আমার প্রিয় পোস্ট
- পৃথিবীর প্রথম নাস্তিক দেশটি কেমন ছিল? - মাহিরাহি
- হাদীসে রাসূল (সাঃ) নিয়ে কেন এই সংশয়? (দ্বিতীয় পর্ব) - নূরুল্লাহ তারীফ
- হাদীসে রাসূল (সাঃ) নিয়ে কেন এই সংশয়? (প্রথম পর্বের বাকী অংশ) - নূরুল্লাহ তারীফ
- হাদীসে রাসূল (সাঃ) নিয়ে কেন এই সংশয়? (প্রথম পর্ব) - নূরুল্লাহ তারীফ
- *_* সর্বোচ্চ সুমহানের সামনে রুকূ' করার দৃশ্য! - দৃষ্টির ছায়া
- *_* ছবি ব্লগ!!!
- দৃষ্টির ছায়া
*_* আল্লাহর পথে যারা দিয়েছে জীবন, তাদেরকে তোমরা মৃত বলো না...
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৩০
ছবি বর্ণনা:
ওহুদের প্রান্তরে শহীদদের কবর, মদীনা মুনাওয়ারা। দক্ষিন প্রান্ত থেকে তোলা হয়েছে। সম্মুখেই দেখা যাচ্ছে সাইয়্যেদুস্ শুহাদা বা শহীদের নেতা হামজা রাদিয়াল্লাহু 'আনহুসহ বেশ ক'জন বিশিষ্ট শহীদ সাহাবীর কবর।
এঁদের মধ্যে আবূ জাবের আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহুও আছেন, যাঁকে তাঁর শাহাদাতের ৬৪ বছর পর কুপ খনন করা অথবা প্রবল বর্ষণের কারণে কবর থেকে তোলার প্রয়োজন হয়েছিল। ইতিহাস সেদিন দেখেছিল ৬৪ বছর পরও এ শহীদের লাশ তরতাজা এবং তিনি তাঁর মাথার ক্ষতস্থানে একটা হাত দিয়ে রেখেছিলেন। কেউ একজন হাতটা সরিয়ে দিতে চাইলে ক্ষতস্থান থেকে দরদর করে রক্ত প্রবাহিত হতে শুরু করেছিল; পাঠক! শাহাদাতের ৬৪ বছর পর!! আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ সত্য বলেছেন: ((আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয় তাদেরকে মৃত বলো না, বরং তারা জীবিত; কিন্তু তোমরা উপলব্ধি করতে পার না।)) [সূরা আল-বাকারাহ: ১৫৪]
ছবি লিংক।
হাদীস:
মৃতের জন্য আর্তনাদ ও বিলাপহীন ক্রন্দন বৈধ
আনাস রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বর্ণনা করেন যে,
"রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় পুত্র ইব্রাহীমের কাছে গেলেন। তখন তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছিলেন। (এ দৃশ্য দেখে) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের চোখ দিয়ে অশ্রুধারা প্রবাহিত হতে লাগল। তাঁকে আব্দুর রহমান বিন 'আওফ জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনিও কাঁদছেন? তিনি বললেন: হে ইবনে 'আওফ! এটা দয়া-মায়া। অতঃপর তিনি দ্বিতীয়বার কেঁদে ভরলেন এবং বললেন: চোখ অশ্রু ঝরায়, অন্তর শোকাকুল এবং আমরা আল্লাহকে সন্তুষ্টকারী কথা ছাড়া অন্য কিছু বলব না। হে ইব্রাহীম! আমরা তোমার বিরহে শোকার্ত!"
[বুখারী: ১৩০৩, মুসলিম: ২৩১৫]
উল্লেখ্য- মৃতের জন্য চিৎকার করে, বুক চাপড়িয়ে, আর্তনাদ করে, বিলাপ করে কান্না করা নিষেধ আছে ইসলামে। তেমনি নিষেধ আছে প্রিয়জনের মৃত্যু ঘটলে আল্লাহকে দোষারোপ করা বা এমন বলা যে, "আল্লাহ্ আর কাউকে দেখলো না"! (নাউযুবিল্লাহ=আমরা এ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।)
হাদীস লিংক।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ওহুদ, মদীনা, শহীদ, ওহুদ মদীনা শহীদ ;
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: মদনবাবু-
আমি এখানে আল্লাহর পথের শহীদদের কথা বলেছি। যাদের শাহাদাত কবূল হলে বিনা হিসাবে অনন্ত জান্নাত আল্লাহ্ তাদেরকে দান করবেন। এবং আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত চার শ্রেণীর মধ্যে রয়েছেন তাঁর পথের শহীদগণ।
চার শ্রেণী হলেন: ১) নবীগণ ২) সিদ্দীকগণ ৩) শহীদগণ ৪) নেকাকার বান্দাগণ।
এর কোন পর্যায়েই দেশের জন্য শহীদদের কথার উল্লেখ আল্লাহ্ তা'আলা করেননি। অতএব, আল্লাহর পথের শহীদগণের মধ্য থেকে যদি পৃথিবীর প্রথম মানুষ আদম 'আলাইহিস্ সালামের সন্তান হাবীলও হন; তাহলেও তিনি নিঃসন্দেহে উত্তম।
অতএব, আপনার কথার সাথে একমত হতে পারছি না।
তবে একথা নিঃসন্দেহে ঠিক যে, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। আমরা অন্তরের অন্তস্থল থেকে তাদের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করছি যে, আল্লাহ্ তাদেরকে আখেরাতে ক্ষমা করে দিন এবং তাদের কাজের প্রতিদান দিন।
লেখক বলেছেন: মদনবাবু-
জি, আপনার এ মন্তব্যটিও রেখে দিলাম। অতএব, শংকিত হবার কোন কারণ নেই। আমি সাধারণত গালাগালসমৃদ্ধ মন্তব্যকেই বেশী মুছে থাকি।
ত্রিভুজ বলেছেন:
সব জায়গায় ৭১ টেনে আনেন কেন মদনবাবু? একদিকে আপনারা বলবেন ৭১ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ সৃষ্টির জন্য, অন্যদিকে আবার তাদের ইসলামিক শহীদ বললে আপনাদের তথাকথিত ধর্মনীরপেক্ষতার ক্ষতি হয়ে যায় না? সবচেয়ে ভাল হয় ৭১কে ৭১এর যায়গায় থাকতে দিলে... সব জায়গায় বুঝে না বুঝে ৭১টেনে আনবেন না....চমৎকার লেখা দৃষ্টির ছায়া। ধন্যবাদ।
মদনবাবু বলেছেন:
আপনার মতে তাইলে দেশের জন্য দেশের মানুষের মুক্তির জন্য প্রান দেয়া বীরযোদ্ধারা শহীদ নন ?
হ্যা অথবা না তে জবাব দিন দয়া করে ।
মদনবাবু বলেছেন:
আপনার মতে তাইলে দেশের জন্য দেশের মানুষের মুক্তির জন্য প্রান দেয়া বীরযোদ্ধারা শহীদ নন ?
হ্যা অথবা না তে জবাব দিন দয়া করে ।
একেমন দেখা বলেছেন:
দেশের জন্য জীবন দেয়া অবশ্যই মহান কাজ, অনেক বড় মাপের প্রতিদান আল্লাহ দিবেন কিন্তু জোর করে রাসূল (স) এর হাদিস বানানো যাবে? নাকি নিজের ইচ্ছামত ইসলামী বিধান তৈরী করা যাবে? বুঝতে চেষ্টা করুন ইসলামী বিধানে শহীদ কাকে বলা হয়। কেমন।
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন:
জাযাকাল্লাহু খাযরুন।
পান্জেরী বলেছেন:
...
নিভৃত পথচারী বলেছেন:
শহীদ হচেছ মুসলমানদের জন্য একটি সম্মানজনক পদবী যে সম্মানে তারা আল্লাহ কর্তৃক ভূষিত হন। কেবল মাত্র মুসলমান ধর্মাবলম্বীরাই এই বিশেষ মর্যাদায় সম্মানিত হওয়ার আশা পোষন করতে পারেন। তবে কে শহীদ ও কে শহীদ নন সে বিষয়ে আমাদের প্রভূ প্রতিপালক আল্লাহতা'লার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে শহীদ হওয়ার প্রধান শর্ত নিঃসন্দেহে আল্লাহ ও রাসুল (সঃ) এর প্রতি ঈমান আনা। অপরপক্ষে দেশের স্বাধীনতা ও ন্যায়ের পক্ষে মৃতু্য বরন কারীগণও বিশেষ মর্যাদাশীল ব্যক্তি।যাদেরতে ইংরেজী ভাষায় একটি মর্যাদাপূর্ন শব্দ Martyr -সংরক্ষিত রয়েছে। কিন্তু এই Martyr -এর বাংলা অনুবাদ শহীদ করাতে ধর্মীয় ভাবে একটু বিপত্তি ঘটেছে।
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনীর দোসর ছিল জামা-রাজাকাররা যার প্রকাশ্য আল্লাহর শত্রু।সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিহত মুসলমানেরা নিঃসন্দেহে আল্লাহর পথে নিহত হিসেবে বিবেচিত হওয়ার যোগ্য বিধায় তাদের শহীদ হিসেবে অভিহিত করা যেতে পারে বলে আমি মনে করি।
আর যদি শহীদ শব্দটিকে বাংলাভাষার অন্তর্গত রূপে বিবেচণা করা হয় ও আরবী শহীদ শব্দের প্রয়োগ হতে ভিন্ন ভাবে প্রয়োগ করা যায় তবে সাধারণার্থে ১৯৭১ এর সকল আত্নবলীদান কারীকেই (বাংলা ভাষায়) শহীদ বলা যেতে পারে বলে আমার অভিমত।
ওয়াল্লাহু আ'লামু।
আল্লাহ্ তা'লাই সর্বজ্ঞ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















বহু শতাব্দি আগের শহীদের চেয়ে এই শতাব্দির আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে মৃত শহীদদের কথা বলাটা আরও ভালো হতো । ৭১ এর শহীদরা আমাদের আপন আত্মীয় । আমি তাদেরকেই বেশী শ্রদ্ধা করি ।