somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভোখেনব্লাট - ৩

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

৩০শে অক্টোবর, ২০০৭

আমি যেখানে কাজ করি সেখানে আমাকে বড় একটা হলরুমের মতো জায়গায় কাজ করতে হয় । পাঁচজন বসের তত্ত্বাবধানে আমরা সাত জন স্টুডেন্ট ওয়ার্কার কাজ করি সেই রুমে । আজ সকালে এসেই দেখলাম সব জার্মান বসেরা একত্রে বসে উত্তেজিত ফিসফাস করছে । প্রমাদ গুনলাম মনে মনে । মনে করার চেষ্টা করলাম গত সপ্তায় গাধার মতোন কোন কাজ করেছি কিনা । হয়তো সেটাই তাদের গজগজ ফিসফিসের কারন । আস্তে আস্তে নিজের জায়গায় বসে গত সপ্তাহের কাজগুলোয় নজর বোলালাম । নাহ সবতো ঠিকই আছে মনে হচ্ছে । তো, ততক্ষণে বসরা ফিসফিস শেষ করে নিজের জায়গায় গিয়ে বসেছে । আস্তে করে নিটকতম বসকে জিজ্ঞেস করলাম আলেস ক্লার কিনা । জবাবে বসের কাছে যেটা শুনলাম সেটাতে হাফ ছেড়ে বাঁচলাম । ঘটনা আউটোবানে স্পিড কন্ট্রোল নিয়ে । যেহেতু আমার গাড়ি নাই সেহেতু আউটোবনে স্পিড লিমিট আমার বিষয় আশয়ের বাইরের টপিক ।


ঘটনা যেটা শুনলাম সেটা হলো জার্মানির দ্বিতীয় বৃহত্তম দল এসপিডি জার্মান হাইওয়েতে স্পিড লিমিট দেবার জন্য একটি প্রস্তাব রেডি করেছে । এসপিডি সরকারি দল সিডিইউয়ের সাথে ক্ষমতায় অংশীদার । তারা তাদের প্রস্তাবের পক্ষে কার্বন ডাই অক্সাইড উদগীরনকে প্রধান যুক্তি হিসেবে দাড় করিয়েছেন । নতুন প্রস্তাব মতে আউটোবানের যেসব জায়গায় স্পিড লিমিট নেই সেখানে সর্বোচ্চ গতিসীমা ১৩০ কিলোমিটার বেঁধে দেবার কথা । স্বভাবতই বেশীরভাগ ডয়েশে মানই এই প্রস্তাবে বিরক্ত । কারনটাও পরিস্কার । পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো গাড়ি বানিয়ে সেই গাড়ী যদি তারা টেস্টই না করতে পারলো তাহলে এই গাড়ী ইন্ডাস্ট্রি ইম্প্রুভড গাড়ী বানানোর উৎসাহ পাবে কোথায় !

জার্মানির এই আউটোবান সারা পৃথিবীদের স্পিডফৃকদের স্বপ্নের ট্র্যাক । ১২০০০ কিলোমিটারের এই আউটোবানের অর্ধেক জায়গায় কোন স্পিড লিমিট নেই । আবার যেসব জায়গায় আছে সেখানেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে স্পিডে লিমিট বাঁধা । বাকি সময়টাতে যেমন ইচ্ছা তেমন চালাও । আমাদের মধ্যে এরকম একটা প্রচলিত ধারনা আছে যে স্পিড লিমিট থাকলেই দূর্ঘটনা কম হবে । স্টাটিসটিকস এই ধারনাকে সমর্থন করে না । জার্মানিতে বেশিরভাগ সড়কদূর্ঘটনায় মৃত্যু স্পিড লিমিট বেধে দেয়া রাস্তাগুলোতে হয় । আবার অন্য দেশগুলো যেখানে স্পিড লিমিট দেয়া থাকে সেখানকার তুলনায় স্পিড লিমিট বিহীন জার্মানি বেশ ভালো একটি অবস্থান ধরে রেখেছে ।

১লা নভেম্বর, ২০০৭

আমার বাসার পাশের শপিং কম্প্লেক্সের কাছে ফুটপাতে একটা দোকান আবিস্কার করেছি সম্প্রতি । রাতে খাবার পর হাটতে বের হলে আমি প্রায়ই ওটা দেখে আসি । দেখতে আমাদের দেশের ফুটপাতের দোকানের মতোই । গাজীপুরে যাবার সময় রাস্তার ধারে দোকানিরা যেমন কাঠাল তরমুজ রাস্তার ওপর ফেলে দোকান সাজিয়ে বসে সেরকম বন্দোবস্ত । দেশি দোকানের সাথে পার্থক্যটা হলো এই দোকানে কোন দোকানি নেই । কুমড়া, ভুট্টা, আরোও কিছু সব্জি আনাজ সাজানো থাকে । আর সামনে থাকে বাংলাদেশে মসজিদ মাজারে দেখতে পাওয়া দানবাক্সের মতো ছোট একটা “”কাসে বাক্স । সেখানে যার যার খুশি মতো দাম দিয়ে গেলেই হবে । না গেলেও হয় । দেখার জন্য কেউ নেই । আশে পাশে সারভেইল্যান্স ক্যামেরা থাকলে এখানে সাধারনত সেটার কথা ছোট একটা সাইনে লেখা থাকে । সেটাও নেই । আমি একদিন বেশ কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থেকে খেয়াল করেছি সবাই এসে কাসে বাক্সে পয়সা ফেলে জিনিস পত্র কিনে নিয়ে যাচ্ছে । কেউ ধারে কাছে না থাকলেও নিয়ম করে সবাই দাম দিয়ে যাচ্ছে ।
আজকে ভাবছিলাম গড়পড়তা জার্মানরা যে এরকম সৎ জীবনযাপন করে এর কারন হিসেবে কোন জিনিসটা কাজ করে । অসৎ হবার একটা কারন হতে পারে আর্থিক দুরবস্থার অথবা অনিশ্চয়তা । দুই জার্মান একত্র হবার পর থেকে জার্মান ইকোনমি সমান তালে নিচের দিকে নামলেও এদের ক্রাইম স্টাটিসটিকস সেটা বলে না । ইউনিফেকেশন পরবর্তি ক্রাইমের ট্রেন্ডটা মোটামুটি অবাক করা ফ্ল্যাট ।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রফেসর ড. মোজাফফর আহমেদকে একদিন বাংলাদেশে দুর্নীতি মাস লেভেলে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টা নিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম । তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি, মাত্র ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ চ্যাপ্টার শুরু হয়েছে । দুর্নীতিতে আমরা সেবারই প্রথমবারের মতো প্রথম । স্যারের বক্তব্য ছিলো একটা সোসাইটির মানুষ যখন নিজের সামর্থের অতিরিক্তি কনসাম্পশন করতে থাকে তখনি সেখানে দুর্নীতি আসতে বাধ্য । জার্মান সোসাইটি আমি বাইরে থেকে যতদুর দেখি তাতে বুঝি যে এই অতিরিক্ত কনসাম্পশন তাদের ধাঁতের বাইরে । পুরো দেশটাই একটা অনাড়ম্বর ঘরোয়া পরিবেশ তারা তৈরী করেছে দিনের পর দিন ধরে । হঠাৎ করে ঘুরতে আসা দেশী টুরিস্টদের আমি এখানে এসে হাহুতাশ বলতে শুনেছি কি একটা দেশ একটা উচু বিল্ডিং নেই । এর থেকে নাকি নিউইয়র্ক অনেক উন্নত ! এখানে একটি গড়পড়তা বাড়ির বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই বাড়ির মালিকের আর্থিক অবস্থা কিরকম । ব্যাংকে ধুন্দুমার ব্যালান্স থাকলেও আমার সুপারভাইজরকে দেখি একটা পুরনো সাইকেল নিয়ে তিনশত ফুট উচু পাহাড় বেয়ে প্রতিদিন অফিসে আসতে । জিজ্ঞেস করলে বলে সে এটা হেলদি প্রাকটিস হিসেবেই করে ।
উল্টো দিকে আমার দেশে কিছু একটা করে সেটা সবাইকে দেখিয়ে দিতে পারাটাই যেন জীবনের চুড়ান্ত লক্ষ্য । বিয়ে, জন্মদিন, বাড়ি সাজানোতে আমরা যে টাকা ব্যয় করি সে অনুপাতে বলতে হয় জার্মানরা দরিদ্র জীবন যাপনই করে ।

২রা নভেম্বর, ২০০৭

ঢাবিতে একসময় কোন ছাত্র নারী ছাত্রদের সাথে কথা বলতে দেখা গেলে জরিমানা গুনতে হতো । আইনটা শুনতে পাই এখনও জারি আছে । প্রয়োগ হয়না এই যা । তো এরকম এক আজব নিয়মের কথা জানতে পারলাম আজকে । চবিতে কর্তৃপক্ষ পড়াশোনার সাথে কোন ধরনের চাকরি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন । সেখানে বিশেষ করে 'সাংবাদিকতা' পেশার কথা উল্লেখ করা হয়েছে । ছাত্ররা নাকি সইসাবুদ করে চবিতে এই শর্তে ভর্তি হয়েছেন যে তারা পড়াশোনার বাইরে কোন পেশায় জড়াবেন না ! এই আদেশের প্রজ্ঞাপন জারি করে তারা নাকি সেটার একটা কপি ইউজিসিতে পাঠিয়েছেন । বলিহারি যাই, ছাত্ররা পড়াশোনার সাথে কি করবে না সেটাও ঠিক করবে ইউজিসি ! ফৌজি শাসিত দেশটা কি ক্যাডেট কলেজে রূপ নিলো শেষে !
আপডেট: সপ্তাহান্তের পত্রিকা বলছে এটা নাকি শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের আদেশক্রমে করা হয়েছে ।


৩রা নভেম্বর, ২০০৭

আমাদের দেশে সব সরকার মহাশয়ই ক্ষমতায় গিয়ে যে কাজটি করেন সেটা হলো শিশুদের স্বাধীনতার ইতিহাস সঠিকভাবে জানানোর জন্য পাঠ্যপুস্তক সংস্কার । রেগুলার সরকারের মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকারও সম্প্রতি এ পদক্ষেপ নিয়েছেন । তবে এবারের এই পদক্ষেপটা কি ফল বয়ে নিয়ে আসে সেটাই প্রশ্ন । দুটো প্রধান রাজনৈতিক দল একবার শেখ মুজিব আরেকবার জিয়াউর রহমানকে পাঠ্যপুস্তক থেকে সরিয়ে ফেলার কাজেই ব্যস্ত ছিলো । হালের ফ্যাশন অনুযায়ী এখন রাজাকার আলবদরদের অপকর্মগুলো হয়তো মুছে ফেলা হবে । 'দেশে যুদ্ধপরাধী নেই', 'দেশে যুদ্ধাপরাধী আছে কিনা মনে করতে পারছি না”' ইত্যাকার নানা সংলাপে আকাশ বাতাস মুখরিত এখন ।
জার্মান দেশে গণহত্যা হয়নি বললে জেলে যেতে হয় । ইওরোপের অন্যান্য অনেক দেশেও এটাই আইন হিসেবে বলবৎ আছে । দুষ্ট লোকেরা মাঝে মাঝে বলে আমরা নাকি পশ্চিমাদের কাছ থেকে খারাপগুলোই শিখি । তো, এই স্বাধীনতার ইতিহাস প্রসঙ্গে মনে হয় আমাদের সরকারপুঙ্গব বাকস্বাধীনতার মতো ভালো জিনিসটাই শিখে সেটা প্রাকটিস করছেন । তবে সেটা শুধুমাত্র স্বাধীনতা বিরোধীদের জন্য সংরক্ষিত । কোনরকম ভয় ভীতি ছাড়াই যত্রতত্র তারা যা খুশি তাই বলে বাকস্বাধীনতার চরম ব্যবহার করছেন ।
আমাদের সময়ে আজ আরেক সুশীল তত্ত্বাবধায়ক বিচারপতি হাবিবুর রহমানের একটি কলাম ছাপিয়েছে । এটা গত বছরে প্রথম আলোর স্বাধীনতা দিবস সংখ্যায় প্রথম আলোতে প্রকাশ পেয়েছিলো । সেখানে তিনি ইতিহাসের নানারকম ভার্সনে “ত্যক্ত বিরক্ত হয়ে 'সুকুমার কোমলমতি ছাত্রদের পক্ষে তার (ইতিহাসের) মোদ্দা কথা বুঝতে' যেন কষ্ট না হয় সেজন্য বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসের একটি ভার্সন দাড় করিয়ে দিয়েছেন । সেটা নিয়ে আগামী পনের বছর কোন প্রকার কথা বার্তা না বলতেও তিনি নসিহত করেছেন । ইতিহাসের সেই ভার্সন থেকে আমরা জানতে পারি '২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তান সৈন্যবাহিনী ঢাকায় এক পিটুনি অভিযান চালালে বহু লোক নিহত হয়'। হান্নান মুজাহিদ গঙ তাহলে তো নতুন কিছু বলেনি ! গণহত্যা আর পিটুনি অভিযান নিশ্চয়ই এক জিনিস নয় ! আর সামান্য পিটুনির জন্য কাউকে নিশ্চয়ই যুদ্ধাপরাধী বলা যায় না !
দুঃখ হয় দেশটার জন্য । হান্নান মুজাহিদ গো. আজমরা নাহয় নিজেদের প্রান বাঁচাতে এইসব বকাবাহ্যি করে বেড়ায় । কিন্তু সুশীলকুলশিরোমনিদের একজন এই হাবিবুর কিসের এজেন্ডার বাস্তবায়নে এইসব প্রচার করেন ? আর প্রথম আলোই বা কি এজেন্ডা মাথায় রেখে এগুলো প্রচার করে কোনরকম প্রতিবাদ ছাড়াই ? তাও এমন একটা দিনে যেদিন কালোরাতের স্মৃতি প্রতিটি বাঙ্গালিকে কামড়ে বেড়ায় ?

টিকা -
১. আলেস ক্লার - আলেস মানে ইংরেজী অল, ক্লার মানে ইংরেজী ক্লিয়ার । সবকিছু ঠিক আছে কিনা জানতে এই বাক্যটাই ব্যবহার করার চল ।
২. আউটোবান (Autobahn) – জার্মান হাইওয়ে ।
৩. ডয়েশে মান - জার্মানির নাগরিক
৪. গেরহার্ড শ্রোয়েডারের পার্টির নাম এসপিডি । শ্রোয়েডারের দল গত মেয়াদে জার্মানিতে ক্ষমতায় ছিলো । এখন সিডিইউয়ের সাথে ক্ষমতায় শরীক দল ।
৫. স্পিড লিমিট সংক্রান্ত লিংক
Click This Link
৬. আমাদের সময়ের লিংক
৭. সড়ক দূর্ঘটনার তুলনামূলক চিত্র ।
৮. এ লেখাটি অনলাইন রাইটার্স কমিউনিটি সচলায়তনে প্রকাশিত ।
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×