আমার প্রিয় পোস্ট

সময়ের প্রয়োজন

আল্লাহ ও তাঁর কোরআনের পরিচয় কোরআন থেকে-৩:

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪

শেয়ারঃ
0 1 0


বিসমিল্লাহিররহমানির রাহিম
আর উপাসনা কর আল্লাহর, শরীক করো না তাঁর সাথে অপর কাউকে। পিতা-মাতার সাথে সৎ ও সদয় ব্যবহার কর এবং নিকটাত্নীয়, এতীম-মিসকীন, প্রতিবেশী, অসহায় মুসাফির এবং নিজের দাস-দাসীর প্রতিও। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক-গর্বিতজনকে। সুরা আন নিসা-৩৬

আর কিই বা ক্ষতি হত তাদের যদি তারা ঈমান আনত আল্লাহর উপর কেয়ামত দিবসের উপর এবং যদি ব্যয় করত আল্লাহ প্রদত্ত রিযিক থেকে! অথচ আল্লাহ, তাদের ব্যাপারে যথার্থভাবেই অবগত। নিশ্চয়ই আল্লাহ কারো প্রাপ্য হক বিন্দু-বিসর্গও রাখেন না; আর যদি তা সৎকর্ম হয়, তবে তাকে দ্বিগুণ করে দেন এবং নিজের পক্ষ থেকে বিপুল সওয়াব দান করেন।
সুরা আন নিসা-৩৯-৪০
অথচ আল্লাহ তোমাদের শত্রুদেরকে যথার্থই জানেন। আর অভিভাবক হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং সাহায্যকারী হিসাবেও আল্লাহই যথেষ্ট।
সুরা আন নিসা-৪৬

নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল। নিসা-৪৮
অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে। অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা হূষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে।
সুরা আন নিসা-৬৫
যে লোক রসূলের হুকুম মান্য করবে সে আল্লাহরই হুকুম মান্য করল। আর যে লোক বিমুখতা অবলম্বন করল, আমি আপনাকে (হে মুহাম্মদ), তাদের জন্য রক্ষণাবেক্ষণকারী নিযুক্ত করে পাঠাইনি।
সুরা আন নিসা-৮০
এরা কি লক্ষ্য করে না কোরআনের প্রতি? পক্ষান্তরে এটা যদি আল্লাহ ব্যতীত অপর কারও পক্ষ থেকে হত, তবে এতো অবশ্যই বহু বৈপরিত্য দেখতে পেত। সুরা আন নিসা-৮২

আল্লাহ ব্যতীত আর কোনোই উপাস্য নেই। অবশ্যই তিনি তোমাদেরকে সমবেত করবেন কেয়ামতের দিন, এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তাছাড়া আল্লাহর চাইতে বেশী সত্য কথা আর কার হবে!
সুরা আন নিসা-৮৭
নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তাঁর সাথে কাউকে শরীক করে। এছাড়া যাকে ইচ্ছা, ক্ষমা করেন। যে আল্লাহর সাথে শরীক করে সে সুদূর ভ্রান্তিতে পতিত হয়।
সুরা আন নিসা-১১৬

যা কিছু নভোন্ডলে আছে এবং যা কিছু ভুমন্ডলে আছে, সব আল্লাহরই। সব বস্তু আল্লাহর মুষ্ঠি বলয়ে।
সুরা আন নিসা-১২৬

আর যা কিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে সবই আল্লাহর। বস্তুতঃ আমি নির্দেশ দিয়েছি তোমাদের পূর্ববর্তী গ্রন্থের অধিকারীদেরকে এবং তোমাদেরকে যে, তোমরা সবাই ভয় করতে থাক আল্লাহকে। যদি তোমরা তা না মান, তবে জেনো, সে সব কিছুই আল্লাহ তা’আলার যা কিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে। আর আল্লাহ হচ্ছেন অভাবহীন, প্রসংশিত। আর আল্লাহরই জন্যে সে সবকিছু যা কিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে। আল্লাহই যথেষ্ট কর্মবিধায়ক। সুরা আন নিসা-১৩১-১৩২

আর কোরআনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতি এই হুকুম জারি করে দিয়েছেন যে, যখন আল্লাহ তা’ আলার আয়াতসমূহের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন ও বিদ্রুপ হতে শুনবে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা প্রসঙ্গান্তরে চলে যায়। তা না হলে তোমরাও তাদেরই মত হয়ে যাবে। আল্লাহ দোযখের মাঝে মুনাফেক ও কাফেরদেরকে একই জায়গায় সমবেত করবেন।
সুরা আন নিসা-১৪০

তোমাদের আযাব দিয়ে আল্লাহ কি করবেন যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর এবং ঈমানের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক! আর আল্লাহ হচ্ছেন সমুচিত মূল্যদানকারী সর্বজ্ঞ। আল্লাহ কোন মন্দ বিষয় প্রকাশ করা পছন্দ করেন না। তবে কারো প্রতি জুলুম হয়ে থাকলে সে কথা আলাদা। আল্লাহ শ্রবণকারী, বিজ্ঞ। সুরা আন নিসা-১৪৭-৪৮

আর যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর উপর, তাঁর রসূলের উপর এবং তাঁদের কারও প্রতি ঈমান আনতে গিয়ে কাউকে বাদ দেয়নি, শীঘ্রই তাদেরকে প্রাপ্য সওয়াব দান করা হবে। বস্তুতঃ আল্লাহ ক্ষমাশীল দয়ালু।
সুরা আন নিসা-১৫২

আল্লাহ আমাদের মেনে চলার তৌফিক দিন। আমিন।




 

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
রিসাত বলেছেন: কুরআন বেশ গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রিড বিটুয়িন দা লাইন করতে পারলেই কেবল আপনে কামেল হইতে পারবেন,,,,,,

আপনের জন্য শুভকামনা,,,,,,,, ভালো পোস্ট দিছেন
২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১২
সবাক িনর্বাক বলেছেন: কোরআন, দা ওয়ে অব লাইফ। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা ধর্মকে খাটো চোখে দেখেননা তবে কোরান থেকে সরাসরি অধ্যয়ন না করার কারনে স্রস্টার প্রতি বিশ্বাসে শিরক করে ফেলেন। এরকম একটি ব্লগ তাদেরকে কোরানের ভাষায় স্রস্টাকে চিনতে সাহায্য করবে। লেখকে ধন্যবাদ।
৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১২
সবাক িনর্বাক বলেছেন: কোরআন, দা ওয়ে অব লাইফ। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা ধর্মকে খাটো চোখে দেখেননা তবে কোরান থেকে সরাসরি অধ্যয়ন না করার কারনে স্রস্টার প্রতি বিশ্বাসে শিরক করে ফেলেন। এরকম একটি ব্লগ তাদেরকে কোরানের ভাষায় স্রস্টাকে চিনতে সাহায্য করবে। লেখকে ধন্যবাদ।
৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১২
সবাক িনর্বাক বলেছেন: কোরআন, দা ওয়ে অব লাইফ। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা ধর্মকে খাটো চোখে দেখেননা তবে কোরান থেকে সরাসরি অধ্যয়ন না করার কারনে স্রস্টার প্রতি বিশ্বাসে শিরক করে ফেলেন। এরকম একটি ব্লগ তাদেরকে কোরানের ভাষায় স্রস্টাকে চিনতে সাহায্য করবে। লেখককে ধন্যবাদ।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৭
এক মুসাফির বলেছেন: আল্লাহর সমান বা শরিক কেউ নেই।তাই আল্লাহর কুদরতি পায়েই মানুষকে সেজদা দিতে বলা হয়েছে।
নামাজ আল্লাহকে দেখার এক মহাব্যবস্তা।
আল্লাহ আমাদের আল্লাহকে দেখে দেখে সেজদা করার তউফিক দান করুক।
আমিন।
৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩১
সামছুল আরেফিন বলেছেন: আল্লাহ আমাদের আল্লাহকে দেখে দেখে সেজদা করার তউফিক দান করুন।
আমিন
৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৬
এক মুসাফির বলেছেন: অনেকে আবার বলে আল্লাহকে দেখা যায় না।
ধন্যবাদ আপনি সে দলের না।
আল্লাহকে খুজলে পাওয়া যায়,
ধন্যবাদ।
৮. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:০৬
ব১কলম বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৩৫৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সামছুল আরেফিন, অফিস ইঞ্জিনিয়ার, দপদপিয়া সেতু প্রকল্প, বরিশাল।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই