আমার প্রিয় পোস্ট
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- কমেন্ট অব দি নাইট --- রাতের সেরা গালি - মন্তব্য
- শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীবিদ্বেষী আবুল আলা মৌদুদী - অমি রহমান পিয়াল
- অধ্যাপক ড. নুরুল উল্লাহর সাক্ষাতকার - অমি রহমান পিয়াল
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- বদরুদ্দীন উমরের একটি লেখা - ছু-মন্তর
- একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা.. - মেঘবাজি
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- মুক্তিযুদ্ধের কথ্য ইতিহাস তুলে আনতে চাই ব্লগে। সবাই লিখুন, আসুন ব্লগকে কাজে লাগাই ভিন্ন মাত্রায় - শওকত হোসেন মাসুম
- ছাগুরামকাব্য 08ঃ শাকাহারী জমায়েৎ - মুখফোড়
- আজ ১৯শে মে। ১৯৬১ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার জন্য শহীদ হয়েছিলেন ১১ জন ভাষাবিপ্লবী। - কুঙ্গ থাঙ
- ব্লগীয় ছড়া (অনেক ডিস্টার্বিং এলিমেন্টস আছে, নিজ দায়িত্বে পড়িবেন) - ঝরা পাতা
- অধিকার বিষয়ে ব্লগের বুদ্ধিজীবীরা কী বলেন? - ব্রাত্য রাইসু
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ন কতটা জরুরি? - মনসুর হিল্লাজ
- যুদ্ধাপরাধীদের সাথে সাথে রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবসা বন্ধ হলে অসুবিধা কী? - মনসুর হিল্লাজ
- মুক্তিযুদ্ধের অবদান কী কেবলই বাংলার মাটিতে নাইট্রোজেন দান? ধূলার পাহাড়ে আরো কিছু অশ্রুপাত - ফারুক ওয়াসিফ
- নিরপেক্ষ বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম (গালাগালিমুক্ত!!!!!!!!!!!) - সাধক শঙ্কু
- পুরোনো খাম্বা নতুন করে..... - রিকো
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- হামপটি ডামপটি স্যাট অন এ ওয়াল এন্ড হামপটি ডামপিট হ্যাড এ গ্রেট ফল - নিধিরাম সর্দার
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জটিল প্রশ্ন: উত্তরটা আমি দিতে চাই - শওকত হোসেন মাসুম
- বোলোগের এ-টিম - শমশেরআলম
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- মতাদর্শিক আধিপত্য এবং ইন্টেলেক্চুয়াল মকারি - সুমন চৌধুরী
কর্তৃত্বপরায়ণ মনোবৃত্তি নিয়ে মানুষের মুখ বন্ধ করা যাবে না । শেষ পর্যন্ত মানুষ তার বলাটা বলবেই ।

বাংলা বর্নমালা শিক্ষা - বড়বেলা
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৪১
আমার নানী ছোটবেলায় আমারে বর্নমালা শিখিয়েছেন । প্রথম বইটা ছিলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আদর্শলিপি । তখনকার দিনে ঐ বইতে বর্নমালার ভিতরে '৯' নামে একটা বস্তু ছিলো । পড়তে পড়তে ঐখানে আসলেই নানী বলতেন “ঐটা কিছু না, ঐটা বাদ দিয়া পড়ো” । একটু বড় হয়ে স্কুলে গিয়ে জানলাম ওটা আগেকার দিনে লোকজনের লিখতো । এখন আর লেখে না ।
তো, এই পোস্টের উদ্দেশ্য ছোটবেলায় কি শিখছি সেইটা না । বরং বড়বেলায় বাংলা বর্নমালার নতুন জিনিস কি শিখলাম সেইটা ।
ঘটনা ১
ইউনিভার্সিটি সেকেন্ড বা থার্ড ইয়ার থাকাকালে আমি প্রথম বাংলা টাইপ করা শিখি । বিজয় দিয়ে । ম্যাক ইউজ করতে হতো একটা অফিসে । আমার কাজ টাইপ করা না হলেও জরুরী দরকারে যাতে আমি নিজেই বানান ঠিক করতে পারি সেইজন্যই বাংলা টাইপ শেখা শুরু করলাম । একবার কি কারনে গোটা একটা প্যারাগ্রাফ আমাকে লিখতে হয় । ব্যাপক কষ্ট স্বীকার করে টাইপ শেষ করার পর প্রুফ শিটটা দেখে আতকে উঠলাম । প্রুফ রিডার গোটা প্যারায় প্রত্যেক লাইনে দুই তিনটা ভুল ধরেছেন । দেখলাম সমস্ত এ-কার কেটে তিনি আবারো এ-কার লিখেছেন পাশে । প্রুফ রিডারের চতুর্দশ পুরুষের তত্ত্ব তালাশ করতে করতে বসের কাছে গিয়ে যা শুনলাম তাতে কম্পিউটারের ভাষায় পুরা হ্যাঙ হয়ে গেলাম । বসের কাছে শিখলাম শব্দের ভেতরে এ-কার এবং শব্দের প্রথমে এ-কার দুইটা দুই জিনিস ! উনি আমাকে অফিসে থাকা গোটা দশেক পত্রিকা, হুমায়ূনের একটা পুরনো উপন্যাস খুলে আমাকে বুঝিয়ে দিলেন আসলেই ঘটনা তাই !
ঘটনা ২
দ্বিতীয় ঘটনা মাস ছয়েক আগের । এক ব্লগে একজনকে প্রায়ই দেখতাম তিনি বাংলা বর্গীয় 'জ' অক্ষরটা লেখেন একটু ভিন্নভাবে । ভদ্রলোকের জ'য়ের নিচে একটা ছোট্ট করে ফুটকি দেখা যায় । ঠিক যেমনটা আমরা র অথবা য়'য়ের নিচে দেই । একদিন কি মনে এ অক্ষরটা নিয়ে গুগল সার্চ দিলাম । সার্চে যা বের হলো সেটা দেখে বুঝলাম বাংলাটা আমার আসলে শেখা হয়নি কোনকালেই । আমি জানতে পারলাম এটা নাকি বাংলা ভাষায় একটা নতুন বর্ন । এখানে জানলাম এ অক্ষরটি নাকি বুদ্ধদেব বসু আবিস্কৃত ও এটা নাকি পশ্চিমবাংলায় গত অর্ধদশক ধরে প্রচলিত । সেখানে সোমদেব নামে একজন সভ্য জানাচ্ছেন আনন্দ পাবলিশার্স এ অক্ষরটি এখন সবজায়গায় ব্যবহার করছে । সেটা দেখলামও । আমার যদ্দুর মনে পড়ে কবিসভায় সাজ্জাদ শরীফের একটি ভ্রমন কাহিনীর লিংক থেকে আমি প্রথম এ অক্ষর দেখি । যাই হোক, অমিক্রনল্যাবের ঐ থ্রেডে জানা যাচ্ছে ইংরেজী উচ্চারন garage এর শেষ Z এর মতো উচ্চারন লিখতে এই অক্ষরের আমদানি । হিন্দিতেও নাকি এরকম একটা অক্ষর আছে এরকম ।
একারের সমস্যাটা কোন জটিল সমস্যা না । অভ্রতে এখন এবিষয়টা অটোকারেক্ট হয়ে যায় । আমাদের এ-কার শব্দের আগে নাকি পরে সেটা নিয়ে ভাবতে হয় না । কিন্তু কিছু লোকের গোটা একটা অক্ষর আমদানীর বিষয়টা আমার চিন্তাভাবনায় এখনো খাপ খাওয়াতে পারছি না । ভাষা জিনিসটা কোরান হাদিস না যে এটা পরিবর্তন করা যাবে না । তবে এই পরিবর্তন করার মতো আনন্দবাজার বা বুদ্ধদেব বসু প্রপার অথরিটি কিনা সেটাই ভাববার বিষয়
(লেখাটি সচলায়তনে প্রকাশিত)
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এখনও গল্প লিখি বলেছেন:
ওই শব্দটির উচ্চারণ হলো অনেকটা 'লী' । ভালো পোস্টের জন্য ধন্যবাদ
মানবী বলেছেন:
ধন্যবাদ এখনও গল্প লিখি।
সমুদ্র বলেছেন:
সচল থেকে এক লেকা দু জাগায় দেতে নিষেদ করেচে মেইল করে , সেটা বুলে গেচো ঢালী থুক্কু হাসিব?
সমুদ্র বলেছেন:
তবে লেকা অনেক বালো হয়েচে।
শিলা বলেছেন:
১ দিসি। বেশি হলো নাতো?
ম. ন. আলম ফরিদ বলেছেন:
এক সময়তো আমরা বাংলা ভাষা শিখতে গিয়ে পেটকাটা ব নামের একটা আক্ষর শিখেছি। যা অহমি ভাষায় ব্যবহৃত হয়। আরও অদ্ভুদ হচ্ছে সিলটিদের ভাষা শিখানো সময় বলা হয় এটাই বাংলা ভাষা (যখন সিলটি ভাষায় কথা বলা হয়)। তাই বাংলা আসলে বাংলা আর তার উপযুক্ত চর্চা হচ্ছে বাংলাদেশ। আর সিলটি হচ্ছে সিলটি। যার আলাদা বর্ণমালা ও বৈশিষ্ট আছে এবং এটি এখনো চর্চা হচ্ছে সিলেট, ইউকে সহ সারা বিশ্বে।
স্পিট ফায়ার বলেছেন:
ভালো পোষ্ট। তবে পশ্চিম বঙ্গের ওই অক্ষর আমাদের এখানে হালে পানি পাবে না বলেই মনে হয়। যাহোক "জ্ঞ" এই যুক্তাক্ষরটির উচ্চারণ কি কারো জানা আছে? প্রথমে এটার উচ্চারণ ধারণা করতাম "গ্গ" ধরণের যেমন "বিজ্ঞান" কিন্তু কম্পিউটারে লিখতে যেয়ে দেখি এটা জ+ঞ এই দুই অক্ষরের মিলিত রুপ!
নূর-ই-হাফসা বলেছেন:
ধন্যবাদ যা জানা ছিল না তা জানলাম।
হাসিব বলেছেন:
সমুদ্র : আমি মেইল পাই নাই । আপনে পায়া থাকলে ফরওয়ার্ড মাইরেন ।শিলা : অন্য নিকেও ১ দিয়া যান । বাকী পুস্টগুলাতেও ১, আধা, পোয়া যা খুশি দিতারেন ।
ঝড়ো হাওয়া - আমারও মনে পড়তেছে । ওটারে কি বলে ভুইলা গেছি ।
ফরিদ ভাই - সিলটির চর্চা সারা বিশ্বে হইতেছে কথাটা মনে হয় ঠিক্না ।
স্পিট ফায়ার - ৫০ বছরেও যদি না হয়া থাকে তাইলে ভবিষ্যতে হবে কিনা বুঝা কঠিন ।
মাথামোটা - বুদ্ধি খারাপ নাহ ।
নাভদ বলেছেন:
৫+ প্রিয় পোস্ট
বঙ্গাব্দ বলেছেন:
অনেক জানলাম।
ডক্টর অব সাইমুম=শিলা, সারোয়ার=শাপলা, চতুরভুজ=হিজলা বলেছেন:
ভালো লিকা, নিয়মিত হবার জন্য ধন্যবাদ
I give u 5.
Have a welcoming and gracious heart...
goodluck....
have nice night
স্পিট ফায়ার বলেছেন:
"জ্ঞ" এর উচ্চারণ এখনো জানা হইলো না।বড়ই দুঃখের কথা!!
ডাক্তার অব শিলাটাঈটিস বলেছেন:
শালার এ পোষ্ট টা পাবলিক পড়েনা। একানে কোন মৌলিক লেখার আসলে দাম নাই
রাশেদ বলেছেন:
জ় এর ব্যাপারটা আগে জানতাম না। অমিক্রনল্যাবের ফোরামে প্রথম ঐ ব্যাপারে জানলাম। কোলকাতার একজনের রিকুয়েস্টে ঐটা ঢুকানো হয়েছে।
রাশেদ বলেছেন:
সরি। অভ্রতে* ঢুকিয়েছে হবে।
তুষার ০০৭ বলেছেন:
বর্নমালা=বর্ণমালা"এ-কার এবং শব্দের প্রথমে এ-কার দুইটা দুই জিনিস !"
এইটা ঠিকাছে।
"এই পরিবর্তন ... আনন্দবাজার বা বুদ্ধদেব বসু প্রপার অথরিটি ..."
উঁহু, মনে হয় না। এমনিতে আনন্দবাজার তো ভাষা বিকৃতির জন্য সিদ্ধহস্ত।
ধন্যবাদ, এমন পোস্ট আরও দিলে পড়ে আরাম পাই। @হাসিব
মনিটর বলেছেন:
ইন্টারেস্টিং!
হাসিব বলেছেন:
ধইন্যাপাতা সবাইরে ।
খারেজি বলেছেন:
৫ গ্যারেজ এর শেষ 'জ' ধ্বণি উচ্চারণে আলাদা বর্ণ আমদানি করে বোঝা বাড়ানো কতটুকু দরকার তা সময় একদিন বিচার করবে।
প্রায় প্রতিটি বর্ণমালায় এমন উচ্চারণ থাকে চর্চা আর অভ্যাসে শিশুরা তা রপ্ত করে।
এমন কি 'এ' এর উচ্চারণ যখন 'অ্যা' এর মত হয়, শিক্ষাণপ্রক্রিয়ায় আমরা তাতে অভ্যস্তও হয়ে উঠি।
এমন পোষ্ট আরও চাই।
হাসিব বলেছেন:
ঐটাই কথা । পৃথিবীর সমস্ত ভাষার সমস্ত উচ্চারন আত্নস্থ করার দায় বাংলাভাষার নেই । যেমনটি নেই অন্য ভাষার বাংলা ভাষাকে আত্নস্থ করার দায়িত্ব । ইংরেজীতে 'ত' উচ্চারন নেই । আকার একার ছাড়াই মাত্র ২৬টা অক্ষর দিয়ে কাজ চালায় । তাদের তো ভালোই চলছে । @ খারেজি
খারেজি বলেছেন:
আপনারে একটা দারুণ গল্প কই, রেফারেন্স চাইলে বিব্রত হমু। গল্পের মোরাল মনে আছে, নামধাম ভুইলা খাইছি।একবার এক মার্কিন সাংবাদিক (মনে হয়) এক জাপানী গল্পকারকে (সম্ভবত) বলেন, আপনাদের দুই রকম বর্ণমালা, অক্ষরও এত গুলা। শিখতে শিখতে শিশুদের ৫ বছর পার। পাল্টান না ক্যান?
গল্পকার বলেন, ঐ বর্ণমালা শিখে শিশুরা জাপানী হয়ে ওঠে।
বর্ণমালা জাতির বিকাশের ইতিহাস, কালেক্টিভ আনকনশাস এর অংশ।
শফিক রেহমানরা টাকার জোরে তা পাল্টাতে চায়!
গল্প ভাল লাগলে কত দিলেন জানাইয়েন।
হাসিব বলেছেন:
গল্পটা ভাল্লাগলো । ভাষার একটা সার্বজনীনতা দরকার হয় । বর্নমালাগুলো দিয়েই একজনের কথা আরেকজনের কাছে পৌছবে । সার্বজনীন চেহারা পায়নি এরকম বর্নমালা একটা খন্ডিত বার্তা পাঠাবে পাঠকের কাজে । যেমন ধরুন যারা জানেন না জ-য়ের নিচে নোকতার মাজেজা কি (সেটাই বেশীরভাগ) তাদের কাছে লেখকের ঐ বর্নটা কোন আলাদা অর্থ বহন করে না । পুনশ্চ : যাযাদির কথা বৈলেন না । ওরা আলোচনার অযোগ্য ।
Mr Shafik Rehman must be thanked and followed for this appreciation....
LANGUAGE is like a river...
it should not be stagnant...
We should follow its style of bangla writing...
হাসিব বলেছেন:
হাসি পাইলো আপনের কথা শুইনা @ নিপু সাহেব
গনডার বলেছেন:
ভালো লেখা, নতুন কিছু জানলাম ৫
ষড়ভূজ বলেছেন:
নতুন অক্ষর!! মজাতো
লতিফ হোসাইন বলেছেন:
ধন্যবাদ হাসিব আবারো একটা ভালো পোস্টের জন্য। খারেজী কেও সাধুবাদ চমৎকার একটা শিক্ষণীয় উদাহরন দেয়ার জন্যে।সময়ের প্রয়োজনে অনেককিছুরই পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে পড়ে। স্থবিরতা হয় মৃত্যুর নামান্তর। তবে সব পরিবর্তন সব সময় কল্যাণ বয়ে আনেনা। আমাদের নৈতিক অবক্ষয়ওতো একটা পরিবর্তন, তাইনা?
সব ভাষাই সেই ভাষাভাষী মানুষের প্রিয় এবং তা তাদের পরিচয় বহন করে। ভাষার ব্যবহারের দক্ষতা আর তার প্রয়োগ থেকে একজন মানুষের শিক্ষা আর বুদ্ধিবৃত্তিক স্তর সম্পর্কেও আমরা ধারণা পাই। কারো লেখা আর কথা থেকেই বুঝতে পারি কে ডিজুস ওয়ালা আর কে যাযাদিওয়ালা। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি দুটো থেকেই দুরকম মজা পাই। তাই বলে আমি নিজে কোনটিই ব্যাবহার করিনা - ওগুলো আমার নিজেরনা। ওগুলো আমার পরিচয় বহন করেনা। নিপু সাহেব যতই জোর দিয়ে যাযাদির বানানরীতি অনুসরন করতে বলেননা কেন, সেটি হচ্ছেনা। সেটি সময় বলবে - আপনি বা আমিনা। আমাদের লেখায় সাধু থেকে চলিত রীতিতে পদার্পণ কারো বল প্রয়োগে হয়নি। ইংরেজী সাহিত্যের লেখার স্টাইল শেক্সপিয়ার থেকে স্টিফেন ফ্রাই... কারো চাপিয়ে দেয়া পরিবর্তন না।
মন্তব্য বড় হয়ে গেল ইতমিধ্যেই, বরং পোস্ট হিসেবেই আরো লিখবো।
হাসিবকে আবারো ধন্যবাদ একটি প্রয়োজনীয় এবং চমৎকার পোস্টিং দিয়ে চিন্তার খোরাক দেয়ার জন্যে।
by bangladesh
from bangladesh,
of bangladesh.
It is simple-logical-scientific.
There should be a major change is bangla alphabet.
yes time will determine...
but if u shut ur ear-heart-window-door-gate...
how can logic work...
how can time factor work...
I love Bangla...
But i will accept any logical change-modification without hesitation...with open heart...
হাসিব বলেছেন:
নিপু সাহেব আগে বাংলা টাইপ করা শিখেন । তারপর আপনার সাথে বাতচিত হবে ।
খারেজি বলেছেন:
নিপু সাহেব লোক ভালো,বাংলা কি বোর্ড ব্যবহার করতে না পারলেও বাংলাভাষার ভবিষ্যৎ নিয়ে ওনার চিন্তার অন্ত নেই।
আর নিজের বুঝ অনুযায়ী ফতোয়াও দিয়ে দিয়েছেন।
খারেজি বলেছেন:
হাজস সাহেব, তরুন জার্মানে কি একঘেয়ে লাগল? আগের ছবিটা দারুণ ছিল। নতুনটা কি কোন কিছুর প্রতীক?
হাসিব বলেছেন:
খারেজি সাহেব, তরুন জার্মানে অরুচি আসে নাই । নতুন ছবিটা বিপ্লবের প্রতিক । একটু অন্যভাবে ও সহিংসভাবে সমাজ বদলানোর আকাংখার প্রতিক । তরুন জার্মানও এই চিন্তাধারার বাইরে ছিলেন না ।
খারেজি বলেছেন:
নারে ভাই, আকাঙ্খার বদলের কথা কই না।গরিব দেখে থাকি তো তাই চিহ্নটার মাজেজা বুঝতে পারি নাই।
বুঝাইয়া বলেন। আমার ব্লগে নেমন্তন্ন থাকল।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













*****


বুদ্ধদেব বসু আবিস্কৃত "জ" সম্পর্কে জানা ছিলোনা।
ভালো পোস্টের জন্য ধন্যবাদ হাসিব।