রাজনৈতিক অধিকার সকলেরই আছে। একজন আইনজীবি যে কোনো দল ও মতের প্রতি অনুগত হতেই পারেন।কিন্তু তাঁর পেশাগত প্রতিষ্ঠানের প্রতি সামান্যতম সম্মান প্রদর্শন না করে অন্ধ রাজনৈতিক সমর্থকের ভুমিকা পালন করবে সেটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক!!
সরকারী একটা সিদ্ধান্তকে বিরোধীতা করতে গিয়ে উনারা যেভাবে সুপ্রিম কোর্টের ভাবমুর্তি ধুলায় মিশিয়ে দিলেন, এর পর সেই সুপ্রিম কোর্টের আইন জীবি হিসাবে পরিচয় দিতে তাঁদের লজ্জা করবে কিনা তা তাঁরাই ভাল জানবেন। যে অভিযোগ এনে একজন বিচার পতিকে শপথ পড়ানোর বিরোধিতা করা হচ্ছে-(প্রধান বিচার পতির কক্ষের দরজায় লাথি মারা) আজকের আইন জীবিদের আচরন কি তার চেয়ে কোনো অংশে কম?? আজকের এই ঘটনার সাথে যাঁরা সম্পৃক্ত তাদের মধ্য থেকেও যদি আগামীতে কাওকে বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়-তখনো কি এভাবেই প্রতিবাদ করা হবে? যদি করা হয়-তাহলে কি তা অন্যায় হবে? কারন-দরজায় লাথি মারা আর প্রধান বিচারপতির সম্মুখে বিক্ষোভ করে-তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে ফাইল ছোড়া-তাঁর কাজে বাঁধার সৃষ্টি করার মধ্যে কোনো ব্যাবধান আছে কি??যেখানে আইন,আদালত ও বিচারপতিদের সম্পর্কে কোনো কথা বললেই আদালত অবমাননা করা হয় এবং কঠিন শাস্তির মুখোমুখী হতে সেখানে এ রুপ কর্মকান্ড কি আদালত অবমাননার পর্যায়ে পড়ে না? না কি আইনজীবিরা আদালত অবমাননার আওতায় আসেনা??ক্লিক করুন----
বাংলাতে একটা প্রবাদ আছে-ভাত ছিটালে কাকের অভাব হয় না-ঠিক তেমনি আমাদের দেশের আইনজীবিদের ও টাকা দিলে দল পাল্টাতে সময় লাগে না। টাকার বিনিময়ে তাঁরা যে কোনো মক্কেলের পক্ষে আইনি লড়াই করতে একটুও দ্বিধা করেন না-বলে থাকেন এটা তাঁর পেশা!! সত্যকে মিথ্যা-মিথ্যাকে সত্য বলে নির্লজ্জের মত কথা বলতেও তাঁদের বিবেকে বাঁধে না, অথচ-সেই পেশাগত প্রতিষ্ঠানে উন্মত্ত আচরন করে সেই প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত প্রমান করতে ঐ প্রতিষ্ঠানেরই আইনজীবিরা কত কষরত করলেন।এক পক্ষ হাতে তালি দিচ্ছে আর এক পক্ষ মানি না মানবনা বলে স্লোগান দিচ্ছে,http://www.prothom-alo.com/detailvoid(1);/date/2010-11-04/news/106705
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



