আমার প্রিয় পোস্ট

যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৭

শেয়ারঃ
0 7 0

সমস্যার বিবরণ অনেকই হলো, সমাধান কি? কারণ গুলোর মাঝেই সেটা লুকিয়ে আছে। সহজ সমাধান হিসেবে আমাদের দেশে রাস্তা বাড়ানোকেই ধরা হয়, কিন্তু এ প্রসঙ্গে বুয়েটের ট্রান্সপোর্টেশন এন্ঞ্জিনিয়ারিংয়ের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক অধ্যাপক ডঃ শামসুল হকের একটা উক্তি মনে পড়লো। আমাদের পড়াতে গিয়ে প্রায়ই বলতেন--"যদি আমরা ১টার বদলে ৩টা রাস্তা বানাই তাহলে এখন যার ১টা গাড়ি
আছে সে ৩টা গাড়ি কিনবে।" কথাটা চরম সত্যি, সেটা ঢাকার রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা দেখেই বোঝা যায়। কর্তার জন্য একটা, গিন্নির জন্য আরেকটা, রাস্তা থাকলে ছেলে-মেয়েদের জন্য আরো দু'টো কিনে ফেলা হবে, কালো টাকার এই দেশে গাড়ি কেনার লোকের অভাব নেই। মূল কথাটা হলো, আধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থায় কোন হিসেব না করে রাস্তা বাড়ানো একটা বাজে সমাধান, ক্ষণস্থায়ীও বটে। 'সাসটেইনেবল' বা টেকসই সমাধানের জন্য ঝুঁকতে হবে মহাপরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার দিকে। এ মুহূর্তে তাৎক্ষণিক একটা কঠিন সমাধান হচ্ছে, এখনি, এই মুহূর্তে বাড়তি প্রাইভেট কার আমদানী এবং রেজিস্ট্রেশান করা বন্ধ করে দিতে হবে। নয়তো কিছুদিন পরেই-- সেটা কিছুতেই ৫ বছরের বেশি নয়-- দেখা যাবে রাস্তায় সারি সারি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে এবং লোকজন সেগুলোর উপর দিয়ে হেঁটে
পার হচ্ছে। আমাদের নিজেদেরও এখানে উপলব্ধির ব্যাপার আছে, একটু টাকা জমিয়েই যাতায়াতের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য আমরা যে গাড়িটা কিনে ফেলি, সেটা আসলে ঢাকার যানজটে আরেকটু রসদ যোগানো ছাড়া কোন সুবিধা দিচ্ছে না। এক্ষেত্রে হংকং বা সিঙ্গাপুরের মডেল অনুসরণ করা যেতে পারে, ঢাকার চেয়ে অনেক ছোট শহরে,এবং অনেক বেশি জনসংখ্যা ঘনত্ব নিয়েও শুধুমাত্র প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ করেই যানজট অনেকাংশে কমানো গেছে। প্রথমত, গাড়ির মূল্যের উপর উচ্চ কর তো আছেই, লাইসেন্সের জন্য গাড়ির দামের কয়েকগুণ অর্থব্যয়, সাথে প্রতি বছর সীমিত সংখ্যক গাড়ির লাইসেন্স দেয়ার পদ্ধতিটা তাদের জন্য বেশ কার্যকর হয়েছে। অনেকটা 'আগে আসলে আগে পাবেন' ভিত্তিতে লাইসেন্স দেয়া হবে, এবং প্রতি বছর জরিপ করে নির্দিষ্ট সংখ্যক গাড়িকেই সেটা দেয়া হবে, প্রয়োজনে কাউকেই দেয়া হবে না। কথা হলো, আমাদের দেশে বেড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে, বিশেষ করে সেই বেড়াল যদি নিজের ভালো নিজেই না বোঝে?

এক্ষেত্রে, অবশ্যই গাড়িওয়ালা থেকে গরিব জনতা সবার জন্য ভালো বিকল্প দিতে হবে। পাতালরেল জিনিসটা ঢাকার মত একটা "বিল্ট আপ" বা গড়ে ওঠা শহরে খুব বেশি কার্যকর নয়, কারণ জালের মত ছড়িয়ে থাকা নাগরিক সেবাদানের পাইপ নেটওয়ার্ক এড়িয়ে পাতাল রেলের টানেল বানাতেই যে পরিমাণ অর্থব্যয় আর সময় যাবে, ততদিনে ঢাকা বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে। একই সাথে,
যারা এক্ষেত্রে ভর্তুকি দিতে বলেন, তাদের জন্য জ্ঞাতব্য, এমনকি ভর্তুকিদিয়ে বানালেও মোটামুটি এটার নির্মাণ ব্যয় উঠিয়ে আনতেও মতিঝিল থেকে উত্তরা জনপ্রতি ভাড়া ধার্য করতে হবে কয়েকশো টাকা, আনুমানিক। একই ভাবে একটার পর একটা অপরিকল্পিত ফ্লাইওভার বানানোটাও নয়, কারণ বর্তমান অবস্থার খানিক উন্নতি না করে এরকম বিশাল নির্মাণে হাত দিলে সেটা ঢাকার জীবনযাত্রা মোটামুটি থামিয়ে দেবে বলা যায়। বিশাল এবং দীর্ঘমেয়াদী নির্মাণব্যয় তো আছেই। আবার এ শহরে অপরিকল্পিত ফ্লাইওভারের ফলাফলও এরমাঝেই মহাখালী ফ্লাইওভারে দেখা গেছে, সেটা না হয়েছে ফ্লাইওভার না ওভারপাস, যে যানজট তাই থেকে গেছে। রাজউকের আরেকটা পরিকল্পনা দেখার দুর্ভাগ্য হয়েছিল একবার, যেখানে তাদের দরকার মনে হয়েছে সেখানেই একটা করে ফ্লাইওভার (যদিও ফ্লাইওভারের সংজ্ঞায় সেগুলো পড়ে না, বড়জোর ইন্টারচেন্ঞ্জ বলা যায়) বসিয়ে দেয়ার চিন্তাভাবনা তাদের, তাতে কাজের কাজ যা হবে, পুরা ঢাকা দেখতে হবে ঢেউখেলানো কোন পাহাড়ের মত, কাজের কাজ কিছুই হবে না। ফ্লাইওভার বা এমন কিছু বানাতে হলে পুরো ঢাকাকে নিয়ে একটা সমন্বিত পরিকল্পনা দরকার,সেরকম কিছু কারো মাথায় আছে বলে মনে হয় না।

কু-পরিকল্পনার আরেকটা উদাহরণ হলো নির্মাণাধীন গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ি ফ্লাইওভার, যেটার নির্মাণকাজ পরিকল্পনা ত্রুটির জন্য বিশেষজ্ঞদের প্রবল আপত্তির মুখে স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। গবেষণায় দেখা গেছে, অপরিকল্পিত টোল প্লাজা স্থাপন, কোম্পানির সুবিধামত টোল আদায়ের জন্য আশপাশের যতগুলো বিকল্প রাস্তা দিয়ে ঢাকা শহরে প্রবেশ করা যেত সেগুলো বন্ধ করে দেয়া, রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেয়া, ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে খুবই কম "ক্লিয়ার হাইট" রাখা, এমনকি ফ্লাইওভারের পাশ দিয়েও যাবার জন্য একটা সিএনজি'র সমান জায়গাও না রাখা ইত্যাদি নানা কারণে এই ফ্লাইওভার নির্মিত হলে অন্তত ৩টা ন্যাশনাল হাইওয়ে পঙ্গু হয়ে যেত। এদিকে ফ্লাইওভারটার রুট অনুসরণ করলে দেখা যায়, আগে যেখানে গুলিস্তানে ঢাকার ইনকামিং ট্রাফিকের ৫% যেত, এই ফ্লাইওভার নির্মিত হলে সেখানে ৯৫% ট্রাফিক ওদিক দিয়ে যেতে হবে। ফলাফল নিশ্চয়ই কাউকে বলে দিতে হবে না। এখানে দেখা যায়, ওভাবে ফ্লাইওভারনির্মিত হলে কোম্পানি খুব উঁচু হারে টোল আদায় করে দ্রুত তাদের নির্মাণ ব্যয় তুলে নিয়ে
লাভের দিকে যেতে পারে, যেহেতু টারা বিকল্প কোন রাস্তা ব্যবহারের সুযোগই রাখছে না, কিন্তু মূল যে উদ্দেশ্য অর্থাৎ ঢাকার ইনকামিং ট্রাফিকের জন্য যানজট কমানো এবং সময় বাঁচানো, সেটার কিছুই হবে না, বরং আরো বেশি যানজটের সম্ভাবনা তৈরি হয়।আজব দেশে সবই চলে, কাজেই সরকার বদলের সাথে সাথেই এই ফ্লাইওভার সামান্য নকশা বদলে একই প্রতিষ্ঠান আবার অনুমোদন পেয়ে গেছে।

তাহলে, ভাল বিকল্প কি? ভাল বিকল্প হতে পারে "পাবলিক ট্রান্সপোর্ট" বা গণপরিবহণ, সোজা কথায় বাস, ডাবলডেকার ইত্যাদির পরিকল্পিত সেবা। তার আগে দেখা যাক বর্তমান গণপরিবহণের সমস্যাটা কোথায়। এক জরিপে দেখা গেছে, আমাদের এখানে যেসব বাস চলে তার প্রায় ১০০ ভাগই ব্যক্তিগত বা ছোট কোন কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত, যার মাঝে মোটামুটি ৫৭% হলো ব্যক্তিগত। এগুলোর না আছে কোন সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, না আছে কোন স্থায়ী কর্মচারী, প্রায় সবই চলে দৈনিক মজুরী বা চুক্তির ভিত্তিতে। যার ফলে যাত্রী ওঠানোর জন্য বাসগুলো প্রতিযোগীতা প্রায় অসুস্থ পর্যায়ের। ওভারটেকিং, রাস্তায় "কিউ" তে না দাঁড়িয়ে পাশাপাশি অবস্থা নিয়ে রাস্তা আটকে যাত্রী ওঠানো, সর্বোপরি কোন "টাইম শিডিউল" না থাকা এসব গণপরিবহণকে নিরুপায়ের পরিবহণে
পরিণত করেছে, একটু সামর্থ্য থাকলেই এসব বাসে কেউ উঠতে চান না। এমনকি "সিটি সার্ভিস" নামে যেসব কাউন্টার বাস চালু করা হয়েছে সেগুলোতেও একই সমস্যা বিদ্যমান। এখানে উল্লেখ্য যে বিআরটিসি'র যে বাসগুলো চালু ছিল সেগুলোও বেসরকারী বাস মালিকদের বাধার মুখে এখন বন্ধপ্রায়। আবার এসব বাসের ৮৩% এই মাত্র একটা দরজা, ১৭% এ আছে ২ দরজা। আবার এসব বাসে
ওঠা লাগে ২ ধাপের সিঁড়ি বেয়ে, যেগুলোর গড় উচ্চতা ২ ধাপ মিলিয়ে ১৭ ইন্ঞ্চির মত। এই উচ্চতা পার হয়ে উঠতে গড়ে একজন যাত্রীর সময় লাগে ১২ সেকেন্ড। হিসেব করে দেখা গেছে, একতলা সাধারণ বাসগুলোর স্টপেজ টাইম গড়ে ৩ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড, আর দোতলা বাসগুলোর জন্য ৫ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড। পুরো সময়টাই রাস্তাটা আটকে থাকছে, যাতায়াতের বিলম্বের সাথে এটাও মাথায় রাখতে
হবে।

এখানে আমাদের দেশে সম্পূর্ণ নতুন একটি ধারণার কথা বুয়েটের বিশেষজ্ঞরা প্রস্তাব করেছেন, সেটা হলো বিআরটি বা বাস রেপিড ট্রানজিট। এক কথায় এটা বোঝানো মুশকিল, এটাকে বলা যায় পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা বাসের জন্য সম্পূর্ণ "এক্সক্লুসিভ" বা স্বতন্ত্র লেন, যেখানে কোন রকম সিগন্যালে না পড়েই বাস সোজাসুজি চলে যাবে, এবং প্রাইভেট ট্রান্সপোর্টগুলো সবরকম সিগন্যালের মুখোমুখি হবে। উদ্দেশ্য? একসাথে অনেক বেশি লোক পরিবহণ করা, অনেক লোককে একজায়গায় নিয়ে আসা, এবং সেটা করতে গেলে অবশ্যই ব্যক্তিগত পরিবহণকে নিরুৎসাহিত করতে হবে, সেজন্যই এই সিগন্যালে ফেলে দেয়া বা চারজনের কম আরোহী থাকলেই প্রাইভেট গাড়ি থেকে উচ্চহারে টোল আদায় করা, এবারে বাসে না উঠে যাবে কোথায়? এই পদ্ধতি কার্যকর করার জন্য বাসগুলোরও কিছু বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে। এর মাঝে আছে বাসের উঁচু প্ল্যাটফর্ম, স্বয়ংক্রিয় টিকিট ব্যবস্থা, চওড়া এবং স্বয়ংক্রিয় দরজার বাস, যাতে ভার্টিক্যাল কিউয়ের বদলে সমান্তরাল কিউতে দাঁড়িয়ে দ্রুত ওঠা যায়, একই সাথে বাসগুলো নিচু ধাপের হতে হবে। বাস আসবে নির্দিষ্ট সময়, হতে পারে ৫ মিনিট পর পর। এটা নিশ্চিত করতে বাসগুলোকে একই প্রতিষ্ঠানের আওতায় নিয়ে আসা জরুরী, যাতে একটা আরেকটার সাথে প্রতিযোগীতা না করে অথবা কোন বাসটা আগে আসবে সেটার টিকেট কাটার জন্য যাত্রীরা উদ্বিগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে না থাকে। এই ব্যবস্থা চালু করলে বাস টার্মিনালেরও প্রয়োজন হবে না, কারণ একই কোম্পানির বাস ৫ মিনিট পরে পরে আসতে থাকলে তো কোথাও গিয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করারই প্রয়োজন পড়বে না। এখানে দেখা যায়, বর্তমান ব্যবস্থায় উত্তরা থেকে রামপুরা হয়ে মতিঝিল যেতে লাগে ২ ঘণ্টা ১০ মিনিটের মত, গড়ে ঘণ্টায় ১০ কিমি যাওয়া যায়, এটা ২০০৮ সালের প্রথম দিকের হিসাবে। সেখানে শুধুমাত্র যাত্রী ওঠানামা এবং সিগন্যালগুলো এড়াতে পারলে এবং সেই সাথে "স্বতন্ত্র" লেনে বাস
চালাতে পারলে এটা নেমে আসে ৫২ মিনিটে, আগের চেয়ে আড়াই গুণ সময় বাঁচানো সম্ভব। বাংলাদেশে অবশ্য আলাদা লেন করে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট চালু করা এই মুহূর্তে একটু মুশকিল, তবে অবশ্যই একই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বা সিন্ডিকেট করে হলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে এবং সবাই উঠতে পারে সেরকম বাস নামানো খুবই সম্ভব, প্রয়োজন শুধু একটু সদিচ্ছা এবং আন্তরিক উদ্যোগ। তবে এখানেও একই কথা চলে আসে, এই পদ্ধতি চালু করতে হলেও আগে প্রাইভেট গাড়ি কমানোর বিকল্প নেই, সেটা করতে যাবে কে?

এবার আসা যাক কমিউটার ট্রাফিক, বা সোজা কথায় অফিসগামী ট্রাফিকের কথায়। ঢাকার বিকেন্দ্রীকরণের যে প্রস্তাবনা, সেটার জন্যও এই ব্যবস্থার উন্নতি খুব বেশি জরুরী। ঢাকার অফিসগামী জনতা কেন ঢাকাতেই বসত গেড়ে বসেছে, কেন বাইরে যাচ্ছে না, তার কারণ হলো ঢাকার আশপাশ থেকে যাতায়াতের ভাল কোন ব্যবস্থা নেই। কমিউটার বাস অথবা ট্রেন সার্ভিসের সংখ্যা বাড়ানো একটা ভাল সমাধান। যেহেতু বাস বাড়ানো আবার সেই যানজট সমস্যা বাড়াচ্ছে, সেক্ষেত্রে কমিউটার ট্রেইন সার্ভিস বিকল্প হতে পারে। বর্তমানে ঢাকা-টঙ্গী লাইনে "তুরাগ" এবং ঢাকা-নারায়নগন্ঞ্জ লাইনে "নারায়নগন্ঞ্জ লোকাল" নামে ২টি কমিউটার সার্ভিস চালু আছে। তুরাগের পরিচালনায় আছে বাংলাদেশ রেলওয়ে, আর নারায়নগন্ঞ্জ লোকাল চালাচ্ছে বান্না এন্টারপ্রাইজ, যারা বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছ থেকেই ট্রেইন ভাড়া নিয়ে দিনে ১০টা আপ এবং ১০টা ডাউন সার্ভিস দিচ্ছে এবং লাভের মুখ দেখছে। এক্ষেত্রে, বিকেন্দ্রীকরণের প্রথম ধাপ হিসেবে "সাব-আর্বান" রেসিডেনশিয়াল জোন গড়ে তুলে তার সাথে ঢাকার বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর কমিউটার সার্ভিস চালু করতে হবে, যেখানে অল্প সময় পর পর ট্রেন যাবে। তবে এখানেও সমস্যা আছে, লেভেল ক্রসিং ঢাকাতে বড়সড় আছে ২৮টা, সেখানে
কমিউটার ট্রেনের ঘন ঘন যাতায়াতে ট্রাফিক জ্যাম বাড়বেই, কাজেই এক্ষেত্রে ওভারপাস করা হবে নাকি আন্ডারগ্রাউন্ড রেলওয়ে, সেটা নিয়ে বিতর্ক আছে।

এগুলো তাৎক্ষণিক উদ্যোগ, সফলতা পেলে দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগে যাওয়া যায়। তারমাঝে আছে ঢেউয়ের মত যেখানে-সেখানে ফ্লাইওভার তোলার উচ্চাভিলাষী স্বপ্ন না দেখে পুরো শহরটাকে একটা মহাপরিকল্পনার আওতায় এনে ঠিক কোথায় ফ্লাইওভার বা ইনটারচেন্ঞ্জ লাগতে পারে সেটা চূড়ান্ত করা এবং বর্তমানে থাকা ইন্টারসেকশন এবং গোলচত্বরগুলোর ট্রাফিক ব্যবস্থার সংস্কার করা, বিশেষ করে সিগন্যাল ব্যবস্থার। তার সাথে সাথেই কমাতে না পারলেও অন্তত ঢাকামুখী জনস্রোত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, ব্যবসা-বাণিজ্যকে বিকেন্দ্রীকরণ করে বন্দরমুখী করে। অবশ্যই গার্মেন্টসগুলো সরাতে হবে ঢাকার বাইরে, একই সাথে বিশাল বিশাল শপিং কম্প্লেক্সের ফুটানি বন্ধ করে এগুলোকে অনুমোদন দেয়া বন্ধ করতে হবে, কারণ ঢাকায় এত পার্কিংয়ের জায়গা নেই। যা আছে সেগুলোরও অনেকগুলো বন্ধ করতে পারলে ভাল হতো, তবে সেটা অসম্ভব বলেই ধরে নেয়া যায়। সবার উপরে, শুধুমাত্র সরকার বাহাদুরের উপরে দায় ছেড়ে না দিয়ে আমরা, যারা আমজনতা, তারাও নিজেদের মত করে খানিক অভ্যাস বদলাতে হবে। গাড়ি ছেড়ে একটু হাঁটার অভ্যাস ধরলে কি খুব ক্ষতি? অথবা ১০ মিনিটের রাস্তার জন্য রিকশা না নিলেই বা কি? রাস্তা পার হতে কষ্ট করে একটু ওভারব্রিজে উঠুন না, ব্যায়াম হোক, আইনও বাঁচুক, রাস্তাটাও পরিষ্কার থাকুক। আপনার গাড়িটা পার্ক করতে গিয়ে দখল হয়ে গেছে ব্যস্ততম রাস্তার অর্ধেকটা, আপনার চেয়েও যাদের দরকার বেশি তাদের জন্য না হয় গাড়িটা একটু কমই ব্যবহার করি। প্রিয় ঢাকা
শহরকে বাঁচাতে এই সামান্য ছাড় দেয়ার দাবীটা কি বেশি হয়ে যায়?

তথ্যসূত্র:

১। Matiur, R.(2008) ; Prospects of Introducing Bus Rapid Transit (BRT) System in Dhaka Metropolitan City; Bachelor thesis conducted at the Department of Civil Engineering, BUET.

২। Munshi, S.(2008); Study on Commuter Rail of Dhaka City; Bachelor thesis conducted at the Department of Civil Engineering, BUET.

[লেখা বেশি বড় হয়ে যাচ্ছিল বলে আরো অনেক কিছু বাকি রয়ে গেল, সমস্যাগুলো এতই বহুমুখী যে এই পরিসরে লিখে শেষ করা মুশকিল। ভবিষ্যতে বিআরটি এবং কমিউটার রেল সার্ভিস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার ইচ্ছা রইলো। এখানে আরেকটা কথা বলে রাখা ভাল, লেখার অনেকটাই ব্যক্তিগত ধারণা, আন্ডারগ্র্যাডের পড়াশোনা এবং কিছু আন্ডারগ্র্যাড থিসিসের উপর ভিত্তি করে লেখা, কাজেই এটাকে কোন বিস্তৃত জরিপের অংশ বা গুরুত্বপূর্ণ কোন থিসিস ধরে নেবার কোন কারণ নেই, শুধু সমস্যা এবং সমাধানের কিছু উপায় নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যেই এটা লেখা, সেভাবেই নিলে এবং আলোচনার মাধ্যমে কিছু যোগ করলে কৃতজ্ঞ থাকবো।]

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যানজট ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৫
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: "প্রিয় ঢাকা
শহরকে বাঁচাতে এই সামান্য ছাড় দেয়ার দাবীটা কি বেশি হয়ে যায়? "

না ,মোটেই বেশী হয়ে যায়না !

নিউমার্কেট থেকে এলিফ্যান্ট রোড রাস্তা টায় কে বলবে কোন ফুটপাথ আছে ?
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: বললাম না, সমস্যা এতদিকে ছড়ানো যে কোনটা নিয়ে বলবো? মাথা ঘুরায়।

২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৯
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
পাইছি মনের মত পোস্ট। আমার নিজের কিছু ধারণা নিয়ে (ঢাকার যানজট ছয় মাসে বাস্তবানূগ হয়ে কীভাবে ৪০% কমানো যায় ) একটা আধা খেচড়া পোস্ট লিখেছিলাম।
কাল সেটা এখানে কমেন্টে দেবো। আপনি পুরকৌশলের , আর ইউ আর পির কেউ থাকলে হয়ত সম্ভাব্যতাটা বিচার করতে পারবেন।

ঘুমাইতে গেলাম এখন,
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: তাড়াতাড়ি দেন, অপেক্ষায় থাকলাম। :)

৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৫
নকীবুল বারী বলেছেন: পার্কিং নিয়া একটা আলাদা পোষ্ট দিবেন আশা করি। বিআরটি বা বাস রেপিড ট্রানজিট কথা বুয়েট বললেও বর্তমান অবকাঠামোতে এইটা কতটুকু ফিয়াসিবল। আমার মনে হয়, মাঝখানে একটা কথা উঠছিলো ঢাকার চারপাশে নৌ-পথ গুলি ব্যাবহার করার.........এইটা আপনার বিশ্লষনে কেমন মনে হয়.....আর মাস ট্রানজিটের ক্ষেত্রে ট্রেন খুবই ভালো ভূমিকা রাখতে পারে।

গাড়ি পার্কং যানজটের অন্যতম মূল কারন বলে আমি মনে করি। দিলকুশার চার লেন রাস্তার দুই লেনই গাড়ি পার্কিং-এর জন্য বন্ধ থাকে। ইষ্টার্ন প্লাজা, নিউ মার্কেট, এখানেও একই অবস্থা। দেখী আপনার দেখাদেখী আমারো আমাদের দেশে পুরকৌশল বিষয়ক সমস্যা নিয়ে পোষ্ট দেয়া ইচ্ছা করতেছে। কিছুটা পড়াশুনা করে দেয়ার আশা রইলো।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন: একটা নিয়ে বলতে গেলে আরো ১০টা আসে, এইটুকু জায়গায় বলা কঠিন, সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করেছি। পার্কিং নিয়েই আলাদা একটা লেখা হতে পারে, বিআরটি ফিজিবল হবে যদি বর্তমান সিস্টেমটাকে আরেকটু মানুষ করা যায়। তবে ডিসেন্ট্রালাইজেশনের কোন বিকল্প নেই।

৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৫
একরামুল হক শামীম বলেছেন: এই লেখাটা কি ধারাবাহিক করবেন? নাকি এখানেই শেষ?

ভবিষ্যতের ঢাকার রাস্তা এবং যানজট নিয়ে একটা লেখা লেখতে পারেন।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: ঠিক এটা ধারাবাহিক না করলেও এই লাইন ধরে আরো আগানোর ইচ্ছা আছে।

৫. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৫
সুমন অহেমদ বলেছেন: অনেকেরতো অনেক দাবীই থাকে। কয়টা দাবিই বা পূরণ হয়!
---------------------------------------------------------------------
দুঃখের হলেও সত্য আজ ঢাকার যে করুন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তা আজ থেকে ১০ বছর আগে আমরা কেউই অনুভব করতে পারিনি! সাধারণ মানুষতো দূরের কথা, বুয়েটের প্রকৌশলীরাও অনুভব করতে পারেনি! শ্রদ্ধেয় ডঃ শামসুল হক ১০ বছর আগে কোথায় ছিলেন?
---------------------------------------------------------------------
মহাখালি ফ্লাইওভারের নকশা এবং এর প্রস্তাবনা কারা করেছিলেন জানাতে পারেন কি? ফ্লাইওভারের কুপরিকল্পনাগুলো কারা দিচ্ছে?
---------------------------------------------------------------------
১. একই প্রতিষ্ঠানের আওতায় পাবলিক বাস সার্ভিস কি চালু করা সম্ভব? বাস মালিকদের ব্যাবস্থাপনাটা কিভাবে হবে?
২. পাবলিক বাস সার্ভিস চালু করে বাসের সংখ্যা বাড়ালে প্রাইভেট গাড়িগুলোর সংখ্যা কি কমবে? নাকি মোট যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে?
৩. যাদরে অঢেল টাকা আছে তারা কি টোল দেয়ার ভয়ে রাস্তায় গাড়ি বের করবে না?
৪. সমান্তরাল কিউতে দাড়ানোর জন্য বেশ ভালো জায়গার প্রয়োজন হবে, তাই ভার্টিক্যাল কিউয়ের বদলে সমান্তরাল কিউতে দাঁড়ানোর জায়গাটা কোথা থেকে পাওয়া যাবে? এমনিতেইতো জায়গার সমস্যা!
---------------------------------------------------------------------
আপনার লেখার শেষ অংশটুকুর বেশীরভাগই আনুষ্ঠানিকতা।
তবে ভালো পোষ্ট এবং ধন্যবাদ..
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: প্রথম কথা, বুয়েটের প্রকৌশলীরা দেশ চালায় না, চালায় রাজনীতিবিদরা, আপনার আমার ভোট নিয়ে, আমাদের সবাই যদি তালগাছ নিজের বারান্দায় রেখে সমাধান চাই তাহলে কিভাবে হবে? শ্রদ্ধেয় ডঃ শামসুল হক ১০ বছর না হোক আমার দেখা ৫ বছর ধরেই এই নিয়ে জরিপ করে যাচ্ছেন এবং চেষ্টাও করে যাচ্ছেন, সমস্যা হলো, তাঁর কথায় সরকারী কর্তা বা মন্ত্রীদের কানে পানি গেছে, এমন কোন প্রমাণ এখনো পাইনি।
মহাখালী ফ্লাইওভারের নির্মাণ ও পরিকল্পনা বিদেশী পরিকল্পকের ও প্রতিষ্ঠানের, অনুমোদন আসে সচিবালয় ও মন্ত্রণালয় থেকে।
একই প্রতিষ্ঠানের আওতায় চালু করতে প্রয়োজন মালিক পক্ষ ও সরকারের সদিচ্ছা ও চাপ, সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে সেটা বাঁকা করতে হবে।
লেখার শুরুতেই বলা আছে, আগে প্রাইভেট গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, কমাতে হবে, নইলে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট চলার জায়গা এখন ঢাকা শহরে নেই, ঐ অংশটা একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ থাকলো।
এক একবার পার্কিংয়ে ৩-৪ হাজার টাকা জরিমানা ধরালেও বেজায়গায় পার্কিং করার মত তেল খুব বেশি লোকজনের নেই, যে ক'জনের আছে ঐটাতে যানজট তেমন বাড়বে না।

৬. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪৬
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: আমার মনে হয় অন্যান্য দেশের শহরগুলোর মত এই শহরেও যদি রেল ব্যবস্থা করা যায় তবে সেটা ভালো কাজে দেবে। কারণ একটা সিঙ্গেল ডেকার বা ডাবল ডেকার বাসের যা ধারণক্ষমতা, তার চেয়ে কয়েক বগিওলা একটা ট্রেনের ধারণক্ষমতা অনেক বেশি। কিন্তু এখানেও সেই একই অবকাঠামোগত সমস্যা, প্রকল্পের কাজের সাকুল্যে যে নির্মাণব্যয় ধরা হবে তার কতখানি অংশ যে শুধু মন্ত্রী আমলাদের পেটে গিয়েই শেষ হবে, তা আর বলে দিতে হয় না।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন: রেল ব্যবস্থা খুব ভাল একটা সমাধান, তবে তারজন্য এলিভেটেড বা আন্ডারগ্রাউন্ড যে কোন একটা রেলওয়েকে বেছে নিতে হবে, অথবা লেভেল ক্রসিংগুলোতে এলিভেটেড রোডের ব্যবস্থা করতে হবে। ২৮টা গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ক্রসিংয়ের ব্যাপারে কি করা হবে, সেটা নিয়ে এখনই বিস্তারিত পরিকল্পনার দরকার, তারও আগে দরকার ঠিক কি করা হবে সেটা নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো। কিন্তুকারো মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয় না।

৭. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:০৫
সুমন অহেমদ বলেছেন: মহাখালী ফ্লাইওভারের নির্মাণ ও পরিকল্পনা বিদেশী পরিকল্পকের ও প্রতিষ্ঠানের। তাহলে সরকার দেশের প্রকৌশলীদের কিভাবে কাজে লাগাচ্ছেন? এতদিনেও কি সেরকম প্রকৌশলীদের পাওয়া যাচ্ছেনা যাদেরকে পরিকল্পনার কাজে লাগানো সম্ভব?

আপনারা কেনো এইসব ব্যাপার নিয়ে আন্দোলন করছেন না? এইসব ব্যাপার কেনো তুলে ধরছেন না? এই দেশে তাহলে এতো এতো মেধাবীদের দিয়ে কি হবে? একজন বুয়েটের শিক্ষকের কথা যদি সরকার বা মন্ত্রীদের কানে না যায় তবে আমি আপনি অথবা আমাদের কথাতো সরকারের ভিআইপি রোড পর্যন্তই যাবেনা! কান তো দূরের কথা!!
---------------------------------------------------------------------------
কিছু মনে করবেন না, আপনার মন্তব্যের উত্তর দেখে কেনো যেনো মনে হচ্ছে আপনি কিছুটা রাগ করে উত্তর দিয়েছেন। দেখেন, বুয়েটে যে শ্রেষ্ঠ মেধাবীরা আছেন এটা আমি ভালো করেই জানি। কিন্তু শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের কেনো কাজে লাগানো হবে না? আপনার শ্রদ্ধেয় স্যারের কথা কেনো সরকারের কান পর্যন্ত যাবে না? আচ্ছা এটা বলেনতো, আপনার স্যারের কথা সরকারের কানে যাওয়ার জন্য আপনার স্যার কি কি করেছেন? কোথাও কোনো কনফারেন্স করেছেন? কিভাবে চেষ্টা করেছেন এটা একটু জানতে চাচ্ছি. . .
---------------------------------------------------------------------------
আর আমার পূর্বের মন্তব্যের ৩ এবং ৪ নং প্রশ্নের জবাব দেন নি। আশা করছি সমাধান দিবেন। এবং নতুন একটা প্রশ্ন, প্রাইভেট গাড়িগুলো যে কমাতে বললেন সেটা কিভাবে কমাতে হবে? যারা প্রাইভেট গাড়ি কিনেছেন তারা কি বিক্রি করে দিবেন? নাকি অন্য কিছু?
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: কিছু মনে করবেন না, আপনার কথাতেও মনে হচ্ছে আপনি বাংলাদেশে আজকে নতুন এসেছেন। প্রেস কনফারেন্স করে চেঁচালেই কিছু হয় না। উপদেষ্টা হিসেবে অনেক পরিকল্পনাই দেয়া হয়েছে সরকার পক্ষকে, কিন্তু পর্দার পেছনে যা হয় সেটা আপনার জানা না থাকলে বরং আপনি সেগুলো নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন লিখতে পারেন, আপনাকে বুঝানো আমার ক্ষমতায় কুলাবে না। বেশি কথা বলতে চাইছি না, সব কথা সবখানে বলাও যায় না, কেন এদেশে মেধা কাজে লাগে না সেটা নিয়ে কথা কম হয়নি, এখানে বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক থাকতে চাইছি। আর বুয়েট বড়জোর একাডেমিক সমাধান সাজেস্ট করতে পারে, সেটা বাস্তবায়নের ক্ষমতা একজন সাধারণ শিক্ষক বা প্রকৌশলীর হাতে নেই।
যারা প্রাইভেট গাড়ি কিনেছেন সেগুলো আপাতত তেল পুড়িয়ে রাস্তায় বের না করে গ্যারেজে বন্ধ করে রাখারই পরামর্শ দেব, সাথে বাড়তি গাড়ি আমদানি বন্ধ করা হোক, এটাই আবেদন।

৮. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:০৮
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: ঢাকা শহরের যানজট মুক্ত করার কিছু পরিকল্পনা দিলা..........।


১| ক্যান্টনমেন্ট বিদায়, শহরের মাঝখানে কিসের ক্যান্টনমেন্ট? যে ক্যান্টনমেন্ট ১ ঘন্টা সময় পেয়েও ১৫ মিনিটের দুরত্বে গিয়ে দেশের প্রেসেডিন্ট ও তার পরিবারকে রক্ষা করতে পারে না, যে ক্যান্টনমেন্ট ৩৪ ঘন্টা সময় পেয়েও নিজেদের ৬৫ জন অফিসার ও তাদের পরিবার রক্ষা করতে ১৫ মিনিটের পথ যেতে পারে না, তাদেরকে শহরের বুকে রেখে কি লাভ....?? একেবারে মধূপুরের জ;গলের কাছে বিদায় করা হোক|

২| ঢাকা জেল খানা বিদায়, দাগী চোর-ডাকাত-খুনি অপরাধীদের শহরের কেন্দ্রস্হলে রাখার যুক্তি টা কী....??? বিদায় করে একেবারে বুড়িগ;গার অপর পারে পাঠানো হোক|

৩| বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ও গার্মেন্টস সব ঝেটিয়ে শহরের বাইরে পাঠানো হোক, আরিচা বা মেঘনা ঘাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হোক|

৪| ঢাকা আদালাত বিদায় করা হোক, কামরা;গীর চর বা গাজীপুর বিদায় করা হোক|

৫| সচিবালায় বিদায় করা হোক, আশুলিয়া বা রূপগন্জে পাঠানো হোক|

৬| ঢাকা ষ্টেডিয়াম বিদায় করা হোক,শহরের কেন্দ্রস্হলে স্টেডিয়াম হয় কোন যুক্তিতে....?? পুর্বাচল বা সাভারে পাঠানো হোক|

Click This Link
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: ১, ২ ও ৫ নম্বরের সাথে পুরোপুরি একমত, বিকেন্দ্রীকরণের প্রথম ধাপেই এটা করা দরকার। কোথায় নেয়া হবে সেটা নিয়ে অবশ্য আলোচনা হতে পারে, তবে নিতে যে হবে তাতে সন্দেহ নেই।
গার্মেন্টস ঢাকার বাইরে পাঠাতেই হবে, সেক্ষেত্রে যেখানে পাঠানো হবে সেখানে নতুন শহরই গড়ে তুলতে হবে, তবে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পাঠানো যাবে কিনা সন্দেহ আছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মত শাটল ট্রেনের ব্যবস্থা করতে হবে তাহলে। স্টেডিয়াম এর মাঝেই পাঠানো হয়েছে একটা ফতুল্লাতে, আরেকটা মীরপুরে। ঢাকা স্টেডিয়ামে এখন অবশ্য খুব বেশি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট হয় না, ক্রিকেটকে সরিয়ে দেয়াতে এই বাবদে ভিড় খানিক কমেছে মনে হয়।

৯. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩৫
মনজুরুল হক বলেছেন:

সমকালে আপনার যে লেখাটা দেখেছিলাম সেটার পরের পার্ট দিচ্ছেন না কেন? ওই লেখাটা অসম্পূর্ণ মনে হয়েছিল।

আমি এখন এই বিষয়টি ভাবা থেকে দূরে! জানি, আমাদের কর্তারা কিছুই করতে পারবেন না। পৃথিবীর সব চেয়ে পশ্চদপদ ট্রাফিক সিস্টেম নিয়ে আর যাই হোক কোন পরিকল্পনাই এগুবে না। কোথাও এখন ইউটার্ণ নেই! অথচ এই ইউটার্ণই আমাদের ট্রাফিক কর্তাদের মহাপ্রিয়। দেখুন: মগবাজারের ওয়্যরলেস এর কাছে!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫১

লেখক বলেছেন: এটাই মোটামুটি পরের পার্ট, তবে বিআরটি আর কমিউটার রেল নিয়ে লিখতে আরো একটা পোস্ট লাগবে হয়তো।
ভেবে বা লিখেমনে হয় লাভ নেই। আপনি বা আমি বা আরো কেউ হয়তো একটা সমাধান দিতে পারবে, কিন্তু সেটা বাস্তবায়নের ক্ষমতা যাদের হাতে তারা পুরোটাই ডাস্টবিনে ফেলে দেবে। ইউটার্ন, অসামন্ঞ্জস্যপূর্ণ সিগন্যাল, অদক্ষ ট্রাফিক পুলিশ, কয়টা বলবো?

১০. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫৩
মনজুরুল হক বলেছেন: লেখাটা পিয়তে নিলাম।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

১২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২২
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: রেটি; দিতে ভুলে গিয়াছিলম....। :):)

(+++++++++)
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৪

লেখক বলেছেন: কোন ব্যাপার না, পড়াটাই বড় ব্যাপার। সাথে যা যোগ করেছেন সেগুলো নিয়েও ভাবার আছে।

১৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৯
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: অপরিকল্পিত নগরায়নের পাশাপাশি অব্যাবস্হাপনার কারনেই মূলত ঢাকার যানজটের সৃষ্টি হয় বলেই আমার ধারনা....পার্কিং অব্যাবস্হাপনা আর ফুটপাথের ব্যাবহার না করার ফলেও কিন্তু শহরের মাঝে বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়ে থাকে ... বেসরকারী গাড়ির সংখ্যা অন্তত আমাদের দেশে ওভাবে কমানো সম্ভব নয় যেভাবে হংকং বা সিঙ্গাপুরে কমানো হয়ে থাকে ... তবে ইউরোপের কিছু কিছু শহরে এমন যানযট নিরসনের জন্য সিটি সেন্টার গুলোতে প্রাইভেট গাড়ি ঢুকতে দেয় না, অথবা দিলেও টোল আদায় করে ঢুকতে দেয়া হয় ... তবে এটার জন্য অবশ্যই অবশ্যই পাবলিক সার্ভিস গুলোকে উন্নত এবং তাদের যাত্রীসেবী মনোভাবের উন্নয়ন আবশ্যক ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:০০

লেখক বলেছেন: ঢাকা শহরের মত এমন অন্ধভাবে দুনিয়াতে আর কোন শহর গড়ে উঠেছে বলে আমার জানা নেই, আরো ১০ বছর আগেই এই শহরে যে কোন নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। ভাবা যায় একটা শহরের মাঝখানে শিল্প এলাকা? (তেজগাঁও শিল্প এলাকার কথা বললাম)। আবার আছে ক্যান্টনমেন্ট।
ফুটপাথ দখল আর পার্কিং, এটা নিয়েও কথা আছে। বহুতল ভবন গুলোতে পার্কিংয়ের অপশন ছাড়াই ছাড়পত্র দিয়ে দেয় রাজউক, বা অপশন থাকলেও পর্যাপ্ত নয়। এইখানে আবার অনুমতি আদায়ের কাজটা করে আমাদেরই জাতভাই সিভিল এন্ঞ্জিনিয়ার আর আর্কিটেক্টরা, ডিপ্লোমাদের তো ধান্দাই এই ২ নম্বুরি।
প্রাইভেট গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সীমিত করা আর পাবলিক সার্ভিসের উন্নতি একই সাথে করতে হবে।

১৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৫৬
সুমন অহেমদ বলেছেন: আপনিতো আমার প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যাচ্ছেন!

আমিকি বিষয়ের সাথে অপ্রাসঙ্গিক কিছু বলেছি?
আপনি বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিকতা বলতে কি বোঝাতে চাইছেন?

আপনি বলতে চাইছেন বাংলাদেশে মেধা কাজে লাগানো হয়না?
তাহলেতো প্রতিবছর হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের দিয়েও দেশের কোনো উন্নয়ন হবেনা!
-----------------------------------------------------------------------------
কনফারেন্স করে যদি লাভ না হয় তাহলে কি কনফারেন্স করা বন্ধ করতে হবে। আর এখনতো মিডিয়া বেশ তৎপর, কনফারেন্স করে যদি ফোকাস না করা হয় তবে কারও কানেই যাবে না। আপনি সরাসরি উত্তর দিছ্ছেন না কেনো? আপনি কি জানেন আপনার শ্রদ্ধেয় স্যার কি কনফারেন্স করেছিলেন কিনা?
----------------------------------------------------------------------------
হা হা হা, সবাই তাদের প্রাইভেট কারকে বাসায় বন্দি করে রাখবে! এটা বুঝি আপনার পরামর্শ? কে রাখবে বলে মনে করেন? ইনজিন ঠিক থাকবে? আপনি না বুয়েটে পড়েন, এমন পরামর্শ দিলেন যা শুধুমাত্রই আনুষ্ঠানিকতা, বাহবা পাওয়ার মতো, কিন্তু অবাস্তব!
----------------------------------------------------------------------------
প্রাসঙ্গিক উত্তরগুলো দেন,

*যাদের অঢেল টাকা আছে তারা কি টোল দেয়ার ভয়ে রাস্তায় গাড়ি বের করবে না?
*ভার্টিক্যাল কিউয়ের বদলে সমান্তরাল কিউতে দাঁড়ানোর জায়গাটা কোথা থেকে পাওয়া যাবে?
*এতদিনেও কি সেরকম প্রকৌশলীদের পাওয়া যাচ্ছেনা যাদেরকে দেশের পরিকল্পনার কাজে লাগানো সম্ভব?
*কেন এদেশে মেধা কাজে লাগে না সেটা নিয়ে কোথায় কোথায় কথা বলেছেন?

------------------------------ আপনি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বলবেন আমাকে বোঝানোর ক্ষমতা আপনার নেই, এটা কেমন উত্তর হলো? আমারতো এই ব্যাপারটাকেই অপ্রাসঙ্গিক মনে হলো...
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:০৩

লেখক বলেছেন: ভাই, কিছু মনে করবেন না, আপনে আমার পোস্ট টা ঠিকমত পড়েন, বুয়েট বা প্রকৌশলীদের নিয়া দূরে থাক, এই বিষয় নিয়া কথা বলার মত বুদ্ধিই আপনার নাই। হুদাই আপনার সাথে কথা প্যাঁচাইতে ইচ্ছা করতেসে না, এইখানে সবাই যেইটা বুঝে ঐটুক আপনে না বুঝলে আমার কিছু করার নাই।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫১

লেখক বলেছেন: আর আপনার পরের মন্তব্য মুছে দিলাম, যেটা বোঝেন না সেটা নিয়ে অহেতুক প্যাঁচাল না পাড়ার উপদেশ দেয়া গেল।

১৫. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৫৮
দেশী পোলা বলেছেন: এই তালভুদাই সুমন অহেমদ-রে পাগলাগারদ থেকে ছাড়লো কবে?
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:০৪

লেখক বলেছেন: বুঝতাসি না, তিনি গাড়ির ইন্ঞ্জিন আর প্রেস কনফারেন্স নিয়া চিন্তিত, আমি আবার ঐটা নিয়া তেমন চিন্তিত না।

১৬. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪
'লেনিন' বলেছেন: কিঞ্চিৎ চোখ বুলালাম পরে পড়ে দেখবো। ভালো লিখেছেন +
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:০২

লেখক বলেছেন: আপনার ধারণাগুলো যোগ করবেন এই আশায় থাকলাম।

১৭. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:০১
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: কোনো সমাধানই সমাধান মনে হয় না। চোক্ষে আন্ধারই দেখি:(
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন: প্রয়োগ না করলে আসলেই কোনটাই কোন সমাধান না। আর একটা করতে গেলে আরো এতদিক দিয়ে চিন্তা করা লাগে, একটা সমন্বিত মহাপরিকল্পনা লাগবে, সবদিকে একসাথে কাজ শুরু করতে হবে, কিন্তু কে শোনে কার কথা?

১৮. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:১৬
আতিকুল হক বলেছেন: সত্যি কথা বলতে গেলে এসব নিয়ে লেখাটা অর্থহীন, বাংলাদেশে কেউ কাজে লাগাবে না। ফ্লাইওভার সংক্রান্ত ধারনার সাথে সম্পূর্ণ একমত। বিআরটি ঠিক কতটা উপকারি হবে বুঝতে পারছি না, যেখানে আমাদের সরু রাস্তা, প্রাইভেট বাস আর মালিক সমিতির দৌরাত্ম। আমি বরং ট্রেনের বেশি ব্যবহারের পক্ষে। ঢাকার ভেতর ইন্টারসিটি ট্রেন না ঢুকতে দিয়ে রাশ আওয়ারে শুধু শহরের ভেতর কয়েকটা শাটল ট্রেন চালানো উচিত। পাতাল হোক আর মাটির উপরেই হোক সাভার, মীরপুর, গুলশান এগুলোকে ট্রেন দিয়ে কানেক্ট করা উচিত। একটা সুবিধা হচ্ছে কমলাপুর মতিঝিলের খুব কাছে। এটাকে কাজে লাগানো দরকার।

কলকাতায় কিন্তু পাতাল রেলের এক্সটেনশেন হচ্ছে। ঢাকায় করা কি খুব অসম্ভব। এখন মনে হয় পৃথিবীতে খুব জনবহুল শহর বলতে ঢাকা ছাড়া সবারই পাতাল রেল আছে।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৩১

লেখক বলেছেন: কমিউটার রেলের সুফলটা পুরোপুরি পেতে গেলে পাতাল রেলের বিকল্প নেই,কিন্তু এখানে ঝামেলা পাকায় জালের মত ছড়িয়ে থাকা শত বছরের ইউটিলিটি নেটওয়ার্ক (গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির লাইন)। বিল্ট-আপ সিটির যা সমস্যা আরকি, আর সেই সাথে আছে কোনরকম পরিকল্পনা ছাড়াই অনুমতি পাওয়া বহুতল ভবনের বেজমেন্ট। সব মিলিয়ে যে খরচ দাঁড়াবে, সেটা ফিজিবল হবে কিনা সেটা একটা বড় প্রশ্ন। আগে তো বর্তমান অবস্থাকে একটু মানুষ করতে হবে।

বিআরটি চালু করতে হলেও আগে একটু কঠোর হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই, কিন্তু আসলেই কি কারো ইচ্ছা আছে?

১৯. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:১৬
দ্যা ডক্টর বলেছেন: ঢাকায় কি রিয়াদ বা জেদ্দার চেয়ে বেশি গাড়ি আছে? সেখানে যদি কচুর লতির মত ফ্লাইোভার বানাতে পারে ঢাকায় কেন পারবেনা?
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:২৭

লেখক বলেছেন: দুবাইওয়ালাদের যে পেট্রোডলার আছে রে ভাই! দুনিয়ার সেরা টেকনোলজি আর বিশেষজ্ঞদের কিনে নিয়ে, কোনরকম বাজেট নিয়ে চিন্তা না করেই ঝড়ের গতিতে একটার পর একটা ফ্লাইওভার তুলে যেতে পারবে ওরা, তুলছেও। সাথে সাথে, ওদেরটা কিন্তু প্ল্যানড সিটি, ঢাকার মত জগাখিচুড়ি ছিল না। বুর্জ আল আরবের মত সমুদ্রের মাঝে লৃত্রিম দ্বীপ সৃষ্টি করে হোটেল যেমন অবিশ্বাস্য কম সময়ে তুলে ফেলেছে, তাদের সাথে হিসাব না করাই সম্ভবত আমাদের জন্য ভাল।

২০. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:২৩
একাকী বালক বলেছেন: ফারহান ভাই সমাধান কোন দিন হইব না। এরচেয়ে একটা বড় ভূমিকম্প হইয়া সব ভাইঙ্গা খান খান হোক। তার পর যারা বাচতে পারব গ্রামে যাইব গিয়া।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: সব লেখার পরে আমারো ঐরকমই মনে হইতাসে। এইসব নিয়া তো আমরাই প্রথম বললাম না, আমাদের চেয়ে আরো অনেক বড় বড় কুতুব অনেক গবেষণা করেই এইসব সমাধান বের করসেন, সেইগুলা সরকার বাহাদুর আর সচিবদের কাছে দিসেন এবং তারা সেইগুলা ডিপফ্রিজে তালা দিয়া ভুইলা গেছেন। জনগণ যে কি চায়, সেইটা অবশ্য আজও বুঝি নাই।

২১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৩৪
হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ বলেছেন: প্রাইভেট কার কমানোর ব্যাপারটা আমি ও সমথন করি । তবে সমস্যা হল সরকার যদি এখন প্রাইভেট কারের উপর উচ্চহারে কর বসায় তাহলে দেখা যাবে সমকালেই কিছু সাংবাদিক রিপোর্ট করবে যে, 'মধ্যবিত্তের গাড়ি কেনার স্বপ্নকে গলাটিপে হত্যা করলো সরকার', ইতিপুর্বে বেশ কয়েকবার আই চেষ্টা করা হয়েছিল । গাড়ি কমানোর প্রেসক্রিপশনে যে কিছু মানুষের অলরেডি চুলকান শুরু হয়ে গেছে সেইটা ত মন্তব্য দেখেই বুঝতে পারছেন।

অবশ্য ইউ আর পি থেকেও বেশ ভাল ভাল প্রেসক্রিপশন প্রদান করা হয়েছে এই বাপ্যারে কিন্তু রাজউকের কর্তাব্যাক্তিরা তাদের পকেটে অর্থাসমাগম ঘটবে না এই রকম কোন বাপ্যারে আগ্রহী না ।

আমার মতে প্রথম কাজ হওয়া উচিত ক্যান্টনমেন্ট ঢাকার বাইরে সরান । যাতায়াত ব্যাবস্থার একটা বড় অংশ আটকে আছে এই ক্যান্টনমেন্টের জন্য । বনানী থেকে মিরপুর দশের দুরত্ব যেখানে১০ মিনিটের বেশি হওয়ার কথা না সেখানে যানবাহনকে যেতে হচ্ছে বিজয় সরনী দিয়ে ঘুরে । একটি জাপানিজ বা কোরিয়ান প্লেনারদের জরিপে দেখা যায় এই কাজটি ঢাকার ৩০% জ্যাম কমিয়ে দিবে ।

আপাতত একটা আইন করা উচিত, সেটা হলো পার্কিংয়ের যায়গা থাকা সত্বেও রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং করলে কমপক্ষে ১০,০০০ টাকা জরিমানা (বসুন্ধরা সিটিতে ১০/২০ টাকা পার্কিং চার্জ বাচাতে অনেকের রাস্তার উপর গাড়ি রেখে জ্যাম বাড়িয়ে দেয় )।

আর অবশ্যই ঢাকা শহরের সকল স্থানে রাস্তায় গাড়ি পার্কিং-এর উপর চার্জ বসান উচিত । রাস্তাকে গাড়ি পার্কিং-এর জন্য ব্যাবহার করা অবশ্যই বিশেষ সেবার মধ্যে পরে । কাজেই এই সেবা বিনামুল্যে প্রদান করার কোন মানে হয় না ।

মহাখালির ফ্লাইওভারটা একটা ডিজাষ্টার হলেও খিলগাও ফ্লাইওভারকে আমি অনেকটাই সফল বলব (অন্তত ফ্লাইওভারের উপর জ্যামে পরি নাই এখনো)। যদিও সেটা তৈরি দেশীয় প্রকৌশলিদের দ্বারা এবং সেটার নির্মান ব্যায় অনেক কম (সিভিলের এক বন্ধুর তথ্যমতে)।


২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: এইলেখা সামরিক কর্তাদের চোখে পড়লে আপনে ক্রসফায়ারে পড়বেন, কত বড় সাহস ক্যান্টনমেন্ট সরাইতে বলেন? :) তবে কথা সত্যি, দুনিয়ার আর কোনখানে শহরের মাঝখানে এমন একটা হাতি থাকে না, কিন্তু এইটা সরানোর দুঃসাহস কার হবে? সাংবাদিকদের প্রতি কোন অশ্রদ্ধা না করেও বলছি, আপনার এই কথাও সত্যি, গাড়ি বন্ধ করার এর আগের উদ্যোগগুলোতে পত্রিকাগুলো ভূমিকা আমাদের মনে আছে। কি আর করা, সাংবাদিকতা বা ডাক্তারিও আজকাল সেবা বা আদর্শ নয়, শুধুই একটা পেশা হয়ে গেছে।
রাজউক নিয়া আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আছে, এক বাক্যে বলি--"বান্ঞ্চ অভ ইডিয়টস অ্যান্ড স্কাউন্ড্রেলস", যদিও ঐখানে বুয়েটের এন্ঞ্জিনিয়ারও আছে কয়েকটা।
বসুন্ধরারটা আসা উচিত ছিল, লেখার সময় ভুলে গেছি। পার্কিংয়ে ১০ টাকা দিতে চায় না বলে একটা হাইওয়ে আটকে রাখে এমন উদাহরণ গুলশানেও পাবেন, এইগুলারে প্রতি টিকিটে ১০-২০ হাজার ধরলে আশা করা যায় পরের বার এই ভুল করবে না।
খিলগাঁওটাও বিশেষ সুবিধার না, কালকে এক বন্ধুকে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের গুঙান করায় অগ্নিদৃষ্টি দিয়ে বলেছে সময় পেলে একবার যেন ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে যাই, বাজি লাগবে যে মেজাজ ঠিক রেখে বাসায় ফিরতে পারবো না।

২২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:১৫
সিংহ বলেছেন: Sumon ahmed gaye pore lagte chachhe apnar sathe irrevelant kotha bole. kono personal contempt ache mone hoy apnar upor. Lekha bhalo hoyeche. Footpath er bapareo ektu likhle parten. unless we have proper invironment for walking, it will be hard to make people walk.
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

লেখক বলেছেন: উনার হাই লেভেল কথাবার্তা আমার মস্তিষ্কে ঢুকে নাই, কি আর করা! :|
এত সমস্যা, কতগুলো আসলে বাদ পড়ে গেছে। ফুটপাথ একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেগুলো বর্তমানে আছে হকারদের নইলে দোকানদারদের দখলে। এগুলো থেকে আবার পুলিশ আর সিটি কর্পোরেশন চাঁদা তোলে নিয়মিত, এই ভূত ভাগানোও কঠিন।

২৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:২০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

হুম ! আমিতো ভাবছিলাম এটাই সমকালের জন্য লিখেছেন । মন্তব্য পড়ে বুঝলাম না, তারও আগে আছে... !

ভালো পর্যবেক্ষণ , পরিশ্রমী লেখা ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: ভুক্তভোগীর লেখা শিপন ভাই, এখন কয়টা দিন ঢাকায় থাকলেই বুঝবেন। পুরা নরক হয়ে গেছে, বাইরে বের হতেই ভয় লাগে। :(

২৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:২৭
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: লেখার সাথে পুরোপুরি একমত। প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণের বিকপ্ল নেই, দুএক বছর পরে আসলেই দেখা যাবে মানুষ গাড়ির উপর দিয়ে হেটে রাস্তা পার হচ্ছে। স্বতন্ত্র লেন উন্নত সব দেশেই আছে, এখানে বাস লেন আলাদা। বাসগুলো নিয়ন্ত্রিত হয় 'আরাইভা' নামের একটা প্রাইভেট কোম্পানী দ্বারা। মাঝে মাঝে বাসে চড়লে এটা ভাবি, আমাদের দেশে কেন এখানকার মতো বাসসার্ভিসটা চালু হয় না? এখনো যে যার মতো বাস নামায়। আলাদা লেন থাকলে কিন্তু অনেক সুবিধা।
আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে ট্রেন সার্ভিস। বাংলাদেশে সেই পাকিস্থান আমলে যতটুকু ট্রেনের ট্র্যাক হয়েছিলো এরপর আগায় নি। একটু দুরের গন্তব্যগুলো ট্রেনে যাতায়াতের ব্যবস্থা থাকলে রাস্তার উপরে ঝামেলা অনেক কমে যেতো। ট্রেনের বিকল্প কোন সার্ভিস নাই।
আমি কিন্তু ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম কিংবা সিলেটের কথা বলছি না। এটা হইতে পারে গাজীপুর/মতিঝিল/ফার্মগেট/উত্তরা ইত্যাদি স্থানে যেখানে মানুষের নিয়মিত যাতায়াত খুব বেশি হয়।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: আমি ব্যক্তিগতভাবে রেল সার্ভিস বেশ পছন্দ করি, বেশ আরামে হাত-পা ছড়িয়ে যাওয়া যায়। তবে উন্নত বিশ্বে যখন রেল সার্ভিস গতির কারণে বাস আর গাড়ির কাছে মার খাচ্ছিল, তখনই তারা কমিউটার রেল, মনোরেল এধরণের শর্ট ডিসট্যান্স রেল সার্ভিস নিয়ে আসে, এবং বিপুলভাবে জনপ্রিয় হয় এধরণের সার্ভিসগুলো। একেবারে ওদের মত না হোক, কাছাকাছি কমিউটার বা শর্ট ডিস্ট্যান্স সার্ভিস, যেমন আপনি বললেন, চালু করা কিন্তু খুবই সম্ভব, আর নারায়নগন্ঞ্জগামী কমিউটার সার্ভিস কিন্তু বাংলাদেশ রেলওয়েরই বগি আর এন্ঞ্জিন ভাড়া নিয়ে বেশ ভালই লাভ করছে, শুধু ভাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে।

২৫. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৪০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: বুঝলাম, যানজট ব্যাপারটা এমন এক সমস্যা যে এটার সমাধান নিয়ে ভাবতে গেলে আঁৎকে উঠতে হয় ...

গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারের কাহিনীটা আলাদা পোস্টের দাবী রাখে ... কারণ কোম্পানীটি যদি আবার কাজ পেয়েই যায়, তবে কি ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে সেব্যাপারে সবার সচেতন থাকা উচিত ... এই দেশটাকে আর কত লুটেপুটে খেতে দেয়া যায়? ... মজার ব্যাপার হলো, সমকালে এই অংশটা দেখিনি ... সচেতনভাবে এড়ানো কিনা সে প্রশ্নটা নাহয় নাই করলাম ;)

ঢাকার যানজটে "রিক্সার ভূমিকা আর এব্যাপারে করণীয় কি" - এই প্রসঙ্গটা আলোচনায় আনতে পারেন।

আরেকটা ব্যাপার আমি ভাবি, যদিও নিশ্চিত না, তাও বলি ... ধরুন ঢাকার রাস্তায় দুটো সিগনালের মাঝে রাস্তার যে অংশটা সেটা ভরতে গড়ে কতক্ষণ সময় লাগে তা জানা দরকার ... কেন বলছি, ঢাকায় দেখি একেকটা সিগনাল পাঁচ মিনিটের মতো লম্বা সময় ধরে লাল হয়ে থাকে, তারপর আবার পাঁচ মিনিট ধরে সবুজ ... যেসব শহরে যানজট নেই, এক্সিডেন্টের সম্ভাবনা কম, সাধারণত মানুষ ছুটি কাটাতে গিয়ে ড্রাইভ উপভোগ করে সেসব জায়গায় এটা খাটে, আপনার লংড্রাইভে সিগনাল খুব একটা ঝামেলা করছেনা ... কিন্তু ব্যস্ত শহরে খুব দ্রুত সিগনাল লাল/সবুজ করা হয়, অন্ততঃ এতটা দ্রুত করতে হয় যাতে পিক আওয়ারেও দুটো সিগনালের মাঝের অংশ পুরোপুরি ভরে না যায় ... এটা ভরে গেলে ডেডলকের সৃষ্টি হয় ... তাছাড়া ডানে-বাঁয়ে টার্ণ করার গাড়ীগুলোও বেকায়দায় পড়ে, কারণ সিগনালের দুই পাশে স্ট্যাক হয়ে জমে থাকা অসংখ্য ডান-বামগামী গাড়ীর লাইন একই সাথে ভার্টিকাল রাস্তার সোজাপথগামী গাড়ীর সাথে মিশে ব্যাড়াছ্যাড়া জ্যামের সৃষ্টি করে ... এজন্য আমার মনে হয় সিগনালগুলোর স্থায়িত্ব ছোটছোট করে একটু একটু গাড়ী ছাড়লে বেটার ---- এটা আমার আনাড়ি মত ... পরিবহন সেক্টরের লোকেরা কি বলেন, কোনটা বেটার?

আরো কিছু পাগলা আইডিয়া আসছে মাথায়, আগে থেকেই ছিলো, আপনার েলখা পড়েও এসেছে ... মূলতঃ ইনফরমেশন ব্যবহার করে কিভাবে কি করা যায় ... সে অর্থে "ডিজিটাল আইডিয়া" ... দেখি সময় পেলে লিখে ফেলবো


আইন করে গাড়ীর আমদানি বন্ধ করা মনে হয়না সম্ভব ... এর চেয়ে গাড়ী নিয়ে রাস্তায় বের হওয়াটাকে খরচসাপেক্ষ করে সেটাকে কমিয়ে আনাটা জরূরী ...
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: বস, এতদিকে সমস্যা ছড়িয়ে গেছে যে একসাথে করতে গিয়ে পুরা মাথা খারাপ হয়ে গেছে, শেষমেশ একটু তাড়াহুড়া করেই শেষ করলাম, পরে হয়তো আর কোথাও আরেকটু আলোচনা করতে পারি, আর ব্লগাররা তো আছেনই।
সমকালে গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারের অংশটাও দিয়েছিলাম, উনারা কেন ছেঁটে দিলেন সেইটা তো আমি জানি না, তবে পত্রিকা যে ব্লগ না এইটা সবাই বুঝি।:)

এই সিগন্যালগুলোতে দাঁড়ায়া ডাটা নিয়া গায়ের চামড়া পুড়ায়া ফেলছি বস ৩-২ আর ৪-২ তে, সিভিলের যে কোন পোলাপানের কাছে এই ডাটা পাবেন। একমাত্র নিউমার্কেট সিগন্যালটা ৩ মিনিট সাইকেলে চলে, একটা ডিরেকশনে গড়ে ৪৫ সেকেন্ডের মত, মোটামুটি সিগন্যাল মেনেই গাড়ি ছাড়ে, বাকিগুলা সেইরকম উদ্ভট সিস্টেম। ধরেন মগবাজার বা বাংলামটর, ভিআইপি রোডে ৭-৮ মিনিট করে ছাড়ে, অন্যদিকে ৩০ সেকেন্ড, ফলাফল বলতে হবে না। আপনার আইডিয়া ১০০ ভাগ ঠিক, স্পেসিফিক ডাটা নিয়ে সিগন্যালগুলো ঠিক না করলে এই জ্যামের উন্নতি হবে না। আপনার আইডিয়া নিয়ে লিখে ফেলেন, এইবার দেশে আসার পরে গুঁতা তো খেয়েছেনই, আইডিয়া হয়ে গেছে।:) সিগন্যাল লম্বা করার আরেকটা সমস্যাও বলে ফেলছেন, আমরা আবার এমন জাতি যে আমি না গেলে আর কাউকে যেতে দেব না, দে আটকে বাকি ২ পাশ।:)

২৬. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৪৭
জুল ভার্ন বলেছেন:
প্রিয় ফারহান, তোমার চমতকার লেখার সাথে আমিও কিছু বক্তব্য তুলে ধরতে চাই। যানজট নিরসনে স্কুলের সংগে অফিস সময় এক ঘণ্টা ফাঁক রাখার উদ্যোগ এবং '৮টায় সরকারি আর বেসরকারি অফিস ৯টায় শুরুর প্রস্তাব' শিরোনামে এক দৈনিক পত্রিকায় একটি খবর বেশ গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হয়। খবরটিতে বলা হয়েছে যে, রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসনে স্কুল ও অফিস শুরু সময়ের মধ্যে এক ঘন্টা ফাঁক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একইভাবে সরকারি অফিসের সঙ্গে বেসরকারি অফিস শুরুর সময়ও এক ঘণ্টা আগে-পরে করা সহ রাজধানীতে চলাচলকারী ট্রেনের সময়সূচি নিয়েও নতুন চিন্তা-ভাবনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি অফিসের সময় সকাল আটটা থেকে আর বেসরকারি অফিস নয়টায় করার আলোচনা রয়েছে। আর স্কুলের প্রভাতী শাখা সাড়ে সাতটায় এবং দিবা শাখা সাড়ে ১১টায় শুরু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। খবরটিতে আরও বলা হয়েছে যে, রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক এ ওয়াই এম একরামুল হকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে এসব প্রস্তাব করা হয়েছে।

উক্ত প্রতিবেদনে তিন মাস, এক বছর ও ১৫ বছর মেয়াদি তিন ধরনের পরিকল্পনা প্রণয়ন করার সুপারিশ করা হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার কমানোর লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা চালু বাধ্যতামূলক করা। সরকারি স্কুল-কলেজের ক্ষেত্রে বিআরটিসি এবং সরকারি গাড়ি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

প্রতিবেদনে আগামী এক বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ১৩টি সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর পূর্ব-পশ্চিম সংযোগকারী এয়ারপোর্ট রোড, রোকেয়া সরণী, লিংক রোড, জিয়া কলোনি-মিরপুর সেনানিবাস সংযোগ সড়ক, বিজয় সরণি তেজগাঁও পর্যন্ত সম্প্রসারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংযোগস্থল এবং রেললাইন ক্রসিংয়ে উড়াল পথ (ওভারপাস), পাতালপথ (আন্ডারপাস) করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকার চারপাশে থাকা শহর রক্ষা বাঁধকে রাস্তা হিসেবে পুরোদমে কার্যকর করা এবং সার্কুলার নৌপথ চালু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৫ বছর মেয়াদি সুপারিশের মধ্যে রয়েছে সাভার, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে উন্নত নাগরিক সুবিধা দিয়ে অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে ঢাকার ওপর চাপ কমানো।

পরিকল্পনায় পাতাল রেল ও বিআরটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এসটিপিতে যে তিনটি পথ বিআরটি করার কথা বলা হয়েছে সেগুলোর একটি হবে উত্তরা থেকে প্রগতি সরণি ও ডিআইটি রোড হয়ে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত। আর একটি গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে মিরপুর রোড হয়ে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত। আরেকটি গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে মিরপুর রোড হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত যাবে। অন্যটি বিমানবন্দর থেকে রমনা হয়ে যাবে কলেজ রোড, ফিনিক্স রোড এবং নজরুল ইসলাম সরণি পর্যন্ত। পাতাল রেলের প্রস্তাবিত তিনটি পথ হচ্ছে-উত্তরা থেকে সায়েদাবাদ বাস টার্মনাল, গুলশান থেকে ধানমন্ডি হয়ে মিরপুর এবং পল্লবী থেকে সায়েদাবাদ। এসবই খুবই ভাল কথা এবং শ্রুতিমধুরও বটে। এসব শুনলে মন যেন কেমন "আনচান" করে। খুশী খুশী লাগে।

বর্ণিত পরিকল্পনা থেকে কয়েকটি বিষয় সরকারের উদ্বেগ এবং চিন্তাভাবনা মোটামুটি খোলাসাভাবে ফুটে উঠেছে মর্মে প্রতীয়মান। গত এক দেড় দশক কাল থেকেই নাদান দেশবাসী দেশের প্রায় সব শহরে এবং বিশেষ করে খোদ রাজধানীতে যানজটের নিষ্ঠুর তীব্রতা সম্পর্কে সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের বক্তৃতা-বিবৃতি, সে সংগে উপদেশ ঘোষণা ও নসিহত শুনে আসছেন এবং কেউ কেউ এসবকে রসিকতা হিসেবেও বিবেচনায় আনতে কোনরকম আগ্রহ বোধ করছেন না। কারণ যানজটের মূল সমস্যার ধারে-কাছেও কেউ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করছেন না। দেশের মাথা এ রাজধানীর যানজট নিরসনে উপরে যে যে কার্যক্রম গ্রহণের মূল্যবান (?) কথা-বার্তা বা উদ্যোগ আয়োজনের কথা বলা হয়েছে- সেসব বাস্তবায়নে অতীতে অনেকবার "কমিটমেন্ট" বিবর্জিত ও খাপছাড়া ধরনের বিক্ষিপ্ত কার্যক্রম নেয়ার প্রয়াস দেশবাসী প্রতিনিয়ত শুনে শুনে এখন এসব বিষয়ে খুব একটা মনোযোগ দিতে রাজী নন। কারণ সমস্যা সমাধানের প্রকৃত, কার্যক্রম বিষয়ে কোন বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগ বা কার্যক্রম বিষয়ে কোন পক্ষ থেকে প্রস্তাব বা পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে না।

ভাংগা টেপ রেকর্ডারের মত ঐ একই বচন: যেমন একটি নগরীতে কমপক্ষে ২৫ভাগ রাস্তা থাকা জরুরী- রাজধানী ঢাকায় সে তুলনায় রাস্তার পরিমাণ মোট আয়তনের ৮ভাগেরও কম। পন্ডিতদের কথা অনুযায়ী এ অবস্থায় যানজট সমস্যা নিরসন কিভাবে সম্ভব? কিংবা ২৫ভাগ রাস্তার ব্যবস্থাই বা কে করে দেবে? এসব অমৃত বচন শুনে শুনে কি দেশবাসী বসে-বসে অনাগত-অনাকাঙিক্ষত ধ্বংসযজ্ঞের জন্য অপেক্ষা করতে থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সংগৃহীত তথ্যে দেখা যায় যে ২০০৬-২০০৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে ১২২.৭ মিলিয়ন ডলার-এর মোটর কার এবং ৬.৮ মিলিয়ন ডলার-এর বড় ও মাঝারি ধরনের বাস আমদানী হয়েছে দেশে। একইভাবে আগের (২০০৫-২০০৬) অর্থবছরে ১১৯.৩ মিলিয়ন ডলার-এর মোটর কার এবং ৭.৪ মিলিয়ন ডলার-এর বড় ও মাঝারি ধরনের বাস আমদানী হয়েছে। অথচ গাড়ী আমদানীর বিষয়টি হওয়া উচিত ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। কার-বাস আমদানীর এ গতি অনেক আগে থেকেই এবং অদ্যাবধি অব্যাহত রয়েছে। ধারণা করা যায় আমদানীকৃত এসব গাড়ীর প্রায় ৮০ভাগ বা তারও বেশী ঢাকা শহরে চলাচল করছে। যে তীব্র বাধনহীন গতিতে মোটরকার তথা ছোট গাড়ীর আগমন ঢাকা শহরে বেড়ে চলেছে সে তুলনায় বছরে একশতাংশ হারেও রাস্তা বাড়ছে না। ২টি মোটরকার (যাতে কমবেশী মোট গড়ে ৬জন যাত্রী চলাচল করে এবং ২টি কার রাস্তায় ১টি বাসের জায়গা দখলে রাখে) সেখানে একটা বাসে চলাচল করে ৫০/৬০/৭০ জন করে যাত্রী। এ অবস্থায় দিনদিন যে যানজটের যন্ত্রণা প্রকট থেকে প্রকটতর হবে তাতে হা-হুতাশ বা আফসোস্ আর বক্তৃতা-বিবৃতিতে তো কাজ হবে না।

কাজেই আমি অধম একজন অতি সাধারন নাগরিক মনে করি-ঢাকা শহর থেকে রিকশা সম্পুর্ণ তুলে দিতে হবে। রাজধানীতে অনেক অনেক বেশী বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারী অফিসেও যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার নীচে কেউ প্রাইভেট গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেনা। বাস সার্ভিসকে পরিনত করতে হবে গণপরিবহন তথা জাতীয় পরিবহন হিসেবে।

অনেক সুন্দর একটা বিষয় চমতকার ভাবে উপস্থাপনের জন্য তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটাই আলাদা একটা পোস্টের দাবী রাখে, খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু ব্যাপার উঠে এসেছে। একটা এই লেখায় দিতে চেয়েছিলাম, বাদ পড়ে গেছে, অফিস এবং স্কুলের সময় ডিস্ট্রিবিউশনের ব্যাপার টা। সব ক'টা একই সময়ে শুরু না করে ভাগ করে দিলে পিক আওয়ারে জ্যাম খানিকটা কমতো, এ নিয়ে কথাও হয়েছিল মনে হয়, কিন্তু শেষমেশ সবকিছুর মতই ধামাচাপা পড়ে গেল। ডে লাইট সেভিং যদি সবাই মেনে নিতে পারে, চালু হলে এটাও যে মেনে নেবে এই ব্যাপারে আমার বিশ্বাস আছে।
পাতাল রেলটা ঠিক ফিজিবল মনে হয়নি, খরচটা বাড়াবাড়ি হয়ে যায়। একটা অ্যাপ্রক্সিমেট হিসাবে দেখেছিলাম যে এর খরচ তুলে আনতে জনপ্রতি প্রতি কিলোমিটারে ৩০-৪০ টাকা ভাড়া ধরতে হয়, আর নির্মাণের সময় যে ঝামেলা হবে সেটাও ধরতে হবে। কিন্তু গাজীপুর, সাভার আর নারায়নগন্ঞ্জের আরো উন্নতি করে সেখানে লোকজন সরিয়ে ভাল কমিউটার রেল চালু করা এখন খুব দরকার। বিআরটি এর বেলাতেও একই কথা, কিন্তু ঐ যে, গাড়ি আর রিকশা নিয়ন্ত্রণ করে বিআরটি চালু করার প্রাথমিক পদক্ষেপ তো নিতে হবে, সেটা কে করবে? গাড়ি আমদানীর হিসেবটা তো আপনিই দিলেন, এই ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার দুঃসাহস কি সরকার দেখাতে পারবে?

২৭. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:০৬
দূরন্ত বলেছেন: খুব ভালো লাগলো। নিঃসন্দেহে অনেক চিন্তাভাবনা করে লিখেছেন। আপনার সাথে আমি বেশ কিছু দিক দিয়ে শতভাগ একমত,
এক. পাতাল রেল ঢাকা শহরের জন্য খুবই খারাপ উদাহরণ হবে (যারা পাতাল রেলের পক্ষে বলেন, তাদেরকে আমি বলবো কা্ওরান বাজার আন্ডারপাসের ভেতরে গিয়ে আগে পরিস্থিতি দেখেন। নির্মাণ খরচ্ও অনেক বেশী)।
এলিভেটেড ট্রেন হয়তো এর চেয়ে কম খরচে করা যায়। বন্যার মতো দুর্যোগেও সেটা নিরাপদ থাকবে। নির্মাণের সময় এতো খোড়াখুড়িও করতে হবে না। দুর্ভোগ্ও কম হবে।
দুই. পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বাড়াতে হবে। বাস কোম্পানিগুলোকে সরকার খুব সহজেই বাধ্য করতে পারে অল্প কয়েকটা কোম্পানির আ্ওতায় নিয়ে আসার জন্য। এটা খুব একটা কঠিন কাজ না।

সামরিক স্থাপনা শহর থেকে দূরে রাখাই ভাল এজন্য যে, এগুলো সাধারণ মানুষের কোনো উপকারে তো লাগেই না বরং দুর্ভোগের সৃষ্টি করে।
এগুলো শান্তিকালীন সময়ে যাতায়াত সহ নানান অসুবিধা তৈরি করে। অশান্তিকালীন সময়ে এগুলো শত্রুপক্ষের টার্গেটে পরিণত হয়। ফলে আশপাশের নিরিহ মানুষের জন্য মারাত্মক বিপদ ডেকে আনে। পিলখানার বিদ্রোহের সময় আশপাশের কয়েকজন নিরিহ মানুষ মারা গেছেন। বিদ্রোহের সময় সেখানে যদি যুদ্ধ বেধে যেত তাহলে তা মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনতো।

আমার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, দেশ চালায় আমলা বা সরকারি সচিবরা। তারা তাদের ইচ্ছামতো পরিকল্পনা করে ও তা বাস্তবায়ন করে। তাদের ইচ্ছা ছাড়া কোনো প্রকল্পই বাস্তবায়ন হয় না।
আমাদের যতো বড় পরিকল্পনা ও নিত্য নতুন আইডিয়াই থাকুক না কেন, সরকারি সদিচ্ছা ছাড়া এসব অর্থহীন।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: পাতাল রেলের ফিজিবিলিটি নিয়ে আমাদের ২ জন ব্যাচমেটের থিসিস ছিল, পুরো ব্যাপারটা খুব একটা আশাব্যান্ঞ্জক মনে হয়নি। এই শহরটা এর মাঝেই গড়ে উঠেছে, এবং অপরিকল্পিতভাবে, যার পরিকল্পনায় পাতাল রেলের কথা ছিল না, কল্পনাতেও না। ফলে এমন একটা শহর যার হাজার হাজার বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট আর শপিং কমপ্লেক্স এবং সাথে বেজমেন্ট আর পাইপ নেটওয়ার্ক, সেটার জরিপ করতেই যে সময় যাবে ততদিনে ঢাকা খতম। পাবলিক ট্রান্সপোর্টের সুব্যবস্থাপনা আর গাড়ি কমানোর জন্য সরকারের সদিচ্ছা আর কঠোর অবস্থান দরকার, ক্যান্টনমেন্ট টা অবশ্য সরাতে পারবেন না, কে যাবে ঝাড়েবংশে মরতে? :) কিন্তু ঐ যে, শেষমেশ কিছুই হয় না।

২৮. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৫২
রামন বলেছেন: আসলেই যানজট দূর্ভোগ ঢাকাবাসিদের নিত্যদিনের সংগি। যদিও সরকার ও কর্তৃপক্ষ এই দূর্ভোগ নিরসনের জন্য চেষ্টা করেও কিছুই করতে পারে নাই। আপনার এই বিশাল লেখায় বাস্তব সম্মত কিছু উপদেশ আছে যা সমস্যা সমাধানে হবে গ্রহনযোগ্য পদক্ষেপ। আবার কিছু প্রস্তাব দেয়া আছে যা মাথা ব্যথার কারণে মাথা কেটে ফেলে দেবার মত। আপনি গাড়ী আমদানী বন্ধের কথা লিখেছেন সে প্রসঙ্গে বলছি।

তবে আমি এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নই তবু যা ভাবি বা বুঝি তার আলোকে বলছি, ঢাকা শহরে যান চলাচল উন্নতবিশ্বের ব্যস্ততম শহরগুলোর ন্যায় হলেও ট্রাফিক ও সিগন্যাল ব্যবস্হা মানধাত আমলের। এরপর শহরের বড় কয়েকটি সড়ক ব্যাতিত বাকি সড়কগুলোতে বেশী সময় ধরে সিগন্যাল বাতি অকেজো থাকে এবং সেখানে অনেক সময় ট্রাফিক পুলিশ দেখা যায় না। আর সেই সুযোগে চালকগন কার আগে কে যাবে এই নীতি অবলম্বন করে পুরো সড়কে তালগোল পাকিয়ে ফেলে, ফলে শুরু হয় যানজট আর এটি ছড়াতে থাকে পুরো শহর জুড়ে।

এরপর চালকদের এলোমেলো ভাবে গাড়ী চলানোর বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করতে হবে। কিনতু যতক্ষন না পর্যন্ত এই ট্রাফিক সিগন্যালের সংস্কার করা হবে এই আইন কোনো কাজেই আসবে না।

পথচারী পারাপারের জন্য ফ্লাই ওভার আমার নিকট বিপদজনক মনে হয়। স্মরন আছে সেই ২০০২ সালে সায়েন্স ল্যাবরেটারী সংলগ্ন ফ্লাইওভার ভেঙ্গে পড়ার কথা। সেই দূর্ঘটানার ২ ঘন্টা পূর্বে ওটার নীচ দিয়ে দুবার গিয়েছিলাম। যাহোক ফ্লাইওভারের চেয়ে পথচারী পরাপারের জন্য আন্ডারগ্রাউন্ড প্যসেস আমার নিকট বেশী নিরাপদ মনে হয়। ধন্যবাদ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: সিগন্যালের উন্নতি আর ট্রাফিক পুলিশের দক্ষতা বাড়ানো অবশ্যই দরকার। তবে গাড়ি আমদানী বন্ধ করা দরকার এজন্যই যে এই শহরে ধারণক্ষমতার চেয়েও লোক এত বেশি হয়ে গেছে যে আর একটা বাড়তিলোক বা যানবাহন এলেও সেটা শহরের জন্য বোঝা। আর আপনি যে ওভারব্রিজের কথা বললেন সেটা আসলে ওভারব্রিজের দোষ নয়, নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের দোষ, যাদের এধরণের নির্মাণের কোন পূর্ব অভিজ্ঞতাই ছিল না। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির দায় তো আর আমরা একটা বস্তুর উপর চাপিয়ে দিতে পারি না, তাই না?

২৯. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৬
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: ভালো লাগলো ফারহানের চিন্তা ভাবনা এবং বাকী সবাই যারা মতামত দিসেন

সুমন আহমেদ একটা আবাল
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: উনার গাড়ির এন্ঞ্জিন আর প্রেস কনফারেন্স বিষয়ক উচ্চমার্গীয় কথাবার্তা আসলে আমার মাথায় ঢুকে নাই, কি আর করা। পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: ????

৩১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
রাজীব বলেছেন: আমার মনে হয় পোস্টটি স্টিকি হওয়া উচিৎ, সাথে করে আমরা সবাই যার যার আইডিয়ে শেয়ার করতে পারি। যানজট সম্পর্কিত অন্যদের সবকয়টি পোস্ট একত্র করে একটি গবেষনা করা যেতে পারে। এতে করে নিশ্চই একটি ভালো পথ বেরিয়ে আসবে।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: সবাই নিজেদের আইডিয়া শেয়ার করলে আসলেই ভাল হয়, এর মাঝেই অনেকে করেছেন। তবে শেষপর্যন্ত আসলে কিছুই হয় না, এটাই দুঃখ।

৩২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪
ফেরারী পাখি বলেছেন: দুঃখিত উপরের মন্তব্যটা কেমন করে এমন হল বুঝতে পারছি না।

তবে ফারহানের মতে আমি সম্পূর্ণ একমত। ঢাকা শহরকে বাঁচাতে আমাদের এই যানজট সম্পর্কে সকলে মিলে কাজ করা উচিত। কারো ঘাড়ে দোষ চাপানোর ও সময় আমাদের হাতে নেই।

আমার মনে হয়, প্রাইভেট গাড়ির নিয়ন্ত্রণ এবং বাসের ব্যবস্থা সম্পর্কে লেখক যা বলেছেন, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গাড়ি আমদানী বন্ধ করা সম্ভব না হলেও যে কোন উপায়ে এটি রোধ করা প্রয়োজন।

ধন্যবাদ ফারহান এত চমৎকার একটি পোষ্টের জন্য।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: এখন আর কারো ঘাড়ে দোষ চাপানোর সময় নেই, এটাই বড় কথা। কিন্তু তারপরেও কারো টনক নড়ে কি? উপরে ব্লগার জুলভার্নের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ২০০৬-২০০৭ অর্থবছরেরও বাসের চেয়ে ১৯ গুণ মূল্যের প্রাইভেট গাড়ি আমদানী হয়েছে, এই ব্যবসা বন্ধ করা কি এতই সহজ হবে?

৩৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
ফালাক বলেছেন: প্রাইভেট কার জ্যাম লাগার অন্যতম প্রধান কারন- এর সাথে একমত নই। সব্বাই দেখলাম প্রাঃ কার কেই দোষারোপ করলো। আবার গাড়িওয়ালারা রিক্সা আর মোড়ে মোড়ে লোকাল বাস থামাকে জ্যামের জন্য দায়ী করে। তিন রাস্তা হলে লোকজন ৩টা গাড়ি কিনবে এই যুক্তিও হাস্যকর।
ঢাকার রাস্তায় ঠেলাগাড়ি ভ্যানগাড়ি মিনি বাস, কার, ময়ুর, ডাবল ডেকার, পিক আপ, কার্গো ট্রাক কি না চলে!!! অন্য কোন দেশের রাস্তায় এত বিচিত্র গতির যানবাহন দেখা যায় না। সবচে বড় কথা রাস্তা কম (৫ না ৬ ভাগ রাস্তা ঢাকায়), সব কিছু ঢাকা কেন্দ্রীক। ছোট শহরের অসংখ্য মানুষ থাকে, আর মানুষের আইন মেনে চলার প্রবনতা ও ইচ্ছা কম+ সচেতন নয়। এগুলোই মূল কারন।
শুধু প্রাইভেট কার নয়- সব কিছুকেই নিয়ন্ত্রন করতে হবে। আরো অনেক কিছু করার আছে যেগুলো দীর্ঘমেয়াদী।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪

লেখক বলেছেন: প্রাইভেট কারকে তো ভাই এককভাবে দায়ী করা হচ্ছে না (গাড়িওয়ালা লোকজন খেপে যাবে এটাই স্বাভাবিক), বলা হচ্ছে এটা জ্যাম লাগানোর একটা বড় কারণ। পরিসংখ্যান দিয়ে দেখিয়ে দেয়া আছে মাত্র ২ থেকে ৩টা প্রাইভেট কার কিভাবে ১টা বাস বা ডাবলডেকারের জায়গা দখল করে মাত্র ৮-১০ জন যাত্রী নিচ্ছে, যেখানে একটা বাস কমপক্ষে ৫০ জন আর ডাবলডেকার ৯০ জন যাত্রী নিতে পারে। সাসটেইনেবল সমাধানের জন্য আপনি কোনটার দিকে যাবেন আপনিই ঠিক করুন না! তার সাথে আবার আছে রাস্তায় গাড়িগুলো পার্কিং এ নষ্ট হওয়া জায়গা। আপনার বাকিগুলোর সাথে একমত, সবাইকেই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

৩৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯
'লেনিন' বলেছেন: ঢাকার প্রধাণ সড়ক হলো উত্তর-দক্ষিণমুখী। মাঝে কোনো সংযোগ নেই বললেই চলে।

১/ শহরের মধ্যে পুরাতন খালগুলো পূর্ণ নাব্যতায় পুনর্বহাল করতে হবে।

২/ শহরের চারপাশে নদীকে পূর্ণ নাব্যতায় চলাচলযোগ্য এবং দূষণমুক্ত করতে হবে।

৩/ পূর্ব-পশ্চিম ক্রসরোড সমূহ পরিকল্পিতভাবে বাড়াতে হবে।

৪/ রিকশা কোথায় কোথায় কীভাবে চলবে তা নির্ধারণ করতে হবে।

৫/ ফুটপাথ ব্যবহার হবে পথচারীর হাঁটার জন্য।

৬/ সাইকেল এবং বাইক উৎসাহিত করতে হবে।

৭/ বিভিন্ন গন্তব্যে বাসের পর্যাপ্ত প্রচলন প্রয়োজন হবে।

৮/ ক্যান্টনমেন্ট ঢাকার বাইরে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

৯/ কিছু সুযোগ সুবিধা দিলেই অনেক গার্মেন্টস এবং সফটওয়্যার কোম্পানি ঢাকার অনতিদূরে সরিয়ে নেয়া সম্ভব।

১০/ শহরগুলোকে বিকেন্দ্রিকরণ করা হলে অনেক বেশি চাপ কমবে।

১১/ রাস্তাগুলো আগামী ৩০-৪০ বছর ভবিষ্যতের কথা ভেবে ডিজাইন করতে হবে।


২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: প্রতিটার সাথে একমত। তবে বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধার এই চেষ্টাগুলো আগেও হয়েছে, কাজ হয়নি। খাল নাকি ৪৩টা গায়েব, নদী তো বসুন্ধরা নাইলে যমুনা গ্রুপের সম্পত্তি, আর রাজউকের মডেল টাউনের তো খবর নেই। প্রগতি সরণীতে রিকশা বন্ধ করতে গিয়ে সরকার তো রিকশাওয়ালাদের একদিনের আন্দোলন দেখেই পিছিয়ে গেল, তবে এটাও ঠিক প্রাইভেট গাড়ি কমিয়ে একই সাথে রিকশা বন্ধ করতে হবে মেইন রোডে, নাহলে কাজ হবে না, তবে অলিগলিতে রিকশা চলতে দেয়া যায়। সাইকেল লেন খুবই জরুরী, বাইরের প্রায় সব দেশে এটা আছে, আমাদের নিজেদের অভ্যাসের খানিক উন্নতি করতে হবে সেজন্য। বাকিগুলোর সাথে পুরো একমত।

৩৫. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
নীহাড়িকা বলেছেন: যানজট আর ভাল্লাগেনা...+
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ঢাকায় থাকি ভাই, ঢাকায় থাকি। :|

৩৬. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
জাতি জানতে চায় বলেছেন: চমৎকার পোস্ট! ১০১% ভাগ সহমত! আপাতত দুইটা কাজ করলে ৭৫% জানজট এখনই হাওয়া হয়ে যাবে- মালবাহী ট্রাকের মত প্রাইভেট গাড়ী চলাচলের আইন করে প্রয়োগ (ট্যাক্স/ফ্যাক্স দিয়েও ঠেকানো যাবে না!), ভলভো টাইপের ডাবলডেকার গুলো আমদানী করা যা এক সাথে ১০০ও বেশি যাত্রী বহন করে (অবশ্যই তুলনামূলক দ্রুত গতির)।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: হুম, বাঁশ ছাড়া গতি নেই, ঐভাবেই বন্ধ করতে হবে। আর ভলভোগুলোর গতি আসলে এত কম না, বেচারারা একটু বড় সাইজ তো, থামলে নড়তে সময় লাগে, আর ঢাকার যানজটে সারাক্ষণই থামা লাগে। :)

৩৭. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
অ্যামাটার বলেছেন: হুমম, বিশেষজ্ঞরা যত যা-ই বলুক, এই জঞ্জালে ভরপুর হাইটেক বস্তিটাকে নিয়ে আমি কোনও আশার আলো দেখি না, মূলত অনেক আগেই বাতিলের খাতায় ফেলে দিয়েছি। নিতান্ত ঠেকায় পরে এই শহরে আছি।
আর নগর পরিকল্পনা কেমন হওয়া উচিৎ, ইত্যাদি বিষয়ে হয়তে এক্সপার্টরা অনেক প্রেসকিপশনই দিবেন, কিন্তু আসলেই কি এগুলোর খুব-একটা প্রয়োজন ছিল, যদি না আগে-ভাগেই একটু সচেতন হওয়া যেত?
রাজধানী হল সেই এলাকা, যেখানে রাজা থাকবে, রাজকার্য চলবে। কিন্তু আমাদের যে কোনও অর্থনৈতিক-সামাজিক কর্মকান্ড এতটাই কেন্দ্রিভুত, সামান্য পানের পাতায় চুন লাগাতে হলেও রাজধানীতে ছুটতে হয়!
আর পরিকল্পনার ধার ধারার প্রয়োজন ছিলন না, যদি আগে থেকেই জনসেবার বিকেন্দ্রিকরণ করা যেত। তাহলে অন্তত রাজধানীমুখি মানুষের স্রোত ঠেকানো যেত।
আমাকে শৈশব-কৈশরে পাঁচটা মফস্বল শহরে কাটাতে হয়েছে। আমাদের ছোট মফস্বল শহরগুলো এমনকি বিভাগীয় শহরগুলোতেও কি কোনও পরিকল্পনার ছাপ চোখে পড়ে? তবুও সেখানে জীবন অনেক সহজ। কারণ একটাই, মানুষের চাপ নাই। আর রাজধানীতে মানুষের আগমন অনুৎসাহিত করার জন্য সবচেয়ে যেটা বেশি দরকার ছিল, সে'টা হল হাইরাইজ বিল্ডিং তোলার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা। অথচ এই রিয়েলএস্টেট ব্যাবসায়ীদের দৌরত্বের কারণেই শহরটা দিনেদিনে আরও বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে। অন্তত মেট্রোপলিটন এরিয়ায় আগেথেকেই যদি বিল্ডিংএর সর্বোচ্চ সীমা তিন/চার তলা নির্ধারন করে দেওয়া হত, তাহলেও অন্তত এতটা কুৎসিত নরকে পরিণত হতনা।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: আশির দশক থেকেই ঢাকা মোটামুটি বসবাসের অযোগ্য হতে শুরু করেছে, গত ২০ বছরে এটার চূড়ান্ত সর্বনাশ হয়েছে শুধু, এখন প্রায় সংশোধনের অযোগ্য। তারপরেও চেষ্টা করে দেখা যায়। হাইরাইজ বিল্ডিংয়ের কারণেই কিন্তু এখহন ঢাকায় পাতাল রেল করাও একটা সমস্যা, তারউপরে এগুলো শহরের পানি আর স্যানিটেশন ব্যবস্থায় খুবই বিরূপ প্রভাব ফেলছে। লন্ডনের কথা বলি, পৃথিবীর বৃহত্তম শহরটায় ৩০০ ফিটের বেশি উচ্চতার (মোটামুটি ৩০ তলা ধরা যায়) বিল্ডিং কয়টা জানলে অবাক হতে হয়, মাত্র ৪০ টা। আর আমরা কংক্রিটের বস্তি বানিয়ে শহরের ১২টা বাজাচ্ছি।

৩৮. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:০৫
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: সকালে দেখলাম তালভুদাই আপনার নিয়া পোষ্ট দিল্। ঐটার ইগনোর করাই উত্তম। মাঝে মাঝে কোত্থেকে এসে আবলতাবল বলতে থাকে...
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ইগনোরই করেছি, উনার আধ্যাত্মিক কথাবার্তা আমার মাথায় ঢুকে নাই।:)

৩৯. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩১
রাজীব বলেছেন: দেখুন এবং মন্তব্যটি মুছে ফেলুন।

Click This Link

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: দেখছি দাঁড়ান।

৪০. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
জনৈক আরাফাত বলেছেন: আগেও পড়ছি। আচ্ছা, মনে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী দু'টো ব্যবস্থার আলাদা পয়েন্ট আউট করলে কেমন হয়?

-- শুনি, চীনে পুরান সব দালান/কমুনিটি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে ফেলে সেখানে হাইরাইজ কমুনিটি করে পুরান বাসিন্দাদের ফেরত দেয়া হচ্ছে। যেখানে থাকছে পর্যাপ্ত স্পেস। এজন্য অবশ্যই ভালো ফান্ডের প্রয়োজন। এভাবে কি এখানে সম্ভব। (দীর্ঘমেয়াদী) -- আল্লাহ না করুক, এখন যে অবস্থা একটা ভালো ভূমিকম্প হলে সবই তো মিশে যাবে। তার আগে নিজেরাই ভেঙ্গে শক্ত করি। (আবারও ঘণ্টা বাধার গল্প বললাম?)
---- পোস্টটা প্রিয়তে গেছে। শুভকামনা।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: পুরানোগুলো ভেঙে হাইরাইজ করলে তো আবার সেই ভূমিকম্প থেকে পানি-গ্যাস-বিদ্যুৎ সাপ্লাইয়ের সমস্যা, আর এই শহর ভাঙা কি এতই সহজ? তারচেয়ে যা পারি সরিয়ে দিলেও হয়, এমনিতেই ঢাকায় যা দালান আছে লোক তারচেয়ে অনেক বেশি, কিছু বাইরে গেলে বাকিদের জায়গা হয়। আর বেশি ভালো ভূমিকম্প লাগবে না, ৬ মাত্রার একটা ধাক্কা দিলেই অর্ধেক খতম হয়ে যাবার কথা। শুভকামনা দরকার পুরো ঢাকাবাসীর জন্য, দোয়াদরূদ পড়ি সবাই আসেন।

৪১. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম -- এই ব্যাপারে বেশী কিছু আইডিয়া নাই --

তবে যানজটে সবচে বিরক্তিকর লাগে ।

বিকেন্দ্রীকরন আইডিয়া ভালো -- কিন্তু সাহসী সিদ্ধান্ত দরকার ।

তবে একটা ব্যাপার আমার প্রায়শ মনে হয় -- লোকজনকে এইডস , জনসংখ্যা ইত্যাদির ব্যাপারে সচেতন করায় -- একটু পয়সা খরচ করে -- ট্রাফিক আইন মেনে চলার ব্যাপারেও তো সচেতন করা যায় ।
আমাদের আইন মানা ছাড়া এই সমস্যার হাল করা অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে ।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, যেমন ধরেন ১০ টাকা পার্কিং খরচ বাঁচাইতে গিয়া বড় রাস্তায় পার্কিং করে জ্যাম বাঁধানো বা ওভারব্রিজে উঠার কষ্ট বাঁচাইতে গিয়া বাসের সামনে দিয়ে দৌড় মারা, এইগুলি বন্ধ করতে হবে নিজেদের, তাতেও ২-৪% যানজট কমবে। বিকেন্দ্রীকরণ লাগবেই, এইটা সব সরকারই বলে, তারপরেই পিছায়, সবাই তো আনিসুল হকদের চান্দা খায়, কে কথা বলবে?

৪২. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৬
রোবোট বলেছেন: মাইরের উপর ওষুধ নাই

বিকেন্দ্রীকরণের উপর সমাধান নাই
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: কথা ১০০ ভাগ সত্যি, ক্যাপাসিটি পুরাই পার হয়ে গেছে।

৪৩. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৬
ফেরারী পাখি বলেছেন: একটা কথা এখানে খুব বলতে ইচ্ছা করছে। ফারহান যানজট সমস্যা সমাধানে যে সব বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলেছেন, তার প্রত্যেকটি ব্যবস্থা জাপানে খুব ষ্ট্রং।
১. পাতাল রেল
২. ফ্লাই ওভার
৩. বিকল্প সড়ক
৪. লেখক যে বাস ব্যবস্থার কথা বলেছেন, ঠিক সেরকমই, পাঁচ মিনিট পর পর নীচু ধাপ বিশিষ্ট দুই দরোজার চমৎকার বাস ব্যবস্থা কি রকম যে সেবা দিচ্ছে বলার বাইরে।

তারপরও কিন্তু জাপানে বিশেষ করে যে সব শহরকে বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে ভাবা হয়, সেগুলোতে প্রাইভেট গাড়িগুলোকে বিভিন্নভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়। (মানে অন্যান্য সেবা গুলো এত ভালো যে সবাই বাস বা ট্রেনে চড়তেই আগ্রহী হয়। পার্কিং এ চড়া মূল্য দিতে হয়। ইত্যাদি)

অবশ্য এইসব ব্যবস্থার সাথে অনেক কিছুই জড়িত। যেটা বাংলাদেশে চাইলেই তো আর করা সম্ভব না।
তবুও তো লেখক এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো মাথায় রেখে লিখেছেন। এর পক্ষে বিপক্ষে মতামত থাকতেই পারে।
আমি খুব সাধারণ মানুষ। সায়েন্স সম্পর্কে আমার কোন প্রকার জ্ঞানই নেই।
আচ্ছা এরকম কি হতে পারে যে, যদি কোনভাবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন করে, ঢাকার বাণিজ্যিক এলাকার অফিস টাইমকে দুটো বা তিনটে ভাগে ভাগ করা যায়?
যেমনঃ সকাল ৭ টা থেকে ৩ টা এবং ৪টা থেকে রাত ১টা এভাবে?
বিষয়টা বোধ হয় হাস্যকর হয়ে গেল নাকি?
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনার আইডিয়া ঠিকই আছে, ব্লগার জুলভার্নের মন্তব্য থেকেই দেখবেন সরকার এই অফিসের সময় বিকেন্দ্রীকরণেরও একটা পরী+কল্পনা করেছে, তবে এমন আগেও কথা হয়েছে, শেষ পর্যন্ত ঐসব ডিপফ্রিজে চলে যায়। আমরা বাইরের ফুটানি খালি অনুসরণ করি, কিন্তু জাপানীরা আমাদের গাড়ি সাপ্লাই দিলেও নিজেরা যে সাইকেল লেন বানিয়ে সুস্বাস্থ্যকে উৎসাহিত করে, সেটা দেখি না একবারও। তিলোত্তমা একটা ডাস্টবিন বানিয়ে ফেলেছি ঢাকাকে, এরপরেও আমাদের হুঁশ নেই, কি আর বলার আছে!

৪৪. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৩
হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ বলেছেন: আরেকটা জিনিষের কথা মনে পরলো , সাধারনত দেখা যায় একটা গাড়ি যেকোন ধরনের মোড় ঘোরার সময় অনেকটা বেশি জায়গা নেয়, কিন্তু মোড়ে দেখা যায় যে খালি রিকশা বা অপেক্ষমান মানুষজন মিলে আরেকটা বটলনেকের মতন অবস্থা তৈরী করেছে । আমারাও কিন্তু রিকশা বা সিএনজি খোজার জন্য রাস্তার মোড়কেই উপযুক্ত স্থান মনে করি ।

পাতাল রেল তৈরী করা এই মুহুর্তে অসম্ভব বলা যায় । এলিভেটেড রেলওয়ে বা হাইওয়ে করা যেতে পারে, কিন্ত কোন ধরনের বিদ্যমান অবকাঠামো না থাকার কারনে সেটা করতে যে পরিমান খরচ হবে সেটা জোগাড় করা একটা সমস্যা বৈ কি । আর যে সময় লাগবে সে সময়ে ঢাকাতে দেখা যাবে ভূমিকম্প হয়ে অর্ধেক মানুষ আর আবকাঠামো গায়েব ।

ক্যান্টনমেন্টকে উঠিয়ে দেয়া সম্ভব না হতে পারে কিন্তু সেখানে পাবলিক ট্রান্সপোট চালানোর আনুমতি দেওয়া উচিত। অবশ্য তাতে দেশের তথ্য পাচার হয়ে যাওয়ার ভালো সম্ভবনা আছে , হে হে । এর আগে নিউমার্কেট থেকে ঝিগাতলা পর্যন্ত বিডিআর হেডকোয়ার্টারের ভেতর দিয়ে একটা রাস্তা হওয়ার কথা ছিল, সেটা ঠেকনোর জন্য পরে রাইফেলস শপিং মল করা হয় ।

অফ টপিক- আজকে অনেকেই দেখি সেলেব্রেটি সিনড্রমে ভুগতেসে । আশা করি কিছুদিনের মধ্যে সামু ব্লগের প্রথম পাতায় দেখা যাবে জনৈক সেলেব্রেটি জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন করেছে- বুয়েটের সামনে জনৈক রিকশাওয়ালা আমার ডাকে জবাব না দিয়ে হনহন করে চলে গেছে, ব্লগারা বিচার করেন এর ।

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: এইটা হলো আমাদের মানসিকতা যেটা বদলাতে হবে, যে আমার সুবিধার জন্য আমি রাস্তায় যে কাজটা করছি, সেটা পুরো রাস্তাটাকে আটকে দিচ্ছে। এখানে ট্রাফিকের চেয়ে আমাদের দোষই বেশি, অন্তত ট্রাফিকদের মোড় থেকে বাস রিকশা তাড়াতে আমি সবসময়ই চেষ্টা করতে দেখেছি।
বিল্ট-আপ শহরে পাতাল রেল বানানোটা একটা অবাস্তব স্বপ্নই মনে হয়, বরং বাইরে উপশহর করে সেখান থেকে ঢাকা পর্যন্ত পাতাল রেল করা যায় কিনা দেখা যায়। ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণ আর ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমেই কিছু করা লাগবে, কারণ কোন বিশাল সিস্টেম নির্মাণে যে সময় লাগবে, ঢাকাকে বাঁচানোর জন্য অতটা সময় আসলে নেই। আর ক্যান্টনমেন্ট? এইটা নিয়া মুখ বন্ধ, ঐখানে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট চললে দেশের এলিটদের মানহানী হবে না?

অফটপিক: ভাইয়া ব্লগে থাকলে রোজ অন্তত ১০ জন আপনার গায়ে পড়ে লাগবে, ২০ জনের সাথে টক্কর লাগবে, ৫০ জনের সাথে দ্বিমত হবে, সব দেখতে গেলে সারাদিন রাত ও-ই করা লাগবে। জন্তুজানোয়ারের সাথে রেসলিং করার সময় কোথায় বলেন? :)

৪৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১০
ড়ৎশড় বলেছেন: যানজট সমস্যার থেকে বড় আমাদের মানসিকতা সমস্যা।ওইটা যতদিন না ঠিক হবে আমরা যতই সমাধান বের করি কোনটিই কাজে আসবেনা।কিন্তু তবুও আশাবাদী আপনার মত যারা এভাবে সমস্যা এবং তার সমাধান নিয়ে ভাবে একদিন হয়তো তারা এই নষ্ট শহরের কিছু একটা গতি করতে পারবে।

অফটপিকঃ আপনাকে নিয়ে অনেক ক্যাচাল হয় দেখি।কোন এক ব্লগার যতটা না আপনার পিছে মনে হলো যেন আপনার ইউনির পিছনে লাগলো বেশি।আরেকজন আপনাকে প্রশ্ন করে উত্তরের আকুতি জানাচ্ছে।ব্লগে এইসব দেখে মেজাজ সামলান কি করে?কারো পয়সা দিয়ে তো আপনি,আমি ব্লগিং করিনা।আপনার কাকে কি মনে হয় তাও আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।তবুও এহেন ঝক্কি মনে হয় শুধু বাংলা ব্লগেই সম্ভব।এত বছর ধরে এইসব রঙ্গ দেখেও ব্লগে ধৈর্য ধরে আছেন বলে একটা ধন্যবাদ নেন।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: আমাদের একক ক্ষমতা কম, তাও আশায় থাকি যে এভাবে চিন্তা করতে করতে কেউ বা কারা সত্যি সত্যি কিছু একটা করবে। এখানে কিন্তু সবাই মোটামুটি চিন্তা করছে, এই সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞ হতে হয় না, সবাই বুঝতে পারছেন আর চমৎকার কিছু সমাধান যোগ করে যাচ্ছেন। এখন চিন্তা হলো, যাদের হাতে প্রয়োগের ভার, তাদের কানে পানি ঢুকানো যায় কিভাবে। তবে আমরা নিজেরাও যদি অন্তত খানিক শুধরাই, তাও তো অন্তত এই ধ্বংসযজ্ঞে আমাদের হাতটা থাকলো না।
অফটপিক: সময়ে মানুষ বদলায় রে ভাই, একটা সময় কিন্তু আমরাও মাথা গরম করতাম, আস্তে আস্তে বুঝে গেছি রাস্তায় চলতে গেলে সহৃদয় পথিক যেমন থাকবে চোরডাকাত পকেটমার পায়ে পা বাঁধানো লোকজনও থাকবে, কার সাথে থাকবো আর কাকে এড়াবো সেটা ঠিক করে নিতে হয় আরকি। এদেরও তো কিছু করে খাওয়া লাগবে, করতে থাক।:)

৪৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এই ব্যাপারটা নিয়ে আমারও অনেক কিছু বলার ছিল।
ফারহানের সাথে টিএসসি থেকে আজিজমার্কেট যাবার পথে কথা তো ফুরলো না যানজট নিয়ে...ভালই হল এখানে বলা যাবে।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন: রন্টি ভাই, হ্যাঁ, ঐখানেও ফুটপাথের ভিড় আর ধাক্কায় কথা বেশি আগায় নাই, এইবারে অপেক্ষায় থাকলাম।

৪৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এনিওয়ে..বলেই ফেলি এখনই

প্রাইভেট কারের প্রতি ঢালাও নিষিদ্ধ লেভেলে আমি একমত নই। এটা ঠিক যে মাত্রাছাড়াপ প্রাইভেট কারের বিস্তার অবশ্যই রাস্তায় প্রেসার ফেলে। কিন্তু প্রাইভেট কার কেনার মানুষের ইচ্ছেটাকে গলাটিপে মেরে ফেলার নাম তো আসলে জীবন হতে পারে না।

ঢাকায় নামলে আসলে নাস্তিক থেকে আস্তিক হতে ইচ্চে করে যে কারও, আল্লাহ ভগবান না থাকলে এ শহর চলছে কি করে? যে যেমন করে ইচ্ছে চালিয়ে যায় গাড়ি, কোন নিয়মের তোয়াক্কা নেই।
ঢাকার রাস্তা তো মাশাল্লাহ কমবড় না। পৃথিবীর অনেক বড় বড় শহরের রাস্তাই এর থেকে ছোট। বড় বড় শহরে যা করে তা হল শহরকে ঘিরে প্রচুর বড় বড় বাইপাস রোড করে। শহরের ভেতরে বড় রাস্তা পৃথিবীতে বিরল।

ঢাকায় প্রথম যেটা করা উচিত তা হল ট্রাফিক আইনের যথাযথ প্রয়োগ। সবাইকে ট্রাফিক লাইট মানতে হবে। অথবা মানাতে বাধ্য করতে হবে। ঢাকায় জট লাগলে সহজে ছাড়ে না, কেননা ছাড়ার উপায়ও নেই। তিনলেনের রাস্তা, দেখা গেল ওখানে পাচ লেনে গাড়ি চলছে, তাহলে জ্যাম তো লাগবেই। প্রত্যেকটা লেন তো তৈরি আসলে একটা গাড়ি সহজে স্বাচ্ছন্দ গতিতে চলার জন্য, কিন্তু কে মানে এটা, নাক ঢুকিয়ে আরেকটা লেইন তৈরি করে, যার ফলে একটু এগিয়েই জট, কেননা নেক্সট এভাইলেবল এক্সিটে হয়ত লেইন কমে হয়েছে দুইটা।
আমার ধারনা এই লেন না মানা জনিত সমস্যাটা দুর করতে পারলে ঢাকার রাস্তায় চলাফেরার সময় অনেকখানি কমে যাবে। কারন তাতে করে গাড়িগুলো এটলিষ্ট মুভ করবে।

পাতাল রেলের মত আকাশকুসুম চিন্তার আগে ঢাকায় যেটি করা দরকার, সেটি হল রিঙ রোড। পুরো ঢাকাকে ঘিরে একটি রিঙ রোড এখনি, এই মুহুর্তে দরকার। বিএনপি আমলের শুরুতে একবার শুনেছিলাম খালেদা সরকারের প্ল্যান ঢাকার চারপাশের নদীপথে রিঙনদী পথ করবে। কিন্তু হল কই?
ঠিক তেমনি রিঙ রোড করা দরকার। সেই রোড প্রশস্ত হবে, গতিশীল হবে এয়ারপোর্ট রোডের মত, হবে মটরওয়ে যেখানে গাড়ি থামিয়ে খুশগল্প করার সুযোগ থাকবে না । সেই রোড থেক্ভে ঢাকার নানা এলাকায় এক্সিট থাকবে। সেক্ষেত্রে এক এলাকা থেকে দুরের আরেক এলাকায় যেতে অনেক বিজি রোড পেরিয়ে যেতে হবে না।

রামপুরা থেকে মালিবাগ, মগবাজার হয়ে পান্হপথ আসতে যত সময় লাগে তারচেয়ে কম সময়ে গাজীপুর থেকে রামপুরা পৌছান যায় এই সুত্র মতেই।

বাসের জন্য একটা লেইন নির্দিষ্ট করে দিতে হবে, যেখানে ট্যাক্সিক্যাব ছাড়া বাকী সাধারন গাড়ি ঢুকবে না। ট্যাক্সিক্যাবও ঢুকতে পারবে যখন বাস সেই লেইনে থাকবে না। তবে বাসও ট্রাফিকলাইট মানবে, বাসের জন্য কোন ট্রাফিক লাইট না থেকে বাস্তব সম্মত নয় তাতে করে ট্রাফিক সিগনাল মেইনটেইন করা বিশাল কঠিন হবে বা সম্ভব হবে না।

ঢাকায় ট্রাম চালু করা মনে হয় সম্ভব নয় এখন আর জায়গার অভাবে। এবং মানুষের বেপরোয়া চলাফেরার কারনে। কিন্তু তবু মনে হয় কিছু কিছু স্বল্পদুরত্বের জায়গায় ট্রাম চালু করা যেতে পারে। ট্রাম চালু করতে ওত বিপুল টাকা লাগে না। ট্রাম ধীরে চলে তাই বিপদের সম্ভাবনা কম, কিন্তু ট্রাম নিবির ভাবে চলে।
ধরা যাক ফার্মগেট থেকে ভার্সিটি/ ধানমন্ডি মিরপুর রোড এইসব যায়গায় ট্রাম লাইন থাকলে বেশ হত।

একতলা বাসকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। এরা চলতে পারে ইন্টারসিটি সার্ভিসে। টাউন সার্ভিসে ট্রান্সপোর্ট হতে হবে একমাত্র দুতলা বাস।
বাস সার্ভিস সরকারী মালিকানায় নিয়ে নেয়া বোকামী। সেটা বেসরকারী বা ব্যাক্তি মালিকানাতেই থাকতে হবে। কিন্তু তাকে একই মাদারকোমপ্নীর অধীনে নিতে হবে। যেমন উত্তরা টু মতিঝিল রুটের সব বাস একই কোম্পানীর অধিনে চলবে।এখন সেখানে নানা কোম্পানীর বাস থাকতে পারে। কিন্তু এদের কমন নাম একটিই হবে, এবং এরা শৃংখলাম সাথে চলবে টাইম টু টাইম। বিভিন্ন স্টপে এসে চিল্লাবে না আর যাত্রী নিতে কম্পিটিশন করবে না।

দোতলা বাসে দুটি এক্সিট থাকবে।
বাসের ভেতরেও টিকিট কাটার ব্যবস্থা থাকতে হবে।






সরি, একটু বাইরে যেতে হচ্ছে, তাই আপাতত এখানেই থামতে হল। আরও কিছু বিস্তারিত প্ল্যান পরে এসে বলে যাব।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: বেশ কম্প্লিট একটা প্ল্যান, দ্বিমত করার তেমন কিছু নেই। প্রাইভেট কার নিষিদ্ধ করতে হবে সেটা বলছি না, তবে সীমিত করতে হবে, নইলে লোকজনকে বাসে উঠানো কঠিন হবে। ট্রাফিক সিগন্যাল আর আইন মানানোর জন্য ঘাড়ে ধরে হলেও করাতে হবে, এটা ফরয হয়ে গেছে। রাইট লেনের গাড়ি লেফট লেনে বসে থাকে, লাল বাতি হলে ৩ রোড থেকে গাড়ি ঢুকে প্যাঁচ লাগায়, যেখানে সেখানে ইউটার্ন সব মিলে বিশৃঙ্খলার চরম। রিং রোডের আইডিয়াও ঠিক আছে। তবে বাসের জন্য ট্রাফিক লাইট থাকবে কিনা সেটা নিয়ে একটু বিতর্ক হতে পারে, সম্ভব হলে কম সংখ্যায় দিতে হবে, কিছু সুবিধা না পেলে গাড়িওয়ালারা বাসে যাবে কেন?
ট্রাম চালু করা যাবে কিনা জানিনা, মনোরেল (অবশ্য বেশি ব্যয়বহুল) এর কথা ভাবা যেতে পারে, তবে আরো পরে, অবস্থার খানিক উন্নতি হলে, দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পে। বাসের যে সিস্টেম বললেন, ওটার ব্যাপারে ১০০ ভাগই একমত।

৪৮. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪১
জাতেমাতাল বলেছেন: আরবান ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে রাস্তা চওড়া করা, রাস্তার সারফেস মসৃন করা আর নতুন নতুন রাস্তা বানানো খুবই পছন্দের কাজ। এসব কাজে ফান্ড দেবার জন্য দাতা সংস্থার অনেকেই এক পায়ে রাজি।

জাপানী দাতা সংস্থা জাইকার কথাই ধরুন, বাংলাদেশের পরিবহন ব্যাবস্থা বলতেই তারা সড়ক যোগাযোগ বোঝে, যাতে এখানে রাস্তায় রাস্তায় জাপানী বাস, অথবা জাপানী রিকন্ডিশন গাড়ী অবাধে ঘুড়ে বেড়াতে পারে। ঢাকার গনপরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে তাদের কোন উৎসাহ নাই।

ফারহানের লেখাটি ভাল লেগেছ। এসব বিষয় নিয়ে বেশি বেশি আলোচনা আসা উচিত। পার্কিং নিয়ে আগামীতে ফারহানের লেখা আশা করছি।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: হেহেহে,এইটা তো তিতা সত্যি কথা বলে ফেললেন।:) আমলা আর মন্ত্রী সাহেবদেরও কিন্তু এসব ব্যাপারে ব্যাপক উৎসাহ, প্রকল্পের টাকার ভাগ তো আছেই, বিনা শুল্কে গাড়ি আমদানী করে দেশের বাজারে বেচার একটা ব্যাপারও আছে কিন্তু।:)
চেষ্টা করবো ভবিষ্যতে কিছু লিখতে, যদিও আমার জানার পরিধি কম। আপনারা কিছু যোগ করতে পারেন।

৪৯. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৭
হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ বলেছেন: @রন্টি চৌধুরী, ঢাকার রাস্তায় লেন সংখ্যা হয়ত অনেক দেশের রাস্তার তুলনায় দ্বিগুন কিন্তু সেসব দেশের তুলনায় ঢাকায় মানুষজ়নের ঘনত্ব কিন্তু ৫-১০ গুন ।এখানকার রাস্তাঘাটও কিন্তু সেসব দেশের মতন এতো পরিকল্পিতভাবে তৈরী হয় নি ।
আসলে প্রাইভেট কার নিষিদ্ধ করাটা সম্ভব নয় , এটা আমি ও মানি । কিন্তু কিছু আহেতুক ফুটানি বা দ্বায়িত্বজ্ঞানহীনতা বন্ধ করা যেতে পারে । ঢাকার কিছু মানুষ আছে যারা বাসা থেকে পাচ মিনিট দূরে যাওয়ার জন্য গাড়ি ব্যাবহার করার দরকার পরে ( ধানমন্ডি ১৫ থেকে আমার পরিচিত একজন UIU তে ক্লাস করতে যায় পারসোনাল কারে চড়ে )। তার উপর আছে রাস্তার যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং করা । এই কালচারগুলির পরিবর্তন আবশ্যক । একসব লোকের কাছে এইগুলো কোন ব্যাপার না হলেও তার কারনে সৃষ্ট জ্যামে আটকে পড়া এম্বুলেন্সের আরোহীর কাছে এটা জীবন মরন সমস্যা । আপনি যদি শপার্স ওয়ার্ল্ড বা শমরিতা হসপিটালের সামনে যান তাহলে দেখবেন শুধুমাত্র এই দুটো স্থানে আগত মানুষদের পার্কিং র জন্য রাস্তার উপর বটলনেক তৈরী হয়েছে ।

প্রাইভেট কার বন্ধ করা যাবে না কিন্তু কিন্তু সেটা অত্যাধিক ব্যাবহারের দিক দিয়ে মানুষকে নিরুৎসাহিত করা যাবে । সেটা এখন সবার আগে প্রয়োজন ।

@ফারহান, আমার মনে হয় শপার্স ওয়ার্ল্ড আর শমরিতা হসপিটালের মত প্রতিষ্টানকে মাসে মোটা অংকের জরিমানা করা উচিত তিন লেনের রাস্তার দুই লেনকে তাদের নিজেদের পার্কিং লট হিসেবে ব্যাবহার করার জন্য ।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৪

লেখক বলেছেন: নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, একেবারে বন্ধ করা যাবে না, যাদের তেল বেশি তারা বেশি পার্কিং চার্জ দিয়ে বা টোল দিয়ে করুক। জরিমানা তো করাই উচিত, কিন্তু এইসব হাসপাতাল আর শপিং কমপ্লেক্সের মালিকপক্ষ আগেই এগুলো ম্যানেজ করে রাখে, আপনার আমার মত চুনোপুঁটির কি করার আছে?

৫০. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:১৪
মানবী বলেছেন: "আমাদের নিজেদেরও এখানে উপলব্ধির ব্যাপার আছে, একটু টাকা জমিয়েই যাতায়াতের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য আমরা যে গাড়িটা কিনে ফেলি, সেটা আসলে ঢাকার যানজটে আরেকটু রসদ যোগানো ছাড়া কোন" সুবিধা দিচ্ছে না। "

- সহমত।

সুন্দর বিশ্লেষনধর্মী লেখা।

আমেরিকার বড় বড় যেসব শহরে জানজট সমস্যা, সেখানে অনেক কোম্পানী জানজট কমাবার লক্ষ্যে স্টাফদের পাবলিক ট্রান্সপোর্টের ফ্রী পাস দিয়ে থাকে। উদ্দেশ্য, ব্যস্ত সময়ে পাবলিক ট্রান্সপোর্টের ব্যবহার বাড়িয়ে প্রাইভেট ট্রান্সপোর্টের সংখ্যা কমানো।
হুভার লেন এর কনসেপ্ট অনেকটা তেমন... দুই বা ততোধিক, স্থান বিশেষে তিন বা ততোধিক সংখ্যক যাত্রীবাহী বাহনের জন্য আলাদা একটি লেন। সাধারন লেনে গাড়ী হয়তো ভীড়ে ঘন্টায় আধ মাইল যাচ্ছে, সেসময় সেখানেই পাশের হুভার লেনে গাড়ীগুলো দ্রুত বেগে ছুটে যায়!!


পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ ফারহান দাউদ।

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৪১

লেখক বলেছেন: মানবী আপা, অনেকদিন পর দেখে ভাল লাগছে।:)
অনেক তথ্য জানছি, বেশিরভাগই আমারও জানা ছিল না। একটা জানতাম, যে ৪ জনের কম হলে অনেক জায়গায় বাড়তি টোল দিতে হয়, বা হুভার লেনে ঢুকতে ৪ বা তার বেশি আরোহী হলে টোল ফ্রি কিন্তু এর কম হলে বেশ বড় অংকের টোল দেয়া লাগে, ফলে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, নয়তো শেয়ারড গাড়ি, ভিড় কমছে।

৫১. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪
অ্যামাটার বলেছেন: রন্টি চৌধরী-র সমাধানগুলো সবচেয়ে যথাযথ মনে হয়েছে। আর কার/জীপের প্রতি শহরবাসীকে অনুৎসাহিত করাটাও মনেহয় ঠিক হবে না, কেননা, এগুলো এখন আর বিলাস বাহন না, মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যেই এবং প্রয়োজনীয়।
ট্রামের কথাটা বলতে গিয়েছিলাম, পরে ভাবলাম ব্যাকডেটেড চিন্তা বলে হয়ত ধোপে টিকবে না। আর টেকনিক্যালি পাতাল রেল করা সম্ভব হলেও এর অন্য একটা ঝুঁকি আছে, সেটা হল জঙ্গি/সন্ত্রাসীরা তাদের আক্রমনের জন্য উন্মুক্ত ক্ষেত্র্রের চাইতে সাধারণত এ'রকম আবদ্ধ কোনও স্থাপনা বেছে নেয়। তাই ঢাকার মত জনবহুল শহরে এটা ঠিক নিরাপদ না।
___________________________

সমাধান হিসেবে অনেক পরামর্শই আসছে। তবে আমার মনে হয় উন্নয়ন পরিকল্পনার চাইতে ভাল সমাধান হচ্ছে জনতার চাপ কমানো। সামনেই দেখাযাবে, ঈদের দু'-এক দিন আগে-পরে ঢাকা একদমই ফাকা। সংবাদ ভাষ্যগুলোর মতে ঈদ মৌসুমে প্রায় পঁয়ত্রিশ-থেকে চল্লিশ লক্ষ মানুষ ঢাকা ছাড়ে(সম্ভবত সঠিক সংখ্যা কত, এ' নিয়ে কোনও জরিপ হয়নি)। ঢাকার লোকসংখ্যা অনুযায়ী যা ২৫-৩০ শতাংশ। তার মানে দাঁড়াচ্ছে মোটামুটি এক চতুর্থাংশ মানুষ কমাতে পারলে শহরটা অন্তত খানিক বসবাস যোগ্য হবে। সুতরাং সোজা হিসাব, যত গার্মেন্টস-সবকটা মিডিয়া(ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট, সব)-যত বানিজ্যিক প্র‌তিষ্ঠান, বিশেষ করা সবগুলো ব্যাঙ্কের হেড অফিস, ইত্যাদি আরও কিছু প্রতিষ্ঠান, যেগুলোর হেডঅফিস রাজধানীতে থাকার কোনও মানে হয় না; এগুলোকে ছয়মাস বা একবছরের নোটিসে ঢাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া উচিৎ। আর এসব প্রতিষ্ঠানগুলো ঢাকায় আছে মূলত তাদের এমডি/চেয়ারম্যান এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আরাম-আয়েশের জন্য। তাদের সন্তানেরা নামী স্কুলে পড়বে, স্ত্রী-রা বড় পার্লারে যাবে, মফস্বলে মশার কামড় কী আর সহ্য হবে??

শহরটা একটু হালকা করতে পারলেই এলিভেটেড এক্সপ্রেস বলেন আর পাতাল রেল বলেন আর রিং রোড কিংবা ফ্লাই ওভার বলেন; কোনওকিছুরই প্রয়োজন হবে না। এমনিএমনিই সবকিছু সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। উন্নয়ন পরিকল্পনার দরকারই হবে না।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: বিকেন্দ্রীকরণ সবচেয়ে ভাল সমাধান। এভাবে একটু হালকা করে তারপরে দীর্ঘমেয়াদী নির্মাণে হাত দেয়া যায়। তবে প্রাইভেট কার জিনিসটা এখন খোদ গাড়ির দেশগুলোতেই নিরুৎসাহিত করা হয়, যাদের রাস্তার কোন অভাব নেই, কিন্তু ৫০ বা ১০০ বছর পরের কথা ভেবে তারা কাজ করে, আমরা করি না।

৫২. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
নিজের কিছু ধারণা লিখবো বলেছিলাম, ঘুম থেকে উঠে দুদিন পর দেখি আমার ধারণার চাইতেও চমৎকার কিছু ধারনা এসেছে। যাই হোক অভিজ্ঞতা থেকেই সংক্ষেপে বলি (রোজায় ক্লান্ত , বিস্তারিত লিখার জ্ঞান নাই ) কিছু কিছুঃ


প্রথম ছয়মাসঃ
>>>>>>>

১। সমস্ত নগরপরিবহনকে একই কাঠামোর অধীনে আনতে হবে । পৃথিবীর কিছু শহর দেখা আছে, সব কিছু যেখানে বেসরকারি, সেখানে তারা নগরপরিবহন টাকে সরকারি করে রেখেছে। সমস্ত বাস সার্ভিস
একই সংস্থার অধীনে চলবে, বেসরকারি মালিকেরা সেখানে বিনিয়োগ এবং প্রতিনিধিত্ব করবেন। বাস সার্ভিস এবং থামার সময়, ফ্রিকোয়ান্সি ইত্যাদি অনুপাতভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে।

২। ঢাকার মত ঘিঞ্জি শহরেও অনেক কার্যকর পরিকল্পনা নেয়া যায়, জাকার্তা দেখে তাই মনে হয়েছিলো। সেটাও তৃতীয় বিশ্বের ওভারপপুলেটেড শহর ; কিন্তু কিছু পদক্ষেপ তাদের সমাধান দিয়েছে। যেমন রাস্তার পাশে ক্লোজড যাত্রীছাউনি আর সেখান থেকে কিউতে করে বাসে ঊঠানামা (বাসের পাদানি কম্ফোর্টলেভেলে নিচে) রাস্তায় নামার কোনো চান্সই দেবে না, পাবলিক বাসের জন্য বামদিকে আলাদা লেইন , অনেকটা মহাখালীতে ক্যান্টনমেন্ট যাবার জন্য যেটা তৈরী হয়েছে সেরকম; নানান ধান্ধাবাজীর ক্যাব সার্ভিসের মাঝে ও ব্লু-বার্ড নামে অসম্ভব দারুণ ও নির্ভরযোগ্য একটা ক্যাব সার্ভিস।

৩। নগরপরিবহনকে ঠিক করার আগে কোনমতেই আপনি ব্যক্তিগত যানবাহনকে নিরুৎসাহিত করতে পারেন না। বর্তমান ট্রান্সপোর্ট এর অবস্থায় বড়জোর আমি যাতায়াত করতে পারি, কিন্তু আমার আব্বা বা আম্মাকে ছেরে দেবার কথা ভাবলেই হৃদকম্প হয়।

এখন অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনকেই দেখি ধার করে বা লোন নিয়ে গাড়ি কিনতে, কারণ নগর পরিবহনের বেহাল অবস্থা। তাহলে কি লাগামছাড়া অবস্থায় এভাবেই গাড়ি বাড়তে দেয়া হবে?

না ।


এইক্ষেত্রে ফিল্টারিং করা উচিত। যেমন নিয়মিত ট্যাক্স পেয়ার দের আপনি প্রাধান্য দিতে পারেন, এক পরিবারে একাধিক গাড়ি ছাড় না দিতে পারেন।
কালোটাকা লুটেরা টাকায় ঘুষের টাকায় গাড়ি কিনে পাব্লিকের রাস্তায় কেউ ফুটানি দেখাবে এইটা ভাবলে গায়ে জ্বালা ধরে, কিন্তু সৎভাবে আয় করে ট্যাক্স দিয়ে যে নাগরিকটি সচেতন , তাকে সম্মান দিতেই হবে।

৪। আমি ভাই এইবিষয়ের লোক না, বিস্তারিত জানি না ; কিন্তু মোটামুটি অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি ট্রাম-পাতালরেল-স্কাইরেল এইসব কথা ঢাকার জন্য ভুলে যান আপাতত, নতুন অংশে (যেমন পূর্বাচল) বা নতুন কোনো শহরে চিন্তা করুন।


৫। ড্রাইভিং আইন কঠোর করতে হবে। ব্যাপক হারে জরিমানা আর ছোটখাট অপরাধেই সাময়িক লাইসেন্স স্থগিত, বার বার ঘটলে দীর্ঘমেয়াদী লাইসেন্স স্থগিত এর ব্যাবস্থা করতে হবে। বেপোরোয়া গাড়ি চালানো ও আইনকে পাত্তা না দেবার কারণ স্বল্প শাস্তি ও জরিমানা।

৬। ২৮ টা ক্রসিং এ এলিভেটেড রোড করে আপাতত (আমার কাছে এইটা সবাচাইতে সস্তা অ সোজা মনে হয়, জানি না ঠিক কিনা ) দুইখান রেললাইন বাড়ান , কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত পনের মিনিট অন্তর শাটল চালু করেন। একখান ট্রেনে ১০ বগি নিলেও বিশখান বাসের সমান, প্লাস জ্যামের কোন ভয় নাই। এখন মতিঝিল থেকে বনানী বা উত্তরা যে পাব্লিক যাবে অতি বড় গর্দভ না হলে সে বাসে ঊঠবে না। বাসের রুটের ৬০ ভাগ যাত্রী এই রুটে নিয়ে আসা সম্ভব। ট্রেনে সিট থাকবে কম দাঁড়ানোর জায়গা বেশী আর সম্ভব হলে এসি। চালু হলে আমি নিজেই হয়ত টঙ্গী বা নারায়নগঞ্জ চলে যাবো। এই শহরে কামলাগিরি করে থাকতে আর খেতে গিয়ে সবই শেষ হয়ে যায়।

৭। এই পয়েন্টটা সরকারের বা পলিসিমেকারদের কাজ না। এইটা আমাদের আমজনতার। আমাদের ফাউল সব অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। খালি সরকারের গালাগালি দেবো আর নিজে দু পাঁ না হাঁটার জন্য যেখানে সেখানে বাস থেকে নামতে চাইবো, ওভারব্রীজ ব্যাবহার করব না , রিকশা আর গাড়ীরে রঙ সাইডে নিয়ে যাবো তা হয় না। নিজে আগে ঠিক হয়ে তারপরে গালি দেবো এইটা মানলেই হয়।
আর হাঁটার অভ্যাস তো একেবারেই গেছে।


পরের একবছরঃ
>>>>>>>


১। আস্তে আস্তে গার্মেন্টগুলো ঢাকার বাইরে নিয়ে যেতে হবে। এই বিলাসের শহরে গার্মেন্টশ্রমিকদের থাকাটাও একটা নির্যাতন।

২। কমেন্টে একজন ব্লগার বলেছেন, জেলখানা কিছু অদরকারী সরকারি অফিস ঢাকার আশে পাশে নিয়ে যেতে হবে। (মৃত্তিকা উন্নয়ন বোর্ড, তুলা উন্নয়ন বোর্ড এদের ফার্মগেটের মত জায়গায় এখন অফিস থাকার প্রয়োজনীয়তা কি?)

৩। ক্যান্টনমেন্ট? কিচ্ছু বলার নাই। সত্যটা সবাই জানে , তারাও জানে। এইটা এইখানেই থাকবে আপাতত, কেউ কিচ্ছু করবে না।

৪। দয়া করে অন্যান্য বিভাগীয় শহরে সুবিধাগুলো বাড়ালেই হয়। ঈমানে বলি, সুযোগ থাকলে আমি কখনোই ঢাকা থাকতাম না, থাকতাম চট্টগ্রাম।
...............



নাহ, আর লিখে লাভ নাই। আপনি আমি ডঃ শামসুল হক স্যার বুঝে লাভ কি? যারা বোঝার তারাই বুঝে না বা ইচ্ছে করেই হয়তো এইসব নাগরিক দুর্ভোগ জিইয়ে রাখা হয়, জ্যাম-পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস-সিস্টেম এই নিয়ে আমরা আমজনত ব্যস্ত থাকলে ওনারা উনাদের 'কাজকর্ম'
করতে পারবেন। এগুলো সমাধান হলেই তো পাব্লিক অধিকার-মানবাধিকার-সুশাসন নিয়ে লাফাবে। তাই ...............





২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: জনপরিবহণের জন্য রেলরোড আর মালামাল পরিবহণে নৌপথের উন্নতি ভাল সমাধান। তবে প্রাইভেট কার একটু না কমিয়ে আসলে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট চালুই করা যাবে না, আমার ধারণা ট্রাফিক আর ড্রাইভিং আইন কঠোর করলেই শুরুতে অনেকটা কমবে, এরপরে সীমিত আকারে রেজিস্ট্রেশন। বাকি কোন কিছু নিয়েই দ্বিমত নেই, পুরোটাই একমত। কিন্তু ঐ যে বললাম, আমরা বললে হবে না, যারা বললে হতো তারা বলবেন না, পুরো একটা চক্রে আটকে গেছি।

৫৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৮
অপরিচিত_আবির বলেছেন: বুয়েটিয়ান ব্লগারদের একটা আড্ডার আয়োজন করা হচ্ছে

তারিখ : ২ সেপ্টেম্বর

ভেন্যু : বুয়েট ক্যাফেটেরিয়া

মেনু : ???

আলোচনা দেখতে Click This Link

আর যোগাযোগের জন্য : আমার ইয়াহু মেইল আইডি major_fuad@ইয়াহু

দ্রুত মতামত এবং সম্মতি চাই।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: আলোচনা দেখসি, জ্বর আর ব্যথায় কাবু বইলা ঠিক জুৎ করতে পারতেসি না। ধইরা নাও মাথায় বাজ না পড়লে আছি ইনশাল্লাহ।

৫৪. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৪২
নুশেরা বলেছেন: পরিশ্রামসাধ্য কাজের জন্য সশ্রদ্ধ অভিবাদন জানালাম। আরও চলুক এমন কাজ, অবস্থা স্বস্তিকর হোক, এ আশায় থাকি।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: সবাই আসলে সব বোঝে, দেখলেনই তো, কিন্তু কেউই নিজেরটা ছাড়তে রাজি না। কী হবে কে জানে, এইসব লিখে আসলে কিছু হয় না।

৫৫. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৫০
রোবোট বলেছেন: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| - উপায় থাকলে এরে আমি ট্রান্সপোর্টেশন প্ল্যানারের চাকরি দিতাম। জানতাম ম্যানেজার্স আর বর্ন, এখন তো দেখি ট্রান্সপোর্টেশন প্ল্যানারও বর্ন।
ওর কমেন্ট খুবই পছন্দ হয়েছে।

পোস্টক
পর্ব- ৩ কবে আসবে?
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: ট্রান্সপোর্টেশন প্ল্যানারও ম্যানেজ করারই কাজ না? বাংলাদেশের আসল সমস্যা হইলো, যার যেখানে দরকার সে সেইখানে নাই, যার থাকার কথা না সে আছে। পরের পর্বটা কিছুদিন পরে দেই, আরেকটু রিভাইজ দিয়া নেই পড়াশোনা। তবে, আপনি দেন ট্রাফিক প্ল্যানিংয়ের কিছু, দাবী থাকলো।

৫৬. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩
হাল্ক বলেছেন:
তোর কথার উপ্রে কথা নাই। যা কইসোস সব সত্য কথা।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: ক্যান, আমি তো ছাত্রলীগ করি না, তোর কোন কিছু বলার নাই? :)

৫৭. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০০
হাল্ক বলেছেন: নতুন কি কমু আর- সব কথা ত তুই কইয়াই দিসোস... (আমারো ট্রান্সপোর্টেশন মাইনর ছিল। )
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৬

লেখক বলেছেন: হেহেহে, মজা দেখসোস দোস্ত, আমরা সবাই কিন্তু সব জানি, তারপরেও কিছু হয় না, আজব এক জাত।:)

৫৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: আপনার লেখায় অনেক সমস্যা ও সমাধান ফুটে উঠেছে....

ভবিষ্যতে আমরা যানজটমুক্ত ঢাকা শহর দেখতে পাই এ আশা নিয়ে আপনার কষ্ট যেনো স্বার্থক হয়.।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: ব্লগার রা অনেকগুলো ভালো সমাধান দিয়েছেন। আহা, এগুলো যদি কর্তাদের কানে ঢুকতো।:(

৫৯. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩২
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: রোবোট আংকেল,
আঙুলে আরএসআই নিয়া টাইপ করছিলাম, মেলা ব্যাথা। আপ্নের কমেন্ট পইড়া ব্যাথা একটু কমলো মনে হইতেছে :)

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: এইটা কি জিনিস, আরএসআই?

৬০. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৪৮
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: আর এস আই >> রিপিটিটিভ স্ট্রেস ইনজুরি। আপনের হাত , কনুই আঙুল, ঘাড়, মেরুদন্ড ইত্যকার জায়গায় দীর্ঘমেয়াদী আর দীর্ঘসময় ক্মপিউটার ব্যবহার বা ভুল পজিশানে ব্যবহার নিমিত্ত যা হয় আর কি। :(


ভাইরে , ২০০০ থেইকা নিজের কম্পু ব্যবহার করি, আমার ভাই তখন পড়ে ক্লাস থ্রিতে , সে থেকে শুরু করে আমার এন্ডি-গেন্ডি সবটি টাইপ শিখে ফেললো, কিন্তু আমিও এখনো চাইর আঙুলে টাইপ করা পাব্লিক (তয় স্পীড ভালো)। ডান হাতের তর্জনী মাঝে মাঝে ব্যাথায় ছিড়া যাইতে চায়, মাউসে ক্লিক করতাম পারি না। ঘাড় তো এক্কেবারে গেছে বহুৎ আগে, কিছুক্ষন পরপর বিলাই এর মত কল্লা নাড়াই। :( :(
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫১

লেখক বলেছেন: আমার জন্য অশনী সংকেত, এখনো ঐরকম বাংলা নিয়মে টাইপ করি। :|

৬১. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
কাব্য বলেছেন:
বুয়েট লাইফের ফুরা ফড়ালেখা তুইলা ধরছোস :-* :|?
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: মোটামুটি। বিদ্যা তো ওইটুকই। :(

৬২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৩
নির্ভয় নির্ঝর বলেছেন: পোষ্টে পিলাচ দিবার গেছিলাম। কয়, আমি নাকি আগেই পিলাচ-মাইনাচ দিয়া ফালাইছি। কেমুন লাগে!!!!

যাই হোক, লেখাটি খুব ভালো লাগল। :) বাস্তব যাহাকে বলে। :)


অফটপিকঃ কই জানি দেখলাম, আপনি নাকি ফেদেরার মিয়ার ফ্যান?? ফেদেরার মিয়ার ফ্যানগোরে লাইগ্যা "ফ্যান অব রজার ফেদেরার" নামে একখান গুরুপ বানাইছি। যোগদান করলে খুশি হইতাম..... Click This Link

আর যাহারা ফেদেরার মিয়ার ফ্যান নহে, কিংবা যাহাদের শুধুই টেনিস পছন্দ, তাহাদের জন্য বানাইছি আরেকটা গুরুপ। নাম হইল "লন টেনিস" Click This Link


ভালো থাকবেন। :)
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: আগে সাম্প্রাসের ফ্যান আছিলাম, এখন ফেদেরারের। দেখতাসি।:)

৬৩. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৩
তারার হাসি বলেছেন: আমার চোখে যেটা পড়েছে তা হল স্কুল ছুটির সময় ভয়ঙ্কর যানজট। স্কুলে বাধ্যতামূলক ভাবে বাস চালু করা হোক। একটা নির্দিষ্ট পয়েন্টে তাদেরকে তাদের অভিভাবক নিয়ে নিবে। গাড়ি থাকলেও একই নিয়ম সবার জন্য, দেখা যায় মাথাপিছু একটা গাড়ি বাচ্চাদের জন্য। এরপর আছে স্কুল ছুটির সময় ইচ্ছামত পার্কিং সে যাই হোক, রিক্সা টেক্সী। এভাবে একটা একটা পদক্ষেপ নিলে সবক্ষেত্রে কিছুটা হলেও লাঘব হবে।
ধন্যবাদ।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৬

লেখক বলেছেন: বড় স্কুলগুলি যানজটের বড় কারণ। ভিকারুন্নিসা বা আইডিয়াল বা স্কলাস্টিকা ছুটি হলে মোটামুটি ঐ এলাকার জীবনযাত্রা থেমে যায়। বাস চালু করা একটা ভাল উদ্যোগ হতে পারে।

৬৪. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৬
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

ভাইজান , ঘুমাইতে যাইবার আগে একখান সৎ পরামর্শ দিয়া রাখি।
যদি হাতে কিছু সময় থাকে আর আমার মতো গাধা আইলসা না হন,
তাইলে সঠিক পদ্ধতিতে টাইপ আর পজিশনিং টা বুইঝা লন।

সারাদিন ল্যাপিতে গুঁতানই আমার পেশা, এক্ষনে আঙুলের যন্ত্রণায় বুঝি ভাব নিয়া লাভ নাই, কি ভুলটাই না করছি। :( :(
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: পরামর্শ অবশ্যই মনে থাকবে।:)

৬৫. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
মূল লেখা, মন্তব্য, প্রতিমন্তব্য-- সবকিছু মিলে খুব দরকারী একটা পোষ্ট।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনার মতামত শেয়ার করলে ভাল হতো।

৬৬. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: জটিল পোস্ট ফারহান ভাই :) লেখাটা যাদের চোখে পড়া উচিত- তাদেরকে কোনোভাবে পড়ানো যায়না?
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: সম্ভবত না। আমাগো চেয়ে অনেক বড় বড় কুতুব এর আগে চেষ্টা করে ফেল মারসেন।

৬৭. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব ভালো লেখা.....

যদিও যানজট পোহাতে হয়না......তবে যেক'দিন দেশে ছিলাম সেই সব কথা ভাবলে আসলেই অবাক লাগে...।
ধানমন্ডি থেকে শাহবাগ এ এসেছিলাম ৩ ঘন্টায়।
গাড়ীতে বসে থাকতে মনে হচ্ছিল নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে।

হাঁটতেই সবচে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছি।
ভালো থাকো.....
শুভকামনা।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: ৩ ঘণ্টা লাগা অস্বাভাবিক কিছু না, নিত্যকার চিত্র। আমার এক বন্ধু কালকে জানালো সে মহাখালী থেকে যাত্রাবাড়ীর অর্ধেকটা হেঁটেই পার হয়।:)

৬৮. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৫
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনি অনেক সিনিয়র ব্লগার।
আপনার ও অন্য ব্লগারদের সুচিন্তিত মতামত চাই।
Click This Link
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: দেখেছি শামীম ভাই।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: ৫৯০০ এর মাঝে আছি, ফাইনাল ১৭০০ নিবে, দোয়া রাখেন।

৭০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১০
সাইফুর বলেছেন: পাবলিক সার্ভিস বাস নিয়ে মাঝে মাঝে বিরক্ত..উপায়ও নাই

যাত্রী ওঠানোর জন্য বাসগুলো প্রতিযোগীতা প্রায় অসুস্থ পর্যায়ের।

অফিস আওয়ারে পাব্লিক সার্ভিসে উঠাযে কি কষ্টকর :(
যদিও উপায়ও নাই

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: কোন উপায় নাই, আমরা ফাটা বাঁশে পড়সি।

৭১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭
সুমিন শাওন বলেছেন: বাঁচতে হলে ভাবতে হবে, ভাবার সাথে জাগতে হবে!
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: সবার আগে নিজেদের ঠিক হতে হবে।

৭২. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪
নুভান বলেছেন: ফারহান, আমার মনে হয় সাবওয়ে ছাড়া কোন গতি নাই। এই প্ল্যানটা কেমন হয়, একটা সাবওয়ে রাস্তা আসবে মিরপুর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত, আরেকটা উত্তরা থেকে খিলগাঁও রামপুরার দিকে যাবে, মাঝে ফার্মগেইটে থাকবে সাবওয়ের জাংশন (ইন্টারচেঞ্জের জন্য)। দুই লেনের এই সাবওয়ের জন্য আনুমানিক খরচ কেমন পরতে পারে আইডিয়া আছে কোন? আমার মতে ঢাকায় নতুন করে কোন রাস্তা না বানিয়ে সাবওয়ে বানালে যানজট সবথেকে বেশি কমবে। প্রতিবেশী কোলকাতাতে পর্যন্ত সাবওয়ে আছে, আমাদের নাই :(
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: সাবওয়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ঢাকা একটা অলরেডি বিল্ট-আপ টাউন, এইখানে সাবওয়ে বানাতে গেলে যে পরিমাণ ভাঙচুর আর খোঁড়াখুড়ি আর ইউটিলিটি লাইন মানে গ্যাস-পানি-বিদ্যুতের লাইন এড়াতে হবে (যেহেতু এইগুলির একটাও পরিকল্পিতভাবে বসানো হয়নি), তাতে খরচটা এই গরিব দেশের নাগালের বাইরে চলে যাবার কথা। তারপরেও আগে সীমিত আকারে যানজট কমিয়ে তারপরে স্থায়ী সমাধান হিসেবে এটা ভাবা যায়।

৭৩. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪০
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন: ভাই একটা অনুরোধ ডিমসির কাছে, শুধু একটা সপ্তাহ রাষ্ট্রপতি, প্রধাণমন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের ছাড়া কেউ ঢাকার শহরে প্রাইভেট কার ব্যবহার করতে পারবেনা । তারপর দেখন খেলা ঢাকার শহরে ফুটবল খেলা যাইবো।

আর হ্যা সাইকেল হতে পারে ঢাকা শহরের আদর্শ যান।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: কে শোনে কার কথা? পয়সা হইলেই সবাই গাড়ি কিনতে দৌড়ায়।

৭৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৬
হামীম বলেছেন: ঢাকার রাজপথের মধ্যখানে বিশাল বিশাল ডিভাইডার, যা গাড়ী চলার পধে আরো ৬ ইঞ্চি ৬ ইঞ্চি অতিরিক্ত দখল করে। এই ডিভাইডার বর্তমান ঢাকা মহানগরীর জন্যে সময় উপযোগি নয়। সব ডিভাইডার ভেঙ্গে ফেলা জরুরী। অত্যাধুনিক সফটওয়ার এবং সেন্ট্রাল সি সি টিভি ক্যামেরার মাধ্রমে আধুনিক ট্রাফিক মনিটরিং ব্যাবস্থা গড়ে তুলা জরুরী। আপনার সাথে অনেকগুলো পয়েন্টে একমত।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:১৬

লেখক বলেছেন: ডিভাইডার একটা থাকলেও হতো, রিকশা লেনের নামে আবার বাচ্চা টাইপ আরো একসারি আছে। এইগুলি যে কয়দিন পরে পরে কার মাথা থেকে বের হয়! ট্রাফিক সিস্টেমটা আসলেই পুরোপুরি বদলানো দরকার।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২২
কালা পাহাড় ২০০০ বলেছেন: ভালো হইছে। কিন্তু জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল এইটা, সেটা না বললে সরকার শুনবেই না।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: উনি এখন বঙ্গবন্ধু সিটির স্বপ্ন দেখায় ব্যস্ত, ঢাকা নিয়া ভাবার সময় নাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৬৯০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
খুব সাধারণ মানুষ ..এখনো বেকার,পড়ছি পুরকৌশল এ। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ