আমার প্রিয় পোস্ট
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ট্রেকিং, ব্যাগ পেকিং আর হাইকিং, এডভেঞ্চারের সাথে মিশে যান প্রকৃতির সাথে - সৌম্য
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫০ (যা চেয়েছি, যা পাবো না --সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ভবঘুরে
- সোভিয়তস্কি কৌতুকভ (৬) - ঐক্যতান
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- হার-জিত - আশরাফ মাহমুদ
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- নির্বাসিতের আপনজন। পর্ব-১৮(খ)। - নির্বাসিত
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- রাত্রির আঁধার ভেঙ্গে - রোদ্দূর মিছিল
- সন্ধ্যা ৪ - মাহবুব মোর্শেদ
- সাংবাদিকতার গায়ে 'হলুদ' - ফয়সল
- আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে... - আস্তমেয়ে
- গুগল কথন - ৪ : ব্রিন আর পেইজের কথা - রাগিব
- হারিকেন - দ্য ডিভাইন উইন্ড (৩) - তানভীর
- ঢাকা, মৃতের শহর । । ঢাকা, সিটি অব দ্যা ডেড । । টাইম ম্যাগাজিন। সোমবার, মে ৩, ১৯৭১ - এহহামিদা
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- : আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ : - নজমুল আলবাব
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
ঘুরোঘুরি ১: নোয়াখালী বিপর্যয়
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৩
আমার সবক'টা ঘুরাঘুরিই যে শেষমেশ কেন বিচিত্র রকমের একটা রূপ নেয় সেটা মাঝে মাঝেই ভাবি। সিলেট ঘুরতে গিয়ে ঝগড়া করে আলাদা হয়ে যাওয়া, হিমছড়িতে ঝামেলা, সেন্টমার্টিন্সে খাসি কেলেংকারি, আর এবারেরটা? মনে হয়, নোয়াখালি বিপর্যয় বলাই ঠিক হবে।
সিনিয়র ইন্ঞ্জিনিয়ার যখন জানালেন যে নোয়াখালিতে সাইট দেখতে যাওয়া লাগবে,বিশেষ গা করলাম না,শুধু বাসায় জানালাম, নোয়াখালী যাচ্ছি। আব্বার জিজ্ঞাসা,নোয়াখালীর কোথায়? বললাম, নোয়াখালী টাউনেই হবে। আব্বা খানিক তাকিয়ে থেকে জানালেন, বাংলাদেশে নোয়াখালী বলে কোন শহর নেই,এটাই জানো না আর তুমি দেশ ঘুরবা? প্রতিবাদ করলাম না,ভূগোল বাবদে যে আমি উঁচুদরের মূর্খ সে প্রমাণ দু'দিন আগেই রেখেছি,পরীক্ষার খাতায় লিখে এসেছি মহাস্থানগড় তিস্তা নদীর পারে আর চলনবিল পাবনা সীমান্তে।![]()
যা হোক,আমার সাথে আরেকজন ডিপ্লোমা ইন্ঞ্জিনিয়ার যাচ্ছে,ভাবলাম সে ব্যাটার উপর দিয়েই চালিয়ে দেব ঝামেলা। রওনা দেবার কথা দুপুর ১২টায়, সায়েদাবাদ থেকে। ১১টায় যখন ফোন করলাম,সে লোক জানালো,বাড়ি থেকে আসছে,ফেরি পার হবার জন্য অপেক্ষা করছে এখন। এরপর ১ ঘণ্টা পরপর ফোন,আসছি আসবো বলে আর খবর নেই। অবশেষে জানালো সে ঢাকায়,বাসা থেকে বের হয়ে যখন সায়েদাবাদ পৌঁছালাম তখন সন্ধ্যা ৬টা,রাস্তায় দাঁড়িয়ে দু'টো কলা আর পানি দিয়ে ইফতারি সারলাম,তখনো জানিনা যন্ত্রণার মাত্র এই শুরু।
জনাবের আমদানি হলো আরো ১ ঘণ্টা পর,আর এসেই অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানালেন তিনিও আগে সেখানে যাননি,ঠিক কোথায় যেতে হবে বা সাইট টা ঠিক কোথায় হতে পারে তার সঠিক ধারণা নেই। ব্যাটা বলে কি? ধাতস্থ হয়ে বললাম,সাইটের লোককে ফোন দেন। দিল,সে ছোকরা জানালো,আগে ফেনীর টিকেট করে মহীপাল নামেন,তারপরে দেখা যাবে। এ-মাথা ও-মাথা ঘুরে টিকেট করলাম,বাস ছাড়লো সাড়ে সাতটায়। পথটা নির্বিঘ্নেই গেল,শুধু অন্ধকারে আম্মার দেয়া খাবার খেতে গিয়ে বুঝলাম আপনারে চিনতে পারলে অচেনারে কেমনে চেনা যাবে,অন্ধকারে নিজের হাত আর মুখের সংযোগ ঘটানো যে এত ঝক্কি সেটা লালনজী ছাড়া আর কে ভেবেছিলেন!
মহীপাল নামলাম,রাত তখন সাড়ে দশটা। ভাবলাম,রাতটা এখানেই থাকি। আমার বরাবরই মনে হতো আমার চেহারায় সন্দেহজনক কিছু আছে,সেটাকে সত্যি প্রমাণ করতেই কিনা,২-৩টা বোর্ডিং ঘুরেও 'সিট নেই' বাণী শুনতে হলো। দূর থাকবোই না এখানে,একটা বাস ছাড়ছিল,কই যাবে,সোনাপুর,আচ্ছা উঠে পড়া গেল। বাস তো সোনামুখ করে আমাদের রাত ১২টায় সোনাপুর নামিয়ে দিল,এখন সেখানে থেকে যেখানে সাইট সেই কবিরহাট কিভাবে যাই? সাথের জন জানালেন,না খেয়ে তিনি এখন স্বর্গেও যাবেন না। ভাল,হোটেলে ঢুকে নবাবী চালে ডিম-পরোটা অর্ডার দিলাম,সেখানেও ঝামেলা,ডিম নেই। সঙ্গী করুণ মুখ করে বললেন, এইটা একটা জায়গা হইলো যেইখানে ডিমই ভাজে না? দৃষ্টি দিয়ে ভস্ম করে দেয়ার একটা ব্যর্থ চেষ্টা করলাম,শ্যালক তোমার কারণে রাতটা রেলস্টেশনে কাটাতে হয় কিনা ঠিক নেই আর তুমি কিনা ডিম ভাজার শোকে কাতর!
কোনমতে সব্জি আর দারুণ লবনাক্ত পানি দিয়ে রাতের খাওয়াটা শেষ করলাম। এবার আশ্রয় খোঁজার পালা। সঙ্গী ভদ্রলোক বললেন,আসার পথে নাকি হোটেল দেখেছে। আমি ঠিক সেরকম কিছু মনে করতে পারলাম না কিন্তু করবোই বা কি,ভরসা করে হাঁটা দিলাম পেছন পানে। একটু পরেই যখন বাজারের আলো কমে গিয়ে পুরোপুরি অন্ধকার রাস্তা দিয়ে হাঁটা শুরু হলো তখন পুরোই নিশ্চিত হলাম এই লোক যা বলবে তার উল্টোটা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। বাসস্ট্যান্ডটা পাশ কাটিয়ে যাচ্ছি,শুনি কে যেন ডাক দিচ্ছে ও ভাই ঐদিক যাইয়ন ন ধরবোয়নে। তাকিয়ে দেখি, যা বাসে এসেছি সেটার হেলপার। বলে আহহারে মেওমান মানুষ,আইয়ন বোর্ডিং দেহাই দি। সঙ্গী আবারো মিনমিন করে বলার চেষ্টা করছিল ওদিকে হোটেল আছে,পাত্তা দিলাম না,দেয়ার সময়ও না,রাত বাজে ১টা। বাসওয়ালা দেখি আবার বাজারের দিকে হাঁটা দিল,স্বস্তি পেলাম।
হেলপার এসে বোর্ডিং নামের যে লম্বা টিনের বাড়িটার সামনে দাঁড় করিয়ে দিল,সেটা দেখে আমার সাথী বলে উঠলেন,এইটা দেখি "চিৎ-কাইত" বোর্ডিং! মানে কী?? মানে হলো,কোনমতে চিৎ হয়ে শোয়া যায় আর কাইত হয়ে বসা যায়। লম্বা ঘরটাতে পার্টিশন ওয়াল দিয়ে কয়েকটা ভাগে ভাগ করা হয়েছে,উপরে পাটির চালা, ৭ ফিট বাই ৬ ফিট রুমে (মেপে দেখেছি) দু'টো শিশুদের বিছানা পাতা, সোজা দরজা থেকে উঠতে হয়। ঢোকার সময় দেখি আমাদের সাথে একটা মোটাসোটা ব্যাংও লাফাতে লাফাতে ঢুকে গেল,বাধা দিলাম না, থাকুক, রাতটা ঠোলাদের হাতে নয়তো স্টেশনে কাটাতে হবে না আমি তাতেই খুশি।
মশারি টানিয়ে শুয়ে তো পড়লাম,ঘুম আসে না,চরম গরম। সেহরি পর্যন্ত ঘুমানো গেল না, একে তো গরম, আবার বোর্ডিংয়ের চাচা মিয়া খুবি কর্তব্যপরায়ন, সেহেরির সময় ডাকতে বলা হয়েছিল, তিনি ৩টা বাজতেই দুমদাম ধাক্কা দিয়ে তন্দ্রারও ১২টা বাজিয়ে দিলেন।শেষমেশ মশারি উঠিয়ে ফেললাম,আর উঠাতেই দেখি তোষকের নিচে থেকে বিশাল গোবদা কালো এক পোকা বের হচ্ছে,সাইজে ২টা তেলাপোকার চেয়ে বড় বৈ ছোট না। লাফিয়ে উঠে স্যান্ডলের বাড়ি দিয়ে ফেললাম বিছানা থেকে, সাথের জন জানালেন,গুবরে পোকা। কামড়ায়? জানি না। এরপরে ঘুম আসা কঠিন,কোনমতে সকালের জন্য অপেক্ষা।
সকাল হতে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম,উঠে রওনা দিলাম গন্তব্যের দিকে। সেটাও খুব সহজে গিয়েছিলাম তা না,কোথায় নামবো বলতে না পারায় ৩ রাস্তার মোড় ছেড়ে ১ মাইল দূরের আরেক মোড়ে নিয়ে ফেললো সিএনজিওয়ালা, সেখান থেকে টেম্পুর পাদানীতে ঝুলে সাইটে পৌঁছালাম। সারাদিন কঠিন খাটুনি এরপর,শেষে বিকালবেলা বাড়ি ফেরার রাস্তা ধরা। এবার আর ঝামেলা হলো না,সোজা এক বাস ধরে মহীপাল,সেখান থেকে শেয়ারের মাইক্রোবাসে ঢাকা। পথে ঘটনা বলতে শুধু জাতিসংঘের মার্কামারা একটা দাঁতাল (অ্যান্টেনা মনে হয় রেডিওর,আমার কাছে লাগে গণ্ডারের দাঁতের মত) জিপের সাথে বারবার আগুপিছু পাল্লা,গতির যে একটা নেশা আছে সেটা তখন টের পেলাম,কিছুতেই অন্যকে এগিয়ে যেতে দেয়া যাবে না,হোক সেটা জীবনের বিনিময়ে,নিজে মরে,নয়তো অন্য কাউকে মেরে। এই এগিয়ে থাকার নেশা থেকেই কি আমরা মানুষরা নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছি না?
[পুনশ্চ: মানুষ দেখি খালি দেশ-বিদেশ ঘুরে আর তা নিয়া রংচঙওয়ালা ব্লগ লিখে,আমার হাত,বা বলা ভালো,পা এত লম্বা না,তাতে কি,ভাবছি দেশেই কয়েকটা আউলা ঘুরান দিয়েছিলাম সেগুলো এখানে তুলে রাখবো। আর হ্যাঁ,আমার সঙ্গী ভদ্রলোক আমার সাথে ঢাকা ফেরেননি,তাকে সেখান থেকেই কোন এক চর এ পাঠানো হয়েছিল,কে জানে তিনি সেখানেও রাস্তা হাতড়ে বেড়াচ্ছেন কিনা,খোঁজ নিতে হবে]
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঘুরোঘুরি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
ভালই ঘুরলা আঙ্গো দেশের বাঁড়ি।
লেখক বলেছেন: হ,তয় আগে জানলে আঁন্নের বাড়িতই যাইতম।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
ভরমন কাহিনী তো জোসসস।আচ্ছা সিরিয়াস কোয়েস্চন চলনবিল টা কোথায়???
ভালোই তো আছি দেখি।
পরেরটার অপেক্ষায় রইলুম।
লেখক বলেছেন: ভালই আছি? দৌড়ায়া দেখেন কেমন লাগে![]()
চলনবিল কই জিগাইসিলাম পরীক্ষার পরে পোলাপানরে,কইলো নাটোর-নওগাঁর সীমান্তে।
ফিরাখ রাইয়ান সুহান বলেছেন:
চমৎকার অভিজ্ঞতা। ভাল্লাগছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
রুবেল শাহ বলেছেন:
আপনেরে সোজা মাইনাস.........আমার বাড়ির সামনে ঘুর ঘুর করে রাত দুইটা বাজে বোর্ডিং এর খোজ করেন........... আপনেরে কইছিলাম ফোন নাম্বার টা দেন। আপনি দেন নাই........ আপনের সন্দেহের তালিকায় নিলাম
- - - - - - - - - - -
লেখক বলেছেন: এমনিতেই সামোয়ারের ট্রাফিক লাইট মার্কা বিশ্বাস মিটার দেইখা একটু তব্দা খায়া আসি,আবার সন্দেহের তালিকায় নিলে কই যাই?![]()
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
চলনবিল পাবনা সীমান্তে? ঘরে বসে বসে শুধু গান শুনলে তো জ্ঞান এরকমই হবে।
নোয়াখালী গেলেন, খালে ডুব দেন নাই?
লেখক বলেছেন: ভাই আমার ভূগোলের জ্ঞান লজ্জাজনক রকমের খারাপ,কয়দিন আগেও আমি ভাবতাম অস্ট্রেলিয়া আমাদের গোলার্ধে![]()
সাইটের সামনে একটা খাল আছে দেখলাম,যে রোদ উঠে,ডুব দিতাম,সমস্যা হইলো সাঁতার জানি না![]()
ফেরারী পাখি বলেছেন:
বড়ই আফসুস। এত কষ্ট করনের লাইগ্যা। কিন্তুক ভরমন কাহিনী জোস্ হইলে।
লেখক বলেছেন: হ,তরাপরে গিয়া ৮ ঘণ্টা রোদে দাঁড়ায়া থাকা লাগসিলো![]()
লেখক বলেছেন: আমি মোটামুটি অপদার্থ টাইপের,সাঁতার জানি না এইটা অবশ্য হাত ফসকায়া লেইখা ফেললাম,খুবই লজ্জার কথা![]()
নুশেরা বলেছেন:
এমন নিদারুণ ভ্রমণের কী দারুণ বর্ণনা! ব্লগের ফেনী/নোয়াখালী বাসীদেরকে এতটু আওয়াজ দিয়ে গেলে লেখাটা বোধহয় একটু অন্যরকম হতে পারত...
লেখক বলেছেন: নিদারুণ ভ্রমণ? পারফেক্ট
ঘুরতে তো আসলে যাই নাই,গেছিলাম সাইটে,ভেবেছিলাম সোজা সেখানেই গিয়ে থাকবো,এইরকম হবে জানলে তো সোজা কারো ঠিকানা নিয়ে বাড়ি গিয়ে হামলা করতাম![]()
রুবেল শাহ বলেছেন:
আর কইয়েন না...........
লেখক বলেছেন: ![]()
বিবেক সত্যি বলেছেন:
ভয় লাগতেছে.. এত ঝক্কি.. এত পরিশ্রম করতে হলে তো মারা পড়বো... এমনিতে পারতপক্ষে বাসে উঠিনা...
লেখক বলেছেন: এইটা কোন পরিশ্রমই না,সিইএসডি তে যেসব পোলাপান কাজ করে,ওদের কথা শুনলে আমার মাঝে মাঝে অসুস্থ লাগে।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
আচ্ছা, নোয়াখালির পানি লবনাক্ত হওয়ার কি কারন থাকতে পারে... বুঝতার্লাম্না... পানিতে কি লবন মেশানো হয়, নাকি নোয়াখালি বঙ্গো উপসাগরের পাড়ে অবস্থিত..
লেখক বলেছেন: সাগরের খুব কাছাকাছি,সেইজন্যই।
লেখক বলেছেন: আপনে হইলেন ইবনে বতুতার বংশধর,ভ্রমণকারীদের পথপ্রদর্শক,আপনেরে দেইখা নিজের মাঝে আবার ঘুরাঘুরির ইচ্ছা চাগাড় দিসে
আরো ২-৩টা লেখা হবে,তেমন একটা ঘুরি নাই কিন্তু যতবার ঘুরসি প্রত্যেকটাই গ্যান্ঞ্জাম![]()
বাবুয়া বলেছেন:
পাঠকদের মন্তব্য এবং আপনার রিপ্লাই পড়ে মজা পেয়েছি..................।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, গুবরে পোকাটা দেখলে আরো মজা পাইতেন,চাইনিজগুলার উপযুক্ত খাদ্য![]()
পারভেজ বলেছেন:
নোয়াখালী নামে কোন শহর নাই? লেখক বলেছেন: ডিজিটাল ক্যামেরা নাই,কাজেই ছবি তুলতে পারি না
জয়েন করতে পারেন,তবে ৭-১০ মাস শুরুতে বেতন পাইবেন না,আমার বস(সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইন্ঞ্জিনিয়ার) এর ১৬ মাসের বেতন বাকি![]()
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন:
চলনবিলের খানিকটা অংশীদারীত্ব কিন্তু পাবনারও আছে । আমি স্বাক্ষী নেক্সট কবে যেতে বললো ?
লেখক বলেছেন: আমিও তাই জানতাম,এইজন্য লেইখা আসছি পাবনা-রাজশাহী সীমান্তে,কিন্তু সবাই কইলো নাটোর-নওগাঁ সীমান্তে হবে![]()
এইটা পয়লাবারের কাহিনী,পরেরবার এর মাঝেই ঘুরে আসছি।
লেখক বলেছেন: চরম খারাপ
নির্বাসিত বলেছেন:
একটানে পড়লাম লেখাটি। খুবই ভাল লেগেছে। অপেক্ষা করছি পরের পর্বের জন্য।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। এইবারেরটা নিরীহ ভ্রমণ ছিল, অন্যগুলিতে তো তো ১টা না ১টা ঝামেলা করেই আসতাম![]()
লেখক বলেছেন: চরম,আর ১০ ঘণ্টা যে রোদের মাঝে সাইটে খাড়ায়া ছিলাম ঐটা আর কইলাম না![]()
লেখক বলেছেন: দেশীরে ধন্যবাদ।![]()
মুকুল বলেছেন:
নোয়াখালীতে নোয়াখালী শহর নামে কোন শহর কেন নেই, তার উত্তর পাবেন এই পোস্টে:নদীগর্ভে বিলীন পুরনো শহর নোয়াখালী
লেখক বলেছেন: শহরটা তাইলে ছিল।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
মহাস্থানগড় তিস্তা নদীর পারে আর চলনবিল পাবনা সীমান্তে।আসলে এই শহর গুলো কোথায়?
লেখক বলেছেন: মহাস্থানগড় বগুড়াতে,করতোয়া নদীর পারে। (আমার এক বন্ধু উত্তরটা পেরেছিল,তার যুক্তি হল,বগুড়া থেকে করতোয়া নামে একটা পত্রিকা বের হয়,কাজেই বগুড়া নিশ্চয়ই করতোয়া নদীর পারেই হবে
)
আর চলন বিল নিয়ে কনফিউজড,ঐটা নাকি পাবনা রাজশাহী নাটোর নওগাঁ সবখানেই কিছু অংশ আছে।
আন্দালীব বলেছেন:
যাওনের আগে ব্লগে আওয়াজ দিলে এই ভোগান্তি কম হইতো মনে হয়। ব্লগে বহু নোয়াখালীর সিটিজেন ওনারা নিশ্চয়ই কিছু একটা করতেন..
লেখক বলেছেন: এই ভোগান্তি হইবো জানলে আওয়াজ দিয়া কারো বাড়িতে উইঠা পড়তাম,খালি বিস্কিট আর পানি খায়া থাকা লাগসে![]()
লেখক বলেছেন: হ,এইটা মনুষ্যজাতির পুরাতন স্বভাব![]()
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
নোয়াখালী আসলেন; কিছু না বলে চলে গেলেন?
লেখক বলেছেন: ব্লগ দেখি নোয়াখালী দিয়া সয়লাব,পরের বার গেলে মাইকিং করে যাওয়া লাগবে![]()
লেখক বলেছেন: হ,আগে জানলে ভালমন্দ খাওয়া যাইত![]()
আবু সালেহ বলেছেন:
নোয়াখালীর কোন জায়গায় গেছিলেন ???
যে এত করুন দশা.....চরের দিকে গেছিলেন নাকি???
আর সোনাপুর জায়য়ার জন্য তো বেশ কয়েকটা সরাসরি চেয়ার কোচ বাস সার্ভিস আছে ...যতটুকু জানি
লেখক বলেছেন: আগে জানলে তো সরাসরি বাসেই যাইতাম
গেসিলাম কবির হাট।
লেখক বলেছেন: হ,তবে এইরকম ভোগান্তি আমার বরাবরই হয়,ব্লাইন্ড ভ্রমণে বের হই বলে।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
মজা পাইছি। এইভাবেই আল্লাহ খুচরা পাপীদের শাস্তি দেয়; মানে, তাদের পাপ মোচনের সুযোগ দেয়। লেখক বলেছেন: হুম,শাস্তিটা মন্দ হয় নাই,এত সহজে পাপ মোচন হয়া গেলে অবশ্য ভালই বলা যায়।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পুরাই![]()
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
হমমমমমমমমমমম খুব ভালো
লেখক বলেছেন: দৌড়,দৌড়।
এক্কান হাছা কতা কই, এইরকম উলটা পালটা ঘোরাঘুরি গুলাই বেশী জোস, ওই সময় মেজাজ যদিও বিতং হইয়া থাকে।
লেখক বলেছেন: এইটায় ঘুরার সাথে কাজ ছিল কিনা,নাইলে মজা পাইতাম![]()
সৌম্য বলেছেন:
আপনারে গুরু মানলাম। দুর্দান্ত লিখছেন (হিংসায় জ্বলে পুরে যাইতেছি)
লেখক বলেছেন: লজ্জা পাইলাম।
দূরের যাত্রায় এইরম এক-আধটু অভিজ্ঞতা হওন বালা ! নাইলে 'অভিজ্ঞতা' অর্জিত হইবো ক্যামনে । তবে এই ভ্রমণ কাহিনীর মজাটা অন্যখানে ।
এই অধমও ওই পথে একই বিপদে পড়ছিলাম ।
বসুরহাট থেইকা কবির হাট পর্যন্ত একরাইতে হাঁইটা গেছিলাম । প্রায় তের মাইল পথ । এর আগের কাহিনী নাইবা বললাম । কবিরহাটে পৌছাইলাম যখন , তখন ফজরের আজান । গেসিলাম চিটাগাং থেকে বন্ধুর জরুরী কাজে । রাত বইলা ভ্রমণের সঙ্গি হইছিলাম ।
ভাগ্যিস, কবিরহাটে গিয়া বন্ধু তার পরিচিত এক ভাইরে ডাইকা তুলছিলো । বেচারার দোকান থেইকা কলা আর কচমচ বিস্কুট গলধকরণ না করলে সেই রাইতে খবর আছিলো !
লেখক বলেছেন: জলদি এই কাহিনী লেখেন,জনগণের কাজে লাগবে।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
লেখাটা আগেই পড়েছি, অনেক ভালো ও লেগেছে, মন্তব্য করা হয় নি।এমনি ছেলেটার কাজে মন বসে না তার উপর যদি এত ধকল হয়!
তবে অফিসে বসে ঝিমানোর চেয়ে তো মনে হয় এই চাকরী টাই ভাল নাকি ফারহান?
লেখক বলেছেন: একটু আলসে হয়ে গেছি,অফিসের হয়ে ঘুরা যায় যদি যাতায়াত টা ভাল হয়,নিজের পকেটের বিল দিয়ে লোকাল বাস ঠ্যাঙানোটা একটু কষ্টের। মনে হয় পরের সপ্তাহে আবার পাঠাতে পারে,ভয়ে আছি।

















