আমার প্রিয় পোস্ট

থ্রি ইডিয়টস ও স্লামডগ মিলিয়নেয়ার: অতি প্রচারণার কাছে পরাজিত "কোয়ালিটি"

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৭

শেয়ারঃ
0 44 0

বিশিষ্ট মুভিবোদ্ধা বা সমাজতাত্ত্বিক অথবা বুদ্ধিজীবি হলে হয়তো কোন ম্যুভি দেখার সাথে রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজবদল ইত্যাদি নানা উঁচুমানের বিষয় খুঁজতেও পারে, কিন্তু আমজনতা হিসেবে সিনেমা জিনিসটাকে বিনোদনের বিষয় হিসেবেই দেখি আর সেদিক থেকে কোন সিনেমা দেখে যদি মনে হয় সময়টা ভাল কাটলো তাহলে সেই ম্যুভিকে একজন সাধারণ দর্শকের চোখে "চলনসই" সার্টিফিকেট দিয়ে দিই।
এমন না যে কোন কোন সিনেমা দেখে খুব বেশি নাড়া খাই না, সেগুলোকে আলাদা একটা জায়গা সবসময়ই দিয়ে রাখতে হয়, কিন্তু কোন একটা "চলনসই" ম্যুভিকে যখন স্রেফ বাজারজাতকরণ নীতি বা অতি প্রচারণার জোরে "কিংবদন্তী" বা সমাজ-সংস্কার বদলের পথপ্রদর্শক বানিয়ে দেয়ার অশ্লীল চেষ্টা করা হয় আর সেটার সাথে আমজামযদুমধু জনতার মত একেবারে বোদ্ধারাও লাফঝাঁপ দিতে থাকে, তখন এই নাদানের মনেও কিছু ভারি দর্শনের উদয় হয়, উদাস হয়ে ভাবি, হায় সেলুকাস, কি বিচিত্র এই দুনিয়া, সবকিছুই যে বিক্রিযোগ্য হয়ে গেল!

যে ম্যুভিখানা এই অচিন্তাশীলের মাথাতেও ভারি চিন্তার উদয় ঘটালো, সেটা সাম্প্রতিক সময়ের উপমহাদেশের সবচেয়ে আলোচিত ছবি, আমির খান অভিনীত "থ্রি ইডিয়টস"। দর্শক হিসেবে আমি নিম্নশ্রেণীর, কুব্রিকের "ক্লকওয়ার্ক অরেন্ঞ্জ" কে ৩ দিয়ে ক্যামেরনের টার্মিনেটর-২ কে ৯ রেটিং দিয়ে দেই এমন অবস্থা, যুক্তি সহজ, এত ভাবের জিনিস বুঝতে গেলে দর্শনের ক্লাস করলেই হয়, ম্যুভি দেখা কেন? কিন্তু এরপরেও হিন্দি ম্যুভি জিনিসটা ঠিক হজম হয় না, অতি নাটুকেপনা, অহেতুক নাচগান আর হয় বস্তাপচা নইলে নকল করা কাহিনীর জন্য হিন্দি ম্যুভি এড়িয়েই চলি, তবে
বক্স অফিস হিট ২-১টা মাঝে মাঝে দেখা হয়। অভিনেতা হিসেবে আমির খানকেও যথেষ্ট উঁচুমানের মনে হয়, কাহিনী যাই হোক নিজের অভিনয়ের তার টা যথেষ্ট উঁচুতেই তিনি বেঁধে রাখেন। সেদিক থেকে দেখলে, থ্রি ইডিয়টস মন্দ না, টাইমপাস ম্যুভি হিসেবে ভালই বিনোদন দেয়। নিজে প্রকৌশলী বলে কৌতুকের পেছনের বাস্তব কষ্টটাও অন্য যে কারো চেয়ে অনেক বেশি অনুভব করি। মোটের উপর সময়টা
খারাপ কাটে না, যদিও প্রচলিত হিন্দি ছবির অনেক আলতুফালতু বিষয় এই ম্যুভিতেও এড়ানো যায়নি। অহেতুক কিছু নাচগান, তারচেয়েও অহেতুক একটা শোপিস নায়িকা আমদানি যার পুরো ম্যুভিতেই কোন ভূমিকা নেই, আর চিকিৎসার বদলে চিৎকার চেঁচামেচি করেই রোগী ভাল করে ফেলার "ঢাকাই সিনেমা"র অবাস্তব কায়দা, এবং সবশেষে সেই মেলোড্রামা, সবাই নিজের ভুল বুঝতে পেরে ভাল হয়ে যাওয়া (যেন দুনিয়াতে সব ফেরেশতা), অল ইজ ওয়েল!!!

তারপরেও, শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তব কিছু সমস্যা খুব প্রকটভাবে উঠে এসেছে, যেটা ভারতে কেমন জানি না, বাংলাদেশের জন্য খুবই সত্যি। সমাধান গুলো আবার সেরকমই অবাস্তব, কিন্তু সিনেমা তো আর কেউ দেশ-জাতি-সভ্যতা বদলে দেয়ার জন্য দেখতে বসে না, বসে বিনোদনের জন্যই। ঠিক এখানটাতেই অধমের আপত্তি, এই ম্যুভিটাকে নিয়ে আমাদের মাঝে মাতামাতিটা এমন বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেছে যে মনে হচ্ছে এই ম্যুভিটা একেবারে দেশকাল বদলে দেয়ার হাতিয়ার হয়ে গেছে আর অস্কারটা এবার আমাদের ঘরেই চলে আসতে যাচ্ছে। বিনোদন পাতার গর্দভ প্রতিবেদকগুলোর কথা বাদই দিলাম,
ফেসবুক বলি মেসেন্ঞ্জার বলি ব্লগ বলি সবখানেই এমন হল্লা যেন এরকম যুগান্তকারী প্লট বা ধারণা নিয়ে কোন সিনেমা আর কেউ কখনো বানায়নি, বন্ধুদের মাঝে এক গাধা তো দেখলাম ফেসবুকে বিশাল এক আবেগী নোট লিখে বসেছে যে এমন ম্যুভি পরিচালকের নখের সমান যোগ্যতাও বাংলাদেশের কারো নেই আর ভারতের ম্যুভি দেখে বাংলাদেশীদের শেখা উচিত কিভাবে ম্যুভি বানাতে হয়। আমি বলি, তওবা, সাফ তওবা, আর লাখো শুকরিয়া যে এখনো বাংলাদেশে প্রচলিত ঢাকাই ফর্মূলার বাইরে যে ক'টা ভাল সিনেমা বানানো হয় সেগুলো হিন্দি সিনেমার ফর্মূলার বাইরে আছে। ভারতীয়দের ম্যুভি, কাজেই তারা লাফঝাঁপ দিলে দোষ দেয়া যায় না, কিন্তু এই ম্যুভি ব্লকবাস্টার হিট হলে বাংলাদেশের কার ঘাড়ে ক'টা মাথা গজাবে সেটাই এই অধমের মাথায় ঢুকলো না। সে-ও মানলাম, আন্ঞ্চলিক স্বজাত্যবোধ, উৎসাহ, ইত্যাদি ইত্যাদি, কিন্তু লাফঝাঁপ দিতে হলে একদম সত্যিকারের মান দেখে দেয়াই ভাল না? বলিউড চিরকালই হলিউডের নকল করে মেরে দিয়েছে, আমির খানে আগের হিট
"গজিনী"-ও ছিল "মেমেন্টো"র নকল, আর থ্রি ইডিয়টস এবং রাজকুমার হিরানীর আরেক হিট "মুন্নাভাই এমবিবিএস" এর প্লট যে ১৯৯৭ সালের হলিউডি ম্যুভি "প্যাচ অ্যাডামস" থেকে নেয়া, সেটাতেও সন্দেহ নেই। তো, মারবি তো মারবি, সেটা স্বীকারও করবি না, এমন ম্যুভি দেখে সাময়িক বিনোদন নিলে আপত্তি নেই, কিন্তু একেবারে সমাজ বদলের "আদর্শ" হিসেবে নেয়া কেন বাবা?

কারণটা সম্ভবত, যা মাথায় আসে, মার্কেটিং, বাজারজাতকরণ। সেই সাথে, আমাদের "ভারত অনুকরণীয়" নীতি। ভারতীয়দের মার্কেটিং পলিসি আসলেই অনুকরণীয়, বস্তাপচা যা-ই বানাও, অন্যের বাজারে ডাম্পিং করে দাও, কম দামে সস্তা জিনিস দাও, সাথে নিজেরা অন্যের জিনিস, তা সে যত ভালই হোক, ব্যবহারে বিরত থাকো। কাজেই বস্তাপচা হিন্দি সিনেমা আর সিরিয়ালগুলো শুধু বাংলাদেশ না, বরং গোটা উপমহাদেশ ছাড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সম্পূর্ণ বাজারটাই দখল করেছে আর প্রবাসী ভারতীয়দের কল্যাণে আমেরিকা বা ইউকে তেও বাজার নেহাৎ মন্দ না। এই সুযোগটা আবার নিয়েছে ড্যানি বয়েলের মত ধুরন্ধর কিছু পরিচালক, স্লামডগ মিলিয়নিয়ারের মত মেলোড্রামা বানিয়ে। দ্বিতীয় শ্রেণীর এই পরিচালকের অস্কার মনোনয়ন পাওয়াই যেখানে কঠিন, ভারতীয় পটভূমিতে ভারতীয় কলাকুশলী আর সঙ্গীতজ্ঞদের নিয়ে চরম মেলোড্রামাটিক ছবি বানিয়ে ভারতের বাজারে এমনই ঝড় তুলেছে যে অস্কারটাই বাগিয়ে নিয়েছে। অস্কারের মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও এটা যে বক্স অফিস
দিয়েও খানিক প্রভাবিত হয় সন্দেহ নেই, শশ্যাঙ্ক রিডেম্পশনের মত ছবির একটাও অস্কার না পাওয়া আর "টাইটানিক" এর ১১ খানা অস্কার সেই ধারণাকেই জোরালো করে। এখানেও সেই মার্কেটিং, প্রচারের আর প্রসারের আলোয় সমালোচক আর নাকউঁচু বোদ্ধাদেরও অনেক সময় চোখ ধাঁধিয়ে যায়, ঠিক থাকেনা পুরস্কার প্রদানের মানদণ্ডও। সেই সুযোগটা হেলায় হারাবে, এমন বোকা ভারতীয়রা কখনোই
ছিল না, ব্রিটিশরাও না, শেষমেশ কে কার ঘাড়ে কাঁঠাল ভাঙলো বোঝা না গেলেও, ৩য় শ্রেণীর একটা ম্যুভি অস্কার জিতে গিয়ে মনে হয় আসল কাঁঠালটা "কোয়ালিটি" নামক শব্দটার ঘাড়েই ভাঙলো।

তা সেই কাঁঠাল যতক্ষণ আমার ঘাড়ে না ভাঙে, সমস্যা নেই। সমস্যা তখনই দাঁড়ায় যখন বাংলার ঘাড়ে হিন্দি কাঁঠাল ভাঙে আর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রী নেয়া ছেলেমেয়েরা অত্যন্ত জ্ঞানী জ্ঞানী ভাব করে কোন সামাজিক নেটওয়ার্কে জানায় যে বাংলাদেশী কোন পরিচালকের হিন্দি ছবির কোন পরিচালকের পায়ের কাছে যাবারও সামর্থ্য নেই, বাংলাকে হিন্দি সিনেমা থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
সমস্যা দাঁড়ায় যখন ফেসবুক বা মেসেন্ঞ্জারে হিন্দিতে স্ট্যাটাস মেসেজ লিখাকে উচ্চশিক্ষিত ছেলেমেয়েরা "স্ট্যাটাস সিম্বল" হিসেবে দেখে। সমস্যা দাঁড়ায় যখন বাংলাদেশের মানুষজন একটা খুবই সাধারন বিনোদনমূলক হিন্দি সিনেমাকে "সমাজবদলের হাতিয়ার" হিসেবে বিবেচনা করে অবসেসড হয়ে সবাইকে সেটা দেখতে আকুল আবেদন জানায় আর সেখানকার মহা অবাস্তব সব সমাধান নিজের জীবনে খাটানোর জন্য কোমর বেঁধে নামতে বলে। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, আজকালকার অনেক বাবা-মা যখন বাচ্চাকে ভাত খাওয়ান হিন্দি সিরিয়াল দেখিয়ে আর বাচ্চারা বাংলা কোন কবিতার চেয়ে হিন্দি গান আর
হিন্দি সিরিয়ালের কাহিনী অনেক ভালভাবে গড়গড় করে বলে যেতে পারে। অবাস্তব এবং অপ্রয়োজনীয় আগ্রাসী বাজারজাতকরণ নীতি কিভাবে একটা প্রজন্মের ধ্যানধারণাকে বদলে দিতে পারে, গ্রামীনফোন বা মোবাইলের "ডিজুস মার্কেটিং" সেটার একটা ভাল উদাহরণ, আমরা এখন মোবাইলে খাই, মোবাইলে ঘুমাই আর মোবাইলে স্বপ্ন দেখি। ভারতীয়রা সেটা করছে সিনেমার মাধ্যমে, এমনিতেই আমাদের
ভারতভক্তির কমতি নেই, তা ভারতের ভাল দিকের কমতি নেই, কিন্তু ভারতীয়দের দেশপ্রেমের বদলে তাদের বস্তাপচা সিনেমা আর সিরিয়ালকেই কেন আমাদের আদর্শ মানতে হবে আর সেটার জন্য নিজের খেয়ে ফেসবুকে হিন্দি সিনেমার মোষের দুধ বিলাতে হবে, সেটাই এই অধমের মোটা মাথায় ঢোকে না। তারপরেও যারা এশিয়ান ভ্রাতৃত্ববোধ ইত্যাদিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে এইরকম ম্যুভিগুলোকে মাথায় তুলবেনই, তাদের জন্য অধমের নিবেদন, একটু কষ্ট করে এই এশিয়ারই জাপান বা ইরানের দু'-চারটা ম্যুভি দেখুন না! নিজেরাই বুঝে যাবেন হালকা বিনোদনমূলক ম্যুভির সাথে কালজয়ী বা সত্যিকারের চিন্তাধারা বদলে দেয়ার মত অথচ সহজবোধ্য, এমন ম্যুভির তফাৎ কোথায়, আর বেচারা বাংলাদেশি পরিচালকদের যদি কাউকে অনুসরণ করতেই হয়, সেটা নকলবাজ বলিউডি ডিরেক্টরদের না করে কাদেরকে করা উচিত।

আমরা নিজেরা তো মরেই গেছি, আমাদের পরের প্রজন্মকে একটু বাংলাদেশের নিজের হাওয়াতে নিঃশ্বাস নেবার সুযোগটা করে দিলে ভাল হয় না?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সিনেমাথ্রি ইডিয়টস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: নিত্য জীবন ক্ষিপ্ত ভাবনা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৩
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: ছবিটার অনেক সুনাম শুনেছিলাম। কিন্তু দেখতে গিয়ে তেমন আহামরি টাইপ কিছু মনে হল না। অনেককিছু অন্য জায়গা থেকে কপিও করেছে টের পেলাম। পরীক্ষার টাইম আপ হয়ে যাওয়ার পর খাতা জমা দেয়ার স্টাইল, এক জায়গায় বোরখা পরা কিছু মানুষের ছবি তোলা ইত্যাদি ইত্যাদি।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: অনেক জায়গাতেই পুরানো কৌতুক মেরেছে। তারপরেও বলবো বিনোদনমূলক ছবি হিসাবে মন্দ না, খারাপও লাগেনি, খারাপ যেটা লেগেছে সেটা হলো এটা নিয়ে অতি লাফঝাঁপ, একে "আদর্শ" হিসেবে দেখার জন্য চাপাচাপি।

২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৫
চনবুক বলেছেন: চোখ খুলে দেয়ার মত লেখা ।এরকম আরো চাই।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: বিরক্ত হয়ে লেখা আরকি, পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৬
পল্লী বাউল বলেছেন: ভালো লাগলো বিশ্লেষন।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৯
লাল নীল দীপাবলী বলেছেন: ফালতু লেগেছে। কপিং অনেক হয়েছে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: টাইমপাস, সেইদিক থেকে ঠিক আছে, কিন্তু লোকজনের আদর্শ ক্যামনে হয় তাই বুঝলাম না। :(

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০
ইউনুস খান বলেছেন: ধারুন লিখছেন। তবে ছবিটা টাইম পাস করার জন্য নিঃসন্দেহে ভালো। এভারেজ রেটিং ৬ আমার কাছে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: রেটিংটা আমার কাছেও এমনই, ৬.৫ দিতে পারি।

৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: একদম ঠিক ।থ্রি ইডিয়টস'কে আমার কাছে ভনিতা আর ন্যাকামি পুর্ণ সিনেমা মনে হয়েছে।এত মাতামাতির পর সিনেমাটা দেখতে বসছিলাম।উফ..এমন মেলোড্রামা..সস্তা ডায়ালগ....।

ওয়েল, আমি মানছি তারা শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি, অভিভাবক-সন্তান মানসিক দুরত্ব এমনকিছু বিষয় কে সামনে এনেছে।তারজন্য ইউনিভার্সিটির তরুনদের চরিত্রে এমন দেবত্ব আরোপের প্রয়োজন ছিলোনা।

তবে একটু বেশিই মনে হয় বিরক্তি প্রকাশ করলাম :)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: লোকজনের কথা বিশ্বাস করে দেখতে বসলে, পুরাই সর্বনাশ, স্লামডগ দেখতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে আর এই কাজ করি না। শুধু হালকা বিনোদন হলে, মন্দ না, কিন্তু যেভাবে ভার্সিটির তরুণদের দেবতা বানালো,আপনার কথামত আরকি, সাথে লোকজন এই ম্যুভিটাকেও কিংবদন্তীর পর্যায়ে তুলে নিয়ে আদিখ্যেতা করছে, সেটা আসলেই ভয়াবহ পর্যায়ের বিরক্তিকর।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। অনেকেই একরকম ভাবছেন দেখে ভাল লাগে।

৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০২
এরশাদ বাদশা বলেছেন: ফাটায়া ফালাইছেন!!!!!!

চুপ মাইরা ছিলেন, এই বোম ছাড়নের লাইগা নি??
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: ব্যাপকভাবে কনফিউজড, ইরিটেটেড, ডিস্টার্বড। খুববেশি বিরক্ত না হইলে ঘাপটিই মাইরা থাকতাম বস।

১০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০২
ও.জামান বলেছেন: ভারতেও ভাল পরিচালক আছে। 'সালাম বোম্বে' দেখার পর মীরা নায়ারের ভক্ত হয়ে গিয়েছিলাম।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: ভারতে ভাল পরিচালক নাই এমন কিন্তু কোথাও বলি নাই, বলছি সাধারণ বিনোদনমূলক সিনেমা বানায়া যারা বাজার মাত করে তাদের মহান না করতে।

১১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৯
অগ্নি বলেছেন: আপনে বহুত কালেম তা বুঝা যাচ্ছে...ভারতীয় পরিচালকদের গুলি মারি...বাংলাদেশের দুই এক জন পরিচালকের নাম বলেন দেখি যারা বহুত মেধাবী!!!!
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: অগ্নি, যদিও আমি গর্দভদের সাথে কথা বলার উৎসাহ পাই না, কারণ তাদের যতই লাথি দেয়া হোক রাসভনিনাদ ছাড়া কিছু বের হয় না, তবে আপনে তারেক মাসুদ বা তানভীর মোকাম্মেলের নাম না শুইনা থাকলে, আপনেরে গর্দভ শ্রেনীতে ফেলা ছাড়া আমার উপায় থাকবে না। ভাল কথা, টার্গেট টা হিন্দি ছবি, সত্যজিৎ রায় বা গৌতম ঘোষরে হিসাবের বাইরে রাখেন, উনারা বাংলা ছবি বানান বইলাই জানি।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: আগেই কইসি, গর্দভদের লাথি মারলেও লাভ নাই, আবার আসে,লজ্জা নাই। কাজেই বেড়া দিয়া দিলাম, বাইরে বইসা ঘাস চিবাও।

১২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৯
মুভি পাগল বলেছেন: বিশ্লেষণ ভাল।

দীপা মেহতার ছবি দেখেছেন? ওর ছবি ভাল লাগে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: ভাল পরিচালক কিন্তু ওদের অনেক আছে, তবে ভাল মার্কেটিংটা সবার নেই।

১৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৩
নষ্ট ছেলে বলেছেন: আহরে!! ভাদাগুলা এই পোস্টেও মাইনাস দিয়া গেছে X(
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: ৩ বছর ব্লগে থাকার পরে আর মাইনাস নিয়া মাথা ঘামানোর সময় কই? গাধাটা যদি মাইনাস দিয়া শান্তি পায়, পাইতে থাক,আমরই পুণ্য। :)

১৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৫
মাসুক নানা বলেছেন: আপনার সাথে সহমত পোষন করছি।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। :)

১৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৬
এরশাদ বাদশা বলেছেন: শেষের দৃশ্যটা....পিওর গাঁন্জা খাইলে এমন দৃশ্য হজম করা সম্ভব।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: ক্যান, চিল্লায়া আর ছবি দেখায়া যেমনে কোমা থাইকা রোগী ভাল কইরা ফালাইলো, সেইটা কেমন? :)

১৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৯
এরশাদ বাদশা বলেছেন: মানবিক কতোগুলো দিক দেখানো হয়েছে, যেগুলো হরহামেশাই হিন্দি ছবিতে থাকে, কিন্তু শারমান যোশীর অভিনয়গুনে সেগুলো বেশি ভালো লেগেছে।

কমেডি ছবি হিসেবে কিন্তু ব্যাপক। বিশেষ করে ভার্সিটিতে স্পিচ দেওয়ার দৃশ্যটা। হিন্দি সংলাপ পরিবর্তন করে চমৎকার বলাৎকার হয়ে যাওয়াটা বেজায় উপভোগ করছি।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: পোস্টে ডিসক্লেইমার দেয়া দরকার ছিল, যে বিনোদনমূলক ম্যুভি হিসাবে আমার এইটা মোটেই খারাপ লাগে নাই, মেজাজ খারাপ থাকলে ভাল করার জন্য এইটা দেখতেও অনেকরে বলছি। আপত্তি স্রেফ এইটারে মহান বানানো নিয়ে, আর কিছু না।

১৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৩
শান্তির দেবদূত বলেছেন: এমনিতে ৬/৭ বছর হলো হিন্দি সিনেমা দেখি না যদিনা কেউ জোর করে দেখায়। আর মাঝে মাঝে জোরটা এমন দিক থেকে আসে যে নিমরাজি হতেই হয়, আবার দেখার পরও খুব ভালো লেগেছে, না দেখলে বিশাল কিছু মিস হয়ে যেত এমন অভিনয় করতে হয়।

যাই হোক অনেক প্রচারনা শুনে নিজে নিজেই দেখতে বসেছিলাম "থ্রী ইডিয়ট", তবে আহমরি কিছু মনে হয়নি। আবার খারাপও লাগেনি। মুটামুটি লেগেছে, আড়াই ঘন্টা বিনোদিত হয়েছি, আকালের এই সময়ে এটাই বা কম কি? :)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: বিনোদন হিসাবে মন্দ না, আমরাও ম্যালা হাসছি, রেটিং দিতে বললে ৬.৫ ও দিবো, কিন্তু ঐ পর্যন্তই। বলিউড টেকনিক্যালি অনেক আগাইসে, তাও মানি, কিন্তু এই এশিয়াতেই জাপান বা ইরানের ম্যুভি দেখলে বলা লাগে, ইনডিয়ানদের রুচিতে বড় রকমের সমস্যা আছে, এত টাকা, এত কিছু, কিন্তু জাপান বা ইরানের ম্যুভিগুলির ধারেকাছেও যেতে পারেনি, এখনো "থ্রি ইডিয়টস" নিয়ে চিল্লায়।

১৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৬
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: সদ্যবিবাহিত অবস্থায় তার লেখা একখানা ইংরেজি কবিতায় ৫ খানা বানান ভুল ধরায় অভিমান করে বন্ধুবর আমাকে গত ৬ মাস ধরে আইপিসুদ্ধ ব্লক করে রেখেছে:)
এইটাই সবচেয়ে জুশ হইচে ...
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: সদ্যবিবাহিত লোকজনরে ঘাঁটাইতে নাই, সে যত বড় বন্ধুই হোক, এইটা জীবনের একটা শিক্ষা হয়া আছে।

১৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪০
আকাশচুরি বলেছেন: লোকজনের কথা শুনে মুভি দেখলে বেশির ভাগ সময় হতাশ হতে হয়। "ত্রি ইডিয়টস" আমার কাছে অসংলগ্ন মনে হয়েছে। টাইম পাসের জন্য হয়ত ঠিক আছে.....
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: টাইম পাসের জন্য হয়ত ঠিক আছে--- সন্দেহ নেই।

২০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: মুভীটা দেখা হয় নি। সত্যিকার অর্থে, তিন ঘন্টা টানা বসে মুভী দেখার সেই ধৈর্যটাই নেই।
তবে, আপনার বিশ্লেষনের জবাব নেই। আপনার ভাষ্যমতে, "দর্শক হিসেবে আমি নিম্নশ্রেণীর", অথচ, বিশ্লেষনটা পড়লে এর উলটো ধারনাই হয়। আর মাতামাতির ব্যাপারে আধুনিক বিপণণ ব্যবস্থাপনাই অধিকতর দায়ী। এ ব্যবস্থা মানুষের মনে চাহিদা জাগিয়ে তারপর পণ্য উৎপাদনে নামে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: দেখার জন্য সমস্যা নেই, হালকা বিনোদন, খানিক হাসলাম, মজা হইলো, ঠিক আছে, এর বেশি না। কিন্তু মার্কেটিংটা দারুণ হইসে, সবাইকে ভাবতে বাধ্য করা যে না দেখলে বিশাল মিস, এমনকি এই পোস্টও একটা নেগেটিভ মার্কেটিং হয়ে গেল, কিন্তু মার্কেটিং হলো।

২১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪২
লুথা বলেছেন:
ভারতের মানুষ নিজের দেশের মুভিদ দেখার সাথে সাথে হলিউডের মুভি দেখে...ওদের দেশেও মানুষ পাগলের মতো আভাটার দেখে...

"৩ ইডিয়টস" অন্তত "ওম শান্তি ওম", "মার্ডার", "ওয়ান্টেড" মার্কা মুভি থেকে তো ভালো আছে, নাকি ????

আমাদের দেশেও দেখলাম "মনপুরা" এবং "থার্ড পারসন" নিয়ে অনেক লাফালাফি হইলো, মানুষ পাগল হয়ে গেছে কিন্তু কাহিনীর কথা বিচার করলে একটাও আহামারি মার্কা কিছু না...তাও মানুষ পাগলের মতো দেখছে...

শাকিব খানের বছরে গাদা গাদা মুভি মুক্তি পায় এবং সব একই কিসিমের , কিন্তু মানুষ গোগ্রাসে গিলে...

চাইলে আমরা সব মুভির ২/৪/১০ টা খুত বার করতে পারবো... আপনি চাইলে "ফরেস্ট গাম্প" এর ১০ টা ভুল বার করতে পারবেন...কিন্তু এই মুভির মতো মুভি কয়টা আছে ???

ভারতের আজগুবি ১০০ মুভির মাঝে ২০০৯ এ "পা" এবং "৩ ইডিয়টস" ছিলো সেরা...এই ভাবে চিন্তা করেন...
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: ম্যুভি খারাপ লাগসে, এইটা কি লেখা বা কমেন্টে কোথাও বলছি? বললাম যে আইডিয়া মৌলিক না, হালকা বিনোদন, কিন্তু এইটার কথাগুলো দেববাণী ধরে এইটারে আদর্শ বানায়া লাফালাফিটা বিরক্ত লাগসে, এই। মনপুরা বা ফারুকীর ম্যুভিরে কিন্তু কেউ কালজয়ী আদর্শ ম্যুভি বলে নাই, যেটা "থ্রি ইডিয়টস" রে বলা হচ্ছে।

২২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৩
মুভি পাগল বলেছেন: আমার এক বড় ভাই বলল, ক্যারিয়ার চয়েসের জন্য নাকি খুবই ভাল মুভিটি।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: এইটাই কিন্তু আমার আপত্তির জায়গা, একটা হালকা বিনোদনমূলক ম্যুভিরে এই যে আদর্শ বানায়া বাংলাদেশি বেকুবগুলা ক্যারিয়ার খুঁজতে যাচ্ছে, এই প্রবণতাটা খালি বিরক্তিকর না, বিপজ্জনক।

২৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৬
আহমেদ রাকিব বলেছেন: এই পোষ্টের প্রত্যেকটা লাইন পছন্দ হইছে। দারুন বিশ্লেষন। এই মুভি নিয়া এত বেশি মাতামাতি হইছে যেটা পেইনের পর্যায়ে চলে গেছে। একটা হিন্দী মুভি নিয়া এত লাফানির কি আছে বুঝলাম না। একি ভাবে। স্ল্যামডগতো দেখে শেষ করতে পর্যন্ত পারি নাই। দুনিয়ার ফালতু। খুব ভালো লাগছে লেখাটা। অনেক ধন্যবাদ।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: স্ল্যামডগ দেইখা মনে হইসে, ব্রিটিশরা আসলেই ধুরন্ধর জাত, এমনকি ইনডিয়ার উপরে বাটপারি কইরা অস্কার নিয়া গেল। :)

২৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫২
আহমেদ রাকিব বলেছেন: মুভি পাগল বলেছেন: আমার এক বড় ভাই বলল, ক্যারিয়ার চয়েসের জন্য নাকি খুবই ভাল মুভিটি।
--------------------------------------------------------------------
হা হা চে উ প গে
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: কি আর কমু? :|

২৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৬
সৌম্য বলেছেন: দেখে মজা পাইছি।
বেস্ট রোমান্টিক মুভীর নাম জিগাইতে আমার এক মুভী বোদ্ধা ফ্রেন্ড যেই রেটিং দিলোঃ ১ রোমান হলিডে, ২ নোট-বুক। অথচ এই দুইটাই এত স্লো-যে আমি গত ১ বছর ধরে ধস্তাধস্তি করেও শেষ করতে পারি না। অথচ সে তুলনায় ফিফটি ফার্স্ট ডেট দেখে বিমলানন্দ পাইছি। আমার কাছে তাই ফিফটি ফার্স্ট ডেট রোমান হলিডে'র চেয়ে বেটার মুভী।
প্রমথ চৌধুরীর একটা পাঠ্য বইতে প্রবন্ধ ছিল। মীনক্ষোভকুল কুবলায় শুনতে যতোই ভালো লাগুক, মাছের জন্যে পদ্ম কাপিতেছে অর্থ বুঝা যায়। তাই এটাই স্বার্থক।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: দেখে খারাপ লাগে নাই, তবে আদর্শ বানাবার মতও লাগে নাই। রোমান হলিডে খালি আমার না, আইএমডিবিতেও অনেক উপরের ম্যুভি, আর সেইখানে বোদ্ধাদের চেয়ে আমজনতাই রেটিং দিয়া থাকে, তবে আপনের ব্যক্তিগত পছন্দ নিয়া আমার কথা নাই। আই রিপিট, ম্যুভি না, ম্যুভিটারে "লিজেন্ড" বানানোর উপর বিরক্তিটা ঝাড়সি, নাইলে কাজের এত অভাব না যে হিন্দি ম্যুভির রিভিউ লেখা লাগবো। :(

২৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৩
ইশতিয়াক হাসান বলেছেন: অসাধারন লেখা। এই দৃষ্টিকোন থেকে চিন্তা করার লোকজনের বড়ই অভাব।
নিছক ভিন্নমতের দোহাই দিয়ে যারা এই রকম লেখার বিরোধিতা করে এই সব উজবুকের জন্যই ব্লগ এ আসতে ইচ্ছা করে না।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: শেবাগের মন্তব্য দেখার পরেও যদি কেউ হিন্দি সিনেমার সাফাই গায় তাইলে মেজাজটাই খারাপ হয়া যায় বস।

২৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৩
পরমানন্দ বলেছেন: ছবিটা এখনো দেখা হয়নি। গতকাল এক বন্ধু বলতেছে দোস্ত সিনেমাটাই দারুন একটা মেসেজ আছে। আমি তো বিপদে পরে গেছিলাম....মেসেজ-মুসেজ খুজতে গিয়া আবার ছবির মজাটাই না হারিয়ে ফেলি.......



প্লাস
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: মেসেজ না খুঁজে বিনোদন হিসাবে দেখলে খারাপ লাগার কথা না, মেসেজ খুঁজতে গেলেই বিপদ।

২৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: রিভিউ ভাল হয়েছে।

বন্ধুর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। সদ্য বিবাহিত কাউকে এরকম অফেন্ড করা ঠিক নয়।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: ঠিক রিভিউ না, অনেকটা বিরক্তি থেকে লেখা।
বন্ধুরটা ব্যক্তিগত, সম্ভবত মুছে দেব।

২৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২২
ফারহান দাউদ বলেছেন: একটা ডিসক্লেইমার যোগ করে দেই, যাতে ভুল মেসেজ না যায়। ম্যুভি ঠিক আছে, দেখে অনেক বিনোদন পাইসি, কিন্তু সমস্যাটা এইটাকে আদর্শ বানানো নিয়ে। তারপরে আছে তারা বাংলায় বাংলাদেশের পতাকা পদদলিত করার ঘটনা, তারপরে যোগ হয়েছে আজকে সংবাদ সম্মেলনে বলা অনেকের "প্রিয়" বীরেন্দর শেবাগের চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য। বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন ভারতকে নিয়ে এমন বললে, সম্ভবত বাংলাদেশের অস্কারজয়ী ম্যুভিকেও ধুয়ে ফেলতো ভারতীয় জনতা আর সংবাদমাধ্যম, সেইখানে আমাদের কোন বিকার তো নেই-ই, বরং ২টা নির্বিকার গর্দভের মাইনাস আর "অগ্নি" নিকের ততোধিক বড় গর্দভের ভারতীয় সিনেমার জন্য জেহাদে নামা দেখে মনে হচ্ছে, পশ্চাদ্দেশে রকেট ফুয়েল লাগিয়ে মঙ্গল গ্রহের দিকে পাঠালেও আমাদের পশ্চাতে ব্যথা অনুভূত হবে না। আমরা কবে বাংলাদেশী হবো?
৩০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৯
কিষান বলেছেন: পড়ে বিমলানন্দ পাইলাম। একেবারে আমার মনের কথা
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: বিমলানন্দ শব্দটা শুনে মজার কিছু স্মৃতি মনে পড়লো, নটরডেমের অনেক ছাত্রের কাছেই শব্দটার মজার অর্থ আছে, কিন্তু সেই কাহিনী আরেকদিন। আপাতত আপনাকে সজ্ঞানে অনেক ধন্যবাদ। :)

৩১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৯
দূত বলেছেন: লেখককে ধন্যবাদ। এ ছবির মাধ্যমে আমাদের আদরের দুলালরা শিক্ষকদের সাথে বেয়াদবীটা একটু বেশী শিখলো।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: স্রেফ বিনোদন হিসেবে দেখলে কিন্তু এত কিছু ভাবা লাগে না, কিন্তু খামোকা নীতিকথা খুঁজতে গিয়েই এত সাপ বের হচ্ছে।

৩২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৩
কিষান বলেছেন: জি ভাই আপনারে ওয়েলকাম। বাই দ্য ওয়ে আমি নিজেও নটরডেমিয়ান। ২০০৫ ব্যাচ। কাহিনী শোনার অপেক্ষায় রইলাম :)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন: ২০০৫ ব্যাচ হইলে অবশ্য ব্রাদার বিমলের কাহিনী আলাদা করেই শোনানো লাগবে। :)

৩৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৪
ম্দু বলেছেন: অতি উৎসাহী হয়ে লাফালাফি করা এবং অতি উৎসাহীদের লাফানিতে বিরক্ত হয়ে এত বড় ব্লগ লেখা দুটোই বড় উপাদেয় ।
=p~ =p~ =p~ =p~
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: হেহেহে। :)

৩৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২২
সাইফ শামস বলেছেন: হিন্দি সিরিয়ালের দৌড়াত্বে সংসারের অবস্থা কাহিল। বউ এমন সব জিলাপি মার্কা প‌্যাচ দেয়.....। :((
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৭

লেখক বলেছেন: খিক খিক, যত বড় বীরই হোক ঐখানে সব বিল্লি। :) যাই হোক, ব্যাচেলর আছি, বাসায় হিন্দি সিরিয়াল ব্যানড ম্যালাদিন।

৩৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫২
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ইমতিয়াজ ফেরদৌস সম্রাট যেমনটি বলেছেন, ভারতীয় পরিচালকদের পায়ের কাছে যাবার যোগ্যতাও বাংলাদেশী কোনো পরিচালকের নেই, প্রকৃতপক্ষে আমিও তেমনটিই মনে করি। মোটামুটি বিশ্বমানের একটি, মাত্র একটি ছবি পুরো বাংলাদেশ খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের সঙ্গে মুম্বাই কিংবা দক্ষিণ ভারতীয় ছবিরও কোনো তুলনা আদতে হয় না। প্রতিযোগিতা হলে সেটা, আমার ধারণা, কলকাতার টালিউডের সঙ্গে হতে পারে, তাও কিছুটা। যেমন প্রসেনজিৎ বনাম ফেরদৌস, পপি বনাম ঋতুপর্না। কিন্তু গৌতম ঘোষ বনাম দেলোয়ার জাহান ঝন্টু হতে পারে না। মৃণাল সেন বনাম চাষী নজরুল তুলনাও সম্ভব নয়। তারেক মাসুদরা তো এই সেদিনের নবিশ।

দুর্বলতার জায়গাগুলো চিহ্নিত হওয়া জরুরি। তাকে এড়িয়ে যাওয়া বা দেখেও না দেখার ভান করা বরং আমাদের জন্যই ক্ষতিকর।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: দুঃখিত, বাংলাদেশের সিনেমা নিয়ে গবেষণা করতে এই পোস্ট না। এমনকি ভারতের বিশ্বমানের পরিচালক (যেমন সত্যজিৎ বা মৃণাল সেন বা গৌতম ঘোষ বা এমন কেউ)দের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলাও এই পোস্টের উদ্দেশ্য না। বরং হিন্দি ছবির জগতে এমন কেউ আছে বলে মনে হয়নি, আর রাজকুমার হিরানীর কাছে তারেক মাসুদ নভিশ হলে, আমার কাছে নভিশই ভাল, নকল করা কাহিনী মেরে ব্লকবাস্টার করে সেটাকে পূজা করার দলে আমি নেই। বলছিলাম শুধু এই সিনেমাটা নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত লাফালাফি নিয়ে বিরক্তিটা, সেটা কেউ না বুঝতে চাইলে, কি আর করা!

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৮

লেখক বলেছেন: আর আপনার ভাষায় যেসব পরিচালকের পায়ের কাছেও বাংলাদেশের তারেক মাসুদের মত পরিচালকরা যেতে পারেন না, সেইসব বেশির ভাগ হিন্দি ছবিই হলিউড থেকে কপি-পেস্ট, লাখো শুকরিয়া যে তাদের অনুসরণ করার দুর্বুদ্ধি তারেক মাসুদদের হয় না। তবে মনেপ্রাণে আশা করছি, অবশ্যই সেসব পদধূলি নেবার যোগ্য পরিচালকদের মাঝে আপনি তথাকথিত "হিট" এবং নকলবাজ হিন্দি ছবির পরিচালকদের রাখছেন না। :)

৩৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০১
মুনশিয়ানা বলেছেন: থ্রী ইডিয়টস দেখতে ভালই লাগে, একটা মজার অনুভূতি হয়... আমার মনে হয় এটাই যথেষ্ট। এর বেশি কিছু বলতে যাওয়া বাকোয়াজি হবে...
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩১

লেখক বলেছেন: এইটাই পয়েন্ট। এটাকে মজার ম্যুভি হিসাবেই রাখি না, বিনোদনমূলক ম্যুভির মাঝে খামোকাই দেশ বদল সমাজ বদল অমুক-তমুক মেসেজ খুঁজে এইটাকে এত মহান কালজয়ী জিনিস বানাবার অপচেষ্টা কেন?

৩৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১০
হাসান মাহবুব বলেছেন: আমার কাছে খুব মজারও মনে হয়নাই। অর্ধেকটা দেখসিলাম, তারপরে একটা কাজে বাইরে যাইতে হৈসিলো। আইসা আর বাকিটুকু দেখার ইচ্ছা হয়নাই। আমি শুনসিলাম যে ছবিটার নাকি কমেডি সিনগুলা দেখলে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাওয়ার অবস্থা হবে, আর করুণ দৃশ্যগুলা দেখলে চোখের পানি আটকায় রাখা যাবেনা। কিন্তু আমি তো ঐরকম কিছুই পাইলামনা। এর চেয়ে মুন্না ভাই সিরিজ দেইখা মজা পাইছিলাম।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২২

লেখক বলেছেন: মুন্না ভাইয়ের প্রথম পর্বটা আর এই থ্রি ইডিয়টস, ২টারই মূল আইডিয়া রবিন উইলিয়ামসের "প্যাচ অ্যাডামস" থেকে মারা। তবে মুন্না ভাইয়ের পরেরটা বেশ মজার, সময়টা নষ্ট হয় নাই। কিন্তু এইখানে আজব ব্যাপারটা হইলো, হিন্দি ম্যুভির দিকে আমাদের অকৃত্রিম আবেগটা, খিয়াল কইরা। :) একটা বাংলা ম্যুভি, সেইটা ভাল পরিচালক বা বিকল্প ধারার হইলেও তারে ধুইয়া ফেললে ২-১ জনের বেশি গায়ে লাগে না, কিন্তু হিন্দি একখানা ম্যুভিরে ভাল বিনোদন বইলা স্বীকার করার পরেও স্রেফ মহান হিসাবে না নিতে অনুরোধ করায় কতজনের যে গায়ে বিছুটি পাতা লাগসে, সেইটা একটা দেখার মত বিষয়। তখন থিওরি বাইর হইসে কোন পরিচালকের কাছে যাওয়ার যোগ্যতা বাংলাদেশের কারো নাই, হেনোতেনো। আমি বলি, নকলবাজি কইরা যে তারেক মাসুদরা ব্লকবাস্টার বানায় না, এইটা হাজারো শুকরিয়া।

৩৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৫
জুমানজি১১ বলেছেন: Patch Adams এর নকল এই ব্যাপারটা আজ প্রথম জানলাম আপনার পোস্ট থেকে। তারপর ও নকল করার জন্য মাথা লাগে যেটা হিরানী দেখাইসেন, অন্যান্য অনেক নকল হিন্দী মুভি খুবি ফালতু লাগসে।

আপনার পোস্ট এর সাথে একমত। তবে এই হাইপ টা না তুললে এতো প্রত্যাশা থাকতো না 3 idiots কিংবা SLumdog এর উপর। Slumdog দেখে যারপর নাই বিরক্ত (অস্কার পাওয়া :-/ :-/ ) আর 3idiots দেখে আশাহত হইসি (তবে মানপত্রের অংশটা বাদে...ওইটা ইউনিক :) )
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: এমন কোন হিট হিন্দি ম্যুভি নাই যেটা কোন না কোন হলিউডি ছবি থেকে না মারা। এখন ভাল নকল করার জন্য যদি ক্রেডিট দিতে হয়, তাইলে পরীক্ষাতে হুবহু নকল করাকেও প্রকাশ্যে সাধুবাদ এবং সংবর্ধনা জানানো উচিত, ঐখানে কিন্তু এরপরেও ঐ নকলবাজকে রাস্টিকেট করার নিয়ম। :)
স্লামডগ অস্কার পাওয়ার পরে অস্কার কমিটির উপর শ্রদ্ধা চলে গেছিলো, এমন না যে ঐ বছর আর কোন ভাল ম্যুভি হয় নাই।

৩৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৮
কোর আই সেভেন বলেছেন: এটাই দুনিয়ার নিয়ম। কেউ মার্কেটিং করে সিনেমার ব্যবসা বাড়াতে চায়, আর কেউ ভুল বের করে নিচে নামাতে চায়। ছবিটা আমার কাছে বিনোদনমূলক মনে হয়েছে। এটাকে সেখানেই থাকতে দিন না!!
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: বিনোদনের জায়গাতেই তো থাকতে দিতে চেয়েছিলাম, লোকজন তো দইল না, সব জায়গায় এই ম্যুভি থেকে জীবন চালানোর উপদেশ শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে গেলাম তো ভাই!

৪০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৯
Arefin বলেছেন: জোশ! জোশ!! জোশ!!!
দারুন লিখছেন। চালিয়ে যান।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: চালাইতে চাই নাই, কিন্তু লোকজন তো খেপে গিয়ে চালাচ্ছে। হিন্দি ছবির দিকে এত আবেগ লুকের, জানতাম না!

৪১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৭
আহমেদ রাকিব বলেছেন: অগ্নি বলেছেন: আপনে বহুত কালেম তা বুঝা যাচ্ছে...ভারতীয় পরিচালকদের গুলি মারি...বাংলাদেশের দুই এক জন পরিচালকের নাম বলেন দেখি যারা বহুত মেধাবী!!!
-----------------------------------------------------------------------------------
জহির রায়হানের কথা কি মনে আছে? কিংবা একালের তারেক মাসুদ, মোরশেদুল ইসলাম, তানভীর মোকাম্মেল? চেনেন এদের? এদের মেধা সম্পর্কে কোনো আইডিয়া আছে? মাটির ময়না দেখছেন? চিত্রা নদীর পাড়ে মুভিটা কিছু বুঝছেন? সাইদুল আনাম, গিয়াস উদ্দীন সেলিম, তৌকির এরাও উঠে আসছেন। অপেক্ষায় আছি কবে নুরুল আলম আতীক কিংবা অমিতাভ রেজারা মুভি বানানো শুরু করবেন।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: গাধা পিটাইলেও গাধা-ই থাকে, আর তাদের লাথি দিলেও ফেরত আসে, কাজেই ঐগুলারে বেড়ার বাইরে বইসে ঘাস চাবাইতে দেয়াই উত্তম। ঐ ব্যাটা কয়েকটা হিন্দি ছবি ছাড়া আর কিছু দেখসে এমন মনে হয় না, ঐটার সাথে আলোচনা বৃথা।

৪২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩০
অলস ছেলে বলেছেন: পড়লাম। আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক মান এবং দেশের প্রতি সচেতনা মিলেই একটা বোধ দাড়িয়ে যায়, যার ভিত্তিতে আমাদের সব কাজকর্ম নিয়ন্ত্রিত হয়। সুতরাং অনিবার্য প্রবল জোয়ারের সামনে দাড়িয়ে আপনার এই হাহুতাশ এ আমরা যারা যোগ দেব, আমরাই আবার স্রোতে গা ভাসাবো। অবস্থা এমনই।


যাইহোক, ফেসবুকের একটা ঘটনার কথা মনে পড়লো। ইন্ডিয়ান ক্লাশমেট কয়দিন আগে বাংলাদেশ ভারত খেলার সময় ষ্ট্যাটাস দিলো 'ইন্ডিয়ানে আজ বাংলাদেশ কো চাক কর রাহা হ্যায়' বা এই ধরণের কিছু। ইংলিশে লিখে। সাথে সাথে বঙ্গুভাইরা ঝাপিয়ে পড়লো। নমুনা হলো

১. 'তেরেকো বোলা কৌন? বাকোয়াজি বন কোর'
২. আব্বে .................., রাত মে তুঝে ক্যান্টিন মে পায়েগা তো তুমে চাক করেগা
৩. আভি সে আভি রান রেট দেখা? না জানকে বাত নেহি করনা
৪. উল্টা হি সাচ হ্যায়, হামারা বাংলাদেশ ইন্ডিয়া কো চাক বানা রাহে হে


ভাষার ভুল থাকলে দু:খিত। আমার ভুল হতে পারে, কিন্তু তাদের ভাষা নির্ভুলই ছিলো। এই চারটা ছিলো বাংলাদেশী আন্ডারগ্র্যাড এমনকি পিজি ষ্টুডেন্টদের মন্তব্য। নিজেকে একজন ভারতীয়ের জায়গায় চিন্তা করে অট্টহাসি আসলো, করুণাও লাগলো। (আজকে আবার ব্লগে দেখি শেবাগের মন্তব্য নিয়ে রণহুন্কার)

মন্তব্যগুলো মন দিয়ে বারবার পড়লাম।

তারপর তাদের প্রোফাইলে গেলাম। দুইজনকে পেলাম মহা আবেগাক্রান্ত। একজন ষ্ট্যাটাস দেয়েছে 'ফ্রম নাউ অন, মাই মটো ইজ 'আাাাাাাল ইজ ওয়েল' আর বহুত মন্তব্য। আরেকজন দিয়েছে 'গিভ মি সাম রেইন.... গ্রো আপ এগেইন''। আর বহুত মন্তব্য।

এই দৈন্যতা আর হীনতা দেখে বুঝি 'খবর আছে'।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: বস, আপনি কিন্তু লাইনটা ঠিকমতই ধরসেন। একটা হালকা ম্যুভিকে ম্যুভি হিসাবেই দেখলে, সমস্যা ছিলনা। যতই চেষ্টা করি, পাবলিকের পাকিপ্রেম বা ভারতপ্রেম দূর করা এত সোজা না, হিন্দিরে সামনে গাইল দিলেও বাঙ্গালি হিন্দি ম্যুভি দেখবেই (যদিও তারা আমাদের চ্যানেল ঢুকতে দেয় না), কিন্তু এইটা নিয়ে ঐ অতি আবেগটাই ভয়ংকর। আমাদের কি অনুকরণীয় কিছুর এত অভা যে সবসময় হিন্দি থেকেই ডায়ালগ ধার নিতে হবে। হইতেও পারে। খালি এইটুক বুঝি--"খবর আছে।"

৪৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৭
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ফাডাইছেন। এতো সুন্দরভাবে আমি বলতে পারতাম না,কিন্তু ছবিটার ব্যাপারে আমার চিন্তাভাবনাও একইরকম।

সবচেয়ে বিরক্তিকর ইন্ডিয়ানদের ইংরেজি উচ্চারণ। "আল ইজ ওয়েল" এর অর্থ বুঝতে অনেক টাইম লাগছিল।

ইন্ডিয়ানরা তাদের সিনেমা আর সিনেমার কোমড়দুলানি নাচ-গানকে প্রায় দৈব প্রসাদের সমতূল্য করে ফেলেছে। যেকারণে ওদের মিউজিকেও সিনেমা ছাড়া ব্যান্ড বা এরকম স্বকীয়তা দেখা যায়না। ডিজে রিমিক্স আর বস্তাপচা হিপহপ কালচারের অনুকরণে ওদের মিউজিক, আর সেটা যে সিনেমা থেকেই এসেছে সেটা আর বলে দিতে হবে না।

ভয় হয়, কবে এই কালচার আমাদের মাঝে সংক্রমিত হয়। হিন্দি সিনেমা আর মেগাসিরিয়াল তো আমাদের আধুনিক, শিক্ষিত বা তথাকথিত এলিট সোসাইটির কাছে হটকেইক। হিন্দীতে স্ট্যাটাস দেয়া বা মেসেজ পাঠানোও যেন আমাদের সমাজে প্রগতিশীলতার পরিচায়ক, সেখানে এখনো আমাদের দেশে মৌলিক সংগীত বা ব্যন্ড মিউজিক টিকে আছে সেটা আশাদায়ক, কিন্তু মানুষের মাথা নষ্ট করা ইন্ডিয়ান কালচারের কাছে সেটা পরাজিত হয় কিনা সে নিয়ে দু:শ্চিন্তা থাকেই।

এলিট পাড়ায়গেলে হিন্দির তুবড়ি ফোটানো ছেলেমেয়ের অভাব পাই না। ভয় হয়, কোনদিন ইন্ডিয়ান ইংরেজির মত আমরাও আল ইজ ওয়েল আল ইজ ওয়েল জপ করতে করতে উষ্ঠা খাই।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: একটা মজার ব্যাপার খেয়াল করবা, হিন্দি ম্যুভি নিয়া কথা বলার সাথে সাথে লোকজনের অনেকের আবেগ উথলায়া উঠসে, তখন সম্প্রীতি ভ্রাতৃত্ব নানা বড় বড় কথা বের হচ্ছে। একটা হলিউডি, জাপানি নাইলে এমনকি বাংলা ম্যুভিরেও ধোলাই দাও, দেখ এর অর্ধেক লোকও সেইটার সাফাই গাইতে আসে কিনা। হিন্দি ম্যুভির বিনোদন ঠিক আছে, কিন্তু এই যে আগ্রাসন, নিজের ভাষার চেয়েও ইনডিয়া আর হিন্দির দিকে দরদ,এই জিনিসটাই বিপজ্জনক, এইটাই পয়েন্ট। এইটা কেউ বুঝেও না বুঝলে, কি করতে পারি?

৪৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৮
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: খেয়াল কইরেন, ওপরে মন্তব্যে এর মাঝেই বিশিষ্ট এলিট ব্লগারের গা জ্বলুনি ধইরা গেছে .....
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: ঐটারে যা-ই বলবা তাতেই তার জ্বলবে,টাইম নাই সবার সাথে ক্যাচাল করার।

৪৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৯
কঠিনলজিক বলেছেন: ৩ ইডিয়ট নিয়ে আপনার এত্ত বড় লেখা !!! আর সব গুরু ব্লগার দের কমেন্ট /উপস্থিতি !!! শক খাইলাম । আপনার লেখা তাই পড়লাম লেখা টা যোস হইছে । ধন্যবাদ
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: শক খাওয়ার কি হইলো ভাই? :| তবে শক নিয়েও পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। :)

৪৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৩
জনৈক আরাফাত বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগছে।

এরপ্র, প্রথম কথা, আমি হিন্দী বুঝিনা।

দ্বিতীয় কথা, বান্দি ভাষা (বাংলা+হিন্দি) দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়। এতে কী গৌরব বাড়ে বুঝিনা।

অফিসে দেখি পোলাপান মুভিটার চুম্বক অংশটুকু বারে বারে দেখতাছে। মনে হয়, আলোচিত মুভিটা দেখতেই হবে। সাবটাইটেল আসুক আগে! /:)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: মার্কেটিং জিনিসটার মাজেজা দেখেন, একবার মেশিনটা ঠিকমতরান করায়া দিলে অটো চলতে থাকে। :) এই যে একবার চলা শুরু হইসে, এরপর এই ম্যুভি নিয়া যা-ই বলা হবে তাতেই এর মার্কেটিং হবে, ধন্য দাদারা। :)

আপনের এই"বান্দি" শব্দটা পেটেন্ট করানি দরকার, সেরম একটা আবিষ্কার। :)

৪৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৬
সুবিদ্ বলেছেন: @ফারহানঃ অবশ্যই আদর্শ হিসেবে নেয়া যায়না ছবিটাকে......দেখতে খুবই মজা লাগছে......কিন্তু র‌্যাগ দেয়ার ঐটাইপের দৃশ্যগুলা আমার কেন যেন স্থূল মনে হয়, আর আজগুবি লাগছে ডিগ্রিধারীকে হাপিশ করে দেয়ার মোড় ঘুরানোটাকে......

@ফিফাঃ আমি খুবই হতাশ যে আপনিও ঐ কথাটার সমর্থন দিলেন যে আমাদের পরিচালকরা ওদের পায়ের নখেরও যোগ্য নন......

@হাসানঃ তুমি তো ঠিকমত হিন্দি-ই বুঝনা!!! তোমার জন্য তো উপভোগ করা একটু মুশকিলই হবে.......
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: সুবিদ ভাই, র্যাগ দেয়ার ঐ দৃশ্যটা এই ব্যাটা পরিচালকের ট্রেডমার্ক, আগেও করসে, মহা প্রতিভাবান এই পরিচালক নতুন আইডিয়া পায় নাই মনে হয়। :)

ফিফা'র কাজ হইলো আপনে যা কইবেন তার উল্টাদিকে একটা জ্ঞানী কথা বইলা স্টান্টবাজি করা, নিজেরে আলাদা প্রমাণের চেষ্টা। আমি যদি কইতাম বাংলাদেশী পরিচালকদের প্রতিভা নাই, সে প্রমাণ কইরা দিত তারেক মাসুদের কাছে হিচকক পুলাপান। ফিফা নিজেও থ্রি ইডিয়টসের চেয়ে কম বিনোদন না। :)

৪৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৫
কিষান বলেছেন: বাস্তবের ইডিয়টগুলা এই পোস্টটা দেখানোর পরে ফাল্লাফাল্লি একটু কমাইছে। আপনারে এক বস্তা ধইন্যাপাতা এরকম একটা শক্তিশালী লজিক্যাল পোস্ট দেয়ার জন্য :)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: মজা হইলো, একটা হলিউডি বা অন্য দেশী, এমনকি বাংলাদেশী ম্যুভিরে ধুইয়া ফেললেও কিন্ত আমাদের আবেগ এইরকম উথলায়া পড়ে না, যতটা পড়ে ইনডিয়ান ম্যুভিরে ধুইলে। বিচিত্র কি যে শিবাগের মত খচ্চর আমার দেশে বইসা আমারেই অপমান করবে!

৪৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৮
অদ্রোহ বলেছেন: হিন্দি সিনেমার ফ্যান কোনোকালেই ছিলামনা, গত টার্মের কুইজের প্রশ্নও চাইলে মনে করতে পারব ,কিন্তু থ্রি ইডিয়টস এর আগে শেষ কবে হিন্দি সিনেমা দেখসিলাম সেইটা মনে করা সম্ভব না ।এতদিন বাদে পুলাপানের কথায় আবার হিন্দি সিনেমা দেখা ।দেখলাম ,বুঝলাম ,আবার কবে হিন্দি ম্যুভি দেখা হবে আল্লা মালুম।

বোহেমিয়ান ভাইয়ের পোস্টে এইটা নিয়ে একটা বড়সড় কমেন্ট দিসি ,কিন্তু এক লেবুকে আর কত কপচাইতে ইচ্ছা করে বলেন ?

অ ট ঃআজকের শেবাগ হারামজাদার কথা শুনে আমার হিন্দি বিদ্বেষ আরও বেড়েই গেল ।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ইনডিয়ানরা হইলে স্রেফ ঐ শেবাগের মত একটা মন্তব্যের জন্যই বাংলাদেশের ক্রিকেট টিম সিনেমা সবকিছুরে ব্যান করতো, অতটা রাজনৈতিক হইলাম না। তবে এমন জুতা ইনডিয়া নিয়মিতই আমাদের মারে, তারপরেও আমাদের ভারতপ্রেম কমে না। সবকিছুর পরেও ওয়াকওভার দিলাম, কিন্তু কেউ যদি এইভাবে জাস্টিফাই করে যে নকল করলেও তো মেকিং ভাল হইসে, তখন হতাশ হয়া যাই। ধরো গিয়া, পরীক্ষার হলে আমি নকলটা সুন্দর হাতের লেখায় তুইলা তারপরে ধরা খাইলাম, তখন কি উঁচুমানের নকল করার জন্য আমারে এ+ দিবে নাকি রাস্টিকেট করবে?

৫০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৮
জুনাইদ কবীর তন্ময় বলেছেন: দারুন। দারুন। দারুন। :D
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।:)

৫১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩২
জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় ফারহান, আমি চলতি বয়সেও 'অস্থির মানুষ'! এক সাথে অনেক্কখন বসে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ছেলেরা বায়না ধরলো-"আব্বু, এই ছবিটা একত্রে দেখতেই হবে"। অগত্যা রাজী হলাম এবং যথারিতী ছবিটা দেখেছি। আমার ছেলেরা যখন অনেক মজা করে ছবিটা দেখছিল-তখন আমার বিরক্তিতে মন খিছিয়ে আসছিল! এটা কোন ছবি হলো! থ্রী ইডিয়টের সাথে আমিও এক ইডিয়ট নাহলে-অতক্ষন ধরে ঐ জিনিষ আমি নিশ্চই দেখতামনা!

যথারিতী তোমার চমতকার উপস্থাপনায় বিষয়টা তুমি অসম্ভব সুন্দর বিশ্লেষনী ভাষায় উপস্থাপন করেছো সেজন্য ধন্যবাদ এবং প্লাস।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে হাসতে হাসতে পেট ব্যথা করছে। =p~ =p~ =p~

৫২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৫
রোবোট বলেছেন: স্লামডগ খারাপ লাগে নাই। বিষয়ের জন্য। তবে এমন বিরাট হাতিঘোড়াও হয়নাই।

বাংলাদেশের পোলাপান দেখে তিন রকমের সিনেমা
১। নাচেগানে ভরপুর হিন্দি সিনেমা নামের খবিশ জিনিষ
২। টারমিনেটর-জেমস বন্ড নামের আবর্জনা
৩। ....
তিন নামবার টাইপটার নাম না হয় নাই বল্লাম।

সেজন্য একটু ভালো সিনেমাই আমাদের অনেক ভালো লাগে।

রিসেন্টলি জয়যাত্রা দেখলাম। ভালো লাগলো।

বান্দি টার্মটা গত মে মাসে এপু আমার এক পোস্টে ব্যবহার করসিলো। আমি অবশ্য হিংলা বলসিলাম।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫২

লেখক বলেছেন: আইডিয়া নকল না হইলে ক্রেডিট আরো বেশি দিতাম, ২নম্বুরির জন্য বেশি মার্কস দেয়া যায় না।
বান্দিটাই বেশি যুৎসই লাগসে। :)

৫৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৯
কঁাকন বলেছেন: পোস=ট নিয়া কিছু বলার নাই "এরকম যুগান্তকারী প্লট বা ধারণা নিয়ে কোন সিনেমা আর কেউ কখনো বানায়নি, বন্ধুদের মাঝে এক গাধা তো দেখলাম ফেসবুকে বিশাল এক আবেগী নোট লিখে বসেছে যে এমন ম্যুভি পরিচালকের নখের সমান যোগ্যতাও বাংলাদেশের কারো নেই আর ভারতের ম্যুভি দেখে বাংলাদেশীদের শেখা উচিত কিভাবে ম্যুভি বানাতে হয়।"-- এই সিনেমা দেইখা এই মন্তব্য করলে না হাইসা উপায় থাকে ন।
সত্যজিৎ রায় তার এক সাক্ষাৎকারে বলে গেছেন চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করেনা ; করে নি কখনো। সত্যজিৎ রায় যেখানে চলচ্চিত্র দিয়া সমাজ পরিবর্তনের কথা ভাবেন নাই সেখানে হিরানীর ছবি অন্য একটা দেশের সমাজ বদলায় দিলে সমাজ নিয়াই চিন্তায় পরতে হয়

কিছু অফটপিক কথাবলি

১। স্লাম ডগ মিলিয়নিয়ার আমার ভালো লাগসে, কাহিনী সেই গতানুগতিক স্বপ্নপুরনের রুপকথা, অর্ধেক রাজত্ব ও রাজকন্যা লাভের গল্প;অত:পর তাহারা সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো.......
কিন্তু এর চিত্রায়ন, কাহিনীর বিন্যাস মানে যেভাবে গল্পটা দেখাইসে সেটা আমার কাছে নতুন কিছু মনে হইছে (আমি এই সিনেমা একটা সাধারন হিন্দি সিনেমা ভাইবাই দেখসি, এইটা যে হলিউডি সিনেমা, অস্কার, মাতামাতি এইসব পরে জানসি, এক্সপেকটেশন নিয়ে দেখতে বসলে হয়তো ভালো লাগতো না। আর কোন পুরুস্কার পাওয়ার যৌক্তিকতা নিয়াই আমি মাথা ঘামাই না কারন সব পুরুস্কারেই কিছু না কিছু রাজনীতি থাকে তবে মূল ধারার ঢালিউডি ছবি জরিণা তুমি কার যদি গোল্ডেন গ্লোব পাইতো আমি সেটা নিয়া উচ্ছাসিত হইতাম সো স্লামডগ নিয়া ইন্ডিয়ানরা নাচানাচি করবই)

২।থ্রি ইডিয়ট আমার কাছে জাস্ট একটা টাইম পাস মুভি মনে হইছে, ছবি দেখ বিনোদিত হও, ভুলে যাও, বিশ্ব চলচ্চিত্র বাদ থাক হিন্দিতেই অনেক সিনেমা আছে মনে রাখার মতন। রাং দে বাসন্তী সিনেমাটা আমার ভালো লাগছিলো, মনে দাগ কাটসিলো, ঐভাবে সমাজ বদলানো যায় না, ঐরকম ঘটনা আমাদের দেশের কিছু পোলাপান ঘটাইলে ওগুলারে বলদ , গাধা, বখা, বিভিন্ন ষড়যণ্ত্র খোজা ছাড়া আর কিছু ভাববো না , বরজোর খুব ভালো ভাবলেও ইমোশোনাল ফুল পর্যন্ত ভাবতে পারি কিন্তু তারপরো ঐ সিনেমাটা আমার ভালো লাগসিলো।অবশ্য তখন বয়স আরেকটু কম আছিলো কম বয়সে অনেক কিছুই ভালো লাগে।

৩।"কিন্তু কেউ যদি এইভাবে জাস্টিফাই করে যে নকল করলেও তো মেকিং ভাল হইসে, তখন হতাশ হয়া যাই। ধরো গিয়া, পরীক্ষার হলে আমি নকলটা সুন্দর হাতের লেখায় তুইলা তারপরে ধরা খাইলাম, তখন কি উঁচুমানের নকল করার জন্য আমারে এ+ দিবে নাকি রাস্টিকেট করবে?" -- আপনার এই তুলনা ঠিক খাটলো না, কারন এখানে টুকলিফাই করা হয়নাই, মুল থিমটা নিয়া সে তারমতই প্রেজেন্ট করসে এর জন্য মুন্সীয়ানা লাগে, হিরানীর মুন্নাভাই শেষ পর্যন্ত হীরানিরি মুন্নাভাই।
রোমান হলিডের থিমে উত্তম সুচিত্রার একটা সিনেমা আছে চাওয়া-পাওয়া, কিন্তু চাওয়া - পাওয়া রে রোমান হলিডের নকল বলার কোন স্কোপ নাই।
উত্তম কুমারের আরেকটা সিনেমা জতুগৃহ , এই জতুগৃহ গল্পটা নিয়েই তখনো পর্যন্ত অজনপ্রিয় ফারুকী ওয়েটিং রুম (তিসা ফয়সালের ওয়েটিং রুম না আরো আগে ওটায় খালেদ খান ছিলো) নামে একটা নাটক বানাইছিলো, সেটা কিন্তু কোনভাবেই উত্তম কুমারের ওয়েটিং রুমের নকল মনে হয়নাই বরং ঐটা ফারুকী-খালেদ খানের ওয়েটিং রূম ই ছিলো। আমাকে যদি ফারুকীর একটা ভালো কাজের নাম বলতে বলে আমি ওয়েটিং রুম নাটকটার কথা বলবো।

৪।দর্শক আসলে অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর; বাণিজ্যিক দৃষ্টিতে শেষ পর্যন্ত দর্শক যা চায় সেটাই মূখ্য। খালেদ খানকে নিয়ে বানানো ওয়েটিং রূম দিয়ে যে ফারুকীর যাত্রা তাকে যখন জিম্মি বানাতে হয় তখন বুঝতে হবে সেইদিকে তাকে আমরাই ঠেলে দিয়েছি, আমরা যা খাচ্ছি সে তাই প্রোডিউস করছে। "বন্ধু যখন বউ লইয়া আমার বাড়ির সামনে দিয়া.............." গান টা শুনে আপনার যতই মেজাজ খারাপ হোক আর "আমারো বধুয়া আন বাড়ি যায় ......" শুনে যতই আপ্লুত হোন না কেন রুট লেভেলের শ্রোতারা প্রথম গানটাই হৃদয়ঙ্গম করতে পারবে পরেরটা না তাই ঐরকম গান ও গানের শিল্পীই বাজারে বেশি তৈরী হবে কারন তারা ক্যাসেট কিনেই গানটা শুনবে আর আপনি ডাউনলোড করে।
কাহানী ঘড় ঘড় কি, কিউ কি এগুলার দর্শক গুনে শেষ করে যাবে না ঐ সময়ি আরেকটা সিরিয়াল হইতো কদম নামে, একটা মেয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতো একেক পর্বে, একটা মেয়ের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সমস্যায় পরতে হয় সেটা নিয়া, সমস্যার কাহিনী গ্ল্যামার ছিলো না, সেইটার দর্শক কিন্তু খুইজা পাওয়া যাবে না।
আমাদের এক ঘন্টার নাটক হারায়াই যাইতে বসছে, বিশেষ দিবস ছাড়া বোধয় হয় না অথচ আমাদের এই সেক্টর টা খুব সম্ভাবনাময় ছিলো। আমারে যদি অপশন দেয়া হয় হিন্দি সিরিয়াল / ৪২০। ৫১ বর্তী ..... আমি ৪২০ .... দেখবো, যদিও রঙ এর মানুষ , ভবের হাট টাইপ নাটক আমার ভালো লাগে না তবুও হিন্দি সিরিয়ালের বদলে ওগুলা দেখবো কিন্তু আমারে যদি হিন্দি সিরিয়াল আর গুলশান এভিনিউ/ কাচের পুতুল বেছে নিতে হয় আমি হিন্দি সিরিয়াল ই দেখবো।


৫। আমাদের নিজেদের মনের দৈন্য, হীনমন্যতা বোধয় অনেক বেশি, কোন ধরনের পোষাক নিয়াই আমার কোন শুচিবায়ু নাই, কে কি পরবো না পরবো সেইটা তার ব্যাপার কিন্তু বিভিন্ন অনুস্ঠানে আমাদের পোষাক-কালচার প্রমোট হবে সেইটা এক্সপেক্ট করি। সেদিন সিটিসেল চ্যানেল আই মিউজিক অ্যওয়ার্ড দেখলাম উপস্থাপিকা ব্রাউনিয়া তার পোশাকটা অসুন্দর না কিন্তু যেখানে প্যাসিফিক টেলিকমের সাইমন মুড় দেখি পান্জাবি পইড়া আসছে সেখানে সে শাড়ি পড়লেই মনে হয় শোভন হইতো, খামাখা মনীষ মালহোত্রার ডিজাইন নকল কইরা একটা ডিজাইনার ড্রেস কেন পরলো বুঝলাম না বরং একটা ডিজাইনার শাড়ি পরতে পারতো, ব্লাউজের কাট টা ইকটু অন্যরকম করতে পারতো এটলিস্ট জামাইরে দেখাইয়া কইতে পারতাম দেশেগেলে এইরকম এক্টয়া শাড়ি কিনা দেয়া লাগপেই লাগপে।

বাংলা ব্লগ গুলোতে পশ্চিম বাংলার বাঙালীদের বাঙালিয়ানা নিয়ে অনেক গবেষনা হয় ; এই ব্যাপারে এক্টা অবজার্ভেশন বলি দুই একটা অনুষ্ঠানে যে কয়জন ভারতিয় বাঙালি দেখসি তাদের পরনের শাড়ী গুলো কিন্তু কান্ঞিভরম, সাউথ কাতান ..... ওদের ট্র্যাডিশনাল শাড়িই ছিলো, তুলশী-পার্বতীর শাড়ী পরতে দেখিনাই, তুলশী-পার্বতির শাড়ী দেখসি আমাদের মধ্যেই,

৬। আমাদের তারেক মাসুদ, তানভীর মোকাম্মেল এদের সাথে বোধয় ওদের প্রিয় দর্শন, রাজকুমার হীরানী এদের তুলনা হয় না। তুলনা করলে মীরা নায়ের দীপ মেহতা এদের সাথে করা যেতে পারে।

বাংলা মেইনস্ট্রিম চলচ্চিত্রে আমি গিয়াস উদ্দিন সেলিম রে নিয়া আশাবাদী, তার মনপুরার দুর্বল কাহিনী ...... হেন তেন নিয়া অনেক ত্যানা প্যাচানো যায় কিন্তু তবুও এইটারে এক্টা সিনেমা মনে হইছে, নাটকের লোকজন তো ৩ ঘন্টার নাটক বানায়া ঐটার নাম দেয় সিনেমা, আমি তার পরবর্তি কাজের জন্য আগ্রহ নিয়াই অপেক্ষা করবো।আর এই সিনেমাটা সে সব শ্রেণীর দর্শদের জন্যই বানাইছে শুধু শিক্ষিত দর্শক দের জন্য না।মাটির ময়না ও আমার কাছে আমজনতার ছবিই মনে হইছে, এইটা যদি সবশ্রেণীর দর্শকের কাছে না পৌছায় দায়টা মার্কেটিং এর।

তৌকির মূল ধারা বা বিকল্প ধারা কোন চলচ্চিত্রেই নতুন কিছু দিতে পারবে বইলা মনে হয়; তার পরিচালনা নিয়া আশাবাদি হওয়ার কোন স্কোপ দেখি না।

আগুনের পরশ মনি দেখে আমার মনে হইছিলো আমরা একজন উঁচু মাপের পরিচালক পেতে পারতাম কিন্তু প্রতিভার কি নিদারুন অপচয়


আর শেষ পর্যন্ত বাংলা সিনেমা নিয়া আশাবাদী আসলে হওয়া যায় না, কয়েকজন এক্সেপশন আছে ঐ পর্যন্তই, ৬০ এর দশক ৭০ এর দশক কইরা লাফালাফি করারো জোর পাই না তখন বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র সহজলভ্য ছিলো না তাই চুরি ধরা পরতো না এখন চুরি ধরা পরে, আমাদের স্বরলিপী পর্যন্ত ওদের দেয়া নেয়ার পুরা কপিপেস্ট। হিন্দি সিনেমার যেমন স্টাইল আলাদা ঐটা হলিউডি ছবির সাথে যায় না হলিউডের যে টেকনোলজি ওরা পাল=লা দিয়া পারবেনা, নাচ-গান-মেলোড্রামাই ওদের বৈশিষ্ট্য। আমরাও যদি ওদের অনুসরন অনুকরন করি কোন লাভ নাই ওদের দর্শক ১০০ কোটি, বাজেট বিশাল ওদের ফর্মুলায় ছবি বানায়া টিকা যাবে না বরং বাংলা সিনেমার একটা আলাদা ঘরনা তৈরী হোক যেমন একটা ঘরনা আছে ইরানের। আমাদের বিকল্প ধারার বেশ কিছু ভালো পরিচালক আছে কিন্তু তারা ছবি বানায় শিক্ষিত দর্শকদের জন্য, গণমানুষের কাছে পৌছুনোর কথা তাদের ভাবা উচিৎ কারন শুধু শিক্ষিত দর্শকদের জন্য ছবি বানাইলে যুগ যুগ বিকল্প ধারাই হয়ে থাকা লাগবে আমাদের বাম দল গুলোর মতন
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা আলাদা পোস্ট হওয়ার দাবী রাখে, আমাদের অনেকের মনের কথা উঠে আসছে যেইটা এই পোস্টের মাঝে বলতে পারি নাই সিনেমাটার দিকে ফোকাসড থাকায়। আপনের মন্তব্যের উপর কয়টা মন্তব্য করি।
১ আর ২ এর জন্য, এইটাই পোস্টের মূল পয়েন্ট ছিল, থ্রি ইডিয়টস, স্লামডগ, এইগুলা বিনোদনমূলক সিনেমা, তার স্ট্যাটাসটা ঐখানেই রাখা হোক, এইটারে মহান না বানানি হোক। বিনোদনমূলক হিসাবে ম্যুভিগুলি খারাপ না।
৩ এর জন্য, ছায়া ধরে বানানো আর ইনডিয়ানদের নকলের মাঝে বড় রকমের তফাৎ আছে, এইখানে একমত হইতে পারলাম না। ব্যাটারা সিরিয়াস রকমের কাটপেস্ট করে, এইটা ওদের দর্শকরা ধরে না, নিজের দেশের ছবি, আমাদের অন্তত ওদের অনুসরণ করার মানে নাই।
৪ এর জন্য, হিন্দি ছবির দর্শকও নিম্নমানের, ওদের নিয়া বলার কিছু নাই। আফসোস হইলো, বাংলাদেশের এক ঘণ্টার নাটকগুলোর দর্শকদের রুচি অনেক ভাল ছিল, হিন্দি সিরিয়াল দিয়া ফ্লাডিং কইরা আমরাই পরের জেনারেশনের এই রুচি নষ্ট করছি। সাংস্কৃতিক প্রবাহ হবে দ্বিমুখী, ইনডিয়ানরা যখন ওদের দেশে আমাদের চ্যানেল ব্যান করে রাখে তখন আমি বিন্দুমাত্র বাছবিচারের উদারতা না দেখায়া ওদের চ্যানেল ব্যান করার পক্ষে, কিন্তু আমরা যাখন গুলশান এভিন্যু ভাল নাকি ওদের সাস-বহু ভাল এই তুলনায় যাই, তখন আর এই সুযোগটা থাকেনা, সুযোগটা নেয় ওরা। সবার সাথে উদারতা চলে না।
৫ এর জন্য, একই কথা, মাসিক দৈন্য, ইনডিয়ানদের দেশপ্রেমটা আমরা নেই নাই, নিসি ওদের বস্তাপচা সিরিয়াল আর ফ্যাশন, আর কি আশা করতে পারি?
৬ এর জন্য, আমি এখনো আশাবাদী। জহির রায়হানের ম্যুভিগুলারে কি নকল বলবেন? ঐ মানের একজন পরিচালক উপমহাদেশেই কম আসছে, হিন্দি ছবিতে তো দূরের কথা। সেলিমের মনপুরা হয়তো ছবি হিসাবে খুবউঁচুমানের না, তাও মৌলিক গল্প দিয়া দর্শক টানছে, কম কি? তবে এইটার সাথে একমত যে উঁচুমানের নির্মাতাদের নাকটা আরেকটু লেভেল করে আমাদের মত সাধারণ দর্শকদের জন্য ছবি বানাতে হবে, এইদিক থেকে ফারুকীর চামড়া তুলি না আমি, লোকটা অন্তত চেষ্টা করে, খারাপ কি? বস্তাপচার মাঝেও মাস্টারপিস বের হয়ে যেতেও পারে।

৫৪. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১০
আহমেদ রাকিব বলেছেন: কাকন নিরন্তর মুভিটা দেখছেন? হু আ র গল্প জনম জনম নিয়া সাইদুল আনাম টুটুল যেইটা বানাইছে? শাবনূর নামের জিনিষটারে দিয়াযে অভিনয় করানো সম্ভব এই মুভি না দেখলে বিশ্বাস করতাম না। না দেখলে দেইখেন। আর কাকনের কমেন্টে মহা প্লাস। আমার দেখা অন্যতম সেরা এনালাইটিকেল কমেন্ট।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: হেহে, শাবনূরও অভিনয় করে এইটা একটা আশচর্য ব্যাপার ছিল, এই লোকটার নাম ভুলে গেছিলাম।
কাঁকনের কমেন্ট টা আলাদা পোস্ট হইতে পারতো।

৫৫. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৬
আহমেদ রাকিব বলেছেন: ও হ্যা, এখন ফারুকী গাধাটার কথা উঠলেই আমার চোখের সামনে ওয়েটিং রুম নাটকটা ভাসে। মহিলাটার নাম ভুলে গেছি। আর ছিল শামস সুমন। কি অসাধারন নাটক। প্রতিভার অপচয়ে ফারুকী হু আ র সাথে ভালোই পাল্লা দিতেছে।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন: ওয়েটিং রুমটা আবছা ধাক্কা দিচ্ছে, কিন্তু পুরা মনে করতে পারছি না। লিংক আছে নাকি? কথা ঠিক, ২টাই পাল্লা দিচ্ছে, তবে ফারুকী বড় তাড়াতাড়ি স্পয়েল্ট হচ্ছে, হু আ কিন্তু রাবিশ খাওয়ানোর আগে না হইলেও ১২ বছর মাস্টারপিস সব নাটক দিয়া গেছে বিটিভিরে।

৫৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: কাঁকনরে প্লাস। আপ্নেরেও প্লাস।

মূল লেখা, মন্তব্য সব কিছু মিলায়া দারুণ একটা পোস্ট।

'স্লাম ডগ' ভাল লাগছে। পুশিক্যাট ডলের 'জয় হো' গানটা এই-সেই লাগে।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩০

লেখক বলেছেন: আপনি দেখি মাসে একদিন উদয় হওয়া রুটিন করে ফেলেছেন। আপনার গল্পে লাইনে আছি, কিন্তু সময় নিয়ে পড়বো, এক মাসের আগে তো আর লিখবেন না,রয়েসয়ে পড়ি। :)
বিনোদন হিসাবে ঠিকাছে, অস্কার বা কালজয়ী হিসাবে না।

৫৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৩
মতিউর রহমান সাগর বলেছেন: Patch Adams এর নকল এই ব্যাপারটা আজ প্রথম জানলাম আপনার পোস্ট থেকে। এজন্য আলাদা ধন্যবাদ।এখনই ডাউনলোড করতে দিলাম।
আপনার পোষ্টের সাথে সম্পূর্ণ একমত।
পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: Patch Adams থেকে মুন্নাভাই প্রায় হুবহু মেরে দেয়া, এটারও আইডিয়া আছে মনে হয়। খুঁজলে দেখা যাবে প্রায় সব বলিউডি ম্যুভিই হলো বিভিন্ন সেমি-হিট বা হিট হলিউডি ম্যুভির টুকরো টুকরো জোড়া দিয়ে করা।

৫৮. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৫
কঁাকন বলেছেন: @ আরা
টুটুলরে আমি নাল পিরান নাটকটার জন্য মনে রাখবো নিরন্তর সিনেমাটা আমারে হতাশ করছে; জনম জনম বইটার কাহিনী সিনেমাটিক, এইটা নিয়া একটা মূল ধারার ভালো বাণিজ্যিক সিনেমা বানানো জাইতো কিন্তু সে জা বানাইছে সেইটা মেইনস্ট্রিম সিনেমা আর অফট্র্যাক সিনেমার মাঝামাঝি ঝুইলাছিলো।
খামাখা সিনেমার গতি লো করসে, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক মানানসই লাগে নাই।
বই পুরোপুরি ফলো করা লাগবে এরকম কোন মানে নাই।
অপু সরকার আর শাবনূরের দেখা হবার দৃশ্যটা মনে দাগ কাটার মতন করে তৈরী করা উচিৎ ছিলো মানে বইয়ে ঐ যায়গাটা যে আবহ তৈরী করছিলো সেইটা সিনেমায় ধরে রাখে নাই। সিনেমাটায় একজন যৌন কর্মীর জীবনের দুঃখটা ধরা পরসে কিন্তু বইয়ে সব ছাপায় উঠছিলো একটা মেয়ের স্বপ্ন, স্বপ্ন ভঙ্গ, অপূর্নতা, হাহাকার ......... সিনেমাটার ফোকাস খুব এককেন্দ্রিক হয়ে গেছিলো

আর শাবনূর জিনিষটারে অভিনয় করানো যায় কথাটায় দুঃখ পাইলাম। পারমিতার একদিন, দহন, মন্দ মেয়ের উপাখ্যান এইসব ছবি আমাদের দেশে হইলে শাবনূর ঋতুপর্নার চেয়ে খারাপ অভিনয় করতো না; এই চরিত্রগুলো তারজন্য কেউ তৈরী করে নাই এটাতো তার দোষ না। আমার এই কথায় যদি কারো আপত্তি থাকে তাইলে বলি আমাদের সালমা-শাবনূরের বেশ কিছু সিনেমার কপিরাইট নিয়া পশ্চিম বঙ্গের এক পরিচালক প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্নারে নিয়া সেগুলা রিমেক করসিলো কষ্ট কইরা ওগুলা ২/১ টা দেখলে দেখবেন আমাদের শাবনূর ই ওগুলাতে আগাইয়া :)

আর আমিও ফারহান এর সাথে একমত হু আ এর সাথে ফারুকীর তুলনা চলে না; বাংলা সাহিত্য, টিভি, সিনেমা প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই হু আ এর অবদান অনন্য। ফারুকী তার ধারে কাছে যাইতে পারে নাই শুধু একটা সম্ভাবনা দেখা গেছিলো।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: খুবই অ্যামেচার লোকজনরে দিয়াও যে বিশ্বমানের ছবি বানানো যায় তার প্রমাণ ইরানি ছবি "টার্টলস ক্যান ফ্লাই।" যারা অভিনয় করসিলো তারা আগে কখনো অভিন করে নাই, ভবিষ্যতেও করবে না, কারণ তারা সবাই রিফ্যুজি। পারলে দেখেনিয়েন।
হু আ'র সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হইলো, বছরের পর বছর কনসিস্টেন্টলি ভাল মানের বই, নাটক উপহার দিয়ে গেছেন, একজন মানুষের মাঝে এত কিছু ছিল এটাই বিশাল ব্যাপার।

৫৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৫
মতিউর রহমান সাগর বলেছেন: যদি কেউ দেখতে চায়, একথা ভেবে লিংক দিয়ে দিলাম এখানে:
patch adams (1998)

এটা stagevu লিংক।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬০. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৩
আহমেদ রাকিব বলেছেন: আমি এই ভুল জীবনেও করমু না। হু আ রে পাবলিক এখন যত গালি দেক, আমি কিন্ত কিছু কই না। এইডা ঠিক ও আরো অনেক বেশি দিতে পারতো। কিন্ত যা দিছে সেইটা ভুলি কেম্নে? জীবনের একটা বিশাল সময় হু আ র বই পইড়া আর নাটকের জন্য অপেক্ষা কইরা কইরা কাটছে। কেম্নে ভুলি। সেই দিক থেকে ফারুকী হাতে গোনা কয়েকটা নাটকে যাই দিছে, সেইটা বানিজ্যিক চিন্তাভাবনার ফল আনতে গিয়া খুব বিচ্ছিরি ভাবে তার ইমেজ নষ্ট করছে। পুরাপুরি আগ্রহ হারায় ফেলছি। ফারুকী বর্জন করছি বেশ আগে। যেই কারনে তৃতীয় পুরুষ এক বচন মুভিটা দেখা হয় নাই। ইচ্ছাও নাই। ফারুকী তার এই জীবনে হু আ র কাছেও যাইতে পারবে না।

নাল পিরানের কথা মনে আছে। অসাধারন, এত দারুন মেকিং খুব কম দেখছি। ভাবতে অবাক লাগে 'নাম পিরান' এর কাহিনীও আনিসুল হক লেখছে আর 'তৃতীয় পুরুষ এক বচন' এটাও সে লিখছে। নুরুল আলম আতীকের কিছু নাটকে এই রকম ম্যাজিকেল কিছু ভাব আছে। নিরন্তর আরো ভালো হইতে পারত কোনো সন্দেহ নাই। আসলে হুট করে নাটক থেকে মুভিতে গেলে সবারই এই সমস্যাটা হয়। হু আ বলেন, সাইদুল আনাম টুটুল বলেন গিয়াস উদ্দীন সেলিম। তারপরেও আমি আশাবাদী। কিছু ভাল মুভি আগামী পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে আমরা দেখতে পাবই।

শাবনূরের ব্যাপারে যেই কথা কইলেন আমিও এখন মোটামুটি একমত। কারন নিরন্তরে সে আসলেই আনএক্সপেক্টেড ভালো অভিনয় করছে। হয়তো মন্দ মেয়ের উপাখ্যান, পারমিতার একদিন আমাদের এখানে হলেও সেও ভালো অভিনেত্রী হতো। কারন ঋতুপর্নার চেয়ে সে কোনো অংশে খারাপ অভিনেত্রী না, এইটা আমি বিশ্বাস করি।

কাকন, কমেন্টটা পোষ্ট আকারে দিতে পারেন। ফারহান ভাইয়ের লগে আমিও ভোট দিলাম। খুব ভাল একটা পোষ্ট হবে।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: অতি আঁতেলরা হু আ রে গাইলায়া ভাব নেয়, কিন্তু আমি অন্তত তাঁর অবদানটা স্বীকার করা উচিত। এখন তার মতিভ্রম হইসে, রাবিশ লেখে, না লিখলেও পারতো, কিন্তু যা সে দিসে, বাংলা সাহিত্যে ঠিক কতজন তা দিতে পারসে? বাইরের সাথে তুলনা? মার্কেজের একেকটা বই বিক্রি হয় মিলিয়ন মিলিয়ন কপি, পড়ে সারা দুনিয়ার মানুষ, তাই সে ভদ্রলোক ৫ বছরে ১টা উপন্যাস লেখলেও বড়লোক। হু আ রে বছরে লেখতে হয় না হইলেও ৭-৮টা বই, একটা মানুষের দেয়ার ক্ষমতারও তো একটা সীমা থাকে। নন্দিত নরকে বইটা যতবার পড়ি ততবার আচ্ছন্ন হই আর বলি, কত বালছাল বই আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পায়া যায় আর এমন বইয়ের নাম দেশের বাইরে কেউ জানে না।

৬১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৮
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ভালো লিখছেন।
ক্যামেরনের এভাটার নিয়া একটা রিভিউ লিইখা ফ্যালান ... (এইবার তো এইটা অস্কার-মস্কার সব জিতবো... )
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: টেকনিক্যাল অস্কার তো সব পাইবোই, সেরা পরিচালক আর চলচ্চিত্রটাও পাইবো। হুজুগে অস্কার কমিটি প্রভাবিত হয়, নতুন কিছু না। আগে দেখি, তারপরে মন্তব্য।

৬২. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৮
একলব্য১৯৭১ বলেছেন: ভাইজান কি আর কমু,আমার এইবার বুয়েটে ঢুকা ছোটবোন থ্রি ইডিয়েট
দেইখা সেইটাকে জীবনে কাজে লাগানোর জন্য উইঠা পইড়া লাগছে।তারে আপনার লেখাটা পড়ামু ঠিক করছি।

যাই হোক-স্লামডগ মিলিয়নিয়ার আর থ্রি ইডিয়েট-দুইটাই "ফিল গুড" মুভি।এমনকি গত বছরের ব্লক বাস্টার হিট যে গাজিনি-সেইটারেও আমার তৃতীয় শ্রেণীর বস্তাপচা প্লটের সস্তা রুচির গল্প ছাড়া কিছু মনে হয়নাই।

মুভিগুলা দেইখা মজা পাইছি ঠিকাছে-কিন্তু স্লামডগরে আটটা অস্কার ক্যান দিছে সেইটা ওই অস্কার পার্টিই ভালো কইতে পারবো।এইটার প্লট নতুন-কিন্তু বেঞ্জামিন বাটনের নতুনত্বের ধারেকাছেও না।

শশাঙ্ক আমার সারা জীবনের দেখা সেরা ছবি-অন্যতম টন্যতম না,একেবারে সেরা ছবি।আরো ৫০ বছর বাঁচলেও এইরকম ছবি দেখতে পারবো কিনা জানিনা।

আমাগো নসুর ইংরেজী ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর শাফকাত স্যার একটা কথা কইছিলেন-"যদি বেছে বেছে বাজে সিনেমার লিস্ট চাও তাহলে সাম্প্রতিককালের অস্কার লিস্ট দেখে নাও"

অস্কারের সব সিনেমা যে খারাপ তা না কিন্তু যেইসব ছবিরে বাদ দিয়া যেইগুলা বেস্ট পিকচার ইত্যাদি পুরষ্কার পায়-তা দেখলে মনে হয় যে অস্কারের গুষ্টি মারি। নোবেল পুরষ্কারও তাই-বারাক ওবামা কিছু না কইরাই শান্তি পুরষ্কার ঘরে তোলে।

যাউজ্ঞা-অনেক দিন পর বস! আইচ্ছা,উটু কি ওয়েস্ট ইন্ডিজ থিকা আইসা আপনেরে ওই আইসিসি চেয়ারম্যানের বউয়ের সাথে তার সাংসারিক আলাপের রেকর্ড শুনাইছিলো?জাতি জানতে চায়!!!!
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: এইটাই কইতে চাইসিলাম, কমেডি বা হালকা বিনোদনমূলক সিনেমা দেইখা মজা পাও ঠিক আছে, কিন্তু এইটারে জীবনের আদর্শ ধইরা আগাইলে সাড়ে সর্বনাশ। আর আদর্শ যদি ধরতেই হয় তাইলে হিন্দি সিনেমা ক্যান? কই, মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ বইলা গলা ফাটানি কোন শালার দেশপ্রেমিক পুলাপানরে তো শুনলাম না মুক্তিযুদ্ধের একটা সিনেমা দেইখা সেইটার আদর্শে জীবন গড়ার জন্য ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়া রাখতে? এইটা কি ঐ ম্যুভির মেকিংয়ের দুর্বলতা? এহে হে, আস্তে, ফাতরামি-ফাজলামি নকল কইরা জীবন চালানি যত সোজা, মুক্তিযুদ্ধ আর দেশপ্রেমরে জীবনের আদর্শ নেয়া অত সোজা না, এইটাই হইলো সিক্রেট। যেমন অবাস্তব সব সমাধান দেখাইসে, আল্লাহ করুক আমাদের ভবিষ্যৎ প্রকৌশলীরা এইরকম স্বপ্ন না দেখুক, দেশটায় স্বপ্ন দেখার অনেক জায়গা আছে, হিন্দি ড্রিম দিয়া সেইসব স্বপ্ন পূরণ হইবোনা।
টাইটানিক যেইবার ১১টা অস্কার পাইসে, অস্কার জিনিসটার দিকেই শ্রদ্ধা গেছেগা। ঐ স্যাররে সালাম দিও, কথার সাথে ১০০ ভাগ একমত। এমনকি হলিউডি ছবিতে এখন খুব মৌলিক কিছু পাওয়াও যায় কম, বিদেশী ভাষার ছবিগুলি কনসেপ্ট মেকিং সব দিক দিয়েই অন্যরকম।
উটু হইলো সেলিব্রিটি মানুষ, তিনি তো বিবৃতি দিয়াই খালাস হইবেন, আমাগো মত নগন্য মানুষরে টেপ শুনানির টাইম আছেনি তার? মাঝ দিয়া আরো ২টা পেইন গজাইসে, তারেক মাহমুদ আর পবিত্র কুণ্ডু, সব কয়টার নাকি কান্না দেইখা হাল ছাইড়া দিসি, ব্যাধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়।

৬৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮
নুভান বলেছেন: কমেন্টতো ফেইসবুকেই করছিলাম :D
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন: হ, ঐখানে তো লুকজন ঝাঁপায়া পড়সে, য্যান ওগো দুলাভাইয়ের নামে মামলা করসি। :)

৬৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৩
এরশাদ বাদশা বলেছেন: ফিফা'র কাজ হইলো আপনে যা কইবেন তার উল্টাদিকে একটা জ্ঞানী কথা বইলা স্টান্টবাজি করা, নিজেরে আলাদা প্রমাণের চেষ্টা। আমি যদি কইতাম বাংলাদেশী পরিচালকদের প্রতিভা নাই, সে প্রমাণ কইরা দিত তারেক মাসুদের কাছে হিচকক পুলাপান। ফিফা নিজেও থ্রি ইডিয়টসের চেয়ে কম বিনোদন না।


এক্কেবারে কাপড় নি খু্ইলা দিলেন????? #:-S :|

ফিফারে আমার একাধারে চরম জ্ঞানী আবার চরম গর্দভ দুইটাই মনে হয়। ফিফা এই মন্তব্য দেখলে আমারে খুন কইরা ফেলবো। :-/
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: আনে মিয়া নিজেও ফাঁসবেন, আমারেও ফাঁসাইবেন।:( ফিফা এই মন্তব্য দেখলে দেখবেন স্ক্রিনশট দিয়া বিশাল ফটুশপের কাজ কইরা পুস্ট দিয়া দিসে। :|

৬৫. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৮
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: থ্রি ইডিয়টস ও স্লামডগ মিলিয়নেয়ার: অতি প্রচারণার কাছে পরাজিত "কোয়ালিটি"++
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: টাইমপাস করার জন্য কি খানিক হাসাহাসির জন্য দেখলে, ঠিকাছে, কিন্তু এইগুলারে নিয়া এমন লাফালাফির কি আছে?

৬৬. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৩
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন: 100% সহমত। আমারও এমনটাই মনে হয়েছে। নিঃসন্দেহে গাঁজাখুরি সিনেমা। তবে বোনদনের জন্য ভালই। এর অবাস্ট জিনিসগুলো নিয়ে লাফানোর আসলেই কোন মানে দেখি না।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: আমিও ১০০ ভাগ একমত।

৬৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩১
আসফাকুল আমিন বলেছেন: আজকাল ফেসবুকে দেখি মানুষজন নিজের নাম পালটায়া পুংশুক ওয়াংডু রাখা শুরু করসে .......আর কি কমু ........ :|
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪২

লেখক বলেছেন: বলার নাই, মনে হয় আমরা আসলেই আদর্শ মানবের সংকটে ভুগতাসি, এমনকি ফ্যান্টাসিতেও।

৬৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০০
দন্ডিত বলেছেন: যারা প্লটের অভিনবত্বের কথা বলছেন তাদের "ডেড পোয়েটস সোসাইটি " দেখা উচিৎ। অন্তত আমি ভীষণ ভাবে আলোড়িত হয়েছিলাম ডেড পোয়েট সোসাইটির নীলের চরিত্রে, মিড সামার নাইটস ড্রীমের নায়ক মাথায় তুলে নেয় মুকুট আর শেষ দৃশ্যে গর্বের সাথে আত্নহনন! মাথা নীচু করে যখন রবিন উইলিয়ামস বেড়িয়ে যান তখন সবাই দাড়িয়ে ওঠে ও ক্যাপ্টেন বলে।

সত্যকে স্পর্শকরার জন্যে স্কুটার আরোহী কারিনাদের দরকার হয় না।

থ্রী ইডিয়টস একটি পপকর্ন ছবি, এটাই তার একমাত্র এবং শেষ পরিচয়।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: ও ক্যাপ্টেন, মাই ক্যাপ্টেন, ওয়াল্টার হুইটম্যান খুঁজে বের করে পড়েছিলাম কয়দিন। অতদূর না হোক, অন্তত মৌলিক প্লট তো নিতে পারতো! অভিনব না, নকল নিয়ে নাচানাচি, হাহ!

থ্রী ইডিয়টস একটি পপকর্ন ছবি, এটাই তার একমাত্র এবং শেষ পরিচয়। ঘটনা হইলো, হলিউডেও হাজার হাজার পপকর্ন ছবি হয়, তারা সেইটারে পপকর্ন খায়াই দেখে, আর বাঙ্গালি সেইটারে বাঁধাই কইরা তাকে তুইলা রাখে।

৬৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৪
নস্টালজিক বলেছেন: প্লাস।।

@কাকন-চমৎকার লিখসেন।আপনার ফার্স্ট কমেন্ট টা পারফেক্ট।।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: উনার কমেন্ট টা আরেকটা পোস্ট হইতে পারতো, অনেক কিছু আছে আলোচনার।

৭০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৯
কায়কোবাদ বলেছেন: স্লামডগের এতগুলা অস্কার পাওয়া আমি কিছুতেই মানতে পারিনা........... বিনোদনের কথা ভাবলে, থ্রী ইডিয়টস খুবই ভালো কিন্তু সমাজবদল? মানতে পারলাম না।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: একমত।

৭১. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৪
হিমাংশু বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন।

ছবিটা দেখেছি...বাস্তবতা ভুলে কিছুক্ষণের জন্যে হাসাহাসি করার উপকরণ হিশেবে ভালো।
এর বাইরে কিছু বলাটা অতিশয়োক্তি!!!

শুভেচ্ছা!
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: এটাই পয়েন্ট ছিল, অনেক ধন্যবাদ।

৭২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১১
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: সিরাম লেখা, ফেইসবুকেই বলছিলাম ।
আমি তো অনেক মাইনাচ খাইছি আমার পোস্টের কারণে! আপনেও!! :P

স্লামডগের অনেক ভুল চোখে দেখায়া দিতে হয় না, তাকাইলেই পাওয়া যায়, অথচ সো কল্ড (সেরা পুরিষ্কার )অস্কার পায়া গেল!!
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: আমি ভাবি অন্য কথা, পাকি_ইন্ডির দিকে আমাগো যে পেয়ার, কিছু কইলে যেমনে ঝাঁপায়া পড়ি, নিজের দেশের দিকে তার অর্ধেক থাকলেও তো ওগো দেশে আমাগো সিনেমা রপ্তানি হইতো এতদিনে।

৭৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪১
নাজিম উদদীন বলেছেন: যাক বাঁচলাম, আমারে দু'একজন দেখতে বলছিল, এখন বুঝলাম দেখার দরকার নাই।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন: হেহে, শুধু হাসতে চাইলে দেখতে পারেন, কিন্তু জীবন গড়তে চাইলে না দেখাই ভাল। :)

৭৪. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
পোস্ট উপভোগ্য হইছে নিশ্চয়ই , কিছু মন্তব্য পইড়া বুঝতে পারতেছি ।

লম্বা পোস্ট সময় কইরা পড়ুম ।

অপরবাস্তব- ৪ এর প্রকাশনী নিয়া একটা পোস্ট দিছি বস, আপনার অংশগ্রহণ কাম্য ।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: বস, চরম দৌড়ের উপর আছি, জবাব দেয়ার সময়ও মনে হয় পার হয়ে গেছে, খুবই দুঃখিত। :(

৭৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৬
আশমএরশাদ বলেছেন: ব্লগে ব্লগে এখন বিরক্ত লাগছে দুইটা সিনেমার কপচানি নিয়ে,
থ্রী ইডিয়েটস এবং থার্ড নাম্বার সিঙ্গুলার নাম্বার নিয়ে ব্যাপক গবেষনা।

একটা সিনেমা- প্রথমত এটি একটি বিনোদন শিল্প। সেখানে পবিত্রতা অপবিত্রতা খুঁজা , পিউরিটি অপিউরিটি খুঁজা মনে হয় বাড়াবাড়ি। এটি দেখে অতি কোন কিছু ভাবা এবং করা দুইটাই অসহ্য। আর একটি সিনেমা দেখে যে কেউ ইনস্পায়ার হতে পারে এবং ভিন্ন ভিন্ন লোক ভিন্ন ভাবে হতে পারে। যারা নিয়মিত সিনেমা দেখেন এবং বিশ্ব চলচিত্র দেখেন তার কাছে সিনেমায় অনেক ত্রুটির পাশাপাশি মামুলি মনে হতে পারে। আর একজনের কাছে এটা নব আবিস্কার হতে পারে। এবং তার মনকে আচ্ছন্ন করতে পারে। সেটা ইরানি সিনেমা হোক সেটা পাকিস্তানি "খোদাকে লিয়ে" হোক বা হালের ইন্ডিয়ার "রং দে বাসন্তি" বা থ্রী ইডিয়েটস হোক। এটা যার যার রুচির উপর নির্ভর করে। আমি আমার স্ট্যাটাসে কি দিব সেটা কেউ যদি আমায় বলে দেয় তাহলে বলব যে বলছে তার ব্যাক্তি স্বাতন্ত্রবাদ এর জ্ঞান নেই, অথবা তিনি নিজের মতটা চাপিয়ে দেন বা দিতে চান অন্যের উপর। ধরেন টাইটানিক দেখে আমি যখন একটা গানের কলি my heart will go on and on দিয়েছি। কিন্তু তখন কোন জ্ঞানী লোক এসে বলে না সমাজ দেশ টাইটানিকের আগ্রাসনে ভেসে যাচ্ছে। ভাল লাগা কোন লাইন এর ভাষা গত বা দেশের বর্ডার গত সীমানা খোজা সংকীর্নতারই পরিচায়ক বলে মনে হয়। আর যেটা আমার ভাল লাগছে সেটা আপনার ভাল নাও লাগতে পারে। আর আপনি নিজেই বলেছেন "শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তব কিছু সমস্যা খুব প্রকটভাবে উঠে এসেছে, যেটা ভারতে কেমন জানি না, বাংলাদেশের জন্য খুবই সত্যি।" সেটা যদি সত্যি হয় তাহলে এতে ইনস্পায়ার হতে দোষকি? আপনার কাছে একটা জিনিস বস্তা পচা মনে হলে অন্যকেও এমন ভাবতে হবে এমন না। তবে একটা সিনেমার থিমকে সোনার কাচা মনে করাকেও আমি সমর্থন করছি না। তবে যে কথা বলেছিলাম সেটা হল সিনেমাটা আপনাকে কিন্তু দেখিয়ে ছাড়েনি কিছু বলিয়েই ছাড়ছে তাহলে বুঝেন এবার, আপনার টিভি দেখা কেন্দ্রিক আরেকটি পোস্ট পড়লাম এটি।

আর সিনেমা নকল এর ব্যাপারটা---রবিন্দ্রনাথ এর সেজ দাদা বলেছিলেন "আগে চাই বাংলা ভাষার গাথুনি তারপর ইংরেজী শেখার পত্তন" । এখন আমার সেজ ভাই যদি বলেন" আগে চাই মাতৃভাষার দক্ষতা তারপর ইংরেজী শিখার পায়তারা" তাহলে কি আমার সেজ ভাইকে নকল বাজ বলবেন? কিছু চিরন্তন থিম থাকে যা অনায়াসে চলে আসে, আর একজন পরিচালক বা প্রযোজক প্রথমে একজন দর্শক তারপর পরিচালক, তার মনোজগতে যে আগের দেখা সিনেমা প্রভাব বিস্তার করবে না তা হতে পারেনা। নকল হোক আর অনুসরন হোক আমাকে কোনটা বেশী ভাবাল, কোন ভাষারটা বেশী ভাবাল সেটাই মনে হয় দেখার বিষয় আগে। আর নকল বলে আমাকে ইরানে দৌড় দিতে হবে এমনকি?ঠিক আছে ইরানে ও যদি এমন সিনেমা হয় এবং সেটা যদি আমার জানার মধ্যে দেখার সাধ্যের মধ্যে থাকে তাহলে আমি দেখব। দেখে ইনস্পায়ার হতেও পারি। কেন আমি এটা দেখে ইনস্পায়ার হয়েছি এবং যে ইনস্পায়ারিং এর কথা বলা হচ্ছে সেটা যদি পজেটিভ হয়(পজেটিভ সেটা আপনি পোস্টে বলেছেন)তাহলে কেন আমাকে অন্যদেশে দৌড়াতে হবে?

হিন্দি বলেই কি, ভারত বলেই কি? হ্যাঁ আপনার ক্ষোভের কারন আমি স্বীকার করেই নিচ্ছি যেখানে কেউ যদি ভারতের সাথে আমাদের পরিচালকের তুলনা করেন সেটা আমার ইগোতে ও লাগবে। আমার দেশ গরীব হোক কিন্তু অন্যদেশের নখের সমান ও হবেনা সেটা আমিও আমার স্বদেশীর কাছ থেকে শুনতে রাজি নই) আর কেন টেনে আনা হিন্দি ভাষার প্রতি বিদ্বেষ। যে ভাষাটা আমরা সিনেমা দেখেই শিখতে পারি সেটা কেন শিখে রাখব না? যে কোন ভাষা শিখে রাখলে কি রকম কাজ দেয় সেটা যারা দেশের বাইরে এসেছে তারা ভাল জানে। বিশেষ করে হিন্দি আরবী বাংলার নৈকট্য যেখানে প্রবল। আর কথায় বলে চায়নীজ- হিন্দি -ইংলিশ জানা থাকলে দোজকে আপনার বন্ধুর অভাব হবে না। আমি এর সাথে বলি পৃথিবীতে ও অর্ধেকের ও বেশী মানুষের সাথে কমিউনিকেশন করা যাবে এই ভাষা গুলো জানা থাকলে।
শ্রম রফতানি নির্ভর দেশ হিসাবে আমাদের অন্যদেশের ভাষা শিখা কোন ভাবেই অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না বলে মনে হয়।যেখানে মধ্যপ্রাচ্যে হিন্দি পারলে এট লিস্ট প্রাথমিক সার্ভাইব করা যায়।তাছাড়া নিজের ভাষার দক্ষতার পাশাপাশি অন্য ভাষার দক্ষতা অবশ্যই মানুষকে সমৃদ্ধ করে।যারা আরব দেশে কাজ করতে গেছেন তারা আওয়াজ দিবেন আশা করি।
আপনি হয়ত বেশী সিনেমা দেখে ফেলেছেন তাই এটি মামুলি মনে হচ্ছে সেটা যেমন সত্য আরেক জন সে রকম দেখেনি তার কাছে বিষয়টা নতুন। যেদিন সে ও আপনার মত হবে তখন হয়ত আপনার মতই একটা পোস্ট দিবে। একটা সিনেমা নিয়ে এত কথা বলতে ভাল লাগছে না। এই সিনেমা নিয়ে অতি উৎসাহিদের মাতামাতির ভিড়ে এই রকম পোস্ট ও একটি বলে মনে করি। ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: আপনে ভাই বিশাল পণ্ডিত, বুঝলাম। আপনের মট পণ্ডিতদের লাইগা ছোট্ট একখান কথা, যতদিন ভারত আমাদের চ্যানেলগুলা ওদের দেশে ঢুকতে না দিবে ততদিন ওরা দুনিয়া বদলানি ম্যুভি বানাইলেও আমার কোন আগ্রহ নাই, সাংস্ক্বতিক বিনময় জাতীয় বালছাল কথারও আমি খেতা পুড়ি। আপনের পছন্দ হইসে, ওদের কোলে নিয়া বইসা থাকেন, আগে ওরা আমাদের ছাড়ুক, পরে দেখা যাইবো। আপনের মন্তব্য দেইখা একখান পুরান ব্লগের প্রবাদ মনে পড়লো, ব্লগ ভরিয়া গেল হরিদাস পালে।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: আরেকটা কথা, নিজের জাত ভাল না হইলেই লোকে অন্যের জাত নিয়ে প্রশ্ন তুলে, তারচেয়েও বড় কথা, আপনের মত নাম কামানোর জন্য ব্লগ লিখি না, কাজেই আপনার মত ২ পয়সার লোক এসে শিং নাড়ানাড়ি করলে বিরক্ত লাগে, দয়া করে নিজের জাতভাই ছাগলগুলির সাথে দূরে গিয়া বেড়ার বাইরে ম্যা ম্যা করেন। ও হ্যাঁ, ২-৩টা নিক নিয়ে দালালি কম করবেন, কেমন? আপনি বেশি এক্সপার্ট ছাগল না, ধরা পড়ে যায়।

৭৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮
জামাল ঊদ্দিন বলেছেন: আপনার কথাটা আসলেই মনে ধরেছে ... আমি সিনেমা তেমন দেখিনা , কিন্তু বন্ধুদের কথায় এটা দেখেছি । সময় কাটানোর জন্য আসলেই একটা ভালো মুভি , কিন্তু এটা এটার শিক্ষা সবার পক্ষে কি সম্ভব কাজে লাগানো ... আমার মনে হয় সম্ভব না , সবার সক্ষমতা এক নয় , কখনই হতে পারে না ।
আর আরেকটা কথা থ্রী ইডিয়টস মুভিটা চেতান ভাগাতের ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান থেকে নেয়া - কিন্তু তাকে ক্রেডিট ঠিক মত দেয়া হয় নি । বই টা সার্‌চ করলেই পাবেন - বিশেষ করে টরেন্টে । তার লেখা ব্লগ টা পড়তে পারেন
Click This Link
মেইন সাইটঃ http://www.chetanbhagat.com
মুভির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে খুব কম মাত্র ২-৩% হয়তো থাকতে পারে । কিন্তু আপনি যদি বইটা পড়েন তাহলে আবিষ্কার করবেন এটা পুরোটাই নকল বেৈ আর কিছু নয় !!!!
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: নকল ম্যুভি নিয়া যা লাফঝাঁপ আমাগো ভাইবেরাদরদের, নিজের দেশেরটা নিয়া তার ১০ ভাগের এক ভাগ থাকলেও হইতো। কি আর বলবো, মনের দিক দিয়াই আমরা গরিব, অন্যে তো আমাদের জুতাপেটা করবেই। উদারতা সবসময়ই ভাল না।

৭৭. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০২
জামাল ঊদ্দিন বলেছেন: জানুয়ারীতে কিছুদিন ব্লগে ছিলাম না ... একটা বই পড়ছিলাম । এতো সুন্দর লেখায় এতো পরে দেখায় নিজেরে মাইনাস ...
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: কি বই?

৭৮. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫২
জামাল ঊদ্দিন বলেছেন: আমাদের চলচিত্রে যদি সাপোর্‌ট থাকত তাহলে কিন্তু আমাদের দেশ ও অনেক ভালো করত ... কিন্তু এখানে যে নিজের ঝুকি নিজেই নিতে হয় , তাই কারো জীবনের লক্ষ্য থাকে আমি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করব । আর অনেকের ইচ্ছা থাকা স্বত্ত্বেও এই বিশাল ইন্ডাস্ট্রিতে এসে ঠাই পায় না - ভালো ইনফ্রাস্ট্রাকচার না থাকায় । ( অবশ্য এটা আমার নিজস্ব পর্‌যবেক্ষন )


ড্যান ব্রাউনের ডিসেপশন পয়েন্ট আর স্টিভেন ওয়াইনবার্‌গের দি ফার্‌স্ট থ্রী মিনিটস :)
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: সাপোর্টের অভাব আছে, তবে ভালো নির্মাতারও অভাব, ঘুরেফিরে হাতেগোণা কয়েকজন। ব্যাপারটা পাল্টানোর সময় এসেছে, টবে সেটার জন্যও দর্শকদের সমর্থন দরকার, এভাবে হিন্দির প্রচার করলে সেটা সম্ভব না, ওদের বাজার আটকাতে না পারলে বাংলদেশী ছবি ভাত পাবে না।
ডিসেপশন পয়েন্ট টা পড়েছি, সুবিধার লাগেনি, ভিন্ঞ্চি কোড আর অ্যান্ঞ্জেলস অ্যান্ড ডেমনস অনেক বেশি ভাল ছিল।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৮০. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৬
এরশাদ বাদশা বলেছেন: নতুন বোম তৈয়ার হয়নাই?
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: যেটা লিখতেসি ঐটা ছাড়লে আমিই বোম খাই কিনা ভয়ে আছি, ইদানিং কি হইসে বুঝিনা, যা-ই কই লোকে খেইপা যায়। :|

৮১. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:০২
রিসাত বলেছেন: অতি জ্ঞানী এবং আউট্রেইজিয়াস বিবেচনায় কষে মাইনাস প্রদান করা হলো,,,,,,,

আগে নিজেরে জাজ করা শিখা উচিৎ আপনাদের,,,,,, এইসব থার্ড ক্লাস পোস্ট কেমনে এতো পপুলার হয় তা আমার মাথায় ধরে না,,,,,,,,

সমালোচনায় একটা ন্যুনতম সেন্স থাকা লাগে,,,,, এইখানে সেইটা নাই,,,,,, যারা মুভি সম্পর্কে কিছু জানেনা তাদের মুভির উপরে রিভিউ লেখা সাজে না,,,,,,,,,

স্রষ্টা কোন কিছু নাই থেকে সৃষ্টি করে না,,,,,,,,,,,,
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৩

লেখক বলেছেন: লোকজন যদি থার্ড ক্লাস পোস্টরেই পছন্দ করে, আপনের মত জ্ঞানী রামছাগলদের ভাত না দেয়, কি আর করবেন? এইটার নাম ডেমোক্রেসি, এইখানে আমাগো মত সাধারণ মানুষের ভাত বেশি, মহাজ্ঞানী ছাগলদের ভাত কম, দেখা যাচ্ছে এইখানে বেশিরভাগ লোকই আমার মতই ম্যুভি সম্পর্কে কিছু জানেনা। :)
আর হ্যাঁ, আপনের মাথা গরমকাল আসার আগেই কিন্ঞ্চিৎ গরম হয়ে আছে, আপাতত দূরে বইসা ঘাস চাবান, শিংওয়ালা রামছাগলদের আমি বেড়া দিয়ে বাইরে রাখি। :)

৮২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২২
সাজিদ বলেছেন: আপনার পোস্টের বক্তব্যের সাথে সহমত। যারা আমাদের চলচিত্র নিয়ে শুধু নেগেটিভ কমেন্ট করে তারা অনেকে না জেনেই করে। আমাদের গোলাপী এখন ট্রেনে দেখলাম অসাধারন একটা মুভি।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫২

লেখক বলেছেন: নিজেদের পণ্য একেবারে খুব বেশি ভাল না হলেও সেটাকে যদি যথাযথ প্রচার না করে বাইরের পণ্য নিয়ে লাফঝাঁপ করি, তাহলে কি হতে পারে ভারতীয় ম্যুভির বাজার দখলই সেটার প্রমাণ। ভারতের কাছ থেকে এত কিছু আনি, ওদের দেশপ্রেম আর বিপণন কৌশলটাই শুধু আনি না।

৮৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৪
সাজিদ বলেছেন: দেশের কিছু মানুষ আছে কথায় কথায় দেশের সবকিছু নিয়ে গালাগলি করতে পছন্দ করে। আমাদের দুর্ভাগ্য সত্যকারের জাতিয়তাবাদি নেতৃত্ব পেলাম না আমরা। থ্রী ইডিয়ট দেখলাম সব বড় বড় শিল্প গ্রুপগুলো তাদেরকে স্পন্সর করেছে। আমাদের দালাল মতি সাহেব বাংলা সিনেমা নিয়ে রম্য করেন আর ভারতীয় নায়িকার বাথরুমে পড়ে কোমর ভাংলেও সেটা নিয়ে খবর করেন।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২১

লেখক বলেছেন: মতি মিয়া ব্যবসা ভাল বোঝেন, আর খালি মতি মিয়ার দোষ দিয়ে লাভ কি, হিন্দি নিয়ে কিছু বললে জনতা যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে, সেই সুযোগে মতি মিয়ারা দু'পয়সা কামাবে এতে আর বিচিত্র কি?

৮৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৬
ড়ৎশড় বলেছেন: ফারহান ভাই,ছবিটা দেখে আমার বিশেষ নতুন কিছু মনে হয়নাই।মুন্না ভাই,ইডিয়ট সব এক ধাচেই গড়া বলে মনে হয়েছে।স্লামডগ কি করে অস্কার পেলো আমি আজো বুঝিনা।

পোস্ট অনেক দেরীতে পড়লাম ভাইয়া।অফিসের কাজের চাপে ঠিকমতো ব্লগেও বসা হয়না।দৌড়ের উপর আছি।ভালো থাকেন আর দোয়া রাইখেন।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: দৌড়ের উপর থাকা ভাল, তারমানে ভবিষ্যৎ উজ্ঝ্বল। :)

৮৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৪
নিয়াজ মোরশেদ বলেছেন: অনেক পরে যোগ দিলাম!!
ভালো বিশ্লেষণ।

মুভি টা রিলিজ হয়ার পর থেকে FB তে মানুষজনের স্ট্যাটাসে "আল ইজ অয়েল"
আর "Give me sunshine....." এই দুইটা দেখতে দেখতে ত্যাক্ত-বিরক্ত।

ওদেরকে একটু পড়ানো গেলে ভালো লাগতো।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: জনগণের স্বাধীনতা, যার নাম গণতন্ত্র, কি আর করা!

৮৬. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৪
মানিকের পৃথিবী বলেছেন: give me sunshine আমারও ফেবুতে ছিল,কিন্তু মুভিটা দেখে আমার একটা কথাই মনে হয়েছিল,এটা একটা মুভি,বাস্তব না।বাস্তব এতো নাটকীয় না।আজ আপনার পোস্ট পড়ার পরে মার্কেটিং ব্যাপারটা মাথায় ঢুকল।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: ভারতীয়দের মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি বেশ ভাল, সন্দেহ নেই। খালি যে আমরা খাই তা না, বরং কেউ খেতে মানা করলে তেড়েও আসি।

৮৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
মাহবুবা আখতার বলেছেন: হুমম.. থ্রি ইডিয়টস দেখি নাই (যেকোন মুভিই কেন যেন ভীষণ ক্রেইজে থাকার সময় না দেখে একটু পরে দেখা হয় আমার)। তবে মনে হচ্ছে জেনুইন বিরক্তি থেকেই লেখাটা লিখে ফেলেছেন :D... দেখার পরে বুঝব।
ওহ, ড্যানি বয়েলের মুভিটা আমার কাছে ভালোই লেগেছিল, মুভি বলতে বিনোদন বুঝালে স্লামডগে সেটা ছিল। হিন্দি মুভি নিয়ে আমাদের দেশে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি নতুন না। ছোট একটা উদাহরণ দেই, ছোটবেলায় স্কার্ট খুব প্রিয় পোশাক ছিল, টিন এজে এসেও সেই পছন্দ দূর হয়নি, কিন্তু স্কার্ট পরতে পারতাম না; কারণ পরে বের হলে টের পেতাম মানুষজন সমালোচকের চোখে তাকিয়ে থাকে। আশ্চর্য বিষয় হল সেই একই বাংলাদেশে দু'চারটা বছর পেরোতে না পেরোতেই দেখছি ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েরাও স্কার্ট পরে দিব্যি ঘুরছে, কারো কাছে সেটা সমালোচনার বিষয় না, একমাত্র কারণ হল এই স্কার্টের নাম "ফানা স্কার্ট", এটা হিন্দি মুভির আমদানি। এখন আর স্কার্ট পরা টিন এজারদের দিকে কেউ আজবভাবে তাকায় না। যে জিনিসটা বছরের পর বছর ধরে সমালোচনার বস্তু থাকতে পারে, সেটাই হঠাৎ ফ্যাশান হয়ে যেতে পারে সপ্তাহের মধ্যে. কেবল সেটাকে হিন্দির মাধ্যমে আসতে হবে। এই বিষয়টা আমার কাছে খুব আজব লাগে। 'গাজনী' এত হিট হল, পুরো বাংলাদেশ সেটা দেখে ফেলল, কিন্তু সিমিলার বিষয় (শর্ট টার্ম মেমরি লস পেশেন্টের রোমান্স) নিয়ে হলিউডি মুভি 'ফিফটি ফার্স্ট ডেটস' তেমনভাবে ইয়াংরা দেখেনি। আমাদের দেশের মানুষের (অর্থাৎ একটা বড় অংশের) রুচী এবং পছন্দ কোন একভাবে ইন্ডিয়ার পকেটস্থ হয়ে গেছে। আমির খান বলেন আর জামির খান বলেন, একটা হিন্দি মুভিতে কোন একটা বিষয় একটু চটকদার করে দেখালেই হল, দেশ ছেয়ে যায় একেবারে....
যাক গে, আপনার লেখাটা ভালোই লাগলো। শুধু ইন্ডিয়া না আসলে বিশ্বের বহু উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশই তাদের গার্বেজ আমাদের দেশে ডাম্প করে, নতুন কিছু না। দোষটা আসলে আমাদেরই, আমরাই ওগুলো ভিক্ষা করে আনি। লেখায় +
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: এতা শুধু ভারতীয়দের দোষ দেই না, সত্যি বলতে কি, ওদের একেবারেই দোষ নেই, ওরা দেশপ্রেমিক, নিজেদের পণ্য থেকে ফ্যাশন বা চিন্তাধারা সবই আমাদের উপর ডাম্প করার চেষ্টা করবে। আমাদের মানসিক দৈন্য এখন এমন জায়গাতেই চলে গেছে যে নিজেদের পণ্য ভাল না খারাপ ভেবেও দেখি না, বাইরে থেকে যে বস্তাপচা জিনিসই আনুক সেটাই ঝাঁপিয়ে পড়ে খাই, এখন আর মার্কেটিংও করা লাগে না। খালি যে আমরা খাই তা না, বরং কেউ খেতে মানা করলে তেড়েও আসি।

৮৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০
আকাশদেখি বলেছেন: আমরা নিজেরা তো মরেই গেছি, আমাদের পরের প্রজন্মকে একটু বাংলাদেশের নিজের হাওয়াতে নিঃশ্বাস নেবার সুযোগটা করে দিলে ভাল হয় না?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৭

লেখক বলেছেন: হয়, কিন্তু আমরা কি সেটা চাই?

৮৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১১
জাতি জানতে চায় বলেছেন: জটিল লেখা হইছে! দেখা হয় নাই একটাও। স্লামডগের সারাংশ শুইন্যা দেখার ইচ্ছাই চইলা, তয় থ্রি ইডিয়টস দেখার সুযোগ হলে দেখবো! হিন্দি সিনেমা অত গভীর হয় না, যদ্দুর হয় তা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বা সাউন্ড কম্পোজিশন দিয়া!! এর থেকে পুরান টারমিনেটর-২ এখনও ব্যাপক মজার!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: টারমিনেটর ২ তো এখনো মজা লাগে, আজগুবি জিনিসও মেকিংয়ের জন্য কি হয়ে যায়! থ্রি ইডিয়টস কিন্তু টাইম পাসের জন্য খারাপ না, আদর্শ মাইনা মাথা নষ্ট না করলেই হয়।

৯০. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হতাশ , অনেক আশা নিয়ে দেখতে বসেছিলাম । পুরোটাই হতাশ হলাম । আমির খানের এর আগে লগন , তারে জামিন , রাং দে ..... দেখেছি । থ্রি ইডিয়টস কে সবার নিচে রাখলাম । একটা শক্তিশালী মেসেজ আছে মুভিতে , কিন্তু সেটার জন্য যে এক্সামপল গুলো সেট করা হয়েছে , সেগুলো ফ্যান্টাসি জগতের কল্পনা । এটা দেখার পর স্লামডগকে অনেক দারুণ মুভি মনে হচ্ছে ।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: খানিকক্ষণ হাসা যায়, কিন্তু সমাধান গুলো পুরাই আজগুবি। ৪০০ পেটেন্ট কি গাছে ধরে? পড়াশোনা না করেই বিশাল আবিষ্কারক, এগুলোকে আবার আমাদের আনিসুল সাহেব তরুণদের আদর্শ হিসাবে নিতে বলেন।

৯১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৯
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
আগেই পড়েছি। মন্তব্য করা হয়নি।
ছবিটা দেখেছি, হাসতে পেরেছি, তাই ভালো লেগেছে।

স্রেফ একটা কমেডি ছবি।
ব্যস, এতোটুকুই!

কিন্তু এটা নিয়ে বাঙালদের কোস্তাকুস্তি দেখে বেজায় রাগ লাগছে, বিশেষ করে সেই দলে যখন আনিসুল হকের মতো মানুষও থাকেন।

আমাদের সমস্যা হলো, দাদারা যা-ই প্রসব করে তাই আমাদের জন্যে অমৃত! সোনামুখ করে গিলতে হবে, নইলে যে ব্রাত্য হবো, হাহ্‌!!
-----
কোনো ঘটনা নিয়ে মেজাজ খারাপ না হলে দেখছি তোমার নতুন লেখা বেরোচ্ছে না! মেজাজ খারাপ হওয়ার মতো কিছু করবো?
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন: আনিসুল হক গন কেস, অনেক আগেই বিক্রি হয়ে গেছেন। তবে এতটা অধঃপতন আশা করিনি, আমরা বারবারই শুধু হতাশই হই। দাদাদের দেশপ্রেমটা অনুসরণ করলে যে এতদিনে আমরা অনেক উপরে উঠে যেতাম, তাতে সন্দেহ নেই, দুর্ভাগ্য যে আমরা ওদের অপসংস্কৃতিটাই শুধু অনুসরণ করি।

৯২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৪
মানবী বলেছেন: "শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তব কিছু সমস্যা খুব প্রকটভাবে উঠে এসেছে, যেটা ভারতে কেমন জানি না, বাংলাদেশের জন্য খুবই সত্যি।"

- আমার কাছে মনে হয়েছে সিনেমাটিতে ভারতীয় ছাত্রদের আত্মহত্যার যে পরিসংখ্যান জানানো হয় তা সত্য হলে এটি ভারতীয় প্রেক্ষাপটে তাদের জন্য কিছুটা গুরুত্ব বহন করলেও বাংলাদেশের জন্য একটি বিনোদনমূলক ছবি মাত্র। ছবিটিতে একটি বড় কন্ট্রাডিকশন আছে, নায়কদের ক্ষেত্রে শিক্ষা যেমনই হোক, নিজের ইচ্ছমতো প্রফেশন গ্রহনটা উৎসাহিত করে; অথচ খলনায়ক(নায়িকার বয়ফ্রেন্ড) যখন একই কাজ করে তখন তাকে "গাধামী" বলে অভিহিত করে।

আর সিনেমাটি হলিউডের ছবি নয়, ভারতীয় লেখক চেতন ভগতের উপন্যাসের উপর বেজ করে বানিয়েছে, যদিও চলচ্চিত্রের খাতিরে উপন্যাসটিকে অনেক অদল বদল করা হয়।


ভারত বা ব্রিটেন, কোনটির প্রতি কোন বিশেষ ভালোলাগা নেই, তবু নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে স্লামডগ মিলিয়নিয়ার আমার কাছে ওয়েল মেড ম্যুভি মনে হয়েছে।

ধন্যবাদ ফারহান।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩২

লেখক বলেছেন: শেষমেশ কপিরাইট নিয়েও একটা ঝামেলা আছে, মোটের উপর এরা নকলবাজি থেকে কিছুতেই কেন যেন বের হতে পারে না। স্লামডগেরটা ব্রিটিশ পরিচালক, আরেকটু ওয়েল মেড, তবে হাইপের কারণেই অস্কার পেয়েছে মনে হলো, এমন আহামরি কিছু লাগেনি।

৯৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
দেরিতে হইলেও লেখাটা পড়লাম ।

স্লামডগ মিলিনিয়ার এখনও দেখা হয়নাই । নো কমেন্টস ।


থ্রী ইডিয়টস দেখে বিনোদীত হইছি , ওইটুকুই ।
প্রচুর অসামঞ্জস্যতা আছে, যেগুলো মুভিতে দেখতে উপভৌগ্য হইলেও বাস্তবে
এর কাছ দিয়াও যাওয়া যাবে না । এই কারণেই এই মুভিকে আহামরি কিছু ভাবার কারণ নাই ।

শাহরুখ খান সাহেবের ..মি . খান মুভিটাও দেখলাম , তেমন ভালো লাগে নাই ।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: পড়াশোনা কাজকাম কিছু না কইরাও যদি সাইন্টিস হওয়া যাইতো তাইলে দুনিয়ার আর কেউ হইতো না। ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়া বাচ্চা পয়দা আর আজগুবি কিছু বাদ রাখে নাই, আরেকটু বাস্তবের দিকেও যাইতে পারতো। বাস্তবে পোলাপান এই ম্যুভিরে আদর্শ ভাবলে আর আনিচুল হক সাহেব এইটার পক্ষে প্রচারণা চালাইলে তাই আতঙ্কিত না হয়া পারি না।

৯৪. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৭
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: এটা স্রেফ একটা টাইম পাস মুভি। অবশ্য সনাতন কাল থেকে শুনে আসা জোকস গুলো দেখে মাঝে মাঝেই হাসি আসেনি। বরং জানে তু ইয়া জানেনা'র আজগুবি সিনগুলোতে বেশি হাসি আসে।

সাধারনত যে সব হিন্দী সিনেমা হিট হয়, তার সবগুলোই পুরোটাই আজগুবি। এই সিনেমায় ৯৫ভাব আজগুবির সাথে ৫ ভাগ বাস্তব মেশানোর চেষ্টা করা হয়েছে, আর তাই পাবলিক ধরে নিয়েছে দেশ পরিবর্তনের একমাত্র হাতিয়ার এই সিনেমা।

এটি নিয়ে মানুষের মন্তব্য আর ধারনা দেখলে হাসি লাগে, তবে একটু বিরক্ত হই - আনিসুল হকের এরকম মন্তব্যে।

৪০০ পেটেন্ট!!!!! আসলেই ভয় পাইলাম!

আরো অবাক লাগে - বাংলাদেশের মানুষের এই সিনেমা নিয়ে আদিখ্যেতা দেখলে, অথচ আমাদের নিজস্ব মুভিগুলো নিয়ে এরকম করতে দেখিনি, জয়যাত্রা'র সময়ও না।

পোস্টে +
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১২

লেখক বলেছেন: "এই সিনেমায় ৯৫ভাব আজগুবির সাথে ৫ ভাগ বাস্তব মেশানোর চেষ্টা করা হয়েছে, আর তাই পাবলিক ধরে নিয়েছে দেশ পরিবর্তনের একমাত্র হাতিয়ার এই সিনেমা।"
পাবলিক ভাবতে পারে, তবে আনিসুল হক টাইপ লোকেরা যখন এরকমই বলে তখন জিনিসটা খালি দুঃখজনক না, সন্দেহজনকও মনে হয়। লোকজন এই সিনেমার আজগুবি ধারণা অনুসরণ করা শুরু করলে যে কি হবে!

৯৫. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৬
প্রতীক্ষা বলেছেন: হুম্‌ম্‌ সব মেজাজ খারাপ করা লিখা
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেকটাই।

৯৬. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৫০
জাকির সজিব বলেছেন: ভাল লেগেছে অাপনার বিশ্লেষন, তবে অামি অাপনার সব কথার সাথে একমত নই যদিও কিছু কথার সাথে অবশ‍্যই একমত। সে যাই হোক।

লিখবেন ভবিষ‍্যতে অাশা করি।
১১ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন: দ্বিমত থাকবেই, ব্যাপার না। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৩৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
খুব সাধারণ মানুষ ..এখনো বেকার,পড়ছি পুরকৌশল এ। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ