আমার প্রিয় পোস্ট
- বিবিসির অসাধারণ একটি ডকুমেন্টারিঃ সেরা সাই-ফাইও হার মানবে - বিডি আইডল
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ট্রেকিং, ব্যাগ পেকিং আর হাইকিং, এডভেঞ্চারের সাথে মিশে যান প্রকৃতির সাথে - সৌম্য
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫০ (যা চেয়েছি, যা পাবো না --সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- হার-জিত - আশরাফ মাহমুদ
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- সন্ধ্যা ৪ - মাহবুব মোর্শেদ
- সাংবাদিকতার গায়ে 'হলুদ' - ফয়সল
- আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে... - আস্তমেয়ে
- গুগল কথন - ৪ : ব্রিন আর পেইজের কথা - রাগিব
- হারিকেন - দ্য ডিভাইন উইন্ড (৩) - তানভীর
- ঢাকা, মৃতের শহর । । ঢাকা, সিটি অব দ্যা ডেড । । টাইম ম্যাগাজিন। সোমবার, মে ৩, ১৯৭১ - এহহামিদা
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- : আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ : - নজমুল আলবাব
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
খেলায় খেলায় দিন আর দুপুরের মেঘমল্লার
০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
গতকাল থেকে টানা খেলা দেখে যাচ্ছি,না,রূপকার্থে না,আক্ষরিক অর্থেই। এমনিতেই কাজকর্ম ফেলে খেলা দেখার ঘটনা কম নেই,আর এখন বেকার জীবন কাটানোর জন্য ভাল একটা বুদ্ধি,অন্তত খেলা দেখার জন্য পিতৃদেব তাঁর হোটেলের অন্ন বন্ধ করবেন না এই ভরসা আছে। আগে দলবল নিয়ে দেখা হতো,ইদানিং অন্যরা কেজো হয়ে যাওয়াতে বাসায় অত্যাচার কমেছে,মাঝে মাঝে একা একাই "ঈঈঈ হাহাহা হো হো ইয়াহু ঈঈঈয়াহহহ খাউ খাউ" জাতীয় বিচিত্র চিৎকার করে মাতৃদেবীর আত্মার পানি শুকিয়ে দিই,তবে অভ্যস্ত বলে একবার ভ্রুকুটি ছাড়া তেমন একটা তিরস্কার জোটে না।
টানা অত্যাচারের শুরু গতকালকের বিশ্বকাপ ফুটবলের এশিয়ান কোয়ালিফায়ার দিয়ে। স্বাভাবিক সময়ে অবশ্যই দেখতাম না,তবে ম্যাচটা উত্তর কোরিয়ার সাথে ইরানের,আর উত্তর কোরিয়ানরা কিভাবে ফুটবল খেলে সেটা নিয়ে একটা কৌতুহল আছে। এমন এক দেশ যাদের দেশে কোন লীগ হয় কিনা,কিভাবে তারা খেলোয়ার বাছাই করে সেটাই বাইরের দুনিয়ার কাছে একটা রহস্য।শুধু খেলার সময় হলে দেখা যায় একটা দল পাঠিয়ে দেয় আর সেই দলটা মন্দ খেলে না। মোটামুটি তাদের পাগলা প্রেসিডেন্টের মতই কাজকারবার,এরা আবার বিচিত্র জাতি,নিজেদের হোম ম্যাচও মাঝে মাঝে বাইরে খেলে। কালকে অবশ্য নিজের মাঠেই খেলেছে,পুরো লালে লাল গ্যালারি দেখে ২০০২ বিশ্বকাপের দক্ষিণ কোরিয়ার কথা মনে পড়লো। মোটের উপর ম্যাড়ম্যাড়ে খেলা,০-০ ড্র করে ইরান বাদ,কোরিয়ানদের সুযোগ আছে এখনো বিশ্বকাপ খেলার।
মাঝে দুপুরে একটা ঘুম দিয়ে বসলাম টি-২০ তে অস্ট্রেলিয়া আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলা দেখতে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এই খেলাটায় ঠিক অভ্যস্ত হতে পারিনি,ক্রিকেটের সৌন্দর্য হরণের জন্য এমন আদর্শ কোন কিছু আর আসেনি বলেই মনে করি। কোথায় লারা'র সেই কভার ড্রাইভ আর এক পা তুলে পুল,কোথায় সৌরভের সেই অফড্রাইভ,কোথায় মার্ক ওয়াহর সেই ফ্লিক? লেট কাট,গ্ল্যান্স,এমন অনেক অপূর্ব শট হারিয়েই যাচ্ছে,বদলে দেখা যাচ্ছে জানোয়ারের মত গায়ের জোরে মারার চেষ্টা।ক'দিন পরেই রেসলাররা ক্রিকেটে ভাল একটা জায়গা করে নিতে পারে, যার গায়ে যত জোর সে তত দূরে বল পাঠাবে। চিয়ারলিডারদের নাচানাচি নিয়ে কথা না-ই বা বললাম,একটা টেবিলের উপর যথেষ্ট বাজে ভঙ্গিতে একদল মেয়ে শরীর দেখাচ্ছে,এটা নারীবাদীদের আনন্দ তো দেবেই না,জিনিসটা যথেষ্ট হাস্যকরও বটে। ক্যাবারে দেখতে বারে যাওয়াই উচিত,সেটাকে ক্রিকেট মাঠে আনার দরকার ছিল না,কর্পোরেট থাবা কি অশ্লীল জিনিস এটা তার একটা ভাল উদাহরণ হতে পারে। তারপরেও দেখি কাজ না থাকলে,কালকেও দেখলাম,২-১ ওভারেই এখানে খেলার নিষ্পত্তি হয়ে যায়,কাল অস্ট্রেলিয়া ১ম ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে খেলাটা হারিয়ে বসেছিল,আর ফিরতে পারেনি। আর গেইলের দানবীয় ব্যাটিং সেই হারটাকে ত্বরান্বিতই করেছে।
তবে যে কোন ক্রিকেটেই যে দলের কোন বদল হয়না তার নাম বাংলাদেশ,ম্যাচ হারার চেয়ে যাদের কাজকর্ম দেখেই মেজাজ খারাপ হয় বেশি। মাশরাফি দিন দিন শ্রদ্ধা হারাচ্ছে ভক্তদের,একটা দলের সবচেয়ে সিনিয়র (এবং সেরা,অন্যদের দাবীমতে) বোলার হয়ে স্লগ ওভারে বল করার সাহস হয় না,মাত্রই কয়েকটা ম্যাচ খেলা রুবেলকে সোজা বাঘের মুখে ছেড়ে দেয়ার পরেও মাশরাফি মুখ দেখায় কিভাবে কে জানে! ফাস্ট বোলার গতি দিয়ে হয় না,হয় সাহস আর অ্যাটিচুড দিয়ে,আর মুরগির কলজে নিয়ে নিজেকে পেসার দাবী করা যায়না,এটা মাশরাফি যত তাড়াতাড়ি বুঝবে ততই মঙ্গল।বাংলাদেশের ২ জন এ+ গ্রেড(চুক্তি অনুযায়ী) খেলোয়ারের উপরই মেজাজ খারাপ,আশরাফুল বরাবরের মতই গাধার মত খেলে আউট,তামিমও মাথা খাটাতে পছন্দ করে বলে মনে হয় না,সাথে গতকাল সাকিবও যোগ দেয়াতে এই ফলই যথেষ্ট ভাল বলতে হবে। মুশফিকুর রহিমের নামের বালকটার কানে ধরে দু'টো চটকানা দেয়ারও সময় হয়েছে,এমন কোন ম্যাচ স্মৃতিতে আনতে পারি না যে ম্যাচে মুশফিক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কোন ক্যাচ বা স্ট্যাম্পিং করতে ব্যর্থ হয়নি। গতকাল ২ রানে যুবরাজের স্ট্যাম্পিং মিসের মূল্য বাংলাদেশকে ম্যাচটা হেরেই দিতে হলো।
বাংলাদেশের খেলা দেখার পরই বসেছিলাম ব্রাজিল বনাম উরুগুয়ের খেলা দেখতে। বেশ কিছুদিন পর ব্রাজিলকে তাদের মত খেলতে দেখলাম, ফ্রি ফ্লোয়িং আক্রমণাত্মক ফুটবল,ফলাফলও সেটাই বলে,৪-০। তবে রাত ৩টায় খুব আশা নিয়ে আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে বসে আশাহত হয়েছি,১-০ তে জিতলেও খেলা ছিল চরম এলোমেলো,উল্টো গোলকিপার ভাল না খেললে হেরেও যেতে পারতো কালকে। মেসি আর তেভেজ তাদের লীগের খেলার দশমাংশও দেখাতে পারেননি,গোলটাও যে একেবারে চাপিয়ে খেলার ফল তাও না। আগুয়েরোকে এখনো খুব ভাল খেলতে দেখিনি কখনো, খানিকটা ওভাররেটেডই মনে হয় এটাকে। সারা ম্যাচ সাইডলাইন ধরে হাঁটাহাঁটি করা ম্যারাডোনার দুশ্চিন্তার কারণ আছে বৈকি। তবে শত্রুও কখনো কখনো উপকার করে,আর্জেন্টিনার গায়ে লেগে থাকা উরুগুয়েকে ধোলাই দিয়ে ব্রাজিল আর্জেন্টিনাকে নিরাপদ করে দিয়েছে কালকে।![]()
সারারাত খেলা দেখার ফল হলো একেবারে সকালে নাস্তা করে ঘুম,সেটাও শান্তির হলো না মায়ের কারণে। যতই বেকার থাকো সারাদিন ঘুমানো চলবে না,উঠতে হলো। গরমটাও পড়েছে সেরকম,হাঁসফাঁস করছি আর ভাবছি কি করা যায়। কিভাবে জানি না,দুপুরে ১০ মিনিটের মাঝে ঝড়ো বাতাস শুরু হয়ে গেল,আস্তে আস্তে শিশিরকণার মত টুপটাপ থেকে ঝিরঝির আর তারপরেই মুষলধারে নেমে গেল বৃষ্টি। হাত দু'টো বাড়িয়ে পানি নিচ্ছি,পাশের বাসায় বছর দু'য়েকের ১টা বাচ্চা আছে, চেঁচাচ্ছে,পানি! পানি!! এখনো বৃষ্টি বলতে শেখেনি,কিন্তু বর্ষার দেশের মানুষ তো,আনন্দ দেখে কে! পাশের ছাদের আণ্ডাবাচ্চাগুলোকে ভিজতে দেখে হঠাৎই নেমে গেলাম নিচে,বাসার ট্রাউজার আর টিশার্ট গায়েই। পেছন থেকে মা হইহই করে উঠলো,ঠাণ্ডা লাগবে,ঠাণ্ডা লাগবে। লাগবে তো জানিই,তো? ভিজে আসি,পরে দেখবো। এই শহরে ভেজার মাঠ কোথায়? সদর রাস্তাই ভরসা। ফুটপাথ ধরে হাঁটছি অবশ্য,নয়তো বেরসিক বাস কোনটা চাপা দিয়ে বসতে পারে। লোকজনের অত রং নেই,কোনমতে দোকানের সানশেডের নিচে জায়গা করে নেয়ার জন্য ঠাসাঠাসি,এটিএম বুথগুলোও সাময়িক আশ্রয়ের জন্য মন্দ না। এই দুপুরে কেজো লোকজনের জন্য বৃষ্টি একটা যন্ত্রণা,স্বীকার করি। রিকশাওয়ালারা নবাব বনে যায়,আর বাসে ওঠা মুশকিল,উঠলেও ছাতার ঝরা পানি নিয়ে নিত্য ঠোকাঠুকি,ছাতায় ছাতায় মারামারি,এতো নিজের চোখেই দেখা। হিম বাতাসে গায়ে কাঁপ ধরে যাচ্ছে,এই গরমকালের বৃষ্টিও এত ঠাণ্ডা কিভাবে হয়? ফেরা দরকার,বেশি রোমান্টিসিজম ভাল না। ফেরার পথে দেখি কয়েকটা স্কুলের ছেলেমেয়ে ব্যাগ সমেত কাকভেজা হচ্ছে মহানন্দে,আহা,কি জীবন ছিল একটা,ওদের মতই কতদিন ব্যাগের বইখাতা ভিজিয়ে বাড়ি ফিরে চুলার উপর নিউজপ্রিন্ট শুকিয়েছি। দীর্ঘশ্বাস সামলাই,ব্যস্ত শহরে স্মৃতিকাতর হবার সময় নেই। মজা লাগলো দেখে,আরো কয়েকজন শুধুশুধুই ঘোর বৃষ্টিতে নেমে গেছে ভেজার জন্য,চুপচুপে হয়ে গিয়েও তাদের মুখে আনন্দের ঝিলিক।
সুমন চ্যাটার্জি,আপনার শহরে রিয়েলিস্টিক মেঘমল্লার শোনে কিনা জানি না,আমার পাথরের শহরে কিন্তু এখনো বাস্তববাদীরা বৃষ্টিতে ভেজে,ভিজবে আরো অনেকদিন।যতদিন বৃষ্টি হবে, আমাদের মনেও সবুজ লতার ফসল ফলবে, কথা দিচ্ছি সুমন,দেখে নেবেন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এলোমেলো ;
প্রকাশ করা হয়েছে: খেলাধুলা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: একদম ঠিক। ওয়াকারের বা লী-এর মত সুপারফাস্ট বোলারদের ভয়ংকর বাউন্স আর ইয়র্কার দেখাই যাইতো না টি-২০ হইলে,কারণ এইখানে বোলারদের এক্সপেরিমেন্ট করার সুযোগই নাই।![]()
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ![]()
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
কুড়িকুড়ি ম্যাচ সম্পর্কে আপনার মন্তব্যই যথার্থ। আর বৃষ্টি সম্পর্কেও। আজো এই অপূর্ব বরষা দেখেছি থাই গ্লাসের পেছন থেকে, ডিএলডি ল্যাবের ভেতরে কেটেছে দুঃসহ সময়টা। মনকে স্বান্ত্বনা দেই এইতো ৯ তারিখ এন্ট্রান্স ডে চলে এল, এর মানে অর্ধৈক বুয়েট লাইফ চলে গেল এরপর .... এরপর কি আসলেই ভিজতে ইচ্ছে করবে এখনকার মতো ?
লেখক বলেছেন: এখন তো তাও থাই গ্লাসের পিছন থাইকা দেখতে পারো,চাকরি যখন করবা তখন ঐটাও দেখতে পারবা না
নেহাৎ আমি বেকার মানুষ তাই মাঝে মাঝে দেইখা সময় কাটাই![]()
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
কালকে বহুদিন পুরো একটা ম্যাচ দেখলাম টি-টোয়েন্টির। জুনায়েদ সিদ্দিকী যাওবা একটু প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, কিন্তু এই আশরাফুলটা যে কিভাবে এ-প্লাস গ্রেডে পড়ে, বুঝি না ঠিক। ওকে মানসিক ব্যাধি বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত অনতিবিলম্বে।
লেখক বলেছেন: আশরাফুলের পুরান স্টাইল,একটা বাজে শট খেলে আউট হয়ে এমন কান্না কান্না একটা মুখ করবে যেন জীবনে পয়লা এমন ভুল করলো,আর জীবনেও করবে না,এবং পরের দিন ঠিক একই কাজ করবে। ব্যাটিং গড় টেস্টে ২২,ওয়ানডেতে ২১,৬ মাসে একটা ভাল ইনিংস খেলে কি খেলে না,এরে রাখসে এ+ গ্রেড,দুনিয়াটাই তামাশা।![]()
অন্যরকম বলেছেন:
+কোথায় লারা'র সেই কভার ড্রাইভ আর এক পা তুলে পুল,কোথায় সৌরভের সেই অফড্রাইভ,কোথায় মার্ক ওয়াহর সেই ফ্লিক? লেট কাট,গ্ল্যান্স,এমন অনেক অপূর্ব শট হারিয়েই যাচ্ছে,বদলে দেখা যাচ্ছে জানোয়ারের মত গায়ের জোরে মারার চেষ্টা।
টি-২০ দেখতে খুব একটা ভাল লাগে না এজন্য!
লেখক বলেছেন: লারা-শচীন-সাঈদ আনোয়ারের যে ব্যাটিং,আর গিলক্রিস্টের ক্লাসিক্যাল তাণ্ডব,ওয়াসিমের সুইং,ডোনাল্ড আর আর্থারটনের লড়াই,মিস করি। অ্যাশেজটা দেখতে হবে।
অন্যরকম বলেছেন:
হুমম.. কর্পোরেট জিনিসটা একটা বিষ। পল্যূউটেড, কনটামিনেটেড। এটা যেইখানে থাবা মারছে, সেইখানেই সৌন্দর্য্য নস্ট হইছে। আর ক্রিকেটে এইটা নস্ট করছে আইপিএলের মত টুর্নামেন্টের কারণে।আইসিসি একটা পুরাই নপংসুক। এত দ্রুত খেলার ফর্মেট বদলায়, ক্রিকেটের ক্ট্যাবিলিটিটাই নস্ট করে ফেলছে।
টি-২০ আইপিএলেই থাকা উচিৎ। আর জাতিগত খেলা টেস্ট এবং ওয়ানডের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিৎ!
লেখক বলেছেন: ললিত মোদী একটা চিড়িয়া,যাই কন। সমস্যাটা হইতে পারে, পাতানি খেলা আর জুয়াড়িরা ঢুকতে পারে,যেখানেই পাকি-ইন্ডির দাপট ঐখানেই এরা কমন। আইসিসি আগে ছিল সাদা চামড়াদের দাস,এখন ভারতের,বাকিদের জন্য লবডংকা।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
দারুন উপস্থাপনা।
ভালো লাগল।
তাই ভালো লাগা রেখে গেলাম।
ভালো থাকুন।
শুভ রাত্রি।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। কেমন আছেন?![]()
সৌম্য বলেছেন:
যে যাই বলুক আশরাফুল বছরে ১টা এমন ইনিংস খেলবে সারাজীবন মনে রাখার মতো। আমার যখন খুব মেজাজ খারাপ হয় ইউটিউব থেকে আশরাফুলের ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ৯৪ রানের ইনিংসটা দেখি। ইংলিশরা জীবনে ভুলবে না ঐটা।
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের মত দেশে কনসিস্টেন্ট পারফর্মার খুব বেশি দরকার সৌম্য ভাই,এক ইনিংস ভাঙ্গায়া বেশিদিন চলা যায় না। বিনোদ কাম্বলির কথা মনে আছে? শচীনের চেয়েও প্রতিভাবান ধরতো,ডাবল সেন্ঞ্চুরি দিয়া শুরু,শেষমেশ হারায়া গেল। অথবা হাসান রাজা? সবচেয়ে কম বয়সে শুরু,তারপর আর পাত্তা নাই। অত দূরে যাই ক্যান,আল-শাহরিয়ার রোকনরে মনে নাই? খেলাধুলাও নিষ্ঠুর জিনিস,কাউরেই মাফ করে না,আশরাফুলের নিজের টিকে থাকার জন্যই তার মাথাটা আরেকটু খেলাতে হবে,নাইলে খুব তাড়াতাড়িই চ্যালেন্ঞ্জার উঠে আসবে,তখন আর তার দেখা মিলবে না।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
যথার্থ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
আপনাকে কম দেখি,আছেন কেমন?
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
আশরাফুল একটা আবাল, কিন্তু ঝামেলা হইলো কাউরে বাদ দিতে হইলে তার চেয়ে ভালো একটা বিকল্প থাকা লাগবে, বাংলাদেশে কে আছে? যেদিন আশরাফুলের চেয়ে কনসিস্টেন্ট কোন ব্যাটসম্যান পাওয়া যাবে, সেদিন ওর পোঁদে লাথি দিয়ে বের করে দেয়া উচিত, তার আগে গালাগালি করা আসলে অর্থহীন ...হাবিবুল বাশাররে ক্যাপ্টেন্সি থেকে বাদ দেয়ার দাবিতে কম ব্লগ লেখা হয় নাই, কি লাভ হইছে তাতে?
কোন রকম ক্রিকেটই এখন আর দেখি না, ভাল্লাগে না ... ফুটবল রকস :-D
আগুয়েরো খুব একটা খারাপ না, কিন্তু ওকে যেইভাবে পাবলিসাইজ করা হয় এত ভালো কখনও মনে হয় নাই ... আর ম্যারাডোনা কোচ হিসাবে একদমই সুবিধার না, মেসি-তেভেজ-আগুয়েরো একসাথে খেলার উপযুক্ত না এইটা তার বোঝা উচিত ছিল ... এরা তিনজনই সাপোর্ট স্ট্রাইকার, নিচে নেমে বল বানায়ে খেলে ... উচিৎ ছিল এদের যেকোন একজনকে বসায়ে সামনে হিগুয়াইন কিংবা মিলিতোর মত বক্স-টু-বক্স স্ট্রাইকার খেলানো, যেমনটা করে ক্লাবগুলি এই তিনজনের পাশে ইতো-ফোরলান কিংবা বারবাটোভরে খেলায়ে ...
লেখক বলেছেন: কিংকং,আশরাফলের ব্যাটিংয়ের মানের চেয়ে রাগটা বেশি ওর ঐ "আবাল" মার্কা খেলার জন্যই। একটু চিন্তা করে খেলতে কিন্তু খুব ভাল খেলোয়ার হওয়া লাগেনা। ৯ বছর ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট খেলার পরে এইটুক পরিণতিবোধ না থাকলে আসলেই সে ধাতানি খাওয়ার যোগ্য।
ম্যারাডোনা কিন্তু মিলিতোরে নামাইসিলো পরের হাফের শুরুতেই,সুবিধা হয় নাই,আর্জেন্টিনা খেলছেই বাজে। যে বল বানানির কথা বলছিলা,সেইটাও বানাইতে পারে নাই মেসি বা তেভেজ কেউই। জাতীয় দলের চেয়ে আসলে সবারই ক্লাবের দিকে কমিটমেন্ট একটু বেশিই থাকে মনে হয়
তবে আর্জেন্টিনা বাতিস্তুতার পরে আর কোন জাতের স্ট্রাইকার পায় নাই,এইখানেই ব্রাজিলের সঙ্গে ওদের তফাৎ,ব্রাজিল বরাবরই বিশ্বসেরা স্ট্রাইকার পয়দা করে![]()
অন্যরকম বলেছেন:
@ কিংকর্তব্যবিমূঢ়, অনেকদিন পর আপনাকে দেখলাম!
লেখক বলেছেন: ওর লগে আড্ডা মিস করি।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও কিন্তু অনেকদিন পর দেখলাম,ব্যস্ত খুব? ভাল থাকবেন,যেখানেই থাকুন।
জুল ভার্ন বলেছেন:
চমতকার বর্ণনা।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ![]()
লেখক বলেছেন: খেলা না দেইখা আসলে থাকতে পারি না,এইখানে আমার কোন আপোস নাই![]()
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
কী খবর দাউদ?
লেখক বলেছেন: বেঁচে আছি দাদা,আপনি কেমন?
অদ্রোহ বলেছেন:
এমন সময় পার করেছি যখন নাওয়া খাওয়া ছেড়ে ঘন্টার প ঘন্টা ব্যাট-বলের লড়াই দেখেছি।এরপর ধীরে ধীরে আবিষ্কার করলা,খেলাটি সেই কারিশমা ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে আসছে।এখনকার এই ধুমধাড়াক্কা যুগেও ক্রিকেটে আর মজা পাইনা,ফুটবলই আমার ধ্যান-জ্ঞান হয়ে উঠেছে।তাও বাংলাদেশের খেলা মিস দিইনা,কিন্তু বারবার আশরাফুলের বালখিল্যতা দেখে মেজাজটা খিঁচড়ে যায়।মেঘমেদুর দিনে ডাইনিংয়ে মোটা চালের ভাত মুখে প্রায়ই ভাবি,আর মাত্র দুটি বছর,এরপর এসব দিনের জন্য একদিন আমাকে আফসোস করতেই হবে ।
লেখক বলেছেন: এইবার ঘরে বসে আছি,অ্যাশেজ দেখতে হবে
বের হও,বুঝবা কি মজায় ছিলা,আমরাও আফসোস করি![]()
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
@ অন্যরকম -> থাকি আশেপাশেই, আগের মত ঘনঘন আসা হয় না, তবে অফলাইনে পড়ে যাই ... ফারহানের লেখা মিস হয় না ...আমারে এখনও মানুষজন মনে রাখসে দেখে অবাক হইলাম :-D
লেখক বলেছেন: কিংকং,আশরাফুল তো আজকাও তামাশা দেখায়া দিল। আচ্ছা আমারে কইতে পারবা এমনকি ১১ জনের কোটা পূরণ করার লাইগাও কি রকিবুল ছাড়া আর কোন খেলোয়ার ছিলো না? আজকেও ২০ বলে ১৩,আগের দিন ১২ বলে ৭,এরে তো ওয়ানডেতে নিতেও চিন্তা করা লাগবো![]()
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
খেলা দেখতে আগের মতো মজা পাইনা।টিভি খুললেই খালি পোটর পোটর কইরা চ্যানেল চেন্জ করি!
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের খেলা আর কয়দিন দেখলে আমারো আর কতদিন রুচি থাকে সন্দেহ। যাকগা।
কঁাকন বলেছেন:
ইদানিং খালি মনে হয় খামাখা গরীব দেশের টাকা নষ্ট কইরা হাতি পোষা
লেখক বলেছেন: সেইটাও অকামের হাতি,মানইজ্জতের ফান্ডা করা ছাড়া আর কোন কাজ করে না।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
সুমন চ্যাটার্জি,আপনার শহরে রিয়েলিস্টিক মেঘমল্লার শোনে কিনা জানি না,আমার পাথরের শহরে কিন্তু এখনো বাস্তববাদীরা বৃষ্টিতে ভেজে,ভিজবে আরো অনেকদিন।যতদিন বৃষ্টি হবে, আমাদের মনেও সবুজ লতার ফসল ফলবে, কথা দিচ্ছি সুমন,দেখে নেবেন।ফাট্টাফাট্টি লিখেছেন!!
লেখক বলেছেন: আমার মা ৪টা পর্যন্ত বসে ছিলেন আকাশে মেঘ দেখে, বৃষ্টি নেমেছে, ছাদে গিয়ে ভিজেছেন, তারপরে অন্য কাজ। বেরসিক বৃষ্টির জন্য আমার আজকের টিউশনিটা মাঠে মারা গেল, কিন্তু তাতে তাঁর কি? ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















কালকে ওয়াসিম আকরাম কইতেছে থ্যাঙ্কস গড আমি টি-২০ খেলি নাই। খেললে সেই ওয়াসিম আকরামের সুইং ম্যাজিক হয়তো টেরই পাইতাম না।