আমার প্রিয় পোস্ট
- বিবিসির অসাধারণ একটি ডকুমেন্টারিঃ সেরা সাই-ফাইও হার মানবে - বিডি আইডল
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ট্রেকিং, ব্যাগ পেকিং আর হাইকিং, এডভেঞ্চারের সাথে মিশে যান প্রকৃতির সাথে - সৌম্য
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫০ (যা চেয়েছি, যা পাবো না --সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- হার-জিত - আশরাফ মাহমুদ
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- সন্ধ্যা ৪ - মাহবুব মোর্শেদ
- সাংবাদিকতার গায়ে 'হলুদ' - ফয়সল
- আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে... - আস্তমেয়ে
- গুগল কথন - ৪ : ব্রিন আর পেইজের কথা - রাগিব
- হারিকেন - দ্য ডিভাইন উইন্ড (৩) - তানভীর
- ঢাকা, মৃতের শহর । । ঢাকা, সিটি অব দ্যা ডেড । । টাইম ম্যাগাজিন। সোমবার, মে ৩, ১৯৭১ - এহহামিদা
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- : আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ : - নজমুল আলবাব
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
আমাজনের মৃত্যুদূত--২
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৭
আগের পর্বে দিয়েছিলাম আমাজনের জলের মৃত্যুদূতদের কথা, কিন্তু ডাঙাতেও বিপদ কম নেই সেখানে। একটু দেখে নেয়া যাক সেখানে জলের কিনারাতেও কতশত যম ফাঁদ পেতে বসে আছে।
টারান্টুলা
![]()
এই মাকড়সার নাম শোনেনি এমন লোক পাওয়া মুশকিল। যাদের মাকড়সা ভীতি আছে, তাদের না দেখাই ভাল, নিজে খানিকটা মাকড়সা ভয় পাই বলেই বলছি, রোমশ আর বিশাল আকারের এই প্রাণীটার মত বীভৎস কিছু আমার জীবনে খুব বেশি দেখিনি। ছোটখাটো কীটপতঙ্গ থেকে শুরু করে ব্যাঙ, এমনকি ইঁদুর পর্যন্ত সাবড়ে দেয় জাল না বোনা এই মাকড়সা, ঘাপটি মেরে থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে
সামনের দু'টো দাঁত দিয়ে বিষ ঢেলে--যদিও মানুষের জন্য সেটা খুব বিপজ্জনক নয়-- আস্তে আস্তে সাবাড় করে শিকারকে। বড় আকারের একটা টারান্টুলার ব্যাস ৩০ সেন্টিমিটার বা ১ ফুট পর্যন্তও হতে পারে।
ব্রাজিল ওয়ান্ডারার্স স্পাইডার
আকারে টারান্টুলার অর্ধেক হলেও মানুষের জন্য এই মাকড়সা অনেক বেশি ভয়ংকর, কারণ টারান্টুলার বিষ নেই, ওয়ান্ডারার্সের আছে। যাযাবরের মতই ঘুরে বেড়ায় বলে এর এই নাম, কখনোই বাসা বাঁধে না কোথাও, শিকারকে কাবু করে বিষ দিয়ে, চিকিৎসা দিতে দেরি হলে যাতে মানুষেরও মৃত্যু হতে পারে। দেখতে যদিও অতটা ভয়ংকর নয়, তারপরেও ব্রাজিল থেকে আমদানী করা কলা আর ফলমূলের বাক্স খোলার সময় যথেষ্ট সাবধান থাকে লোকজন, যেকোন সময় একটা ওয়ান্ডারার্স বেড়িয়ে এসে কামড়ে দিলে স্পাইডারম্যান হবার বদলে ডেডম্যান হয়ে যাবার সম্ভাবনাই বেশি কিনা!
ল্যান্সহেড ভাইপার
![]()
বিষের কথাই যদি আসে, তো সর্পদেবকে আনতেই হবে। আর আমাজনের বিষাক্ত সাপগুলোর মাঝে উপরের দিকে থাকবে ল্যান্সহেড ভাইপার। ভাইপারের অন্যান্য সব প্রজাতির মতই অত্যন্ত বিষাক্ত, হিংস্র এবং বদমেজাজী। লম্বায় ৭৫ থেকে ১২৫ সেন্টিমিটার, অর্থাৎ ৫ ফিট পর্যন্তও হতে পারে। বাদামী, ডোরাকাটা, ব্রোন্ঞ্জ বা সোনালী রঙেরও হয়। যদিও মাটিতেই থাকে, তবে দরকারে গাছেও উঠতে
পারে,পানিতেও ভাল সাঁতারু। নিশাচর হলেও খাদ্যের সন্ধানে দিনেও বের হয়। ছোটখাটো ইঁদুর জাতীয় প্রাণী এদের খাবার, এগুলোর সন্ধানে ঘুরে বেড়ায় কফির বা কলার বাগানে, বোঝাই যায় না কোথায় ঘাপটি মেরে আছে। সামান্য বিরক্ত হলেই কামড়ে দেয়, মাত্র ৬২ মিলিগ্রাম বিষই যথেষ্ট মানুষের মৃত্যুর জন্য। প্রথমে আক্রান্ত স্থানের টিস্যুগুলোকে মেরে ফেলে এই বিষ, রক্তবাহী শিরার মাধ্যমে দ্রুতই ফুসফুসে পৌঁছে গিয়ে শ্বাস নেয়া বন্ধ করে দেয়। যদিও চিকিৎসা আছে, তবে সেটা করতে হয় দ্রুত, আমাজনের মত জায়গায় সেটা খুব তাড়াতাড়ি পাওয়া যায় না বলে দক্ষিন আমেরিকার অন্য যেকোন সরিসৃপের তুলনায় এর আক্রমণে মানুষের মৃত্যুর হার বেশি।
বুশমাস্টার
![]()
বিষের দিক থেকে বুশমাস্টারও কম যায় না। বাদামী-কালো এই সাপটি ভাইপার গোত্রের বৃহত্তম, এবং একই সাথে পশ্চিম গোলার্ধেরও দীর্ঘতম বিষধর সাপ। লম্বায় হয় সাধারণত ৬.৫ থেকে ৮.২৫ ফিট, তবে ১০ ফিট পর্যন্তও দেখা গেছে। কুণ্ডলি পাকিয়ে পড়ে থাকা এই সাপ বেশ খানিকটা দূর থেকেই ছোবল মেরে বসে, একেকবারে কয়েকটা ছোবলও দিতে পারে। একে স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে এর অস্বাভাবিক
ধৈর্য্য, শিকারের গন্ধ শুঁকে এর যাতায়াতের পথটা খুঁজে নিয়ে এরপর সেই পথে ঘাপটিমেরে অপেক্ষা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কখনো দিন পার হয়ে যায়। তারপরে বাগে পেলেই খতম।
বোয়া কন্সট্রিকটর
![]()
বিষাক্ত সাপদের ছেড়ে এবার বিষহীন তবে শক্তিমানদের দিকে চোখ ফেরানো যাক। এখানে প্রথমেই নাম আসে বোয়া কন্সট্রিক্টরের। এই পরিবারের সব ক'টা সাপকেই বোয়া কন্সট্রিক্টর বলে, তবে প্রচলিত অর্থে এই নামে যে সাপটাকে আমরা বুঝে থাকি সেটার প্রকৃত নাম বোয়া কন্সট্রিক্টর কন্সট্রিক্টর। ১৩ ফিট পর্যন্ত লম্বা, প্রচণ্ড শক্তিশালী এই সাপ শিকারকে মারে বিষ দিয়ে নয়, বরং জড়িয়ে ধরে চাপ দিয়ে পিষে, এর জন্যই এর নাম কন্সট্রিক্টর। খাদ্য হলো ইঁদুর জাতীয় প্রাণী আর পেকারির মত ছোটখাটো জন্তু, সাথে পাখি। মূলত নিশাচর, থাকে মাটিতে, তবে প্রথম বয়সে গাছেও উঠতে পারে। বাদামী বা ধুসর রঙের এই সাপ এমনিতে মোটামুটি শান্ত, বিরক্ত করা না হলে আক্রমণও করে না। বিরক্ত করলে কামড়ে দেয়, তবে বিষাক্ত নয়, এমনিতে মানুষ মারার কোন রেকর্ডও নেই। এই শান্ত স্বভাবের জন্যই একে পোষও মানানো যায়, পোষা সাপ হিসেবে ইউরোপ আমেরিকাতে এর বেশ কদরও আছে, কদর আছে এর চামড়ার জন্যও, ফলে শিকারীদের বড় লক্ষ্য। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৩ এর মাঝে শুধু আমেরিকাতেই রপ্তানি হয়েছিল ১ লাখ ১৩ হাজার বোয়া, ফলে এর অস্তিত্বই বিপন্ন হতে বসেছিল। বর্তমানে অবশ্য এই সাপ খামার করেও জন্মানো হয়, ফলে বনের গুলো বেঁচে গেছে খানিকটা।
কাঁকড়া বিছা বা স্করপিয়ন
![]()
আবারো একটু ছোটখাটো প্রাণীর দিকে ফেরা যাক, যদিও কাঁকড়া বিছা বা স্করপিয়নকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। কালো রঙের, আর লেজের আগায় বাঁকানো হুল লাগিয়ে ঘুরে বেড়ানো এই ছোটখাটো প্রাণীটা যেমনই বদমেজাজী তেমনই বিপজ্জনক। যেহেতু লোকালয়ের আশপাশে ঘুরাঘুরি করে, মানুষজন প্রায়ই কামড় খায় এর, সময়মত চিকিৎসা না করলে এই কামড় মৃত্যুরও কারণ হতে পারে।
সৈনিক পিঁপড়া
![]()
তবে এই মৃত্যুদূত সাপ বা স্করপিয়নকে যদি জিজ্ঞেস করা যায় তাদের কাছে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী কি, নিশ্চিতভাবেই বিস্ময়কর একটা জবাব দেবে তারা, সেটার নাম সৈনিক পিঁপড়া। সাধারণ পিঁপড়ার চেয়েও কয়েকগুণ বড়, তবে সেটার জন্য নয়, বরং মাংসাশী এই পিঁপড়ার ঝাঁক কুখ্যাত তাদের শিকারী স্বভাব এবং একগুঁয়ে চলার জন্য। সৈনিকদের মতই এরা কোন বাধার সামনে থামে না, বরং
সামনে যা পায় তাকে মেরেকেটে সাফ করে, বা এদের বেলায় বলা যায়, খেয়েদেয়ে সাফ করে চলে যাওয়াই নিয়ম। একেকটা সৈনিক পিঁপড়ার কলোনিতে ১০ লাখ থেকে ২ কোটির উপরে পিঁপড়া থাকতে পারে,এবং পুরো কলোনি মোটামুটি একই সাথে ঘুরে বেড়ায়, কোথাও স্থায়ী বাসা বাঁধে না। পথ দেখায় স্কাউট পিঁপড়া, তার দেখানো পথে খাদ্যকে অনুসরণ করে যায় বাকিগুলো। একেকটা সৈনিক পিঁপড়ার সারি মাইল পর্যন্ত লম্বা হয়, কামড়ে খানিকটা বিষ আছে, এবং যে শিকারই সামনে পেয়ে যাক, হোক সেটা সাপ বা কুমীর বা ছোট জন্তু বা মানুষ, হাজার হাজর পিঁপড়া তার উপর ঝাঁপিয়ে হুল ফুটিয়ে দিতে থাকে আর কামড়ে মাংস তুলে নিতে থাকে, ফলে কয়েক মিনিট পরেই শিকারের কঙ্কাল ছাড়া কোন কিছু অবশিষ্ট থাকে না। মাইলখানেক লম্বা এই কোটি পিঁপড়ার সাথে লড়াই চলে না, ফলে যখনই সৈনিক পিঁপড়ার দল আমাজনের কোন এলাকার উপর দিয়ে তাদের "রেইড" শুরু করে, মানুষ থেকে বড়সড় বাঘ পর্যন্ত তাদের পথ ছেড়ে বাপ বাপ করে সরে পড়ে, এমনকি কোন গ্রামের উপর দিয়ে গেলে সেখানকার বাসিন্দারা পর্যন্ত গ্রাম খালি করে কেটে পড়ে, যতক্ষণ না পিঁপড়ার ঝাঁক সরে না যায়, ফিরে এসে দেখে পুরো গ্রামের পোকামাকড় ইঁদুর-বাদর খেয়ে সাফ।
অ্যানাকোন্ডা
![]()
অ্যানাকোন্ডা!! "একটা ভয়ংকর সাপ"-- এই কথা বললে একে অপমানই করা হয়। অ্যানাকোন্ডা নামটা শুনলেই ভয়, আতঙ্ক, বিস্ময় মেশানো একটা বিচিত্র অনুভূতি জেগে ওঠে যে কারো মনে, আমাজনের অধিবাসীদের কাছে অবশ্য সেটা বিশুদ্ধ আতঙ্ক। এই একটা প্রাণীকে নিয়ে যত উপকথা আর ভয়ংকর গুজব আছে, পৃথিবীর আর কোন প্রাণীই তার ধারেকাছেও যাবে না, অ্যানাকোন্ডা যেন এক অশরীরি কিংবদন্তী। নিঃশব্দ চলাচল, দৈর্ঘ্য, অস্বাভাবিক শক্তি আর অসামাজিক হিংস্র স্বভাব নিয়ে অ্যানাকোন্ডা আমাজনের বাসিন্দাদের কাছে অশুভ এক প্রেতাত্মারই নামান্তর। এর বাসস্থানটাও তার জন্য মানানসই, নদী বা জলাভূমির ঘোলা পানিতে বা নদীর নিচের কোন জলজ আগাছা ঘেরা খাদে, দিনের পর দিন লুকিয়ে থাকতে পারে সেখানে। ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করে শিকারের, পানির নিচে দম না নিয়ে থাকতে পারে ১০ মিনিটেরও বেশি, মাথাটা সামান্য জাগিয়ে শিকারের সন্ধানে সাঁতরে বেড়ায়, বেশিরভাগ সময়েই তাই একদম গায়ের কাছে এসে পড়লেও শিকার টেরই পায় না মৃত্যু তার কত কাছে। অন্য সাপের তুলনায় ব্যতিক্রম, অ্যানাকোন্ডার দাঁত ২ সারিতে বসানো। ঝাঁপিয়ে পড়ার মুহূর্তেই কামড়ে ধরে শিকারকে যাতে ছুটে না যায়, এরপর বোয়া গোষ্ঠীর এই সাপ
(অ্যানাকোন্ডার আরেক নাম ওয়াটার বোয়া) শিকারকে পেঁচিয়ে ধরে, যতবার আক্রান্ত প্রাণী শ্বাস ছাড়ে ততবারই বাঁধন আরো শক্ত করে শ্বাস নেয়া অসম্ভব করে দেয়, মৃত শিকারকে এরপরে আস্তে আস্তে গিলে খায়। সাধারনত এর খাবার ক্যাপিবারা বা পেকারির মত মাঝারি আকারের প্রাণী, মানুষ খাওয়ার যতই গুজব থাকুক এখনো তার কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে মানুষ মারার রেকর্ড অনেকই আছে। কিংবদন্তীতে যদিও এই সাপের দৈর্ঘ্য মাইল ছাড়িয়েছে, তবে এখনো পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আকারের অ্যানাকোন্ডা যেটা ধরা পড়েছে তার দৈর্ঘ্য ৩০ ফিট। তবে যে বৈশিষ্ট্য এমনকি বাস্তবেও অ্যানাকোন্ডাকে অদ্বিতীয় ভয়ঙ্কর করে তুলেছে তা হলো, অ্যানাকোন্ডা কখনোই পোষ মানে না, কোন ভাবেই না। মহাবনের মহাভয়ঙ্করের উপযুক্ত স্বভাবই বটে!
অনেক ভয়ঙ্কর প্রাণীর বর্ণনা হলো, যার সবই শুধু আমাজনের সম্পদ। সুন্দর প্রাণীগুলো আপাতত বাদ গেল, অবশ্য সেগুলোর সব এখনো আবিষ্কৃতও হয়নি, এই মহাকাশ যুগেও আমাজন তার অপার রহস্যের সব মানুষের কাছে প্রকাশ করেনি। কিন্তু মানুষ বড় ভয়ঙ্কর, এমনকি আমাজনের হিংস্রতম জন্তুও সম্ভবত মানুষের চেয়ে অনেক নিরীহ। পৃথিবীর অসংখ্য মানুষের খাদ্যের যোগানদাতা আমাজনকেও তাই পড়তে হয় চোরাশিকারী আর গাছকাটার লোলুপ থাবার মুখে, উজাড় হয় মহা অরণ্য, বিপন্ন হয় গোটা পৃথিবীই সেই সাথে। যাদের নামে নাম সেই আমাজন নামের নারী যোদ্ধাদের মতই ভয়ঙ্কর সুন্দর এই আমাজনকে আমরা, মানুষ নামের জন্তুগুলো কি একটু শান্তিতে নিজের মত থাকতে দিতে পারি না? আমাদের নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচানোর জন্যই যে সেটার খুব বেশি প্রয়োজন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ডকুমেন্টারি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ডকুমেন্টারি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
প্রথম যখন বইতে পড়েছিলাম, তখন টারানটুনা পোষার খুব শখ হইছিলো! লেখক বলেছেন: আপনের কাছ থাইকা সাবধান থাকা লাগবো। ![]()
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
টারানটুনা = টারান্টুলা
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
সব কিছুই দেখি ভয়ের জিনিস
লেখক বলেছেন: তা বলতে পারেন, জিনিসগুলা সুবিধার না।
লিপিকার বলেছেন:
অনেক ছোটবেলায় একটা মুভি দেখেছিলাম.......সেখানে সৈনিক পিঁপড়ার একটা বিশাল টিম মিলে একজন মানুষকে কয়েক মিনিটের মধ্যে সাবাড় করে ফেলে। ভয়ানক!লেখক বলেছেন: হলিউডের পরিচালকরাও ঢাকাইদের চেয়ে গান্ঞ্জা কম খায় না, অ্যানাকোন্ডা ম্যুভি দেখলে তো মনে হয় একশ ফুটি হাজার হাজার সাপ সারা আমাজনে মানুষ খেয়ে বেড়াচ্ছে।
মানুষকে বাগে পেলে ভালই কামড়ায় তবে আগুনের ছ্যাঁকা দিয়ে পিঁপড়াগুলোকে ছাড়ানোও যায়, একেবারে জ্যান্ত খেয়ে ফেলার মত না। ![]()
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
আল্লাহ গো!!! এইবার আসলেই মনে হইতেছে মৃত্যুদূত!!! @আরাফাত ভাই আমারো তো!!!
ওয়াণ্ডার্স এর নাম শুনি নাই । কন্সট্রাকটর নিয়ে তো অনেক গল্প ই পড়ছি ।
১০ লাখ থেকে ২ কোটি পিপড়া!!!
কি কমু?!!!
লেখক বলেছেন: মাকড়সার মত একটা জিনিস মানুষের পছন্দ হয় ক্যামনে? আট টা ঠ্যাং নিয়া কেউ আমার দিকে হাঁটা দিসে এইটা চিন্তা করলেই তো গা শিরশির করে। ![]()
অলস ছেলে বলেছেন:
সবগুলাই সেবা প্রকাশনীর বইতে পড়ছি আগে লেখক বলেছেন: নকলই করসি, তবে সেবার বই না, সোজা ন্যাট জিও'র "আমাজন'স ডেডলিয়েস্ট" থেকে, আগের পর্বেই রেফারেন্স দেয়া আছে, আর ছবিগুলি নেট থেকে, গুগল ইমেজ। তিন গোয়েন্দার ভীষণ অরণ্য এখনো প্রায় মুখস্ত আছে, এইজন্যই ঐগুলি বাদ দিলাম, আমার মত আরো অনেকের নিশ্চয়ই মুখস্ত। ![]()
চলুক চলুক --
এই ভিডিওটা দেইখা ভালো ভয় পাইসিলাম ।
http://www.youtube.com/watch?v=bkJZ_lGChAI
লেখক বলেছেন: হেডিং দেখেই রিটায়ার করলাম, রাতের বেলায় দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সাপ দেখার কোন ইচ্ছাই নাই। ![]()
ব্লগ ৪১৬ বলেছেন:
আবারও বলতে হচ্ছে ভালো লিখেছেন। পরবর্তী পর্বের জন্য যথারীতি আপেক্ষায় থাকলাম।আর সৈনিক পিঁপড়াদের নিয়ে ভিডিও করা কোন লিংক জানা থাকলে দিতে পারেন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: একটা পেলাম এখানে।
http://www.youtube.com/watch?v=lOCR6WoBqI
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
ভয় পাইছি।
লেখক বলেছেন: আমিও।
লেখক বলেছেন: পিরানহা রানতে পারেন মাছের কাবাব স্টাইলে, আমাজনের আদিবাসীদের পছন্দের খাবার। বোয়া রানবার পারেন গরুর মাংসের কাবাবের মত, এইটাও খায় লোকজন। তবে বাকিগুলা খাইতে ভাল না, অ্যানাকোন্ডা একটা ধইরা খাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন, যদি না তার আগেই আপনারে সে খায়।
রফিক এরশাদ বলেছেন:
ধন্যবাদ। এ লেখাটার জন্য অয়েট করে ছিলাম।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞ হলাম। ![]()
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন:
নাহ, অন্ধকার ঘরে বসে এই পোস্ট পড়া ঠিক হয়নি, কেমন যেন মনে হলো গায়ের মধ্যে কি জানি বা কিলবিলিয়ে উঠছে! লেখক বলেছেন: এইটা শোনার পরে আমিও চেয়ারে পা তুলে বসলাম। ![]()
লেখক বলেছেন: কথা সত্যি। এইটা ইউনিভার্সাল ট্রুথ, নাইলে মানুষেরও একটা ছোটখাট বর্ণনা দিয়ে দিতাম।
সায়েম মুন বলেছেন:
ভুই পাইছি। সবচেয়ে বিষাক্ত সাপ হিসেবে ভাইপার প্রজাতির একটা সাপ রে দেখাইলো সেদিন এনিম্যাল প্লানেটে। নামটা ভুলে গেছি দেখতে বিশ্রী, মুখের কাছে দুইটা ষ্টিং এর মত দেখলাম। আর চলাফিরা করে পোকার মত (শরীর বাকিয়ে অন্য সাপের মত না)।
পোষ্টে +
লেখক বলেছেন: ঐটা ডেজার্ট হর্নড ভাইপার, আরেক নাম সাহারান ভাইপার, উত্তর আফ্রিকার সাহারায় পাওয়া যায় বলে এই নাম, তবে সৌদী আর ইয়েমেনেও কিছু থাকে। ১ থেকে ২ ফিট লম্বা, তবে দেখতে সেইরকম বাজে। ![]()
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
সেইদিন দেখলাম কি একটা রিয়েলিটি শোতে টারান্টুলা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড কইরা খাইতে দিচ্ছে ... দেখেইতো ভয়ে আমার হাত পা ... কিন্তু খালি সাপখোপ কেন ফারহান ভাই, আমাজনে অনেক এন্ডেমিক প্রাণী আছে, সেগুলো নিয়ে লিখতেন যার নাম সচরাচর শোনা যায় না।
লেখক বলেছেন: এই রিয়েলিটি শো গুলার আইডিয়া যেগুলার মাথা থেকে বের হয় আর যেগুলা পার্টিসিপেট করে প্রত্যেকটারে বিপজ্জনক রোগীদের অ্যাসাইলামে পাঠানো উচিত, এইসব মানসিক রোগী আমাদের মাঝে ঘুইরা বেড়ায় ভাবতেই ভয়ে হাত-পা----
এইটা দিসি কারণ এইটা সোজা টিভি দেখে কপি, অন্যগুলা যা আবছা মাথায় আছে সেটারে পুরা চেহারা দিতে ম্যালা পড়তে হইবো, আলসেমি লাগে। ![]()
ভুডুল বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।![]()
লেখক বলেছেন: সাপগুলার চেহারা হরর ম্যুভিরেও হার মানায়।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
সৈনিক পিঁপড়াকে নিয়া একটা দুর্দান্ত গল্প পর্সিলাম। এখন তাইলে দেখতেসি ঘটনা সত্যি।
লেখক বলেছেন: পড়সিলাম বইলা ফাঁকি দিয়েন না, ঝটপট গল্পটার সারসংক্ষেপ নিয়া একটা পোস্ট দেন। ![]()
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন:
এনাকোন্ডা আর বোয়া কন্সট্রাকটর সম্বন্ধেই খালি জানতাম, বাকিগুলারে চিনলেও নাম জানতাম না।
লেখক বলেছেন: হুমম।
ধীবর বলেছেন:
দুর্দান্ত পোস্ট দিয়েছেন ফারহান ভাই। ++++++++
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।![]()
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
ট্যারান্টুলা তো তাহলে ভয় পাওয়ার কিছু নাই... এইসবের চেয়ে তেলাপোকা বেশি ভীতিকর (কারণ এর সাথেই নিয়মিত সাক্ষাৎ ঘটে অফ টপিক: হঠাৎ বিষাক্ত প্রাণী নিয়ে মাতলেন? খুন টুন করার পরিকল্পনা আঁটছেন নাকি?
লেখক বলেছেন: আটটা বিশাল ঠ্যাঙ নিয়ে কেউ আমার দিকে আগাইলে আমি কিছুতেই স্বস্তি বোধ করি না। ![]()
নাহ, এইসব জীব দিয়া খুন করতে হইলেই সেইরকম সাহস আর দক্ষতা লাগে, আমার ঐ বুকের পাটা নাই।
লেখক বলেছেন: ছয়মাস আগের একটা আছে, ক্যান জানি আর দেয়া হয় নাই, মাথায় কিছু নাই, পরের পোস্ট ঐটাই দিয়া দিমু। ![]()
নির্ঝরিনী বলেছেন:
সাপ সবগুলাই দেখি দেখতে ভয়ংকর!!!!!বুশমাস্টার নামটা প্রথম জানলাম...
ইন্ডিয়ানা জোন্সের "ক্রিস্টাল স্কাল" ঐসিনেমায় সৈনিক পিপঁড়া দেখছিলাম...বিশাল এলাকা জুড়ে আসে, সামনে ভিলেনদের একজন পড়ে... কয়েকমিনিটের মধ্যে খেয়েটেয়ে শুধু কংকাল রেখে চলে যায়...
লেখক বলেছেন: সাপ সবগুলিই ভয়ংকর। সিনেমাতে সবই একটু বাড়াবাড়ি, সৈনিক পিঁপড়ার সামনে পড়লেও সরে যাওয়া সম্ভব, সিনেমায় যেভাবে দেখায় সেরকম ঝড়ের মত ঝাঁপিয়ে পড়ে না।
লেখক বলেছেন: আমারো তিন গোয়েন্দা থেকেই প্রথম জানা, আহারে, যদি যেতে পারতাম!
কিন্তু সাপ জিনিসটা কিউট ক্যামনে হয়? ![]()
রুদমী বলেছেন:
আমাজনের মৃত্যুদূত-১ আর ২ দুটো পর্বই পড়লাম। অনেক নতুন প্রাণীকে চেনা হল। ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
মুনশিয়ানা বলেছেন:
টারান্টুলা, সৈনিক পিঁপড়া, অ্যানাকোন্ডা সবগুলোই দেখি হলিঊডের হিরু... এরা প্রত্যেকেই তো মুভিতে অভিনয় কর্ছে... পোষ্ট ভাল লাগছে ফারহান... তৃতীয় পর্ব কবে আইবো...?
লেখক বলেছেন: লোকজন কয় ঢাকাই সিনেমার পরিচালকরা গান্ঞ্জা খায়, কিন্তু আমি এইদিক দিয়া হলিউডরেই উপরে রাখি। এইরকম আজব জন্তুজানোয়াররে যে ওরা হিরু বানাইবো তাতে সন্দেহ কি?
পরের পর্ব আসবে যেইদিক ন্যাট জিও এমন আরেকটা অনুষ্ঠান বানাবে। ![]()
জুল ভার্ন বলেছেন:
প্রিয় ফারহান, আমার সব চাইতে ভয়ের এবং ঘৃণার বিষয়গুলো চমতকার ভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য অজস্র ধন্যবাদ এবং আরো জানার জন্য, বোঝার জন্য প্রিয়তে রেখে দিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
মেহবুবা বলেছেন:
ভয়ংকর পোষ্ট । কাকড়া বিছে দেখলে ছবিতেই গা শিরশির করছে ।
বুশমাষ্টার মানে ওটা কি বুশের মাষ্টারমশাই ?
লেখক বলেছেন: এই লাইনে তো চিন্তা করিনি, হতে তো পারেই, তবে বুশমাস্টার জর্জ বুশের চেয়ে হাজারগুণ ভালো প্রাণী, কোন সন্দেহ নেই।![]()
লেখক বলেছেন: প্রিন্টআউটের সাথে তাহলে আমাকেও ব্যাগে ভরে নিয়েন। ![]()
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
আমাদের সুন্দরবনে কোন মৃত্যুদূত নাই ? (রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়া, আচ্ছা ওটা কি মৃত্যুদূত ?)এর পরের লেখাটা যেন আমাজনের মৃত্যুদূত-৩ না হয়, অন্যকিছু যেন হয় ! ( অনুরোধ)
লেখক বলেছেন: অন্যকিছু দেয়ারই ইচ্ছা।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার মৃত্যদূত, তবে চেহারাটা এইগুলোর চেয়ে ভাল। ![]()
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
ফারহান ভাই, এটা কী করলেন?? আমার ঘুম হারাম করে দিলেন?? আগে জানলে এখানে আসতাম না। মাকড়সা খুব ভয় পাই!!!!
লেখক বলেছেন: সর্বোচ্চ চারটা ঠ্যাং আমার সহ্য হয়, এরচেয়ে বেশি থাকলে জিনিসটা কেমন জানি লাগে, মাকড়সার তো আটটা।
মুনিয়া বলেছেন:
শিহরিত হলাম!ছোটবেলা থেকেই জঙ্গল খুব টানে... ভয়ঙ্করের প্রতি কেন যেন ভয় না জেগে বোধ হয় আকর্ষণ...
লেখক বলেছেন: শ্রদ্ধা জাগানো ভয়, বলা যায়।
লেখক বলেছেন: তা বলা যায়।
অদ্রোহ বলেছেন:
মজার ব্যাপার হল ,এসব প্রাণীরা পারতপক্ষে মানুষ নামের প্রাণীটির সাতে পাঁচে খুব একটা থাকেনা ,অথচ এদেরকে নিয়ে সিনেমা মায় বইয়ে পর্যন্ত বিভিন্ন আষাড়ে গপ্প ফাঁদতে আমাদের জুড়ি নেই । দারুণ সিরিজ ,চলবে তো ?
লেখক বলেছেন: এমনিতে অতটা নিরীহ না, সামনে পড়লে ছাড়ে না। আপাতত ব্রেক এই সিরিজে, পরে আবার শুরু করতে পারি।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: হেহে।![]()
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
সাপের ছবি গুলো বিচ্ছরি....... লেখা ভাল
লেখক বলেছেন: ঐ ছবিগুলির জন্য আমি পোস্টে ঢুকে সোজা নিচে চলে আসি, নিজেরই গা শিরশির করে।![]()
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
জটিল পোস্ট, আগেরটার মতই! সাপখোপ ডরাই না (কখনো সামনে পড়েনাইতো লেখক বলেছেন: আটখান ঠ্যাঙ নিয়া কেউ আমার দিকে আগাইলে না ডরানিটাই তো অস্বাভাবিক। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, দেখছি।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
মাকড়সা ভয় পাই। লেখক বলেছেন: মাকড়সা দেখলেই ভয় লাগে, ৮টা ঠ্যাঙওয়ালা জিনিস ঠিক হজম হয় না।
শিশিরের বিন্দু বলেছেন:
নতুন কিছু জানতে পেরে ভালো লাগছে। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপনিও।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















