আমার প্রিয় পোস্ট
- বিবিসির অসাধারণ একটি ডকুমেন্টারিঃ সেরা সাই-ফাইও হার মানবে - বিডি আইডল
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ট্রেকিং, ব্যাগ পেকিং আর হাইকিং, এডভেঞ্চারের সাথে মিশে যান প্রকৃতির সাথে - সৌম্য
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫০ (যা চেয়েছি, যা পাবো না --সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- হার-জিত - আশরাফ মাহমুদ
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- সন্ধ্যা ৪ - মাহবুব মোর্শেদ
- সাংবাদিকতার গায়ে 'হলুদ' - ফয়সল
- আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে... - আস্তমেয়ে
- গুগল কথন - ৪ : ব্রিন আর পেইজের কথা - রাগিব
- হারিকেন - দ্য ডিভাইন উইন্ড (৩) - তানভীর
- ঢাকা, মৃতের শহর । । ঢাকা, সিটি অব দ্যা ডেড । । টাইম ম্যাগাজিন। সোমবার, মে ৩, ১৯৭১ - এহহামিদা
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- : আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ : - নজমুল আলবাব
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
গানের জীবন ১ : খাপছাড়া গানের মাপছাড়া কথা
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:০১
[আজকাল ব্লগে গান নিয়ে বেশ হইহল্লা হচ্ছে,দেখে মনে হলো গানমূর্খ হয়েও কিছু লিখে ফেলি। তবে খাপছাড়া অগভীর মানুষ বলেই কিনা, খাপছাড়া গান,যেগুলোকে ঠিক কোন দলেই ফেলা যাবেনা,সেগুলোই মাথায় চলে এলো,কাজেই একজায়গায় জড়ো করে ফেললাম]
বাংলা গানের মাঝে ইদানিংকার জীবনমুখী গান বাদে বিষয়বিচিত্রিতা একটু কম বলেই আমার ধারণা। রোমান্টিক,প্রেমের গান,প্রকৃতি,আধ্যাত্মবাদ,ঘুরেফিরে এই চলে এসেছে সেই রবিবুড়োর আমল থেকে,এখনো এগুলোর প্রাধান্যই বেশি। যদিও নচিকেতার পথ ধরে সুমন চট্যোপাধ্যায় আর অন্ঞ্জন কে অনুসরণ করে জীবনমুখী একটা গানের ধারা শুরু হয়েছে,কিন্তু সেটা তাদের পরে খুব বেশি প্রভাববিস্তারী হয়েছে বলে মনে হয়না,বরং এখনো "হিট" গানের তালিকায় সনাতন ধারার গানই প্রায় সব। আবার জীবনমুখী গানের বিষয়ের মাঝেও ক্ষোভ আর হাহাকারটাই বেশি,সুমন বা অন্ঞ্জনের পর কারোটা সেরকম নতুনও মনে হয়নি। অফস্প্রিংয়ের "মাই ফ্রেন্ড'স গট আ গার্লফ্রেন্ড অ্যান্ড হি হেটস দ্যাট বিচ" এই জাতীয় ভাষা বা বিষয় নিয়ে গান লিখলে আমাদের হজম হবে বলে মনে হয়না,বা ভ্যান হেলেনের "জাম্প জাম্প",বা পিংক ফ্লয়েডের "উই ডোন্ট নিড নো এজুকেশান" ধরণের গান এখনো দুর্লভ,বা শুধুই মজা করার জন্য গান,সে-ও তেমন দেখা যায় না বাংলাতে।
তবে,বলেছি তেমন দেখা যায়না,একদমই যে নেই তা-ও না,লেখাটা লিখতে লিখতেই মনে পড়লো বেশ কিছু "অফ দ্য ট্র্যাক" গানের কথা,কি কথায় কি সুরে একদম আলাদা,আমি বলবো,মজার। কখনো জীবনমুখী,কখনো শুধুই হাস্যমুখী,কখনো চটুল,কিন্তু সব মিলিয়ে একদম "অফ দ্য ট্র্যাক",খাপছাড়া,অন্য গানগুলোর সাথে মেলানো কঠিন,বোদ্ধারা এগুলোতে নাক সিঁটকাবেন,সন্দেহ নেই।
এমন খাপছাড়া গানের কথা ভাবলে প্রথমেই মনে ভাসে একদমই ছোটবেলায় নানাবাড়ির সাদা-কালো টিভিতে দেখা গুরু আজম খানের "আলাল ও দুলাল" এর কথা। গ্রামের আইল ধরে এক ছাগলদাড়ি সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছেন, তার দুই সুপুত্তুর দু'দিকে ভোঁ দৌড় ধরেছে,আর ব্যাকগ্রাউন্ডে হেঁড়ে গলায় গুরু গান ধরেছেন--
"আলাল ও দুলাল,আলাল ও দুলাল,
তাদের বাবা হাজ্বী চান,
চান খাঁর পুলে প্যাডেল মেরে পৌঁছে বাড়ি।"
গুরুর হেঁড়ে গলার পরই যার কথা মনে পড়ছে সে চাইমের খালিদ,সেসময় একটা গান বেশ মজার ছিল,সেটাও ঐ সাদাকালো টিভিতে দেখা,তখন আমাদের টিভি ছিল না,নানাবাড়ি গেলে টিভি দেখার কপাল মিলতো। তো দেখি একপাল লোকজন(তখনো ব্যান্ডের ধারণাটা নতুন) ঘটিবাটি নিয়ে হাহাকার করছে--
"ও.. ও.....আমার হাঁসের ছাও রে..
কাউয়ায় নেয় নাই, চিলে নেয় নাই,
নিছে মরার গুইলে রে
ও আমার হাঁসের ছাও রে!!"
গানটা অনেক খুঁজেছি পরে,পাইনি,কারো কাছে হবে কি?
একটু অন্যরকম গান করার ঝোঁকটা মনে হয় তখন শুধু চাইমেরই ছিল,হাঁসের ছাও ছেড়ে এরপর তারা পড়লো "জগানন্দন" কে নিয়ে। মজার সুরে হলেও,ভেতরটা করুণ,খুঁজলে নির্মম রূপটা পাওয়া যায় সহজেই,যখন খালিদ গেয়ে ওঠে--
"জয় জগানন্দন,ঘটিবাটি বন্ধন,পয়সা নাই তার করব কি?
ট্যারা কচুর পাতা,টাকি মাছের মাথা,মসল্লা নাই তাতে হইসে কি?"
এখনো এই দেশের অর্ধেক বা তারো বেশি লোক হয়তো এই জগানন্দের মতই,যাদের--"অভাবের সংসার,পোলামাইয়ার হাহাকার,
ঘরবাড়ি ছাইড়া ভাগবো নি?"
তবে,আমার বাচ্চাকালে যখন পত্রিকা মাত্র পড়তে শিখেছি,হঠাৎ করেই এক ভণ্ড পীরসাহেব বেশ "হিট" হয়ে গেলেন। ধরা খেলেন পাবলিকের হাতে,বেয়াদব জনতা পীরবাবাকে রামধোলাই দিয়ে থানায় পাঠালো, এদিকে অবসকিউরের টিপু লিখে গেয়ে ফেললো ভণ্ডবাবার গান--
"কলিকালের ভণ্ডবাবা খাজা বাবার নাম ভাঙায়া
ধর্মটারে ল্যাং মারিয়া ভাঁওতাবাজির এমডি সাজে।"
সেদিন হঠাৎ করেই পাশের বাসার ছাদে দেখি কে যেন মোবাইলে বাজাচ্ছে গানটা,আপনমনেই অনেকক্ষণ হাসতে হলো। আহা, আরো কত রাজনৈতিক বামনৈতিক ভদ্রবেশী ভণ্ডবাবা আমাদের চারপাশে স্যুটকোট কালোচশমা পেঙ্গুইন কোটে ঘুরে বেড়াচ্ছে,কিন্তু তাদের নিয়ে গান বাঁধার সাহস এখন আমাদের কোথায়?
অবশ্য এসব রাজনৈতিক ভণ্ডবাবাদের ল্যাং মারার চেষ্টা একেবারে যে কেউ করেনি সেটা বলা যাবে না। অবসকিউরেরই প্রায় সমসাময়িক ব্যান্ড ডিফারেন্ট টাচ,তখন শ্রাবনের মেঘগুলো গেয়ে বেশ
তোলপাড়,কিন্তু অনেকের স্মৃতিতে রাজনীতি গানটাও বেশ ভাল জায়গা করে থাকার কথা,কিভাবে--
"হালজামানার রাজনীতি ভাই করতাসি যে আমরা সবাই,
পিছন পকেট সদাই গরম গলাবাজির আছে যে সাঁই,
এ মন হায়,একবার দুইবার নেতা হইতে চায়,
হুনসি নাকি নেতারা সব অ্যারকন্ডিশান খায়।"
তারপরেও আমাদের শিক্ষা হয় না,নেতার চাঁদবদন দেখে আমাদের শান্তি,যদিও আমরা জানি--
"বাইরে গরম চলতে আছে সেইখানে স্যার নাই,
মরলে মরবো যুবকরা সব,আর মরলে টোকাই।"
খাপছাড়া গানের ওস্তাদ মানি অবশ্য মাকসুদকে,ফিডব্যাক,আর ঢাকার মাকসুদ। অতিবিশুদ্ধবাদী রবীন্দ্রপ্রেমীরা যতই তাঁর নিরীক্ষা নিয়ে ছাল তোলার দাবী করুক,মাকসুদের আগুনে কথা আর ব্যতিক্রমী
গানের আবেদন তাতে কমে যায় না। ভণ্ড সুশীলদের ধোলাই দিয়ে তখনই মাকসুদ গেয়েছিলেন--
"হেরোইনের ব্যবসা করে তুমি পুরিয়া ওড়াচ্ছো মানবতার,
আর তেজষ্ক্রিয় দুধ আমদানি করে গড়ে তুলছো কালো টাকার পাহাড়।
তবে সন্ধ্যে এলে শুদ্ধ সংগীতের আসরে তুমি হুইস্কি সেবন কর।
এযুগের পাদুকা এযুগের প্রসাধনী এযুগের বড় কথা এযুগের হয়রানী,
তুমি যুগের দোহাই দিয়ে সেমিনারে লেকচারে নাক সিঁটকিয়ে বলো
বন্ধ কর এই অশ্লীল ব্যান্ডবাণী।"
গা জ্বালানো কথা বটে। তবে এখানেই শেষ নয়--
"এরপর যদি কেউ চাপাবাজী করে,ঢাকার ছেলেরা চিৎকার করে বলে,
ধন্যবাদ,ভালো দিয়া গেলেন,ধন্যবাদ,ভালোই দিয়া গ
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গান ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গানের জীবন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
চিকনমিয়া বলেছেন:
বিরাট এনালাইসিসরে
লেখক বলেছেন: হেহে,কাজের সময় টাইম নষ্ট করতে ভাল্লাগে ![]()
লেখক বলেছেন: মানুষ সামাজিক জীব,চারপাশ দ্বারা প্রভাবিত হয়। তাছাড়া কিন্ঞ্চিৎ "উঁ" পরিস্থিতিতে আছি,রাজনৈতিক আলোচনা করলে জীবনসংশয় আছে![]()
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
আপনে শুধু জেলখানার বন্দীত্ব দেখে উদাস হন.. আর, আমি সাথে করে এ.বি-এর "সে তারাভরা রাতে.." তাকে না বোঝাতে পারার অক্ষমতা নিয়ে ক্লান্ত পায়ে পথ হাঁটি।"মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একা লাগে" আর, ভাবি, এখনো তো দেশেই আছি.. তাই অনেকের মনের আর্তনাদ মনে বাজে, "এই দূর পরবাসে তারাগুণে আকাশে আকাশে/ কাটে নি:সঙ্গ রাত্রিগুলো.."
শহুরে জীবন আমাদেরকে একাকী করে দেয়, তবু, একটু শান্তি খুঁজে ফিরি আমি সতীনাথের "মরমীয়া, তুমি চলে গেলে দরদীয়া আমার কোথা পাব.."
++++
লেখক বলেছেন: এবি'র কথা মনে করায়া ভাল করলা,আমার মত বেকারদের জন্য একটা পারফেক্ট গান আছে তার--
"শুখতলি ক্ষয়ে গেছে,ছিঁড়ে গেছে জামা,
একটা চাকরি হবে,চাঁদ মামা?" ![]()
খাপছাড়া গানের লিষ্টে আসতে পারে
"নাতি খাতি বেলা গেলো শুতি পারলাম না"
সোলসের "আইজ্জা পাগল মন রে"
জেমসের "মান্নান মিয়ার তিতাস মলম"
~~~
লেখক বলেছেন: "নাতি খাতি বেলা গেলো শুতি পারলাম না,ওরে সদরুদ্দির মা"-- ওহ,সেইরকম হিট গান আছিলো ভাই![]()
জেমসের আরেকটা মনে পড়লো,একদম আগুন ধরানো গান--
"আজগর মাতবর,গতবার ছেড়েছি,ছাড়বো না এবার,![]()
বাংলার লাঠিয়াল,বাংলার লাঠিয়াল,বাংলার লাঠিয়াল।"
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
বিষয়বস্তু দেখেই প্লাসাইলাম, হেব্বি ক্ষুধা লাগছে...প্লাস ঘুমাতে যাবো...আপাতত: শোকেসে...পড়ে পরে কমেন্টাবো..লেখক বলেছেন: হেহে,ধন্যবাদ। সুমনের হাউজদ্যাট গানটা আপ্নের কাছে থাকলে একটু ডাউনলোড লিংকটা দিলে উপকৃত হইতাম![]()
লেখক বলেছেন: হেহে,তাইলে কইতেই হয় ক্লাস ৪ এ থাকতেই বাংলাদেশের যুবকদের হালচাল বুইঝা গেসিলা![]()
আশিক মাসুম বলেছেন:
পড়লাম...।পইড়া ফিটখাওয়ার যোগার....এই বিশাল কাহিনি কেমনে পড়লাম...!?....তয় ভালাই হইছে..পেলাস....
লেখক বলেছেন: আপনের ধৈর্য্য আসে
অনেক ধন্যবাদ![]()
নুশেরা বলেছেন:
চমৎকার লেখা! ডিজুস জমানার গানগুলা তাইলে এইরকম!?[গান নিয়া হৈহল্লা করে কে!
আমার সিরিজটার পরের পর্বে লিখা দিমু "বাকী অংশ ফারহানের ব্লগে পাওয়া যাবে"
লেখক বলেছেন: ডিজুস জামানার গান নিয়া আলাদা লেখা হইতে পারে, তবে সেইটারে পোস্ট না বইলা পু্স্ট বলাই ভালো হইবো,নির্ভর করে আপনের ধৈর্য্য কত বেশি তার উপর,আমি তো ২-১ টা নমুনা দিসি![]()
হেহে,ঐসব ফাঁকিবাজি বাদ দেন,আপনার গানের খোঁজ যে আমারে দিয়া হইবো না সেইটা ২ দিন ব্লগে আসা পোলাপানও জানে,কাজেই এইভাবে আমারে সাইজ দিবার পারবেন না![]()
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
আরে সাঙ্ঘাতিক লাগল। গান বিষয়ক পোস্ট আমার সবসময়ই ভাল লাগে।
আর সুখপাঠ্য হলে তো কথাই নেই।
ভাল হইসে।
তয়, মামুনিয়া যতবার শুনছি বিরক্ত লাগছে।
মামুনিয়া বাদে বাকি সব ঠিক।
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পছন্দের একটু এইদিক ঐদিক তো হবেই,ব্যাপার না।
চাইম আর সোলস এর গান খুব শুনতাম।
নস্টালজিয়া মনে হয় মাঝে মাঝে সবাইকে আক্রমণ করে বসে।
লেখক বলেছেন: চাইমের গান গুলি একটু অন্য টাইপের ছিল,ভাল লাগতো শুনতে,আর সোলস তো একটা ইতিহাস,লিখতে গেলে অনেক বড় হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ![]()
লেখক বলেছেন: ব্যান্ডগুলা তাও আছে,একেকটা একে ধারায় চলে,কিন্তু ডিজে গুলা যা করে ঐটারে গান না বইলা গুল্লি বলাই ভালো,শুনলে মনে হয় গেলুম গেলুম![]()
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
গানগুলো ভিন্ন বলেই মনে ছিল। এখন আবার মনে পড়ে গেল। আমার কাছে এখনকার ব্যাণ্ডের কিছু কিছু গান, অর্ণবের কয়েকটা (লুকোচুরি, বাক্সে বাক্সে) বেশ ভিন্ন মনে হয়। সেগুলোর কথাও বলতে পারতে। এখনকার ডিজুস একটা ঢেউ/ফেইজ। এগুলো কেটে যাবে, বেশি চিন্তা করো না।
লেখক বলেছেন: অর্নবের গান গুলো আলাদাভাবে রাখা যায়,একদম মন শান্ত করা গান,আমার খুব প্রিয় কয়েকটা গানও আছে।এখানে অনেকটা গতিময় গানের দিকে,একদমই ক্যাটাগরি ছাড়া গানের দিকে নজর দিয়েছিলাম।
ডিজুস ঢেউ কাটলেই ভাল,এদের গান হজম করার শক্তি আমার হয় নাই,শুরু করলো তুম টারারারারারা ঝ্যান ঝ্যান দিয়া,তারপরে খানিক হাউকাউ ইংলিশ মাইরা তারপরে কইলো শুকনো পাতার নূপুর পায়ে,তারপর আবার খানিক চিয়াও ঢিয়াও চ্যাং ব্যাং,তারপরে জলতরঙ্গের ঝিলিমিলি ঝিলিমিলি এবং আবার খচর মচর করে বিচিত্র সাউন্ড। মনে হয়না আমার এই জীবনে হজম হবে।
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
আরে নতুন জামানার কথা যখন তুললেন তখন শিরোনামহীন, আর্টসেল, অর্থহীন আর ওয়ার্ফেইজ যাদের জনপ্রিয়তা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ খুবই কম - তাদের নিয়ে বলতে পারতেন। মামুনিয়ারা বেঁচে থাকুক আর তাদের হাবু ছেলেদের মাথায় বুদ্ধিশুদ্ধি হোব। প্লাসাইলাম।
লেখক বলেছেন: শিরোনামহীন, আর্টসেল, অর্থহীন আর ওয়ার্ফেইজ তো গান গায়রে ভাই,হাল জামানর মিলা তিশমাগো লগে ফালায়া ওদের অপমান করা কি ঠিক?![]()
অদ্রোহ বলেছেন:
জব্বর লিখেছেন ফারহান ভাই,তবে হাল জমানায় আমি তুমির খপ্পরে পড়ে কত গান যে মাঠে মারা যায় ,ভাবতে আফসোস লাগে(এক্ষেত্রে আমাদের দেশের একজন স্বনামধন্য লেখক বলেছেন: সেই গাতকের ২-১ টা গান জাতি শুনতে চায়![]()
তোমার কমেন্ট দেখলে কিন্তু আন্ডারগ্রাউন্ড পার্টি দৌড়ানি দিবে![]()
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
ডিজুস গানগুলা নিয়া আমার বলার কিছুই নাই। হিপ হপ ধাঁচের গান কখনোই ভালো লাগে নাই। আর সত্যি কথা বলতে বাংলার সাথে এইগুলা যায় না। ডিজুস বালগুলারে ধইরা জুতানো উচিত। আর মিলা তিশমারে একেবারে ইংরাজী গান গাইতে দিলেই হয়।
লেখক বলেছেন: মিলা তিশমারে ইংরেজি গান গাইতে দিলে মনে হয় ঐগুলারেও পচায়া ফেলবে,এইগুলা হইলো বাদুর টাইপ,না পাখি না জানোয়ার। উদ্ভট বাংলার লগে তারচেয়ে উদ্ভট ইংলিশ আর লগে ডিজের যন্তরটা নিয়া একটু ঘষাঘষি,ব্যস গান হয়া গেল।![]()
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
ইভা ভাবি আলোচনা থেকে বাদ যাচ্ছে কেন? এটিএন এর জন্মদিন হোক, আর একাত্তরের স্মৃতিচারণ বা খুদে গানরাজ সবজায়গায় তার সুরেলা(?) সরব উপস্থিতি আমাদের চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। আর শাহ আবদুর করিম আর কাঙালিনী সুফিয়ার মতো আনট্যালেন্টেড গাতকেরা গান আর খাদ্যের অভাবে মারা যায়
লেখক বলেছেন: হেহেহে,ইভা ভাবির গান নিয়া সমস্যা কি,যতজনরে জিগাইসি সবাই কইসে তারা নাকি সাউন্ড অফ কইরা তার গান দেখে
কাজেই তিনি যে কি গান সেইটা কেউ আমারে জানাইতে পারে নাই। আর এটিএন বাংলা বিড়ির চ্যানেল হিসাবে দেখসিলাম সেই ছোটকালে,এখনো নামটা শুনলেই নাসির বিড়ির বিজ্ঞাপনটা চোখে ভাসে তাই চ্যানেলটা খোলা হয়না
কেউ যদি এই মহান গায়িকার ২-১ টা গানের কথা দিবার পারেন তো অধমের জ্ঞান বাড়ে![]()
অদ্রোহ বলেছেন:
গাতকের কথা আর কি কমু,লালন হাসনের মত তিনি নাকি স্বশিক্ষিত গাতক,মানে সর্বেসর্বা আর কিলেখক বলেছেন: মাহফুজ সাব বুড়া বয়সে একটা বউ পাইসে,একটু রঙ লাগবারই পারে,তারে জ্বালাও ক্যান? ![]()
একখান আন্ডারগ্রাউন্ড প্রেমের গান বানাইসিলাম,শিরোনাম "হাইড্রার হাসি",কারে দেয়া যায় ভাবতাসি--
"''দুঃস্বপ্নের মাঝে দেখি কংকালের হাড়,গোরস্তানের শূন্য করোটিতে তোমার হাসিমুখ।" ধুম ধাম গররররররর হুম খাঊঊঊঊ গরররররর(ড্রামস অ্যান্ড আউলাঝাউলা গীটার)
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
সবগুলি গানকেই প্লাস। খুব ভালো এনলাইসিস করেছেন। খুব ভালো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য![]()
অদ্রোহ বলেছেন:
এরা যতক্ষণ পর্যন্ত ইংলিশ ব্যান্ডগুলা কভার করে ততক্ষণ মোটামুটি ঠিকই আছে,কারণ বেশ কিছু আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড আসলেই দারুণ বাজায়।কিন্তু যেই বাংলায় গান গায়,তখন আর মনেই রাখেনা যে সব লিরিকের সাথে সব কম্পোজিশন যায়না।আর যেসব স্লো রক আর মেলোরক হচ্ছে সেগুলোর প্রধান দুর্বলতা হল তাদের লিরিকের গতানুগতিকতা।
লেখক বলেছেন: একমত। ভালো বাজায়,তবে লিরিকটা দেখে কিনা সন্দেহ।
নম্রতা বলেছেন:
গান নিয়ে ভাবনা ভাল লাগলো !+
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ![]()
তনুজা বলেছেন:
অনেকগুলো জানা অজানা লিরিকের গল্প করলে, ধন্যবাদ ছোট্ট একটা উষ্মা রেখে গেলাম - একটা লাইনের একটা শব্দের বিপরীতে -----'আহা,আরো কত রাজনৈতিক বামনৈতিক ভদ্রবেশী ভণ্ডবাবা আমাদের চারপাশে স্যুটকোট কালোচশমা পেঙ্গুইন কোটে ঘুরে বেড়াচ্ছে,কিন্তু তাদের নিয়ে গান বাঁধার সাহস এখন আমাদের কোথায়?'
কারণ বোধহয় তুমি বুঝতে পারবে
যাহোক ভাল পোস্ট ++
লেখক বলেছেন: স্বাগতম। বুঝতে পারছি,তবে কেন ওটা বলেছি সেটা পাবলিক ফোরামে বলতে চাই না,মাথার উপর খড়গ ঝুলছে,পরে কোনদিন সুযোগ হলে বলবো,এখানে না,এই দেশে না![]()
জুল ভার্ন বলেছেন:
চমতকার গবেষনাধর্মী পরিশ্রমী লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: অর্নবের গান গুলো আলাদাভাবে রাখা যায়,একদম মন শান্ত করা গান,আমার খুব প্রিয় কয়েকটা গানও আছে।এখানে অনেকটা গতিময় গানের দিকে,একদমই ক্যাটাগরি ছাড়া গানের দিকে নজর দিয়েছিলাম।ডিজুস ঢেউ কাটলেই ভাল,এদের গান হজম করার শক্তি আমার হয় নাই,শুরু করলো তুম টারারারারারা ঝ্যান ঝ্যান দিয়া,তারপরে খানিক হাউকাউ ইংলিশ মাইরা তারপরে কইলো শুকনো পাতার নূপুর পায়ে,তারপর আবার খানিক চিয়াও ঢিয়াও চ্যাং ব্যাং,তারপরে জলতরঙ্গের ঝিলিমিলি ঝিলিমিলি এবং আবার খচর মচর করে বিচিত্র সাউন্ড। মনে হয়না আমার এই জীবনে হজম হবে
পোস্টের চেয়ে কমেন্টের উত্তরে আরো ১০ টা প্লাস বেশি দিলাম।
কখন থেকে যে হাসতেছি, থামাতেই পারতেছি না।
তুম টারারারারারা ঝ্যান ঝ্যান চিয়াও ঢিয়াও চ্যাং ব্যাং
হা হা হা হা হা হা হা হা হা
হা হা প গে
লেখক বলেছেন: গানটা শুনলে অবশ্য কানতে ইচ্ছা করে,কি জিনিসরে কি বানাইসে![]()
পারভেজ বলেছেন:
"আবার জিগায়" এর আগ পর্যন্ত সব মনে পড়লো! এর পরে গিয়ে আর থৈ পেলাম না আরো কিছু মনে পড়ে গেলো-
"সদরুল হাই, করে খাই খাই; এক্ষুনি খয়ে বলে কিছু খাই নাই....."
তবে চমকে উঠতে হলো সেদিন- যখন একটা ইন্টারন্যাশনাল ইস্কুলের বৈশাখী উৎসবে, বাচ্চা মেয়েরা স্কার্ট পরে 'বাবুরাম সাপুড়ে' (মিলা ভার্শান) নাচ/গান (?) শুরু করলো! তবে কি বৈশাখী উৎসবও ডিজুস আক্রান্ত হয়ে পড়বে?!
লেখক বলেছেন: এই ইন্টারন্যাশনাল ইস্কুলগুলা আরেক জিনিস,সেগুলাতে কি শিখায় সেইটা নিয়া আরেকটা পোস্ট হইতে পারে। পোলাপানের আর কি দোষ,বাপ-মা ই চায় পোলাপান ডিজুস হোক,নাইলে তো পাশের বাসার ভাবীরা খ্যাত বলবে![]()
যাই হোক , উত্তম পোস্ট , যদিও আমার সিলেবাসের বাইরে
লেখক বলেছেন: অডিও লিংক দিতে পারলে আসলেই ভাল হইতো,কিন্তু খুঁজতে সময়লাগে,দৌড়ের উপর আছি
তাও কয়েকটা দিলাম।
এইটা ভণ্ডবাবার লিংক। Click This Link
এইটা রাজনীতি গানটার লিংক। Click This Link).mp3.html/
আর মাকসুদের "(অ)প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য.....নিষিদ্ধ" অ্যালবামের ডাউনলোড লিংক এটা। Click This Link
আকাশচুরি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: অর্নবের গান গুলো আলাদাভাবে রাখা যায়,একদম মন শান্ত করা গান,আমার খুব প্রিয় কয়েকটা গানও আছে।এখানে অনেকটা গতিময় গানের দিকে,একদমই ক্যাটাগরি ছাড়া গানের দিকে নজর দিয়েছিলাম।ডিজুস ঢেউ কাটলেই ভাল,এদের গান হজম করার শক্তি আমার হয় নাই,শুরু করলো তুম টারারারারারা ঝ্যান ঝ্যান দিয়া,তারপরে খানিক হাউকাউ ইংলিশ মাইরা তারপরে কইলো শুকনো পাতার নূপুর পায়ে,তারপর আবার খানিক চিয়াও ঢিয়াও চ্যাং ব্যাং,তারপরে জলতরঙ্গের ঝিলিমিলি ঝিলিমিলি এবং আবার খচর মচর করে বিচিত্র সাউন্ড। মনে হয়না আমার এই জীবনে হজম হবে
hahaha
লেখক বলেছেন: শুনলে টের পাইবেন,বাঁশ নিয়া বাইর হইতে ইচ্ছা করবো।
জয় সরকার বলেছেন:
যদিও নচিকেতার পথ ধরে সুমন চট্যোপাধ্যায় আর অন্ঞ্জন কে অনুসরণ করে জীবনমুখী একটা গানের ধারা শুরু হয়েছেলাইনটা ভালো বুঝলাম না। একটু বুঝাইয়া দিবেন কি?
লেখক বলেছেন: দাড়ি-কমা আরেকটু বেশি দেয়া অভ্যাস করতে হবে মনে হয়
যতদূর জানি,এধরণের জীবনমুখী গানের ধারাটা জোরেশোরে শুরু করেন নচিকেতা,তার পথ ধরে আসেন সুমন,অন্ঞ্জন,এরপরে আরো অনেকে। সেটাই বলতে চাইছিলাম আরকি।
জয় সরকার বলেছেন:
কিন্তু বাংলাদেশের এক জীবনমুখী গানের শিল্পী আমাকে বলেছেন যে আগে শুরু করেন সুমন।এ জন্যেই আমার খটকা লেগেছে।একটু ভালোভাবে জেনে সংশোধন(যদি আপনার ভুল হয়) করবেন কি?ডিস্টার্ব করলামনাতো?
লেখক বলেছেন: আমি দেখেছিলাম সুমন নিজেই বলেছিলেন তিনি নচিকেতাকে দেখে এ ধারায় গান গাইতে উৎসাহী হয়েছেন,এর আগে কিন্তু তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন। আমি সুমনের নিজের কথাকেই বেশি নির্ভরযোগ্য ভাবছি।![]()
জয় সরকার বলেছেন:
আরে কইয়েন না।প্রীতম এর সাথে এ নিয়া আমার মোটামুটি একটা ঝগড়া হইয়া গেছে।হে কইল সুমন আমাগো গুরু।সুমন আগে শুরু করছে।প্রীতম বলে কথা (যেহেতু তিনিও জীবনমুখী গান গান) তাই কনফিউজড হইয়া গেসলাম।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
কঁাকন বলেছেন:
ব্যাপক গবেষনা
লেখক বলেছেন: চেষ্টা করলাম আরকি![]()
তনুজা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: দাড়ি-কমা আরেকটু বেশি দেয়া অভ্যাস করতে হবে মনে হয় যতদূর জানি,এধরণের জীবনমুখী গানের ধারাটা জোরেশোরে শুরু করেন নচিকেতা,তার পথ ধরে আসেন সুমন,অন্ঞ্জন,এরপরে আরো অনেকে। সেটাই বলতে চাইছিলাম আরকি।ভুল হচ্ছে ফারহান
আমি মোটামুটি কনফার্ম
কারণ প্রথম অ্যালব্যামের সময় মিলালেই বুঝতে পারবে ব্যাপারটা
তুমি যদি সাক্ষাৎকার পড়ে থাক, সেটা বুঝলাম না , কোথাও গন্ডগোল হচ্ছে
আমার কাজিনের মাধ্যমে (কলকাতানিবাসী) দুজনের গানের সাথে পরিচয় , সেজন্য কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে সময়টা মিলাতে পারি , দুজনেরই সদ্য বের হওয়া ক্যাসেট, তাই সেখানে অন্তত ৬ মাসের গ্যাপ মনে পড়ে।
তবু পারলে কষ্ট করে একবার সোর্সটা মিলিয়া নিও , আর আপডেট করো বিষয়টা অবশ্যই
আমার আপাতত চেক করার মত রিসোর্স নেই
লেখক বলেছেন: তাহলে হয়তো আমারই ভুল হচ্ছে,কেউ যদি বিষয়টা নিশ্চিত করতেন ভাল হতো।
সিনথিয়া জামান বলেছেন:
হুমমম ঠিক বলেছেন দাউদ। খুব ছোট বেলায় শুনতাম আব্বু এসব গান শুনতেন। আমাদের কিন্তু একটা গ্রামোফোন আছে! অন্নেক পুরনো।
লেখক বলেছেন: ভালো জিনিস,ক্যাচক্যাচ করে ঘুরে,জাদুঘরে দেখেছি। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ব্যান্ডসঙ্গীত আর পপ গানওয়ালারা একটা পরিবর্তনের হাওয়া এনেছিলেন, এবং সেসময় যেভাবে পাড়ায় পাড়ায় কনসার্টের ধুম পড়ে যেত, তাতে সেই ধারাটা জনপ্রিয়তার অভাবে হারিয়ে গেছে নাকি পরের প্রজন্ম ধরে রাখার মতো যোগ্যতা রাখেনি সেটা বিশ্লেষণের দাবী রাখে ... ব্যতিক্রমী গানের লিরিক্সের আরেক গায়ক ফেরদৌস ওয়াহিদ ... অসাধারণ সব বিষয়
তবে আমাদের লোকগীতিগুলোর মধ্যে বিষয়ভিত্তিকতা আর ভাববাদের মাধ্যমে জীবনদর্শনের যেই প্রকাশ সেটা আধুনিক গানে কেন যে একেবারেই অনুপস্থিত -- এই প্রশ্নটা আমাকে বেশী ভাবায়
লেখক বলেছেন: মোটের উপর আমরা বাংলাদেশিরা মনে হয় একটু নরম-সরমই,কাজেই গানের মাঝে কঠিন কর্কশ কথাও আসতে পারে সেটা হয়তো আমরা গ্রহণ করতে পারি না,তার উপরে আছে অতি বিশুদ্ধবাদী সংস্কৃতিসেবক এলিটদের অত্যাচার,কিছু হলেই গেল গেল রব উঠে পড়ে (অবশ্যই ডিজেগুলা এক্সপেরিমেন্টকে সমর্থন করি না,নতুন খাবার বানানোর নামে বিষ তো খাওয়া যায় না)।
"লোকগীতিগুলোর মধ্যে বিষয়ভিত্তিকতা আর ভাববাদের মাধ্যমে জীবনদর্শনের যেই প্রকাশ সেটা আধুনিক গানে কেন যে একেবারেই অনুপস্থিত"-- বস্,আমাদের যেসব ছেলেমেয়েরা আধুনিক গান লিখে,তাদের শহুরে জীবন আর আত্মার সাথে সেই নাড়ির যোগ কতটুকু যে সেই দর্শন আসবে তাদের গানে?
হারছে নাকি?
লেখক বলেছেন: বাদশা ভাই,হ,হারসে
২-১ এ। খেলা দেখি নাই তবে আন্দাজ করা যায় ব্যাপক গোল মিসের মহড়া দিসে।
লেখক বলেছেন: আপনের সাথে মিইল্যা যাওয়ায় আমারো ভাল্লাগতাসে![]()
এতদিন পর ব্লগে এসে গান বিষয়ক চরম পোস্টগুলো পেয়ে আসলেই বিরাট এ্যাডভানটেজ পেলাম!
আমার শোনা চরম ইন্টারেস্টিং-এর মধ্য একটা :
"ইচ্ছা করে, ও পরানডারে গামছা দিয়া বান্ধি...
আইরন বাইরন পরানডারে মসলা দিয়া রান্ধি..."
কোন একটা আঞ্চলিক ভাষার গান... খুব-ই মজা পেয়েছিলাম শুনে!
অন্যরকম পোস্টের জন্য বিরাট ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: "আইরন বাইরন পরানডারে মসলা দিয়া রান্ধি..." পুরা বিধ্বংসী গান দেখি![]()
আরো অনেক গান ছিল,মনে থাকে না সব। যাকগে,আপনাদের মজা দিতে পেরে খুশি
অনেক ধন্যবাদ![]()
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
জোস, জনাব ফারহান!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ![]()
সবাক বলেছেন:
তুমি দিওনাকো বাসরঘরের বাত্তি নিভাইয়া
আমি বন্ধঘরে অন্ধকারে যাবো মরিয়া....
হালের হিট গান।
লেখক বলেছেন: ক্যান,আরো আছে তো,সোনাবন্ধু তুই আমারে ভোঁতা দাও দিয়া কাইট্যা লা
পুরাটা দিলাম না,ব্যান খামু নিশ্চিৎ,ইনি আবার আমাগো সাংসদ,সন্দেহ কি এই দেশের সংসদের অবস্থা এইরকম![]()
আবু সালেহ বলেছেন:
ফারহান ভাই
বাংলা গানের তো ভালোই বিশ্লেষন দিলেন...
আরে আপনার শেষ মন্তব্যটা আমি করমু এই নিয়তে মন্তব্য করতে এসে দেখি আপনি শেষে আইসা যে গানের কলি আমি লিখমু সেটা দিয়া দিছেন....
আপনার সাথে খেলা বন্ধ....
লেখক বলেছেন: হেহেহে,সাংসদরে নিয়া আমরা কথা কম বলি,জীবনের জন্য ভাল![]()
লেখক বলেছেন: গানটা অনেক খুঁজছি,পছন্দের একটা গান ছিল,পাইলাম না
লিংক থাকলে দিয়া যান আপা।
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
লেখাটা আগে একবার পড়েছিলাম, কী সব বলবো বলে ভেবেওছিলাম, লোডশেডিং বাবার কবলে পড়ে সেদিন আর হলো না! পরে আরেকদিন বলার জন্য এসে দেখি পোস্টই হাপিস হয়ে গেছে! [এই পোস্ট আবার ফেরত পেলেন কিভাবে?] তখন যে কী ভেবেছিলাম, এতদিন পরে তার আর মনেই পড়ছে না...। ভালো লেগেছিলো লেখাটা, বলার মতো কথাও জমেছিলো বেশকিছু- এটুকুই মনে পড়ে শুধু, আর কিছু নয়!সময়ের কাজ সময়ে না করতে পারলে আর করাই হয় না, দেখেছি! আমার সেটাই করা হচ্ছে না... কেবলি দেরি হয়ে যাচ্ছে.. দেরি হয়ে যাচ্ছে....
লেখক বলেছেন: ব্লগের বাগ আরকি,মডুদের একটা মেইল করেছিলাম,সেটার প্রতিক্রিয়াতে কিনা,ফিরে এসেছে।
লেখক তো নই,এরপরেও লেখা যদি কারো ভালো লাগে সেটা পাঠকের কৃতিত্ব বলেই মনে করি। ভালো লাগার মাঝেও অনেক কথা থাকে,না বললেও চলে,আর জীবনে সবকিছু কি আর করা হয়?
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
দেরীতে পড়লাম তবে, বেশ ভাল্লাগছে।গান নিয়ে আমার লিখতে ইচ্ছে করে কিন্তু পোলাপান খাবে কিনা এই ভেবে আর লেখা হয় না।
লেখক বলেছেন: খাওয়া দিয়া কি করবেন? ব্লগ হইলো আপনের লেখার খাতা, সেইটা কেউ পড়বে কিনা ভাইবা লেখার কি দরকার? ইচ্ছা হইলেই লেখবেন।![]()
শাফ্ক্বাত বলেছেন:
সাংঘাতিক লিখেছেন তো, একেবারে হাহাকারে জর্জরিত হয়ে পড়লাম আপনার এই পোস্ট পড়ে, সত্যি তখন গানগুলা খুব ইউনিক ছিল।প্রিয়তে নিলাম, প্লাস তো অবধারিত!!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















