বাঙ্গালি বড়ই ধর্মপরায়ণ জাতি।আমাদের ১২ মাসে তের পার্বণ, খুঁজলে দেখা যাবে তার ১২টাই ধর্মীয়। পার্বণ বলেই মনে হয়, ধর্ম যতটা না আমাদের জীবনব্যবস্থা তারচেয়ে অনেক বেশি ছিল আচারকেন্দ্রিক সেই আদিকাল থেকেই, সে আদিকালের হিন্দু থেকে বর্তমানের মুসলিম পর্যন্তও। ধর্ম যখন মূলে না গিয়ে আচারে থাকে সেটা নিয়ে ধর্মবেত্তাদের আপত্তি থাকতে পারে কিন্তু সাধারণ মানুষের আপত্তি করার কিছু নেই, অন্তত যতক্ষণ সেটা অন্যের জন্যে মাথাব্যথার কারণ হয়ে না দাঁড়াচ্ছে। কিন্তু যখন এই আচারসর্বস্ব ধর্মকেই জীবনব্যবস্থার খোলস দিয়ে ঝামেলা শুরু হয় আর সেটাকেই মূল ধর্ম বলে লোকজনকে গেলানো হতে থাকে, তখন সেটা নিয়ে হালকা মাথা ঘামালে আশা করা যায় বাংলার মডারেট মুসলিম সমাজ বিশেষ আপত্তি করবেন না।
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি বা ধর্মীয় আচারের জন্য শুধু এই নিরীহ বাঙ্গালির উপর খড়্গ ধরার মানে নেই, পুরো উপমহাদেশেই এই রোগ পুরানো। হিন্দু ধর্মের নাকি ৩৩ কোটি দেবতা, সে থাকুক, কিন্তু বাঙ্গালি হিন্দুর মাঝে মনে হয় আচার-অনুষ্ঠানের দেবতার প্রভাবখানাই সবচেয়ে বেশি ছিল। অল্পস্বল্প ইতিহাস যা দেখা যায়, নিজের মনে নিজের ঘরে ধর্ম পালনের চেয়ে প্রতিবেশীর বিধবাটা কি খেল কই গেল বা অমুকে কোন পাপ করলো সেদিকেই আমাদের পূর্বপুরুষদের দৃষ্টি ছিল বেশি আর তা নিয়ে কথা বলতে গেলেই সমাজে একঘরে করার রেওয়াজ তো আজ পর্যন্তও চলে আসছে, শুধু পক্ষটা বদলে গেছে, ব্রাহ্মণ পুরুতের বদলে এখন মোল্লারা এই পবিত্র দায়িত্ব পালন করে থাকেন। ভারত কাগজে-কলমে একখানা সেক্যুলার রাষ্ট্র কিন্তু গুজরাটে দাঙ্গা লাগলেই কেন যেন "মেরা ভারত মহান" বাণীকে কাঁচকলা দেখিয়ে রামদা নিয়ে ধর্মরক্ষায় শিবসেনারা শিবের ষাঁড়ের মত বেড়িয়ে পড়ে। গান্ধীজী নিজে ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন এমন কথা শোনা যায় না, তাঁকে সমান সমান করতেই ওদিকে গজালেন কিস্তি টুপি পরা নিয়মিত মদ্যপায়ী জিন্নাহ হুজুর, মুসলমানদের জন্য "লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান" বলে যিনি কিনা কায়েদে আজম বনে গেলেন। পৃথিবীর বর্বরতম জাতিটার অধীনে যে আমাদের ২৪টা বছর নরকযন্ত্রণা পেয়ে শেষমেশ আরেক নরক দেখে মুক্তি পাওয়া লাগলো, সেজন্য জিন্নাহ-নেহেরুর সাম্প্রদায়িকতার সাথে উপমহাদেশের অধিবাসীদের ধর্মীয় বাড়াবাড়িকে দায় না দিয়ে পারা যায় না।
বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে যে বাংলাদেশিদের ধর্ম সম্পর্কে ধারণা তেমন বদলেছে সেটা মনে হয় না, তারা ধর্মেও আছে, জিরাফেও আছে।
পাকিস্তানীদের দেখেই যথেষ্ট শিক্ষা হওয়া উচিত ছিল, অদ্যাবধি সেটা হয়নি, ধর্মটা ক্রমশই আরো বেশি করে ব্যক্তিগত জীবনাচরণ আর বিশ্বাস থেকে লোকদেখানো আচার আর উন্মাদনার দিকে চলে যাচ্ছে। ধর্ম শব্দের অর্থই হলো ধারণ করা, কাজেই যা বিশ্বাস করো সেটা নিজের মাঝে ধারণ করো, জীবনে সেটার ১০০ ভাগ প্রতিফলন না আসুক অন্তত চেষ্টা থাকুক, ধর্ম বলতে এই অধমের এটাই ধারণা। মুসলমান নাকি হিন্দু নাকি খ্রিস্টান সেটা মুখ্য না, মুখ্য হলো যা বিশ্বাস করি তা পালন করি কিনা। বিষয় হলো, আমরা সম্ভবত জানি-ই না আমরা কি বিশ্বাস করি, ধর্ম নিয়ে ১৪ পুরুষ যা বলেছে সেটাই যথেষ্ট, নিজে জানার সময় কোথায়? তবে দেখাতে তো হবে আমি ধার্মিক, ভণ্ড সমাজে বেশ কল্কে পাওয়া যায়, কাজেই আচারে আছে সেরের উপর সোয়া সের। জুমা'র নামাজে ভিড় দেখলেই বোঝা যায় ঘটনা কি, সপ্তাহে ছ'দিন মসজিদ ফাঁকা, শুক্কুরবারে রাস্তা বন্ধ। ঈদের নামাজে তো কথাই নেই, তা লোকজনের সাথে সাক্ষাৎ হয়, বিষয়টা মন্দ না। সমস্যা দাঁড়ায় যখন শুক্কুরবারে জুমার নামায পড়তে গিয়ে বায়তুল মোকাররমে দুই দল মুসুল্লি জুতা-স্যান্ডেল নিয়ে খতিব নির্ণয়ে নেমে পড়েন, তখন পুরো ধর্মকেই হাসির পাত্র করা ছাড়া আমরা আর কি পাই, বলা মুশকিল।
যাকগে, ছোটখাট সাময়িক মতিভ্রম, উড়িয়ে দেয়া গেল। ধর্ম নিয়ে পড়াশোনার সময় কোথায়, পেটে ভাত না থাকলে তত্ত্বকথা কানে ঢোকেও কম। তুমি আচার পালন করো, আমাকে জ্বালাতন কম করো, আমি খুশি। সে আবার বাঙ্গালি করবে না, সবাই মিলে গুষ্ঠীসুখ না নিলে আমাদের চলে না। কাজেই মিলাদ করো, মাইক মারো, আর তোমার ধর্ম খারাপ, আমারটা ভাল, ও ব্যাটা তো আসল মুসলমান না, এর বউ ঘোমটা দেয় না, ওর মেয়ে ছেলেদের সাথে ঘোরে, এই নিয়ে শুরু করো পরচর্চা। নিজের ঘরের বউ বাজারে যাবে খালি মাথায় কিন্তু ওদিকে প্রতিবেশীর বাসায় গেলেই বোরকা পরা বাধ্যতামূলক, এদিকে বাসায় ফিরে আরেক দফা পরচর্চা। বলি, ইসলামে কোন জায়গায় অন্যের দোষ ধরার জন্য জান্নাত কবুল করেছে? ওদিকে কোরবানী চলে এলো, বাজারের সবচেয়ে বড় গরুটা কিনতে হবে, পাশের বাসার হাজী সাহেব কিনেছেন দেড় লাখে, আমারটা ৩ লাখ হতে হবে। টাকাগুলো কোথা থেকে আসে সে আরেক ইতিহাস, ঢাকাইয়া হাজীরটা সম্ভবত চালের সিন্ডিকেট দিয়ে লোকজনকে জিম্মি করে, এদিকে আধুনিক হোয়াইট কলার গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরটা এসেছে কারখানার শ্রমিকের বোনাস মেরে দিয়ে। ধর্ম তখন পকেটে, টাকা তখন ঈশ্বর, মাথায় টুপি মুখে দাঁড়ি কিন্তু টংকেশ্বরের কাছে তখন আরশের আল্লাহ আর স্বর্গের ভগবান সবাই অচ্ছ্যুৎ।
কোরবানি যখন চলেই এল, মনে হয় রোজাও আসতে পারে। রমজান মাসের শিক্ষা সম্ভবত সংযম, কিন্তু বাংলাদেশে রমজান মাস এলে মনে হয় আমরা শিক্ষা পেয়েছি অসংযমের অসভ্যতম প্রদর্শনী করার। পয়লা রমজান থেকে রাস্তায় বেরোনো দায়, আক্ষরিক অর্থেই হাজার হাজার শপিং মল আর লাখ লাখ মানুষ সেখানে যার যা আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে কে কতটা অসভ্যভাবে নিজের পকেটের জোর প্রমাণ করতে পারে সেটার প্রদর্শনী করতে। আচারসর্বস্ব ধর্ম কত বেশি বিপজ্জনক সেটা বোঝা যায় এই মাসে, ঈদের দিন বেলায় বেলায় সবচেয়ে দামী পোশাকটা যেন বউ-ছেলে-মেয়ে পরে বের হতে পারে সেজন্য তখন সরকারী লোকজনের ঘুষের রেট বেড়ে যায়, নানা সংস্থার লোকজন ব্যস্ত হয়ে পড়ে ঈদ কালেকশনে, ওদিকে ব্যবসায়ীরা খালি ঈদের দিন কেন, সারা বছরের ফুটানির রসদ যোগার করে নেয় আমজনতার গলায় পা দিয়ে। দ্রব্যমূল্য নিয়ে কি তেলেসমাতি হয় সে বোঝানো মানে বাঙালিকে হাইকোর্ট দেখানো, সেদিকে আর গেলাম না, তবে যে বেচারাদের সারা বছরে ঈদেই দু'চারটা কাপড় কেনার সামর্থ্য থাকে তাদের আর বাজারে ঢোকার সাহস হয় না, লাখ টাকার কাস্টমার যেখানে বিনা দরদামে দু'লাখ ৫ লাখ হাত ঝেড়ে দিয়ে দিচ্ছে সেখানে গরিব-গুর্বাদের দিকে ফিরে তাকাবে এত উদার আমাদের ব্যবসায়ীরা হননি।
এ পর্যন্ত পড়ে কেউ যদি অধমকে নাস্তিক বা মৌলবাদী যে কোন এক দলে ফেলে দেন, দোষ দেব না। সবাইকে ধর্মের মূলে যেতে হবে অথবা ধর্ম ছেড়ে নাস্তিক হতে হবে,এ দাবীও এই অধম করে না। তবে কিনা, একটু চিন্তাভাবনা করে ধর্ম যদি পালন করি বা না করি, তবে ক্ষতি কি? এ বেচারা নেহাৎই ভুক্তভোগী তিতিবিরক্ত আরেক আধাভণ্ড আম-বাঙালি, ধর্মের আচারের ঠেলায় যার নাভিশ্বাস উঠে যায় মাঝে মাঝেই। রোজার ঈদে ঘুষখোরের আর সিন্ডিকেটওয়ালা ব্যবসায়ীর ছেলেমেয়ের হালফ্যাশানের জামা আর বউয়ের লাখ টাকার শাড়ির খরচ যোগাতে অধমের পকেট ১ দিনেই ফাঁকা হয়ে যায়, ওদিকে বিনা বাক্যব্যয়ে তাদের ইফতার পার্টির পেছনে লাখ টাকা খরচার ঠেলায় যার ভাল ইফতার করতেও জীবন বের হয়ে যায়। যে ব্যাটা যত দেখাবে সে তত বড় ধার্মিক, এমন ধারণা গেড়ে বসেছে বলেই কিনা, জায়নামাজ থেকে উঠে এসে টুপিখানা মাথায় নিয়েই হাত বাড়িয়ে ঘুষটা পকেটস্থ করেন কেউ, ওদিকে গুদামের মজুদটা ঠিকমত আটকে দিয়ে কাবা শরীফ তওয়াফে চলে যান আরেকজন। এক ঋণখেলাপী আরেক কাঠি বাড়া, কয়েক হাজার কোটি টাকার খেলাপী আজকাল নাকি বাড়িতে বিশ্ববিখ্যাত আলেম এনে ধর্ম শেখান, শোনা কথা। যেমন আমরা, নেতাও জোটে তেমন, কাজেই ধর্মকে পুঁজি করে এরশাদের আটরশির পীর যেমন ওপরে ওঠে, ঘৃণ্য নরঘাতক নিজামী-গোলাম আজমও টিকে থাকে, বাবারে, কত্ত নূরানী লোক, পায়ে ধরে বসলেই বেহেশত। এদিকে এক নেত্রীর পুত্রধন হাজার কোটি টাকা চুরি করে ফুর্তি করেন, উনি দু'দিন পর পর ওমরাহ করেন, আরেক নেত্রী সংবিধানে বিসমিল্লাহয় বড় আপত্তি কিন্তু নির্বাচনের মৌসুম এলেই মাথায় ঘোমটা হাতে তসবিহ উঠে যায়, আর চরমোনাইর পীরের সাথে জোট করতেও বাঁধে না। হবেই, যস্মিন দেশে যদাচার, ধর্ম যেথায় কদাকার, কি আর করা!
আমাদের ছোটবেলায় এক শিক্ষক ছিলেন,মাঝে মাঝেই বলতেন, বেহেশতি মানুষ ভালাভোলা, এত কিছু বোঝে না, এত কিছু ভাবে না, খালি বোঝে নামাজ রোজা কর, পয়সা থাকলে বান্দারে কিছু দানখয়রাত কর,চুরি-ডাকাতি গুলা বন্ধ রাখো, এর বেশি তো আল্লাহয় কোনদিন বলে নাই, এত ভেজালের দরকার কি? কথা সত্যি, কিন্তু সেটা বোঝায় কে? পাশের বাসার যে লোককে ২ বছরেও নিজের বাপকে পেট ভরে খেতে দিতে দেখলাম না, বাপ মরলে মিলাদে পাড়ার লোক দাওয়াত করে খাওয়ালো, মিলাদে হুজুর আকাশ ফাটিয়ে মোনাজাত করলেন, ধর্ম আর সমাজ দুই-ই বেজায় খুশি। তারই ভগ্নিপতি দেখি তারাবীর নামাজে পয়লা কাতারে, কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী খোদাতালার কোন নেয়ামতে ঈদে ২ লাখ টাকার বাজার করে, সেই কুদরতের খোঁজ পেলাম না। তবে মিলাদ যখন বড় হয়েছে, আর ঈদে যখন বড় গরুটাই কোরবানী হবে, আচার পালিত হয়েছে, কাজেই বড় ধার্মিকই হবে নিশ্চয়ই, আমরা বেকুব কিনা, বুঝতে পারছি না। সেদিন টিভিতে দেখি এক মহিলা দাঁত কেলিয়ে জানাচ্ছে, ৫০হাজার টাকায় ১টা শাড়ি কিনতেই হবে, বাকিগুলো আরো বেশি দাম, পরিবারের সবাইকেই দিতে হবে তো! ইচ্ছে করছিলো জুতিয়ে দাঁত ফেলে দিই, দোকানদার যে আমাদের দিকে ফিরেও তাকায় না, সে তো এমনি এমনি না।
ধর্মপালন নিয়ে বলতে বলতে মনে হলো, একটু ধর্মবিরোধ নিয়েও দু'কথা বলি, মার খেলে দু'দিকেই খাই। বাঙালি আবার বিচিত্র ধরণের নাস্তিক, আসল নাস্তিকের সর্ব ধর্মে সমান অবিশ্বাস থাকার কথা, বাঙালি নাস্তিকের কেন যেন ইসলামের দিকেই সকল ক্ষোভ। ব্যক্তিগতভাবে ২-১ জন নাস্তিককে চিনি, পড়াশোনা ব্যাপক, কিন্তু আগ বাড়িয়ে কখনো ধর্ম নিয়ে পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করতে দেখিনি। নাস্তিক্যবাদ যদি বিশ্বাস হয়ে থাকে তো আস্তিক্যবাদের মতই সেটাও নিজের ভেতরেই রাখার কথা, কিন্তু বাঙালি যেমন ধর্মপালনে আচারসর্বস্ব তেমনি বিরোধেও আচারনিষ্ঠ, গলা ফাটিয়ে নবী মুহাম্মদ(সা) কে দু'টো গালি না দিলে তাদের চলে না। অবশ্য লাভের পাল্লাটা মন্দ নয়, ধর্ম যেখানে ইফতার পার্টি আর লাখ টাকার লেহেঙ্গাতে সীমাবদ্ধ সেখানকার বেকুবদের খেপিয়ে তোলা যথেষ্ট সহজ, তাদের কাছে নাস্তিকের কল্লা নেয়া হলো সহজতম সমাধান। আর কপালগুণে যদি তার মাথার উপর দাম ঘোষণা হয়ে যায়, তবে তো পোয়াবারো, বুদ্ধিজীবি সমাজে উচ্চাসনের পাশাপাশি আমেরিকা ইউরোপে আশ্রয়ও জুটে যেতে পারে। অবশ্য তখন যদি তাদের জিজ্ঞাসা করা হয়, "ইন গড উই ট্রাস্ট" যারা লিখে রাখে সেই আমেরিকাতে গিয়ে সেক্যুলারিজমের ক্ষয়ক্ষতি হবে কিনা, তখন এই আধা-মস্তিষ্কধারী নাস্তিকরা পিছলে যাবে। অন্তত ৯/১১ এর আগে যেখানে আমেরিকা নিজের দেশে হলেও ব্যক্তিস্বাধীনতা আর আইনের শাসন নিশ্চিত করে রেখেছিল রাজনীতিতে খ্রিস্টান চার্চের প্রত্যক্ষ প্রভাবকে সঙ্গী করেই, সেখানে সেক্যুলার রাষ্ট্র করে আমরা তাদের কতটা কাছাকাছি চলে যাবো সেটার উত্তরও আমাদের জানা নেই, ধর্ম-অধর্ম তো পরের ব্যাপার, আমরা মনের ভিতরেই দ্বিধাগ্রস্ত, সেই মন আর বিশ্বাস ঠিক না করলে আস্তিক্যবাদ আর নাস্তিক্যবাদ সেই কদাচার, ফলাফলের আশা বৃথা। আমাদের উদ্দেশ্য দেখানো, আমাদের ধর্ম-অধর্ম বিশ্বাস নয়, সেখানেও অন্যকে এক হাত দেখিয়ে দেয়া,সেজন্যই সম্ভবত দোযখে বাঙালির কড়াইতে পাহারাদার থাকে না।
বাইরে থেকে দ্বিধাবিভক্ত জাতি করে গৃহযুদ্ধ, কিন্তু ভেতর থেকে নিজের বিশ্বাসে দ্বিধাবিভক্ত জাত তো থাকে জতুগৃহে, সে আগুন নেভায় কার বাবার সাধ্য?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

