আমার প্রিয় পোস্ট

আমাজনের মৃত্যুদূত-১

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৯

শেয়ারঃ
0 0 0

আমাজন। পৃথিবীর বৃহত্তম বৃষ্টি অরণ্য। প্রায় ৫ লক্ষ প্রজাতির কীটপতঙ্গ, ৩০০ প্রজাতির সরিসৃপ সমৃদ্ধ ৫৫ লক্ষ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই অরণ্যে বাস করে পৃথিবীর প্রায় এক-ত্বতীয়াংশ জীবজন্তু আর উদ্ভিদ। ল্যাটিন আমেরিকার ৯টি দেশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই বনের মাঝ দিয়ে চলে গেছে বৃহৎ আমাজন নদী। অরণ্য ধ্বংসের এই মহোৎসবের মাঝে এখনো এই আমাজনের বেশিরভাগ জায়গায় সূর্যের আলো পড়ে না, এতই ঘন।



এখনো অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে এর অনেক অংশ, এখনো জানা নেই আরো কত প্রজাতির উদ্ভিদ আর প্রাণী আমাদের চোখের আড়ালে রয়ে গেছে। আর কী তার বৈচিত্র্য! লক্ষ লক্ষ প্রজাতির এসব জীবের কথা লিখতে গেলে আলাদা এনসাইক্লোপিডিয়া লাগবে, বরং ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলের চোখে আমাজনের সবচেয়ে ভয়ংকর ক'টা প্রাণীর উপর একটু চোখ বুলিয়ে আসা যাক এই বেলা।

পিরানহা



আমাজন বললেই যে কয়েকটা নাম চোখের সামনে ভেসে ওঠে, তার একটা পিরানহা। আকারে ক্ষুদ্র, মাত্র ৬ থেকে ১০ ইন্ঞ্চি, কিন্তু হিংস্রতায় ভয়াবহ। আমাজন নদীতে ঝাঁক বেঁধে ঘুরে বেড়ানো এই মাছগুলো ছেড়ে কথা বলে না কাউকেই, শিকার পেলেই দল বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের চোয়ালে বসানো সারি সারি ক্ষুরধার দাঁত নিয়ে আর মুহূর্তের মাঝেই মাংস খেয়ে সাফ করে ফেলে। ছোট মাছ থেকে কুমীর, কেউই বাদ যায় না, সুযোগ পেলে কামড়ে মানুষেরও মাংস তুলে নিয়ে যায় রক্তের সামান্য গন্ধেই ছুটে আসা এই মাছের ঝাঁক, যদিও এখনো মানুষ মারার প্রমাণিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

বুলহেড শার্ক



তবে বুলহেড শার্কের মানুষ মারায় কোন আপত্তি নেই, সেই শক্তিরও অভাব নেই। হাঙর জীবটা মূলত লোনা পানির হলেও আমাজনের অধিবাসীদের দুঃস্বপ্ন বাড়াতেই যেন এই বস্তু আমাজন নদীর স্বাদু পানিতে দিব্যি ঘুরে বেড়ায় শিকারের সন্ধানে। দাঁতগুলো ছুরির মত ধারালো, টর্পেডোর মত শরীর, নাকের সামনের দিকে বসানো অত্যন্ত বেশি সক্রিয় ঘ্রাণেন্দ্রিয় যেটা কিনা বহূদূর থেকেও পানিতে সামান্য একফোঁটা রক্তের গন্ধ পেয়ে যায় আর সামনে যা পায় তা-ই শিকার ভেবে খাওয়ার প্রবণতা, সব মিলিয়ে তার প্রজাতির আর সব ভাইবেরাদারের মতই বুলহেড শার্ক একটা জীবন্ত কিলিং মেশিন।

স্টিং রে



লোনা পানির গুলোর মত বিশাল না হলেও, ভয়ংকরত্বের দিক দিয়ে আমাজনের স্টিং রে-ও খুব একটা কম যায় না। দেখতে অনেকটা বড় আকারের বাঁদুড়ের মত, পানির তলায় ডানা বিছিয়ে শুয়ে থাকে আর শিকার পেলেই ডানা বিছিয়ে সেটাকে ঢেকে ফেলে ছিঁড়ে খায়। চারপাশের পরিবেশের সাথে এমনভাবেই মিশে ঘাপটি মেরে থাকে যে একদম গায়ের উপর না থাকলে বুঝাও কঠিন এখানে আছে কিছু। তাতেও যদি কাজ না হয়, তবে আত্মরক্ষার জন্য এর পেছনে লেজের সাথে আছে তলোয়ারের মত ধারালো এবং একই সাথে বিষাক্ত স্টিং বা হুল, যার বিষে অকল্পনীয় ব্যথা, আর বুকে বা ফুসফুসের কাছাকাছি বিঁধলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে মানুষের।

ইলেক্ট্রিল ঈল



চেহারাটা যেন জীবন্ত একটা দুঃস্বপ্ন, অন্তত পর্দায় দেখে সেরকমই মনে হয়। অনেকটা সাপের মত লম্বা, ৩ মিটার বা ১০ ফিট পর্যন্তও হতে পারে, নিজের প্রজাতি ঈলের চেয়ে ক্যাটফিশের সাথেই মিল বেশি। চোখেও ভাল দেখে না, শিকারের অস্তিত্ব অনুভব করে সেন্সর দিয়ে। আর এর শিকারের অস্ত্র হলো এর গায়ে বসানো প্রাকৃতিক ডায়নামো থেকে দেয়া বৈদ্যুতিক শক। প্রচণ্ড এই শকে সামনের কয়েক মিটারের মাঝে সমস্ত ছোটখাট মাছ অবশ হয়ে যায়, আর দাঁতবিহীন ইলেক্ট্রিক ঈল সোজা গিয়ে সেটাকে গিলে ফেলে। সেরকম বড়সড় একটা ঈলের শকে ঘোড়া পর্যন্ত কাবু হয়ে যায়, মানুষেরও হবার কথা। একবার দেখা গিয়েছিল একটা মাঝারি সাইজের অ্যালিগেটর পর্যন্ত একটা ঈলকে ধরতে গিয়ে শক খেয়ে কাবু হয়ে গিয়েছিল, এই শক ঈলের আত্মরক্ষার উপায়ও বটে।

কেইমান অ্যালিগেটর



অ্যালিগেটরের কথাই যখন এলো, কুমীরের গোত্রের এই প্রাণীটির বৃহত্তম প্রজাতি, কেইমান অ্যালিগেটরের কথা না বললেই নয়। আমাজন নদীতে গাছের গুঁড়ির মত ভেসে বেড়ানো বা পাড়ে কাদায় শুয়ে রোদ পোহানো এই প্রাণীটি আসলেই জলজ্যান্ত মৃত্যদূত। কালো রঙের, একেকটা পূর্ণবয়স্ক কেইমান অ্যালিগেটর ৫ মিটার বা ১৬ ফিটের চেয়েও বেশি লম্বা হতে পারে। মূল খাদ্য ক্যাপিবারা, বা পেকারির মত মাঝারি আকারের জন্তুগুলো আর পানিতে ছোট-বড় সবরকমের মাছ, তবে বাগে পেলে মানুষের উপর হামলা করারও রেকর্ড কম নয় এদের। খপ করে শিকারকে ধরে চোয়াল দিয়ে যে কামড়টা দেয়, সেটার ওজন মাত্র ১৩০০ কেজি, যেকোন পূর্ণবয়স্ক প্রাণীর হাড় গুঁড়িয়ে দেবার জন্য যথেষ্টরও বেশি।

[এ পর্বে জলজ মৃত্যুদূতদের কথা বলে শেষ করলাম, পরের পর্বে থাকবে ডাঙার মৃত্যুদূতদের কথা।]


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ডকুমেন্টারি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ডকুমেন্টারি  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১২
সাইফুর বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছু...মজা লাগছে পোষ্টটা
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: এইগুলার সামনে পড়লে মনে হয় মজা লাগবে না, টিভিতে দেখে সুবিধার লাগে নাই।:)

২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৯
রনি তোমার বলেছেন: ভাই অনেক কিছু শেখার আছে... ভাল লাগলো
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে পড়তে দেখে আমারো ভাল লাগলো।:)

৩. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২০
রফিক এরশাদ বলেছেন: আমাজান সম্পর্কে আমার জানার ইচ্ছে ছিল..কিছুটা মিটল।ধন্যবাদ।
প্রিয়তে রাখলাম।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: এক পর্বেই দেয়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু বিশাল হয়ে যাচ্ছিলো বলে পরের পর্বে যেতে হচ্ছে। পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: সেই ভীষণ অরণ্য পড়ার পর থেকেই যাবার সাধ। বাঁইচা থাকলে আর সামর্থ্য হইলে কোন একদিন ঘুরান দিতে পারলে মন্দ হইতো না।

৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২২
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: ভালো পোস্ট দিয়েছেন দাউদ
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রণবদা, কেমন আছেন?

৬. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৬
সাইফুর বলেছেন: হ ঠিক কইছো..যেমন টিভিতে সাপ দেখতে ভালোই লাগে..তবে সামনা সামনি পড়লে গা ঘিনঘিনে অনুভুতি হয়
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আমার টিভিতেও সাপ দেখতে ভাল লাগে না, যতক্ষণ দেখসি গা শিরশির করসে, পরের পর্বে আসবে সর্পকুল।:|

৭. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৬
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: স্ট্রিংরে বিশাল হয়.....মনে হয় বিছানার মতো....একবার দেখার অভিজ্ঞতা হইছিলো এ্যাকুরিয়ামে...পিরানহা, ঈল এইগুলাও দেখছি...দারুন অভিজ্ঞতা।

সুন্দর লেখা...
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: সাগরের স্ট্রিংরে গুলি আমাজনের গুলির চেয়ে অনেক বড়, জেলেরা বলে সাগরের দুঃস্বপ্ন, অনেক কুসংস্কার আছে এইটারে নিয়ে। কিন্তু আপনি কই দেখলেন এইগুলা, কোন দেশে গেছিলেন?:)

৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৯
লিপিকার বলেছেন:

ভালো লেগেছে.......আমাজানে অভিযান করতে পারলে আর ভালো লাগত.... +++

শুনেছি আমাজান বনে নাকি এখনো মানুষখেকো মানুষ আছে? ঘটনা সত্য হলে অভিযান করার আগে চিন্তাভাবনা করতে হবে.....:|
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: সেই ছোটবেলা থেকে মনে হইসে আহারে একবার যদি যাওয়া যাইতো! আমাজনের ভেতরের দিকে এখনো অনেক উপজাতি আছে যারা ঠিক বন্ধুভাবাপন্ন না, শত্রুর মাথার খুলি ট্রফি হিসাবে রাখতেও অনেকে এখনো উৎসাহী, তবে বাইরের লোকের সংস্পর্শে এসে এরা অনেকটাই শান্ত এখন, মানুষ খাওয়ার অপবাদ নেই, তবে গেলেই খাতির করে বসায় তা-ও কিন্তু না।:)

৯. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩০
ব্লগ ৪১৬ বলেছেন: একটানে পড়ে শেষ করলাম। তথ্য গুলা জানা দরকার। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম । লিখার জন্য ধন্যবাদ।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।:)

১০. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩১
সাইফুর বলেছেন: আমাজনের মানুষ খেকো নিয়ে জানো নাকি?? পাইলে পোষ্ট দিয়ো
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ঐটা নিয়ে আলাদা একটা দিতে হবে, জন্তুজানোয়ারের মাঝে মানুষের মত হিংস্র প্রাণীকে ঢোকাতে চাচ্ছি না।:)

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।:)

১২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫১
হাসজারু বলেছেন: বাপরে! ইনাদেরকে দেখে আমাজানে স্কুবা ডাইভিংয়ের সাধ মিটে গেল.....:)
+++
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: আসলটারে এখনো দেখেন নাই।:)

১৩. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: কুয়ালালামপুরে প‌্যাট্রোনাস টুইন টাওয়ারের নীচে একটা এ্যাকুরিয়াম আছে....১ মাসের একটা সফর দিসিলাম গত মার্চে। তখন দেখছিলাম।

ভাল থাইকেন....পরবর্তী পর্ব তাড়াতাড়ি দেবার চেষ্টা কইরেন।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: এরে রে, ব্যাপক মজা মারলেন, সেইগুলার ছবি নিয়া একটা পোস্ট কেন আসলো না?:|
তাড়াতাড়িই দিবো পরের পর্ব আশা রাখি।

১৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৩
মুসাফির... বলেছেন: তথ্যপুর্ন লেখা.... ধন্যবাদ
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৬
সহেলী বলেছেন: পিরানহা -- নামটা সুন্দর ! মাছটা পাঁজী !
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: ফুলের মাঝেই বিষাক্ত কীট থাকে।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে হয়, বাগ, ঠিক হয়ে যাবে।

১৭. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৩
জনৈক আরাফাত বলেছেন: সবই আমার 'গ্রন্থগত' জ্ঞানের অন্তর্ভূক্ত! :(



০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: আমারো, তবে "টিভিগত জ্ঞান"-ও বলতে পারেন।

১৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৪
জনৈক আরাফাত বলেছেন: বাস্তবে দেখা হলোনা!
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: দেখার ইচ্ছা থাকলে চলেন বের হয়ে পড়ি একদিন, কি আছে দুনিয়ায়! :)

১৯. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চিন্তা করতে দুঃস্বপ্নের মত লাগে
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: পুরাই।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।:)

২১. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২৭
অ্যামাটার বলেছেন: ভয়ঙ্কর!

" লিপিকার বলেছেন:

ভালো লেগেছে.......আমাজানে অভিযান করতে পারলে আর ভালো লাগত.... +++

শুনেছি আমাজান বনে নাকি এখনো মানুষখেকো মানুষ আছে? ঘটনা সত্য হলে অভিযান করার আগে চিন্তাভাবনা করতে হবে..."---

আচ্ছা, গত বছর বিবিসি তে দেখিয়েছিল, পরে রিডার্স ডাইজেস্ট সহ আরও কয়েকটা মিডিয়ায় দেখেছিলাম, আমাজনের কলম্বিয়া অংশে নাকি একদল আদিবাসীর দেখা পাওয়া গেছে, যাদের নিজস্বতা একেবারেই আনকোরা, পরে আর কোথাও ফলোআপ দেখিনি। এই ব্যাপারে কিছু বলতে পারেন?
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪২

লেখক বলেছেন: পরে বের হয়েছিল, পুরো ব্যাপারটাই সাজানো, কিছু লোককে ওভাবে সেট করা হয়েছে। এইজন্যই আর ফলো আপ পাওয়া যায়নি। তবে আমাজনের আদিবাসীরা এখনো তথাকথিত সভ্যতাকে এড়িয়ে চলতে চায়, ব্রাজিল সরকারও এদের বিরক্ত না করার নীতি নিয়েছে। তারপরেও তথাকতিত সভ্য মানুষ এদের বাসস্থানের অনেক কাছে বসত করে ফেলেছে, এরাও ক্রমাগত গভীর থেকে গভীরতর অরণ্যে সরে যাচ্ছে।

২২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯
নুশেরা বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।

গোল্ডকোস্টের সি ওয়ার্ল্ডে গিয়ে স্টিংরে হাত দিয়ে ধরেছিলাম; উত্যক্ত না করলে এরা নাকি খুব শান্ত প্রাণী। বেচারা স্টিভ আরউইন!
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১০

লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে মনে হইতো আপনের সাহস সাধারণ লোকজনের চেয়ে বেশি, আজকে নিশ্চিত হয়ে গেলাম। কোটি টাকা দিলেও হাত দিয়া স্টিংরে ধরবো না, টিভিতে দেখেই (সাগরেরটা) আত্মা উড়ে গেছে, ভ্যাম্পায়ার ব্যাট এই জিনিসের তুলনায় সুদর্শন। আমি ভীতু মানুষ, কীবোর্ড নিয়া হম্বিতম্বি করে বেশ আছি, এখনো মাকড়সা দেখলে সাবধানে একটু দূর দিয়ে হাঁটি। এইসব প্রাণী কিসে উত্যক্ত হয় কে জানে, এমনকি সাধারণ স্টিংরে-র বিষেও নাকি অকল্পনীয় ব্যথা হয়, তবে সেইটার জন্য না, ভদ্রলোকের চেহারাটা আমার কাছে একটু দুশমন টাইপ লেগেছে।:|

২৩. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:২৬
নুশেরা বলেছেন: না রে ভাই, সাহস লাগেনাই ধরতে। হাঁটু পানির মধ্যে পাথরটাথর দিয়া ল্যান্ডস্কেপ কইরা টেম্পারেচার বুদ্বুদ সব কন্ট্রোলড অবস্থায় আজীব সব সামুদ্রিক চিজ ছাইড়া রাখছে। সুদর্শন তরুণ-তরুণী বিশেষজ্ঞ ঐ পানিতে বইসা বইসা সবার প্রশ্নের জবাব দিতেসে। হাত দিয়া ধইরা দেখতে কইতেসে। ক্যাম্নে না ধরি কন।

অবশ্য মানুষ আর সাপ ছাড়া দুনিয়ার কোন প্রাণীরেই আমার ভয়ঙ্কর মনে হয়না, যদিও এমন একটা বাসায় জীবনের ২৬ বছর কাটাইসি যেখানে প্রতি বছরেই কয়েকবার ঘরে ঢোকা সাপ মারতে হইসে। কার্বলিক এসিডের বোতল ঝুলায়াও কাজ হইতো না, এসিড শুকায়া শেষ, মনে থাকতোনা রিফিল করতে... সর্পমশায় মশারীর উপর বইসা ছিলো একবার, দরজা- জানলা খুলার সময় হাতে-পায়ে পড়ছে কয়েকবার :|
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: মাফ চাই, যেমনে সাপরে ডেইলি কাঁচাবাজারের লিস্টিতে রাখলেন, এরপরে স্টিংরে হাত দিয়া ধরতে আপনের বাড়তি সাহস লাগে নাই, আমারে ছাইড়া দেন :( আমি কেঁচো দেখলেও হালকা ডরাই, ঢোঁড়া সাপ দেখে একবার হার্টফেল করতে বসছিলাম। কিন্তু কোন জায়গায় সাপের এমন উৎপাত? :|
আমার মা-ও বলে, ভূত জন্তুজানোয়ার তো ডরাই না, ডরাই মানুষ, এইটার চেয়ে ভয়ংকর কিছু নাই রে বাবা।

২৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৪৩
অলস ছেলে বলেছেন: সুন্দর। পিরানহা শুনলেই তিন গোয়েন্দার কথা মনে পড়ে। ছবির জন্য ভালো লেগেছে বেশি।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ঐ বইটা আসলেই দুর্দান্ত ছিল।

২৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২২
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
" অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন্ কোন্ অবদানকে অস্বীকার করবে ?"

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: ঠিক তাই।

২৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৩
অপরিচিত_আবির বলেছেন: বুলহেডে শার্কের কথা জানতাম না, মিঠা পানিতেও তাইলে হারামজাদাগুলান থাকে!
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: তা থাকে। এইটা অবশ্য আমিও জানতাম না।

২৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৫
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আমি পরেছি অদের কথা। আজ ছবি দেখলাম। ভাল লাগল।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।:)

২৮. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৮
মেহবুবা বলেছেন: আমাজান লিলির বিশাল পাতার বাহার নিয়ে কিছুদিন পত্রিকায় ফিচার ছাপা হয়েছিল অনেক আগে ।
আপনার লেখায় সব ভাল , কেবল স্টিং রে মাছটা ছাড়া ; ওটা না জীব প্রেমিক স্টিভকে মেরে ফেলল ।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: স্টিভেরটা জায়ান্ট স্টিং রে ছিল। তবে এখহানকার বাকিগুলোও খুব সুবিধার না।

২৯. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৩
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: খাইছে .। ভাবতেই ভয় লাগতেছে....। ভয়ংকর
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: ঠিক, ভয়ংকর।

৩০. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫২
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: পড়ে ভালো লাগলো ফারহান ভাই :)

আরেকটু বড় ফটুক দিতেন!
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: হেহে, ব্লগিং মাত্রেই যে ভাই অন্য ব্লগারের কথাও চিন্তা করতে হয়! আমার মত শামুক নেট যাদের আছে, আরেকটু বড় ফটুক দিলেই তাদের লোড হইতে খবর হয়ে যায়, আর নিজের কথা নাই বললাম, মন্তব্যের জবাব দিতে নিজের পোস্টে নিজেই ঢুকতে পারবো না, এই জন্য পারতে বিশাল বিশাল ছবি দেয়া পোস্টে আমি ঢুকিই না।:|

৩১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৮
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: অনেক অজানা........।
এ দেখি ভয়ংকর সব। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ভালো থাকুন
শুভেচ্ছা
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: বেশ ভয়ংকর, তবে এদেরও ওস্তাদ আছে।

৩২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫০
নির্ঝরিনী বলেছেন: তিন গোয়েন্দার "ভীষন অরন্য" পড়ার সময় পিরানহা সম্পর্কে প্রথম জেনেছিলাম। চেহারাতো দেখি ছোটোখাটো কিন্তু স্বভাবতো ভয়ংকর..

অনেক সিঅ্যাকুরিয়ামে স্টিং রে দেখছি, বেশ বড় বড়...কিন্তু এটার স্বভাব জানা ছিলোনা...অনেক কিছু জানা হলো...

ভালো লাগলো পোস্ট...
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: এই তিন গোয়েন্দা যে দুনিয়ার কত কিছুর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে! :)
পিরানহার দেখার মত জিনিস হলো এর ছোট ছোট দাঁতগুলো, প্রচণ্ড ধারালো। আর এমনিতে স্টিং রে আগ বাড়িয়ে আক্রমণ করে কম, কোন কারণে শত্রু ভাবলেই শুধু খেপে যায়, অন্যগুলোর সাথে এখানেই এর পার্থক্য, বাকিগুলো প্রায় বিনা কারণেই আক্রমণ করে বসে।

৩৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৫
রোবোট বলেছেন: ফারহান
শুধু সাহসীই না, পাখী আপা কিনতু কারাতে বেল্ট পাওয়া, বেশী তেরিবেরি করলে ঠ্যাং ভেংগে ব্লগে স্টিকি করায় দিবে। :)


একসময় আমাজানের জংগলে যেতে মন চাইতো। এখন আর যাব না। খামোকা স্বপ্ন দেখে লাভ কি? স্বপ্নের বাইপ্রোডাক্ট হিংস্র প্রাণীর দুঃস্বপ্ন।

তবে ভূতের ভয় পাইনা। তবে যেকোন সরীসৃপ, এবং চারের বেশী পাওয়ালা প্রাণীকে ঘৃণা (মতান্তরে ভয়) করি।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: আমার লাইগা হোয়াইট বেল্টেই চলবে, এমনকি আমার আম্মা শলার ঝাড়ু দিয়াই কাজ সারতো। :| আমি এমনিতেই ডরাই।
এখনো কিন্তু স্বপ্ন দেখি, কে জানে, কিছু তো বলা যায় না।:)
ভূতের বিশেষ ভয় নাই, বা পাওয়ার কারণ ঘটে নাই, তবে মানুষরে ডরাই, আর হ্যাঁ, ঠ্যাং ৪টার বেশি থাকলে একটু বিতৃষ্ণা আসে বৈকি।

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: জাইনা আসলে লাভ নাই, পয়সা পাওয়া যায় না।:|

৩৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: বুলহেড শার্কটা জানতাম না --

আমজনে দেখা যায় অনেক গুলো সমুদ্রের প্রানী থাকে --

হয়ত বন্য নদী হবার কারনেই ।

পৃথিবী আর কোন নদী মনে হয় না এত জংগল পরিবেষ্টিত ।

পোষ্ট খুব ভালো লাগলো ফারহান --- আরও এমন চাই

~~~~~~~~~

অট: নুশেরা আপুর সাপের কাহিনী পইরা বিরাট ভয় পাইলাম --

সাপ বিষয়ে বাসার ভিতরে ঢুকার কাহিনী একবারই হৈসে -- ওঝা ডেকে এনে সেই সাপ মারাইতে হৈসে --

মনে পড়লে শরীরে ঘিন ঘিন অনুভূতি হচ্ছে :-&
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: বেশ কিছু "আমাজন স্পেশাল" প্রাণীও আছে, পরের পর্বে দিচ্ছি (ছবি আপলোড করতে এত বিরক্ত লাগে যে বলার না, এই অপশনটা সামু একটু সোজা করতে পারে না?:|) ।
আমি তো ব্ল্যাক বেল্টের কাহিনী পড়ে আরো ভয় পাইসি।:| সাপ জিনিসটা এমনকি টিভিতে দেখতেও গা শিরশির করে, এই জিনিসরে স্বাভাবিকভাবে নেয়ার মত নার্ভ আমার নাই। :(

৩৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩২
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: ""পৃথিবীর প্রায় এক-ত্বতীয়াংশ জীবজন্তু আর উদ্ভিদ!!!"" ঐ দেশে চোরাকারবারি নাই নাকি?!!! গাছ তো চুরি কইরা সেষ কইরা দেয়ার কথা!!! :P আফ্রিকাতেও তো মনে হয় ভালই চোরা কারবারি হয় । ঐ খানে হয় না!!


ছোটবেলা থেকে যেই টা ভয় পাই সেইটা হচ্ছে পিরান হা!!
আর ঈল মাছ দেখার খুব শখ!!!
তবে ধরতে চাই না!!! :P

এলিগেটর দেখতেও চাই না । :(
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: চোরাকারবারি আছে, তারা ব্যাপক হারেই সাফ করে, আমাজনকেও বিপন্ন করে তুলছে দুনিয়ার আর সব জায়গার মত, প্রতিবছর ধনী ইউরোপিয়ানদের শখ মেটাতে হাজার হাজার প্রাণী বন্দী আর নিহত হয় আমাজনে।

ঈলটার চেহারা সুবিধার না, ছবিতে ভয়ঙ্করত্বটা ঠিক আসে নাই। :|

৩৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৮
মুনিয়া বলেছেন: ভয় পেয়েছি...

দারুণ লাগল পড়তে। পরের পর্বের অপেক্ষা...
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: ছবিগুলি আপলোড করতে বিরক্তি লাগে, নাহলে আরো আগেই দিতাম, দেখি আজকে।

৩৮. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮
জাতেমাতাল বলেছেন: ফারহানের জিও ন্যাট পর্ব বেশ ঘনীভুত হচ্ছে... :)

ফারহানের বলার স্টাইলটা বেশ মজার। পড়তে মজা লাগে। ভাল লাগলো পোষ্ট। আগামী পর্বের অপেক্ষায়...
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১০

লেখক বলেছেন: ওদের দেখানোর স্টাইলটাই দারুণ, আমি খালি টিভি দেখে কপি করলাম। :)

৩৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন: ভাই, এনাকোন্ডা নিয়া জানবার চাই। এনাকোন্ডা নিয়া পরের পর্বে একটু বেশী লেইখেন। আর জিওগ্রাফির এই পর্বগুলা দেখবার মন চায়
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: মহা বদ একটা জানোয়ার, যদিও জিনিসটা যা মিথে আরো অনেক বাড়ায়াই বলে। পর্বগুলা কয়দিন পরে পরেই দেখায়, নাইলে ন্যাট জিও এশিয়ার সাইটে আমাজন'স ডেডলিয়েস্ট পাও কিনা দেখতে পারো।

৪০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
নিম গাছ বলেছেন: পর্ব-১ ও ২ পড়লাম। পরের টা দিয়ে দিন+
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।:)

৪১. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
অদ্রোহ বলেছেন: ভীষণ অরন্য প্পড়ার সময়ই আমাজনের প্রতি মারাত্মক ফ্যাসিনেশন তৈরি হয় ,এরপর যখন কেলাস সেভেনে বাংলা প্রথম পত্রে মহাবন আমাজন পড়ানো হচ্ছিল তখন ভীষণ অরণ্যের সেইসব তথ্য থেকে ষোলআনাই ফায়দা উঠাইছিলাম ।

১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: ভীষণ অরণ্য পড়ে পুরা অবসেসড ছিলাম। তবে আমাদের ক্লাস সেভেনে মনে হয় ঐরকম কিছু পড়ি নাই, বই বদল হয়ে গেছে তোমাদের।

৪২. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: বস হঠাৎ কইরা এইটা নিয়ে লাগলেন কেন?

জীব জন্তু কেনো জানি ভালো লাগে না:(
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: লেখার সময় নাই, কাজেই টিভি থেকে কপি।

৪৩. ১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:০৯
রাকা ও আমি বলেছেন: ভাই লেখাটি পড়ে অনেক ভালো লাগল। +++
২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:১৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৪২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
খুব সাধারণ মানুষ ..এখনো বেকার,পড়ছি পুরকৌশল এ। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ