somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হায়রে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট হায়রে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি-বিচার পতি!!!!

০৫ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকের টেলিভিশন সংবাদ এ দেখলাম বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ৪জন বিচারপতির শপথ পাঠ করিয়েছেন প্রধান বিচার পতি।যার মধ্যে ২জন বিচার পতি গত চার মাস যাবত শপথের অপেক্ষায় ঝুলে ছিলেন এবং ২জনকে নতুনভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবিদের প্রথা অনুযায়ী যথারীতি অনুপস্থিত ছিলেন সরকার বিরোধী আইনজীবি প্যানেল।তাঁরা শুধু অনুপস্থিত ই থাকেন নি-নজির বিহীন ভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে প্রধান বিচার পতির সাংবিধানিক কাজে বাঁধারও সৃষ্টি করেছেন।তাঁদের বিশৃংখলার কারনে প্রধান বিচার পতি কে পুলিশের সহায়তায় তাঁর কাজ সম্পন্ন করতে হয়। আমি আইনজ্ঞ নই-তাই জানিনা এ রকম আচরন করার অধিকার আইনজীবিদের আছে কি না। সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন একজন প্রধান বিচার পতির অবশ্য পালনীয় কর্তব্য বলেই জানি।সেই দায়িত্ব পালনে বাঁধা দেওয়া কতটুকু যুক্তিযুক্ত সেটা আইনজীবিগন ই ভালো বলতে পারেন।আমার কাছে যেটা দৃষ্টিকটূ মনে হয়েছে সেটা হচ্ছে-দেশের সর্বচ্চ আইন প্রতিষ্ঠানে রাস্তার রাজনৈতিক ক্যাডারদের মত উচ্ছৃংখল স্লোগান দেওয়া,যা বিচার বিভাগের প্রতি এক প্রকার তাচ্ছিল্যতায় প্রমান করে।

রাজনৈতিক অধিকার সকলেরই আছে। একজন আইনজীবি যে কোনো দল ও মতের প্রতি অনুগত হতেই পারেন।কিন্তু তাঁর পেশাগত প্রতিষ্ঠানের প্রতি সামান্যতম সম্মান প্রদর্শন না করে অন্ধ রাজনৈতিক সমর্থকের ভুমিকা পালন করবে সেটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক!!

সরকারী একটা সিদ্ধান্তকে বিরোধীতা করতে গিয়ে উনারা যেভাবে সুপ্রিম কোর্টের ভাবমুর্তি ধুলায় মিশিয়ে দিলেন, এর পর সেই সুপ্রিম কোর্টের আইন জীবি হিসাবে পরিচয় দিতে তাঁদের লজ্জা করবে কিনা তা তাঁরাই ভাল জানবেন। যে অভিযোগ এনে একজন বিচার পতিকে শপথ পড়ানোর বিরোধিতা করা হচ্ছে-(প্রধান বিচার পতির কক্ষের দরজায় লাথি মারা) আজকের আইন জীবিদের আচরন কি তার চেয়ে কোনো অংশে কম?? আজকের এই ঘটনার সাথে যাঁরা সম্পৃক্ত তাদের মধ্য থেকেও যদি আগামীতে কাওকে বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়-তখনো কি এভাবেই প্রতিবাদ করা হবে? যদি করা হয়-তাহলে কি তা অন্যায় হবে? কারন-দরজায় লাথি মারা আর প্রধান বিচারপতির সম্মুখে বিক্ষোভ করে-তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে ফাইল ছোড়া-তাঁর কাজে বাঁধার সৃষ্টি করার মধ্যে কোনো ব্যাবধান আছে কি??যেখানে আইন,আদালত ও বিচারপতিদের সম্পর্কে কোনো কথা বললেই আদালত অবমাননা করা হয় এবং কঠিন শাস্তির মুখোমুখী হতে সেখানে এ রুপ কর্মকান্ড কি আদালত অবমাননার পর্যায়ে পড়ে না? না কি আইনজীবিরা আদালত অবমাননার আওতায় আসেনা??ক্লিক করুন----

বাংলাতে একটা প্রবাদ আছে-ভাত ছিটালে কাকের অভাব হয় না-ঠিক তেমনি আমাদের দেশের আইনজীবিদের ও টাকা দিলে দল পাল্টাতে সময় লাগে না। টাকার বিনিময়ে তাঁরা যে কোনো মক্কেলের পক্ষে আইনি লড়াই করতে একটুও দ্বিধা করেন না-বলে থাকেন এটা তাঁর পেশা!! সত্যকে মিথ্যা-মিথ্যাকে সত্য বলে নির্লজ্জের মত কথা বলতেও তাঁদের বিবেকে বাঁধে না, অথচ-সেই পেশাগত প্রতিষ্ঠানে উন্মত্ত আচরন করে সেই প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত প্রমান করতে ঐ প্রতিষ্ঠানেরই আইনজীবিরা কত কষরত করলেন।এক পক্ষ হাতে তালি দিচ্ছে আর এক পক্ষ মানি না মানবনা বলে স্লোগান দিচ্ছে,http://www.prothom-alo.com/detailvoid(1);/date/2010-11-04/news/106705
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩৫
৯টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×