আমার প্রিয় পোস্ট
- বিবিসির অসাধারণ একটি ডকুমেন্টারিঃ সেরা সাই-ফাইও হার মানবে - বিডি আইডল
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ট্রেকিং, ব্যাগ পেকিং আর হাইকিং, এডভেঞ্চারের সাথে মিশে যান প্রকৃতির সাথে - সৌম্য
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫০ (যা চেয়েছি, যা পাবো না --সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- হার-জিত - আশরাফ মাহমুদ
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- সন্ধ্যা ৪ - মাহবুব মোর্শেদ
- সাংবাদিকতার গায়ে 'হলুদ' - ফয়সল
- আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে... - আস্তমেয়ে
- গুগল কথন - ৪ : ব্রিন আর পেইজের কথা - রাগিব
- হারিকেন - দ্য ডিভাইন উইন্ড (৩) - তানভীর
- ঢাকা, মৃতের শহর । । ঢাকা, সিটি অব দ্যা ডেড । । টাইম ম্যাগাজিন। সোমবার, মে ৩, ১৯৭১ - এহহামিদা
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- : আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ : - নজমুল আলবাব
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
...................... এবং ১০০
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৯
ছোটবেলায় ক্রিকেট খেলার পাঁড় ভক্ত ছিলাম। সেই কোনমতে কথা বলার বয়স থেকে দেখা শুরু হয়েছে এশিয়া কাপ, ৯২ এর বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে সব বিশ্বকাপের হাতেগোণা কিছু খেলা বাদে দেখা হয়েছে সবই। ৯৬ সালে সার্ক ক্রিকেট দেখা দিয়ে স্টেডিয়ামে খেলা দেখা শুরু, বাংলাদেশে কোন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টই এরপর থেকে বাদ যায়নি। স্বপ্নটাও ছিল ক্রিকেটার হবার, দারুণ সব পুল-হুক-কাভার ড্রাইভ খেলবো লারা'র মত, সেন্ঞ্চুরি করে ব্যাট তুলে দর্শকদের অভিবাদন জানাবো, মাঝে মাঝেই সেই ছবি কল্পনা করে হাত তুলে ফেলতাম। ঘরের ভেতর একটা ব্যাট আর টেনিস বল নিয়ে দেয়ালে বল ছুঁড়ে ১০০ করে কত যে ব্যাট তুলেছি হিসাবও নেই। একটু বড় হয়েই অবশ্য বুঝে গেলাম, খেলোয়ার হবার শারীরিক সক্ষমতা বা প্রতিভা, কোনটাই নেই, পাড়ার মাঠেও সবচেয়ে বাজে খেলোয়ার হিসেবে নাম কিনে ফেললাম, এরপর স্কুল-কলেজের ক্লাসের টিমেও বড়জোর দর্শকসারি ছাড়া আর কোথাও জায়গা পাইনি।
ক্রিকেটার হবার সাধ যখন ঘুচেই গেল, অন্যদিকে মন দিলাম। পাড়ার কিন্ডারগার্টেনে মোটামুটি ভাল ফল করে গুডবয় হিসেবে একটা নামডাক হলো, তখন থেকেই শখ, ভাল ছাত্র হতে হবে। তৎকালীন সময়ে ভাল ছাত্র হবার একটা শর্ত ছিল, গণিতে ১০০ পেতে হবে, তবেই তাকে আইনস্টাইনের নাতি হিসেবে একটা স্বীকৃতি দেয়া যায়। একটা বড় স্কুলে এসেই বুঝে গেলাম, এতদিন ছিলাম বনগাঁয়ে শেয়াল রাজা, আমার চেয়ে অনেক বড় বড় কুতুবও এখানে কল্কে পায় না। গণিতে ১০০ পাওয়ার চেষ্টায় অবশ্য ক্ষান্ত দিলাম না, কিন্তু এবারেও আবিষ্কার করলাম, উপরওয়ালা আমাকে আর যাই দিন, গণিত বোঝার বুদ্ধিশুদ্ধি একেবারেই দেননি। নানা রকমের পুরস্কার ঘোষিত হলো, কিন্তু ১০০ দূরে থাক ৮০ তুলতেই জান বের হয়ে যায়। গণিতে আমার অবস্থা শেষমেশ এতই করুণ দাঁড়ালো যে ক্লাস নাইনের বার্ষিক পরীক্ষায় ৯০ পাওয়াতে খুশি হয়ে বাপ-মা অনেকদিনের দাবী একটা ক্রিকেট ব্যাট আর সত্যিকারের ক্রিকেট বল কিনে দিয়েছিলেন, সেটা দিয়ে বাসার কয়েকটা কাঁচ ভাঙবে জেনেও।
না, রূপকথার মত কোন কাহিনী ঘটেনি, জীবনটা রূপকথাও নয় যে এখানে সবকিছু বদলে যাবে। এখনো আমি ব্যাট ঠিকমত ধরতে জানি না, আর গণিতে দক্ষতা দূরে থাক, দিন দিন ভীতি বেড়েই গেছে, দেশব্যাপী গণিত অলিম্পিয়াডের ব্যাপক প্রচারনাও সেই ভীতি একবিন্দু কমাতে পারেনি। ভার্সিটিতে আসার পরে গণিতের কোর্সগুলোতে পুরো ব্যাচে সর্বনিম্ন গ্রেড আদায় করে "আর্টসের ছাত্র" হিসেবেও নাম করে ফেলেছি। আর সবকিছুর মতই আমার ১০০ করার বা ১০০ পাবার আশা পূরণ হয়নি। তাহলে আজকের এই লম্বা কাহিনী ফাঁদার অর্থ কি? ঘটনা হচ্ছে, আজকে একটা ১০০ করে ফেলেছি। ১টা ২টা করে দীর্ঘ ২ বছর ৭ মাসে সামহোয়্যারইন ব্লগে আমার ১০০ পোস্ট পূর্ণ হয়ে গেল এই পোস্টের মাধ্যমে, আর কেউ না হোক, নিজের কাছে এটা বেশ আনন্দের ব্যাপার বলেই মনে হচ্ছে।
কেউ এসে বলতে পারে, এই নার্সিসিজমের অর্থ কি? তুমি ব্যাটা ১০০ পোস্ট দিয়ে কি দুনিয়া উদ্ধার করে ফেলেছ? বা এই ১০০ পোস্ট দিয়ে কারো কি বিন্দুমাত্র উপকার হয়েছে অথবা এই ১০০ টা লেখার মাঝে কি বিন্দুমাত্র কাজের কিছু আছে? সবক'টারই উত্তর হলো,"না"। তবে ব্যাপারটা কি, মানুষ তো, নিজের আনন্দ অন্যকে বিরক্ত করে হলেও মাঝে মাঝে জানাতে চায়। একটা মোবাইল ফোনের বিজ্ঞাপনের কথা মনে আছে? এক ছেলে কলেজের করিডোরে দাঁড়িয়ে পরীক্ষার ফলাফল দেখছে, সবাই একটানা ফেল, হঠাৎ দেখে, নিজের নামের পাশে লেখা--"পাসড"। আনন্দে কি করবে বুঝতে পারছে না, কখনো লাফ দিয়ে উঠতে চায়, কখনো চারপাশে তাকায়, স্ক্রিনে লেখা ওঠে, শেয়ার ইওর জয়, এসএমএস এভরিওয়ান অ্যাট ব্লা ব্লা ব্লা। নিজের জীবনেও এমন অভিজ্ঞতা আছে, এইচএসসি'র ফল দেখার দিন যখন টেনেটুনে পাশ করি কিনা (২ বছর টেবিল টেনিস খেলা আর ক্লাসে ঘুমানোর কুফল) দেখার জন্য অন্য বন্ধুদের থেকে আলাদা হয়ে কলেজে গেছি, বেশ অপ্রত্যাশিত ফল দেখে চারপাশে তাকিয়ে দেখি, এই আনন্দ জানাবার কেউ নেই, যে ছেলেটা আছে পাশে, তার সাথে তেমন একটা খাতির কখনোই ছিল না। তো কি, তাকেই টেনে নিয়ে গিয়ে আইসক্রিম খাওয়ালাম রিকশাভাড়ার টাকা দিয়ে। খুবই অবাক হয়েছিল, এই ফলাফলে এত আনন্দের কি আছে? আজকে পরিস্থিতিটা ঠিক এমন না, তবে একটা ১০০ যে করেই ফেলেছি, সেটা সবাইকে হইহই করে জানাতে এসএমএস বা আইসক্রিম খাওয়ানোর পয়সাও লাগবে না, ব্লগে জ্বালাতে পয়সা লাগে না।
বকবকটা আরেকটু টেনে লম্বা করি। সমসাময়িক, এমনকি পরে আসা অনেক ব্লগারও যখন ৫০০ বা ১০০০ পোস্ট দিয়ে ফেলেছেন, সেখানে ১০০ পোস্টে খুশি হবার কি হলো? তাও যদি এমন হতো যে এই লেখার কোন গুরুত্ব আছে, বা এ থেকে জীবিকার কোন ব্যবস্থা হবে, বা এর কোন স্বীকৃতি আছে। কোনটাই না, স্রেফ মনের খুশিতে লিখে যাওয়া, অন্যের সাথে গলা ফাটানো, রাতের পর রাত প্রায় অর্থহীন সময় নষ্ট করা। এখানে, এই ব্লগারের ব্লগে কোন কাজের ডকুমেন্ট পাওয়া যাবে না, কোন গবেষণা কর্ম নেই একটা পোস্টেও, নেই এমনকি কোন সুচিন্তিত বুদ্ধিদীপ্ত মতামতও যে ভবিষ্যতে কেউ কখনো পড়বে। তারপরেও এত খুশির একটা কারণ, জীবনে সম্ভবত এত বেশি দিন কোন কিছু আমাকে আটকে রাখতে পারেনি। মানে কিনা, এই যে ২ বছর ৯ মাস কোন কিছুর সাথে লেগে থাকা, হোক অর্থহীন বা অর্থপূর্ণ কারণে, হয়নি। সবকিছুই খুব সহজে ছেড়ে দিয়েছি, খুব কাছে এসে শুধুমাত্র নিজের অবহেলার জন্য ফসকে গেছে অনেক সুযোগ। যতটা নিষ্ঠার সাথে ব্লগে লেগে ছিলাম, কাজের কাজ করলে সম্ভবত এতদিনে বেকার না থেকে কিছু একটা গতি হয়ে যেত, সবাই বলে। ব্লগেও যে কোন উদ্দেশ্য নিয়ে লেগে ছিলাম তা-ও না, শুধু কেন যেন ছাড়তে পারিনি। হয়তো সাময়িক বিরতি পড়েছে, কিন্তু ফিরে আসতেই হয়েছে। প্রথম জেনারেশানের ব্লগারদের লেখা পড়ে শুরু, তাদের যখন শেষদিক, তখন সাহস করে টুকটাক লিখেছি, এলিটরা কেউ পড়েও দেখেননি, এখনো মাঝে মাঝে তুলনা করতে গিয়ে দেখি, তাদের ধারেকাছেও তো লিখতে পারলাম না কোনদিন, পড়বে কিভাবে? আস্তে আস্তে পরের জেনারেশান চলে এসেছে, তারাও অনেকে চলে গেছে, অনেকে অনিয়মিত হয়ে গেছে, তারও পরের জেনারেশান এসে গেছে, কিন্তু আমার মত আরো ২-৪ জন ঠিকই রয়ে গেছে, তেলাপোকার মত।
এভাবে লেগে থাকার আসলে মানে কি? উত্তরটা নিজের কাছে যা পেয়েছি, মায়া। ঠিক ব্লগের না, বা হতেও পারে, জড়বস্তু যেমন পুরনো চেয়ার-টেবিল-ঘড়ির দিকে মানুষের মায়া থাকতে পারে, ব্লগের মত একটা বিমূর্ত জিনিসের দিকেও মায়া থাকাটা বিচিত্র কিছু নয়। তবে ব্লগের চেয়েও ব্লগের মানুষগুলো অনেক বেশি জীবন্ত, অনেক বেশি বাঙ্ময়, ব্লগের মায়া যদিও বা ছাড়তে পারতাম, মানুষের মায়া উপেক্ষা করবার মত শক্ত চরিত্র এখনো গড়ে ওঠেনি। প্রথম যখন ব্লগ লেখা বা পড়া শুরু করি, চরিত্রগুলোকে দূরের মনে হতো, এমনকি শুধু যদি পড়া বা সত্যিকারের লেখকদের মত নিস্পৃহভাবে লেখা দিয়ে যেতে পারতাম সেক্ষেত্রে হয়তো দূরত্বটা রেখে যাওয়া সহজই হতো। কিন্তু সমস্যা হলো যে এই অধম লেখক নয়, ব্লগে লিখতেও আসিনি, নিজের ভাবনাচিন্তা ভাগ করে নেবার জন্যই এখানে আগমন। আর যখনই ভাগ করতে যাই, পারস্পরিক মিথষ্ক্রিয়া শুরু হয়, তখনই এই মায়ার জালে জড়িয়ে যাওয়া শুরু। এই চরিত্রগুলোকে তখন আর কিছুতেই ভার্চুয়াল বা মনিটরের উল্টোদিকের কোন কৃত্রিম মানব ভেবে উড়িয়ে দিতে পারি না। চায়ের দোকানের বা পলাশীর মোড়ের সেই আড্ডার মতই, বা ক্যাফেটেরিয়ার একটা টেবিলের মত গ্রুপগুলো, একটা আড্ডাবাজ একদিন গরহাজির থাকলে সবার কেমন উসখুস শুরু হয়ে যায়, আড্ডার তাল-লয়টা কেটে যায়, খোঁজখবর নেয়ার জন্য ছোটাছুটি শুরু হয়। ক্যাফেটেরিয়া বা চায়ের আড্ডাখানার মতই এখানে ঝড় ওঠে, বন্ধুত্ব হয়, তর্ক হয়, টেবিল চাপড়ানোর কিছু না পেয়ে কীবোর্ডই চাপড়ানো হয়, কিন্তু সেই তর্কের কোন কুশীলব অনুপস্থিত থাকলে তার খোঁজও শুরু হয়ে যায় এমনকি শত্রুশিবির থেকেও, উপযুক্ত প্রতিপক্ষ
না পেলে তো টেবিল চাপড়েও আনন্দ নেই।
অন্য অনেক ব্লগারের মত ব্লগের বাইরে আড্ডা দেয়ার ব্যাপারে কখনোই খুব একটা উৎসাহী ছিলাম না, কারণ পরিচিত মহলের বাইরে বরাবরই একটু অস্বস্তি বোধ করি, ডিজুস ভাষায় যাকে বলে--"খ্যাত"। ব্লগারদের বড়সড় আড্ডায় যাওয়া হয়নি কখনো, সামনাসামনি দেখা হয়েছে মাত্র কয়েকজনের সাথে। দরকার দেখি না, কারণ দেখা না হলেও কারো সাথে দূরত্ব বোধ করি না কখনো, অনেক চেনা মানুষের চেয়েও এখানকার অনেকে আপন হয়ে গেছে। মানুষ মানে তো তার ভাবনার সমষ্টি, তার জন্যই সমাজ, সেই ভাবনাকে ভাগ করার জন্যই তার দলবদ্ধতা, ব্লগে সেই সুযোগ ভালমতই পাওয়া যায়। যখন কোন কিছু দেখে ভেতরটা জ্বলে ওঠে, বিক্ষুদ্ব হয়ে উঠি, ঝালটা ঝেড়ে দিই এখানে এসে। দেখে অবাক লাগে, আরো কতশত জন ঠিক আমার মতই ভাবছে। কখনো যখন একাকী গভীর হতাশায় ডুবে যেতে থাকি নিজের ব্যর্থতায়, ব্লগে প্রকাশিত সেই অর্থহীন হাবিজাবি পড়ে অনেক দূরের শত ব্লগার নিজের সহমর্মীতা জানিয়ে যান, মনে হয়, একা নয়, পাশে আছে
অনেকে। প্রশ্নটা হলো, লাভ কি হয় কোন? তাহলে আমিও পাল্টা প্রশ্ন করি, বাস্তবেও কি লাভ হয়? মানুষ তো আজন্ম একা, আসলে সবাইকেই নিজের রাস্তা নিজেই করে নিতে হয়, তারপরেও তো মানুষ সঙ্গী খোঁজে, সেটা বাস্তবের বদলে ভার্চুয়াল কমিউনিটি হলেই মন্দ কি? ব্লগের কালো কালো অক্ষরে ওপ্রান্তের মানুষটাকে চিনে নিতে কিন্তু খুব একটা অসুবিধা হচ্ছে না।
কথায় কথায় সম্ভবত এতক্ষণে অনেককেই বিরক্ত করে ফেলেছি, একান্তই ব্যক্তিগত প্যাচাল শুনতে কারো আগ্রহ থাকার কথা নয়। তারপরেও যদি কেউ কষ্ট করে এ পর্যন্ত এসেই পড়েন, তাদের কাছে আগাম কৃতজ্ঞতা জানাই। এবং তেলবাজি ভেবে বসতে পারেন কেউ কেউ এটা জেনেও বলে রাখি, ৩-৪টা ব্লগে ঘোরাঘুরি করেও ঠিক এখানেই ঘাঁটি গেড়ে বসে থাকার কারণও কিন্তু এখানকার এইসব সহমর্মী ব্লগাররাই। এখানে সহানুভূতি আছে, ঝগড়া আছে, ফাউ প্যাচাল আছে, গুরুগম্ভীর আলাপ আছে, হইহল্লা আছে, শোক আছে। সাবাশ বলে যেমন হাততালি আছে, বেচাল করলে লাঠি হাতে তাড়া করবার লোকজনও আছে। কোন এলিট ব্লগের মত এখানে ড্রেসকোড রাইটিং কোড মেনে ঢুকতে হয় না, আবার সারাক্ষণ পিঠ চাপড়ানো পাবার সম্ভাবনাও নেই। সামহোয়্যারইন ব্লগকে অনেক সময়ই মনে হয়েছে বারোয়ারি সদর রাস্তার মত, চারপাশে তাকালেই এখানে আমজনতার দেখা পাওয়া যাবে, সেলিব্রিটির চেয়ে যেখানে পথচারীর কদর বেশি। বাজারী হইহল্লার জায়গা বলে অনেক সময়ই এলিটরা এখানে অস্বস্তি বোধ করেন, এ নিয়ে হালকা হাসাহাসিও দেখেছি কোথাও কোথাও, তবে কিনা, ড্রয়িংরুমে বসে পরিবর্তন বা মুক্তচিন্তার চর্চা হয়না, সেটার জন্য আমজনতার সামনে দাঁড়িয়ে মহল্লায় গলাবাজি করে তাদের প্রভাবিত করাটাই সম্ভবত সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। হয়তো স্বপ্নটা বাড়াবাড়িই হয়ে যায় এখন, কিন্তু পরিবর্তন যে বাস্তব দুনিয়া থেকেই শুরু করতে হবে, এমন দিব্যি কে দিয়েছে কবে? কে জানে, কোনদিন হয়তো এমন কোন মহল্লামার্কা ভার্চুয়াল দুনিয়া থেকেই দিনবদলের শুরু হবে, আমরা না পারি, আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম হয়তো পারবে, আশা করতে দোষ কি?
উপসংহার করেই ফেলেছি, তবে নার্সিসিজম দিয়েই পরিশিষ্ট দিই। ১০০তম লেখাটা বেশ গুছিয়ে লিখতে হবে, এমন একটা পরিকল্পনা মাথায় ঢুকেছে ৮০ পার হবার পরই। কত কত ব্লগার এসে গেছে, সবার নামধাম দিয়ে লিখবো, এমন একটা ভাবনা আরকি। আসলে ব্যাপার হলো কি, জীবনের প্রথম সেন্ঞ্চুরি কিনা, আজীবন ডাক মারা ব্যাটসম্যান পয়লা শতক পেটানোর কাছে এলে তো বুকে
হাতুড়ির বাড়ি পড়বেই আর কিভাবে সেটা উদযাপন করা যায় সেটা ভেবে রাতের ঘুম নষ্ট হতেই পারে। আর নার্ভাস নাইনটিতে ঢুকেও বুক কাঁপে না, এমন বাপের ব্যাটা দুনিয়াতে কয়টা আছে? কিন্তু লিখতে গিয়ে যথারীতি এলোমেলো হয়ে গেল, আর ব্লগারদের নাম বলতে গিয়ে মনে হলো, কাকে রেখে কাকে বলবো? তারচেয়ে দরজা খোলা থাক, কষ্ট করে যাঁরা এসেছেন, আর যাঁরা আসবেন, নিশ্চিতভাবেই জানবেন, দরজা সবসময় খোলা, আর এই অধম সবসময়ই আপনাদের সহমর্মীতা কৃতজ্ঞতার সাথে মনে রাখবে। কারো নাম আলাদাভাবে বললাম না, এসে টোকা দিলেই পেয়ে যাবেন, আমি বাড়ি আছি, যতদিন সবাই মিলে থাকতে দেবেন, থাকবো। যাবো না কোথাও, যতদূর গেলে পলায়ন হয়, আসলে তো কেউই আর ততদূর যেতে পারে না, তাই না? ব্লগার, ডেভেলপার, এবং
অবশ্যই কমিউনিটি বাংলা ব্লগ দিয়ে নতুন এক ধারণার সূচনাকারী আরিলকে, কৃতজ্ঞতা এবং শুভকামনা। ভাল থাকুন সবাই। সবাইকে কীবোর্ড উঁচু করে অভিবাদন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ১০০ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রিসাত বলেছেন:
সেঞ্চুরীর শুভেংচালেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।![]()
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
আরে ভাই, চেন্চুরী অভিনন্দন!ক্যাম্পাসে আসেন, পার্টি লাগান! ফটো টোটো দিয়া চলবো না কিন্তু!
লেখক বলেছেন: পার্টি দেয়ার পয়সা নাই।![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।![]()
জানজাবিদ বলেছেন:
"এই চরিত্রগুলোকে তখন আর কিছুতেই ভার্চুয়াল বা মনিটরের উল্টোদিকের কোন কৃত্রিম মানব ভেবে উড়িয়ে দিতে পারি না। চায়ের দোকানের বা পলাশীর মোড়ের সেই আড্ডার মতই, বা ক্যাফেটেরিয়ার একটা টেবিলের মত গ্রুপগুলো, একটা আড্ডাবাজ একদিন গরহাজির থাকলে সবার কেমন উসখুস শুরু হয়ে যায়, আড্ডার তাল-লয়টা কেটে যায়, খোঁজখবর নেয়ার জন্য ছোটাছুটি শুরু হয়""সামহোয়্যারইন ব্লগকে অনেক সময়ই মনে হয়েছে বারোয়ারি সদর রাস্তার মত, চারপাশে তাকালেই এখানে আমজনতার দেখা পাওয়া যাবে, সেলিব্রিটির চেয়ে যেখানে পথচারীর কদর বেশি"
সত্যিই অসাধারণ!! ১০০ তম পোস্টে আমার ছোট একটা উপহার নিন, আজ থেকে আমার ব্লগে আপনার নাম যোগ করে নিলাম।
লেখক বলেছেন: এরচেয়ে বড় উপহার আর কি হতে পারে? কৃতজ্ঞতা ছাড়া দেবার মত কিছু নেই।
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন:
১০০ তম পোষ্টের শুভেচ্ছা! নির্বিঘ্নে আরো ১০০ পোষ্ট... আরো ১০০ পোষ্ট... আরো ১০০ পোষ্ট... আরো ১০০ পোষ্ট... আরো ১০০ পোষ্ট... আরো ১০০ পোষ্ট... আরো ১০০ পোষ্ট... আরো ১০০ পোষ্ট... পূরণ করুন। লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, মনে হয় তাহলে আমার নাতি-নাতনিকেও ব্লগিং করা লাগবে। তবে তাই হোক।![]()
রনি রাজশাহী বলেছেন:
@জানজাবিদ"সামহোয়্যারইন ব্লগকে অনেক সময়ই মনে হয়েছে বারোয়ারি সদর রাস্তার মত, চারপাশে তাকালেই এখানে আমজনতার দেখা পাওয়া যাবে, সেলিব্রিটির চেয়ে যেখানে পথচারীর কদর বেশি"।
লেখক বলেছেন: ঐটাই মনে হইসে।![]()
শাহেনশাহ বলেছেন:
অভিনন্দন ফারহান। এ সাড়ে তিন বছরাধিক কালে আপনার কোন ইস্যুকে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং লেগেছে, কেন গত তিনবছরে ব্লগ এমন হ্যাপহ্যাজার্ডফয়ে গেছে, এসব বিশ্লেষনী একটা লেখা দাবি করতেই পারি আপনার কাছে। লেখক বলেছেন: এটা ব্লগাররাই বিশ্লেষণ করতে পারেন, আমারটুকু কিন্তু আমি দিয়েই দিয়েছি।![]()
জাতেমাতাল বলেছেন:
ফারহান, খুব ভাল লাগলো আপনার অনুভুতির এ রকম সৎ এবং নিবিড় প্রকাশ। আপনার অকপট হতে পারাটা আমার দারুন পছন্দ হলো।নার্সিসিজম জিনিশটা নিয়ে আমি বিব্রত হওয়ার মতো কিছু তো দেখি না। ডেফিনিটলি এই জগত আমিত্বময়, আর তা হোক না... তাতে অন্য কারো সমস্যা তো দেখছি না।
আপনি যখন ক্ষুধা থেকে প্রিয়জন বিচ্ছেদ থেকে শুরু করে প্রতিনিয়ত হাজারটা কারনে কষ্ট পান, আপনার সেই কষ্ট আর যন্ত্রনা পুরো ১০০% ভোগ করতে হয় তো আপনাকেই। প্রতিদিনের তুচ্ছ মান অপমান সয়ে, বিবেকের সাথে আপোষ করে আর ফাঁকা স্তোত্রবাক্য আউড়ে এই আপনিই তো নিজকে সক্রিয় রাখেন, আপনার সামাজিক ভুমিকা পালন করেন... কেউ তো আপনার হয়ে যন্ত্রনাটা ভোগ করে না! অনেকেই হয়তো সহযোগিতা সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেয়, কিন্ত দিনের শেষে আপনার ব্যাথা তো একান্ত আপনারই, অন্য কারো নয়!
এই যদি হয় অবস্থা, তবে নিজকে একটু তুলে ধরার জন্য, একটু তৃপ্তি দেবার জন্য যা করতে হয়, হোক না তা নার্সিসিজম, এ টুকু তো আপনার পাওনা। বিশেষ একটা মুহুর্তে নিজকে একটু "স্পেশাল" ভাবা তো চমৎকার অনুভুতি।
আর এটা তাদেরও কাছে একটা অর্জন যারা এ ব্লগে আপনার সুহৃদ। তাদের কাছে একটা অতি আবশ্যিক উদযাপন যোগ্য মাইল ফলক। যারা আপনাকে সফল দেখতে চায়, আপনার জীবনকে পরিপুর্ণ দেখতে চায়...
অনেকের কাছেই এটা তো রীতিমতো চিৎকার দিয়ে বলার মতো... ওরে দ্যাখ দ্যাখ আমাদের ফারহান ১০০টা পোষ্ট লিইখ্যা ফালাইছে... পুলাটা তো দারুন...
ফারহানের জন্য যাবতীয় শুভকামনা...
লেখক বলেছেন: ১০০ টা লিখে ফেলেছি এইটা আসলেই অবাক হবার ব্যাপার, যখন শুরু করি কোনদিনই ভাবিনাই ১০টাও লেখা হবে, কলম ধরতে ব্যাপল আলসেমি, এইদিক থেকে কীবোর্ডকে ধন্যবাদ দিতে হয়। অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
"এভাবে লেগে থাকার আসলে মানে কি? উত্তরটা নিজের কাছে যা পেয়েছি, মায়া। "
আমারো তাই মনে হয়। এইজন্যই বোধ হয় লেগে আছি....
শুভকামনা রইলো। শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, আপনেও তো পুরান পাপী।![]()
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
vaia ami jkhon porotom alam bloge apnar shathe khub jogra type kicu hoyecilo. tobe apnar lekha r fan/ ac jai bolen ami kintu tai cilam. "অনেক চেনা মানুষের চেয়েও এখানকার অনেকে আপন হয়ে গেছে "
ktha ta 100% sotti. ae apon manushder shathe apnaky aro onek din dekhte chai.aro onek lekha porte chai.........
অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: বললামই তো এইটা সদর রাস্তা, চলতে গিয়া ধাক্কা লাগবেই আবার পড়লে পাশের লোকই তুলবে, কাজেই সেইটা ব্যাপার না।
বেঁচে থাকলে থাকা হবে, যাবো কই?
অনেক ধন্যবাদ।
প্রমিত কুমার বলেছেন:
"মানুষ মানে তো তার ভাবনার সমষ্টি, তার জন্যই সমাজ, সেই ভাবনাকে ভাগ করার জন্যই তার দলবদ্ধতা, " একমত। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ভালো থাকুন আপনিও।
অদ্রোহ বলেছেন:
ফারহান ভাই,নার্ভাস নাইন্টিজের বৈতরনী পার হয়েছেন,সেজন্য অভিনন্দন-টন্দন দিয়ে আপনার সাথে ফর্মালিটিজ না হয় নাই করলাম আমার ম্যাথের খবর আর নাই বললাম,সামনে আরেকটা ৪ ক্রেডিট ম্যাথ আছে,দোয়া রাইখেন
লেখক বলেছেন: ম্যাথরে কিন্তু পোলাপান বুয়েটের সবচেয়ে সোজা কোর্স বলে, কিছু না বুঝলে ঝাইড়া মুখস্থ কইরাও নাকি চলে। তবে আমার মাথায় ম্যাথ কেন, এন্ঞ্জিনিয়ারিংই ঢুকে না। করা দরকার ছিল হালচাষ, হইতে গেছি পণ্ডিত, এখন চিপায় পইড়া বগা খালি কান্দে।![]()
অপটিমাস প্রাইম বলেছেন:
ওহ, ইটস এ গ্রেট নিউজ ফর অল ব্লগার'স। ফারহান দাউদ সেন্চুরী কইছে। অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন। তবে আমি আপনের ২০০ তম পোষ্টও পড়তে চাই। অপেক্ষা সেই দিনের।
লেখক বলেছেন: হুম, সেইক্ষেত্রে মনে হয় পোলা-মাইয়া নিয়া পড়তে হইবো, যে স্পিড আমার লেখার।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
এতোদিন টিকে থাকা সোজা কথা না। আমি একবার ক্লান্ত হয়েই ব্লগ ছাড়বো ভাবসিলাম। আবার কি এক নেশায় ফিরে আসলাম। নেটে বসলেই ব্লগে ঘোরা হয়। পরীক্ষা থাকলে অফলাইনে, আর নাইলে অনলাইনে। সেঞ্চুরির শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ব্লগে টিকতে হইলে গায়ের চামড়া মোটা হওয়া লাগে, এই আরকি, আর ম্যালা আজাইরা টাইম থাকা লাগে। আমি বেকার মানুষ, কাজ নাই। তবে এইটার নেশ ভয়াবহ, কয়েকবার ছাড়ার চেষ্টা কইরাও পারি নাই। শুভেচ্ছার জন্য অনেক ধন্যবাদ।![]()
অ্যামাটার বলেছেন:
অভিনন্দন, তবে খাদ আছে!দুই ইনিংস সাত সেশনে একশ, বেশ ধীর গতির ব্যাটিং।
ক্রিকেট নিয়া প্রথম অংশের সাথে ব্যাপক মিল খুজে পাইলাম দেখি। ক্লাশ এইটে উইঠা প্রথম আসল ক্রিকেট সেট পাইছিলাম, এর আগে ডিউজ বলে কাম সারতাম, আহা...সেই সব দিন;
পাড়ার দুর্দান্ত বাল্লেবাজ, মাঠে নেমে ধুম-ধারাক্কা ব্যাটিং;
ছুটির দিনে দুপুর করে বারান্ডার লম্বা কোরিডোরে মোজার ভেতর বল ভইরা ঝুলিয়ে ধুমসে প্র্যাকটিস; স্মৃতি তুমি বেদানা
"এই চরিত্রগুলোকে তখন আর কিছুতেই ভার্চুয়াল বা মনিটরের উল্টোদিকের কোন কৃত্রিম মানব ভেবে উড়িয়ে দিতে পারি না। "---এই কথাটা কোথায় যানি একটু ধাক্কা লাগল; আমরা কি এতটাই যান্ত্রিক হইয়া যাইতেসি, যেখানে বছরের পর বছর পাড়া তো দূর কি বাত, পাশের বাড়ির ড্রইং রুমের খবরটাই জানিনা, আমাদের আবেগ-আনন্দ-বেদনা ভাগাভাগি'র সঙ্গি হচ্ছে তারা, যারা কেউবা আছে জাহার মাইল দূরে, কেউবা সাত সমুদ্দুর তের নদী পারে;
অথচ আড্ডাবাজ-আমুদে-গল্পবাজ হিসেবেই সারা দুনিয়ায় আমাদের বাঙ্গালীগো খ্যাতি।
লেখক বলেছেন: আরে, টেস্ট খেলতাসি। আমার আগের আমলের খেলা পছন্দ, সাদা ড্রেস, শীতকালে হালকা কুয়াশার মাঝে খেলোয়াররা মাঠে নামবে, ধীরে সুস্থে শুরু, আহা সেইরকম।
বলটা এখনো আছে, রেখে দিসি।![]()
এইদিক থেকে আমি একটু ক্রেডিট দাবী করতে পারি, পাড়াতো থেকে স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি প্রায় সব বন্ধুর সাথেই যোগাযোগ রাখি, মাঝে মাঝেই হামলাও করি, নেট টা বাড়তি বলা যায়, বাইরে যাওয়া পোলাপানের সাথে যোগাযোগের সুবিধা হয়।![]()
লেখক বলেছেন: হেহে, আমিও তো দৌড়ের উপর থাকতে চাই, এইটা যে কত ভাল যে থাকেনা সে বুঝে। অনেক ধন্যবাদ, ভাল আছেন নাকি?![]()
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
হুমম। কী কমু, সেণ্চুরির শুভেচ্ছা তয় এমন শুভেচ্ছা আজকে কোন বাঙালি প্লেয়াররে জানতে পারলে ভালো লাগতো।আমি হচ্ছি ইরেগুলার ব্লগার আর আমার ব্লগে আসার পিছনে কারণও কিন্তু তোমার সাথে ফাইজলামি কইরা।তোমার ব্লগের জাভেদ ওমরীয় এই সেঞ্চুরি ইনিংস চলতে থাকুক ট্রিপল পর্যন্ত।
লেখক বলেছেন: আজকে যে রান করসে, সম্ভব না জিতা। বোলিংয়ের অবস্থা করুণ, মাশরাফি না থাকলে দেখি কানা হয়া যায়। জাবদা ওমরের লগে অন্যদিন তুলনা করলে খুশি হইতাম না, আজকা সব ঠিক। ![]()
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
অনেকদিন ধরেই আপনারে নার্ভাস নাইন্টিজে দেখছিলাম। ডেব্যু সেঞ্চুরীর শূভেচ্ছা নিন। আপনার ব্লগ দীর্ঘজীবী হোক।
লেখক বলেছেন: এইটা একটা ভাল দোয়া, লেখার সময় ডরে থাকি এই বুঝি মডু কাউরে খেপায়া দিলাম আর দিল আমার সাধের ব্লগ গায়েব কইরা।
সাইফুর বলেছেন:
শততম পোষ্টের অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভাল আছেন নি?![]()
লেখক বলেছেন: বেকার, দিন যায়না। ভাল নাই।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
শততম পোস্ট করতে আমার শত বর্ষ লাগবে... এটা তাই এচিভমেন্ট ই মনে হয় আমার কাছে ! ঘুরে ফিরে সেই পড়াশুনা ! :-( অঙ্কে একশ না পেলে কি হয় ! :-)
কেমন আছেন ভাইয়া?
লেখক বলেছেন: আরে ভাই, দুনিয়া হইলো মায়ার খেলা, এইখানে কোন কিছু না পাইলেই কিছু যায় আসে না, সবশেষে তো সেই সাড়ে তিন হাত। তারপরেও শখ বইলা কথা, কি আর করা!
বেঁচে আছি, তবে টেন্সড, সবকিছু নিয়ে, আম্মার শরীরটাও ভাল যাচ্ছে না।
অভিনন্দন ।
আমারও তো শখ করে এইরকম একটা ১০০ তম পোস্ট দেয়ার । কিন্তু তোমার আগে ব্লগে জয়েন করে , রেগুলার টাইম দিয়েও আমি ৭৩*
১০০ এর স্বপ্ন মনে হয় পূরণ হওয়ার না , ৭৫ নিয়ে যদি চিল্লাফাল্লা করি , লোকজন মাইন্ড খাবে ?
লেখক বলেছেন: ব্লগে মনে হয় তোমার মত আর ২-১ জনই আছে যারা আমার আগে এসেও ১০০ দেয় নাই, হেহে। ৭৫ এ ব্যাট তুললে মনে হয় লোকজন খেপতে পারে, তোমার মাথায় যা আইডিয়া থাকে ঐ দিয়া ১০০ করে ফেলা কোন ব্যাপারই না, সময় করে লিখে ফেলো।
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন:
দুবছরে মাত্র একশটা পোষ্ট! মায়া জিনিসটাই অনেক শক্ত আর গভীর হয়।
অনেক অনেক অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: ২ বছরের সাথে আরো ৮ মাস যোগ করে নিতে হবে। কি করবো, লেখক তো না, তাহলে হয়তো পোস্ট বাড়তো।
অনেক ধন্যবাদ উঁকি দেয়ার জন্য।
নুশেরা বলেছেন:
অসাধারণ লেখা, স্রেফ অসাধারণ। মেহরাব যেমন বলেছেন, আসলেই বড় মায়াবী। জানজাবিদের দেয়া কোটেশনের মতো পুরো লেখাটাই উদ্ধৃতিসহ প্রশংসা করার মতো।সূক্ষ্ম অনুভূতিপ্রবণতা, চমৎকার রসবোধ, অকপট মন, দুর্দান্ত লেখনী আর "একটু গরম মাথা"র অধিকারী ফারহানের দীর্ঘ পৌনে তিন বছর ব্লগিঙ আর শতকপূর্তিতে অশেষ অভিনন্দন, শুভকামনা, এবং ... দোয়া
লেখক বলেছেন: দোয়া, শুভকামনা এবং অভিনন্দন মাথা পেতে নিলাম। ![]()
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
অভিনন্দন। যাত্রা হোক শুভ, পোস্ট হোক রসালো।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।![]()
ব্যাট তুলেন --- মনোহর ব্যাটিং প্রদর্শনী । একবার চান্স না দিয়ে অপরাজিত ১০০
+
লেখক বলেছেন: হেহে, ব্যাট আর কই পাবো, কীবোর্ড তুললাম।![]()
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
তালিয়া, এইবার ব্যাট তুলে ফেলো।অভিনন্দন।
কি খবর তোমার? কেমন যাচ্ছে? কিছুদিন পরপর উধাও হয়ে যাও ব্যাপার কি?
লেখক বলেছেন: কইলেন যখন, আর বিনয় দেখাইলাম না, তুললাম।
ভাল যায় না, বাসায় ঝিম মাইরা থাকি।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
ব্লগে যে দিন থেকে আসছি সেদিন থেকেই আপনার লেখা পড়তেছি!এতদিন ধরে আমাদেরকে ১০০ পোস্ট পড়াইলেন সেই জন্য অভিনন্দন
ক্রিকেটের উপর ভর করেই শৈশব কৈশোরের দিন গুলোতে বেচে থাকা!স্কুল ক্রিকেটে ভালো খেলার কারনে ভাবতাম একদিন আমিনুল ইসলাম বুলবুল হবো!কিন্তু ইন্টারমিডিয়েটের পর আর খেলতেই ভালো লাগতো না!এভাবেই জীবন থেকে হারিয়ে গেলো ক্রিকেট!
আর কি বলবো!ভালো থাকেন সুখে থাকেন আর আমাদের জন্য ব্লগে থাকেন।যে কিছু ব্লগারের সাথে আপনার দেখা হইছে তার ভেতর তো আমিও আছি তাই কইতে পারেন আপন লোকই
হ্যাপি ব্লগিং!
লেখক বলেছেন: আমার সাধ ছিল, ক্ষমতাটাই ছিল না, না পারতাম বোলিং না ব্যাটিং, ফিজিকটাও ঠিক খেলার উপযোগী না। কাজেই দেইখা আর গলা ফাটায়াই সার, মাঝে মাঝে প্লেয়ারদের গুষ্ঠী উদ্ধার করা বোনাস।
ক্রিকেট মীরপুরে যাওয়ার পরে আর স্টেডিয়ামে যাওয়া হয় নাই, টিভিতে খেলা দেইখা মজা পাই না, বিশ্বকাপ আসলে মনে হয় ৩ দইন আগে টিকেটের লাইগা লাইনে খাড়ানি লাগবো। ![]()
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
প্রিয় ফারহান ভাই, শুভাশিষ রইল।
(কেন জানি মেজাজ বিলা হয়ে ছিল। আপনার লেখাটা পড়েই ভাল হয়ে গেল। ওষুধ। ওষুধ। ভাল লেখা হচ্ছে বিলা-মেজাজের মহৌষধ।)
লেখক বলেছেন: ভাল লেখার আশায় ঝুলায়া রাখা লোকজনের মাঝে আপনি পয়লা সারিতে। একটা দেন আর হাওয়া হয়ে যান। ফাঁকিবাজি কমায়া একটু বেশি লেখেন না কেন? ![]()
জুল ভার্ন বলেছেন:
শততম পোষ্টের অভিনন্দন!!!তোমার ব্লগ ব্যাটিংটা কিছুটা ধীর লয়ে হলেও প্রতিটি রান(লেখা/পোস্ট) অত্যন্ত মুল্যবান। তোমার ব্যাটিং সত্যি উপভোগ্য! যতক্ষন তুমি ক্রীজে থাকো ততক্ষন আমরা আশায় থাকি-ভালো একটা ইনিংস দেখার জন্য। তোমার এমন একটা লেখাও নেই-যা দেখে/পড়ে আমরা সামান্যতম বোরড হয়েছি। এটাই তোমার ব্যাটিং সফলতা। আশা করি-তুমি শচিন টেন্ডুলকারের মত শুধু এগিয়েই যাবে-যেখানে আমরা অন্য কেউ পৌঁছতে পারবোনা।
অনেকগুলো প্লাস দিতে ইচ্ছে করছে-কিন্তু সীমাবদ্ধতার জন্য শুধু একটাই দিলাম!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। এইটা ঠিক যে পুরানো আমলের ঢিমাতালের ক্রিকেটই আমার পছন্দ, টি২০ কে মনে হয় রেসলিং ম্যাচ, তবে আমার ধীরগতির কারণ অক্ষমতা। জোর করে লেখা বের করা বেশ কঠিন কিনা।![]()
লেখক বলেছেন: আবার কয়! জাবেদ ওমরের রিপ্লেসমেন্ট বাংলাদেশ পাইলো বইলা।! ![]()
হাল্ক বলেছেন:
তোকেও কীবোর্ড উঁচু করে অভিবাদন। চালায়া যাও মামা...
লেখক বলেছেন: তুই কইলি? তাইলে কীবোর্ড-মাউস একলগে তুললাম (মাঝে মাঝে ব্যাটসম্যান ব্যাটের সাথে হেলমেটও তুলে)। ![]()
সবুজ বলেছেন:
আস্তে আস্তে পরের জেনারেশান চলে এসেছে, তারাও অনেকে চলে গেছে, অনেকে অনিয়মিত হয়ে গেছে, তারও পরের জেনারেশান এসে গেছে, কিন্তু আমার মত আরো ২-৪ জন ঠিকই রয়ে গেছে, তেলাপোকার মত।
--------------------------
আমিও এক কোনায় চুপচাপ বসে থেকে ভাবি, আরো কত জন আসবে যবে, আমি বুঝি এভাবেই বসে থাকলাম। নাহয় থাকলাম ই বা!
৩ বছর ৬ মাসে মোটে ৫৩টা পোষ্ট!!!
যা হোক, আপনার লেখাটা একদম মনের ভিতর হান্দায়া গেছে।
পড়তে পড়তে মনে হল, আরে এটা ত আমার মনের কথা।
আরও পড়ার পর মনে হল, হায় হায়, এত সুন্দর করে কি আর পারতাম আমি লিখতে!
শুভ কামনা, ভাল থাকে, লিখে যান হাত খুলে।
---------------------------
(চুপি চুপি বেল যাই, আমার ১০০ তম লেখায় আমি আপনার এটা কপি পেষ্ট করে দিব, আরও ২/৩ বছর পর হয়তবা ১০০ হবে।
তত দিনে আপনিও ভুলে যাবেন যে এটা আপনার হাতের কাজ!!!!
আর আমাকেও + দিয়া যাবেন হয়ত!!!
লেখক বলেছেন: আপনি দেখি জেফরি বয়কটের সার্থক উত্তরাধিকারী। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে টিকে থাকা হলো বড় কথা, টিকে থাকলেই রান আসবে, কাজেই টিকে থাকে ক্রিজে।
অনেক ধন্যবাদ উঁকি মারার জন্য।![]()
তামিম ইরফান বলেছেন:
২ বছর ৯ মাস অনেক লম্বা সময়................কত ব্লগার গেলো আর কত ব্লগার আসলো..........কিন্তু আপনাদের মতো কিছু পুরান ব্লগার এখনও ব্লগে আছে........দেখতে ভালোই লাগে......শততম পোষ্টের অনেক অনেক অভিনন্দন...........
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। তবে আপনেও প্রাগৈতিহাসিক যুগের ব্লগার, নানার বয়সী, হেহে।![]()
'লেনিন' বলেছেন:
আহ গণিতে ১০০ পাবার স্বপ্ন আর পুরণ হয়নি আমারো। অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। গণিত কেন, কোন কিছুতেই কখনো ১০০ পাওয়া হলো না।![]()
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
যেকোন চেইন চুরি ভয়াবহ কঠিন ব্যাপার! তার উপর আবার আউট হওয়ার কোন চান্স না দিয়া করলে তো কথাই নাই............ অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: আউট হইতে হইতেও বাঁইচা গেছি, তবে মাস প্রতি অন্তত একখানা কইরা পোস্ট লেখবার পারসি, এইটাই কথা, মেইডেন দেই নাই।![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।![]()
সোনার বাংলা বলেছেন:
অভিনন্দন ফারহান ভাই।
হাঁ ২ বছর সাত মাসে হয়তো ১০০ পোষ্ট খুবই কম।
তবে আপনার লেখা প্রত্যেকটি পোষ্টই অসাধারন।
লিখে যান...
লেখক বলেছেন: কম, কারণ লিখতে তো পারি না। তবে আপনাদের মত পুরান লোকজন দেখলে ভরসা লাগে, এইজন্যই থাকা। অনেক ধন্যবাদ।![]()
মগ্নতা বলেছেন:
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।![]()
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
কি বলব বুঝতে পারছি না। হৃদয়স্পর্শী লেখা। গৎবাধা একটা কথাই বলে যাই, অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।![]()
লেখক বলেছেন: ঐটা ব্যাটা কুফা, কেউই করতে পারে না, তারচেয়ে ২০০ টার্গেট করাই ভাল। তবে রেকর্ডটা না ভেঙে ভালই হইসে, ঐ ইনিংসটার সাথে এইটার কোন তুলনাই হয়না।
লেখক বলেছেন: ব্লগে বিনোদনের কোন অভাব নাই।![]()
লেখক বলেছেন: ব্যাট তো নাই, কীবোর্ড তুললাম।![]()
ড়ৎশড় বলেছেন:
আপনাকে অভিনন্দন ফারহান ভাই।একটা ফেসবুক লিঙ্ক দিয়ে গেলাম।ছবিটা দেখবেন চেনা চেনা লাগে নাকি।
Click This Link
লেখক বলেছেন: হেহে, অনেক ধন্যবাদ। হ, দেখলাম, এই ছবি দিয়া একজন এইখানে ব্লগ খুলছে, এইটুকই চিনলাম।
রাফাত সাদাত বলেছেন:
ভাইরে ভাই কি পোষ্ট দিসস!! প্লাস তো দিলামই প্রিয়তেও স্থান দিলাম। এত লেখস কেমনে?
লেখক বলেছেন: হেহে, তোর কাছ থাইকা তাইলে একটা প্লাস পাওয়া গেল। আমি তো রে ভাই বেকার মানুষ, বইসা তো কিছু একটা করা লাগে।
তুই নাকি যাচ্ছিস?
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এক শতক-এর শুভেচ্ছা !
সেঞ্চুরী হতে অনেক সময় নিয়েছে, তবু ভালো, মার গুলো চোখ ধাঁধানো ছিলো, চার আর ছক্কার ফুলঝুরি ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শিপন ভাই। কিন্তু আপনে থাকেন কই, ম্যালাদিন তো লেখা দেন না।
নকীবুল বারী বলেছেন:
অভিনন্দন.................
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।![]()
লেখক বলেছেন: হেহে, আরেক পাথর যুগের লোকরে দেইখা খুশি হইলাম। অনেক ধন্যবাদ।![]()
ফেরারী পাখি বলেছেন:
ওরে বাচ্চু দেরীতে হলেও অভিনন্দন।
লেখাটা জব্বর হইসে।
আমি তোমার ১০০০ পোস্টের সাক্ষী হইতাম চাই, আইনস্টাইনের নাতি।
তোর জন্য একটা ফ্রী আইসক্রীম পাঠাইলাম। সবাইরে লইয়া খাস।
লেখক বলেছেন: এইটা একটা কাজ করলেন? আমারে আসল আইসক্রিম পাঠান। ![]()
লেখক বলেছেন: ফুলদানীতে রাখলাম। অনেক ধন্যবাদ।![]()
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
খাইছে, একশ পোষ্ট কি বড়ও হইছে!! এই পোষ্ট টারে ভাইঙ্গা দিলেই ২০০'র কাছাকাছি চইলা যাইতে পারতেনহালকা রসিকতা কর্লাম....শেষ দুই প্যারা বাদ দিয়া চমৎকার উপাস্থাপনা হইছে..শততম পোষ্টের শুভেচ্ছা....
লেখক বলেছেন: হেহে, পোস্ট না হোক, ১৫০০০ এর কাছাকাছি মন্তব্য করসি, ঐগুলা কম্বাইন করলেও আরো শ'খানেক পোস্ট হয়।![]()
অনেক ধন্যবাদ।![]()
ফেরারী পাখি বলেছেন:
ব্লগাস্টাইনের নাতি তোমার ১০০তম পোস্টে আমি ১০১ তম মন্তব্য করলাম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, এইবারে আইসক্রিম পার্শেল করেন।![]()
লেখক বলেছেন: হাহাহা, আপনে লেখার স্পিরিট ধরতে পারছেন।![]()
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
১০১ ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।![]()
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
আহারে.. আমার একখানা আসল ক্রিকেট বল কখনো হাতে লইয়া দেখা হইল না!!! দেখা যাক, আমি কখন সেঞ্চুরি কর্তারি!!!
মনে হয়, ওয়ানডে খেলতাছি!!!
পোস্টটা যথারীতি অসাম।
আর, কিছু কওয়ার নাই। কতিপয় ব্লগারের এত বড় পোস্ট আমি পড়ি, তার মইধ্যে আপনে অন্যতম। এইখানে কিন্তু, পার্সিয়াল্টি নাই।
শতকের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: এত বড় অর্থহীন প্যাঁচাল পড়ার জন্য আমি লোকজনের কাছে সবসময়ই কৃতজ্ঞ থাকি, ধন্যবাদ আর দিলাম না। আমার ব্যাটিংটা একটু স্লো, তোমাদের আশা করি অতদিন লাগবো না।![]()
কঁাকন বলেছেন:
অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
জেরী বলেছেন:
অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।![]()
লেখক বলেছেন: ১০০ তো করলাম, কিন্তু আপনারা তো এই পাড়ায় রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে গেলেন মনে হয়।![]()
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
তুমি দেখি আশরাফুলের পথ ধরলা...
শততম পোষ্টে অভিনন্দন।
কয়েকদিন ঘোরাঘুরিতে থাকায় তোমার লেখাটা পড়লেও কিছু বলে যাওয়া হয়নি.............
অনেক দোয়া রইলো।
বিশ্বাস রেখো.......ভালো কিছু হবেই।
মায়ের শরীর এখন কেমন?
সবাই ভালো থেকো।
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: মায়ের শরীর ভালো না, অনেক ধরণের ছোটখাটো কম্প্লিকেসি আরকি, এই জন্য মেজাজটাও খারাপ। দোয়া করবেন।
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
কী খবর?
লেখক বলেছেন: বেঁচে আছি দাদা, বিশেষ কিছু না। আপনি?
চান্স পাইলে তো সব পাড়াতেই ব্যাট নিয়া টোকাটুকি করি
লেখক বলেছেন: চান্স পাইলে? আপনার মত অলরাউন্ডার যদি এই কথা কন তাইলে তো আমাদের খেলা ছেড়ে গ্যালারিতে গিয়া বসা দরকার।![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, আপনিও ভাল থাকবেন।
মু্ক্ত মানব বলেছেন:
শততম পোষ্টপূর্তির অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। কিন্তু আপনি তো বাতাসে মিলিয়ে গেলেন! ![]()
লেখক বলেছেন: সবাইকেই।![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকেও।![]()
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
অনেকদিন পর এসে টের পাচ্ছি-- অনেককিছু ঘটে গেছে ব্লগে, এরই মধ্যে। এই যেমন, আপনি শততম পোস্ট লিখে ফেলেছেন! ব্লগে আসার পর, সেই প্রথম থেকে আপনার লেখা পড়ে এসেছি। যতো দিন যাচ্ছে, আপনার লেখা ততোই মনোমুগ্ধকর হয়ে উঠছে, শক্তিমান হয়ে উঠছে আপনার কলম (কীবোর্ড!)। এই ধারা অব্যাহত থাকুক, শুভকামনা রইলো।
লেখক বলেছেন: আপনি যখন এভাবে বলেন, খুব লজ্জা পাই। আমাদের মত লোকজন হাবিজাবি লিখে ঠেকা দেয়, আমরা অপেক্ষা করি আপনার লেখার। অনেকদিন ধরে লিখছেন না, ২-১ টা লেখা দেন, পড়ি, খুব যদি ব্যস্ত না থাকেন আরকি।
নির্বাসন বলেছেন:
অনেক কিছু মিলা গেলো দেহি...শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আপনারেও শুভেচ্ছা।![]()
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
দেরীতে এসে কিবোর্ড উচুঁ করে সেন্চুরী'র হাক ডাক দেয়াতে নিজেকে অপরাধী ভাবছি। শততম পোষ্টে অভিনন্দন। ব্লগকমিউনিটিতে আপনার কিবোর্ডের ধারা অব্যাহত থাকুক....।
লেখক বলেছেন: এসেছেন সেজন্য কৃতজ্ঞতা। ভাল আছেন তো?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ব্লগটাকে মিস করি, আরো বেশি করি ব্লগারদের।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























