আমার প্রিয় পোস্ট

ঘুরোঘুরি ১: নোয়াখালী বিপর্যয়

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমার সবক'টা ঘুরাঘুরিই যে শেষমেশ কেন বিচিত্র রকমের একটা রূপ নেয় সেটা মাঝে মাঝেই ভাবি। সিলেট ঘুরতে গিয়ে ঝগড়া করে আলাদা হয়ে যাওয়া, হিমছড়িতে ঝামেলা, সেন্টমার্টিন্সে খাসি কেলেংকারি, আর এবারেরটা? মনে হয়, নোয়াখালি বিপর্যয় বলাই ঠিক হবে।

সিনিয়র ইন্ঞ্জিনিয়ার যখন জানালেন যে নোয়াখালিতে সাইট দেখতে যাওয়া লাগবে,বিশেষ গা করলাম না,শুধু বাসায় জানালাম, নোয়াখালী যাচ্ছি। আব্বার জিজ্ঞাসা,নোয়াখালীর কোথায়? বললাম, নোয়াখালী টাউনেই হবে। আব্বা খানিক তাকিয়ে থেকে জানালেন, বাংলাদেশে নোয়াখালী বলে কোন শহর নেই,এটাই জানো না আর তুমি দেশ ঘুরবা? প্রতিবাদ করলাম না,ভূগোল বাবদে যে আমি উঁচুদরের মূর্খ সে প্রমাণ দু'দিন আগেই রেখেছি,পরীক্ষার খাতায় লিখে এসেছি মহাস্থানগড় তিস্তা নদীর পারে আর চলনবিল পাবনা সীমান্তে।:(

যা হোক,আমার সাথে আরেকজন ডিপ্লোমা ইন্ঞ্জিনিয়ার যাচ্ছে,ভাবলাম সে ব্যাটার উপর দিয়েই চালিয়ে দেব ঝামেলা। রওনা দেবার কথা দুপুর ১২টায়, সায়েদাবাদ থেকে। ১১টায় যখন ফোন করলাম,সে লোক জানালো,বাড়ি থেকে আসছে,ফেরি পার হবার জন্য অপেক্ষা করছে এখন। এরপর ১ ঘণ্টা পরপর ফোন,আসছি আসবো বলে আর খবর নেই। অবশেষে জানালো সে ঢাকায়,বাসা থেকে বের হয়ে যখন সায়েদাবাদ পৌঁছালাম তখন সন্ধ্যা ৬টা,রাস্তায় দাঁড়িয়ে দু'টো কলা আর পানি দিয়ে ইফতারি সারলাম,তখনো জানিনা যন্ত্রণার মাত্র এই শুরু।

জনাবের আমদানি হলো আরো ১ ঘণ্টা পর,আর এসেই অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানালেন তিনিও আগে সেখানে যাননি,ঠিক কোথায় যেতে হবে বা সাইট টা ঠিক কোথায় হতে পারে তার সঠিক ধারণা নেই। ব্যাটা বলে কি? ধাতস্থ হয়ে বললাম,সাইটের লোককে ফোন দেন। দিল,সে ছোকরা জানালো,আগে ফেনীর টিকেট করে মহীপাল নামেন,তারপরে দেখা যাবে। এ-মাথা ও-মাথা ঘুরে টিকেট করলাম,বাস ছাড়লো সাড়ে সাতটায়। পথটা নির্বিঘ্নেই গেল,শুধু অন্ধকারে আম্মার দেয়া খাবার খেতে গিয়ে বুঝলাম আপনারে চিনতে পারলে অচেনারে কেমনে চেনা যাবে,অন্ধকারে নিজের হাত আর মুখের সংযোগ ঘটানো যে এত ঝক্কি সেটা লালনজী ছাড়া আর কে ভেবেছিলেন!

মহীপাল নামলাম,রাত তখন সাড়ে দশটা। ভাবলাম,রাতটা এখানেই থাকি। আমার বরাবরই মনে হতো আমার চেহারায় সন্দেহজনক কিছু আছে,সেটাকে সত্যি প্রমাণ করতেই কিনা,২-৩টা বোর্ডিং ঘুরেও 'সিট নেই' বাণী শুনতে হলো। দূর থাকবোই না এখানে,একটা বাস ছাড়ছিল,কই যাবে,সোনাপুর,আচ্ছা উঠে পড়া গেল। বাস তো সোনামুখ করে আমাদের রাত ১২টায় সোনাপুর নামিয়ে দিল,এখন সেখানে থেকে যেখানে সাইট সেই কবিরহাট কিভাবে যাই? সাথের জন জানালেন,না খেয়ে তিনি এখন স্বর্গেও যাবেন না। ভাল,হোটেলে ঢুকে নবাবী চালে ডিম-পরোটা অর্ডার দিলাম,সেখানেও ঝামেলা,ডিম নেই। সঙ্গী করুণ মুখ করে বললেন, এইটা একটা জায়গা হইলো যেইখানে ডিমই ভাজে না? দৃষ্টি দিয়ে ভস্ম করে দেয়ার একটা ব্যর্থ চেষ্টা করলাম,শ্যালক তোমার কারণে রাতটা রেলস্টেশনে কাটাতে হয় কিনা ঠিক নেই আর তুমি কিনা ডিম ভাজার শোকে কাতর!

কোনমতে সব্জি আর দারুণ লবনাক্ত পানি দিয়ে রাতের খাওয়াটা শেষ করলাম। এবার আশ্রয় খোঁজার পালা। সঙ্গী ভদ্রলোক বললেন,আসার পথে নাকি হোটেল দেখেছে। আমি ঠিক সেরকম কিছু মনে করতে পারলাম না কিন্তু করবোই বা কি,ভরসা করে হাঁটা দিলাম পেছন পানে। একটু পরেই যখন বাজারের আলো কমে গিয়ে পুরোপুরি অন্ধকার রাস্তা দিয়ে হাঁটা শুরু হলো তখন পুরোই নিশ্চিত হলাম এই লোক যা বলবে তার উল্টোটা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। বাসস্ট্যান্ডটা পাশ কাটিয়ে যাচ্ছি,শুনি কে যেন ডাক দিচ্ছে ও ভাই ঐদিক যাইয়ন ন ধরবোয়নে। তাকিয়ে দেখি, যা বাসে এসেছি সেটার হেলপার। বলে আহহারে মেওমান মানুষ,আইয়ন বোর্ডিং দেহাই দি। সঙ্গী আবারো মিনমিন করে বলার চেষ্টা করছিল ওদিকে হোটেল আছে,পাত্তা দিলাম না,দেয়ার সময়ও না,রাত বাজে ১টা। বাসওয়ালা দেখি আবার বাজারের দিকে হাঁটা দিল,স্বস্তি পেলাম।

হেলপার এসে বোর্ডিং নামের যে লম্বা টিনের বাড়িটার সামনে দাঁড় করিয়ে দিল,সেটা দেখে আমার সাথী বলে উঠলেন,এইটা দেখি "চিৎ-কাইত" বোর্ডিং! মানে কী?? মানে হলো,কোনমতে চিৎ হয়ে শোয়া যায় আর কাইত হয়ে বসা যায়। লম্বা ঘরটাতে পার্টিশন ওয়াল দিয়ে কয়েকটা ভাগে ভাগ করা হয়েছে,উপরে পাটির চালা, ৭ ফিট বাই ৬ ফিট রুমে (মেপে দেখেছি) দু'টো শিশুদের বিছানা পাতা, সোজা দরজা থেকে উঠতে হয়। ঢোকার সময় দেখি আমাদের সাথে একটা মোটাসোটা ব্যাংও লাফাতে লাফাতে ঢুকে গেল,বাধা দিলাম না, থাকুক, রাতটা ঠোলাদের হাতে নয়তো স্টেশনে কাটাতে হবে না আমি তাতেই খুশি।

মশারি টানিয়ে শুয়ে তো পড়লাম,ঘুম আসে না,চরম গরম। সেহরি পর্যন্ত ঘুমানো গেল না, একে তো গরম, আবার বোর্ডিংয়ের চাচা মিয়া খুবি কর্তব্যপরায়ন, সেহেরির সময় ডাকতে বলা হয়েছিল, তিনি ৩টা বাজতেই দুমদাম ধাক্কা দিয়ে তন্দ্রারও ১২টা বাজিয়ে দিলেন।শেষমেশ মশারি উঠিয়ে ফেললাম,আর উঠাতেই দেখি তোষকের নিচে থেকে বিশাল গোবদা কালো এক পোকা বের হচ্ছে,সাইজে ২টা তেলাপোকার চেয়ে বড় বৈ ছোট না। লাফিয়ে উঠে স্যান্ডলের বাড়ি দিয়ে ফেললাম বিছানা থেকে, সাথের জন জানালেন,গুবরে পোকা। কামড়ায়? জানি না। এরপরে ঘুম আসা কঠিন,কোনমতে সকালের জন্য অপেক্ষা।

সকাল হতে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম,উঠে রওনা দিলাম গন্তব্যের দিকে। সেটাও খুব সহজে গিয়েছিলাম তা না,কোথায় নামবো বলতে না পারায় ৩ রাস্তার মোড় ছেড়ে ১ মাইল দূরের আরেক মোড়ে নিয়ে ফেললো সিএনজিওয়ালা, সেখান থেকে টেম্পুর পাদানীতে ঝুলে সাইটে পৌঁছালাম। সারাদিন কঠিন খাটুনি এরপর,শেষে বিকালবেলা বাড়ি ফেরার রাস্তা ধরা। এবার আর ঝামেলা হলো না,সোজা এক বাস ধরে মহীপাল,সেখান থেকে শেয়ারের মাইক্রোবাসে ঢাকা। পথে ঘটনা বলতে শুধু জাতিসংঘের মার্কামারা একটা দাঁতাল (অ্যান্টেনা মনে হয় রেডিওর,আমার কাছে লাগে গণ্ডারের দাঁতের মত) জিপের সাথে বারবার আগুপিছু পাল্লা,গতির যে একটা নেশা আছে সেটা তখন টের পেলাম,কিছুতেই অন্যকে এগিয়ে যেতে দেয়া যাবে না,হোক সেটা জীবনের বিনিময়ে,নিজে মরে,নয়তো অন্য কাউকে মেরে। এই এগিয়ে থাকার নেশা থেকেই কি আমরা মানুষরা নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছি না?

[পুনশ্চ: মানুষ দেখি খালি দেশ-বিদেশ ঘুরে আর তা নিয়া রংচঙওয়ালা ব্লগ লিখে,আমার হাত,বা বলা ভালো,পা এত লম্বা না,তাতে কি,ভাবছি দেশেই কয়েকটা আউলা ঘুরান দিয়েছিলাম সেগুলো এখানে তুলে রাখবো। আর হ্যাঁ,আমার সঙ্গী ভদ্রলোক আমার সাথে ঢাকা ফেরেননি,তাকে সেখান থেকেই কোন এক চর এ পাঠানো হয়েছিল,কে জানে তিনি সেখানেও রাস্তা হাতড়ে বেড়াচ্ছেন কিনা,খোঁজ নিতে হবে]



 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঘুরোঘুরি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ৭০ টি মন্তব্য
  • ৩৮৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৭
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ভালই ঘুরলা আঙ্গো দেশের বাঁড়ি।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: হ,তয় আগে জানলে আঁন্নের বাড়িতই যাইতম।

২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৮
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: ভরমন কাহিনী তো জোসসস।:)
আচ্ছা সিরিয়াস কোয়েস্চন চলনবিল টা কোথায়???;)
ভালোই তো আছি দেখি।
পরেরটার অপেক্ষায় রইলুম।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৬

লেখক বলেছেন: ভালই আছি? দৌড়ায়া দেখেন কেমন লাগে:(
চলনবিল কই জিগাইসিলাম পরীক্ষার পরে পোলাপানরে,কইলো নাটোর-নওগাঁর সীমান্তে।

৩. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩২
comment by: ফিরাখ রাইয়ান সুহান বলেছেন: চমৎকার অভিজ্ঞতা। ভাল্লাগছে।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৪. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪০
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: আপনেরে সোজা মাইনাস.........

আমার বাড়ির সামনে ঘুর ঘুর করে রাত দুইটা বাজে বোর্ডিং এর খোজ করেন........... আপনেরে কইছিলাম ফোন নাম্বার টা দেন। আপনি দেন নাই........ আপনের সন্দেহের তালিকায় নিলাম

- - - - - - - - - - - :(
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৩

লেখক বলেছেন: এমনিতেই সামোয়ারের ট্রাফিক লাইট মার্কা বিশ্বাস মিটার দেইখা একটু তব্দা খায়া আসি,আবার সন্দেহের তালিকায় নিলে কই যাই?:(

৫. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১০
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: চলনবিল পাবনা সীমান্তে? :#)

ঘরে বসে বসে শুধু গান শুনলে তো জ্ঞান এরকমই হবে। ;)

নোয়াখালী গেলেন, খালে ডুব দেন নাই? :) মাজারে গেলে যেমন লোকে টাকা-পয়সা দেয়, নোয়াখালী গেলে যে কোন খালে ডুব দিতে হয়। :)
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: ভাই আমার ভূগোলের জ্ঞান লজ্জাজনক রকমের খারাপ,কয়দিন আগেও আমি ভাবতাম অস্ট্রেলিয়া আমাদের গোলার্ধে:(
সাইটের সামনে একটা খাল আছে দেখলাম,যে রোদ উঠে,ডুব দিতাম,সমস্যা হইলো সাঁতার জানি না:(

৬. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১২
comment by: ফেরারী পাখি বলেছেন: বড়ই আফসুস। এত কষ্ট করনের লাইগ্যা। কিন্তুক ভরমন কাহিনী জোস্ হইলে।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন: হ,তরাপরে গিয়া ৮ ঘণ্টা রোদে দাঁড়ায়া থাকা লাগসিলো:(

৭. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২০
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: সাঁতার ও জানেন না? :| :#)
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: আমি মোটামুটি অপদার্থ টাইপের,সাঁতার জানি না এইটা অবশ্য হাত ফসকায়া লেইখা ফেললাম,খুবই লজ্জার কথা:(

৮. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৭
comment by: নুশেরা বলেছেন: এমন নিদারুণ ভ্রমণের কী দারুণ বর্ণনা! ব্লগের ফেনী/নোয়াখালী বাসীদেরকে এতটু আওয়াজ দিয়ে গেলে লেখাটা বোধহয় একটু অন্যরকম হতে পারত...
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪০

লেখক বলেছেন: নিদারুণ ভ্রমণ? পারফেক্ট:( ঘুরতে তো আসলে যাই নাই,গেছিলাম সাইটে,ভেবেছিলাম সোজা সেখানেই গিয়ে থাকবো,এইরকম হবে জানলে তো সোজা কারো ঠিকানা নিয়ে বাড়ি গিয়ে হামলা করতাম:(

৯. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: আর কইয়েন না...........
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০৭

লেখক বলেছেন: :(

১০. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২০
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: ভয় লাগতেছে.. এত ঝক্কি.. এত পরিশ্রম করতে হলে তো মারা পড়বো... এমনিতে পারতপক্ষে বাসে উঠিনা...
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: এইটা কোন পরিশ্রমই না,সিইএসডি তে যেসব পোলাপান কাজ করে,ওদের কথা শুনলে আমার মাঝে মাঝে অসুস্থ লাগে।

১১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৩
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: আচ্ছা, নোয়াখালির পানি লবনাক্ত হওয়ার কি কারন থাকতে পারে... বুঝতার্লাম্না... পানিতে কি লবন মেশানো হয়, নাকি নোয়াখালি বঙ্গো উপসাগরের পাড়ে অবস্থিত..
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪০

লেখক বলেছেন: সাগরের খুব কাছাকাছি,সেইজন্যই।

১২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২১
comment by: তুষ।র বলেছেন: বড় লিখা পড়া টাফ। কিন্তু এ লিখায় কি যেন ছিল, খুব তাড়াতাড়ি পড়ে ফেলেছি!!!! এইরকম আরো ভ্রমন করেন আমরা ভাল লিখা পাই!
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনে হইলেন ইবনে বতুতার বংশধর,ভ্রমণকারীদের পথপ্রদর্শক,আপনেরে দেইখা নিজের মাঝে আবার ঘুরাঘুরির ইচ্ছা চাগাড় দিসে:) আরো ২-৩টা লেখা হবে,তেমন একটা ঘুরি নাই কিন্তু যতবার ঘুরসি প্রত্যেকটাই গ্যান্ঞ্জাম:(

১৩. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩০
comment by: বাবুয়া বলেছেন: পাঠকদের মন্তব্য এবং আপনার রিপ্লাই পড়ে মজা পেয়েছি..................।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, গুবরে পোকাটা দেখলে আরো মজা পাইতেন,চাইনিজগুলার উপযুক্ত খাদ্য:)

১৪. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
comment by: পারভেজ বলেছেন: নোয়াখালী নামে কোন শহর নাই? :( আমিও জানতাম না। লেখার গুণে তোমার কষ্ট টা ;) বুঝতে পারি নাই। সাথে ছবি থাকলে আরো ভাল লাগতো। চাকরী জীবনের শুরুর এই সব কষ্টই অনেক স্মৃতি হয়ে থাকবে। (অফটপিক: আজকে ডিডিসি র এড দেখলাম , আর্কিটেক্ট চায় ৭/১০ বছরের অভিজ্ঞতার, ভাবতেছি ঢু মারবো নাকি? ;) )
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: ডিজিটাল ক্যামেরা নাই,কাজেই ছবি তুলতে পারি না:(
জয়েন করতে পারেন,তবে ৭-১০ মাস শুরুতে বেতন পাইবেন না,আমার বস(সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইন্ঞ্জিনিয়ার) এর ১৬ মাসের বেতন বাকি:)

১৫. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৭
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চলনবিলের খানিকটা অংশীদারীত্ব কিন্তু পাবনারও আছে । আমি স্বাক্ষী

নেক্সট কবে যেতে বললো ?

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: আমিও তাই জানতাম,এইজন্য লেইখা আসছি পাবনা-রাজশাহী সীমান্তে,কিন্তু সবাই কইলো নাটোর-নওগাঁ সীমান্তে হবে:(
এইটা পয়লাবারের কাহিনী,পরেরবার এর মাঝেই ঘুরে আসছি।

১৬. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০১
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: চাকরি বাকরির তো সেই রকম খারাপ অবস্থা :(

ভ্রমন কাহিনী দুর্দান্ত :)
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: চরম খারাপ:(

১৭. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩
comment by: নির্বাসিত বলেছেন: একটানে পড়লাম লেখাটি। খুবই ভাল লেগেছে। অপেক্ষা করছি পরের পর্বের জন্য।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। এইবারেরটা নিরীহ ভ্রমণ ছিল, অন্যগুলিতে তো তো ১টা না ১টা ঝামেলা করেই আসতাম:(

১৮. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫০
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: খারাপ অবস্থা দেখি!:(
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: চরম,আর ১০ ঘণ্টা যে রোদের মাঝে সাইটে খাড়ায়া ছিলাম ঐটা আর কইলাম না:(

১৯. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯
comment by: দ্রগবা বলেছেন: প্লাসাইলাম।
ভালু লেকছুইন ভাইজান।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: দেশীরে ধন্যবাদ।:)

২০. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬
comment by: মুকুল বলেছেন: নোয়াখালীতে নোয়াখালী শহর নামে কোন শহর কেন নেই, তার উত্তর পাবেন এই পোস্টে:

নদীগর্ভে বিলীন পুরনো শহর নোয়াখালী
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন: শহরটা তাইলে ছিল।

২১. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: মহাস্থানগড় তিস্তা নদীর পারে আর চলনবিল পাবনা সীমান্তে।

আসলে এই শহর গুলো কোথায়?
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: মহাস্থানগড় বগুড়াতে,করতোয়া নদীর পারে। (আমার এক বন্ধু উত্তরটা পেরেছিল,তার যুক্তি হল,বগুড়া থেকে করতোয়া নামে একটা পত্রিকা বের হয়,কাজেই বগুড়া নিশ্চয়ই করতোয়া নদীর পারেই হবে:))
আর চলন বিল নিয়ে কনফিউজড,ঐটা নাকি পাবনা রাজশাহী নাটোর নওগাঁ সবখানেই কিছু অংশ আছে।

২২. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
comment by: আন্দালীব বলেছেন: যাওনের আগে ব্লগে আওয়াজ দিলে এই ভোগান্তি কম হইতো মনে হয়। ব্লগে বহু নোয়াখালীর সিটিজেন :) আছে।

ওনারা নিশ্চয়ই কিছু একটা করতেন..
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: এই ভোগান্তি হইবো জানলে আওয়াজ দিয়া কারো বাড়িতে উইঠা পড়তাম,খালি বিস্কিট আর পানি খায়া থাকা লাগসে:(

২৩. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯
comment by: মানুষ বলেছেন: আপনার কষ্টের কথা পড়ে বড়ই আনন্দ পেলাম
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: হ,এইটা মনুষ্যজাতির পুরাতন স্বভাব:(

২৪. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২
comment by: প্রণব আচার্য্য বলেছেন: নোয়াখালী আসলেন; কিছু না বলে চলে গেলেন?
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৮

লেখক বলেছেন: ব্লগ দেখি নোয়াখালী দিয়া সয়লাব,পরের বার গেলে মাইকিং করে যাওয়া লাগবে:)

২৫. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১১
comment by: রাতিফ বলেছেন: আমাদের দেশের বাড়ি ভ্রমন তাইলে আপনার লেইগা খুব একটা সুখকর হইলো না:(
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: হ,আগে জানলে ভালমন্দ খাওয়া যাইত:(

২৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৭
comment by: আবু সালেহ বলেছেন:
নোয়াখালীর কোন জায়গায় গেছিলেন ???

যে এত করুন দশা.....চরের দিকে গেছিলেন নাকি???

আর সোনাপুর জায়য়ার জন্য তো বেশ কয়েকটা সরাসরি চেয়ার কোচ বাস সার্ভিস আছে ...যতটুকু জানি
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: আগে জানলে তো সরাসরি বাসেই যাইতাম:( গেসিলাম কবির হাট।

২৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৬
comment by: আবু সালেহ বলেছেন:

জানা না থাকলে এমনি হয়......
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: হ,তবে এইরকম ভোগান্তি আমার বরাবরই হয়,ব্লাইন্ড ভ্রমণে বের হই বলে।

২৮. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৩৯
comment by: মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: মজা পাইছি। এইভাবেই আল্লাহ খুচরা পাপীদের শাস্তি দেয়; মানে, তাদের পাপ মোচনের সুযোগ দেয়। ;)
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: হুম,শাস্তিটা মন্দ হয় নাই,এত সহজে পাপ মোচন হয়া গেলে অবশ্য ভালই বলা যায়।

২৯. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২
comment by: তাহসিন আহমেদ বলেছেন: খুব মজার লেখা।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৫
comment by: এম্নিতেই বলেছেন: আহারে :(
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: পুরাই:(

৩১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: হমমমমমমমমমমম খুব ভালো
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: দৌড়,দৌড়।

৩২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৯
comment by: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এক্কান হাছা কতা কই, এইরকম উলটা পালটা ঘোরাঘুরি গুলাই বেশী জোস, ওই সময় মেজাজ যদিও বিতং হইয়া থাকে।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: এইটায় ঘুরার সাথে কাজ ছিল কিনা,নাইলে মজা পাইতাম:(

৩৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩
comment by: সৌম্য বলেছেন: আপনারে গুরু মানলাম। দুর্দান্ত লিখছেন (হিংসায় জ্বলে পুরে যাইতেছি)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: লজ্জা পাইলাম।

৩৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৪৩
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
দূরের যাত্রায় এইরম এক-আধটু অভিজ্ঞতা হওন বালা ! নাইলে 'অভিজ্ঞতা' অর্জিত হইবো ক্যামনে । তবে এই ভ্রমণ কাহিনীর মজাটা অন্যখানে ।

এই অধমও ওই পথে একই বিপদে পড়ছিলাম ।
বসুরহাট থেইকা কবির হাট পর্যন্ত একরাইতে হাঁইটা গেছিলাম । প্রায় তের মাইল পথ । এর আগের কাহিনী নাইবা বললাম । কবিরহাটে পৌছাইলাম যখন , তখন ফজরের আজান । গেসিলাম চিটাগাং থেকে বন্ধুর জরুরী কাজে । রাত বইলা ভ্রমণের সঙ্গি হইছিলাম ।

ভাগ্যিস, কবিরহাটে গিয়া বন্ধু তার পরিচিত এক ভাইরে ডাইকা তুলছিলো । বেচারার দোকান থেইকা কলা আর কচমচ বিস্কুট গলধকরণ না করলে সেই রাইতে খবর আছিলো ! :)
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: জলদি এই কাহিনী লেখেন,জনগণের কাজে লাগবে।

৩৫. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০২
comment by: শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: লেখাটা আগেই পড়েছি, অনেক ভালো ও লেগেছে, মন্তব্য করা হয় নি।

এমনি ছেলেটার কাজে মন বসে না তার উপর যদি এত ধকল হয়!

তবে অফিসে বসে ঝিমানোর চেয়ে তো মনে হয় এই চাকরী টাই ভাল নাকি ফারহান?
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: একটু আলসে হয়ে গেছি,অফিসের হয়ে ঘুরা যায় যদি যাতায়াত টা ভাল হয়,নিজের পকেটের বিল দিয়ে লোকাল বাস ঠ্যাঙানোটা একটু কষ্টের। মনে হয় পরের সপ্তাহে আবার পাঠাতে পারে,ভয়ে আছি।

 

 


খুব সাধারণ মানুষ ..এখনো বেকার,পড়ছি পুরকৌশল এ। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৭০২৬৪