somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যে কারণে ড. ইউনূসের সঙ্গে বিরোধে জড়ালেন শেখ হাসিনা

৩১ শে মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


Saleh Shibly
১.
নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে সরকার। আরো সহজ করে বললে, খোদ শেখ হাসিনা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। ড. ইউনূসকে অপমান করার সকল আয়োজন সম্পন্ন করার সময়টিতেই মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেন। ড. ইউনূসের ব্যাপারে কথা বলেন শেখ হাসিনার সঙ্গে। তবে হিলারী পাত্তা পাননি।

শেখ হাসিনা নিজের পথেই হেটেছেন। একা হিলারীই নন বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রীই ড. ইউনূসের পক্ষে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তারা সরাসরিই ড. ইউনুসের বিষয়টির সম্মানজনক সুরাহা চেয়েছেন। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। ইউনুসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে অসৌজন্যমূলকভাবে। হাইকোর্টে সরকারের অবস্থানকে বৈধতা দিয়েছে। এরপর বাঘা বাঘা আইনজীবীদের নিয়ে ড. ইউনূস চেম্বার জজ আদালতে গেলে সেখানেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। বিষয়টি এখন প্রধান বিচারপতির দরবারে। এখন শুধু ড. ইউনুসের অপমানের চুড়ান্ত দলিলে শুধু মোহর মারার অপেক্ষা।
২.
কোন দেশে ক্ষমতাসীন সরকার থাকবে কি থাকবে না, ওই দেশের সরকার মানবিক নাকি অমানবিক, সরকার ভালো কি মন্দ - এমন সার্টিফিকেট ইস্যুর জন্য একম্্াত্র গুরুত্বপূর্ণ দেশ আমেরিকা। আমেরিকার কাছ থেকে পজিটিভ সার্টিফিকেট পেতে অনেক দেশই তাদের মতিগতি বুঝে চলার চেষ্টা করে। বাংলাদেশও এর ব্যাতিক্রম নয়।

কিন্তু ইউনূস ইস্যুতে এবার বাংলাদেশকে ব্যতিক্রম মনে হচ্ছে। শেখ হাসিনা থোড়াই কেয়ার করেছেন আমেরিকাকে। বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের কাছ থেকে সরাসরি এ ধরনের 'প্রত্যাখ্যান' আমেরিকার জন্য বিব্রতকর। এর বহি:প্রকাশ ঘটেছে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যেও। ড. ইউনূসকে সরিয়ে দেয়ার পর অর্থমন্ত্রী ঢাকায় বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছেন। ওই বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসেই মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন "বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র অস্বস্তিতে রয়েছে। ড. ইউনূস সারাবিশ্বে একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব'।
এখানেই শেষ নয়, হিলারী ক্লিনটন ফোন করেছেন ড. ইউনূসকে। বলেছেন ,যুক্তরাষ্ট্র তার পাশে রয়েছে। মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী রবার্ট ব্লেক ঢাকা সফর করে কোন রাখঢাক না রেখেই বলেছেন "ইউনূস ইস্যুটি দু'দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে"।
৩.

এই মুহুর্তে সরকার সবদিক থেকেই চাপের মুখে রয়েছে। খাদ্য সংকট, চাল ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আইন শৃংখলার কথা যত কম বলা যায় ততোই ভালো। এরপর গোঁদের উপর বিষফোঁড়ার মতো মধ্যপ্রাচ্যের জনশক্তি রপ্তানীতে ধ্বস।

বর্তমান সরকারের গত দুই বছরে কোন দেশেই জনশক্তি রপ্তানী বাড়েনি, উল্টো লিবিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ফিরে আসছে হাজার হাজার শ্রমিক। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ডা. দীপু মনি নিয়মিতই আকাশে উড়ছেন। তাকে বলা যায় 'পরের রাষ্ট্রের মন্ত্রী'। তারপরও কোন দেশ থেকেই কোন সুখবর বয়ে আনতে পারেন নি। এতসব সমস্যা সামনে রেখেও হঠাত করেই ড. ইউনূসকে অপসারনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা পশ্চিমাদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন।
৪.

ড. ইউনূসের সঙ্গে সমস্যাটি কি নিয়ে এটি নানাজন নানাভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনায় পিছিয়ে নেই দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা। ইনিয়ে বিনিয়ে নানামুখে নানা কথা আসলেও বিষয়টি অনেকটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন সরকারের করিতকর্মা অ্যাটর্নী জেনারেল মাহবুবে আলম। বলেছেন, 'চট্টগ্রামে 'শান্তিচুক্তি করার সাফল্যে শেখ হাসিনা এবং সন্তু লারমার নোবেল পাওয়া উচিত ছিলো'।

শেখ হাসিনা নোবেল পুরষ্কার পেলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। তবে জেনে রাখা ভালো, নোবেল পুরষ্কার ড. ইয়াজউদ্দিনের হাতে নয় যে চাইলেই বন্দুক টেবিলে রেখে একজন মইন উ আহমেদ সেটি ছিনিয়ে নিয়ে আনতে পারবে কিংবা খালেদা জিয়ার বাড়ী নয় যে আইনের মারপ্যাঁচে সেটি তড়িঘড়ি দখল করে নেয়া যাবে। এরজন্য সময়ের প্রয়োজন।

প্রয়োজন কিছু প্রক্রিয়ার। এটি জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তনের মতো এতো সহজ কাজ নয়। রাষ্ট্রের সর্ব্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা এ্যাটর্নী জেনারেল নি:সন্দেহে জানেন, আদালত চাইলে সংবিধান পরিবর্তন করে ফেলতে পারেন, জাতীয় সংসদ চাইলে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করতে পারেন, আইন মন্ত্রনালয় চাইলে সংবিধান পূনর্মুদ্রন করে বাক্সবন্দী করে রাখতে পারেন, কিন্তু চাইলেই নোবেল প্রাইজ আদায় করা সম্ভব নয়। নোবেল পুরষ্কার পাওয়া না পাওয়া নিয়ে নিয়েও বিতর্ক রয়েছে, এটি সত্য, কিন্তু তাই বলে এই পুরষ্কারটিকে কবি আব্দুল খালেকের প্রতি বছরের শেরেবাংলা পদকের মতো বিবেচনা করা ঠিক নয়।


শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ২৬ জানুয়ারী যুক্তরাজ্য সফর করেন। ওই সময় দ্যা নেক্সট স্টেপ ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠনের দেয়া পুরষ্কার গ্রহন করেন তিনি। এই পুরষ্কারটি এর আগে পেয়েছিলেন অভিনেত্রী শিল্পা শেঠী এবং অভিনেতা জ্যাকি চ্যাং। সেই পুরষ্কারটি এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করলেন শেখ হাসিনা। এ্যাটর্নী জেনারেলের চোখে যিনি নোবেল পুরষ্কার পাওয়ার স্বপ্ন দেখেন তার জন্য এই পর্যায়ের পুরষ্কার গ্রহন শোভন কিনা এই বিষয়টি অ্যাটর্নী জেনারেল ভেবে দেখতে পারেন।

৫.

ড. ইউনূসকে সরানোর পর সরকারের সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের সম্পর্ক খারাপ হবে এটি সবাই বলাবলি করছেন। পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হচ্ছে। টকশো'র নিয়মিত আইটেমে পরিণত হয়েছে ড. ইউনূস প্রসঙ্গ। এটিই স্বাভাবিক। ড. ইউনূস এর সঙ্গে সরকারের এই আচরণ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে বিশেষ করে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে এটি বোঝার জন্য আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক হওয়ার প্রয়োজন নেই। একজন সাধারণ নাগরিকও বুঝেন।

কিন্তু এ বিষয়টি শেখ হাসিনা বুঝেন না এমনটি ভাবার কোন কারণ নেই। বরং শেখ হাসিনা বুঝেশুনেই ঠান্ডা মাথায় ড. ইউনূসকে অপমান করছেন। তাকে সারা বিশ্বে বিতর্কিত করেছেন। তার কৃতিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।

৬.
এখন প্রশ্ন হলো, শেখ হাসিনা কেন এটি করছেন?

এটি এখন অনেকেই বলেন, শেখ হাসিনা মনে করেন তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে পরিচিত হবে বাংলাদেশ। সারাবিশ্বের জনগণ একনামে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে চিনবে। এ কারণেই শাহরুখ খান কিংবা অন্যান্য ভারতীয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের বাংলাদেশে এসে নাচগান শুরু করার আগে বলতে হয় 'বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ'।


কিন্তু ড. ইডনূসের নোবেল পাওয়ার পর এখন 'বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ' পরিচয়ে ভাগ বসিয়েছেন ড. ইউনুস। এটি শেখ হাসিনা মেনে না নিতে পারলেও বাস্তবতা হলো সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন পরিচিত ড. ইউনূসের নামে। ড. ইউনুস বিশ্বে পরিচিত হয়ে উঠেছেন আপন মহিমায়, কর্মের মাধ্যমে। বাংলাদেশের অধিকাংশ বিখ্যাতজন যেখানে আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপি ঘেঁষা সেখানে ড. ইউনূস আলাদা একজন।

ড. কামালের মতো বিশ্বখ্যাত আইনজীবীর ওপর থেকে আওয়ামী লীগ সমর্থন তুলে নিলে রাতারাতি তার জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামে। স্বমহিমায় উজ্জল ড. ইউনুস এখানেই ব্যাতিক্রম। সারাবিশ্বে ড. ইউনূসের অপ্রতিরোধ্য গ্রহনযোগ্যতা এবং খ্যাতি হয়ত মেনে নিতে পারছেন না শেখ হাসিনা। এটি শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সমস্যা। কিন্তু এই সমস্যার সঙ্গে তিনি জাতিকে জড়িয়ে ফেলেছেন। তার মনে এই প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে, কার নামে পরিচিত হবে বাংলাদেশ ? বঙ্গবন্ধু নাকি ড. ইউনূস?

(অথচ বিষয়টা এমন হওয়া হওয়া দরকার ছিলো যে এরা নিজ নিজ অবস্থানে সমুজ্জ্বল).



ড. ইউনূস প্রসঙ্গে প্রফেসর জাফর ইকবাল লিখেছেন " সত্তর ও আশির দশকে বাংলাদেশ পৃথিবীর সামনে পরিচিত হতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে। এই সরকার বিশ্বাস করুক আর না-ই করুক, এই দশকে পৃথিবীতে বাংলাদেশ পরিচিত হয় প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে দিয়ে'।

প্রায় একই সুর বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ম্যাগাজিন দ্যা ইকোনোমিস্ট এর একটি প্রতিবেদনে। ড. ইডনূসকে নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দ্যা ইকোনোমিস্ট লিখেছে, 'ড. ইউনুসের জনপ্রিয়তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রয়াত পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকেও ছাড়িয়ে যায়, যিনি ১৯৭১ সালে দেশকে স্বাধীন করতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। শেখ হাসিনাকে যারা ব্যক্তিগতভাবে চেনেন তারা জানেন, এ তিক্ততা হজম করা শেখ হাসিনার কাছে কঠিন'।


ড. ইউনূস সারবিশ্বে পরিচিতি ও খ্যাতির যে পর্যায়ে গিয়েছেন সেখান থেকে তাঁকে সরানোর কোন উপায় নেই। এ অবস্থায় শেখ হাসিনার প্রথম কাজটিই হলো ড. ইউনূসের চরিত্রে কালিমা লেপন করা, বিতর্কিত চরিত্র হিসেবে তাঁকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করা, গ্রামীন ব্যাংককে বিতর্কিত করা এবং এটি প্রমান করা ড. ইউনূস বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব,তিনি লোভী, তিনি অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীন ব্যাংকে রয়েছেন।

ড. ইউনুসকে শেখ হাসিনা ইচ্ছে করে এমন একটি বিতর্কের মধ্যে ঠেলে দিয়ে কোর্টে পাঠিয়ে কিছুটা হলেও সফল হয়েছেন। ড. ইউনুসের পক্ষে সারা বিশ্বের সবাই থাকলেও সবাই দেখেছে শুধুমাত্র ড. ইউনুসকে রাখার জন্যই গ্রামীন ব্যাংক তাদের একটি আইন পরিবর্তন করেছে।
নিজের পিতার 'আনপ্যারালাল অবস্থান ও পরিচিতি রক্ষায় বিশ্ববরেণ্য ড. ইউনূসকে বিতর্কিত করার কূটচালে শেখ হাসিনা কিছুটা সফল হলেও জাতি হিসেবে বাংলাদেশের জনগণকে বিশ্বের দরবারে হেয় করেছেন। শেখ হাসিনার কর্মকান্ডে প্রমাণিত হয়েছে বাংলাদেশ গুনীজনদের সম্মান দিতে জানেনা। তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন একজন প্রতিহিংসাপরায়ণ মানুষ হিসেবে। বাংলাদেশের হাইকোর্ট তাদের পর্যবেক্ষণে শেখ হাসিনাকে 'রং হেডেড' বলে উল্লেখ করলেও আমরা সেটি বিশ্বাস করতে চাইনা। কারন আদালতের আদেশ আমরা মানতে বাধ্য হলেও বিশ্বাস করতে বাধ্য নই। তবে এ ব্যাপারে শেখ হাসিনাকেও তার কার্যক্রমের মধ্যদিয়ে প্রমাণ করতে হবে তার সম্পর্কে আদালতের পর্যবেক্ষন মিথ্যা ছিলো।

১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×