আমার প্রিয় পোস্ট
- বিবিসির অসাধারণ একটি ডকুমেন্টারিঃ সেরা সাই-ফাইও হার মানবে - বিডি আইডল
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ট্রেকিং, ব্যাগ পেকিং আর হাইকিং, এডভেঞ্চারের সাথে মিশে যান প্রকৃতির সাথে - সৌম্য
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫০ (যা চেয়েছি, যা পাবো না --সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- হার-জিত - আশরাফ মাহমুদ
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- সন্ধ্যা ৪ - মাহবুব মোর্শেদ
- সাংবাদিকতার গায়ে 'হলুদ' - ফয়সল
- আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে... - আস্তমেয়ে
- গুগল কথন - ৪ : ব্রিন আর পেইজের কথা - রাগিব
- হারিকেন - দ্য ডিভাইন উইন্ড (৩) - তানভীর
- ঢাকা, মৃতের শহর । । ঢাকা, সিটি অব দ্যা ডেড । । টাইম ম্যাগাজিন। সোমবার, মে ৩, ১৯৭১ - এহহামিদা
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- : আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ : - নজমুল আলবাব
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
চাকরিটা আমি ছেড়ে দেব বেলা শুনছো
২৭ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:৩৪
সুপ্রিয় বেলা,
নাকি অন্য কোন নামে ডাকবো? কি আসে-যায়,সবসময় তোমার একি নাম,যে নামেই ডাকি না কেন,ঘুরে-ফিরে তো সেই বেলা বোস,বিপরীতে হয়তো অন্ঞ্জনের বদলে আমি বা আর কেউ। চিঠিটা লেখা দরকার ছিল অনেক আগেই,কিন্তু অহেতুক রেসের ঘোড়ার মত দৌড়ে দৌড়ে থাকায় লেখা হয়ে ওঠেনি,একসময় ভাবছিলাম আর কখনো লেখা হবেও না। তবু সময় মিলে যায়,আমারো মিলে গেল,বা বলতে পারো,মিলিয়ে নিলাম,এই সস্তার মোবাইলের যুগে সিটিসেল ওয়ান নিয়েও এসএমএসের চেয়ে আকাশের ঠিকানায় চিঠি দেয়াটাই কেমন যেন একটা নায়ক নায়ক ভাব নিয়ে আসে নিজের মাঝে,হালের
অক্ষয় কুমার না হোক নিজেকে দাদার আমলের উত্তম কুমার মনে হয়।
দূর,কি কথা বলতে গিয়ে কোথায় চলে গেলাম,এটাই আমার দোষ,বেশি কথা বলি,সবাই বলে। তুমি অবশ্য বলনি,কারণ বলার সুযোগই কখনো পাওনি,বা দাওনি,বা হয়ওনি। তা যাক,হবেও না,আকাশে গিয়ে কখনো এই চিঠি পড়বে না এই ভরসাতেই ব্লগপিয়নের কাছে ছেড়ে দিলাম এটা। বলতে চাইছিলাম যে আমি চাকরিটা ছেড়ে দিচ্ছি,এ মাসের পরেই। কেন ছাড়ব জিজ্ঞেস করো না,জবাবটা আমার জানা নেই। বেশ একটা খুশি খুশি মন নিয়ে চাকরগিরিতে ঢুকে গিয়েছিলাম,দাসত্ব শৃঙ্খল পায়ে পড়তে কেমন লাগে সে নিয়ে বেশ গরম কিছু লেখালেখিও করে ফেলবো এমন কুমতলবও মনের মাঝে ছিল। এমনকি আমার ৯৮ পয়সা বা ২৫ পয়সার সেলফোনেরও ২-৪ টা কার্ড শেষ হয়ে গিয়েছিল নিজের চাকর হবার সুসংবাদ দুনিয়াজোড়া জানান দিতে গিয়ে। জানা কথাই সেটা তোমার
মাঝে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেনি,করবে এমন একটা অসম্ভব আশা করাও ঠিক হয়নি যদিও,আজকাল দেশে 'এলিজিবল' তালিকায় আমার বেতনটা ঠিক মানানসই নয় বলেই শিখেছি। তো সেজন্যই জীবনের দিকে বিতৃষ্ঞা এসে গিয়ে বিবাগী হয়ে গেলাম এমনটা বলো না,নাহয় অন্ঞ্জনের মত আমার বেলা বোস তুমি নও যে একি স্বপ্নের তালে আমার সাথে কসবার কোন নীল দেয়ালের ঘর খুঁজেছিল যার জন্য জুতার তলা ক্ষয়ে একটা চাকরি আমার যোগাড় করে ফেলতেই হবে, কিন্তু সে ব্যাটাও শেষমেশ একটা ১১০০ টাকার স্টার্টিং স্যালারি বাগিয়েও টেলিফোন করতে গিয়ে শুধু মিটারের বিলই বাড়িয়ে গেছে,ও মাথায় আর কেউ
কথা বলেনি,বেলা বোসও তো আসলে শুধুই যে কোন নারীই,তাই না?
তবে ছাড়ব কেন? এই আক্রার বাজারে যেখানে ৫০ টাকা কেজি দরে চাল কিনে পাওনাদারের অভিশাপ জমে জেরবার হয় বুড়ো বাপ,সেখানে চাইনিজ বারে চাওমিন খাওয়া বা কোন কারণে বিবাগী হওয়া ঠিক কাজের কথা নয়,আর আক্ষরিক অর্থেই যেখানে লোডশেডিংয়ে আমার ঘরেতে আঁধার তখন পকেটটা ফাঁকা থাকলে যে তারার ঝিলিমিলিও চোখে দেখবো নিয়ম করে সেটাতেও সন্দেহ নেই। এমন না যে আমাকে দাসের মতই খাটায়,সপ্তাহে দু'টো দিন ছুটি তো মেলে,শুয়ে-বসে অলস কাব্য করার সময় পেয়েই যাই,পেয়ে যাই অন্তর্জালে সবার সাথে হাত মেলানোর সুযোগটাও। মাস শেষে টাকাটা পকেটে নিয়ে যে স্বস্তিটুকু
দেখি নিজের মাঝে সেটার জন্যেও দাঁত কামড়ে পরে থাকা যায় কোথাও। নাই বা থাকলে বেলা বোস,নচিকেতা এসে দেখে যাক আমি পরোয়া করি না,দিনের মাঝে ৬ ঘণ্টা করে খোলা ময়দানে দাঁড়িয়ে সূর্যের থেকে ভালবাসা নিয়ে শুধু হৃদয় না গায়ের চামড়াটাও বেশ বাদামপোড়া রঙে রাঙিয়ে ফেলেছি। ঝড়বৃষ্টির সাথে মিতালী করেছি অনেকবার,তারাজ্বলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে রড আর সিমেন্টের হিসাবের সাথে সাথে কখনো কখনো কবিতার হিসাবও মিলিয়ে ফেলেছি,নদীর তীরে দাঁড়িয়ে বুলডোজারের কর্কশ শব্দের খোলা হাওয়ার তান মিলিয়ে কঠোর সঙ্গীতও শুনেছি নিজের মাঝে। গভীর রাতে পিঁপড়ের মত ব্যস্ত প্রকৌশলী আর শ্রমিকদের কাতারে দাঁড়িয়ে বিশাল দানবীয় কংক্রিটের অবয়বগুলোর দিকে তাকিয়ে নিজেকে বিশাল কারিগর তো ভেবেছিই।
তারপরেও আমি ছেড়ে দেব। তাই বলে ভেব না চিরকালের অলস আর উদ্যমহীন আমি সারারাত লোডশেডিংয়ে জেগে থেকে ক্লান্তির ভয়ে অফিস যেতে চাই না,অত বিলাসিতা আমার নেই,আর সত্যি বলতে কি গুমোট ঘরে অন্ধকারে পেঁচার মত বসে থেকে বেশ একটা গুহামানব অবস্থায় অভ্যস্তই হয়ে গেছি,সন্ধ্যার পরেই গুহাবাস,একটু আগুন জ্বালানোর ব্যবস্থা থাকলে বেশ হতো। কিন্তু ছেড়ে দেব কারণ আমি অকারণেই ছেড়ে দিই সবকিছু। ছেড়ে দেব কারণ লক্ষ্যে পৌঁছানো কোনদিনই হয়ে ওঠেনি আমার,ছেড়ে দেব কারণ ইঁদুড় দৌড়ে আমি খুব তাড়াতাড়ি হাঁপিয়ে যাই,যা বাবা তোরা সব দৌড়া আমি খেলা দেখি,সবাই দৌড়ালে টিকেট কেটে দৌড় দেখবে কে? যেমন আমি তোমার জন্য দৌড়াতে পারিনি ওভাবেই আর কিছুর জন্যও হাল ছেড়েই বসে থাকতে আমার ভাল লাগে,অলস সময়ের পারে বসে রাজা-উজির মারতে আমার ভাল লাগে,হাঁ করে অন্যের সিঁড়ি বেয়ে ওঠা দেখতেও আমার মন্দ লাগে না,ভবঘুরে হওয়াটা আমার অ্যাম্বিশন না হলেও ছা-পোষা হওয়াটা বেশ একটা আরামদায়ক ব্যাপার বলেই আমার মনে হয়েছিল,যদিও সেটা কখনো পরীক্ষার খাতায় লিখতে পারিনি,যে জন্য মনে হয় পরীক্ষাতে কখনো আমার জীবনের লক্ষ্যটাও লেখা হয়ে ওঠেনি।
এত বড় একটা চিঠি লিখতে গিয়ে মনে পড়ছে সময়টা আরো প্রোডাক্টিভ কোন কাজে হয়তো লাগানো যেত যেখানে এই চিঠি কেউ পড়বেই না। অনলাইনে বিডিজবসে ঢোকা যেত দু'একটা বড় ভাইকে নিষ্ফলা তেল দেয়া যেত বন্ধুদের কারো কাছে তাদের সাফল্যের গল্প শুনে যুগপৎ ঈর্ষান্বিত আর অনুপ্রাণিত হওয়া যেত বা দেশের গরমে অতিষ্ঠ হয়ে বারাক ওবামা বা জন ম্যাককেইনের দেশে যাবার জন্য ছোটখাট কোন ইউনি'র খোঁজ করা যেত,নিদেনপক্ষে যে হতচ্ছাড়া সিভি বানিয়ে রেখেছি সেটা একটু মাজাঘষা করে আরো হতচ্ছাড়া কোন চাকরিদাতার কাছে ডাকবে না জেনেও পাঠানো যেত। সেটা না করে আপাতত ভাবছি অনেকদিন শখ করে বৃষ্টিতে ভেজা হয়না ফাইলপত্র নষ্ট হবার ভয়ে আর বসুন্ধরা সিটিতে গিয়ে গাড়িওয়ালা পোলাপান আর সুন্দরীদের দেখে ঈর্ষান্বিত হওয়াটাও
হয়ে ওঠেনা। অনেকদিন ক্যাফেটেরিয়ার বিস্বাদ চা ভাগ করে খাওয়া হয়না আর টেবিল চাপড়ে কারো ১৪ গুষ্ঠি উদ্ধার করা হয়না। অনেকদিন ২-৩ বন্ধু মিলে রিকশাতে হাওয়ার সাথে ঝালমুড়ি বা পেয়ারা কামড়ে অর্থহীন গল্প করা হয়না,আর অনেকগুলো দিন তোমার বা কারো কথা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলা হয়না,সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি গানটাও গুনগুন করা হয়না সেও তো অনেকদিন হয়ে গেল। অর্থহীন পরিকল্পনা করে দেশ উদ্ধার করা হয়না সবাই মিলে সেটাও কতদিন হলো?
জানি কি ভাবছো,সবাই যা ভাববে সেটাই,এর জীবনে কিছু হবেনা,এমনি এমনি কি আর ব্যাটাকে পাত্তা দেয়না কেউ? তা সবার জীবনে কিছু হতেই হবে এমন কথা নেই,এলোমেলো চুল-দাড়িতে ছন্নছাড়া দিন আমি এখনো টের পাই,রাত ২টায় নির্জন রাস্তায় একদল অকাজের ছেলের রিহার্সালের রাতগুলো এখনো আমার মুখে মুচকি হাসি এনে দেয়। জীবনানন্দ নিয়ে আমার কোন প্যাশন আমার ছিল বলে মনে পড়ে না কিন্তু গৃহী মানুষও মাঝে মাঝে বিপন্ন বিস্ময় তার রক্তের মাঝে টের পায়,সেখানে অর্থ-বিত্তের ছোটাছুটি খুব বেশি অর্থহীন মনে হয়,যেমন তোমাদের কাছে অর্থহীন মনে হয় আমার খটখট কীবোর্ড টেপাটেপি।
কাজেই বেলা,অথবা যে কেউ,আমি চাকরিটা এ মাসের শেষ দিন ছেড়ে দিচ্ছি,এমন না যে আমি আর কোথাও নেব না দাসত্বের কাজ,কিন্তু দু'-একটা দিনের শান্তির ঘুমের জন্য পালিয়ে যাব কোথাও। আমি অন্ধকার রাস্তায় এলোমেলো হাঁটব,আমি বারান্দায় বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকব,আমি ক্যাফেটেরিয়াতে বসে স্মার্ট ছেলেমেয়েদের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে যুগের হাওয়া বোঝার চেষ্টা করবো,ধানমণ্ডি লেক নয়তো বসুন্ধরার সিঁড়িতে বসে টাকা-পয়সার ঝনঝনানি অথবা দামী গাড়ির ঝলমলানি দেখে তোমাকে সেখানে ভাববো,গুলশানের দামি রেস্তোঁরার সামনে দাঁড়িয়ে পকেটে হাত দিয়ে বাসের ভাড়া গুনবো। বুঝলে বেলা ডার্লিং,উঁচু,অনেক উঁচু যে পাহাড় চূড়ার দিকে আমরা সবাই ছুটে যাচ্ছি সেখানটাকে আমার কেন যেন শূলের আগা মনে হয়,তুমি বরং সেখানে ঝুলে থাকা কারো হাত ধরে সুখে উড়তে থাকো,আমি ঘননীল জোছনায় শিশিরে ভিজবো একাকী অথবা খুব সাধারণ কারো হাত ধরে,বালুকণার স্পর্শ নেব ঘাসের ডগা ছুঁয়ে।
ইতি,
আমার নাম লিখতে ইচ্ছে করছে না।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এলোমেলো ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হ,বস্ ব্যাটা খাওয়ার আগেই আমি আমার চাকরি খায়া দিলাম,কাজকর্ম করতে ভাল্লাগে না![]()
সারাদিন বলেছেন:
খুব সাধারণ মানুষ ..এখনো বেকার,পড়ছি পুরকৌশল এ। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।লেখক বলেছেন: হেহে,এইজন্যই প্রোফাইল আর বদলাই নাই,আজ নয়তো কাল ভেগে যেতামই![]()
ইরতেজা বলেছেন:
অসাধারন। প্রিয় পোষ্ট
লেখক বলেছেন: ইরতেজা ভাই,এইবার আমার বেশ একটা গর্ব গর্ব ভাব এসে যাচ্ছে।
অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আমি ঘননীল জোছনায় শিশিরে ভিজবো একাকী অথবা খুব সাধারণ কারো হাত ধরে,বালুকণার স্পর্শ নেব ঘাসের ডগা ছুঁয়ে।ইতি,
আমার নাম লিখতে ইচ্ছে করছে না।
দারুন.....
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শামীম ভাই,বিয়া করলে দাওয়াত দিয়েন![]()
লেখক বলেছেন: ম্যালা দুঃখে লেখসি আপু
অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: ছাইড়া দেয়াই ভাল,দুনিয়ার কোন কিসুই ধইরা রাখার জন্য না![]()
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
ভাল লাগলো....+
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
মানুষ বলেছেন:
প্রলাপ?
লেখক বলেছেন: হালকা কইতে পারেন,চাকরি ছাইড়া ভাবে আসি![]()
লেখক বলেছেন: তাইলে আর এই জনমে বিয়া করতে পারবেন না,দেখতেই পাইতাসেন,আগে পাত্রী আসিলো না এখন চাকরিও নাই![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
হায় হায় কি বলেন!!! বড়ই চিন্তার বিষয়! অফটপিক:
ফারহান ভাই, কবিতা সহ ইস্নিপ থেকে যেকোন ফাইল ডাউনলোড করতে লিংক জেনারেটর এর হেল্প নিতে পারেন।
Click This Link
লেখক বলেছেন: হেহে,আপনের চিন্তার বিষয় কন,আপনের বিয়া পিছাইতাসে![]()
আর অফটপিক কিসের,এইটা অন টপিক,দেখি একবার চেষ্টা কইরা ডাউনলোড হয় কিনা![]()
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
কনগ্র্যাটজ ...
লেখক বলেছেন: আমার পকেট খালি আর তুমি বাজাও হাতে তালি
নিজের পায়ে কয় নম্বর কুড়াল মারলাম কেডা জানে![]()
আছো কেমন?
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
গান, কবিতা ডাউনলোড করতে পেরেছেন ফারহান ভাই?
লেখক বলেছেন: পারলাম না,ডাউনলোড হয়া এরপরে আর খুলে না,কোন ফরম্যাট এর ফাইল কে জানে![]()
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
জটিল হয়েছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ,আমিও একটু জটিল পরিস্থিতিতেই আছি।
নির্বাসিত বলেছেন:
সত্যিই চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন নাকি?
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। আজকে অফিসে নোটিশ দিয়ে দিয়েছি,আর ১ দিন গিয়ে কাজ বুঝিয়ে দেব প্রজেক্টের,যদিও নিজেও জানি না কেন ছাড়লাম।
লেখক বলেছেন: আমি বেশি ১টা ভাবে নাই রে ভাই,পকেট খালি খালি লাগতাসে![]()
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
হুমম...বেলা বোসরা এমনিই হয়।লেখাটি বরাবরের মতো জটিল।
আমি ঘননীল জোছনায় শিশিরে ভিজবো একাকী অথবা খুব সাধারণ কারো হাত ধরে,বালুকণার স্পর্শ নেব ঘাসের ডগা ছুঁয়ে....এ লাইনটি বেশী পছন্দ হয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ,মজা লাগতাসে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ![]()
ত্রিভুজ বলেছেন:
একটা কথা বলবো কিনা দুইবার ভেবে বলেই ফেললাম---
".. বেশী জিনিয়াসরা এই দুনিয়ায় কাজ করার জন্য আসলে ফিট না... চাকুরী নিয়া তাদের টেনশন করা আসলে মানায়ও না..."
সিরিয়াসলি লেখালেখি শুরু কর...
লেখক বলেছেন: ত্রিভুজ ভাই,আপনের কথা শুইনা ঈশপের গল্পের বাদুড়ের কথা মনে পড়লো,সে না পাখি না জন্তু,তাই কোন দলেই যাইতে পারে না। আমার হইসে সেই হাল,কোন কিসুই ঠিকমত পারলাম না তাই কোন দলেই যাইতেপারলাম না![]()
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
লেখাটা দুর্দান্ত।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আলসেমি না করে এই সাইটটা ছাড়ার ডিসিশান নিসি , দেখি কতদূর কি হয় । ঝাকের কই হয়ে মাথা বেচতে বিবেকে বাধতেসে চরমভাবে
পুরোপুরি ছাড়তে পারলে তবেই পোস্ট দিবো
লেখক বলেছেন: ছাড়া লাগবে না,বিবেকহীন মানুষ সবখানেই থাকে,তাই বলে কি দুনিয়া ছেড়ে যাব নাকি? ভাবনা-চিন্তা কর।
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
এক্কেবারে মনের কথা কইছেন ভাইজান। লেখাডাও জটিলস হইছেসারাদিন অফিস কইরা বাসায় আইসা খাওয়া-দাওয়া কইরা ঘুম। পরদিন সকালে উইঠাই আবার অফিস। ইউরোটাও দেখার টাইম নাই। একদিন খেলা দেইখা পরদিন অফিসে সারাদিন ঝিমাইছি। আর কত... একটা তর্ক প্রচলিত আছে, আমরা বাঁচার জন্য খাই নাকি খাওয়ার জন্য বাঁচি আছি। আরেকটা জিনিস যোগ করতে হইব - চাকরির জন্যই বাঁচি।
আপনারে কনগ্রেটস। দেখি, সাহস কইরা আমিও ছাইড়া দিব একদিন
লেখক বলেছেন: আসলে মনে হয় দৌড়ানোর জন্য বাঁচি
যাক কয়দিন ঘুমাই,পরে চিন্তা করা যাবে![]()
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
বেলা দের কি এত সময় হবে এই চিঠি পড়ার?
লেখক বলেছেন: সময় হবে না,এইজন্যই তো আপনাদের পড়তে দিলাম![]()
রেটিং বলেছেন:
আমিত মনে করলাম কি না কি, এখন দেখি এইডা জটিল চিঠি, জোশ হইচে ফারহান ভাই। কনগ্রেটস বেকার লাইফে। লেখক বলেছেন: হুম বেকার লাইফ ভালই খালি পকেটের হাল নিয়া একটু চিন্তায় আছি আরকি।
প্রচেত্য বলেছেন:
ছুয়ে যাওয়া লেখা
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
মনোবেদনা....প্রচ্ছন্ন শ্লেষ....অপ্রাপ্তি....স্ফুরিত ক্ষোভ....পৌনপুনিকতা বা এইরকমের সমগোত্রীয় বোধগুলো ধারন করে আছে যেন এই লেখা।
অসামান্য।
লেখক বলেছেন: অসামান্য পাঠক পেলে নিজেকে ধন্য মনে হয়,আপনাকে ধন্যবাদ।
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
চমৎকার
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সেক্ষেত্রে নিজেকে সার্থক মনে করছি।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
এমনতো হওয়ার কথা না। এমপিথ্রি ফরম্যাট থাকলে সেই ফরম্যাটেই ডাউনলোড হবে। শোনাও যাবে।
লেখক বলেছেন: আমার পিসি বা প্লেয়ারেও সমস্যা হইতে পারে,আরো দেখা লাগবো।
লেখক বলেছেন: বেলার কি খায়াদায়া কাজের অভাব পড়সে যে এই প্যাঁচাল পড়বো? তাইলে তো এই প্যাঁচাল লেখারই দরকার হইতো না![]()
লেখক বলেছেন: নাহ,যামু না।
রাজীব আহমেদ বলেছেন:
চমৎকার লেখা প্রিয় তালিকায়....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ,লাকের এখন খুব দরকার।
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
অসাধারণ লেখা, সত্যি বলছি!......বেলা বোস পড়েছে কিনা জানিনা, তবে পড়লে মনে হয় পাহাড়ের চূড়া থেকে নেমেও আসতে পারতো, পাঠিয়ে দেখতে পারেন।
আপনি আমার লিঙ্কে আছেন, তাই আর প্রিয় পোস্টে নিলাম না, নিতে গেলে তো প্রায় সবগুলোই নিতে হয়।
চাকরি ছাড়েন আর যাই করেন, ভালো থেকেন।
লেখক বলেছেন: আপাতত পাঠানোর জন্য বেলা বোস পাচ্ছিনা,কাজেই ডাকখরচ বেঁচে যাচ্ছে![]()
হুম ভালই আছি,গায়ে হাওয়া লাগাচ্ছি এই লোডশেডিংয়ের মাঝে যতটা সম্ভব![]()
লেখক বলেছেন: হ,এক বেন্ঞ্চে বসনেওয়ালাদের যাত্রায় আর পৃথক ফল হইব ক্যান? তোমারে কোন ভূতে কিলাইসিল?
উত্তরাধিকার বলেছেন:
ভাইজান ডাইরেক্ট প্রিয়তে চালান করে দিলাম।
আর আপনারে নিবেদন করলাম আমার প্রথম পোস্টের প্রিয় ক'টি লাইনঃ
অফিসের বড়কর্তার খেয়ালী ছন্দে~
বিনা কারণে নেচেছি অনেক!
এবার না হয় নিজের ভেতরকার অচেনা সুরের
পিছেই ছুটবো।
মিথ্যে অহংকারের ঐ ক্লোজড কলার চাকরীটা-
হারাবার লজ্জায়,
আমি কিঞ্চিত দুঃখিতও হবো না।
(অন্যরকম...http://www.somewhereinblog.net/blog/uttoradhikarblog/28789482)
হয় হবেই জয় নিশ্চয়...
সেই প্রত্যাশায় !
লেখক বলেছেন: পড়লাম পুরোটা,এবং ভাবছি যে কবে সেইরকম করে মুক্ত হতে পারব। আমরা তো শেকলে বাঁধা,আজ হোক কাল হোক আবার ফিরে যেতেই হয়![]()
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
খুব ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
অসাধারণ চিঠি!!!খুব ভালো লাগলো।
বেলা যদি কোন সময় চিঠিটা পড়তো!!!! বুঝতো কত কষ্ট!!!
শুভেচ্ছা থাকলো
কেমন আছেন? আশাকরি ভালো।
লেখক বলেছেন: পড়বে না![]()
ভেবেছিলাম খারাপ থাকবো কিন্তু বেকার হয়ে আরামেই আছি আপাতত![]()
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। খুব ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কালপুরুষদা।
লেখক বলেছেন: আজকে পুরাপুরি দায়িত্ব বুঝায়া দিয়া আইসা পড়সি![]()
লেখক বলেছেন: হেহে,স্বাগতম।
দূরন্ত বলেছেন:
আপনাকে আর রাতমজুরকে কঠিন হিংসা হচ্ছে। আমিও চাকরি ছাইড়া দিমু। আর ভালো লাগে না।
লেখক বলেছেন: এই খাইসে,এতজন চাকরি ছাড়লে কেমনে হইব?![]()
মাজুল হাসান বলেছেন:
দারুন লেখা... আমিও চাকরি ছাইড়া বেকার হয়া বসে আছি.. ওয়েলকাম বলব কিনা বুঝতে পারছি না।
ভাল থাকাটাই মূল, বোকার মতো হলেও...
লেখক বলেছেন: ভাল থাকাটাই মূল,কিন্তু পকেটে যে পয়সা নাই![]()
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
ইয়াল্লা! এত্ত লম্বা চিঠি?! বেলা ডার্লিং পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে যাবে শিউর
শেষের প্যারাটা অসাধারন লেগেছে আমার কাছে। বার বার পড়তে পড়তে মুখস্থ হয়ে গেছে অনেকটা।
লেখক বলেছেন: চিন্তা নাই আপু,বেলাদের এতকিছু পড়ার টাইম কই?
অনেক অনেক দিন পরে আপনাকে দেখলাম,স্বাগতম![]()
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
মন্তব্য করা বড়ই ঝামেলা।ভালোই লাগল লেখাটা।বেকার জীবনের সৌন্দর্য নিয়ে লেখ না আরেকটা।
ভালো লেখা।
প্লাস।
লেখক বলেছেন: বেকার জীবনের এক নম্বর সৌন্দর্য হইল ডেইলি সকালে উইঠা বাস ধরার জন্য দৌড়ানি লাগে না![]()
শুকলা দাস বলেছেন:
দারুন লিখেন আপনি।আচ্ছা আপনি কিসের চাকরি ছাড়লেন?
লেখক বলেছেন: মাঠঘাটে বাড়িঘর তুলতাম,ঐ চাকরি![]()
লেখক বলেছেন: এখন? এখন কয়দিন আলসেমি। সকালে অভ্যাসমত ঘুম ভাঙসিল,দেখি ঝুম বৃষ্টি,কাঁথা মুড়ি দিয়া দিলাম ঘুম,উঠসি দুপুর ২টায়![]()
ইউনুস খান বলেছেন:
লেখা খুব ভাল হইছে।নতুন কিছু করলে জানায়েন।
লেখক বলেছেন: নতুন খবর হইল,আজকাল রাত জেগে দিনে ঘুমাই![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
মুনিয়া বলেছেন:
হায় হায় দেশটার যে কি হবে? ছেলেরা সব আলসে হয়ে যাচ্ছে। চাকরি করতে চায় না, কামলাও খাটতে চায় না, খালি গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়াতে চায়!লেখক বলেছেন: চাকর আর কামলাদের দিয়া দেশ তো এর মাঝেই জাহান্নামে গেসে,এখন আলসেদের দিয়া যদি কিছু হয়![]()
লেখক বলেছেন: চাকরি ছেড়ে ভাল আছি,এমনিতে মনমেজাজ চরম খারাপ। ধন্যবাদ আপু।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
হুম, তুমি তো তবু কিছুদিন জোয়ালটা কাঁধে নিয়ে টেনেছ। আমি এখনও স্বমহিমায় বেকার! নিচের লেখাটা পড়ো সময় পেলেClick This Link
লেখক বলেছেন: লেখাটা পড়লাম। সমস্যা হইল,জোয়ালটা কাঁধে নেয়াই লাগে কোন না কোন সময়,চাই বা না চাই।
লাল দরজা বলেছেন:
লেখাটা সেইরকম সাইজের, পুরা পরি নাই খামছাইয়া খামছাইয়া পড়ছি আমি ত জীবন ভর ছারি আর ধরি
লেখক বলেছেন: আপনের ব্লগের হেডিং মনে পইড়া গেল--"একদিন আমিও দিমু উড়াল,নিজের পায়ে নিজে মাইরা কুড়াল"![]()
দিলাম আরকি কুড়াল মাইরা,উড়াল দিতে না পারলেও![]()
ইফতেখার ইনান বলেছেন:
আমগো মেলার চাকরিটাও আর হইল না রে .. আড্ডাবাজ আশিক ভাইজান আমার কমেন্ট ডিলিট মারে.. কপালের লিখন না যায় খন্ডন...
লেখক বলেছেন: আশিক ভাইজান মনে হয় আমাদের "স্ম্যার্ট স্টুডেন্ট" ভাবে নাই রে,এই লাইগা ডিলিট কইরা দিল![]()
অজানা অচেনা বলেছেন:
আমার মনের কথাটাই বলে ফেললেন। এখনও মাস পুরায়নি, হাফিয়ে উঠেছি চাকরানি গিরি করতে করতে। ছুটির দিনেও মাঝে সাঝে চাকরগিরি করতে হয়, যেমন আজ করলাম। আর সহ্য হয়না... ৩ সপ্তাহতেই লাইফটা একদম ফাইল হয়ে গেছে- শুধু কিছু সাদা কালো এবড়ো থেবড়ো জীবন পাতা- কারাগারে বন্দী।এইতো কিছুদিন আগের ছাত্রকাল কে খূউব দুরে মনে হয়, খুব মিস করি।
হয়তো কিছুদিন পর আমি আপনার এই একি লিখাটাই কপি পেস্ট করে বসিয়ে দিব। তখন আবার কপিরইট নিয়ে ঝামেলা করবেন না বলে দিচ্ছি।
তবে আপনার লেখা থেকে একটা শিক্ষা পেলাম, সব জায়গাতেই একি হালত। নদীর এপার কিংবা ওপার, আসলেই কেউ ভালো নেই। সবার মাঝেই কিছু না কিছু "আইজুদ্দিনতা" বিরাজ করে।
ভাল থাকুন, যেখানেই থাকুন। শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: এতদিন না দেখার রহস্য তাহলে এই। যাক ব্যাপার না,হাঁপিয়ে উঠলে পালিয়ে যাবার বদবুদ্ধি সবাইকে দেব না,লেগে থাকুন![]()
ভাল থাকুন,অনেক অনেক ভাল,যেমন টা সবার জন্য বলি,জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
ফারহান, আম্রিকা চলে যাও। সদ্য পাশ করা পুর কৌশলীরা দল বেধে টেক্সাস যাচ্ছে শুনলুম। দেশ মাতৃকা ধরে বসে থাকলে হতাশাই বাড়বে বই কমবেনা।
লেখক বলেছেন: খিক খিক,আম্রিকার কি লোকজনের এতই অভাব পড়সে যে আমারে নিব? আপাতত ঐরকম কোন প্ল্যান নাই।তাছাড়া আমারে প্রকৌশলী কইতে পোলাপানের আপত্তি আসে,আমি নাকি এতই জঘন্য বেসিক নিয়া বাইর হইসি![]()
আকাশচুরি বলেছেন:
আমি ঘননীল জোছনায় শিশিরে ভিজবো একাকী অথবা খুব সাধারণ কারো হাত ধরে,বালুকণার স্পর্শ নেব ঘাসের ডগা ছুঁয়ে।সত্যিই যদি পারতাম!!
প্রিয় ফারহান দাউদ, ভালো থাকবেন
লেখক বলেছেন: ভালো থাকতে পারলে খুশি হতাম,কেন জানি কিছু ১টা মিলছে না,পালানোর রোগ হয়ে গেছে। শুভকামনার জন্য কৃতজ্ঞতা।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ওরে সেরেছে !
যাশ্ শালা এইরম না লেখতে পারার দুঃখে লেখালেখি-ই ছাইড়া দিমু ।
অতিব উপাদেয় হইয়াছে । পরের গোলামী ত্যাগিবার জন্য কনগ্রাটস
লেখক বলেছেন: ভাইজান যে কি কন,আপনাদের মত লেখতে পারলাম কি?
আরেকবার কংগ্রাটস দিতে পারেন,কারণ আরো একটা চাকরি নিয়া সেটাও ৪ দিনের মাথায় ছেড়ে দিসি![]()
বিবর্ণ বলেছেন:
ভাল লিখার একটা সীমা থাকা দরকার, কিন্তু এ দেখি সীমা লংঘন করেছে.....
লেখক বলেছেন: তাইলে আরকি,শাস্তি দেন![]()
অযৌক্তিক বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর বর্ননা
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
সবাক বলেছেন:
আপনার এই লেখাটা আমি বারবার পড়ি। কিন্তু কমেন্ট করি না। কমেন্ট করতে গেলেই চোখ দু'টো ভারী হয়ে আসে। আপনি আমার জন্য খুব নিষ্ঠুর। কারণ আপনার এই লেখাটা পড়লে আমার অতীতের কিছু কথা মনে পড়ে যায়।
আমি একজনকে ভালোবাসি। সে আমাকে প্রায়ই বলতো... বাবার ব্যবসার প্রতি নির্ভর না থেকে যেন নিজে কিছু একটা করি। তার কথা রাখতে গিয়ে ঢাকার একটি এ্যাড ফার্মে ডিজাইনারের চাকুরী নিই। আমার ভালোবাসার পাত্রীর নাম বৃষ্টি। সে আবার আমার কাজিন হয়। কিন্তু আমার বাবা তার বাবাকে পছ্দ করেন না। তারই সুত্র ধরে আমার অজান্তে দুই পরিবারের মধ্যে ব্যাপক বাকবিতন্ডতা এবং নোংরামি হয়। এ নিয়ে বৃষ্টিকে কয়েকবার তার বাবার হাতে মার খেতে হয়। এতোকিছু করেও তাকে নিভৃত করতে না পেরে বৃষ্টির বাবা আমার ক্ষতি করবেন বলে মেয়েকে হুমকি দেন। তখন একদিন বৃষ্টি আমাকে ফোন করে বলে- সে আমাকে এখন আর ভালো বাসে না। একথা শুনার পর আমি ভীষনভাবে বিপর্যস্ত হই। তার সাথে অনেক যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলাম। পরে সবকিছুকে অনর্থক মনে করে আমি চাকরীটা ছেড়ে দিই। চাকুরী ছেড়ে দিয়ে যেদিন আমি বাড়ি চলে আসতেছিলাম, সেদিন বাসে আমি বৃষ্টির মিসকল পেয়ে তাকে ফোন করি। তখন খুব কান্না করতে করতে বলেছিলাম- "তোমার কথামতো চাকুরী করতে এসেছিলাম, একটি নিয়ম না মানা ছেলেকে রুটিন মাফিক চলতে বাধ্য করেছিলে, আজ তুমিও নেই তাই চাকুরিটাও নেই, আমার নিয়মেরও কোন বালাই নেই।
আপনি হয়তো বিশ্বাস করবেন না.... আমার চোখে পানি ঝরতেছে কয়েক মিনিট আগ থেকেই।
ভালো থাকুন।
শুভরাত্তি।
লেখক বলেছেন: কাউকে কষ্ট দেবার জন্য লিখিনা,নিজের কষ্ট নিয়েই আমি অনেক বেশি স্বার্থপর। তবু কখনো কখনো কারো লেগে যায়,ক্ষমা চাইতেও পারিনা,কি লাভ,তাতে কোন কিছুই কমে না,কোন কিছু যায়-আসে না।
আপনার জন্য কেউ ভাবতো,আপনি হয়তো আমার চেয়ে ভাগ্যবান, নিশ্চিত হতে পারছি না ঠিক,হয়তো না ভাবলেই ভাগ্যবান। ভাল থাকবেন,অনেক ভাল।
পাপী বলেছেন:
খাইসে.!! মুগ্ধ হয়ে পড়লাম। এই লেখাটা এতোদিন ছিলো কই??? এক ব্লগারের প্রিয় পোস্টে পেলাম। প্রিয়তে রাখলাম। অসংখ্য প্লাস!!!
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।
েক আিম বলেছেন:
কাজের কাজ করছেন: লাল সালাম।।
লেখক বলেছেন: ঘটনা আরো গেসে,এই লেখাটা লেখার পরে কিসুদিন বইসা আরেকটা কাজ নিসিলাম,সেইটা করসি ঠিক সাড়ে তিন দিন,এরপরে দিসি ছাইড়া,এখন ২ মাস হইল ঘাস কাটি![]()
নুশেরা বলেছেন:
চলেই যাচ্ছিলাম; মনে হল মন্ত্রমুগ্ধ পঠনের অভিজ্ঞতার কৃতজ্ঞতাটা লেখককে না জানালে অন্যায় হয়ে যাবে। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা আমারই,কষ্ট করে যারা হাবিজাবিগুলো পড়ছে তাদের জন্য।
পাপী বলেছেন:
ভাই আপনে আসি যাই করতেসেন ক্যান?? বিয়া কইরা ফালান, ভাবীসাব সব স্যাটেল করে দিবে হে: হে:
লেখক বলেছেন: আমি জানতাম না বেকার লোকজনরে বিয়া কইরা কেউ সেটল কইরা দেয়,জানলে খোঁজ দিয়েন![]()
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
ফারহান আপনি অদ্ভুদ ভাল লেখেন।ছাত্র জীবন শেষ করে চাকরী জীবনে মানিয়ে নেয়াটা ভীষন কঠিন। দুটো দুরকম জগত।
আমার তো প্রথম প্রথম অসহ্য লাগতো। ভাবতাম খামোখা কেন আমাকে বসে থাকতে হবে,মনে হত এ কোন খাঁচায় এসে পড়লাম! কত যে উল্টাপাল্টা করেছি!
নিজে কিছু করতে না পারলে তো চাকরী করতেই হবে। কাজেই ....
লেখক বলেছেন: কাজ করার চেয়ে কঠিন হলো কাজ না থাকলে খামোকা অফিসে বসে ঝিমানো। আবার চাকরি না থাকলেও ঝামেলা,হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি,সব মিলে ফাটা বাঁশে আটকা যাকে বলে,মানুষ যে কি চায়!
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
সেটাই তো বললাম, কাজ নেই তারপরও কেন বসে থাকতে হবে এটা বুঝতে আমাকে অনেক পাতলা চিঠি খেতে হয়েছে!ভয়াবহ অবস্থা।
যখন কাজ থাকবে না তখন না ঝিমিয়ে কবিতা লিখবেন।
লেখক বলেছেন: কাজ তো মাঠেঘাটে,কামলার কাজ,কম্পিউটারই নাই তো ব্লগ আর ইন্টারনেট
আর কবিতা? ঐটার জন্য জন্মগত প্রতিভা লাগে,ও জিনিস কোনদিনই ছিলনা আমার,আসলেই বাজে অবস্থা![]()
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: ৩ নম্বরটা ছেড়ে ৪ নম্বরটায় ঢুকলাম ৪ দিন আগে,এখন কাজের চাপে হাঁসফাস লাগছে
কিন্তু চাইলেই সব করা যায় না,প্রয়োজনের তাগিদে কত কিছুই যে হজম করা লাগে![]()
রুদ্র নীল বলেছেন:
কিছু বলার নাই,এত দারুন লেখা পইড়া মইরা জাইতে মনচায়............অন্নেক +
লেখক বলেছেন: মইরা গেলে তো ভাই সমস্যা, বাঁইচা থাকেন, ঐটা খুব বড় ব্যাপার।
ভাল থাকেন।
লেখক বলেছেন: একদমই নেই,বাস্তবতা খারাপ জিনিস।
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
হয়ত খুব উচিত, কিন্তু রাজনীতি সমাজনীতি অর্থনীতি নিয়ে চিন্তা করতে ভাল লাগে না। এইধরণের লেখা পড়তে ভাল লাগে।
লেখক বলেছেন: চিন্তা করেও কিছু হয় বলে তো মনে হয়না, আমাদের মত ছা-পোষা মানুষদের চিন্তার দাম কি?
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
আবার চাকরী। হে হে হে! ডিডিসি রাজত্বকালে নাকি হে এটা?
লেখক বলেছেন: এখন আর ঠিক নিশ্চিত হইতে পারতাসি না বস, এত ছাড়সি আর ধরসি।
পোস্টের সময়কাল দেখে নিশ্চিত হইলাম এইটা ডিডিসির আগে।
লেখক বলেছেন: ইঁদুর দৌড়ে মাঝে মাঝেই অসম্ভব ক্লান্তি লাগে।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, শুনলে লোকে পিটাবে, আবার ছেড়ে দিয়েছি, ১৬ মাসে ৬টা ছাড়লাম, এখন পড়াশোনা করি। ![]()
প্রাকৃত বলেছেন:
অনেক দেরীতে পড়লাম। সেইরকম......
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ![]()
প্রতীক্ষা বলেছেন:
''বুঝলে বেলা ডার্লিং,উঁচু,অনেক উঁচু যে পাহাড় চূড়ার দিকে আমরা সবাই ছুটে যাচ্ছি সেখানটাকে আমার কেন যেন শূলের আগা মনে হয়,তুমি বরং সেখানে ঝুলে থাকা কারো হাত ধরে সুখে উড়তে থাকো,আমি ঘননীল জোছনায় শিশিরে ভিজবো একাকী অথবা খুব সাধারণ কারো হাত ধরে,বালুকণার স্পর্শ নেব ঘাসের ডগা ছুঁয়ে।''
আর ক'টা দিন তারপর বেলা মুক্তি!
++++
লেখক বলেছেন: ঠিক, ঐ অপেক্ষাতেই আছি। ![]()
বাংলাকে ভালবাসি বলেছেন:
ভালো হয়েছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: পড়েনি, পড়ার কোন সম্ভাবনাও নেই। ![]()
কাকপাখি ২ বলেছেন:
বেলা এই লেখা না পড়লেও আমরা পড়ছি ভাই।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, কেউ পড়লেই চলে। ![]()
লেখক বলেছেন: যারে বলছিলাম সে পড়ে নাই, তবে যে পড়েছে সে খুশি। ![]()
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন:
এই পোষ্টটা ২২ জনের প্রিয় তালিকায় আছে। কষ্টের কথা সবাই লেখে, এভাবে খুব কমজনই লিখতে পারে। যেকোন পাঠককে টেনে ধরে রাখবে...
হ্যাটস অফ ম্যান! আসলেই...
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞ বোধ করছি।
অচিন রুপকথা বলেছেন:
"আমি ঘননীল জোছনায় শিশিরে ভিজবো একাকী অথবা খুব সাধারণ কারো হাত ধরে,বালুকণার স্পর্শ নেব ঘাসের ডগা ছুঁয়ে।"সম্ভবরকম সুন্দর হয়েছে ভাইয়া...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




























দারুন হল।