আমার প্রিয় পোস্ট

সাবাশ বিশ্বব্যাংক,সাবাশ বাংলাদেশ,সাবাশ সংস্কার

২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৫১

শেয়ারঃ
0 0 0

বিশ্বব্যাংকের এমডি(নাম ভুলে গেছি,কিছু যায়-আসে না,সব কুকুরের নামই টমি) মহান এক বাণী দিয়েছেন-"বাংলাদেশের মানুষকে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে বেশি করে আলু খেতে হবে,কারণ দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়া নাকি শুধু বাংলাদেশের একার সমস্যা না।" তো,এটা পড়ে আমি বাকহারা হয়ে গেছি,গুরু গীনসবার্গ হয়তো বলতেন--"ওহে বিশ্বব্যাংকের পিশাচ,তোমার আলু দিয়ে নিজের পশ্চাদ্দেশে নিজেই লাগাও গিয়ে,আমাকে বিরক্ত করো না আমার কিছু ভালো লাগছে না।" তো আমি সেটা বলতে পারি না,সেই জোর আমার মেরুদণ্ডেও নেই,গলাতেও নেই। তবে দেখতে সমস্যা নেই,দেখছি। বিশ্বব্যাংক,এডিবি,আইএমএফের
প্রভুরা নিয়মিতই তাদের হাতুড়ে প্রেসক্রিপশন তাদের এদেশি কম্পাউন্ডার দিয়ে আমাদের গিলিয়ে যাচ্ছে একেবারে নীরোগ দীর্ঘজীবনের আশ্বাস দিয়ে,তাই খেয়ে আমরা আধমরা থেকে কোমাতে চলে গিয়েও ভাবছি আহা নিশ্চয়ই স্বর্গেই চলে এলুম নইলে দিনেদুপুরেও চোখে আকাশের তারা দেখি কেন!

ওদিকে দাম বেড়ে চলেছে। বাড়ুক,সরকার বেতন বাড়ানোর মূলা ঝুলিয়ে দিয়েছে,আর সেটা বাড়ার সাথে সাথেই দাম আরেক দফা বেড়ে যাবে,৩০% বেতন বেড়ে খরচ বাড়বে ৫০%,তাই দেখে বিশ্বব্যাংকের দালাল দেশী উপদেষ্টারা মিষ্টি হাসি দিয়ে জানাবেন দেশে প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি হচ্ছে। তা হচ্ছে তো বটেই,এমনই হচ্ছে যে ক'দিন পরে খাবারের জন্য প্রতিযোগিতা না রাস্তাঘাটে লুটপাটে গিয়ে দাঁড়ায়। তখন হয়তো তপন চৌধুরীরা সুইটজারল্যান্ডের মনোরম
প্রকৃতি দেখতে দেখতে প্রশান্ত মুখে বলবেন এটা স্বাভাবিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ার অংশ,সারভাইভাল অভ দ্য ফিটেস্ট,মারো নয়তো মরো। রফিক আজাদের মত কেউ তো আর বলবে না-"ভাত দে হারামজাদা নইলে মানচিত্র খাবো"!

দামের সাথে ব্যস্তানুপাতিকভাবে চলছে উৎপাদন আর কর্মহার,সমানুপাতিকভাবে চলছে বেকারত্ব। দুই নেত্রীর সোনার ছেলেরা দেশটাকে বাবার সম্পত্তি ভেবে সেই সম্পত্তি ব্যক্তিগত তহবিলে জমা করার কর্তব্য ভালভাবেই সমাধা করে গেছে,খালি ঝুড়ির তলাটা খুলে নেয়ার কাজটা সমাধা করে দিচ্ছেন মহান অপদেষ্টারা,এখন আর ইউনুসকে গালি দিই না,ম্যালা ওস্তাদ গজিয়ে গেছেন গালি খাবার জন্য। আদমজী বন্ধ হয়ে গেল,ওদিকে পাশের দেশে পাটের ব্যবসা জমজমাট,এ অন্ঞ্চলের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বীকে কি দারুণভাবেই না শেষ করে দিল ঘরের শত্রুকে দিয়েই। কত লাখ মানুষ পথে বসলো? সাইফুর রহমান বা ফখরুদ্দিন কি বিশ্বব্যাংকের শ্যাম্পেনে চুমুক দিয়ে একবারো ভেবেছেন? এককালে দেশীয় নির্মাণকাজে ব্যবহার করা হত "প্রগতি"র যানবাহন,কেন সেটা বন্ধ করে টাটা চলে এল,কেউ কি জানেন? অথবা কেনই বা বাংলাদেশের যে কোন আন্তর্জাতিক টেন্ডারে দেশি কোম্পানিগুলোর উপর সরকার ট্যাক্স বসিয়ে রাখে আর বিদেশি কোম্পানিগুলোর ট্যাক্স আর ভ্যাট সরকার দিয়ে দেয়,সেটা কি কেউ একবার ভেবেছেন? ১টা সামান্য জিপগাড়ি ঘুষ দিয়ে যে দেশের জ্বালানিসম্পদ মন্ত্রীকে কিনে ফেলা যায়,সেখানে অবশ্য এগুলো নিয়ে মাথা ঘামানো বাতুলতা।

আসলেই তো,ভেবে হবে কি? খাদ্যে ভর্তুকি দেয়া যাবে না,অলস বাঙ্গালি,করে খাক। কৃষিতে ভর্তুকি হবে না,ফাঁকিবাজ বাঙ্গালি,খেটে খাক। পাবলিক ভার্সিটিতে ফি বাড়াও,ফকিন্নির ছেলেরা পড়াশোনা করে কি হবে,যার বাপের পয়সা আছে সে পড়ুক,আর প্রাইভেট আছে না,একদল অপোগণ্ড বের করার জন্য? তেনাদের ছেলেমেয়ে তো পাবলিকে পড়বে না,প্রভুরা এত টাকা দিচ্ছেন দেশটাকে বিক্রি করার জন্য,উনাদের ছেলেপেলেদের থাকার জায়গাও দেবেন,একান্তই না হলে প্রাইভেটে দিয়ে দেব হে! রক্ত পানি করে ৪-৫ টা বছর পড়াশোনা করা উজ্জ্বল চোখের ছেলেগুলো যখন ম্লান মুখে বলে দোস্ত ১টা কাজকর্ম খুব দরকার,বসে থেকে তো বুড়ো হয়ে যাব,মাথা নিচু করে ভাবি,নিজেরটাই তো মাত্র ৩ মাসের,এরপরে আমিই কোথায় দাঁড়াবো?

তাই কেউ ভাবে না। আর আল্লাহর মাল দের নিয়ে ভেবে লাভ নেই,সেটার জন্য উপরওয়ালাই আছেন। তাই চলছে,চলবে। হাঁটুমাথা কদমছাঁট জলপাইরা সুন্দরী নাদুসনুদুস বৌ নিয়ে দেশরক্ষার নামে গাড়ি হাঁকাবেন,আমার দেশের পথশিশু সেই গাড়ির বদ্ধ জানালার সামনে ছেঁড়া জামা গায়ে শুকনো ফুল নিয়ে হাত পাতবে। খাবারের জন্য হাহাকারের মাঝে সোনারগাঁ হোটেলের লবিতে বসে গ্রিলড স্যামন ওড়াবে মজুদদার ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। সাইফুর রহমান হিসাব কষবেন এবার লন্ডনের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের ফার্ম থেকে কত এল,হাজার শ্রমিকের আহাজারি শোনার সময় কোথায় তার? বেকার যুবকের বিবর্ন স্বপ্নকে পেছনে ফেলে
বিএমডব্লিউ চড়ে সো হট রুবাবা মতিনের ডিজুস জেনারেশন দুনিয়ার সুখ খুঁজবে গুলশানের ড্যান্স ফ্লোরে। নেতারা জেলে বসে স্বপ্ন দেখবেন বিদেশে পাচার করা হাজার কোটি টাকা দিয়ে জেল থেকে বের হয়েই আমেরিকাতে কয়েকটা প্রাসাদ কেনার। দেবপ্রিয় দেশকে আত্মহত্যার বিষ দিয়ে পুরস্কারস্বরূপ জাতিসংঘে গিয়ে দেশের ভাবমূর্তিকে মূর্তিবৎ বানাবেন, ফখরুদ্দিনের কনিয়্যাকের গ্লাসে ডুবে যাবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ,নিচে তাকাবার অবসর কোথায় দেবতার? ভারতীয় চ্যানেলে ঐশ্বরিয়ার ধুম নৃত্য দেখে মুগ্ধ চোখে আমরাও উদ্বাহু হয়ে নাচবো,পাকিস্তানি মরদ আফ্রিদীর তাকৎ দেখে বিয়ে করার জন্য প্ল্যাকার্ড নিয়ে বাঙ্গালি ললনা টিভি ক্যামেরার সামনে বসে থাকবে,ওবামা আর হিলারির জন্য ক্যাম্পেইন করব আমরা,শুধু আমরা কখনো বাংলাদেশি হবো না,এই মা'কে নিয়ে আমরা কখনো ভাববো না।

বিশ্বব্যাংকের মিষ্টি আলুটা আমাদের পশ্চাদ্দেশ দিয়েই সবার আগে ঢোকানো উচিত।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশ ;
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৫৪
ত্রিভুজ বলেছেন:
ভাষার প্রয়োগটা পছন্দ না হলেও মূল বক্তব্য পছন্দ হয়েছে... পূর্ন সহমত ফারহান।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: মেজাজ বেশি খারাপ,এই জন্য ভাষা নিয়ে মাথা ঘামাই নাই,পেটের টান বড় টান রে ভাই:(

২. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০০
আরিফুর রহমান বলেছেন: বিদেশীদের আমাদের দেশ নিয়ে কথা বলা বন্ধে আইনটা কার্যকর হওয়া উচিত।

২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: একমত। তবে কিনা,লাইসেন্সটা যে আমাদের দেশি দালালরাই দিয়ে রেখেছে,এইটাই সমস্যা।

২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:১০
মিরাজ বলেছেন: ফারহান পোষ্টের পরবর্তী অংশগুলির সাথে একমত হলেও শুরুর অংশের সাথে একমত নই । খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের প্রস্তাব রূঢ় শোনালেও এরকম পরিবর্তন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পরিবর্তিত পরিবস্থিতিতে হচ্ছে । আমার মতে মুল ফোকাসটা দেখা উচিত পর্যাপ্ত আহার যোগানে, সেখানে ভাতের বদলে সমপরিমান কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ রুটি বা আলুতে আমি দোষের কিছু দেখিনা ।

বিশ্ববাজার অস্থিতিশীল সেটি সত্য কিন্তু বাংলাদেশে দাম বাড়ার একটি কারণ মধ্যস্বত্বভোগীদের কারনে । আলুকে পবিকল্প খাবার হিসাবে সমানে নিয়ে আসলে আবারও লাভের মুলোটা এরাই খাবে যার ফলে প্রস্তাবিত পরিবর্তেন সুফল যাদের পাওয়ার কথা তারা পাবেনা । আমি মনে করি সমস্যা সমাধানের এই দুর্বলতাটার দিকে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের প্রস্তাবের আগেই নজর দেয়া উচিত ।

বাজার অর্থনীতির বুজরিকির আড়ালে বর্তমানে বাজার ম্যানিপুলেশনকে জায়েজ দেখা হচ্ছে । এই প্রবণতাটা ক্ষতিকর এবং বন্ধ করা দরকার ।

পোষ্টের বাদবাকী অংশ বিশেষ করে কৃষি ভর্তূকি, আদমজী ও পাট রাজনীতি নিয়ে পূর্ণ সহমত ।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: মিরাজ ভাই,প্রয়োজনের তাগিদে যদি খাদ্যাভ্যাস বদলাতে হয়,সেটা এদেশের মানুষই বদলাবে,কিন্তু উদ্ভট প্রেসক্রিপশন দিয়ে দেশের অর্থনীতির ১২টা বাজিয়ে এরপরে খাদ্যাভ্যাস পাল্টাতে বলাটা নির্মম রসিকতাই মনে হয়,এরা যে এভাবে অনেক দেশকেই দুর্ভিক্ষের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে সেটা তো আর মিথ্যা না।

৫. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:১১
সাগর নীল বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্টের জন্য। আমাদের দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবীদদের জন্যই দেশের এই অবস্থা আর এর চান্স নিচ্ছে বিদেশীরা।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: ঐটাই ওদের অস্ত্র,ওদের ভাষায় ৩য় বিশ্ব যা,সেটাকে এভাবেই ঘায়েল করে আসছে,১০টা লোক কে কিনে নিয়ে দেশটাকেও কিনে নাও।

৬. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:১৭
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন।
সব দেশেই দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ছে কিন্তু একটা ফোরামের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০% অতিরিক্ত বাড়ছে।
জাফর ইকবাল স্যারের একটা লেখাতে পড়েছিলাম পাট শিল্প নিয়ে বিশ্বব্যাংকের কাছে ভারতের গড়িমসি করার কথা। তারপরের কথা সবার জানা। বিশ্বব্যাংক আদমজী বন্ধ করে ভারতকে দিয়েছে একচেটিয়া পাটশিল্প দখল করার সুযোগ।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৩৬

লেখক বলেছেন: পাটের নাকি বাজার নেই,এদিকে পাশের দেশে রমরমা ব্যবসা,কত রঙ্গ জানোরে যাদু:(

৭. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:১৮
হৃদছায়া বলেছেন: পোস্ট টা পড়ে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলাম, কিন্তু আমার যা বলার মিরাজই বলে দিয়েছে
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ অনেক। আমিও ২-১টা কথা বলেছি ওখানেই।

২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।

৯. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪৮
গান্ডীব বলেছেন: জেনারেল জিয়া ক্ষমতা দখল কইরাও একই কথা কইছিলেন, আলু প্রসঙ্গে
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: গদীতে গেলে সবাই কেন জানি বিলাতি খানা পছন্দ করে,কি আর করা!

১০. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৫৪
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: @মিরাজ ভাই খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করার কথাটা কি 'শাক দিয়ে মাছ ঢাকা'র মত কথা না??
পরিবর্তন করতে পারে কিন্তু যে আলুর কথা ওরা বলতেছে এর দামও কিন্তু আপেলের মত। এমন না যে আমাদের দেশে বাম্পার আলু উৎপাদন হচ্ছে তারপরও ধরে নিলাম যে আলু খাওয়ার কথায় ঠিক কিন্তু সেজন্য আলু উৎপাদন বাড়াতে হবে তাইলে সেখালে ধানের উৎপাদন বাড়ালে সমস্যা কোথায়?
আরেকটা কথা হচ্ছে মানুষ শুধু শুধু আলু খাবে না, সাথে কিছু একটা লাগবেই। এখন যদি রুটির কথায় ধরি তাহলে আটা/ময়দা লাগবে সেটার দামও কিন্তু আকাশছোয়া। রুটি খাওয়ার জন্যও কিন্তু ভেজিটেবল(মাছ মাংসের কথা বাদই দিলাম) লাগবে। এখন ভেজিটেবলের দাম ও কিন্তু অনেক। তাইলে কি হলো......যে লাউ সে কদুই থাকলো।

ছোট মানুষের মাথায় যা আসছে বললাম, কিছু মনে করবেন না।
১১. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:১০
আরিফ জেবতিক বলেছেন: গুড পোস্ট । শেষ লাইনটি সবচেয়ে ভালো । +
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা। তবে বিশ্বব্যাংকের পশ্চাদ্দেশে আলু দিটে চাওয়াতে কার পশ্চাদ্দেশে আগুন লাগলো যে মাইনাস দিয়ে গেল ঠিক বুঝলাম না:(

১২. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:২৯
না বলা কথা বলেছেন: রাজাকার, দালাল সবাইরে থু।



যার যার ধর্ম নিজমতো পালন করুম
কিন্তু জামাতিগো মতো ধর্মের ব্যবসা করুম না।
গ্রামের সহজ সরল অসহায় মানুষরে ধর্মের বড়ি খাওয়াইয়া,
ক্ষমতার চেয়ারে যারা বসবার চায়, তাগো মুখে বিস্টা।
৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে যারা আমাদের দেশ দিছে
তাদের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা জানানোর কোনো ভাষা তৈরী হয়নাই
শুধু বুকের মাঝখানে সবসময় হেরা জিন্ধা আছে,
তয়, মুক্তিযোদ্ধের নামে একচেটিয়া,
কোনো নির্দিষ্ট পাট্টির দালালি করুম না। হেডম থাকতে করুম না।
সীমান্তে আমাদের ভাই -ভগ্নি গরু ছাগলের মতো মারা গেলে
চুপ কইরা ইন্ডিয়ারে পূজা দিমু
হে দালালি ও করুম না।
এক্ষেত্রে জামাত,বি এন পি বড় ইন্ডিয়ার দালাল,শুধু আওয়ামীলীগ না।
ভাংগা সুটকেস থেকে একসাথে ৬ টা জাহাজ বাইর হইলে
দেশ শুধু তলাবিহীন ঝুড়ি না, ঝুড়ির সাইডেও কিছু থাকবো না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যারগো প্রনাম করি পিতার মতো,
তবে যারা বছর কা বছর বিদেশ ঘুইরা বেতনের টাকা নেয়,
হেগো পুছনের টাইম নাই। হেরা অইলো আসল বর্নচোরা ।
চোর,বাটপার, টাউট, দালাল,ফড়িয়া, ভন্ড,সুবিধাবাদী ,ক্ষমতালোভী-
রাজাকারের লগে তোমগো ও বংগোপসাগরে ভাসাইবার চাই।
কিন্তু আফসোস সেই ক্ষমতা নাই।

২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: হক কথা।

১৩. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:৫১
তীরন্দাজ বলেছেন: একটি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তিত হয় এবং হচ্ছেও বটে, তবে কখনোই কারো পরামর্শে নয়। সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে নতুন খাবারের সাথে পরিচয়, নতুন খাবার চেনার আগ্রহ ও অনেক সময় পছন্দনীয় খাদ্যদ্রব্যের দুষ্প্রাপ‌্যতার কারনে অভ্যাসও পাল্টায়। তবে এমনভাবে বলে কয়ে অভ্যাস পাল্টনোর কথাটি আজ পত্রিকায় পড়ে আমার কাছেও আজব মনে হয়েছে। বিরক্তও হয়েছি।

তবে নতুন কিছু নয়। পাকিস্তান আমলে পুর্ব অংশের গভর্নর মোনায়েম খান (বাড়ী ময়মনসিংহ) বলেছিলেন, "বাঙ্গালী অভবে আছে, ভাত পায়না,..তাহলে পোলাউ খেলেই পারে!"

যারা ভেতরের মেজাজ না বুঝে বাইরে থেকে কিছু চাপিয়ে দিতে চায়, তাদের মুখ থেকে এধরণের বেদবাক্যই(!) প্রকাশিত হয়।

লেখাটি ভাল লেগেছে।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ,ফ্রান্সের রাণী নাকি বলেছিলেন(যদিও অনেকে আজকাল বলে এটা গুজব,মেরী এমন কথা বলেন নি),রুটি পায় না তো কেক খেলেই পারে,তো আজকে সেটাই মনে হয়েছে। এর আগে সাইফুর রহমানও একি ধরণের কি ১টা জানি বলেছিলেন। বিশ্বব্যাংকের আর তার দালালদের এসব নির্মম রসিকতা আজকাল আর ভাল্লাগেনা। পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৪. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:৫৩
না বলা কথা বলেছেন: আগুন লিখা লিখচ।
আবালদের মাইনাস হেই আগুনে পুইড়া ছাড়খার হইয়া যাইবো।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৪:১৬

লেখক বলেছেন: হ,কেউ কেউ আগুন লাগার লাইগা বইসাই থাকে,আমি আপনে আর কি করতে পারি?

১৫. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:২৩
ৃৃমম বলেছেন: পোষ্ট ঠিকাছে। কিন্তু সমস্যা হইলো, যে-ই যায় লংকায়, সে-ই হয়ে যায় রাবণ। তা ছাড়া, আত্নশক্তি না থাকলে অন্যের মাতব্বরীর অধীনে চলা লাগবেই।
গরীবের কাছে দেশপ্রেমের চেয়ে কষ্টার্জিত একটা টাকা বাঁচানো কিম্বা কামানো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরন, বাংলাদেশে একটা সময়ে আমদানীক্বত ভারতীয় চিনির দাম দেশে উৎপাদিত চিনির দামের চেয়ে কেজি প্রতি কয়েক টাকা কম ছিলো। এখন একজন অল্প আয়ের মানুষ যদি দেশী চিনি ফেলে ভারতীয় চিনি কিনে -তাকে দোষ দেয়া যায় না।

আবার দেশী শিল্প বাঁচানোর জন্য যদি বিদেশী পণ্য আমদানী নিযিদ্ধ করা হয়, তখন দেশী পণ্যের দাম মনগড়া ভাবে বাড়ালেও ক্রেতার কোন সস্তার বিকল্প হাতের কাছে থাকে না। সে ই সাথে 'ব্যাটাগো তো যাওণের জায়গা নেই'-মানসিকতার ব্যবসায়ী-শিল্পপতি রা ক্রেতার এই অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে তখন পণ্যের/সেবার মানোন্নয়নেও আগ্রহী হয় না।
আর, অর্থনীতির ব্যয় সাশ্রয়ী কিছু ব্যাপার আছে, যেটা বড় সাইজের দেশগুলো পায়, ছোটরা পায় না। যেমন ছোট ছোট দুই পাতিলে দুই বার ভাত রাঁধার জ্বালানীর খরচ একটা বড় পাতিলে একবার রাঁধার চেয়ে বেশী হয়ে যেতে পারে। আমাদের অর্থনীতির সাইজ ছোট, মাথা গুনতির দিক থেকে আমাদের দেশ অবশ্য মোটেই ছোট নয়। আমাদের উণ্ণয়ন পরিকল্পনা তাই মানুয কেন্দ্রিক হতে হবে। সেই সাথে সবকিছু বানাবার চেষ্টা না করে, যেগুলো বানালে বিক্রীর সুবিধা বেশি সেগুলো বানাতে হবে। যেগুলো কিনলে সস্তা পড়ে সেগুলো আমদানী করা যেতে পারে। আমার এক প্রিয় শিক্ষক (দেশের ছাত্রজীবনে দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রবন্ধগুলো পড়তাম খুব) । তিনি এখন এক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার কর্তা, পশ্চিমে বসবাস করেন। এখন আর দেশ নয়, দুনিয়া নিয়ে ভাবতে হয়। জিগ্যেস করলাম: স্যার এখন উন্নয়ন পন্থা সম্পর্কে কি আপনি একই ধারণা পোষণ করেন? মুখে কিছু বল্লেন না, নিরবে তাঁর ইংরেজিতে লেখা সদ্য প্রকাশিত নিবন্ধের একটা কপি হাতে ধরিয়ে দিলেন। সাদআ বাংলায় লেখাটির শিরোনাম: "উন্নয়নের নতুন পথ: বিশ্বব্যাপী মধ্যবিত্ত সৃষ্টি"। মানে, সবাই যেদিন মিডল ক্লাস হবে, সেদিন প্বথিবী উণ্ণত পৃথিবী হবে। কিম্বা, প্বথিবীর সবাইকে যদি মধ্যবিত্ত করে তোলা যায়, তা হলে সেতা হবে উন্নয়ন"। কথাটা শুনতে ভালো। কিণ্তু যে সখিনা আজ দুটো ভাতের অভাবে , ক্ষুধার জ্বালায়, শরীর বেচছে শরীরের টানে, তার কাছে মধ্যবিত্ত নয়, একটি অপেক্ষাক্বত মর্যাদাপূর্ন কাজের বিনিময়ে দিনান্তে একটু খাবারের নিরাপত্তাটুকুও তো অনেক বড় উণ্ণয়ন।
মন্তব্য হিসেবে বড় সাইজ হলো, দু:খিত।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: ঘটনা হল,কেন বাংলাদেশি পন্যের দাম বেশি সেটা। সরকার এই দেশি পন্যের উপর হাই ট্যাক্স বসিয়ে রাখে,যেখানে ভারতীয় পণ্য বিনা বাধায় আমদানী হয়,চোরাচালান তো আছেই। যখনি আপনি আবার দেশী পণ্যের ট্যাক্স বাতিল করাতে যাবেন,দেখবেন একপাল পোষা কুকুর সেখানে ভেটো দিয়ে দিচ্ছে। সদিচ্ছা এবং দেশপ্রেমটাই আসল,আর কিছু পরে।

১৬. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:২৯
সাগর নীল বলেছেন: খাদ্যাভ্যাস পরিব্তন আমরা করতে পারি , তবে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেস্ক্রিপশনে নয়। নিজেদের প্রয়োজনে। আমাদের অনেকে বিশেষ করে যারা কায়িক পরিশ্রম করিনা তারা বেশী খেয়ে শরীরে ক্যালরি জমা করি। এবং নানা অসুখ বাধাই। অন্যদিকে খেটে খাওয়া মানুষেরা পর্যাপ্ত ক্যালরি পাচ্ছেনা। এ নিয়ে গবেষনা হতে পারে। সচেতনতা সৃস্টি করা যেতে পারে।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: এখন এইখানে যদি এমডি ব্যাটারে বলা যায় আপনারা খাদ্যাভ্যাস বদলায়া ঘাস খাওয়া শুরু করেন কারণ ঘাসে ভাইটামিন আছে তাইলে কি হবে ভাবতেসি আরকি।

১৭. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৮:৩২
আকাশচুরি বলেছেন: সব কুকুরের নামই টমি
সত্যিই
+
২১ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১৭
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: বিশ্বব্যাংকের হুজুরে আলা একবারে ভাতের বদলে "হাওয়া" খাওয়ার প্রেসকিপশন দিয়ে দিলেই তো একটা চিরস্থায়ী বন্দোবস্তভয়ে যায় ... আর নতুন কোন প্রেসক্রিপশনও তাকে দিতে হবেনা ... আর এমুখো হতেও হবেনা ... এবং হাওয়া পাম্প করাও সহজ

পোস্টে প্লাস
২১ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: এই দেশের হাওয়ারেও তো দূষিত করে ফেলছে। দ্বিগুণ দামে রদ্দিমার্কা ভারতীয় গাড়ি আমদানির অবাধ লাইসেন্স দেয়া আছে,এখন ঢাকা শহরের হাওয়া খেলেও বদহজম হয়ে যাবার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায়না।

২১ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এম জে আকবরের একটা কলাম পড়েছিলাম , বিশ্বব্যাংকের আচরণের সাথে উনি কেবল ১৮ শতকের আমেরিকার দাস ব্যবসায়ীদের মিল খুঁজে পেয়েছেন । এর চাইতে ভালো কোন উপমা আমারও জানা নেই ।তৃতীয় বিশ্বে বিশ্বব্যাংকের রুটিন ওয়ার্ক কেবল উচ্চাভিলাসী উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা গ্রহনের জন্য সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করা । আভ্যন্তরিণ উৎস থেকে ব্যয় নির্বাহে ছোট দেশগুলোকে বিরত রাখতে বিশ্বব্যাংক সবসময়ই তৎপর । সঠিক নীতির অভাবে , দূর্নীতির ছত্রছায়ায় আক্রান্ত দেশগুলোকে বাধ্য হয়েই সব শর্ত মেনে নিতে হয় , বিনিময়ে জোটে পাহাড়সম লোনের বোঝা । খুবই কষ্টকর ব্যাপারগুলো , সত্যিই হতাশ লাগে । দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করতে গিয়ে দেশের মানুষকেই ক্রমাগত দরিদ্রতর হতে হয় , আর সুফলটা চলে যেতে থাকে প্রথম বিশ্বে । এ বৃত্ত থেকে বের হওয়ার কোন ইচ্ছাই আমাদের রাঘব বোয়ালদের নেই ।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা দেখো,ওরা ঋণ দেয় কোন ১টা প্রকল্পের জন্য(যদিও সাহায্য বলে কিন্তু আসলে এটা সুদসহই শোধ করা লাগে),তারপর সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একগাদা শোষণমূলক শর্ত দিয়ে ওদেরই কোন কোম্পানিকে সেটার টেন্ডার দিয়ে দেয়,দেশী কোন কোম্পানি বিড করতে চাইলেই সরকারের উপর মহলে কিছু তদবির করে ট্যাক্স বসিয়ে বা যেভাবেই হোক সেটা আটকে দেয়,আবার বছরের পর বছর ধরে সেটা আমাদের শোধ করা লাগে,আবার দাতা গোষ্ঠী বলে নাম কামিয়ে আমাদের যুগ যুগ ধরে নানা অপমানজনক আর শোষণমূলক চুক্তিতেও বেঁধে রাখে। এটার সমাধান যে আসলে কই কে জানে!

২২. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এবার অনেকগুলো বিষয়ে তীব্রভাবে ভিন্নমত পোষণের কথা বলি :

ভাতের বদলে আলু খাওয়ার প্রেসক্রিপশনকে ব্যঙ্গ করে পোস্টটি লেখা হয়েছে । আমার মনে হয় , সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বব্যাংক যদি একটা ভালো প্রস্তাবও দিয়ে থাকে , তাহলে এটিই সেই প্রস্তাব । আলুকে নিয়ে বিদ্রুপ একটু বেশি আবেগী হয়ে গেছেই বলে মনে হয় ।একটা একটা করে বলি :

বাংলাদেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে । দরিদ্র জনগোষ্ঠিগুলো প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে সবার আগে গুরুত্ব পায় পুষ্টির ব্যাপারটি । প্রশ্ন হলো সেটা কিভাবে সমাধান করা যেতে পারে । দৈনিক খাদ্য চাহিদা মেটানোর জন্য খুব সহজ উপায় হলো অপটিমাইজ করা , যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে সীমিত সাধ্যের মাঝেই পুষ্টি চাহিদা পূরণ করার জন্য নতুন কোন উপায় সৃষ্টি করা ।আলুকে যদি ভাতের বিকল্প বলা হয় , তাহলেও ভুল হবে । আলুর ফলন অনেক বেশি , এবং খাদ্যমানও অনেক বেশি ।

আমরা একটু বেশিই আবেগপ্রবণ হয়ে যাই অনেক সময় । খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করাটা এখন সারা বিশ্বেই সময়ের দাবী । একটু ভালো করে লক্ষ্য করলে বুঝা যাবে , আমরা নিজেরাও এটাকে সর্বতোভাবে গ্রহন করেছি । ১৫ বছর আগের কথা চিন্তা করে দেখো , যখন বাংলাদেশে সবেমাত্র কার্প মাছগুলো আসতে শুরু করলো । ছোট আলুর বদলে আসলে বড় আলু । ক্ষুদ্র পেঁয়াজের বদলে আসলো কম ঝাঁজযুক্ত বড় রসালো পেঁয়াজ । দেশী মুরগীর বদলে ফার্মের মুরগী । পরিবর্তনটা সেসময় অনেকেই গ্রহন করতে পারেনি ।কার্প মাছ যারা খেতেন তাদের অনেককেই কার্পের মত মোটা মাথার মানুষ মনে করা হত । ফার্মের মুরগী , ফার্মের ডিমের কথা শুনলে অধিকাংশ মানুষ নাক সিঁটকাতো । ১৫ বছর পর এখনকার ছবিটা কেমন ? সেই নাক সিঁটকানো মানুষগুলোই এখন সেসব দিনের কথা ভুলে গেছেন । অবললীলায়(নিজের অজান্তেই) নতুনকে গ্রহন করেছেন ।

তরমুজের একটা কথা শুনেছি আমার আম্মুর কাছে । ৮০ সালের দিকে বাংলাদেশে বড় তরমুজ যখন আসতে শুরু করে তখন এটাকে বলা হতো জাপানী তরমুজ , জাপানী তরমুজের ব্যাপারেও শুরুতে নাক সিঁটকানোর ব্যাপারটা যথারীতি ছিল।দেশী তরমুজ ছিল ছোটো , গোল , সবুজ ,মোটামুটি একজনের জন্য যথেষ্ট।সেই একই জমিতে যদি আমি জাপানী তরমুজ চাষ করে অনেক ভালো কোয়ালিটি আর কোয়ান্টিটির নিশ্চয়তা দিতে পারি দোষ কোথায় ? নতুন প্রজন্ম কি জানে তারা আসলে যেটা খাচ্ছে সেটার সাথে আমাদের ঐতিহ্যবাহী তরমুজের কোন মিল নেই ? :)


মূল কথা হলো , আমরা আসলে খারাপ প্রেসক্রিপশনগুলো দ্রুত আত্মস্থ করে ফেলি , আর সেটার আফসোস চলে ভালো প্রস্তাবগুলোর বেলায়
২৩. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: আলু খাওয়ার ব্যাপারটা মানতাম যদি সেটা এমডি ব্যাটার সদিচ্ছা হইতো,আগে গরু মেরে পরে জুতা দান করার মতই লাগসে ব্যাপারটা,আর আলুর দাম যে কম তা কিন্তু না মোটেই,এই লোকের নির্মম রসিকতাটাই ভাল্লাগে নাই। আর এই খাদ্যাভ্যাস বদলের কথা বলার পিছনে বড় কোন মতলব আছে বলেই আমার ধারণা,ওদের জেনেটিক্যালি মডিফাইড ফুড,যেগুলো ওদের দেশে চালাতে পারেনা প্রতিবাদের মুখে,এই সুযোগে এগুলো আমাদের উপরেও টেস্ট করে নিতে পারে হয়তো,করছেও কিন্তু কিছু,আলু খুঁড়তে গিয়ে শেষে এরকম কিছু ১টা বের হয়ে যাবার ব্যাপারটাও উড়িয়ে দিতে পারছি না। নিজের দেশের প্রেসক্রাইবড আলু খেতে আমার আপত্তি নেই,তবে বিশ্বব্যাংকের আলু খেতে আছে,ঘরপোড়া গরু কিনা!
২৪. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০৭
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
বিপ্লব! বিপ্লব !!
বিপ্লবের গন্ধে ঘুম আসে না ।

আলুর পুষ্টিমান বা খাদ্যমান বা বিকল্প খাদ্য হিসেবে আলু কতটুকু উপযুক্ত, তার চেয়ে আলু খাওয়ার কথা কে বলছে সেটা চোখে বেশী পড়ছে ।

সরাসরি দুশ বছর একই জাতের লুটেরা কর্মকান্ডের পর, বিশ্বায়নের বাহারি কাপড় পড়ে পশ্চিমের ছেনাল হাসি আমাদের অর্থনীতির পৌরষত্বকে দিন দিন শিথিল করে দিচ্ছে । সেই পশ্চিমের প্রতিভূ আমাদের বিশ্বব্যাংক, যখন টমি দের মুখ দিয়ে বলায়, হে ভেতু বাঙ্গালী ! আলু খাও, তোমরা আলু খাও ! ফকিন্নির পোলাপাইনের সপ্তদিবস ভালো যাওয়াটা অনুচিত , তখন ই গায়ে লাগে !

বলি, আমরা কি গরীব ছিলাম? আমাদের গরীব বানালো কে?

ভাত দে হারামজাদা পশ্চিম, না হলে তোর পশ্চাতদেশে আমাদের প্রলিফিক আলু ঢুকাবো !
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: "প্রলিফিক আলু",হাহাহাহহাহাহা। আর "আলুর পুষ্টিমান বা খাদ্যমান বা বিকল্প খাদ্য হিসেবে আলু কতটুকু উপযুক্ত, তার চেয়ে আলু খাওয়ার কথা কে বলছে সেটা চোখে বেশী পড়ছে ।" গরু মেরে ঐ গরুর চামড়া দিয়ে বানানো জুতা নিতে আপত্তি আছে আমার।

২৫. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৬
খারেজি বলেছেন: কর্কশ সুরটা থামাবেন না, দয়া করে।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ,পরিস্থিতিই কর্কশ করে দেয় আসলে।

২৬. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২৬
বিহংগ বলেছেন: চিন্তাকে শানিত করবে।
সুন্দর লিখা।পড়ে ভালো লাগলো।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: সবাই একটু চিন্তা করলেই হয়,মুশকিল হল যাদের চিন্তা করা দরকার তারাই করে না:(

২৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৪
সোনার বাংলা বলেছেন:
ভালো পোষ্ট.....+

মিরাজ ভাই সুন্দর মন্তব্য করেছেন।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক,সোনার বাংলা। তবে ২ জনের পশ্চাতে অগ্নিসংযোগ হইয়াছে,মাইনাস দিয়া গেসে।:)

২৮. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৭:১৩
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: লেখা বরাবরের মতই সুন্দর। "মেজাজ বেশি খারাপ,এই জন্য ভাষা নিয়ে মাথা ঘামাই নাই,পেটের টান বড় টান রে ভাই" - চমৎকার মন্তব্য।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।:)

২৯. ১০ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯
ফেরারী ফেরদৌস বলেছেন: বিশ্বব্যাংক আর IMF এর পরামর্শের দোষে হাইতি তে খাবার নিয়ে কৃষকরা আজ কি করছে সেটা সবার জানা! পশ্চিমা বিশ্বের manipulation থেকে যে আমরা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো কবে মুক্তি পাবো!
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: পাবার কথা না,যতদিননা মাহাথিরের মত মেরুদণ্ডের জোর দেখাতে পারব।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৬৭৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
খুব সাধারণ মানুষ ..এখনো বেকার,পড়ছি পুরকৌশল এ। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ