আমার প্রিয় পোস্ট

গানের জীবন ২: নভেম্বর রেইন

১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৯

শেয়ারঃ
0 1 0

[কিছু গান নিয়ে লিখি,কিছু গান শোনানোর চেষ্টা করি। গান গুলো প্রিয় কিন্তু শুধু গানের জন্য না,তাই প্রিয় গান বললাম না,বরং এগুলো জীবনের গান। কোন না কোনভাবে টুকরো টুকরো স্মৃতি জড়িয়ে আছে,যখন শুনি আবারো নানা রঙের সুখ-দুঃখের দিনগুলোতে ফিরতে ইচ্ছা করে। আসবে,যখন-তখন,টুকরো টুকরো হয়ে,একদমই ব্যক্তিগত আলাপ, তবে কারো কারো সাথে মিলেও যেতে পারে। শুরু করি,কেমন?]

তখনো গান শুনি না,অন্তত শখ করে শুনি না। শোনার উপায়ই নেই অবশ্য,সবেধন নীলমণি ক্যাসেট রেকর্ডারটা চোর নিয়ে গিয়েছিল অনেক আগেই,আর কেনা হয়নি। তার আগে যা শোনা হতো সেটা রবীন্দ্রসঙ্গীত, অন্তত ৭-৮ বছরের বাচ্চার কানে সেটা খুব একটা মধুবর্ষণ করতো না। তারপর শূন্যতা। বাসায় টেলিভিশন নেই,রেডিও নেই, কালেভদ্রে ম্যাকগাইভার বা এ-টিম দেখতে চাইলেও পাশের বাসার সাদা-কালো টিভিতে দল বেঁধে। স্বীকার করি অবশ্য,তখন মেঝেতে দল বেঁধে বসে পাড়ার লোকজন মিলে আসর জমিয়ে ১৪" সাদা-কালো টিভিতে ম্যাকগাইভার দেখে যে অনাবিল আনন্দ পেতাম,এখন বাসায় ২১" কালার টিভি বা পিসিতে হাই কোয়ালিটি ডিভিডিতে কোন ম্যুভি দেখেও অমনটা পাই না। মাঝে মাঝে দেশে আগমন ঘটতো নামকরা শিল্পীদের,হেমন্ত মুখোপধ্যায় বা পঙ্কজ উদাস,একবার হৈমন্তী শুক্লা,ওদিকে পাকিস্তান থেকে আগত আলমগীরের হেলেদুলে গাওয়া 'আমায় ভাসাইলি রে', এমন ২-১টা উপলক্ষ পেলে ঐ সাদা-কালো টিভিতেই ২-১টা গানের অনুষ্ঠানও দেখা হয়ে যেত।

অন্যের বাসায় কালে-ভদ্রে হল্লা করার দিন ফুরালো বাসায় ১টা ১৪" রঙিন টিভি আমদানি হবার পর,সেকেন্ড হ্যান্ড,তাতে বয়েই গেছে! ফুটবল খেলা তো দেখা যায়,সাথে বিকেল হলেই জিলেট ওয়ার্ল্ড স্পোর্টস স্পেশাল,নইলে চ্যানেল নাইনের ক্রিকেট হাইলাইটস,দুপুরের দিকে নিনজা টার্টলস নয়তো ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট। কিন্তু গানের অনুষ্ঠান কদাপি নয়,সেই টিপ পরে হেলেদুলে রবীন্দ্র নয়তো নজরুল,পোষায় না ঐ বয়সেও। তখন উঠেছি ক্লাস নাইনে,বেশ পাখা গজানো দিনকাল। বড় স্কুলে পড়ি,সবাইকে দেখে তাল মিলাতেই কিনা,এক ব্যাচে গছিয়ে দিল মা। মহা বিরক্তিকর কাজ,সকাল ৭টায় উঠে পড়তে যাওয়া,সেই শিক্ষক আবার সেরকম ফাঁকিবাজ,আধা ঘণ্টা পরে এসে আর আধা ঘণ্টা পড়িয়ে ৯টার মাঝে ছুটি। পড়া হয় কচুটা,সকালের ঘুমের রেশ কাটতে কাটতেই দেখি পড়ার সময় শেষ।এদিকে ক্লাস তো ১২টায়,কোথায় যাই? কিছুদিন গেল শাহজাহানপুরের দোকান গুলোতে ভিডিও গেম খেলে। দেখা গেল,এ লাইনে আমার প্রতিভা শূন্যের কোঠায়,২ মিনিট যাবার আগেই গেম ওভার,মাঝ থেকে পয়সা নষ্ট। সঙ্গীসাথীরা ভালই খেলতো,কিন্তু পয়সার মায়াতেই কিনা,এ দিকটায় শখ স্থায়ী হলো না।

সমস্যার সমাধান হলো আরেক বন্ধুর মাধ্যমে। শাহান,আমাদের ক্লাসের গুডি বয়,একটা কম্পিউটার কিনে ফেললো। চেনাজানাদের মাঝে সে-ই প্রথম,আর কি আশ্চর্য একটা যন্ত্র। আমরা মোটামুটি দল বেঁধে সেই যন্ত্র দেখতে গেলাম,উইন্ডোজ ৯৮ এর এখনকার মরা ইন্টারফেস দেখেই আমাদের অজ্ঞান হবার অবস্থা। তার মাঝে কত কিছুই যে করা যায়। একদিন দেখালো হরোস্কোপ সফটওয়্যার,আবার আছে লাভ ক্যালকুলেটর,তারপর রয়েছে নানা ধরণের গেমস, মোটো রেসিং, এনএফএস,সব মিলিয়ে একদম এলাহী কারবার। স্ক্রিনসেভার দেখেও আমার মুগ্ধতা কাটে না,ওদিকে ওয়ালপেপার বদলানোকেও এক আশ্চর্য ঘটনাই মনে হয়। সব মিলিয়ে এক মায়াবী নেশা ধরানো জগৎ।

কিন্তু আমাদের সবচেয়ে বেশি টানলো একটা গেম,ফিফা ৯৮,আর গান। সকালে কোনমতে পড়া শেষ করেই ছুট দেই শাহানের বাসায়,সাথে কখনো থাকে মেহরাব,কখনো আর কেউ। গিয়ে শুরুতে
ধুমধাড়াক্কা ফিফা নিয়ে মারামারি হইচই,এরপরে গান শোনা। শাহান আর তার বড় ভাই মিলে গান যোগার করে সেগুলো সিডিতে রাইট করে,আমরা সেগুলো গিয়ে শুনি। ইংরেজি গানের সাথে সেই বলা যায় প্রথম চেনা,এর আগে গান বলতে জেমস বা বাচ্চুর বাইরে জ্ঞান যায়নি। মন্ত্রমুগ্ধ করেছিল কিছু গান,মাইকেল জ্যাকসনের ব্ল্যাক অর হোয়াইট, দে ডোন্ট কেয়ার অ্যাবাউট আস,ফিল কলিন্সের ইনভিজিবল টাচ। একদম পাঁড় ভক্ত হয়ে গেলাম ব্রায়ান অ্যাডামসের,সামার অভ সিক্সটি-নাইন শুনে এখনো পা নাচে। জন ডেনভার সেই যে ভেতরে ঢুকে গেলেন, কান্ট্রি রোড বা অ্যানি'স সং বা ওয়াইল্ড মনটানা স্কাইয়ের সুর মাথা থেকে আর বের হয়নি। ক্লাস শুরু হবে ১২টায়,শাহান তাগিদ দেয়,আমি তখনো ইট'স মাই লাইফের তালে মাথা দোলাই,রক এন রোলের মত মজা কি আর ক্লাসে পাওয়া যাবে?

এমনি এক সকালে,কোনরকমে বিরক্তিকর আধা ঘণ্টা কাটিয়ে গেছি শাহানের সেই বাসায়। দু'টো সিঁড়ি পরপর, পেছনে একটা প্রেস,ঘটাংঘট শব্দে কান পাতা দায়,অন্ধকার বাঁচিয়ে সাবধানে উঠতে হয়। আরামবাগের সেই গলিটায় একটু বৃষ্টি হলেই কাদাপানি জমে থাকে,কিন্তু গান শোনা আর গেম খেলার নেশায় তার থোড়াই কেয়ার করি। যাবার পরে হঠাৎই বন্ধু বললো,এই গানটা দ্যাখ,নভেম্বর রেইন। ভাল না লাগলে বলিস। ভিডিও সং,অর্কেস্ট্রার মাঝে পিয়ানো দিয়ে শুরু করলো এক্সেল রোজ,নামটা পরে জেনেছিলাম। হোয়েন আই লুক ইনটু ইয়োর আইজ,আই ক্যান সি আ লাভ রিস্ট্রেইনড।
ক্যামন একটা টান,একটা হাহাকার। অ্যান্ড ইট'স হার্ড টু হোল্ড আ ক্যান্ডল,ইন দ্য কোল্ড নভেম্বর রেইন,কি অদ্ভুত একটা কথা। গান শুনে লাফঝাঁপ করা বা মাথা দোলানো,ঐ পর্যন্তই আমার দৌড়,না পারি গাইতে না পারি বাজাতে,গানের মর্ম উপলব্ধি করা তো অনেক পরের কথা। কিন্তু ইফ ইউ ওয়ান্না লাভ মি,দ্যান ডার্লিন ডোন্ট রিফ্রেইন,অর আ'ল জাস্ট ইন্ড আপ ওয়াকিন ইন দ্য কোল্ড নভেম্বর রেইন-- শুনতে শুনতে তলিয়ে গেছিলাম নিশ্চিত। বৃষ্টির সুরে এমন ভয়ংকর হাহাকার অন্তত রক গানে আশা করিনি তখনো। তাকিয়ে আছি স্ক্রিনে,আস্তে আস্তে হাঁটতে হাঁটতে খোলা আকাশের নিচে বেরিয়ে এলো স্ল্যাশ,তারপর সেই গীটার সলো। বাকি জীবনের জন্য অপূর্ণতার খাতায় একটা স্থায়ী দাগ দিয়ে দিলো ঐ একটা মুহূর্ত, আহা,একবার,যদি মাত্র একবার ঐরকম গীটারের তারে এমন সুর তুলতে পারতাম। আমি নিশ্চিত,আরো অনেকের স্বপ্নে ঐ সুর হানা দিয়ে গিয়েছে,দিতেই হবে,ঐ সুর এড়ানোর ক্ষমতা খুব বেশি তরুণের হয়নি।

গান গড়াতে থাকে,সাথে সাথে আমিও। লম্বা গান,৯ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড,৯০ এর দশকে অনেক ব্যান্ডই এমন লম্বা গান গাইতো,গানস এন রোজেস এর নিজেরই আছে কয়েকটা। একসময় গান শেষ
হয়,বন্ধু শুধায়,কেমন? কথা বলি না,শুধু মাথা নাড়ি,বলার ক্ষমতা নেই,ঐ বয়সের জন্য মুগ্ধতার ধাক্কা একটু বেশিই হয়ে গিয়েছিল। বৃষ্টির ঝিরঝিরের সাথে মিশে তখন শুধু নাথিং লাস্টস ফরেভার,ইভেন কোল্ড নভেম্বর রেইন,আর কোন শব্দ বা চিন্তা মাথায় আসার অবস্থা নেই। এরপর যতবার শাহানের বাসায় যাই,একবার করে ঐ গান শুনি,পুরানো হয় না,আজো হয়নি। স্ল্যাশের মত গীটারিস্ট হবার ইচ্ছা মাথা চাড়া দিয়েছিল বলে একটা গীটারও কিনেছিলাম,যদিও সেই গীটারে ২ দিন টোকা দিয়েই বুঝে গেছিলাম,আমার জন্য শোনাই ভাল,সবাইকে দিয়ে সব হয় না।

এরপর দিন কেটে যায়,আমরা বড় হয়ে যাই। কলেজেও শাহানের বাসায় আমাদের হামলা থামেনি,একদম কাছে হওয়াতে প্রতি বেলাতেই আমাদের যন্ত্রণা সহ্য করতে হয় তাকে। ততদিনে ৯৮ গিয়ে এক্সপি এসেছে,ফিফা ৯৮ এর বদলে ফিফা ৯৯ হয়ে ২০০২। বদলায়না শুধু গানস এন রোজেস,বদলায়না নভেম্বর রেইন, বদলায়না শাহান আর শিপলু ভাইয়ের সংগ্রহ থেকে নিত্যনতুন গান শোনার অভ্যাস।

আড্ডা ভাঙে ভার্সিটিতে ভর্তি হবার পরে,আমরা কেউ বুয়েট,কেউ মেডিক্যাল,শাহান আইইউটি,মাঝে মাঝে যাওয়া হয়,ছুটির দিনে,সেখানেও গান আর গেমস। নিজের বাসাতেও একটা কম্পিউটার আসে ভার্সিটিতে ভর্তি হবার এক বছর পরে,প্রথমেই নিয়ে আসি নভেম্বর রেইন,নিজের বাসাতে মন খুলে শোনার জন্য। দিন কাটে,আমরা বড় হই,বিচ্ছিন্ন হই,শুধু আমাদের সাথে থাকে স্ল্যাশ আর এক্সেল রোজ। একসময় ভেঙে যায় ভার্সিটির আড্ডাগুলোও,কর্মজীবনের ব্যস্ততায় প্রিয় মুখগুলোর দেখা মেলে কদাচিৎ,বৃষ্টি হলেই শুধু মনে পড়ে,নাথিং লাস্টস ফরেভার,ইভেন কোল্ড নভেম্বর রেইন।

গল্পের শেষ নেই,তবে বর্তমানটা বলি। শাহানরা আরামবাগের সেই ঘুপচি গলির বাড়িটা ছেড়েছে ১ বছরের বেশি হলো। গুডি বয় তার মান রেখেছে,বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে বেশ মানিয়ে গেছে। গত এক বছরে মনে হয় একবার দেখা হয়েছে। আড্ডার অন্য বন্ধুদের দু'জন শিগগিরি বাইরে চলে যাবে,একজন বিশাল এক কর্পোরেটের বড়কর্তা হয়ে গেছে। চাকরি নিয়ে ব্যস্ত ২-১ জন। আর আমি? এখনো বসে আছি,মাঝে মাঝে বৃষ্টির দিনে স্মৃতি আউড়ানোর জন্য। দমকা হাওয়ার মাঝে বজ্রপাতের শব্দে যখন স্ল্যাশ তার গীটার নিয়ে বেরিয়ে আসে,আমার মনে হয় আরামবাগের সেই ঘুপচি
গলি,অন্ধকার সিঁড়ি বাঁচিয়ে ওঠা,প্রেসের ঘটাঘট আওয়াজ,একদল কিশোরের হইহুল্লোড় একটা ছোট্ট ঘরে,আর কোল্ড নভেম্বর রেইন।

[ গানটা শুনতে পারেন এখানে Click This Link
আর গানটার লিরিক এখানে Click This Link ]

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গান ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গানের জীবন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৪
ইমন১৯২৪ বলেছেন: অবিবাহিতা মায়ের সংখ্যা বেড়ে চলায় যুক্তরাষ্ট্রে উদ্বেগ---২০০৭ সাল থেকে জন্ম নেওয়া ১০টি শিশুর মধ্যে ৪টিরই জন্ম দিয়েছে অবিবাহিত মায়েরা
Click This Link
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: বুঝলাম,কিন্তু সেইটা নিয়া তারা মাথা ঘামাইলেই ভালো না? আপনে বরং বাংলাদেশের দিকে নজর দেন,ওবামার মনে হয় উপদেষ্টার দরকার নাই।

২. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৯
অ্যামাটার বলেছেন: ভাল লাগল লেখাটা, কফি হাউসের সেই আড্ডাগুলো বোধহয় কেবল স্মৃতি'র কোঠরেই থেকেযায়...
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: থাকে,আবার মাঝে মাঝে হানা দেয়,তখন একটু স্মৃতি হাতড়াতে ইচ্ছা করে।

১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: আমি যাদের চিনি সবাই ভালা পায়:)

৪. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০৫
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: কারেন্ট বাবাজির দয়া আমার সাথে এখন নাই । আপাতত উপস্থিতি জানায়া গেলাম ।
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: এই সময়েও গেসে? তোমরা দেখি আমাদের ধইরা ফালাইতাসো:)

৫. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:১৭
রাহা বলেছেন: ইটা আমারও ১ নং পচ্ছন্দের গান... সহজে ডাউনলোড হইব কেমনে??
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: শোনার যে লিংকটা দিলাম ঐখানে একটা রাইট ক্লিক কইরা "সেভ টার্গেট অ্যাজ" দেন,ডাউনলোড শুরু হইবো আশা করা যায়:)

৬. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:০৬
তনুজা বলেছেন: ফারহান তোমার লেখার হাত খুব ঝরঝরে , আসলেই ----------আর কমুনিকেট করতে পার

আমাদের বেড়ে ওঠা তোমাদের কিছুটা আগে -------সেই কবছরেই র‌্যাপিড চেঞ্জ এসেছে ------বিশেষ করে গণমাধ্যম ও জীবনে তার সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে --------তারপরও মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা বলেই অনেক ভাবনার সাদৃশ্য

এটা অবশ্যই কল্পনা ------আত্মকথা নয় পুরোপুরি ---------কিন্তু লেখায় লেখকের জীবনের রিফ্লেকশন তো পড়বেই

খুব ভাল লাগল -----সময় করে লিখে যেও ----লিংক দিও যদি মিস করি কিছু
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: আমি লিখতে পারি না,নিজের জীবনটাকেই তুলে দিই,আর অতীতটাকে ভুলতে পারি না। আমাদের সবার জীবনের গল্পগুলো কাছাকাছি,সেজন্যই মনে হয় সবাই ধরতে পারি।

৭. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:১৬
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: হায় রে ...নভেম্বর রেইন।

তবে কি জানেন

এই গানটা কিন্তু আমেরিকার সমালোচকরা গানস এর এটা থার্ড ক্লাস গান হিসাবে জানে ।

আমি শুনেছি ১৯৯৪ - ৯৫ এর দিকে ।

তবে কিশোর বয়সে যে মুগ্ধতা কথা বললেন সেটা আমারো ছিলো ।

লিরিকস জোগার করে , রিফ্রেন মানে খোজা ডিকশনারীতে !

নভেম্বরে যদিও বৃষ্টি হতো না
নভেম্বরের বৃষ্টিতে ভেজার চেষ্টা করতাম।

হায়রে একটা গান নিয়ে মানুষ কতো পাগলামী করে।
হমম আমাদের কিশোর বয়সে এটা পারফেক্ট গান ছিলো।

আর লেখাতে মহা প্লাস
+++
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: সমালোচকরা কি বলে জানি না,তবে এই গানটার অবসেশান থেকে আজ পর্যন্ত বের হতে পারিনি। আজকেও শুনলাম,মনে হয় ঠিক ঐ পুরানো দিন,ঐ ঝিরঝির বৃষ্টির মাঝে স্ল্যাশের মত গীটারিস্ট হবার স্বপ্ন,মানুষের মাঝে কত পাগলামিই যে থাকে! :) গানস এর অন্য গানও কয়েকটা আমার প্রিয়,সুইট চাইল্ড ও মাইন,নকিং অন হ্যাভেন্স ডোর,কিন্তু এই গানটার উপর দিয়ে যেতে পারে নাই একটাও।

৮. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৫৬
রাগিব বলেছেন: গানের ভিডিওটা বেশ অন্যরকম ছিলো।

ভিডিওর বিস্তারিত ইতিহাস http://en.wikipedia.org/wiki/November_Rain

--

আরেকটা বিখ্যাত লম্বা গান হলো দি ডোরস এর Light My Fire , শুনে দেখতে পারো।
১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৮

লেখক বলেছেন: রাগিব ভাই,যাই লিখি উইকিতে একটা ঘুরান দিয়ে নিতেই হয়,এটাও দিয়েছি:) গানটা এখন পর্যন্ত (উইকির মতে) সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভিডিওর তালিকায় ১৩তম অবস্থানে আছে,১।৫ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছিল তখনই:|
লাইট মাই ফায়ারটা শুনতে হবে,দাঁড়ান খুঁজে দেখি।:)

৯. ১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
মাহবুবা আখতার বলেছেন: যে কয়টা গানের নাম করেছেন, আর কৈশোরের বর্ণনাটা যা দিয়েছেন..... অনেকটাই মিলে গেছে।
অনেক কথা মনে পড়ে গেল একবারে........
নভেম্বর রেইন গানটা আমার ফট করে ভালো লাগেনি, বারবার শুনতে বসেও শুনিনি। পরে একদিন ভিডিওর মধ্যে গানস এন রোজেস নাম দেখে শোনা শুরু করলাম। সেই থেকে পছন্দ। আমার সাধারণত ভালো লাগা বা খারাপ লাগা খুব তাড়াতাড়ি মনের মধ্যে ধরে যায়.. সহজে ছোটে না। এর মধ্যে কয়েকটা মিউজিক্যাল ব্যতিক্রম আছে, একটা হল ব্রায়ান অ্যাডামস (প্রথমদিকে এর ফ্যাসফেসে গলা শুনলে মেজাজ খারাপ হত) আরেকটা হল এই নভেম্বর রেইন। লম্বা এই গানটার মধ্যে কি যেন একটা আছে, মনে হয় আস্ত একটা জীবনের গল্প বলে ফেলল, আর গীটার সলোটার কথা নাহয় না-ই বললাম; ইদানীং যাবতীয় সুন্দর গীটার ওয়ার্কই আমার হিংসার কারণ হয়ে যায় :|
লেখা পড়ে অতীত থেকে একটা ট্রিপ নিয়ে এলাম। ভালো লাগল।
১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫২

লেখক বলেছেন: ভিডিওটা অনেকবার টপচার্টে ছিল,রাগিব ভাইয়ের লিংকটা ঘুরে আসতে পারেন। গীটার কাউকে বাজাতে দেখলেই হিংসা লাগে,নিজে পারি না কিনা :(

১০. ১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৩৪
নুশেরা বলেছেন: খুব প্রিয় গানগুলোর সঙ্গে জীবনের বিশেষ কোন সময়ের স্মৃতি জুড়ে থাকে। সেই সময়টা শীত না বর্ষা, জানালার বাইরে কাঠগোলাপ না শিউলি, হাতে পরীক্ষার পাঠ্য না গল্পের বই-- সবকিছু ধরে টান দেয় সেই সুর। সচলায়তনে ইশতিয়াক রউফ এমন একটা সিরিজ লেখে: গানবন্দী জীবন নামে। ফারহানের গানের জীবনও বড় ভাল লাগল। সবগুলো পর্ব হয়ে গেলে প্রিয়তে তুলে নেব।

একটা কথা। হাওয়া হাওয়া'র গায়ক হাসান জাহাঙ্গীর; আলমগীর না। বাংলাদেশে হাসান জাহাঙ্গীরের বাতাস লাগে ১৯৮৭/৮৮-তে। আর আলমগীর আমদানী হন তার বছরখানেক পরে।

প্রথম প্রথম নভেম্বর রেইন শোনা নিয়ে আমারও অনেক স্মৃতি আছে... রয়ে গেছে সেটুকুই: নাথিং লাস্টস ফরেভার,ইভেন কোল্ড নভেম্বর রেইন...
১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০০

লেখক বলেছেন: নামও দেখি মিলে গেছে,এইটা ক্যামনে কি?
আপনি থাকায় তথ্যগত ভুল নিয়ে চিন্তা নেই, লিখে দেই, পরে তো আপনি ঠিক করাবেনই:) আলমগীর জাহাঙ্গীর,হুম বাদশা বাহাদুরদের মাঝে গুলিয়ে গেছে,ঠিক করে দিচ্ছি। একেকটা গানে এত গল্প যে বলে শেষ হবে না,পরের গানটা নিয়ে বিশাল হাসাহাসি হচ্ছে এখন,খুব মজার কিছু স্মৃতি আছে,তবে সব মনে হয় লেখা যাবে না,মানহানির মামলা খাবো:)

১১. ১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪
সিংহ বলেছেন: Awesome video. Critics often used to complain that GNR outperform their own song by their Videos. Another one is "Estranged" where Rose tried to give viewers a pick in his life.
১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৫

লেখক বলেছেন: গানটার গল্পটা নেয়া একটা ছোটগল্প থেকে,এই গানটাও অনেকবার একটু আধটু বিবর্তিত হয়েছে। ভিডিওতে মোটামুটি দীর্ঘতম ভার্শনটাই আছে।

১২. ১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫৫
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: ভালো লাগা গানগুলোর একটি! মনে করিয়ে দেওয়ার জন্যে ধন্যবাদ।

তোমার লেখার মূল থিমটার সাথে মিলে যায় অনেককিছু, বেড়ে যায় অনেক ব্যথা, মনে পড়ে বহুবছর না দেখা বন্ধুদের! মনে পড়ে গান, কবিতা,ভরা পূর্ণিমা। আর...আরও অনেককিছু, যেগুলো শেয়ার করা যায় না!

মন খারাপ হয়ে গেছে তোমার লেখাটা পড়ে!

.........
"হাওয়া হাওয়া" গানটি হাসান জাহাঙ্গীরের গাওয়া। হিন্দি ছবি "ডন টু" তে ব্যবহৃত হয়েছিলো।
১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: আমার গানের সাথে বন্ধুত্বের স্মৃতিই বেশি,একাকীত্বের স্মৃতি খুব কম। হইচই করে কাটাতে পছন্দ করতাম,এখন একা একা গান শুনতে যে খুব ভাল লাগে তা না,এজন্যই কীবোর্ডে খটাখট।

১৩. ১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১১
নুশেরা বলেছেন: এই লেখাটা পড়ে স্মৃতির ধাক্কাধাক্কিতে ইউটিউবে গুতাগুতি করলাম কিছুক্ষণ। আমার প্রজন্ম তো আপনাদের চেয়ে বয়স্ক; তাই গান শোনাশুনিতে আমরা আরেকটু এগিয়ে :)। হাইস্কুলে সবে উঠেছি; তখন বিটিভিতে ইউরোটপস নামে একটা প্রোগ্রাম দেখাত। আর্লি এইটিজের ইউরো টপচার্টের স্টেইজ পার্ফর্ম্যান্স দেখাতো (মিউজিক ভিডিও না; কারণটা অনুমেয় ;))। সিনথেসাইজড পপ তখন তুমুল হিট। মডার্ন টকিঙের পোস্টার সর্বত্র। বোলেন-অ্যান্ডার্স সবার পছন্দের। সেইসময় আমিও একবার অ্যান্ডার্সের মতো চুল স্টেপ করে কাটাইসিলাম B-) :D
১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৮

লেখক বলেছেন: হুম,আমার একদম ছোটবেলায় যখন আমাদের একটা ক্যাসেট প্লেয়ার ছিল,বাপ মাঝে মাঝে অ্যাবা শুনতো আর মডার্ন টকিংস তো ছিলই। বলাই বাহুল্য,তখন ঐটারেও বিড়ালের চেঁচামেচি মনে হইতো,আমার মাথায় সবকিছুই মনে হয় দেরিতে ঢুকে।
স্টেপ কাটিং এরপরেও চলছে কিন্তু,আমরা বলতাম মুরগী কাটিং,খিক খিক।:)

১৪. ১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:২৬
নুশেরা বলেছেন: মোট্টেই মুরগী-কাটিং না X(
এই দ্যাখেন এইরকম ছিল সেইটা
১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: হিহিহিহি,এইখানে স্মরণশক্তি ঠিক আছে,এইটারেই আমরা মুরগী কাটিং বলতাম,দেইখাই মনে হইতো একটা মুরগা ঝুঁটি উঁচায়া রওনা দিসে,হাহাহাহা:)

১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: তোমার মনে থাকার কথা,মেহরাব:) ফিফা ৯৮ নিয়া যে মারামারিটা লাগতো। তোমার ফাউল করার স্বভাব ছিল বেশি,চেলসি মার্কা খেলা,হেহেহে।

১৬. ১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনার লেখার বিশয়বস্তুর আমার সাথে মিলে যায় অনেককিছু-যেগুলো শেয়ার করা যায় না! বরাবরের মতই চমতকার লেখা।
১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে,মাঝে মাঝে মনে হলে লিখতে হয়। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৭. ১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৩
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: গানটাতো ভালো লাগেই খুব আরো ভালো লাগলো ভাইয়া আপনার সরল চমকপ্রদ বর্ননা!
১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: সেইরকম লাগতো। :)

১৮. ১৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০১
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: নভেম্বর রেইন তো অলটাইম ফেভারিট ক্লাসিক!

রিসেন্টলি আরেকটা গান শুনছি, সেরেনডিপিটি মুভির সাউন্ডট্র্যাক। শুইনা দেইখেন। Click This Link
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: আর জিএনআর,সুইট চাইল্ড ও মাইন,কি একটা ইনট্রো!শুইনা দেখি সাউন্ডট্র্যাকটা।

১৯. ১৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
ড়ৎশড় বলেছেন: আহা মতিঝিল আরামবাগের স্কুল কলেজের স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেন ফারহান ভাই।আমার আম্মুও আমাকে এইসব ব্যাচে ভর্তি করায় দিতো।বকর স্যারের কাছে পড়েছিলেন?

বড়ুয়া স্যার ছিলো আমার সবচেয়ে প্রিয় স্যার।স্যারের কাছে সন্ধ্যায় পড়ার ফাকে একটা ব্রেক পাইতাম।তখন শহীদবাগ,শাহজাহানপুরের রাস্তায় ঘুরে বেড়াতাম।কি সব অদ্ভুত মায়াময় স্মৃতি!

কিছুদিন আগে স্কুলে গেছিলাম।শাহাবুদ্দিন স্যারের সাথে দেখা হলো।স্যার বুড়া হয়ে গেছেন।স্কুলে পাড়া দিয়েই মনে হলো,আবার যদি বাশার স্যারের হাতের মাইর খাইতে পারতাম!জামশেদ আলী স্যারের দুপুর বেলার বেতের বাড়ি খেয়ে জোহরের নামাজ আদায় করতে পারতাম!
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: নাহ,আমি দেলোয়ার স্যারের কাছে যাতায়াত করসিলাম কয়েকমাস,দেরি কইরা যাইতাম,লাস্ট বেন্ঞ্চে গাদাগাদি করে বসা লাগতো,পড়াশোনা হইতো না আর যাই হোক,এই প্রাইভেট বা ব্যাচ জিনিসটা আমারে কখনোই স্যুট করে নাই। বড়ুয়া মানে কাকা বড়ুয়া নাকি? বশার স্যারের মাইর অল্প খাইসি,তবে পিটি ক্লাসে আতংকে থাকতাম টুপি নাইলে জুতা নিয়া। জেমসের থাবড়া রেগুলার খাইতাম টেন এ উঠার পরে,সামনের দিকে পায়া আমাদের উপর দিয়াই বেশি যাইতো:( শাহাবুদ্দিন স্যারের কথা মনে হয় খুব,রোল ১ বইলা বাড়তি একটা খাতির পাইতাম,তবে সেই খাতিরের ফিরতি হিসাবে বান্দরামি করতাম ডাবল। আর লাই দিতেন কামাল স্যার,ক্লাস নাইনে স্যারের হাড় হাড্ডি জ্বালায়া দিসি,কিন্তু মুখে দৌড়ানি দেয়া বাদে কখনো শাস্তি খাই নাই:)

২০. ১৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: খাইসে...ড়ৎশড় ভাইডি কি আইডিয়াল নাকি!!
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: বাশার স্যার,জেমস,বড়ুয়া,শাহাবুদ্দিন স্যার,বকর স্যার,তারমানে তো আইডিয়ালই। মাঝ দিয়া বাশার স্যারের চামচা রফিক স্যারের নামটা বাদ পইড়া গেসে মনে হয়:)

২১. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০৪
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: জেমসরে নিয়া আর কি কমু...যেকোনো তালিমে প্রস্রাব-পায়খানা টপিক না আসলে উনার ভাতই হজম হয় না! বাশার স্যারের মাইর তেমন একটা খাই নাই, উনার চামচার মাইর খাইসি:(

গোপনে কই, শাহাবুদ্দিন স্যার আমার দূর সম্পর্কের দুলাভাই লাগে;) আংড়েজি ভালো পারতাম, তাই সব আংড়েজি স্যারই আমারে ভালা পাইতো। দেলোয়ারের দশম পাঁচের সব ব্যাচের মধ্যে আমরাই সবচাইতে ইউনিক ছিলাম। প্রথমবারের মতো ফুটবলে ক্লাশ টেন চ্যাম্পিয়ন হইসিলাম। পরের ব্যাচের ছোটভাইরা স্যারের মুখে শুনে, "তোরা আর কি করস? আগের ব্যাচটা দেখ। অর্ধেক ফুটবলার, অর্ধেক ডিবেটার। তাই বইলা কি রেজাল্ট খারাপ করছে? সবগুলা এ+"

ভাবতেই ভালো লাগে...আমাদের এতো কথা শুনানো দেলোয়ার স্যার আমাদের নিয়াই অন্য ব্যাচে গর্ব করতো:P
১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: দেলোয়ার স্যারের স্বভাবই ঐটা,সবসময়ই কারেন্ট ব্যাচরে ঝাড়বো আর আগের ব্যাচরে প্রশংসা করবো,কোন ধরণের মোটিভেশন টেকনিক ভাবতো হয়তো।:) জেমসের মাইর কম খাইলেও মুরগির (মাসুদ স্যার) মাইর প্রতি বেলায় টিফিনে খাওয়া লাগতো,হয় ক্লাস থাইকা বাইর হইতে দেরি নাইলে ওজুর লাইনে কোন একটা গ্যান্ঞ্জাম:|

২২. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৮
ড়ৎশড় বলেছেন: @ভাঙ্গা আমি আইডিয়াল।০২ ব্যাচ।

ফারহান ভাই,বড়ুয়া স্যার হইলো মর্নিং শিফটের।কাকা নাকি জানিনা।সবাইকে আপনি করে বলতো।আপনি আর আমি ভাই এক স্কুল আর একই কলেজের(NDC) মনে হয়।জেমসকে কিন্তু চিনতে পারলামনা।এইটা কে?

রফিকরে আমরা বীচি বলে ডাকতাম।রফিকের এক চামচা ছিলো,জানিনা আপনারা পাইছেন নাকি।ওরে ডাকা হইতো R.C(রফিকের চামচা)।খুব পেইন দিছিলো শেষে।

ফারহান ভাই আপনি তো খুব বস স্টুডেন্ট ছিলেন দেখি।সালাম সালাম।আমার মত poor স্টুডেন্টের জন্য একটু দোয়া রাইখেন।শাহাবুদ্দিন স্যার যখন আমাদের ক্লাস সেভেনে ক্লাস টিচার ছিলেন,উনি প্রথম ক্লাসে রোল ১ থেকে শুরু করে কয়েকজনকে দাড় করিয়ে বলেছিলেন,"এগু্লো হলো আমার ক্লাসের ভালো ছাত্রের দল"।সেদিন ভালো ছাত্রের তকমা পেয়ে খুব proud proud লাগতেছিলো।এখন মনে হয় ছাত্রইতো হইতে পারলাম না,আবার ভালো ছাত্র।

ভালো থাইকেন ভাই।
১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: হেহে,ঐ বড়ুয়াই,পুরা নাম কাজলকান্তি বড়ুয়া,পোলাপান সংক্ষেপ কইরা ডাকতো কাকা বড়ুয়া। বাশার স্যারের ঐ চামচা রফিক পয়লা ক্লাস আমাদের ক্লাসেই নিসিলো,ঐ থেকেই তার নাম হয়ে গেসিলো বিসি(বাশারের চামচা),টার থেকে বিচি,একেবারে সংস্কৃত থাইকা অপভ্রংশ যারে কয়। কেউ কেউ ডাকতো সুজা (কারণ সে সোজা কইতে বরাবরই সুজা কইতো),তার আসল নামই ভুইলা যাওয়ার অবস্থা:) তারপরে আমদানি হইলো রফিকের চামচা,মানে আরসি,খিক খিক। একদিন দেখি এক বিচ্ছু পোলা আরসি'র পিছনেই মাঠের মাঝে পানি ছিটায়া লেখতাসে আরসি কোলা,সে এক কাণ্ড। আর জামশেদ আলীরে পোলাপান ডাকতো জেমস,সোহরাব আলীরে ডাকতো চোরাবালি,হেহেহে।

২৩. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫১
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: রফিকের সুজা বলার সাথে সাথে আরেকটা মনে আছে...পুচ্চিম(পশ্চিম)।

কাদের স্যারের খবর জানেন? কাদুমাজি বলতো পোলাপান। রিসেন্টলি মারা গেছেন। হক ব্যাটারি নামে পরিচিত হক স্যারও রোড একসিডেন্টে মারা গেছেন। ওদিকের খবর আর তেমন একটা জানি না।:(
১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: হুম,মাঝখানে জেমসও অসুস্থ ছিল,ওবায়দুল হক স্যারও নেই। কাদের স্যারের খবর জানতাম না,আমারে মাঝে মাঝেই বেন্ঞ্চের উপর দাঁড়া করায়া রাখতেন এইটা মনে আছে:)শেষ স্কুলে গেছিলাম ৪-৫ বছর আগে,সার্টিফিকেট তুলতে। স্কুলের বন্ধুবান্ধব সব দল বেঁধে নটরডেম আর বুয়েটে এসে পড়েছিলাম বলে খুব বেশি মিস করিনি কখনো।

২৪. ১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:০৩
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: এই গানটা অনেক দিন মনে মনে খুজছিলাম, আজকে পাইছি, ধন্যবাদ :)

[ নোভা -নোভা -নোভা X( ]
১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: আবার শুনেন,দেখেন ক্যামন লাগে।
নোভা নামে একটা ব্যান্ড আসিলো না? ঐটার কথা কন নাকি?:) ভোট নেন,শিলার পক্ষে বেশি যাবে।:)

২৫. ১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩৩
সবাক বলেছেন:
এই পোস্টের প্রথম কমেন্টের জবাব শুইন্যা চোখ থেইক্যা ঘুম নাইম্যা গ্যাছে..

প্রাসঙ্গিক কমেন্ট বাদ !!!
১৭ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: হেহেহে,কমেন্ট টা দেইখা হাসমু নাকি কানমু বুঝি নাই কিনা:|

২৬. ১৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
জুল ভার্ন বলেছেন: নভেম্বর রেইন গানটা আগেও শুনেছি-কিন্তু তখন ভালো লাগেনি। আজ আপনার লেখা পড়ে আবারো গানটা খুব মনযোগ দিয়ে শুনেছি। অসম্ভব সুন্দর একটা গান!

অনেক ধন্যবাদ গান নিয়ে এমন সুন্দর একতা পোস্ট দেবার জন্য।
১৭ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক লম্বা গান,অনেক সময় ধৈর্য চলে যায়:)

২৭. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:১৯
আবু সালেহ বলেছেন:
স্বৃতির পাতায় দিনগুলো....ফিরে তো আর আসবেনা....
সুন্দর একটা গান ....
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: দিন আসে না,খালি গান থাকে।

২৮. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:১২
নাহিন বলেছেন: এমনিতে মুড অফ, পইড়া আরো অফ হইলো।
নাহ, আমার আপনাদের মত স্মৃতি নাই, বাবার বদলির চাকরিতে এক যায়গায় সর্বোচ্চ ১১ মাস, রিটায়ারের পরে সেটা বেড়ে হয়েছে ৩/৪ বছর। এর বেশি না।
খুশি হন যে আপনার এরকম বন্ধু / স্মৃতি আছে, নট এভরি ওয়ান গট দ্যাট লাক।

অ.ট. লিখাটা দারুণ হইসে X(
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৩৬

লেখক বলেছেন: তা ঠিক,আমার বন্ধুত্বের স্মৃতি ভাল। তবে স্কুলের না হোক,কয়দিন পরে পাশ কইরা গেলে কিন্তু আর্কি বিল্ডিংয়ের স্মৃতিও কম পোড়াইবো না,অফ মুড আরো অফ হইবো,বুইঝা:)

২৯. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫৬
নাহিন বলেছেন: এই না হইলে বড়ভাই??
দিলেন তো মনে করায়া... এখন কাঁদতে বসলে আমারে সামলাবে কে?? বলেন...
কাজ পান না এই মুডে পাশ করার কথা মনে করায়া দেন X(X(X(
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫৯

লেখক বলেছেন: এইটা হইলো সাবধানবাণী,কান্নাকাটি সব শেষদিনের লাইগা,আমরাও করসি,লজ্জার কিছু নাই:) আর পাশ করলে বুঝা যাইবো কত ধানে কত চাল,দৌড়ের উপর দুনিয়া,তখন বিপদে বাঁচানির লাইগা পোলাপান থাকবো না পাশে:|

৩০. ১৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
আশিক মাহমুদ বলেছেন: তুই এই পোস্ট দেয়ার জন্য এই দিনটাই কেমনে বাইছা নিলি? আজকের দিনে আমরা আরেকটু বেশি টুকরা-টুকরা হয়ে যাবার ছাড়পত্র পেলাম ....

ফকিরাপুলের সেই বাসার কথা কেমনে ভুলি? আমার পুরা লাইফ ...

মন খারাপ হয়ে গেল ।
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: শাহান,কংগ্রাটস দোস্ত। যাওয়া তো লাগবেই,গত ৫ বছরে যে কথাটা সবচেয়ে বেশি শিখসি সেইটা হইলো আমরা কেউই আসলে একসাথে থাকার জন্য না,আজকে হোক কালকে হোক যাওয়া লাগবেই। একদিক থেকে আমাদের ভাগ্য ভালোই,এখনো যোগাযোগ হয়,আমাদের বাপ-চাচাদের আমল হইলে তো কে কই থাকতো জানতামই না। তবে ঐ বাসা,মিস করি,৫-৭ জনের কয়েকটা বছর ডেইলি রুটিন ছিল স্কুলের ক্লাসের মত। অন্যদের তুলনায় আমার এখনো কাজকর্ম কম,সেইজন্য মনে হয় আমার মন বেশি খারাপ হয়,আর যাই হোক ঐ সময়টা তো আর পাবো না,জীবনে একবারই আসে,অ্যান্ড ফ্লোজ লাইক রিভার। গুড লাক,বেস্ট অভ লাক।

৩১. ১৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫
রোহান বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম...

সবার কৈশরের ছবিগুলাই মনে হয় মিলে যায়... আড্ডাবাজি, গান শোনা...

নভেম্বর রেইন গানটা আগে না শুনে যারা ভিডিওটা প্রথম শুনেছে তারা এর আবেশ থেকে সহজে বেরোতে পারবে বলে মনে হয় না... ইস সুইট চাইল্ড এর ইন্ট্রো আবার মনে করায় দিলেন :(

ডিএক্স বল, এন এফ এস, ফিফা.... আহারে প্রথম কম্পু কেনার সেই দিন গুলা...
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: হেহে,আমি প্রথম কম্পু কেনার পরে টানা ১ মাস মনে হয় ঐটার সামনে থেকেই উঠি নাই,খাওয়াদাওয়াও করতাম ঐটার সামনে। কিন্তু দল বেঁধে হইচই করে গেম খেলা আর গান শুনে নিজেদের বিজ্ঞ মতামত দেয়া,সেইটার আরেক মজা:)

৩২. ১৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
ভেড়া বলেছেন: অসাধারণ ।
পুরাই নস্টালজিক হয়ে গেলাম :( ...
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: আমিও হয়ে গেছিলাম,গানটা নিয়া লেখার সময় মনেই হয় নাই এত কথা একসাথে মনে পড়বে। শাহানের বাসায় সেইরকম আড্ডা জমতো,পোলা সহ্যও করসে আমাদের,হেহেহে।

৩৩. ১৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১
পেন্সিলে আঁকা পরী বলেছেন: অদ্ভুত লাগলো।অদ্ভুত!!
ফকিরাপুলের ঘুপচি গলি, শাহানের ঘর,কম্পুর উপর ফিফায় ঝুঁকে থাকা একদল কিশোরের মুখ, সব চোখে যেন ভাসছে!চমত্‍কার!!

নভেম্বর রেইন গানটা আমিও ক্লাস এইট কি নাইনে প্রথম শুনি। বড়ভাই এর সিডিম্যানের কল্যাণে।মাই ফেভ ওয়ান!
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: আমার গান শোনার যতটাই নেশা তার সবটাই ঐ বাসার অবদান,আরো অনেক কিছুরও। ঐ সময় থেকেই মনে হয় আমি আড্ডা ঘুরাঘুরিটাও শুরু করি,যদিও বেশিরভাগ দিনই দেখা যেত অনেক প্ল্যানপ্রোগ্রাম করে শেষমেশ ঐ বাসাতে বসেই দিন শেষ:)

৩৪. ১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: আমিও লিখবো ... কত গান আছে যেগুলো দিয়ে সময়কে বিশ্লেষন করা যায়... মানে সেই বয়সটা , বা অতীতের কোন অংশ, ঘটনা ...
কিংসটন ট্রায়োর ফাইভ হান্ড্রেড মাইলস , কিংবা বনি এম এর রিভার্স অফ ব্যাবিলন ... কিংবা নো ওমেন নো ক্রাই ...
কিংবা... জনি ডোন্ট ক্রাই... রেইন্ড্রপ্স কিপ ফলিং অন মাই হেড ...
রোনান কিটিং এর ফাদার এন্ড সান... বা ...সব সময়ের জন্য ক্যালিফোর্নিকেশন... কিংবা

কি সব লিখা শুরু করলাম !......... তার ছেড়া ...ধুর

ফারহান ভাই... লেখাটা পড়েই এই অবস্থা... দশ বছর একটা স্কুলে পড়ার ব্যাপার স্যাপার ই আলাদা ...
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: আমি ৮ বছর ছিলাম ঐ স্কুলে,সা'দ ১০ বছর,শাহান ভর্তি হয় ক্লাস সিক্সে,দীপু আর শাওনের সাথে,আর মেহরাব ক্লাস এইটে। গত বছর পর্যন্তও মনে হয় অন্তত ঈদে একসাথে সারা ঢাকা ঘোরা হতো,এ বছর ৩ জন বাইরে চলে যাচ্ছে,শেষ পর্যন্ত মনে হয় আমি ছাড়া আর কেউই থাকবে না। একেকটা গান একেকটা সময়কে নিয়ে আসে,কিভাবে যেন,মনটা খারাপ হয়ে গেল আমার নিজেরই।

৩৫. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:৫৭
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব সুন্দর ন্যাপথোলিন এর গন্ধমাখা লেখা।

আমাদের ছেলেবেলায় বিনোদন ছিলো গান আর বইপড়া।
ইংরেজী গান শুনতাম ওয়ার্ল্ড মিউজিক এ আর এর ওর কাছ থেকে পাওয়া ক্যাসেটে........

এখনো কিছু গান শুনলে অনায়াসে সেই সব দিনগুলোতে যা বহুবছর আগে ফেলে এসেছি।সুর আর গন্ধ এমনি............
আজকাল মাঝে মাঝে বসে ইউ টিউবে অনেক ইংরেজী গান খুঁজি।
গত সপ্তাহে আমার বড় ছেলেকে ডেকে lionel riche আর george michael শোনালাম...........
ও অনেক গান শোনে..........

আর ছোট ছেলে তো সারাদিন গুন গুন করে গান গায়.......
The Final Countdown

লেখা চলুক।
সুন্দর স্মৃতিচারণে।
শুভেচ্ছা ।
অনেক ভালো থেকো ফারহান।


২০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০৯

লেখক বলেছেন: জর্জ মাইকেলের লাস্ট ক্রিসমাস,অলটাইম ফেভারিট:) ফাইনাল কাউন্টডাউনও মন্দ না। ওয়ার্ল্ড মিউজিকটা কি আপু?

৩৬. ২০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: এই পোস্টটা একটু দেরি করে পড়লাম, তাও ভাগ্যিস পড়লাম ...

এত নস্টালজিক লেখা অনেক অনেক দিন পড়ি নাই, বাধ্য হয়ে ঘুম বাদ দিয়ে লগাইতে হইল ...

আমার সত্যিকারের গান শোনা শুরু হইছে আইইউটি গিয়া, শাহানের একটা বড় ভূমিকা আছে তাতে ... এবং মজার ব্যপার হচ্ছে, নভেম্বর রেইন গানটা আমাকেও প্রথম শোনাইছে শাহান, ওর সেই ঝরঝরা ভাংগা উইন্ডোজ নাইন্টি এইট পিসিতে ... লজ্জার মাথা খেয়ে বলেই ফেলি, গানটা তখন বিশেষ কিছু মনে হয় নাই ... কিন্তু তাও কপি করে নিছিলাম, বাসায় তিন মাসের বন্ধে যখন ঝিমাচ্ছি তখন হঠাৎ গানটার প্রেমে পড়ে গেলাম ... বন্ধ শেষে হলে ফিরে শাহানরে বললাম, সে দিল ঝাড়ি, লাইত্থামু বা এই টাইপ কিছু একটা; প্রথমবার ভালোলাগে নাই ক্যান তাই :-p

সেই গানবন্দী দিনগুলি আর ফিরে আসবে না ... দিল চাহতা হ্যায় মুভির মতই ছিটকায় গেছি আমরা এক এক জন এক এক দিকে ... আমাদের সাত আটজন ফ্রেন্ডের খুব চমৎকার একটা দল ছিল; সেই দলের শাকিল এখন অস্ট্রেলিয়া, আশিক ইংল্যান্ড, সাব্বির আলবার্টা, বিজয় বাছাবাছি করতেছে ওয়াটারলু নাকি ইউরোপ, পারভেজ ঢাকায় সংসারি ব্যস্ত কর্পোরেট, আমি নোভা স্কশিয়া, আর শাহান আজকে আম্রিকার ভিসা পাইলো ... আমার খুব ভয় লাগে এই সাতজন আর কোনদিনই মনে হয় আর একসাথে হব না ...

নাথিং লাস্টস ফর এভার, ইভেন কোল্ড নভেম্বর রেইন ...
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: কিংকর,ম্যালাদিন পরে তোমারে দেইখা ভাল লাগলো,যদিও তোমার লেখা আমি ফলো করি।:)ঐ ঝরঝরা পিসি আমার অনেক কিছুর প্রথম,আমারে ইন্টারনেটে ঘুরাও শিখাইসিলো শাহান,পয়লা মেইল অ্যাড্রেসটাও সে খুইলা দিসিলো, তখন পড়ি কলেজে। কলেজে উঠার আগেই আমি বাদে বাকিরা পিসি কিনছিলো,কিন্তু তাতে শাহানের বাসায় উৎপাত বন্ধ হয় নাই,সবাই ঐখানেই গিয়া থানা গাড়সিলাম। ঐ বাসায় মোটামুটি রেগুলার গুঁতাইতাম ৬ জন,ঈদে ঘুরাঘুরির সময় যোগ দিতো আরো ২-৩ জন। আগামী বছর নাগাদ আমি বাদে সবাই মনে হয় নানা দেশে ছড়ায়া যাবে,আসলে কোন কিছুই থাকে না,কেউই না। বছর দেড়েক আগেও তুমি যখন জিপিতে ছিলা,ভোরবেলা অফিসে ডিউটি মারতা আর আমি তখন ফাইনাল টার্ম পার করার চেষ্টায় আছি,পড়া বাদ দিয়া ব্লগে আড্ডা মারতাম তোমার লগে। এখন তোমার থানা আরেক জায়গায়,লেখা পড়লেও মন্তব্য করার অনুমতি নাই,আড্ডাও শিফট হয়া গেসে,ভার্চুয়াল জীবনেও বাস্তবের মতই সবকিছু বদলাইতে থাকে। কোন কিছুই আসলে আর ফিরে না।

৩৭. ২১ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:০৭
হাসান মাহবুব বলেছেন: সেরাম একটা গান। সারাজীবন ধৈরাই শুনার মত। এখন আবার ছাড়লাম। মনডা উদাস কৈরা দিলেন (উদাস হওয়ার ইমো)
২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: এখনো শুনলে উদাস হয়াই যাই। (উদাস হওনের এখটা ইমো থাকা জরুরী)

৩৮. ২১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১
শাওন বলেছেন: গানটা শুনে দেখি আগে । চলছে গান চলছে
২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: এখনো না শুনেল শুনতেই হইবো।:)

৩৯. ২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৫২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কম্পিউটার জীবনে ফাস্ট দেখি ৯৭ এ। আর সেইদিন উইন্ডোজ ফুইন্ডোজ দেখি নাই, দেখছিলাম এ্যাডাল্ট ফিল্ম। আর নিজের লিগা হয় ২০০০ সালে, তখন ফাস্ট যেইডা দেখি সেইডাও এ্যাডাল্ট।

তবে নভেম্বর রেইনটা শুনছিলাম ১৯৯০ এর দিকে যখন গানস এন রোজ একসাথে দুটা এ্যালবাম বাজারে ছাড়ে। তখন থিকাই মনে গীটারের টিউনে ফেসিনেশন জাগে। খুব ইচ্ছা ছিলো গীটার শিখনের, সেইডা না শিখা তখন শিখছিলাম মারামারি!

এইডাই হইলো লাইফ!
২২ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: গীটারের চেয়ে মারামারি কাজে লাগে বেশি,সন্দেহ নাই। গীটার একখান কিনছিলাম,১ মাস ট্যাং ট্যাং করতে গেল তার ছিঁড়া,আর লাগাই নাই,ঐখানেই সমাপ্তি। এখন গীটারের বদলে হাতুড়ি বাজাই। হ,এইডাই লাইফ।

৪০. ২২ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৪০
অদ্রোহ বলেছেন: একটু দেরিতে কমেন্টাইলাম,নিজগুনে ক্ষমা কইরা দিয়েন।
বুয়েট লাইফের শুরুর দিকে কিন্তু আমাদের কারোরই পিসি ছিলোনা।(এখন তো পিসি অনেক পরের কথা,জনে জনে নেট কানেকশনই আছে।) ১-১ এর আঁতলামো তখনও আমরা কাটাইতে পারিনাই।তো সেই সময় আমাদের বিনোদনের অন্যতম সঙ্গী ছিল আমার রুমমেটের একটি এমপি ফোর প্লেয়ার।মাত্র দুই গিগার হইলেও রবীন্দ্রসঙ্গীত থেকে শুরু কইরা ডেথ মেটাল,মোটামুটি সব ধরনের গানই ছিল।আফসোস,একদিন ওই সাধের এমপি ফোর প্লেয়ারটা বিলকুল ভ্যানিশ হইয়া যায়।এরপর দেখতে দেখতে দেড় বছর পার হইয়া গেল,প্রত্যেকের পিসি হইল,রুমমেট তিনজনের ব্যক্তিগত শ্রবণযন্ত্রও হইল,কিন্তু দেশি ব্র্যান্ডের সেই এমপি ফোরে গান শোনার মজা এখনও ভুলতে পারিনাই।
২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: বুয়েটের হলে যারা দরজা খোলা রাইখা ঘুমায়,৪-৫ বছরে একবার হইলেও তাদের কোন সাধের দ্রব্য খোয়া যায়,তাও পোলাপানের এই অভ্যাস যায় না।:| এইটা আমারেও আরেকজন কইতাসিলো,যে সাদা-কালো টিভি দেইখা সে যে মজা পাইতো সেইটা সনি টিভি দেইখা পায় না।:) মানুষ আসলে একগাদা স্মৃতির সমষ্টি,ঐটা গেলো তো সব গেলো।

৪১. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: এমুন আরো পুস্ট চাই!!
ভ্রাতা কেমন আছেন?
২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: দৌড়ের উপর আছি,পরীক্ষা পাশ করার চেষ্টা করতাসি।

৪২. ২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩৫
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: কমেন্ট প্রিয়তে নেয়া গেলে এই পোস্টের প্রথম কমেন্ট টা রে নিতাম।

লেখাটা খুব সুন্দর লেগেছে আমার কাছে ধূসর স্কেচে শৈশব কৈশোরকে দেখার চেষ্টা। তোমার আইডিয়াল স্মৃতিচারঙুলোকে একদমই নিজের গল্প মনে হইলো। এই পোস্ট থেকে কাদের স্য্যারের খবরটা জানলাম।
জামশেদ আলী স্যার------ওরে বাপস। তার হাতে মাইর প্রায়ই খাইতাম। আমার প্রথ ক্লাশ টিচার আহম্মদ আলী মৃধা স্যারের কথা খুব মনে পড়ে মাঝে মাঝে। মুরগি মাসুদ রে ভালা পাইতাম। পাগলা আনোয়ার সয়ারের কথা ও মনে পড়লো। টাইগার স্যারের সাথে ফুটবল নিয়া বিরাট আলোচনার কথাও মনে পড়ে......... দারুণ পোস্ট।
২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৫

লেখক বলেছেন: সেইরকম কমেন্ট না? খিক খিক:)

জেমসের মাইর কম খাইসি,এখবার খালি মার্কস কম পাওয়াতে পয়লা ৫টারে খালি হাতে পিটাইসিলো সেইটা মনে আছে। মৃধা স্যার আমারো ক্লাস টিচার ছিলেন নাইনে, আমাগোরে ভালো পাইতেন,ম্যালা বান্দরামি করসি তখন। মুরগি তো ঐ চিকনা বেত দিয়া বাইরাইতো,ঐ মাইরটা এড়ানির উপায় ছিল না,ডেইলি টিফিনে বান্ধা। টাইগার স্যার ক্যান্সারে মারা গেছেন,আমরা টেন-এ থাকতেই,খুবি খারাপ লাগসিলো।

৪৩. ২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০৭
মার্ক জুবাবের বলেছেন: নস্টালজিক পোষ্ট, স্মৃতিকাতর দিন গুলো, কৈশোর পার হয়ে প্রথম যৌবনের দিনগুলো...

ভাল লাগল পড়ে।
২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৯

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য।

৪৪. ২৪ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এত রাতে ব্লগে কি কর ভ্রাতা?
২৪ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: হেহে,সামনে পরীক্ষা,পাশ করার দৌড়ে আছি,ব্লগ এখন মেসেন্ঞ্জারের মত খোলা রাখি। কত লোকে ব্লগ থাইকা ভাগলো,আমার যাওয়া হইলো না:( আপনের খবর কি?

৪৫. ২৪ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: যাইয়েন না। ফারহান দাউদকে এখনও ব্লগে দেখি বলেই ব্লগটাতে এখনও নিজের লোক আছে বলে ভাবতে পারি

তেল দিয়ে দিলাম :)
২৪ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: হুম,বিশ্বাবাজারে তেলের দাম কমসে,তবে আপনা লোক কইলে তেল লাগে না সেইটা। ভালা আছেন নাকি?

২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: :)

৪৭. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:০৫
ফেরারী পাখি বলেছেন: সময় নাই, তোমারে নিয়া একটা লেখা লিখছি। পইড়া বইল কেমুন হইছে।

নভেম্বর রেইন আমার প্রিয় গানের একটি।
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: অধমরে নিয়া লেইখা ব্যাপক লজ্জা দিলেন:)

৪৮. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
এরশাদ বাদশা বলেছেন: মন হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। গানটা শোনার পর থেকে কেমন এক অদ্ভুত নস্টালজিয়ায় ভুগছি। বারবার কৈশোরের উদ্দাম দিনগুলি স্মৃতিতে কড়া নাড়ছে। কতো মজার দিনছিলো। আপনের লেখার বিষয়বস্তু খুবই কমন। কিন্তু যথারীতি লেখনীর গুনে এতো সুখপাঠ্য হয়ে উঠে...
০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: কমন মানুষ ভাইজান,সেইজন্যই বিষয়বস্তু কমন,লেখক হওয়ার তো ইচ্ছা নাই:) এই যে আপনারা পড়েন,২-৪ কথা বলেন, আলাপসালাপ হয়,এইটা বিরাট একটা পাওনা।
আপনেরা তো বুড়া হইসেনই,আমরাও মনে হয় বুড়া হয়া গেলাম,খালি আগের কথা মনে পড়ে:(

৪৯. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০১
নুশেরা বলেছেন: নক নক নক!!! চার মাস চলে গেছে...
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: অনেকগুলো মাথায় ছিল, কেন জানি লেখা হয় না।:(

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৫৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
খুব সাধারণ মানুষ ..এখনো বেকার,পড়ছি পুরকৌশল এ। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ