আমরা যদি একটু পেছনে তাকাই তাহলে দেখতে পাব রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন একজন ছাত্রলীগ কর্মী, তারপর সরকার ছাত্র শিবিরের বিরুদ্ধে শুরু করে সাড়াসি অভিযান।
অন্যদিকে সংসদে লীগের এমপি রা হঠাৎ করেই প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে বিষেদাগার শুরু করেন, যার ফলশ্রুতিতে বি এন পি করছে ওয়াক আউট। আজকে আবার দেখলাম বিমান বন্দরের নাম ও পরিবর্তন করার ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। এবং যথারিতি আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষনা দিয়েছে তারা।
পিলখানার ঘটনা নিয়ে কারও কোনও মাথা ব্যাথা নাই।আর এগুলোর ভীরেই চাপা পড়ে যাচ্ছে পিলখানা। নতুবা এই ঘটনাটা নীয়ে যথেষ্ট চাপের মধ্যে থাকত সরকার। কারন বার বার সামনে চলে আসছে তাপস, নানক আর আজমের নাম।
অথচ যে ঘটনাটা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যু আমরা তা বেমেলুম ভুলে যেতে বসেছি। বিচারে দাবি ক্ষীন থেকে ক্ষীন হয়ে যাচ্ছে। সঠিক তদন্ত রিপোর্টের যে কি হল, আল্লাই ভাল জানেন।
যাই হোক লীগের থিংক ট্যাঙ্ক বেশ চিন্তা ভাবনা করেই এ মাসের প্লট গুলো সাজিয়েছে, আর মানতেই হবে তারা তাদের কাঝে পুরোপুরি সফল।
পিলাখানায় নীহতদের আত্মনাদ যেন আমি শুনতে পাচ্ছি। চোখের সামনে ভেসে উঠছে তাদের স্বজনদের কান্না, ভাবার চেষ্টা করছি ওরা যদি আমার রক্ত সম্পর্কের কেউ হত তাহলে আমি কি করতাম? এভাবেই বসে থাকতাম চুপচাপ?
আর ভাল লাগছেনা শুধু বিচার চাই, বিচার চাই, বিচার চাই
আমি বিচার চাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



