আমার প্রিয় পোস্ট

দুটি প্রশ্ন ( নাস্তিকের ধর্মকথা )

২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

মনে করুন নবম শ্রেণী। সামনের মাসে বার্ষিক পরীক্ষা। স্কুলের স্যারের কাছে কোচিং নিতেছি। স্যার ১০টা প্রশ্ন দিলো শিখতে। এই ১০টা থেকে ২টা অবশ্যই থাকবে। আমরা স্যারের কাছে টাকার বিনিময়ে কোচিং নিতেছি, স্যারের উচিৎ নয় কি সেই অবশ্যই থাকনেওয়ালা ২টা প্রশ্ন আমাদের দিয়ে দেয়া? আমরা স্যারকে বিশ্বাসও করতে পারছি না। যদি ২টাও না থাকে? শুধু শুধু ১০টা শিখে যদি একটাও না পাই? এর নাম পরীক্ষা। ২টা প্রশ্ন বলে দিলে পরীক্ষা কিসের? পরীক্ষা কাকে বলে?

পৃথিবীতে আল্লাহ মানুষ পাঠিয়েছেন কেন সেটা তিনিই জানেন। যেহেতু তিনি কোরআনে বলছেন তিনি আছেন, তাহলে এত কথা না বলে পৃথিবীতে এসে একটু মানুষকে দেখা দিয়ে গেলেতো সব তর্ক শেষ হয়ে যায়। এত শক্তিশালী আল্লাহ দ্বারা এটা অসম্ভব নয়, অথবা আল্লাহর শক্তি দ্বারা পৃথিবীর সব মানুষকে আকাশে উঠিয়ে নিয়ে আল্লাহর শক্তির ও আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ দেয় তাহলেতো হিন্দু মুসলিম খ্রিষ্টান এসব থাকতো না, সবাই আল্লাহকে দেখতো ও মানতো।

তাই না?

এই পৃথিবী পরীক্ষাকেন্দ্র। এখানে আল্লাহ দেখা দিবে না। দেখা দিবে কেয়ামতের মাঠে হিসাব কিতাব শেষ হবার পর। তবে যারা চিন্তাশীল তাদের জন্য লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি প্রমাণ আছে। তার একটি প্রমান হচ্ছে কোরআন। নিরক্ষর মোহম্মদ স. এর দ্বারা কোরআন রচনা অসম্ভব। তাহলে কোরআন কি?

সনেট চিনো? চতুর্দশপদী কবিতা? জীবনে পড়েছো? ১৪ অক্ষর ১৪ লাইন? বাংলাদেশে নাকি কাউয়া থেকে কবি বেশী। আর আজকালকার গদ্য কবিতা ... যাক বাদ দাও।

কোরআন বাংলাদেশের সংসদ সংবিধান, উকিলদের আইনের মোটা মোটা কিতাব, ৩২ নং পৃষ্ঠার ঘ অনুচ্ছেদ ...। না, কোরআন এসবের মত সাধারণভাবে লেখা নয়। ৬০০ পৃষ্ঠার কোরআনে কি কি বলা আছে সেটা মূল কথা নয়, মূল কথা হচ্ছে ‍" বলেছে কিভাবে " ?

এত সোজা না বাছা ধন।
চতুর্দশপদী কবিতার মত, কোরআনের প্রত্যেক বাক্য সংখ্যা, শব্দ সংখ্যা, সুরা সংখ্যা, সর্বপোরী শব্দ ছন্দ - এসবের গানিতিক মিল রয়েছে, যে মিল রেখে কোরআনের মত কোন আয়াত পৃথিবীর কোন মানুষ দ্বারা লেখা সম্ভব না।

কোরআন থেকে : (উদাহরণ হিসাবে)

৮৭ নম্বর সুরা, আল আ'লা (১৯ আয়াতের প্রথম ৬ আয়াত) সব বাক্যের শেষে " আ "

সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আলা
আল্লাজি খালাকাফা সাওয়া
ওয়াল্লাজি ক্বদ্দারা ফাহাদা
ওয়াল্লাজি আখরাজাল মার'য়া
ফাজায়ালাহু গুছায়ান আহওয়া
সানুকরিয়ুকা ফালাতানছা।



১০৫ নম্বর সুরা, সুরাতুল ফিল : (৫ আয়াত) সব বাক্যের শেষ " ল "

আলাম তারা কাইফা ফায়ালা রাব্বুকা বি আসহাবিল ফিল
আলাম ইয়াজয়াল কাইদাহুম ফি তাদলিল
ওয়া আরসালা আলাইহিম তয়রান আবাবিল
তারমিহিম বিহিজারাতিম মিন সিজ্জিল
ফাজায়ালাহু কা'য়াসফিমমাকুল

এটাতো এক দিক মাত্র। কোরআনের গঠন সম্বন্ধে আরো অনেক দিক আছে, যেগুলো বজায় রেখে ঐ রকমভাবে কোরআনের অনুরূপ কিছু লেখা মানুষের দ্বারা অসম্ভব।

 

 

  • ১১ টি মন্তব্য
  • ২৯৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি
১. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮
comment by: িদদারুল আলম বাননা বলেছেন:

দারুন বলেছেন।
ধন্যবাদ
২. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
comment by: উৎসুক বলেছেন: সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার।

মহাপবিত্র আল্লাহ্, সমস্ত প্রশংসা শুধু আল্লাহরই জন্য, আল্লাহ্ ছাড়া কোনা উপাস্য নেই, তিনিই সুমহান।
৩. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
দুটি প্রশ্নের উত্তরে তেমন কিছু পাওয়া গেলো না........

তারপরেও ধন্যবাদ এবং প্লাস- কারণ শেষের অংশটি দারুন.... আমারও সামনে একটি পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে.... কেননা- কোরআনের বেশ কিছু সুরার কাব্যগুন অনেক সময়েই আমাকে মুগ্ধ করেছে- কয়েকপদের ছন্দ এসব সুরায় ব্যবহৃত হয়েছে - এবং মুহম্মদ সা. এর কিছু সাহাবী কবি ছিলেন- ...... যাহোক আরেকদিন একটা পোস্ট দবো খন.......
২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: লেখাটা ঠিক মত পড়া হয়নি। কোরআন শুধু যে কবিতার মত লেখা তা নয়, কবিতা, ছন্দ, গাণিতিক মিল ... বিস্তারিত পড়ে দিবো। মুহাম্মদ স. এর সময়ের গ্রেট গ্রেট কবিরা ফেল করেছে।

কোরআনের কথা পরে আসুক। বর্তমান তত্বাবধায়ক সরকারের গুনগান গেয়ে, বা সমালোচনা করে একটি সনেট লিখতে বলেতো বাংলাদেশের কবিদের। তারপর আসতেছে কোরআন প্রসঙ্গ। কোরআন পর্যন্ত পৌছার চিন্তা করাও বেকুফি।

আল্লাহ নিজেই চ্যালেঞ্জ করেছেন - পারলে কোরআনের মত কয়েকটা আয়াত লিখো। আর কোরআনকে রক্ষা করা, কোরআনের যাতে শব্দ, দাড়ি কমা, বিন্দু কোন কিছু বাদ দিয়ে বা প্রবেশ করিয়ে কোরআনকে যাতে বিকৃত করা না যেতে পারে সে দায়িত্বও তিনি নিজে নিয়েছেন। সেজন্যইতো ১৫০০ বছরেও কোরআনের কোন পরিবর্তন হয়নি।

৪. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:০২
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: মুহাম্মদ ঐ সময় কবিদের সাথে উঠাবসা করতো বলে জানা যায়।
২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: উর্ধেব উঠুন

৫. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:২০
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: Please do NOT lose your vauable time behind these so called nastiks. Because they will never listen to your voice. Instead, use your time in some valuable writings. And the astiks in the blog always avoid them.
৬. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:২৯
comment by: উৎসুক বলেছেন: 'নাস্তিকের ধর্মকথা' কে ধন্যবাদ অন্ততঃ এই জন্য যে তিনি নাস্তিক্যের ঘোষনা দিয়েই নাস্তিকতা করছেন, আই মীন নাস্তিকতা শুরুর আগের নিজের লেবেল টা পাল্টিয়েই তা করছেন, কিন্তু অবাক দুঃসাহস দেখে ওই সব নরকীটদের যারা 'আরিফুর রহমান' এর মত সুন্দর অর্থবহ মুসলমানি লেবেল এঁটে নাস্তিকতার চর্চা করে।

ধিক্ - ঘৃণা - আর সমস্ত সৃষ্টিকুলের অভিশাপ এইসব নির্লজ্জ পথভ্রষ্টদের নাস্তিকদের প্রতি, যাদের সংস্পর্শ থেকে শুধু মু'মিন কিংবা মানুষ নয়, গোটা সৃষ্টিকুল তাদের সৃষ্টিকর্তার কাছে মুক্তি চায়।
৭. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪
comment by: কিরিটি রায় বলেছেন: উৎসুক বলেছেন: সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার।

মহাপবিত্র আল্লাহ্, সমস্ত প্রশংসা শুধু আল্লাহরই জন্য, আল্লাহ্ ছাড়া কোনা উপাস্য নেই, তিনিই সুমহান।

৮. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:১৭
comment by: নেমেসিস বলেছেন:
সেজন্যইতো ১৫০০ বছরেও কোরআনের কোন পরিবর্তন হয়নি।

>>> আপনি কি শিউর শতভাগ এ ব্যাপারে । আমি শুনেছি অন্য কথা । সৌদি আরব থেকে সরবরাহ করা কোরআনের কপিগুলো নাকি তাদের পরিমার্জিত সংস্করন ।
৯. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩২
comment by: স্বপ্লচূড়া বলেছেন: "এই পৃথিবী পরীক্ষাকেন্দ্র। এখানে আল্লাহ দেখা দিবে না। দেখা দিবে কেয়ামতের মাঠে হিসাব কিতাব শেষ হবার পর। "

-ভাই বুঝলাম আপনাদের কথাবার্তা ! আল্লাহ না নিরাকার ? তাহলে উনি দেখা দিবেন কি করে ?

 



 


মোটা বুদ্ধিওয়ালা সমাজের অশান্তির মূল।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২৭৬৪