৯৯৮/৯৯ সালে যারা এম.এসি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক পড়েছে তাদের কাছে সত্য মনে হবে। আরো অনেকের কাছেই হয়তো হবে।

আর প্রোফাইলের লেখা নিয়ে কৈফিয়ত দিতে আমি বাধ্য নই।

যাই হোক...ইংরেজিতে একটি কথা আছে.....ট্রুথ ইজ স্টেন্জার দ্যান ফিকশান।

ধন্যবাদ আপনাকে।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: আর শিবিরকে ঘৃনা করতে গিয়ে নামাজকে করিনিতো? ঘাতকদের উত্তরসূরিদের সাথে আমি নামাজ পড়তে অস্বিকৃতি জানিয়েছি। এতে যদি আমি নরকবাসী হই তো সেই নরকবাসকে আমি মাথা পেতে নিলাম।

আবারো ধন্যবাদ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: আর মুনীর তপন জুয়েলের কথা যদি মিথ্যে মনে হয় তো সিলেটে গিয়ে খোজ নিয়ে দেখতে পারেন। আপনার থাকা খাওয়ার বন্দোবস্ত করা যাবে। এটি আমার পরিবারেরই কাহিনী শুনালাম। কখনোই শুনাতাম না কিন্তু শিবিরের জন্মদিন পালিত হয় জানলে নিজেকে সংযত রাখি কিভাবে।

সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নাকি ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিলো। সাঈদীর ওয়াজ শোনানো হয়েছিলো। দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। তার পরিচয় জানা আছে তো? নাকি ওগুলোও মিথ্যা?

৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
স.ম. বাবু বলেছেন: কি যে লিখব- বুঝতে পারছিনা। লেখাটার জন্য অনেক আনেক ধন্যবাদ।

আসুন আমরা বাংলাদেশের সকলেকে ওদের চরিত্রের কথা জানাই....
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: আমি ছোটবেলা থেকেই জানি। বাস্তবে অনেকে দেখেও না দেখার ভান করে থাকেন নিজ স্বার্থের কারনে।

৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫২
তনুজা বলেছেন: লেখাটার জন্য অনেক ধন্যবাদ
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও

৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫২
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: কী বলবো বুঝে পাচ্ছি না। শিবিরের প্রতি ঘৃণার সলতেটা আরো একটু উস্কে দিলেন, সামী ভাই!
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ওরা শিখিয়েছে আমাকে ঘৃনা কি জিনিস। আমি জীবনে এতো ঘৃণা কোন বস্তুকে করিনি। রাজাকার-আলবদর-আলশামস-শিবির দের যেমন করেছি।

আই হেট দেম

৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১০
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: @ভাঙ্গা পেন্সিল, এই দলকে আমরা-ই টিঁকায়ে রাখছি। :( লাই দিয়ে দিয়ে মাথায় তুলা হইছে এদের। এখন এক আছাড়ে মাথাত থেইকা মাটিতে গেঁড়ে ফেলতে হবে। এই রগ-কাটা পার্টিদের একই ওষুধে মারতে হবে। ধর্মের নামে যারা মানুষ খুন করে, তাদের নিশ্চিহ্ন করতে হবে।

@সামী ভাই, I hate them too X(
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২০
বাপ্পাদিত্য বলেছেন: সামী... লেখাটার জন্য ধন্যবাদ।

কষ্ট গুলো বেড়ে যায় যখন এতোকিছুর পরও ওরা অহংবোধ নিয়ে টিকে থাকে... জানি না ধর্মকে পণ্য বানিয়ে ধার্মিক সাজার মাঝে কি তৃপ্তি এই পশুগুলো পায়!!!

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: এ কারনেই গতকাল কষ্টটুকু বেড়ে গিয়েছিলো। হয়তো ব্যক্তিগত এইসব কথা ব্লগে লিখতাম না। কিন্তু জন্মদিনের শুভেচ্ছা সম্বলিত পোষ্ট আসলে নিজেকে আটকাই কি করে।

১০. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৬
রাহা বলেছেন: হুমম..... মনটা বিষাদে ছেয়ে গেল...
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: আশা করি বিষাদ থেকে বের হতে পেরেছেন। ভাল থাকবেন রাহা ভাই।

১১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৯
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আমাদের চাওয়ায় কিছু আসে যায় না...৫ বছর পরে পালাবদলে তারা আবার ক্ষমতায় আসবে। তখন কি হবে কেউ ভেবেছেন? তাই হাসিনার জন্য এইটা পরীক্ষা যে উনি কি করেন...ধর্মের রাজনীতি, রাজাকারের বিচার এসব বিষয় শেষ না করে গেলে আমি অন্তত ক্ষমা করবো না।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪২

লেখক বলেছেন: হুমমম.....আমি ওরা নিজেদের ভুল স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে ক্ষমা করবো না।

১২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৪
একরামুল হক শামীম বলেছেন: কি আর বলবো!
লেখাটার জন্য ধন্যবাদ সামী ভাই।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: তোমাকেও ধন্যবাদ শামীম। ভালো থেকো

১৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৪
েক আিম বলেছেন: সামী শিবির কে ঘৃনা করার যে কারন টা দিলি তা কোন ভাবেই সমর্থন করতে পারলাম না: এদের ঘৃনা করার একটাই কারন: রাজাকারদের বাচ্চা এরা: আরেক রাজাকার।

তুই যে কারন টা দিলি: সে কারনে আমি ঘৃনা করতে পারি অন্য যে কোন ছাত্র সংঘটনকে: তোর প্রবলেম কি: তুই কি শিবিরের পক্ষ নিয়ে কথাটা লিখলি নাকি:

হত্যা খুন কে করে না: সবাই করে আমি নিজের চোখে কুমিল্লা ভিক্টরিয়াতে ছাত্র লীগের খুন করা দেখেছি, আমাদের আগের যাত্রাবাড়ী বাসার সামনে দেখেছি ছাত্রদলের ছেলেদের কোপানোর মহড়া, আর শিবিরের মার তো দেখেছিই। আর তুই যে কারনে বললি তা ঘৃরা করার খুব ব্যাক্তিগত কারন হয়ে গেল: হয়ত মুনীর চাচু মারা না গেলে এমন হতো না।

চিন্তা কর ৩০ লক্ষ শহীদের কথা। পারলে রি-পোষ্ট দে।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: এইবার দোস্ত বুঝছি তুই ক্যাডা অনেকদিন পর....

দোস্ত শোন....৩০ লাখ শহীদের কথা আমি জানছি অনেক পরে। আরো অনেক পরে। ৮/৯ বছরের একটা বাচ্চার কাছে জামায়াত, শিবির, রাজাকার, আলবদর, আ-লীগ, বিএনপি, এরশাদ, স্বৈরাচার, ধর্ম, রাজনীতি, নষ্টামী এসব কোন অর্থই বহন করতোনা। আমি এসব নিয়ে চিন্তাই করতাম না। ছোটবেলার যে কোন স্মৃতিই মানুষকে পরবর্তী জীবনে খুব ভাবায়। আমি আমার ঘৃনার শুরুটার কথা বলেছি। পরবর্তী জীবনে এ ঘৃণা শুধু বেড়েছেই যখন শুনেছি শিবিরের পূর্বসুরীরা ৭১ এ কি করেছেন। কিন্তু ৭১ কে ভাল মতো জানার আগেই আমি শিবিরের হত্যা লীলা প্রত্যক্ষ্য করেছিলাম। আর এ কারনেই হয়তো তাদের প্রতিই এই ক্ষোভ। তখন শিবিরের জায়গায় অন্য কোন দল থাকলে তাদের প্রতিও আমার এমনি ক্ষোভ থাকতো। এখনও যে অন্য দলগুলোর প্রতি ক্ষোভ নেই তা কিন্তু না। অনেক অনেক ক্ষোভ। আমি রাজনীতিকেই ঘৃনা করি দোস্ত।

সিলেটে আসলে শিবিরের দৌরাত্ব খুব বেশী ছিলো। অনেক আগে থেকেই। সিলেটের মানুষ অনেকটা ধর্মপ্রান কিসিমের। যার কারনে তাদের এই দৌরাত্ব। আর মানুষের অন্যায় ক্ষমতা আমি কেন যেন মেনে নিতে পারিনা।

যাই হোক, আসলে এটি ব্যক্তিগত কারনই ছিলো। এইসব কচকচানী লিখতে কোন কালেই ভাল লাগেনা। তাই লিখিনি। কিন্তু গতকাল মনটা হঠাত খুব বিদ্রোহী হয়ে উঠলো। আর ৩০ লাখ শহীদের কথা লিখে জানানোর প্রয়োজন নাই দোস্ত। ঐটা হৃদয়ে গাঁথা আছে এমনিতেই।

ওকে ভাল থাকিস।

১৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৬
েক আিম বলেছেন: ঘৃনা ওদের জন্য সবসময়।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: ঘৃনা ওদের জন্য সবসময়....ঐটাই

১৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০২
কিরণময়ী বলেছেন: ব্লগে আমি নতুনতো,তাই প্রথম পাতা থেকে পোস্টে এসে আমি ব্লগ লেখকের প্রোফাইলটা পড়ি।একারনে কিছু মনে করবেন না।
একাত্তোরের জামাত রাজাকার আল বদর আর সব পাকিদের দোসর দের মন থেকে ঘৃনা করি ,কিন্তু আমি একি পরিমান ঘৃনা শিবিরকে করতে পারিনা।কেন করতে পারিনা, সেটার অন্যতম কারন তাদের কিছু মূলনীতি।আবার তাদের সব ভাল তাও বলিনা।আজকেই একজনকে লিখেছিলাম, একক সংগঠন হলে তাদের কে ভাল বলতে আপত্তি ছিলনা আমার। দূর থেকে হলেও আমি তাদের কিছু ভাল দিক দেখেছিলাম। খুব বাম্পন্থী চিন্তাধারার পরিবার থেকে আমার কাযিন জয়েন করেছিল শিবিরে,পরিবারে ব্যাপক বিরোধিতা হয়।কিন্তু তার অনেক ভাল ভাল পরিবর্তন পরে সবাই খুব ভাল ভাবে নেই আমরা।অনেক পড়াশুনা করতে দেখতাম ভাইয়াকে।

সাইদীর ওয়াযের কথা বলার দরকার নেই।খুব অপছন্দ করি।কম শিক্ষিত মানুষদের জন্য এসব ওয়ায করা হয়,যার কোন ভিত্তি হয়না।

তবে ভিন্ন ঘটনাও আছে।আপনার পরিবারের উদাহরণ সেটি।আপনার জন্য তাই সমবেদনা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ আর ছাত্রদলের এত জঘন্য ফেইস দেখেছি আমি যে কম্পারেটিভলি শিবিরকে ভাল মনে হয়েছে।জাবি'র কোন ছাত্রী লীগকে সহজে নেয়না,এতো জঘন্য ওরা।ফ্রন্টের ওরা ভাল ছিল,কিন্তু তাদের কোন সঠিক দিকনির্দেশনা নেই।আমি রাজনীতিবোদ্ধা নই।নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম কেবল।
ধন্যবাদ আপনাকে।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে মতামতের জন্য। ব্লগের প্রোফাইলটি আসলে অনেক অনেক ব্লগীয় বিবর্তনের ফলস্বরূপ।

আসলে ছোটবেলার স্মৃতি থেকে বের হয়ে আসা অনেক কঠিন একটি ব্যাপার। আমি যখনকার কথা বলেছি তখন শিবিরের দৌরাত্বই বেশী ছিলো সিলেটে। আর আমি এসব দেখেই বড়ো হয়েছি। ধর্মান্ধদের কারনে এই সেদিনও (২০০৭ সালে) সিলেট স্টেডিয়ামে একটি গানের কনসার্ট পন্ড হয়েছে। আমার সামনেই একটি রিকশায় মাইক দিয়ে প্রচার করা হচ্ছিলো কনসার্টের বিরুদ্ধে। সিলেটের পবিত্র মাটিতে কনসার্টের মতো অশালীন কাজ চলবেনা চলবেনা। লিফলেটও বিলি করা হচ্ছিলো। এগুলি অনেকটা সেই ৮৮/৮৯ সালের ঘটনারই বিবর্তিত রূপ। এখন আর কেউ কাউকে শারীরিক ভাবে খুন করেনা। বুদ্ধিভিত্তিক খুন করে। আমার মনে হয় আমি প্রতিনিয়ত বুদ্ধিভিত্তিক খুন হচ্ছি। আমার খুব ইচ্ছে করছিলো রিকশাটিকে আটকাই, কিন্তু পারিনি। আমিও সেদিন খুন হয়েছিলাম। আমার হয়তো অনেককিছু বলার ছিলো বলতে পারিনা। আমিও প্রতিনিয়ত খুন হই।

আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে যা বললেন, তা হয়তো আপনার বাস্তবতার সাথে মানানসই। কিন্তু ঘাতকের উত্তরসূরীদের আমি মোটেও মেনে নিতে পারিনা। তেমনি মেনে নিতে পারিনা অন্যান্য দলগুলোর এইসব অন্যায় হত্যাকান্ড। আমি যে কোন হত্যাকান্ডেরই বিপক্ষে।

আপনার ভাইয়া শিবিরে যোগ দিয়েই কি শুধু পড়াশুনা করেছেন? এখানে ব্লগারদের মাঝেই অনেকে আছেন যারা চরমভাবে নাস্তিক কিন্তু তাদের পড়াশুনা অনেক অনেক উন্নত। ভুরী ভুরী উদাহরন দিতে পারবো। আসলে একজন মানুষের আদর্শগত পরিবর্তন কোন দলের ভিত্তি ধরে এগিয়ে গেলে আমি সেটা সেই মানুষটার দূর্বলতা হিসেবেই দেখি। আদর্শের জন্য, আমার নিজের জীবন পরিচালনার জন্য আমার কোন দল-মতের প্রয়োজন নেই। রাজনৈতিক দলের কোন প্রয়োজনই নেই।

দূর থেকে যে কাররই ভাল দিক দেখা যায়। মূলটাকে চেনা যায় তার সাথে মিশলে, তার অন্তরে ঢুকলে।

যাই হোক....ধন্যবাদ আবারো...ভাল থাকবেন।

১৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৩
রাজর্ষী বলেছেন: @কিরনময়ী আপনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে জানতে পারি কি? জাবি'র কথা বেশী বলে ফেললেন মনে হয়। আমরা বর্তমান নষ্ট ছাত্ররাজনীতি দিয়ে লীগ,দল বিচার করলে ভুল হবে, এটা আমাদের বর্তামান নষ্ট সমাজের প্রতিফলন, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি এসব বদলাবে, সমাজ ঠিক করলে সেসবও ঠিক হয়ে যাবে যেমন একসময় লীগের রাজনীতি এমন ছিলো না । কিন্তু শিবির তারা যত ভালো রুপ প্রদর্শন করুক এরা বদলায় না, এরা ৭১ এর আল বদরের সরাসরি উত্তরসুরী সবসময়ই এরা ঘাতক।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩২

লেখক বলেছেন: এখন কে যে ঘাতক, আর কে যে ঘাতক না সেটাই বিরাট গোলকধাধা। বর্তমান সমাজ, রাষ্ট্র, রাজনীতি সবই নষ্ট-ভ্রষ্ট-পচা-গলা লাশের মতো।

১৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৪
ক-খ-গ বলেছেন:
শিবিরের জন্য চরম ঘৃনা
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩২

লেখক বলেছেন: শিবিরের জন্য চরম ঘৃনা

১৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৬
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: শিবিরের জন্য চরম ঘৃনা
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: চরম ঘৃনা

১৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৭
ইরতেজা বলেছেন: সামী মিয়াদাদ এর কিবোর্ডে বিপ্লব। প্লাস
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইরতেজা। আসলেই মনটা বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিল।

২০. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০১
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: ভাল লাগলো এভাবে ওদের নৃশংসতার চিত্র তুলে ধরার জন্য ....ওরা যে কত নিচ প্রকৃতির হতে পারে তার অভিজ্ঞতা আপনার আছে নিশ্চই, তাই আর কিছু বললাম না ...
ধর্মের নামে সন্ত্রাস আর আল্লাহর নাম নিয়ে মানুষকে কোপানো ... এ দুটো জিনিস চিন্তা করলেই ওদের মানসিকতা সম্পর্কের যে কেউ স্পষ্ট ধারনা পেয়ে যাবে ...

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধর্মের নামে সন্ত্রাস কিন্তু অনেক অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। এগুলি তারই আধুনিক রূপ। ধর্ম হচ্ছে সবচেয়ে সস্তা পন্য এই পৃথিবীতে, যার কোন মূল্যই নেই। যে কেউ একে এক বাজার থেকে কিনে অন্য বাজারে বিক্রি করে ফেলে অবলীলায়।

ধন্যবাদ আপনাকে

২১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২১
কিরণময়ী বলেছেন: কে যে ভাল আর কে যে খারাপ,কেউ আসলে জানিনা আমরা !আমি সামগ্রিকভাবে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে।তাই কাউকে খারাপ -ভাল আর বলবোনা।সমাজটা নষ্ট ,সত্য।কিভাবে এই সমাজটা ঠিক হবে ? কে করবে ?
এসব চিন্তা করলে আর ভাল লাগেনা আমার।
ধন্যবাদ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: অতীতে ফিরে যান। দেখুন ইতিহাস কি বলে। এখনকার প্রেক্ষাপট হয়তো ভিন্ন, কিন্তু এদের ইতিহাসে তো রক্ত লেখা, নির্যাতন লেখা, অন্যায়-অত্যাচার লেখা। এখন আর ছাত্র রাজনীতি নেই....ওটা হয়ে গিয়েছে ছাত্রদের অস্ত্র রাজনীতি।

২২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৭
থার্ড নয়ন বলেছেন: শুধু শিবির না, ছাত্রলীগ, ছাত্রদল সহ সবার বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসের অভিযোগ আছে। আমাদের ছাত্ররাজনীতিই অতীত ঐতিহ্য হারিয়ে সন্ত্রাস নির্ভর হয়ে পড়েছে। সন্ত্রাস সন্ত্রাসের ই জন্ম দেয়। আপনার যেমন মুনির চাচ্চু হারিয়েছে। তেমনি আপনার মত অনেকেই তাদের ' শিবির চাচ্চু' যারা হারিয়েছে। এই পর্যন্ত প্রায় দেড়শ শিবির কর্মীর প্রান হারিয়েছে অন্য সংগঠন গুলির হাতে। সুতরাং এই ইস্যু নিয়ে পুরো শিবির এর বিরুদ্ধে বিষোদগার যুক্তিযুক্ত নয়।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। এতোদিনে মাত্র ১৫০??? এ থেকেই বোঝা যায় কে বেশী নি:সংশ। এর বেশী কিছু বললাম না।

২৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:২৬
সূর্য বলেছেন: শিবির থার্ডনয়নের জন্য শুধু গদাম!
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন:

২৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩৬
হাসান মাহবুব বলেছেন: এই পর্যন্ত প্রায় দেড়শ শিবির কর্মীর প্রান হারিয়েছে অন্য সংগঠন গুলির হাত।শুইনা বড়ই বালা লাগল।থার্ড নয়ন ,আপ্নেও মরেন।দূরে গিয়া।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: এটা কি বললেন? ভাল লাগার তো কিছু নাই। আমি তো আশ্চর্য হলাম। এত বছরে মাত্র ১৫০ জন? এই সংখ্যা থেকেই তাদের নি:সংশতার প্রমান মেলে।

২৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: শিবিরের জন্য চরম ঘৃনা
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: চরম ঘৃনা...

২৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: তোর লেখাটা পরে মনটাই খারাপ হয়ে গেলরে...

সমবেদনা রইলো :(
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: সমবেদনার জন্য ধন্যবাদ প্রত্যুদা

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাঈম ভাই

২৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: মনটা খারাপ হয়ে গেলো
মন খারাপ করা ছাড়া কিবা করতে পারবো
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: হুমমম....আসলেই কিছুই করার নেই

২৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
জেরী বলেছেন: শিবিরদের নির্মমতা অসহনীয়:(
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: আসলেই অসহনীয়

৩০. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
মিন্‌নত করি বল কেলাডা চার বলেছেন: গেলমান থার্ড নয়নের মুখে গু।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০০

লেখক বলেছেন: কি বললেন এইসব? সে বেচারা ব্লগিং করবে কিভাবে?

৩১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
হাসান বিপুল বলেছেন: লেখাটা পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল, তবে এই লেখাটি শেয়ার করা দরকার ছিলো। ধন্যবাদ।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৩২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩
মজিদ বিশ্বাস বলেছেন: দূর থেকে যে কাররই ভাল দিক দেখা যায়। মূলটাকে চেনা যায় তার সাথে মিশলে, তার অন্তরে ঢুকলে।

ঠিক, সহমত।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: হুমমম....এইটাই...ধন্যবাদ আপনাকে

৩৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬
পজিটিভ২৯ বলেছেন: @থার্ড নয়

বাংলাদেশের আবার ছাত্র রাজনীতি!!!! তার আবার সাফাই গাইলেন!!!!

যারা বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতি করে তারা শু....রের থেকেও অধম.....

সব শালারা শু....র শিবির তাদের মধ্যে ধাড়ি শু....র....

জুতা পেটা শিবির আর জামাত রে....
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

লেখক বলেছেন: একমত....এইটা ঠিক ছাত্র রাজনীতি না....ছাত্রদের অস্ত্র রাজনীতি

৩৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
েক আিম বলেছেন: অফটপিক: দোস্ত ক তো আমি কেডা??
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: মোষ্ট প্রোবাবলী শাফী.....ঐ ব্যাটা একটু কবিতা টবিতা লেখতো বইরাই শুনছিলাম। আর লিখতো বাবু। একবার এইখানে রাসেলরেও দেখছিলাম।

আমার ভুলও হইতে পারে। যাত্রাবাড়ী দেইখা ঢিলটা ছুড়ছি।

৩৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯
অকাটমুর্খ বলেছেন: আপাতত: প্রিয়তে রাখলাম পরে পড়ছি।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: সময় করে একসময় পড়লেই হবে....ধন্যবাদ আপনাকে

৩৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
েক আিম বলেছেন: হ সাফী ই!!
আমারে কবে শুনলি কবিতা লিখতে।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: হাহাহাহহাহাহাহহা.....আমার ধারনা তাইলে ভুল না। প্রথম যেদিন কমেন্ট করলি অনেক আগে, তখন মনে করছিলাম স্কুল বা কলেজের কোন দোস্ত। পরে ভুল ভাঙছে। শুনছি তোর কবিতার কথা কোন এক কালে। ভাল্লাগলোরে।

৩৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৬
সুদীপ্ত বলেছেন: আমি প্রশ্নটা করেছিলাম নিছক কৌতুহল থেকে, সেটা যে আপনার শৈশবের দুঃসহ একটি স্মৃতিকে উস্কে দেবে কল্পনাও করতে পারি নি. . . শিবিরের তাণ্ডব নিয়ে অনেক কিছু শুনেছি, আজ তা স্পষ্টতর হল।

অথচ এই শিবিরের জন্মদিন নিয়ে সামহোয়্যারে পোস্ট দেয়া হয়, সেটা মডারেটরদের দৃষ্টিতে কোন অপরাধ নয়. . . আমার কাছে তো শিবিরের জন্মদিনের পোস্ট পর্ণোর চেয়েও অশ্লীল মনে হয়।

আমি অপেক্ষায় আছি শিবিরের মৃত্যুদিবসের। বিশ্বাস করুন আমি সেই দিনটি আনন্দের সাথে উদযাপন করবো!

অসাধারণ পোস্টটি প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক আগে একবার আরেকটি পোষ্টে এমন করে মন্তব্য করেছিলাম মুনীর-তপন-জুয়েল কে নিয়ে। কিছুদিন পরই দেখেছিলাম আমার অতি প্রিয় ব্লগার হোসেইন (এখন আর সামুতে ব্লগান না মনে হয়) তার একটি কবিতাতে মুনীর-তপন-জুয়েলের কথা লিখেছিলেন। আমার মনটা খুব খারাপ হয়েছিলো। কিন্তু তারপরও কেন জানি এসব নিয়ে লিখতে ইচ্ছে হয়নি। আপনার প্রশ্ন শুনে আর জন্মদিনের শুভেচ্ছা সংক্রান্ত পোষ্টগুলো দেখে নিজেকে আর সামলাতে পারিনি। আমি আমার আবেগকে ভয় পাই, আমার ক্রোধকে ভয় পাই। ওটা বড়োই মারাত্বক জিনিস।

আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনি প্রশ্ন না করলে কোনদিনই হয়তো এসব লিখা হতোনা। যদিও লিখে খুব একটা তৃপ্ত না। মনে হচ্ছে অনেক কিছু বাদ রয়ে গেল। যাই হোক...অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২০
মাফিয়া ডন বলেছেন: প্রানবন্ত লিখা ......

আন্ডার ওয়াল্ড নি্যে কখনো কিছু লিখানোর হলে সেই কাজ আপনাকেই দেয়া হবে ...

Happy Valentine's Day .....
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনে কোন পরিবারের ডন? বলেন তো আপনের পরিবার নিয়া এইরকম একটা প্রানবন্ত লেখা লেইখা ফালাই?

৩৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৬
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: জামাত শিবিরের প্রতি তীব্র ঘৃণা।
অসম্ভব ভালো লিখেছো সামী।

হলে আমাদের দু বান্ধবীর প্রথম সীট হয় এক ছাত্রী সংস্থার নেত্রীর রুমে। তারে একদম জ্বালায়ে মারতাম, তবু ক্ষোভ মিটতো না! গোলাম আযম যখন নাগরিকত্ব পেল, এদের ফুর্তি দেখতে হয়েছিল, নিষ্ফল আক্রোশ নিয়ে। এদের প্রতি ঘৃণাটা যেন আমাদের কখনো না মরে যায়।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য।

আমরা উপরে উপরে অনেক ভালটা দেখি এবং উতফুল্ল হই। ভেতরটা কেউ হাতড়ে দেখিনা। আমি ভেতরটা দেখি এবং আঁতকে উঠি।

৪০. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৫
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: মুনীর - তপন - জুয়েলের রক্ত
গণমানুষের শাণিত চেতনার প্রতীক।

ওরা বেঁচে থাকবেই আমাদের ধ্যানে, ধারনায়- মননে।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি। দারুন বলেছেন। ভাল থাকবেন।

৪১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৭
আরিফ জেবতিক বলেছেন: মন খারাপ হলো সামী ।
এই সব শুওরের বাচ্চাদেরকে আরো কাছে থেকে দেখেছি আমরা , তোমাদের ঠিক আগে আগেই যারা এই একই শহরে বেড়ে উঠেছিল ।

মুনীর ভাইয়ের রক্ত যোগাড় করা যায়নি , এই তথ্যে একটা ছিদ্র আছে । মুনীর ভাইয়ের রক্ত যোগাড় করা গেলেও রক্তদাতারা যেহেতু অধিকাংশই জাসদের কর্মী ছিল , তাই তারা সেই সময়ে হাসপাতালে যেতে পারেনি ।
মেডিকেলে যাওয়ার দুইটা রাস্তায় ভাতালিয়া আর রিকাবীবাজার থেকে যাওয়ার রাস্তায় সেদিন সশ্রস্ত্র শিবির কর্মীদের মহড়া চলছিল , অন্যদিকে আরেক শুওরের বাচ্চা এরশাদ তার পুলিশ বাহিনী লেলিয়ে দিয়েছিল শুধু জাসদ কর্মীদের উপরে ।

এই দুই বাধার মুখে হাসপাতালে জাসদ কর্মীরা উপস্থিত হতে পারেনি ঠিক সময়ে ।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফ ভাই তথ্যগুলো শেয়ার করার জন্য। সেদিন আমার বাবা ঘটনাগুলো বলছিলেন আমার ফুপাতো ভাইবোনগুলোকে। সারারাত তারা O- রক্তের জন্য বাইক নিয়ে ঘুরছিলেন। কিন্তু গ্রুপ রেয়ার হবার কারনে খুজে পাওয়া যায়নি। অনেকে হয়তো নিজের নিরাপত্তার কারনেই রক্ত দিতে রাজী হয়নি।

আপনি আরো তথ্য দিলেন। ভাল লাগলো জেনে। ছাত্ররাজনীতির ভয়াল দিকটা খুব কাছ থেকে দেখিনি। যতটুকু দেখেছি, বা বুঝেছি তাতেই বেশী কাছে যেতে আর ইচ্ছে হয়নি কোনদিনই।

আটরশির পীরের মুরীদের কাছ থেকে আপনারা আর কিইবা আশা করতে পারেন বলেন? এই মুরীদ আবার প্রেসিডেন্ট হবার খায়েস দেখায়।

আপনাকে আবারো ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

৪২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩২
রোবোট বলেছেন: সামী, আরিফ
ছি ভদ্র ছেলেদের সম্পর্কে এমন বলে না। ওরা খালি মৃদু রগ কাটে
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ওরা নামাজ পড়ে, রোজা রাখে, ধর্মকর্ম করে এবং ওরা হালাল উপায়ে রগ কাটে।

৪৩. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
বীরবাহাদুর বলেছেন: ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ লিখে কোন লাভ নেই সচেতন এবং মেধাবী ছাত্ররা আজ ছাত্রশিবিরের আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে ছাত্রশিবিরের ছায়াতলে সমবেত হচ্ছে! খারাপ লাগারই কথা।

১৭ আগষ্ট ১৯৯৯ সালে, ১০ম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্র শহীদ আহমদ যায়েদকে খুচিয়ে খুচিয়ে লক্ষীপুরের ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা হত্যা করে কি মায়ের কোল খালি করেনি? এ ভাবে ১৩১ জন ভাইকে হত্যা হাজার হাজার ভাইকে পঙ্গু করেও ছাত্রশিবিরের অগ্রযাত্রা কেউ রুখতে পারেনি পারবেওনা ইনশাআল্লাহ।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ জমানায় কিছু প্রতারক সৃষ্টি হবে। তারা ধর্মের নামে দুনিয়া শিকার করবে। তারা মানুষের নিকট নিজেদের সাধুতা প্রকাশ ও মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য ভেড়ার চামড়ার পোষাক পড়বে (মানুষের কল্যাণকারী সাজবে)। তাদের রসনা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি। কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ের হৃদয়ের মতো হিংস্র। (তিরমিজী)

আপনাকে আর বিশেষ কিছু বলার নাই

৪৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: সামী, দেরি করে লেখাটা পড়লাম। শিবির উচ্চারণ করতেই ঘৃণা হয়।
সামী আপনার লেখার হাত যে আসাধারণ, সেটা আবারও টের পেলাম।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গুরু। মনে অনেক ঘৃনা। এমনিতে তো উগরানোর উপায় নাই। তাই লেইখাই উগরাইতে হয়। আমার সীমাবদ্ধতা।

৪৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৫
শামীম রিয়াজ বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গুরু। মনে অনেক ঘৃনা। এমনিতে তো উগরানোর উপায় নাই। তাই লেইখাই উগরাইতে হয়। আমার সীমাবদ্ধতা।
-----------------------------------------------------------------
কি যে কন না বস! সীমাবদ্ধতা হইতে যাবে ক্যান?
আপনার লেখার মাধ্যমেই যে ঘৃণা আপ্নে উগড়ে দিলেন, সেইটা আমাদেরকেও স্পর্শ করসে!
চরম ঘৃণা শিবরের জন্য।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ঘৃনা যে কোন উপায়েই উগড়ানোটা জরুরী।

৪৬. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩২
মেঘ বলেছেন: জামাত শিবির রাজাকার/মরে হোক ছারখার
০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: একদম ঠিক..... মরে হোক ছারকার

৪৭. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৪১
অরণ্যদেব বলেছেন: আমি এক্টা কুত্তা পুষ্তাম চাই। নাম দিবাম- শিবির
০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: কুত্তার নাম শিবির???

০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪৯. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৬
লুদ্ধক বলেছেন: শিবির! নাম শুনলে গা করে শিরশির...
০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: আমার বমি আসে...গা গুলায়

৫০. ০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:

কিছুই মন্তব্য করা গেল না।
মৌলবাদের প্রতি থু ঠু রাখা ছাড়া।
না থু থুও তারচেয়ে দামি, দরকারি।
০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: হুমমম...থুতুও অনেক দরকারী এদের জন্য অন্যলাইনে চিন্তা করতে হবে।

৫১. ০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪০
অরণ্যচারী বলেছেন: এই নিক থেকেও একটা প্লাস দিলাম। এটা ১০০০ + পাওয়ার মত পোস্ট।
০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা....এতো প্লাস রাখি কই।

০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...সুখীদের সবকিছুই ভালো লাগে । ভাল থাকবেন।

৫৩. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন:

লেখক বলেছেন.....
"এখন কে যে ঘাতক, আর কে যে ঘাতক না সেটাই বিরাট গোলকধাধা। বর্তমান সমাজ, রাষ্ট্র, রাজনীতি সবই নষ্ট-ভ্রষ্ট-পচা-গলা লাশের মতো।"

আপনার প্রতি এবং আপনার মতো অন্য আরও শতশত স্বজনহারা মানুষের প্রতি সমবেদনা। যারা সবাই খুনীদের ঘৃণা করে।

দুঃখিত আপনার মন্তব্য ধার করায়।

আমি জানি নামাযের প্রতি আপনার ব্যক্তিগত কোন বিদ্বেষ নেই। তবে নিজেরই কল্যাণে এ বিষয়ে মন্তব্য করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ।

আল্লাহ আমাদের সকলকে দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বোচ্চ কল্যাণ দান করুন। আমিন।
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। আমি খুব সতর্কতার সাথে পথ চলার চেষ্টা করছি। দেখুন না, এমন সতর্ক হয়েছি যে দীর্ঘদিন ব্লগে কোন লেখাই দিচ্ছিনা। পাছে অসতর্ক হয়ে যাই।

ঠিক করছি না?

৫৪. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৯
রাজিবসিএসই বলেছেন: ভাই এগুলো লিখে দমানো যাবে না,
আমাদের আল্লাহ আছে
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৯

লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত করুন এবং দিলে রহম দিন। আমিন

৫৫. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১০
লড়াকু বলেছেন: রাজিবসিএসই বলেছেন: ভাই এগুলো লিখে দমানো যাবে না,
আমাদের আল্লাহ আছে

আল্লার নামে পবিত্র উপায়ে রগ কাটার অনুভূতি একটু বয়ান করেন। শুনে মুগ্ধ হই।
৫৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৪
মু. নূরনবী বলেছেন: বাহ্ চমেৎকার লিখেছেন.........

শিবির কত্ত কিছু করে...............

এত সব প্রচার আজ নয় অনেক আগেও ছিল.............এখনও আছে..থাকতে..

শিবিরের অগ্রযাত্রা কেউ রুখতে পারবেনা..............
তয়.বহুত তেল লাগাইয়া লিখছেন...........

কইস্যা মাইনাস
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মাইনাসের জন্য....শিবিরের অগ্রযাত্রা একদিন আল্লাহই রুখে দেবেন।

৫৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৯
সাজ্জাদ নীল বলেছেন: ভাইযা,,,,
খুব ভাল লাগলো....আপনি প্রতিটা কমেন্টের সুন্দর জবাব দিয়েছেন।বিশেষ করে যারা শিবিরের পক্ষে কমেন্ট করল....

আমি নতুন .....না বুঝে একটা কথা বলতে চাই......

শিবির তো কোন দোষ করেনি

ছাত্রদল তো কোন দোষ করেনি

ছাত্রলীগতো কোন দোষ করেনি......

দোষ তো আমাদের,,,,,,আমরা ই তো ওদের সুযোগ কর দিচ্ছি....
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: একদিন দিয়ে আপনি ঠিকই তো বলেছেন। আমরাই তো তাদের সমাজে স্হান দিয়েছি, পূনর্বাসিত করেছি, তাদের ভোট দিয়ে এমপি করেছি, মন্ত্রী করেছি।

এটি হচ্ছে আমাদের বাঁকা মেরুদন্ডের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এই মেরুদন্ড সোজা করতে গেলে এখন অনেক অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে।

কিন্তু সর্বোপরি দোষটা কিন্তু যারা কোন দোষ করেনি তাদেরই।

যাই হোক...ধন্যবাদ আপনাকে।

৫৮. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬
যীশূ বলেছেন: অনুভিতির প্রকাশ ভালো লেগেছে।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যীশূদা

৫৯. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
আল্লাহ রাখা বলেছেন: এদের শেষ করা অসম্ভব,যেখানে এদেশের অন্যতম বড় দলের সমর্থন এরা পেয়ে আসছে।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: ঐটাই...তিক্ত সত্য।

৬০. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
অজানা আমি বলেছেন: জামাত শিবিরের প্রতি তীব্র ঘৃণা।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

৬১. ১৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:২৭
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন: শিবির খুব খারাপ.।
রাজাকারের বাচ্চা.। শুওর,,,,,,, কুত্তা খুব ঘৃনা তাদের জন্য..


তয়,,,,
আমরার ইলিয়াস আলী ভাই, জামান ভাই, সাপ্লাই তপু ভাই, লীগের শামীম ভাই, নাদেল, জগদীশ, জাসদ লোকমান, আরিফুল হক এরা কিন্তু খুব ভালা..

আমার সোনার শহর সিলেটরে.. গোরস্থান বানাইয়া তারা গাঁজার আসরে বসে আছেন... তারা যে কত মার বুক খালি করেছেন সেগুলার একটা ওয়াজ/বয়ান করা যায় না??

আপনার ওয়াজ কিন্তু সাঈদীর মতো ই.. ব্যাপক কষ্ট পাইছি দিলে।

জুয়েল এর আত্মীয় স্বজনের সাথে আমার ভালই পরিচয় আছে..।
কোনদিন আপনার মতো কাঁদতে দেখিনি।

এই সব হত্যাকান্ডের বিচারের জন্য আপনারা কি করেছেন।
আর নিহত তিন জিহাদি বীর গর্দভদের নেতারা এখন সাবেক শিবির ও বর্তমাব জামাত নেতাদের বিজনেস পার্টনার.। এগুলো কি মাথায় আছে??
আমার তো মনে হয়... মুনীর বেঁচে থাকলে সেও এখন জামতের সাথে পর্টনারশীপে ব্যাবসা করতো/।

রাজনীতি??????

ঘৃনা,,,,,,, কেবলই ঘৃনা..
জীবিত, নিহত এবং আপনাকে সহ এর সাথে জড়িত সবাই কে..।
১৭ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: আমার প্রতি ঘৃণার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা সহ ধন্যবাদ।

৬৩. ১৯ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৩৭
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন: @লেখক:
সরি.। বিষয়টা কে আপনি যেভাবে নিয়েছেন তাতে এখন আমার খারাপ লাগছে। আবারো সরি।

আসলে নোংরা রাজনীতির প্রতি আমার মারাত্মক ঘৃনা আছে।

বঙ্গবন্ধুর নাতনী লন্ডনে পলিটিক্স করে.. কাউন্সিলর হইছে... ভন্ডামী টা দেখেন।

তারেক চুরারে পাইছিলাম ম্যাকডোনাল্ডে টেইকআউট নিতে গেছে.। আমিও তখন সেখানে.। মন চাইছিলো কষে একটা থাপ্পর দেই।

তাপসরে দেখলাম ভোদাইর মতো মার্বেল আর্চে হাঁটতাছে... মনে হইছিলো লাত্থি দিই।

এরাই দেশে নবাব/ বেগম সেজে আমাদের রক্ত চুষে খায়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৮৯৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাকে বলা হয়েছে, তুমি যা ইচ্ছা তাই করো কিন্তু লিখতে পারবেনা। কিছু লিখতে গেলেই তোমার টুটি চেপে ধরা হবে, কিছু...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই