আমার প্রিয় পোস্ট
- বিবিসির অসাধারণ একটি ডকুমেন্টারিঃ সেরা সাই-ফাইও হার মানবে - বিডি আইডল
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ট্রেকিং, ব্যাগ পেকিং আর হাইকিং, এডভেঞ্চারের সাথে মিশে যান প্রকৃতির সাথে - সৌম্য
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫০ (যা চেয়েছি, যা পাবো না --সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- হার-জিত - আশরাফ মাহমুদ
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- সন্ধ্যা ৪ - মাহবুব মোর্শেদ
- সাংবাদিকতার গায়ে 'হলুদ' - ফয়সল
- আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে... - আস্তমেয়ে
- গুগল কথন - ৪ : ব্রিন আর পেইজের কথা - রাগিব
- হারিকেন - দ্য ডিভাইন উইন্ড (৩) - তানভীর
- ঢাকা, মৃতের শহর । । ঢাকা, সিটি অব দ্যা ডেড । । টাইম ম্যাগাজিন। সোমবার, মে ৩, ১৯৭১ - এহহামিদা
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- : আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ : - নজমুল আলবাব
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
মুজাহিদের দর্পবচন এবং রাজাকারের অ-আ-ক-খ----বিচার চাই
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১
ক্ষোভ-হতাশা প্রকাশ করে লেখা ছেড়ে দিয়েছি আজকাল, এতদিনের অভিজ্ঞতায় এটা জেনে গেছি যে লেখালেখি করে কিছুই হয় না। আমাদের আগেও অনেক বড় বড় কুতুব সেই চেষ্টা করে গেছেন এবং শেষপর্যন্ত দুর্বৃত্তদের বাঁকা হাসি দেখা ছাড়া আর কোন লাভ হয়েছে বলে মনে পড়ে না, সেটা রাজনীতি, সমাজনীতি, ধর্মনীতি সবখানেই সত্যি। আমজনতা সম্ভবত প্রতিকার চায়ও না, বরং যারা প্রতিকার চায় তাদের পাগল ঠাউরে হুজুগে জনতার লাফঝাঁপও দেখা যায়, মাঝ দিয়ে সময় নষ্ট শুধুশুধু। তারপরেও ক্রোধ মাঝে মাঝে সীমা ছাড়িয়ে যায়, চেপে রাখলে স্বাস্থ্যহানির সম্ভাবনা, অন্তত
দু'টো চিৎকার দিয়ে সেটাকে বের করে দিলে দেশ-জাতির না হোক, নিজের স্বাস্থ্যের মঙ্গল হবে ভেবেই এবারে কীবোর্ডে খটখট করা।
যে কারণে, বা বলা ভাল, যে মহামানবের জন্য এই প্যাঁচালের অবতারণা, তিনি হলেন মান্যবর জনাবে আ'লা আলী আহসান মুজাহিদী, আমজনতার কাছে যিনি একজন বিশিষ্ট রাজাকার হিসেবে পরিচিত। "রাজাকার" এর যোগরূঢ়ি অর্থ যেসব নাবালক এখনো জানেন না, তাদের জন্য বলি, শাব্দিক অর্থে "সাহায্যকারী" হলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে "রাজাকার" বলতে এক প্রকার মানুষের চেহারার ঘৃণ্য প্রাণীকে বুঝায়, যারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে হানাদার নরপশু পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর জবরদখল এবং গণহত্যায় প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সাহায্য করেছিল, মদদ দিয়েছিল নিজের
জাতিকে ধ্বংস করার চক্রান্তে। এদের উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ডের মাঝে রয়েছে পাকিস্তানী সেনানায়কদের গণহত্যার নীলনকশা বাস্তবায়নে তথ্য এবং লোকবল এবং সরাসরি অস্ত্রহাতে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্ধান দেয়া এবং তাদের উপর আক্রমণ, পাকবাহিনীর জন্য লুটপাট এবং রসদ সরবরাহে অংশ নেয়া, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বাংলাদেশ এবং মুক্তিবাহিনীকে "ভারতীয়দের চর" এবং "দুষ্কৃতিকারী" আখ্যা দিয়ে বক্তৃতা-বিবৃতি প্রকাশ করা, সর্বোপরি গণহত্যা এবং স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরুদ্ধে সক্রিয় পরিকল্পক হিসেবে অংশ নেয়া।
তো, এতসব কীর্তিকাণ্ডের সর্দারস্থানীয় যারা, তাদের মাঝে গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদী, মঈনুদ্দীন, কামারুজ্জামান প্রভৃতি রাজাকারের নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। এত রাজাকারের মাঝে এই মহাত্মাদের নাম এত তাজিমের সাথে উচ্চারণ করার কারণ হলো, গণহত্যা এবং মুক্তিবাহিনীকে ধ্বংসের পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নের এদের সক্রিয় এবং অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন। মোটের উপর, জোর করে চোখ বন্ধ করে না রাখলে এদের কার্যকলাপ এমনকি তাদের নিজেদের পক্ষেও এড়িয়ে যাওয়া কষ্টকর। তৎকালীন প্রতিটি সংবাদপত্রে এদের কীর্তিকলাপের বিবরণ জ্বলজ্বল করছে, এমনকি তাদের নিজস্ব পত্রিকা "দৈনিক সংগ্রাম" এর তখনকার সংখ্যাগুলো দেখলেই সেটা বোঝা যায়।
এই গলাকাটা দলের সর্দাররা স্বাধীনতার পরে ভেগে যায় নানা জায়গায়, তারপর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগে "জামাতে ইসলামী" নামের একটা দলের সর্দার হয়ে বসে। ছলে-বলে-কৌশলে এরা মোটামুটি সংখ্যক নিবেদিতপ্রাণ সদস্য জুটিয়ে ফেলে, বিশেষ করে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরই "টার্গেট গ্রুপ" করায় অচিরেই এই দলটি বাংলাদেশের রাজনীতি এবং অনেক ক্ষেত্রেই অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ কিছু জায়গায় বেশ জাঁকিয়ে বসে। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ঘাতক-দালাল নির্মূল আন্দোলনে এরা বেশ দৌড়ের উপর থাকলেও, পরবর্তীতে বিএনপি সরকারের সাথে জোট বেঁধে এরা সংসদেও চলে যায়, যদিও শোনা যায়, তৎকালীন আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীও হুজুরে আ'লা গোলাম আযমের পদধূলি নিতে গিয়েছিলেন।
আস্তে আস্তে এরা রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসতে থাকে, এবং ২০০১ এর নির্বাচনের পর মন্ত্রীসভায় দু'টি জায়গাও বাগিয়ে ফেলে, কুখ্যাত রাজাকার মতিউর রহমান নিজামী এবং আলী আহসান মুজাহিদী সেই জায়গা দু'টি নিয়ে দলের ভিত শক্তও করে। এরই মাঝে তারা বেশ কিছু ব্যাঙ্ক, বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব রাখার মত একটা অবস্থায় চলে যায়, সাথে মধ্যপ্রাচ্যের অবিরাম সমর্থন এদের সুরক্ষাবর্ম হিসেবেও কাজ করে। সাথে চলে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের দলে অন্তর্ভুক্ত এবং ব্রেইনওয়াশ করে এবং একই সাথে যোগ্যতা অনুযায়ী নানা সুযোগসুবিধা দিয়ে দলে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, এবং দৃঢ় ও কার্যকরী চেইন অভ কমান্ড স্থাপন। সব মিলিয়েই জামাতে ইসলামী নিজেদের কুকীর্তি ঢাকা দেয়ার জন্য বেশ গোছালো একটা ব্যবস্থা করে ফেলে নিজেদের একটা ধরাছোঁয়ার বাইরের অবস্থাতেই নিয়ে যায়।
এরই মাঝে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে জামাতের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিএনপি ক্ষমতা হারায়,এবং দিনবদল আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। বেকুব জনতা আবারো আশায় বুক বেঁধে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে ক্ষমতায় আনে আওয়ামী লীগকে, শেখ হাসিনার মিঠে বুলিতে ভুলে যায় যে ১৯৯৬ তেও ক্ষমতায় যাবার আগে এমন এক প্রতিশ্রুতি দিয়েও সেটা ভাঙার উদাহরণ আছে এই দলের। সরকার গড়া হয়, দিন যায়, ধীরে ধীরে যুদ্ধাপরাধী ইস্যুও ডিপফ্রিজে ঢুকে যেতে থাকে। গর্ত থেকে আবারো মাথা তোলে কালসাপ, লকলক করে জিহ্বা বের করে নিজামী আর মুজাহিদীর মত বিশ্বাসঘাতক নরপিশাচ। অন্য দলের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয় জামাত, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বৃত্তি দেয় জামাত, জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শুভানুধ্যায়ী আর নিবেদিতপ্রাণ সদস্য বাড়িয়ে চলে জামাত, অন্য দুই দলের সন্ত্রাস আর টেন্ডারবাজির কুকুর লড়াইয়ের ফাঁকে মেধাবী প্রজন্মের চোখে ধুলো দিয়ে তাদের মগজধোলাই করে চলে জামাত।
অবশেষে, এবার, ডিসেম্বর মাসে, বিজয়ের এই মাসে, যখন ৩৮ বছর আগে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছিল কুকুর আর হায়েনারা আর আমরা তথাকথিত আন্তর্জাতিক চাপ আর উদারতার নামে ক্ষমা করে দিয়েছিলাম সেসব কুকুরদের, তারা আবার লেজ উঁচিয়ে ঘুরে দাঁড়ায়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে নানা টালবাহানায় ধীরে ধীরে বোঝা হয়ে যেতে থাকে, নেহাৎই ভোটে জেতার অস্ত্র হিসেবেই ছিল এই স্লোগান, আর সেটা বুঝেই যেন আরেক দল তাদের কাউন্সিলে অতিথি করে নেয় মতিউর রহমান নিজামীকে। সদর্পে এবার ঘোষণা আসে মুজাহিদীর পক্ষ থেকে--
"আমরাই স্বাধীনতা এনেছি, আমরাই তা রক্ষা করবো।"
৩৮ বছর পরে, অবশেষে, এবার যেন সত্যিই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চূড়ান্ত পরাজয় ঘটলো, স্বাধীন বাংলার বুকে হায়েনার এই দর্পিত উচ্চারণে পদাঘাত হলো ৩০ লক্ষ শহীদের বুকে। তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার যখন ক্ষমতায়, তখন বুদ্ধিজীবি হত্যাসহ পাকবাহিনীর সকল গণহত্যার প্রত্যক্ষ মদদদাতার এই উচ্চারণ সত্যিকার অর্থেই জাতি হিসেবে আমাদের সকল সম্মান ধুলায় মিশিয়ে দিল।
সম্ভবত আমরাই দায়ী, ভোটের খেলায় হয় আমরা ক্ষমতায় পাঠাই রাজাকারের পাচাটা বিএনপি নয়তো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগকে, আর দূরে বসে জিভ বের করে হাসে গোলাম আযমের প্রেতাত্মারা। বিচার হয় না, শান্তি পায় না গণকবরে শুয়ে থাকা আমার দেশের নিরীহ মানুষগুলো, বেয়নেট আর বুলেটের ক্ষত নিয়ে মাটির গহীনে কাঁদে আমার নিহত পূর্বপুরুষ। অভিশাপ দেয় আমাদের শহীদ
শিক্ষাগুরুরা, ধিক্কার দেয় আমাদের বীরশ্রেষ্ঠরা, আর আমরা বুড়ো আঙ্গুল মুখে পুরে ডিজিটাল নেটওয়ার্কে বসে ভাবি, যাকগে, এত আগের কথা ভেবে লাভ কি, ক্ষতি তো কিছু হচ্ছে না, খামোকা ৩৮ বছর আগের ঘটনা নিয়ে টানাটানি।
সত্যিই তাই? এভাবেই আমরা ছেড়ে দেব? নেতারা বিচার করেনি বলে কি ক্ষমা করে দেবে আমাদের শহীদ যোদ্ধারা? কারা নেতা? বিচার করার তারা কে? বিচার না করলেই কি খুনী রাজাকার নিষ্পাপ হয়ে যায়? ভুলে যেতে বলে আমাদের, কেন আমরা ভুলে যাব? ৩০ লক্ষ মানুষের জীবন ফিরিয়ে দিতে যদি না পারে, কেন আমরা ক্ষমা করবো? বুলেট আর ট্যাঙ্কের গোলায় ছিন্নভিন্ন জ্বলন্ত বাংলাদেশের আত্মা যাদের ক্ষমা করবে না, নিয়ন আলোয় স্বাধীন দেশে শীতল হাওয়া খেয়ে তাদের ক্ষমা করার আমরা কে? আমরা ভুলবো না, আমরা ক্ষমা করবো না, যদি জীবিত অবস্থায় ওদের বিচার করতে না পারি, আমরা ওদের লাশের বিচার চাই। এই নরপিশাচদের আদর্শ নিয়ে যে বিষবৃক্ষ বড় হয়ে উঠছে, সেই বিষবৃক্ষের শেকড়সহ আমরা উপড়ে ফেলতে চাই। আমরা আরেকবার
আমাদের বাংলার বুকে সাপের বিষনিঃশ্বাস দেখতে চাই না, আমরা স্বাধীনতা নিয়ে মুজাহিদীদের অশ্লীল রসিকতা দেখতে চাই না।
আমরা খুনী-দালাল যুদ্ধাপরাধী এবং তাদের রক্ষাকারীদের অস্তিত্বসহ বিনাশ চাই, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের রক্তেঋণের বিনিময় চাই, আমরা হত্যাকারী ঘাতক দালালদের ফাঁসি চাই।
[পোস্টের বিষয়বস্তু পুরানো, কিন্তু পুরানো জিনিস মাঝে মাঝে ঝালাই করে নিলে স্মৃতির ধুলো সরে, মরচে পরিষ্কার হয়। জাতি হিসেবে আমরা আবার বড়ই বিস্মৃতিপরায়ণ কিনা!]
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঘাতক দালাল রাজাকার ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ ও আন্দোলন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: শেষমেশ মনে হয় পাবলিকরেই ঘণ্টা নিয়া আগাইতে হইবো। এই দেশের বিচ্ছু পাবলিক পাকবাহিনীর ব্যান্ড বাজাইতে পারলো, আর কয়টা কুকুরছানার চামড়া তুলতে পারবে না?
হাসান মাহবুব বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধের বিচার এখনই হচ্ছেনা। কৌশলগত কারণে সরকার এখনই যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করতে চাইছেনা... সরকারের নীতিনির্ধারক সূত্র জানায়, যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রশ্নে কয়েকটি দেশের মনোভাব এখনও সরকারের কাছে স্পষ্ট নয়.. ব্লা ব্লা ব্লা ব্লাডি শিট।এমনিতেই কি আর মুজাহিদি কুত্তার বাচ্চা ঐরকম আস্ফালন করার সাহস পায়?
লেখক বলেছেন: রাগে-দুঃখে আর কথা কইতে ইচ্ছা করলো না, শেষমেশ এই জিনিসও শোনা লাগলো!
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
সচলে হাসিব ভাই একটি চমৎকার পোস্ট দিয়েছেন। পড়তে পারেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না হলে, ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ না হলে এরা বারবার বিভিন্ন মুখোশে আসবে। সমূলে গদাম দিতে হবে এদের।
লেখক বলেছেন: পোস্ট দেখেছি। যুদ্ধাপরাধীদের সমূলে উৎখাতের বিকল্প নেই।
নাহিনরানা বলেছেন:
ভাল লাগলো লেখাটা পড়ে।
লেখক বলেছেন: কণ্ঠ তুলুন।
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
আমরা খুনী-দালাল যুদ্ধাপরাধী এবং তাদের রক্ষাকারীদের অস্তিত্বসহ বিনাশ চাই, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের রক্তেঋণের বিনিময় চাই, আমরা হত্যাকারী ঘাতক দালালদের ফাঁসি চাই।
লেখক বলেছেন: বিনাশ চাই, বিচার চাই।
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
এই দেশের বিচ্ছু পাবলিক পাকবাহিনীর ব্যান্ড বাজাইতে পারলো, আর কয়টা কুকুরছানার চামড়া তুলতে পারবে না?পারবে পারবে!
লেখক বলেছেন: পারতেই হবে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
স্বাধীনতা কি? এটা খায় না মাথায় দেয়? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের স্বাধীনতার ডাক দেওয়া নেতারা এবং তাদের ডাকে সাড়া দেওয়া জনগনের কাছে পরিস্কার ছিল না। ফলে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আমরা তালগোল পাকিয়ে ফেলি। প্রশ্ন বিদ্ধ করি আমাদেরই অনেক অর্জনকে্, আমাদেরই ইতিহাস কে। আমি মনে করি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের এখনও অজানা। তাই আজ স্বাধীনতা রক্ষা কথা মুজাহিদদের মুখ হতে শুনতে হয়।
লেখক বলেছেন: সেক্ষেত্রে, আমাদের উত্তরগুলো জানতে হবে, নইলে রাজাকারদের শেখানো ভুল উত্তর জেনে বড় হবে নতুন প্রজন্ম।
আলিম আল রাজি বলেছেন:
মুজাহিদি সহ সব জামাতী কুত্তার বাচ্চাকে গদাম।
লেখক বলেছেন: সাথে তাদের সমর্থকদেরও।
সাইফ শামস বলেছেন:
একটা জিনিস এখনও ভাল আছে, ডিসেম্বর আসলে, রাজাকার আর তাদের বাচ্চারা গর্তে ঢুকে যায়। তবে তারা বের হওয়া শুরু করেছে, আমাদের উচিত এখনই বিচার শেষ করা যেন, ভবিষ্যতে তারা আর বাচ্চা দিতে না পারে। না হলে....., শয়তানের বাচ্চা জন্মানোর হার, মানুষের চাইতে কিন্তু অনেক বেশী।
লেখক বলেছেন: এইবার তো ডিসেম্বরেই মাথা বের করলো, দিনে দিনে বহু বাড়িছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ।
লেখক বলেছেন: বেশি লাভ হয় না, গ্যাস্ট্রিক হয়া যাইতাসে।
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
ভাবতেছি সরকার যদি কিছু না করে তাইলে আইন পাবলিকের হাতেই নিতে হবে,নয়তো পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের অভশাপ দিবে, যেমনি আমরা এখন অভিশাপ দেই আগের লোকদেরকে।
বার্মা হতে টি এন্ড টি গান পাউডার দিয়ে ট্রাক বোমা বানিয়ে একটা ফুটাবো মগবাজারের গোলাম আজমের ৬ তলা বাড়ির সামনে আরেকটা সব রাজনৈতিক নেতাদের উপর, ব্যাস। সন্ত্রাসী খেতাব পাই, সমস্যা নাই। পিঠ দেয়ালে ঠেকেছে সব দিক দিয়ে।
""তুমি সব লোককে কিছু সময়, কিছু লোককে সবসময় ধোঁকা দিতে পার কিন্তু সব লোককে সবসময় ধোননকা দিতে পারনা"" আব্রাহাম মিয়া।
আওয়ামীলীগ যদি এবার না করে তাইলে আইন নিজের হাতেই নিতে হবে!! আর কতো!!
লেখক বলেছেন: এভাবেই একদিন ফেটে পড়ে সব, আমরা না করলেও কেউ না কেউ আইন হাতে তুলে নেবে, সেদিন সবাইকেই জবাব দিতে হবে।
আকাশচুরি বলেছেন:
আমরা খুনী-দালাল যুদ্ধাপরাধী এবং তাদের রক্ষাকারীদের অস্তিত্বসহ বিনাশ চাই, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের রক্তেঋণের বিনিময় চাই, আমরা হত্যাকারী ঘাতক দালালদের ফাঁসি চাই।
লেখক বলেছেন: ঘাতক দালালদের নির্মূল করতে হবে, এই জানোয়ারদের ফাঁসি দিতে হবে।
লেখক বলেছেন: আশকারা দিয়ে আমরাই মাথায় তুলেছি, এখন ফল আমাদেরই ভোগ করতে হবে।
যাযাবর শফিক বলেছেন:
আজ বিএনপির সাথে রাজাকারদের জোট। কোন এক সময় আ্ওয়ামী লীগ ও রাজাকারদের সাথে জোট করেছিল।আগে এবং পরে যারাই রাজাকারদের সাথে জোট করেছে তারা ক্ষমতায় থাকতে কখনোই এদের বিচার হোক তা চাইবেনা।
যেভাবে এদের অপকর্ম বাড়ছে, আমি ভীষণ শংকিত, কোন একদিন রাজাকারদের চেয়ে জঘন্য কাজ এরা করে বসবে!!
লেখক বলেছেন: বিচার করলেই ২ দলেরই ভোট ব্যাঙ্কে টান পড়বে, কাজেই এর মাঝে নাই।
যাযাবর শফিক বলেছেন:
কায়েস মাহমুদ বলেছেন: আওয়ামীলীগ যদি এবার না করে তাইলে আইন নিজের হাতেই নিতে হবে!! আর কতো!!
আওয়ামী লীগ কিছুই করবে না। যদি করে তাহলে যোদ্ধাপরাধী হিসেবে নয়, করবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ।they all are same now.............
লেখক বলেছেন: হাসিনার নিজের বেয়াই তো রাজাকার, সে রাজাকারের বিচার করবে ক্যামনে? মজার ব্যাপার হইলো, যে ২-১টা রাজাকার ধরে সব কয়টা কোন ক্যাম্পের দারোয়ান ছিল নাইলে ঝাড়ুদার, আসলগুলা সব নাগালের বাইরে।
মনির হাসান বলেছেন:
ক্ষোভ'টাতো তাও ঝেড়ে ফেলতে পারলেন ... আমি সেটাও পারছিনা ...ঘাতক দালালদের নির্মূল করতে হবে, এই জানোয়ারদের ফাঁসি দিতে হবে । কোন বিকল্প নেই ।
লেখক বলেছেন: এই ক্ষোভ যায় না, যতদিন এরা এই ঔদ্ধত্য দেখিয়ে যাবে ততদিন যাবে না।
যাযাবর শফিক বলেছেন:
রাজাকারদের সাথে যারা হাত মিলায় তারাও অপরাধী।রাজাকারদের যদি জাতীয় শত্রু বলে মানেন তবে তাদের বন্ধূগণ মিত্র হয় কেম্নে??
লেখক বলেছেন: কারে মিত্র কইলাম ব্রাদার?
যাযাবর শফিক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কারে মিত্র কইলাম ব্রাদার? আপনি কাউকে মিত্র বলেন নাই। এটা সবার কাছে এই অধমের প্রশ্ন।
লেখক বলেছেন: হুম।
কঁাকন বলেছেন:
আওমিলীগ এইবার নতুন ভোটারদের ভোটের একটা বড় অংশ টানসে যুদ্ধাপরাধীর বিচার করবে এই এজেন্ডায় এখন নিরঙ্কুশ সংখ্যাগড়িষ্ঠতা নিয়াও যদি স্ট্র্যাটেজিক হাবিজাবিতে বিচার না করে তাইলে ওরা তো এগুলা বলবেই কারন বিএনপিতো এখন কার্যত ওদেরি দল সো এবার যদি বিচার না করে তাহলে ভবিষ্যতে হয়তো শোনা লাগবো জাতির জনক নিজামী আর স্বাধীনতার ঘোষক গু আজম,আমরা সবসময়ি বলদ জনতা
লেখক বলেছেন: এইটাই হইলো সারকথা, আমরা হইলাম বলদ, কাজেই শকুনে আমাদের ঠুকরায়া খায়।
জুল ভার্ন বলেছেন:
ফারহান, তোমার লেখার সাথে, ক্ষভের সাথে আমিও ক্ষভ প্রকাশ করছি, সহমত পোষন করছি। "দিনে দিনে বহু বাড়িছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ"-সেই ঋণ শোধ করার সময় এখনই।
লেখক বলেছেন: দিনে দিনে যেভাবে বেড়ে যাচ্ছে এরা, কয়দিন পরে নিজেদের স্বাধীনতাযুদ্ধের নেতা দাবী করে বসবে নিজামীকে। এখনই কিছু করতে হবে।
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
ঐ দিন রাস্তায় (মহাখালি সিটিসেল অফিসের অপোজিটে) রাজাকার কামরুজ্জামানকে দেখলাম হাটা অবস্থায়। আমি আমার ছুটে চলা অফিসের গাড়ী থেকে চিৎকার করে বললাম-ঐ রাজাকার। সে দেখলাম একটু থামল, সাথে অবশ্য কিছু চেলা ছিল।বঙ্গবন্ধু যতদূর জানি দালাল আইনে মাথামোটা রাজাকারদের বন্দী করে রেখেছিল, তখনই ঐ বেজন্মাদের কপালে রাজাকার শব্দটা জলন্ত লৌহদন্ড দিয়ে খোদাই করে দেওয়া দরকার ছিল।
লেখক বলেছেন: মাফ করে দেয়াটাই ভুল ছিল, সাপরে আদর দিলেও কি মানুষ হয় নাকি?
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
জাতি হিসেবে আমরা বিস্মৃতিপরায়ণ, সত্যগোপনকারী!
লেখক বলেছেন: ঠিক।
আকাশনীল বলেছেন:
আমরা স্বাধীনতা নিয়ে মুজাহিদীদের অশ্লীল রসিকতা দেখতে চাই না।
লেখক বলেছেন: আমরা নিজেদের নিয়ে যতদিন এমন রসিকতা করবো ততদিন আমাদের নিয়েও হায়েনারা এমন রসিকতাই করবে।
অ্যামাটার বলেছেন:
অপেক্ষায় আছি। তবে আশাবাদী হতে পারি না।আওয়ামী লীগের ধোঁকাবাজি এখন আর বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না। আর বিএনপি করবে, এতটা আশা করি না। ফলাফল 'শূণ্য'! যেন না হয়...
লেখক বলেছেন: শূন্য থেকে আমাদেরই কিছু বের করে আনতে হবে, আমাদের পারতেই হবে।
শাওন বলেছেন:
ভালো লাগল লেখা । ভাই দুঃখের কথা কি বলব । আমি এদের বাটপারী নিজের চোখে দেখছি । লেখক বলেছেন: সমস্যাটা কি জানো, এরা এমন সব ছেলেমেয়েকে দলে ভিড়ায়, দুঃস্বপ্নেও কেউ বিশ্বাস করবেনা এরা এই গণহত্যাকারীদের সমর্থন করে। ব্যক্তিগতভাবেও হয়তো এদের পছন্দ করা যায়, দুর্ভাগ্য।
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:
এই লেখাকে কতোবার প্লাস দিলে সঠিক রেটিং দেওয়া হবে , তাই ভাবছি।
এই অসাধারণ লেখায় বারুদের গোলার মতো শব্দচয়ন, স্বকীয় মতাদর্শের দৃঢ়তা আর তোজোদ্দীপ্ত কিছু উদ্দাম উচ্চারণ শুনে মনে হল, আর কিছুর প্রয়োজন নেই, শুধু আমাদের নতুন প্রজন্মরা ফারহান এর মতো দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হলেই একদিন এ দেশের মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে।
লেখক বলেছেন: আমাদেরকে জানতে হবে কোনটা অন্যায়, হত্যাকারীকে আমরা গুরুর আসনে বসাতে পারি না, যে রাজাকার সে চিরকালই রাজাকার।
লাল নীল দীপাবলী বলেছেন:
আপনার কিবোর্ড যেন বেজে উঠুক স্টেন গানের মত।
লেখক বলেছেন: সবার কণ্ঠ গর্জে উঠুক, হত্যাকারীকে আমরা হত্যাকারী বলতে শিখি।
নাজনীন খলিল বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++অঃটঃ ব্লগে আসিনা ইদানীং। শাম্মাভাইর খোঁজও তাই নেওয়া হয়নি।
এজন্য অত্যন্ত লজ্জিত এবং দুঃখিত। কি খবর উনার?
লেখক বলেছেন: শাম্মা ভাই মোটামুটি সুস্থ আছেন, প্রাথমিক বিপদ কেটে গেছে, টাকাও মোটামুটি পাওয়া গেছে। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার জন্য আরো চার লাখ টাকার মত দরকার, কিন্তু সেটা পারিবারিকভাবেই যোগার করা যাবে আশা করা যাচ্ছে।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
কি বলবো? ধরধর মারমার বললেই যদি বিচার হয়ে যেতো তাইলেতো হতোই। আমরা ঘৃণা ছাড়া কি করতে পারি?লেখক বলেছেন: একখান হাদীসে বলা আছে অন্যায় দেখলে সেইটার মুখে হইলেও প্রতিবাদ করতে,যদিও সেটা দুর্বলতম ঈমানের পরিচায়ক। চুপ করে থাকার কোন অপশন দেয়া হয় নাই। আমি দুর্বল মানুষ, কিছু করার ক্ষমতা নাই, কিন্তু গলা তো আছে, সেইটা তুলতে তো বাধা নাই। অন্তত লোকজন রাজাকাররে রাজাকারই জানুক, ফেরেশতা না।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
আজ শেরিফ আল সায়ারের পুরোনো সেই পোস্টটা পড়লাম। একাত্তরে পাকিদের গনধর্ষন এবং ধর্ষনের সময় নারীদের উপর নারকীয় নির্যাতন। শরীরের রোমকুপ খাড়া হয়ে যায়। অক্ষম আক্রোশে ভিতরটা কাঁপতে থাকে। ভেবে অবাক হই, এই বর্বরদের পক্ষে সাফাই গায়, আমার দেশের লোকজন। এরা কি মানুষ নাকি মানুষরুপী কুত্তা?
লেখক বলেছেন: পশুর সাথে এদের তুলনা করলে পশুগুলোর অপমান হয়ে যায়, এদের মত বেহায়া পশুগুলো হতে পারবে না।
সুবিদ্ বলেছেন:
পাবলিকও বোধহয় তিতিবিরক্ত হয়ে গেছে.......নইলে গো.আযম-কে একবার যে জুতাপিটা করছিল, ঐরকম আরো ২/১টা ঘটনা ঘটতো.......এই সরকার এখন শুধু শুধু কাউ-কাউ করেই সময় পার করবো.......ক্ষমতা ছাড়ার আগ দিয়ে নামকাওয়াস্তে একটা কমিশন করে দিয়ে বলবো যে এইবার শুরু করে দিয়ে গেলাম, আবার ভোট দেও......এর পরের বার বিচার শেষ করবো......আমি বরাবরই কেন জানি 'হোপলেস'-দের দলে.......
লেখক বলেছেন: ভাবতে অবাক লাগে যে একটা লোকও ঐখানে ছিল না যারা একটা জুতা ছুঁড়তে পারতো? নেটে তো দেখি ভার্চুয়াল যোদ্ধাদের অভাব নাই, স্টেন গান নিয়া ভাড়াটে খুনী দিয়া নিজামীরে মারবে এমন ঘোষণাও দেখসিলাম, কিন্তু তারপরেও তো এই চলে!
".ক্ষমতা ছাড়ার আগ দিয়ে নামকাওয়াস্তে একটা কমিশন করে দিয়ে বলবো যে এইবার শুরু করে দিয়ে গেলাম, আবার ভোট দেও"---- এইটার সাথে ১০০ ভাগ একমত, বিচার করার ইচ্ছা কোন শালারই নাই।
রাজর্ষী বলেছেন:
রাজাকার, আলবদরদের পালের গোদা গুলোকে ধরে বিচার কর্তে হবে।
লেখক বলেছেন: এবং সেইটা এখনই।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
একটু হয়ত অফটপিক:নিচে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দুটি প্রোজেক্টের লিংক রেখে গেলাম। মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত সকল তথ্য এক জায়গায় করার চেষ্টা হচ্ছে - যে কোন ধরনের ডকুমেন্ট/ব্লগ/ছবি। যত পারা যায়, সবাইকে জানানো উচিত ব্যাপারগুলো।
যে যতটা পারি, নিজেদের অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে একটা পূর্ণাংগ ডিজিটাল লাইব্রেরী সম্ভব।
ওয়ার ক্রাইম স্ট্রাটেজি ফোরাম
ই লাইব্রেরী ১৯৭১
লেখক বলেছেন: এই বিষয়ে যে কোন কথাই অন টপিক, সারাক্ষণই। লিংক ২ টার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, দেখছি।
অদ্রোহ বলেছেন:
কি দেশে বাস করি ,জুতামুজাহিদদের আস্ফালন অসহায়ভাবে শুনে যেতে হয় আমাদের ,ওদের বেহায়াপনা মুখ বুজে সইতে হয় ,ফেরেব্বাজিগুলো দেখেও না দেখার ভান করতে হয় ।আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ,শেষ পর্যন্ত যেই লাউ সেই কদু...
লেখক বলেছেন: এইটা নিয়া রাজনীতিবিদরা কিছু করবে না, সেইটা বুঝা গেছে। ক্ষমতা আমাদেরও সীমিত, কিন্তু অন্তত প্রচারটা রাহা উচিত, যাতে লোকজন রাজাকারদের রাজাকার হিসাবেই চিনে রাখে।
রাহা বলেছেন:
ওয়েবে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলা ব্লগের লিস্ট এর সংকলন চলছে. আপনার কোন নিজস্ব ব্লগ থাকলে নিচের লিংক গিয়ে আপনার ব্লগের লিংকটি দিন - ওয়েবে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলা ব্লগের লিস্ট এর সংকলন
লেখক বলেছেন: সেভাবে আসলে ব্যক্তিগত ব্লগ পড়া হয় না, তবুও দেখি।
রোবোট বলেছেন:
লোকটার নাম মুজাহিদ, মুজাহিদী না। আল মুজাহিদী কবি। ইততেফাকের সাহিত্য পাতা দেখতেন। সাধারণ ক্ষমায় কিন্তু নিজামী/কামারু/ইউসুফরা ছাড়া পায়নি।আমরা পুরনো কথা ভুলে পিতার খুনীরে জড়ায় ধরসি, সে কিনতু আমারে ঠিকই ছুরি মারসে।
৯২-৯৬ এ আন্দোলনের ফসল জামাতের আসন বিশটা থেকে কমে ৩টা হওয়া।
লেখক বলেছেন: নাম ঠিক করলাম।
হ্যাঁ, যখন সময় ছিল তখনই চারা উপড়ে ফেলা দরকার ছিল, কিন্তু এই ইস্যু সবার জন্য এখন ভোটব্যাঙ্কের বেশি কিছু না। ২ দল রাজনীতি করবে আর মাঝ দিয়ে এরা ছাড়া পাবে, এভাবে আর কত??
লেখক বলেছেন: দেখলাম, দুর্দান্ত কাজ, লিংকটা শেয়ার করার মত।
রোবোট বলেছেন:
"২ দল রাজনীতি করবে আর মাঝ দিয়ে এরা ছাড়া পাবে, এভাবে আর কত??" পুরা মানতে পারলাম না। বিএনপি কখনোই রাজনীতি করে নাই। যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে জামাত রাজী হৈতে পারে, বিএনপি না। রাজনীতি করসে আওয়ামী লীগ। জাহানারা ইমাম আর কিছুদিন সুস্থ থাকলে আওয়ামী লীগ ৯৪এ বেইমানীটা করতে পারতো না। সেমসয় আওয়ামী লীগের তো বটেই, এমনকি অনেক বিএনপি কর্মী নীতিগত ভাবে যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে ইচ্ছুক ছিলো।
আমাদের মত পাবলিকেরও দোষ আছে। ব্লগেই দেখোনা, যুদ্ধাপরাধীদের ব্যাপারে যাদের সফট কর্নার আছে, তাদেরকে প্রতিরোধে (গালি নয়) কি আমরা যথেষ্ট আন্তরিক?
অফটপিক: এত রাতে কি কর?
লেখক বলেছেন: একটা সময় ছিল যখন ঢাকা ভার্সিটি আর ঢাকার কলেজগুলাতে ছাত্রলীগ আর ছাত্রদল জোট করে শিবির ঠ্যাঙ্গাইতো। এখন দিন বদলাইসে, জামাত এখন বিএনপি'র অংশ আর আওয়ামী লীগের ভোট বাড়ানোর অস্ত্র, কিন্তু এইভাবে এরা শেকড় গেড়ে বসে গেছে। আমাদেরই গলা তুলতে হবে, বিচার নিজের হাতে করতে না পারি, অন্তত কাউকে ভুলতে দেয়া চলবে না যে কারা রাজাকার আর যুদ্ধাপরাধী।
অফটপিক: কালকে ছুটি, এইজন্য একটু ব্লগে ঢুঁ মারি আরকি। ![]()
রোবোট বলেছেন:
জামাত এখন বিএনপি'র অংশ না, বিএনপিই জামাতের অংশ। বিএনপি বলতে হাইকমান্ড মিন করছি
লেখক বলেছেন: এইটা মন্দ বলেন নাই, আগাছা বাড়তে বাড়তে এখন গাছকেই খেয়ে ফেলছে।
লেখক বলেছেন: এত কিছু বলার পরেও ওরে জুতা মারার মত একটা লোকও আমাদের মাঝে নাই, এইটাই আফসোস।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইলো
লেখক বলেছেন: আপনাকেও নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
সবাই অনিয়মিত হয়ে যাচ্ছে। তোমার এই পোস্টও দেখছি অনেক আগে লেখা।আছো কেমন?
---
পোস্ট সম্পর্কে বেশি কিছু বলবো না, শুধু এটুকু বলি, আওয়ামী লীগ -বিএনপি কারো কাছ থেকেই আমরা এই জানোয়ারদের বিচার আশা করতে পারি না।
আমাদেরকেই নিতে হবে শোধ!
ধুলো সরানো পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: জীবনযুদ্ধের মাঝে শৌখিন কাজ চালানো মুশকিল, আপনাকেই যে কতদিন পরে দেখলাম!
রাজনীতিবিদদের কাছে আশা করে লাভ নেই, হয়তো আমরাও পারবো না, কিন্তু ভুলে যেতে দেয়া চলবে না। আমরা রাজাকারকে রাজাকারই বলি, মানুষ বলি না।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
আজ হোক, কাল হোক বিচার হবেই...
লেখক বলেছেন: হবেই, হতেই হবে, ততদিন আমাদের কণ্ঠ ছাড়তে হবে জোরে।
লেখক বলেছেন: সেইরকম ব্যস্ত না, সবকিছু নিয়া ডিস্টার্বড, একটু স্থির হয়ে নেই।
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
রাজনীতিবিদরা বিচার করবে সেটার আশা প্রায় ছেড়েই দিচ্ছি। জনগন যদি এখন কিছু একটা করে।
লেখক বলেছেন: রাজনীতিবিদরা এর আগেও এই বিচার ছিনতাই করেছিল, যখন জনতার আদালতে এদের বিচার হয়েছিল। এরা কখনোই করবে না, কারণ রাজনীতিতে ঘুরেফিরে সেই একই মুখ। এজন্যই আমাদের বিচারের দাবী ধরে রাখতে হবে, আর কিছু না হোক, নতুন প্রজন্ম রাজাকারকে রাজাকার বলেই জানুক।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















বিড়ালের্গলায় ঘন্টা বানবো কেডায়?