উকিল মোক্তার সিং গেছে তার গবেট জ্ঞাতি ভাই ফটকা সিং কে দেখতে । ফটকা ব্যাটা ফাটকে মানে লাল দালানে আপাততঃ আটক আছে ।
"ফটকারে! বাচপান কালে মানে ইস্কুলে পড়ার সময়ে তো তোর শান্ত শিষ্ট লেজবিশিষ্ট বইলা বিশেষ নাম আছিলো । কেউ তোর কাছা খুইলা দিলেও তারে তুই চুইংগাম গিফট দিতিস । এখন চুল-দাড়ি পাকনের পরে তুই অস্ত্র আইনে ধরা খাইলি? "
"আরে শুনো কেস সেইরম না । কেস অন্য রকম ।"
"কীরম কেস? তুই শালা পেলেন হাইজ্যাক করতে যাস নাই ?"
"আরে তুমি আমার উকিল না রাষ্ট্রপক্ষের খাইষ্টা খচ্চর? এমনিতেই আমার লাইফটা ভাজা ভাজা হইয়া যাইতেছে ঠোলাগো ঠ্যাংগানিতে ।"
"গটনা খুইলা কও । পুরা খুল্লাম খুল্লা-খোলাসা । নাইলে তোমার
৩২ বছর গারদ বাস কপালে আছে ।"
'তুমি তো জানোই আমার পেলেন ভীতি আছে ।"
"হ, তুই ব্যাটা আগাগোড়াই ডরপোক আদমী । আসমানে বিজলি চমকাইলে মেঝেত মুইতা দিতিস । তারপরে?"
'সে যাউকগা । আমারে এইবার পেলেনে চড়তেই হইবো । জরুরী কামে বৈদেশ যাওন । আমি আবার আকাশ সফরের সবকিছূরেই ডরাই । সবচেয়ে বেশি ডরাই কেউ যদি বোম মাইরা পেলেনটারে আকাশের মাঝখানে উড়ায় দেয় আর তখন যদি আমি টয়লেটে বইসা থাকি?"
"বড় কঠিন সমস্যা । আরে বোম ফুটলে তো তুই গেলেই । হাগু করস আর হামাগুড়ি দেস তোর মরণ তো আইবোই ।"
"সেইজন্য আমি গেলাম বীমার অফিসে ।"
'কারে বীমা করাইলি?"
"কাউরে না । আমি গিয়া জানতে চাইলাম এই যে পেলেনে উঠতে যাইতেছি সেইটা একটা বোমায় উইড়া যাওনের চান্স কত পার্সেন্ট ?"
"কী কয় বীমার দালালেরা ?"
'কয় দশলাখের একভাগ চান্স আছে যে কোনো প্যাসেঞ্জার বোম নিয়া উঠবো । নেগলিজিবল রিস্ক ।"
"তাইলে তো তুই বাইঁচা গেলি ।"
'তারপরে আমি চিন্তা করলাম । তবু দশলাখ ভাগের একভাগ একটা চান্স আছে তো । আমি এইটা একলক্ষ কোটিভাগের একভাগে নিয়া আসতে পারি!"
"ক্যামনে?"
"আমি ভাইবা দেখলাম আমি নিজেই যদি একটা বোম নিয়া পেলেনে উঠি তাইলে দ্বিতীয় কোনো যাত্রীর বোম নিয়া ওঠনের চান্স দশলাখ পুরণ দশলাখ সমান একলক্ষ কোটিভাগের একভাগে নাইমা আসে!
কিন্তু ফাটা কপাল । কাস্টমসে আটকাইয়া গেলাম!"
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



