somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... দুঃখিত, আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না আর সামহয়ারের গত তিন বছরের ইতিহাস কি বলে এই বিষয়ে ? নারীর প্রতি বিষোদগার কি সবসময়ে গ্রহনযোগ্যতার মধ্যে ছিলো ? অবশ্যই না । ব্লগার সাইমুম, রাজাকার সমর্থক চতুর্ভুজ শালীনতার সমস্ত বেড়া ডিঙিয়ে নারী ব্লগারদের উপরে চড়াও হবার রেকর্ডটা আগেই করে রেখেছেন । রাগইমনকে করা ত্রিভুজের সিটিএন কমেন্টও এই তালিকায় আসতে পারে ।

তো এই জাতীয় কর্মকান্ড অনেকদিনই বন্ধ ছিলো । আমি এর কৃতিত্ব অবশ্যই ব্লগারদের দেবো । তাদের সচেতন প্রতিরোধই এসব নষ্টামি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি ।

তবে কিনা সবাই এই ব্লগারদের প্রতিরোধকে পাত্তা দেন এটা ভাবলে ভুল হবে । ব্লগারদের বাস্টার্ড বলে পার পেয়ে মাথায় ওঠা এরকম একজন ব্লগার আজ একটি অভুতপূর্ব নজির হাজির করেছেন আমাদের সামনে । দেখুন কি বলেছেন উনি -



এখানে "কবি" শব্দটারে কোটবন্দি করে উনি মনে হয় একটু ব্যঙ্গই করতে চাইলেন । হাতি ঘোড়া গেলো তল চামচিকা কয় কত জল! উনার রদ্দি বস্তা পচা মিথ্যা কথা দিয়ে ভরা পাতার পর পাতা লেখা নিয়ে গবেষণা করতে বসলে রাত কাবার হয়ে যাবে । উনার ব্লগ খুলতে যাওয়াই সময় নষ্ট ।

ব্লগের কবি(দের) নিয়ে ব্যঙ্গ করার পরপরই কাকে যেন উনি বললেন কাকতাড়ুয়ার মতো দেখতে ! হে. হে. হে. থাক । কিছু না বলি । <img src=" style="border:0;" /> আমরা ধন্য উনার মতো একজন ব্র্যাড পিটরে আমাদের মাঝখানে পেয়ে ।

যাই হোক । এই কাকতাড়ুয়া বিশেষণের পরই দেখলাম উনি একজন নারী ব্লগারকে নিয়ে একটি মন্তব্য করেছেন । এখানে উনি তাকে বলছেন "বিগত যৌবনা .. নিজের ভগ্ন শরির প্রদর্শনে ব্যস্ত" ।

আমার খুব জানতে ইচ্ছা হয় হৈতেছে এই মন্তব্যটা উনি কাকে উদ্দ্যেশ্য করে করলেন । ঠিক তরুনী নন এরকম কয়েকজনই বইমেলায় গিয়েছেন ব্লগারদের সাথে দেখা সাক্ষাত কথা বার্তা বলেছেন । তারা সেখানে যাই বলে থাকুক তারা কি এই জাতীয় একটা মন্তব্য শোনার যোগ্য ?

এবং অবশেষে সুপ্রিয় মডারেটর,

আপনাদের বরাবর দুইটা অভিযোগ জানানো হৈছে । প্রথমটা পান নাই বলে জানলাম । পরেরটার খবর জানি না । না পাইলে সেইটা আপনাদের সফটওয়্যারের দোষ । সেইখানে আমার কিছু করার নাই ।

দ্বিতীয় অভিযোগটা করার পর দেখলাম মাহবুব মোর্শেদের ঐ পোস্ট বাবুয়ার কমেন্ট হাপিস । কমেন্ট হাপিস হলেও তার অপরাধের মাত্রা কমে না বলেই আমার বিশ্বাস । এই প্রেক্ষিতে আমার দাবি একটাই - আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না


পুনশ্চ: কমরেডরা - আপনারা অনেকেই মেসেঞ্জারে ফেইসবুকে অনুযোগ করতেছিলেন আমি নাকি আগের মতো ব্লগে সময় দেই না । আসলে নানাবিধ জটিলতায় এইটা পেরে উঠি না আগের মতো । আর আমি ব্যক্তিগতভাবে উৎসবে সাথী হবার চাইতে দ্রোহসময়ের সাথী হতে ইচ্ছুক । আরেকটা কথা । এই পোস্টের কারনে কপালে ব্যান অবধারিত । আনব্যান হওয়া পর্যন্ত বিদায় ।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28912480 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28912480 2009-02-17 16:59:46
আরিল ভাইরে অনলাইনে দেখতেছি http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28912423 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28912423 2009-02-17 14:21:18 ননক্যাচালিয় নির্বিবাদী কুশল বিনিময় পোস্ট
সক্কাল বেলা প্রথম কমেন্ট করেই দাগা খায়া গেলাম । দিনটা কোন ছাগুরে মাইনাস দিয়ে শুরু না করে ভাবলাম নামি দামি গুনিজন কে কে ব্লগে আছে দেখি আর তাদের সাথে কুশল বিনিময় করি । এই সত চিন্তা থেকেই বাবুয়া ভাইসাহেবরে জিগাইলাম আছেন কেমুন । উনি জবাব না দিয়ে ব্লক করে দিলেন ! যাউগ্গা, উনার ব্লগ, উনি যা করবেন সেইটা উনার মর্জি । ব্যাপারস না । এইখানে আমাগো কিছু কওনের নাই ।

তো বাবুয়া ভাইসাহেব আমারে ব্লক করলেও যারা আমারে এহনতরি ব্লক করেনাই তাগোর খোজ খবর করতেই এই পোস্ট । প্রথম স্টেপ হিসেবে গত পোস্টের একটা আপডেট করা যায় ।

০. বাবুয়া - ছেপ
১. হাসিব - জেনারেল
২. মেঘ - ওয়াচড
৩. তামিম ইরফান - জেনারেল
৪. বিষাক্ত মানুষ - জেনারেল
৫. আরণ্যক যাযাবর - সামু ব্লগরে আল-বিদা জানাইছেন ।
৬. অচেনা বাঙালি - ব্যানড
৭. সাধক শঙ্কু - ব্যানড (বছর খানেক পুরানা কেইস, বিশেষ বিবেচনায় ব্যান)
৮. মেন্টাল - ব্যানড (বছর খানেক পুরানা কেইস, বিশেষ বিবেচনায় ব্যান)
৯. রাশেদ - জেনারেল
১০. ক-খ-গ - জেনারেল (দুই সপ্তাহ ধৈরা)
১১. লাল মিঞা - ছেপ (কিন্তুক বিশেষ ব্যবস্থায় পোস্ট ফ্রন্ট পেজে আসে না । সাধক-মেন্টাল কেইস)
১২. প্রশ্নোত্তর - ওয়াচ
১৩. জহির আহমেদ - জেনারেল
১৪. আরিফুর রহমান - জেনারেল

আর কে কেমন আছেন ? কয়দিন একভাবে আছেন ? আপডেট দ্যান ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28903504 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28903504 2009-01-28 16:27:12
এই পোস্ট কোন ক্যাচালের উদ্দেশ্যে না
জাস্ট কিউরিয়াস ।
ব্লগে আমি কয়েকদিন ধরে অনেক মুখই দেখতেছি না ।
এই মুহুর্তে কে কে ব্যান, স্থগিত, ওয়াচ, নো-স্ট্যাটাস ইত্যাদিতে আছেন ?

সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং কেইসটা দিয়ে তালিকা শুরু করি ।

১. বিষাক্ত মানুষ - নো স্ট্যাটাস (প্রোলেতারিয়েত), অধুনা "উয়াচড"
২. অচেনা বাঙালি - ব্যানড
৩. অক্ষর - ব্যান, দেন এ্যাগেইন ছেপ । ফাইনালি গন ।
৪. মকবুল পাটোয়ারি - ব্যানড
৫. আরণ্যক যাযাবর - জেনারেল (আকা মইনউ)
৬. ক-খ-গ - জেনারেল (আকা মইনউ)
৭. সাঁঝবাতির রুপকথা - ওয়াকআউট করছেন প্রতিবাদে
৮. সীমানাহীন - ব্যানড (সোর্স
৯. রিফাত হাসান - জেনারেল (আকা মইনউ) (পুলাটা ছাগুগিরি করতে গিয়া কি ধরাটাই না খাইলো <img src=" style="border:0;" /> )
১০. ইউনুস খান - ওয়াকআউট করছেন প্রতিবাদে
১১. আশরাফ মাহমুদ - ওয়াকআউট করছেন প্রতিবাদে
১২. কাঁকন - ওয়াকআউট করছেন প্রতিবাদে
১৩. কাক ভুষুন্ডি - ডানামেলে উড়ে গেছেন প্রতিবাদে
১৪. অধ্যাপক - জেনারেল (আকা মইনউ)
১৫. রাশেদ - জেনারেল (আকা মইনউ)
১৬. আরিফুর রহমান - জেনারেল (আকা মইনউ)
১৭. তামিম ইরফান - স্থগিত
১৮. হাসান মাহবুব - জেনারেল (আকা মইনউ)
১৯. হাসিব মাহমুদ - জেনারেল (আকা মইনউ)
২০. বুলবুল আহমেদ পান্না - জেনারেল (আকা মইনউ)
২১. হাল্ক/আখসানুল - জেনারেল (আকা মইনউ)
২২. বোলারস ব্যাকড্রাইভ - জেনারেল (আকা মইনউ)


(প্রিয় মডারেটরগণ - আগেই কৈছি এই পোস্ট ক্যাচালের উদ্দেশ্যে না । জাস্ট কিউরিয়াস কমরেডরা কে কি অবস্থায় আছে । খোজ খবর করা আর কি ! ঈমানে কৈতেছি হেগোরে ছেপ করতে কমু না ।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28899129 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28899129 2009-01-18 18:22:58
জিজ্ঞাসা পোস্ট (সাময়িক) মনজুরুল হক দেখলাম তার সব পোস্ট মুছে ফেলছেন । কয়েকদিন ব্লগে সময় দিতে পারি নাই দেইখা পুরা বিষয়টা আমার নজর এড়ায় গেছে । এদিক ওদিক জিজ্ঞাসা করেও পুরো বিষয়টা পরিস্কার না আমার কাছে । কেউ ঘটনাটা জানলে জানান এইখানে প্লিজ ।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28898509 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28898509 2009-01-17 03:54:05 সাহায্য চাই: সাময়িক পোস্ট
তো আজকে একটু আগে দেখলাম মহারা২০০৮ নামে একজন একটা পোস্ট করেছেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করে ।
পরিকল্পনামতো আমি চাচ্ছিলাম এই পোস্টটিতে কোনরকম ুন্দানির মধ্য না গিয়ে চুপিসাড়ে মডারেটরদের কাছে আপত্তি জানাতে । সেমতে লাল বাটনে টিপি দিয়ে দেখতে পেলাম আপত্তি জানাতে গেলে কি কারনে আপত্তি সেটা লিখতে হয় । আমি ভাবলাম ধুনপুন রচনা না লিখে সরাসরি নীতিমালার যে ধারাটা এই পোস্ট ভঙ্গ করে সেটা কপি পেস্ট করে তুলে দেই । তারপর ঐ ধারা অনুসারে পোস্ট মোছা ও ঐ ব্লগারের ব্যান দাবি করি ।
আমার সমস্যা এই নীতিমালার ধারা ঘাটতে গিয়েই বের হলো । ওখানে বলা আছে
যেসকল কারণে মডারেটররা পোস্ট কিংবা ছবি মুছে দিতে পারেন । এর পরের পয়েন্টে বলা হয়েছে যেসকল কারণে মডারেটররা কোন ব্লগারকে কিংবা কোন ব্লগ সাময়িকভাবে অথবা চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারেন । এই দু'টো পয়েন্ট ঘেটে আমি খুজে পেলাম না একজন ব্লগার বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করলে তাকে কোন ধারায় শাস্তি বিচার করা যায় !
এই অবস্থায় আমি তাবত ম্যাঙ্গো ব্লগারের কাছে সাহায্য চাচ্ছি এটা জানতে যে আমি কিভাবে নীতিমালার দোহাই দিয়ে সুশীল পন্থায় এই ব্লগারের ব্যান + পোস্ট ডিলিটের দাবি জানাতে পারি

সংযুক্তি:
প্রফেশনাল লাইফে আমি বেশ সতর্ক । নিজের কাজ শেষ এটা বলার আগে দুএকবার উল্টে পাল্টে দেখি কেমনে কি !
এই অভ্যাসবসে নীতিমালার আর কোন ভার্সন আছে কিনা দেখার চেষ্টা করলাম । হয়তো নীতিমালার জায়গায় পুরনো ভার্সনটা আছে । নতুন ভার্সন হয়তো অন্য কোন লিংকে পাওয়া যাবে । এই অন্য ভার্সন খুজতে গিয়ে হঠাত করে মনে পড়লো কারো ব্লগ বন্ধ বা স্থগিত করা হলে সেই ব্লগারের পেইজে একটা নীতিমালার লিংক থাকে । হয়তো সেই নীতিমালার লিংকে গেলে আপডেটেড নীতিমালাটা পাওয়া যাবে ।
এই বন্ধ বা স্থগিত ব্লগের কথা মনে হলেই অবধারিতভাবে আমার কিংবদন্তীর ব্লগার সারওয়ারচৌধুরির কথা মনে হয় । গুগল সার্চ দিয়ে বের করলাম তার ব্লগ ।
সারওয়ার চৌধুরির ব্লগ খুলেই দেখলাম যা ভেবেছিলাম তাই ! সেখানে নীতিমালার আরেকটা লিংক দেয়া আছে ।

সেখানে গিয়ে যেটা বুঝলাম সেটা হলো সেটা আরেকটা নীতিমালা ! মাত্র এক প্যারাতেই যেটা শেষ !
সামহোয়্যার ইন... ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলী: উদারতা: ব্লগ ব্যবহারের নিয়মকানুন এবং শর্তগুলো মনে রাখুন। অন্যদের সেভাবে দেখুন, নিজেকে এখানে যেভাবে দেখতে চান। সহনশীলতা: বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মতামত প্রকাশের এটি একটি খোলা জায়গা। ধর্ম, রাজনীতি বা সাংস্কৃতিক দিক থেকে চিন্তাধারা এবং মতামতের ভিন্নতা থাকবেই। তবে অবশ্যই তা আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক নয়। এক্ষেত্রে সকলের সহনশীলতা একান্ত প্রয়োজন। প্রাসঙ্গিকতা: আলোচনা, সমালোচনা বা যে কোন ধরনের পোষ্টয়ের ক্ষেত্রে সবসময় প্রাসঙ্গিক থাকুন। আপনার সুস্পষ্ট, গঠনমূলক ও প্রগতিশীল লেখা,লেখক ও পাঠক তথা গোটা সমাজের পরিবেশের মঙ্গলের জন্যই। উৎস উল্লেখ করা: আপনার লেখায় অন্য কারো লেখা বা বই (তা সে বিখ্যাত বা অখ্যাত যাই হোক) থেকে উদ্ধৃতি আসতেই পারে।সেক্ষেত্রে পরিস্কারভাবে তা উল্লেখ করুন। কপিরাইটের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। আপনার স্বত্তাধিকার থাকলে তা উল্লেখ করুন (যদি প্রয়োজন হয়)।

নীতিমালার আরেকটা ভার্সন পাওয়া গেলো সত্য কিন্তু এখানে আমি যে ধারাটি খুজছি সেটা নেই ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28895639 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28895639 2009-01-10 20:28:46
একটা বিষয়ের ফয়সালা আসলেই হওয়া দরকার এই যেমন রাঙা মিয়া । উনি প্রায়ই তোতা পাখির মতো আওড়ায় বেড়ান আমি নাকি তারে কি করছি বা কি কৈছি । সেইদিন উনার পুস্টে কৈলেন -

ইতিপূর্বে ব্লগে এটিমের ইমেজধারী ও ভার্চুয়াল প্রহরী( স্বঘোষিত চৌকিদার ) হাসিব কর্তৃক অযৌক্তিক ও গায়ে পড়ে অশালীন আচরনের অভিজ্ঞতা থাকায়, তথাকথিত মুক্তমনা এই ব্লগারের এহেন অসভ্য আচরনে আমি মোটেও অবাক হইনি। হয়তো আরও অনেকেই দীর্ঘদিন যাবৎ এগুলো সহ্য করে আসছেন।
রেফারেন্স - এই পোস্ট

পুরা প‌্যারাটা বোল্ড করা আছিলো । পাঠকেরা যারা এই পোস্টটা পড়েন নাই তাগো হয়তো মনে হৈতে পারে যে ঐ পোস্টের বিষয়বস্তু আমি । কিন্তু সেইটা না । ধান ভাঙতে শিবের গীত গাওয়ার মতো অমি পিয়ালের সমালোচনা করা ঐ পোস্টে আমার নামের অংশটাই উনি বোল্ড করেছেন ।<img src=" style="border:0;" />

তারে নাকি আমি রাজাকার কৈছি (স্মৃতি থিকা কৈলাম) এই অভিযোগও রাঙা মিয়া করছেন অন্যজায়গায় ।

রাঙা মিয়ার এই হাসিব বিরোধী প্রচারণাপর্ব আমি পাত্তা দেই নাই । সেই আগিলা জামানা থিকা অনেক লুকই আমার নামে এক একাধিক পর্বের পুস্ট দিছে । রাঙা মিয়া আমার সেই হাসিব হেইট ক্লাবের নতুন সংযোজন মাত্র ।

তো এই রাঙা মিয়া এইসব নিন্দাকার্যক্রমে নতুন ফ্লেভার আনছেন একটু আগে । পিয়াল ভাই তারে বোধহয় ব্যানট্যান করছেন । রাঙা মিয়া সেইটার প্রতিবাদ জানায় পুস্টও দিছেন । এর কিছুক্ষন পরই কব্বর থিকা একটা নিকা আইসা <img src=" style="border:0;" /> কি কি যেন রিভার্স খেলার চেষ্টা নিলেন পিয়াল ভাইরে নিন্দামন্দ কৈরা । কব্বর থিকা উইঠা আসা সেই নিকের আগের পোস্টটা দেখলাম সেই আগিলা জমানায় যখন রহমান হেনরীর ব্লগে রহমান হেনরীর লগে যখন রাঙা মিয়ার কাইজ্জা লাগে তহনকার - রহমান হেনরিরে সমালোচনা কৈরা পুস্ট <img src=" style="border:0;" /> (এইখানে খিয়াল কৈরা আমি কিন্তুক কৈতেছিনা ঐ প্রাচীন আর রাঙা মিয়া একই লুক । শুধু টাইমলাইনে কিছু সারকামস্টানশিয়াল মিলের কথা কৈলাম ) ।

যাউগ্গা, এই প্রাচীন নিকটা কব্বর থিকা চাগা দিয়া উইঠা একটা উপকার করছে আমারে । রহমান হেনরিরে নিয়া তার সেই পুস্টে "মৃত হাসানের প্রেতাত্মা" রহমান হেনরির বনাম রাঙা মিয়ার সেই আর্গুমেন্ট পোস্টের ব্যাকআপ দিছেন । (লিংক - ১, লিংক - ২) ।

স্মৃতি বড় প্রতারক বৈলা আমি রাঙা মিয়ার সব অভিযোগেই চুপ থাকছি আগে । ভাবতাম হয়তো কোন মিস ফায়ার করছিলাম আগে কোনসুম । আর আমি কোথায় কোন সময় রাঙা মিয়ারে কি করছি সেইটার লিংক চাইলে রাঙা মিয়া সবসময় রহমান হেনরী পোস্ট মুইছা ফালাইছেন এই অজুহাতটা দিতেন । কিন্তু সেই ব্যাকআপ পুস্ট পৈড়া দেখলাম আমি আসলে রাঙা মিয়ারে সেইরকম কিছু কৈ নাই ঐখানে । প্রেতাত্মার লিংকগুলা দেইখা আশা করতেছি রাঙা মিয়া এখন আমি তার সাথে কখন কিরকম "অযৌক্তিক" ও "অসভ্য" আচরণ করছি সেইটার ফয়সালা করতে আগায়া আসবেন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28889562 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28889562 2008-12-29 03:31:42
আসিতেছি .... এক্টু সবুর কর সবাই এর মধ্যে ঢুইকা দেখি ব্লগে বহুত ক্যাচাল লাগছে ।
পিয়াল ভাইয়ের পোস্ট এক পলক দেখলাম ।
পিয়াল ভাই আর বাকি সবাইরে কৈতেছি ।
আমি আইতেছি ।
রান্না চড়াইছি ।
রান্নাটা শেষ হৈলেই ....

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28884654 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28884654 2008-12-19 01:31:45
উবুন্টু কনফিগারেশন
প্রথমেই এটা ইনস্টল করে নিন ।

আপনি তাড়াহুড়োয় থাকলে এখান থেকে ডেব ফাইল নামিয়ে ডাবল ক্লিক করে সেটা ইনস্টল করে ফেলুন । আর আপনি একটু ধৈর্য্যশীল আর বুদ্ধিমান হলে প্রথমে এই সফটওয়্যারটার সোর্স এ্যাড করে তারপর কমান্ড প্রম্পট থেকে Ubuntu Tweak ইনস্টল করে ফেলুন ।

এই সফটওয়্যারটার সোর্স এখানে থাকবে,
deb http://ppa.launchpad.net/tualatrix/ubuntu intrepid main
deb-src http://ppa.launchpad.net/tualatrix/ubuntu intrepid main
এই সোর্স দুইভাবে এ্যাড করা যায় ।

প্রথম পদ্ধতি হলো, sudo gedit /etc/apt/sources.list ওপেন করে সেখানে একদম শেষে উপরের লাইনদুটো কপি-পেস্ট করে দিন ।

অথবা, মেন্যুবার থেকে System > Administration > Software Sources ক্লিক করুন । সেখানে Add ক্লিক করে deb http://ppa.launchpad.net/tualatrix/ubuntu intrepid main এই লাইনটি কপি-পেস্ট করে দিন । তারপর Add Source ক্লিক করে বের হয়ে আসতে হবে ।



এবার একটা টার্মিনাল ওপেন করে লিখুন -
sudo apt-get update
তারপর
sudo apt-get install ubuntu-tweak

এই কমান্ড আপনার পিসিতে Ubuntu Tweak সফটওয়্যারটা ইনস্টল করে ফেলবে ।

ইনস্টল করার দ্বিতীয় পদ্ধতিটা ঝামেলাপূর্ন হলেও এই পদ্ধতিতে আপনি ubuntu-tweak-এর যাবতীয় আপডেট নোটিফিকেশন পাবেন । যেটা প্রথম পদ্ধতিতে পাবেন না । এজন্য দ্বিতীয় পদ্ধতিই ভালো ।

ubuntu-tweak সফটওয়্যার নিয়ে কিভাবে কাজ করবেন সেই বিষয়ে বলার কিছু নেই । সবকিছুই সেল্ফ এক্সপ্লানেটরি । দেখলেই বুঝবেন কি করতে হবে । এখান থেকে সেবিষয়ে কিছু আঁচ পেতে পারেন আপনারা।

এই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনি যা করতে পারবেন সেগুলো হলো
১. বেসিক সিস্টেম ইনফরমেশন (কার্নেল ভার্সন, সিপিইউ, মেমরি ইত্যাদি) দেখতে পাবেন ।
২. জিনোম সেশন প্যানেল, অটোস্টার্ট প্রোগ্রাম কন্ট্রোল করতে পারবেন ।
৩. স্প্ল্যাশ স্কৃন কনফিগার করতে পারবেন
৪. সিস্টেম ডিফল্ট এ্যানিমেশন বন্ধ/চালু করতে পারবেন ।
৫. কম্পিয কনফিগার করতে পারবেন (সীমিতভাবে) ।
৬. সিস্টেম সিকিউরিটি কনফিগার করতে পারবেন
৭. পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট আরো ভালো ও সহজভাবে কন্ট্রোল করতে পারবেন ।
৮. খুব সহজে সফটওয়্যার ও সফটওয়্যার সোর্স এ্যাড করতে পারবেন । ডিফল্ট কিছু দরকারি সোর্সেস লিস্ট দেয়া আছে । নিশ্চিতভাবে কয়েকটা কাজে লাগবে আপনার (যেমন মেডিবুন্টু) ।
৯. যারা হার্ডডিস্কে জায়গা সংকটে ভোগেন তারা এর মাধ্যমে সফটওয়্যার প্যাকেজ ক্যাশে আর সিস্টেম ক্যাশে ক্লিন করতে পারবেন । এটা প্রচুর জায়গা বাঁচাবে আপনার ।

সফটওয়্যারটা আমার কাছে বেশ দরকারি ও কাজের টুল মনে হয়েছে । ট্রাই করে দেখতে পারেন । তিন মেগা সাইজ এটার ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28882423 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28882423 2008-12-14 22:04:21
উবুন্টু ডেস্কটপে মাই কম্পিউটার, রিসাইকেল বিন, হোম ফোল্ডার
প্রথমে উপরের মেন্যুবারে উবুন্টু লোগোটাতে রাইট ক্লিক করুন । এডিট মেন্যুয সিলেক্ট করুন । এরপর এই উইন্ডোটা আসবে ।



এখানে ডানদিকে সিস্টেম টুলস সিলেক্ট করুন । তারপর ডানদিকে কনফিগারেশন এডিটর সিলেক্ট করুন । ডানদিকে নিচে ক্লোয ক্লিক করুন ।
এটা করলে এ্যাপ্লিকেশনস মেন্যুতে সিস্টেম টুলস ক্লিক করলে কনফিগারেশন টুল নামে নতুন একটা এন্ট্রি দেখতে পাবেন । ওটা ওপেন করুন ।
এখন সেখানে
Apps > nautilus > desktop এ যান । তারপর, computer_icon_visible, trash_icon_visible, trash_icon_visible এই তিনটির পাশের বক্স চেক করে দিন । এরপর volumes_visibleটা আনচেক করে দিন ।
ঠিক এরকম -



উইন্ডো ক্লোয করে ডেস্কটপ দেখুন । আপনার ডেস্কটপে এখন মাই কম্পিউটার, হোম ফোল্ডার এবং ট্র্যাশ ফোল্ডার দেখাচ্ছে ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28881682 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28881682 2008-12-13 04:40:09
উবুন্টু : এনটিএফএস হার্ডড্রাইভ অটোমাউন্ট ওয়েবে এই বিষয়ে খুঁজতে গেলে নতুন ব্যবহারকারিদের আতঙ্কিত হবার যথেষ্ট কারন পাওয়া যাবে । (একটা উদাহরন এখানে দেখুন ) । এই জাতীয় টিউটোরিয়ালগুলোর একটা সমস্যা হলো নতুন ব্যবহারকারিরা একটু ভুল ভাল করে ফেললে সেটা থেকে নতুন জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে । এর থেকে সহজ ও বোধগম্য একটা উপায় বলছি এখানে ।

প্রথমেই আপনার হার্ডডিস্কের সবকটি এনটিএফএস পার্টিশন মাউন্ট করা থাকলে সেগুলো আনমাউন্ট করে নিতে হবে ।

এরপর ntfs-config নামে একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করে নিন । খুব ছোট সফটওয়্যার । কোন ঝামেলাছাড়াই ইনস্টল হবে ।

sudo apt-get install ntfs-config

এরপর সফটওয়্যারটা Applications > NTFS Configuration Tool চালু করুন ।

এরকম একটা উইন্ডো আসবে ।



এখানে Add বক্সদুইটি চেক করে দিন । এরপর ক্লিক করুন । তারপর সেখানে কিনামে ড্রাইভদুটো মাউন্ট হবে সেনামগুলো দিয়ে এন্টার চাপুন । আমার ক্ষেত্রে প্রথম ফিল্ডে লিখেছি data তারপরের ফিল্ডে windows । এগুলো লেখা হলে এরকম চেহারা হবে উইন্ডোটির ।



এখন Apply চাপুন । এরপর এনটিএফএস রিড-রাইট কনফিগ টুল ডায়লগ বক্স আসবে । সেখানে এক্সটারনাল (যদি থাকে) ও ইন্টারনাল দুটো বক্সই চেক করে দিন ।



এখন থেকে আপনার পিসিতে উবুন্টু চালু হবার সময় এনটিএফএস ড্রাইভগুলো অটোমাউন্ট হবে ।

ট্রাবলশুটিং

আমি উপরে যেভাবে বললাম সেভাবে কাজ হবার কথা । এখন কোন কারনে (সেটার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে) ঝামেলা হলে আপনি পুরো প্রসেসটাকে ম্যানুয়ালি আনডু করতে পারবেন ।

প্রথমে আপনাকে মাউন্ট হওয়া ড্রাইভ আনমাউন্ট করতে হবে । সাধারন পদ্ধতিতে এটা হবে না । এটা করতে আপনার রুট অথরিটি থাকতে হবে । এটা করতে Alt + F2 চেপে কমান্ড লিখুন sudo nautilus । এই কমান্ডটি আপনাকে একটা রুট অথরিটিসহ এক্সপ্লোরার ওপেন করে দেবে । সেখানে বাদিকের ড্রাইভ লিস্ট থেকে ড্রাইভগুলোর পাশে ইজেক্ট বাটনে ক্লিক করলেই হবে । অন্যথা আপনি ড্রাইভ সিলেক্ট করে সেটাতে রাইট ক্লিক করে আনমাউন্ট সিলেক্ট করলেও কাজ হবে ।



এরপর ব্রাউজ করে রুট ডিরেক্টরিতে media ফোল্ডারে যান । সেখানে (আমার ক্ষেত্রে data ও windows নামে দু'টি ফোল্ডার পাবেন । ডিলিট করে দিন ওগুলো ।

এখন কমান্ড প্রমপ্ট ওপেন করে লিখুন

sudo gedit /etc/fstab

টেক্সট এডিটরে যে ফাইলটা ওপেন হবে সেখান খুঁজে দেখুন আপনি যে নাম ব্যবহার করে ড্রাইভ মাউন্ট করেছিলেন সেগুলো আছে কিনা । আমার ক্ষেত্রে আমি এরকম দু'টি লাইন দেখছি ।

/dev/sda2 /media/data ntfs-3g defaults,locale=en_US.UTF-8 0 0

/dev/sda1 /media/windows ntfs-3g defaults,locale=en_US.UTF-8 0 0

এদুটো লাইন ডিলিট করে দিন ।

উপরের স্টেপগুলো অনুসরন করে আপনি আপনার পিসিতে এনটিএফএস কনফিগ দিয়ে করা পরিবর্তনগুলো সরিয়ে পিসিকে আবারো আগের অবস্থায় নিয়ে আসতে পারবেন ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28881396 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28881396 2008-12-12 14:27:17
অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার ব্লগার মানস চৌধুরী আর ব্রাত্য রাইসু এইটার বিরুদ্ধে প্রবল আপত্তি জানাইছেন । উনাদের গুরুভার বললাম এই অর্থে যে ইনাদের ব্লগের বাইরেও বাস্তব জীবনে দুই একটা লোক তাদের চেনেন । এই দুই গুরুভার ব্লগার ছাড়াও গোপনে অগোপনে এই পোস্ট লেখা পর্যন্ত ৬৬টা মাইনাস রেটিং (এর একটা আমার দেয়া) ব্রিগেড সিক্সটিনের পোস্টে দেয়া হইছে । মানস চৌধুরি যখন পোস্ট দেন তখন ঘরসংসারের কাজে ব্যস্ত থাকায় উনার পোস্টে আলোচনাটা চালিয়ে ওঠার সুযোগ হয় নাই । এখন ব্রাত্য রাইসুর পোস্ট দেখে মনে হলো এই বিষয়ে কিছু বলার দরকার ।

গুরুভার ব্লগারদ্বয়ের পোস্ট নিয়ে আলোচনার আগে আমরা চলুন দেখি ব্রিগেড সিক্সটিনের উদ্যোগের বিপক্ষে আপত্তির জায়গাগুলো কি কি । একটা সম্ভাব্য লিস্টি করা যাক ।

১. বর্ষসেরা লেখা বলতে আসলে কিছু নাই । ব্লগার কলিমুদ্দি ভুলভাল বানান-ব্যাকরণে যেইটা লেখে সেইটা যেমন এইখানে গুরুত্বপূর্ন । তেমনি প্রিন্টেড মিডিয়াতে যাদের লেখা দেখা যায় তেমন ব্লগার, যেমন ব্রাত্য রাইসু, ফারুক ওয়াসিফ, মানস চৌধুরি, ফাহমিদুল হক, মাহবুব মোর্শেদসহ শাহবাগোত্থিত তাবত নার্সিস্টিক কবিসাহিত্যিককুলের লেখাও গুরুত্বপূর্ন । দুইটা দুই সেন্সে গুরুত্বপূর্ন । বিষয়টা খিয়াল কৈরা । (এইমতটা আমার সমর্থন পাবে) ।

২. বর্ষসেরা লেখা নির্বাচন এইরকম একটা জমজমাট ব্লগে করা উচিত না । প্রচুর পোস্ট হয় এখানে প্রতিদিন । এই কারনে এইখানে অনেক ভালো লেখা শুধুমাত্র অন্য ব্লগারদের সাথে তাদের ইন্ট্যারাকশন কম এইকারনে আউট অফ ফোকাস থাকে । এই পোস্ট লেখা পর্যন্ত ৪৫৭টা লেখা নির্বাচন করা হৈছে । এর মানে গড়ে প্রতিদিন ১.৩টা বর্ষসেরা লেখা লেখা হৈছে ! ২ চামচ চিনি এক গ্লাস শরবতের জন্য যথেষ্ট কিন্তু দুই চামচ চিনির সাথে একজগ পানি পুরো মিস্টি ভাবটাই উধাও করে দিতে পারে । (কিছু অর্বাচীন যারা নিজেদের লেখা নিজ নিকে অথবা ভিন্ন নিকে নমিনেট করতেছেন তাগো কথা বাদ এইখানে । ক্যাচাল বাড়ায়া লাভ নাই । তাগোরে হেদায়েত করা আমার দায়িত্ব মনে করতেছি না । )

৩. ব্রিগেড সিক্সটিনের পোস্টের শেষ প্যারায় এই বর্ষসেরা লেখার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হৈছে । বলা হৈতেছে এইটা ব্লগার কৌশিকের সৌজন্যে প্রাপ্ত । এইটা কৌশিক দিতেছে নাকি সামহয়ার কর্তৃপক্ষ কৌশিকের মাধ্যমে এইটা দেওয়াইতেছে এই তর্কের মিমাংসা না করেই এইটাতে আপত্তি জানানো যায় । ব্রিগেড সিক্সটিন বলতেছেন এইটা নাকি ব্লগারদের উতসাহিত করতে করা হৈছে । উদাহরন হিসেবে এই প্রসঙ্গে উনি প্রিন্ট মিডিয়ার উদাহরন টানছেন । আমার মত এইখানে হৈলো টাকা পয়সার ব্যাপারটা প্রচলন করার মাধ্যমে একটা অসুস্থ্য প্রতিযোগিতার সূচনা উনি করলেন । আজ কৌশিক এইটা দিবে (অথবা সামহয়ার কর্তৃপক্ষ/পক্ষী কৌশিকের মাধ্যমে) কাল ঐটা আরো বেশি টাকা আইনা লাক্স-সামহয়ার বর্ষসেরা লেখা নির্বাচন অনুষ্ঠান করবে । সব ভালো কিছুর কর্পোরেটিকরণ হয়তো এইভাবেই হয় । (এই পয়েন্টেও আমার সায় আছে )

৪. কারো লেখা মনোনীত হয় নাই । তাই এইটা উনি পছন্দ করতেছেন না । বাস্তবে না থাকলেও থিওরেটিক্যালি এই ক্যাটাগরির অস্তিত্ব স্বীকার করা যায় । মানস চৌধুরি এইটারে "হিংসার থিয়োরী" নাম দিছেন ।

এখন দেখা যাক এই বিষয়ে আমাদের গুরুভার ব্লগাররা কি কি আপত্তি জানাইছেন । ব্লগার মানস চৌধুরি একটা নাতিদীর্ঘ ভূমিকা দিয়ে তার বক্তব্য শুরু করছেন এইভাবে - আমার মনে পড়ে, ব্লগের "সাহিত্য" প্রিন্টবন্দি করবার উদ্যোগেই আমি খুব খুশি ছিলাম না । তা অখুশী থাকাটা তার নাগরিক অধিকারের মধ্যে পড়ে । কিন্তু পাঠক এখানে খেয়াল করেন এইখানে উনি "সাহিত্য" কথাটারে কোটকমা দিয়ে আবদ্ধ করছেন । উনি কি একটু ব্যঙ্গ করলেন ব্লগারদের লেখার সাহিত্য মান নিয়ে ? প্রশ্নটা বলবত রেখেই দেখি একটু পরে উনি বলছেন - ব্লগের স্বাধীনতা নিয়ে আমার কখনোই উচ্চকিত ভক্তিভাব ছিল না। ছিল না, কারণ এর অদৃশ্য মালিকানা নিয়ে আমি ভুলভুলানির খেলায় থাকি না। অদৃশ্য মালিকানা নিয়ে আমরা অনেকেই ভুলভুলানির খেলায় থাকি না । এখন আমাদের কি করা ? আমরা কি এজন্য হাবিজাবি যাই লেখি (বা অনলাইন এ্যাক্টিভিজম যা হয় এখানে যেইটার অস্তিত্বই অনেক তালেবরেরা স্বীকার করতে চান না) এখানে বা ওখানে সেগুলো বন্ধ করে দেবো ? পুঁজিবাদ পছন্দ করি না বলে সমাজতন্ত্রের নামে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা নাকি অবস্থার মধ্যে থেকে অবস্থারে পরিবর্তনের চেষ্টা করাই আমাদের দায়িত্ব ?

যাই হোক, নেক্সট প্যারায় উনি ব্লগের কোন জায়গাটা আসলে গুরুত্বপূর্ন সেইটা নিয়ে কথা শুরু করছেন । উনি বলছেন - এরপরও ব্লগের যে জায়গাটা গুরুত্বপূর্ণ তাহলো "সম্পাদকীয়" এখতিয়ারের নামে এখানে কর্তন/ছেদন প্রক্রিয়াটা মুদ্রণ-স্থাপনার মতো নয়। আমি এখানে লাইনটার সাথে একমত । কিন্তু এরপরের লাইনটা পড়ে আক্কেল গুড়ুম টাইপ অবস্থা । ব্লগ ও মুদ্রন স্থাপনার মধ্যে পার্থক্য নির্দিষ্ট করতে সে লাইনে মানস চৌধুরি বলছেন – এখানে (ব্লগে) স্বজনতোষণ আছে, দলাদলি আছে, আরও আছে গালাগালি। এইরকম বালখিল্য নার্সিস্টিক মন্তব্য নিয়ে বলার কিছু নাই । প্রিন্টি মিডিয়া স্বজনতোষণ, দলাদলি, গালাগালি (গোপনে আবডালে হলেও সেইটাও গালাগালিই) মুক্ত এই দাবি শুনলে জাবির ডেইরি ফার্ম গেটে মামুদের দোকানের আশেপাশের ঘুরঘুর করা ভবঘুরে কুকুরগুলোও হায়নার মতো খ্যাক খ্যাক হাসি হাসবে । এই ব্লগের সাথে প্রিন্ট বা অন্য মিডিয়ার সাংস্কৃতিক পার্থক্য আছে ও এই সাংস্কৃতিক পার্থক্যটা নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে বিবর্তিত হচ্ছে নিজের নিয়মেই এটা আমি সবসময়েই বলি । কিন্তু এই বিবর্তনটা প্রাকৃতিক নিয়মে হবে কিনা সেই প্রশ্ন পরমুহুর্তেই মানস চৌধুরি উপদেশমূলক অবস্থানে চলে যান । বলেন - "কিন্তু এটা তো বিধাতার রাজ্য না যে আপনা-আপনি এরকম চলতেই থাকবে। ব্লগের শক্তিমত্তার জায়গাগুলো উদ্ঘাটন ও জারি রাখতে চাইলে এর ব্যবহারকারীদের দায়দায়িত্বও নিতে হবে। " কার দায়িত্ব কে নেয় ? বা "দায়িত্ববান" আচরনের সংজ্ঞা কি হবে ? সেইটা বিধাতার রাজ্যের মতো না হৈলে সেইটার গাইডলাইন কে কখন ঠিক করবেন ? মানস চৌধুরি ?

এইখানে একটু খেয়াল করে দেখেন ব্লগের সেরা লেখা নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানস চৌধুরি ধান ভাঙতে শিবের গীতের মতো ব্লগারদের লেখা ছাপানো নিয়ে কথা শুরু করেছেন । তিনি বললেন- "আমার মনে হয় এই বিস্কুট দৌড়ের মতো মুদ্রণ-স্থাপনার প্রতিষ্ঠিত চর্চাগুলো এখানে আমদানি করতে শুরু করে ব্লগের শক্তিমত্তার জায়গাগুলো খর্ব করতে বসেছেন সতীর্থরা।" আমি জানতে ইচ্ছুক "ব্লগের শক্তিমত্তার জায়গা" বলতে মানস চৌধুরি কি বোঝেন । যে লোক কোনদিন একটা লাইন নিজ থেকে লেখেনি সেই লোক ব্লগে এসে লিখতে শিখছে । সেই লেখক (ব্লগারদের কি মানস চৌধুরি "লেখক" হিসেবে স্বীকৃতি দেন?) যখন বই ছাপাতে চায় তখন "মুদ্রন স্থাপনার প্রতিষ্ঠিত চর্চাগুলোর ছোঁয়াচ থেকে নাদান ব্লগারদের বাঁচানোর নাম করে তাদের বিরত থাকার উপদেশ দেবার কারনটা আসলে কি ? আমরা নাদান পাঠকরা আরোও বুঝতে পারলাম না এই বিস্কুট দৌড় (টার্মটা ভালো হৈছে) বা এই বিস্কুট দৌড়ের কোন অনুসঙ্গ ব্লগের কি ক্ষতির কারন হলো । কোন উদ্যোগের সমালোচনা করতে "লিবারেল চিত্ত" (এইটাও ভালো টার্ম হৈছে) হা রে রে রে করে তেড়ে উঠবে স্বাভাবিক । কিন্তু সেই লিবারেল চিত্তকে বোঝানোর তেড়ে আসা থেকে বিরত করতে মানস চৌধুরির পাল্টা বক্তব্য কি ? মানস চৌধুরি বলছেন "আমি নিশ্চিত আছি, আপনাদের দোয়ায়, কী বিষয়ে আমি কথা বলছি।" এইটা আমিও বিশ্বাস করতে চাই ও আমি আশা করি মানস চৌধুরি আসলে কি বিষয়ে কথা বলছেন সেইটা সবাই বুঝতেও পারবে ।

এরপর আসি ব্রাত্য রাইসুর পোস্টে । উনি মানস চৌধুরির মতো ভূমিকায় না গিয়া প্রথম লাইনেই নিজের বক্তব্য পেড়েছেন । উনি মূলত: দুইটা "আবদার" জানিয়েছেন । আবদার এক - "ব্লগারদের চোখে সেরা লেখা নির্বাচনের ঘনঘটা"-র পরিসমাপ্তি । আবদার দুই - “নির্বাচিত পোস্ট" সংস্কৃতির অবসান হোক । প্রথমেই এই আবদার দুইটা আলাদা আলাদা ভাবে দেখলে বোঝা যায় দুইটা দাবি ভিন্ন । এর মধ্যে আবদার – দুই আমাদের আলোচ্য বিষয় না এখানে । সুতরাং সেইটা বাদ এই দফায় । নির্বাচিত বা পোস্ট বিষয়টা আমার মতে অপ্রয়োজনীয় মনে হয় ।
এবার আসি ব্রাত্য রাইসুর প্রথম আবদার বিষয়ে । উনি আমার মতোই "সেরা লেখা নির্বাচনের ঘনঘটা"র বিপক্ষে । আমি ব্রিগেড সিক্সটিনের পোস্টে আমার আপত্তির জায়গাটা পরিস্কার করলেও উনার কেন এইটাতে আপত্তি সেইটা পরিস্কার করেন নাই । তো তার এই অবস্থানের কার্যকারন পরিস্কার না করলেও এই কথাপ্রসঙ্গে তিনি বলছেন - “ব্লগ কালচারের নামে চলিত ফোরাম কালচার থিকা ডিগবাজি দেওয়াই উত্তম হবে মনে হইতেছে।" মানস চৌধুরির মতো এইখানেও উনি একটা সরাসরি উপদেশমূলক অবস্থানে চলে গেছেন । উপদেশমূলক এই সেন্সে যে এই ব্লগ কালচার আসলে ফোরাম কালচার । ব্লগ হয়তো আরোও কুলীন কিছু একটা । বাংলাওয়েবেস্ফিয়ারের বিখ্যাত ছাগুরামও একসময় এইটারে-ব্লগ-কয়-না-টাইপ নসিহত করতো । আমার কথা হৈলো বাংলা ব্লগ তার একটা নিজস্ব সংস্কৃতি নিয়া বাইড়া উঠতেছে । ব্লগ বলতে এইখানে যেইটা বুঝায় সেইটা অন্য দেশে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে নাও বুঝাইতে পারে । যেমন আম্রিকাতে ব্লগ বলতে পাবলিক ব্লগস্পটের মতো বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো সাইট বুঝতে পারে । কিন্তু এইখানে আমরা কেন ঐ আমেরিকান ডেফিনিশন আমাদের ঘাড়ে তুইলা নিয়া ব্লগ করবো ?

শুধু এই দুইজন গুরুভার ব্লগারই না, আমি প্রায়ই কাগজভিত্তিক লেখকদের এইখানে এইটা করা দরকার ঐটা করা দরকার, এইটা কেন হয় না ঐটা না হয়ে ইত্যাদি গণবিচ্ছিন্ন উপদেশমূলক অবস্থানে যেতে দেখি । আপনাদের কাছে আমরা সত্য-সত্যিই এইবার পরিত্রান চাই । বাংলা ব্লগরে আপনারা তার নিজের রাস্তায় চলতে দেন । লেখালেখির তালুকের মালিকানা আপনারাই রাখবেন আর বাকিসবাই বসে বসে লেবেঞ্চুশ মুখে নিয়ে আপনাদের লক্ষ্য করে আহ-উহ প্রশংসামূলক শিৎকারে আকাশ বাতাস ভারি করে তুলবে এই আশাটার গুড়ে বালি আছে এটা স্বীকার করে নিন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28881112 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28881112 2008-12-11 18:56:26
উবুন্টু ব্যাকআপ সল্যুশন : এসব্যাকআপ
তো এই ব্যাকআপ সিস্টেম গড়ে তোলাটা সহজ হয় সিডি আসার পর । একটা ছোট বহনযোগ্য ডিস্কে তখন অনেক ড্যাটা কপি করে ফেলা যেত । এরপর ফাইলসাইজ রিকয়ারমেন্ট বাড়ার সাথে সাথে বিকল্প হিসেবে ডিভিডি ব্যবহার শুরু করে ইউজাররা । তবে সাধারণ ব্যবহারকারিরা এই বহনযোগ্য সিডি/ডিভিডিতে ড্যাটা ব্যাকআপ রাখলেও এন্টারপ্রাইজ লেভেলে এটা কখনোই প্রচলিত হয়নি কিছু কারনে । কারনগুলো হলো - সিডি/ডিভিডি কোন নির্ভরযোগ্য মিডিয়াম না, এটা হ্যান্ডল করাটা অসুবিধাজনক এবং এর স্টোরেজ ক্যাপাসিটি কম ।

এই অসুবিধাগুলো ব্যক্তিপর্যায়ে ব্যাকআপ সল্যুশনেও প্রভাব ফেলে নি:সন্দেহে । সিডি বছর দুয়েক ফেলে রাখলেই এর একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়, বারবার ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়লে তাতে স্ক্র্যাচ পড়ে যেটা আস্তে আস্তে সিডিকে আনরিডেবল করে তোলে । এটা ছাড়া দরকার মতো বারবার ট্রেতে ঢোকানো বের করাও ঝামেলার । এই সমস্ত সমস্যার কারনে ব্যাকআপের জন্য হার্ডডিস্ক আস্তে আস্তে অপ্রতিদ্বন্দী হয়ে উঠছে । এছাড়া প্রতি গিগাবাইট হিসাবে হার্ডডিস্কের দামও প্রায় এক । হার্ডডিস্কের ক্ষেত্রে প্রতি ইউরোতে পাওয়া যায় ৭.৭ গিগাবাইট আর প্রতি ইউরোতে ডিভিডিতে পাওয়া যায় ৭.৪১ গিগাবাইট ।

ব্যাকআপ রাখতে হার্ডডিস্কের আরেকটা সুবিধা হলো আপনি সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনার পছন্দমতো সিডিউল করে ব্যাকআপ প্রসেস অটোমেটেড করে রাখতে পারবেন । ভুলে গিয়ে বিপদে পড়ার সম্ভাবনাও এখানে নেই ।

লিনাক্সের জন্য ব্যাকআপ রাখার জন্য এরকম বেশ কয়েকটা সমাধান রয়েছে । আমার কাছে এর মধ্যে ব্যবহারবান্ধব মনে হয়েছে এসব্যাকআপকে (sbackup).

এসব্যাকআপ আপনি যে হার্ডড্রাইভে কাজ করেন সেই হার্ডড্রাইভেই ব্যাকআপ রাখতে পারে । তবে আমি পরামর্শ দেবো আলাদা একটা হার্ডডিস্ক ব্যবহার করার জন্য । এই হার্ডডিস্ক আপনি ইউএসবি অথবা প্রাইমারী স্লেভ বা সেকেন্ডারি মাস্টার/স্লেভ হিসেবেও কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারেন । ফাইল সিস্টেম এনটিএফএস হওয়াই ভালো কারন এটা ৪গিগার বেশী ফাইল সাইজ সাপোর্ট করে । এটা দরকার হবে ব্যাকআপ ফাইল ক্রিয়েট করা জন্য ।

আপনার প্রথমেই যেটা করতে হবে সেটা হলে এসব্যাকআপ সফটওয়্যারটা ইনস্টল করে নেয়া । এটার জন্য কমান্ড লিখুন এরকম -

sudo apt-get install sbackup

সফটওয়্যারাটার সাইজ ৫০০কিলোবাইট বা তার কিছু বেশী । দেশের স্লো কানেকশনেও তাড়াতাড়ি ইনস্টল হবে ।

ইনস্টল করার পরে এটা চালু করুন মেন্যুবার থেকে সিস্টেম > এ্যাডমিনিস্ট্রেশন > সিম্পল ব্যাকআপ রিস্টোর কনফিগ । চালু করলে আপনি এরকম একটা ইন্টারফেস পাবেন ।



এখানে ইউজ কাস্টম ব্যাকআপ সেটিংস সিলেক্ট করুন ।

তারপর উপরে ইনক্লুড ট্যাব ক্লিক করুন । এখানে আপনি দেখতে পাবেন কোন কোন ফোল্ডার আপনি ব্যাকআপ করবেন ।



ডিফল্ট হিসেবে /var (আপনার যেসব প্রোগ্রাম ব্যবহার করছেন সেগুলো সেটিংস ক্যাশে), /home (আপনার হোম ফোল্ডার), /usr/local (আপনার ইনস্টল করার সব প্রোগ্রামগুলো) এবং /etc(হার্ডওয়্যার সেটিংস, সফটওয়্যার কনফিগারেশন) সিলেক্ট করা থাকবে । আপনি চাইলে আরোও কিছু ফোল্ডার যোগ করতে পারেন । সেটা করতে এ্যাড ডিরেক্টরি ক্লিক করে দরকার মতো অন্য ডিরেক্টরিও সিলেক্ট করতে পারবেন । (নতুনদের জন্য - লিনাক্সের কোন ফোল্ডারে কি থাকে সেটা জানতেClick This Link target='_blank' > এখানে ক্লিক করুন ) ।

এরপর এক্সক্লুড ট্যাবে যান । এখানে দেখতে পাবেন কি ধরনের ফাইল আপনি ব্যাকআপ রাখতে চান না সেগুলোর তালিকা ।





এছাড়াও আপনি সর্বোচ্চ কত বড় সাইজের ফাইল ব্যাকআপ রাখবেন সেটাও এখানে নির্ধারণ করে দিতে পারবেন । এইখানে একটু চিন্তা ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন । কারন আমরা অনেক সময় অনেক ছবি ও ভিডিও রাখি হোম ফোল্ডারে যেগুলো আমরা ব্যাকআপ রাখতে চাই কিন্তু এখানে এগুলো এক্সক্লুড করা আছে । দরকার মতো ফাইল টাইপ ও সাইজ কনফিগার করে নেবেন যার যার দরকার মতোন ।

এর পরের ট্যাবটি আপনি কোথায় ব্যাকআপ রাখবেন সেটা সিলেক্ট করার জন্য ।



আমি একটা এক্সটারনাল ড্রাইভে রাখছি এটা যেটার নাম ব্যাকআপ । এছাড়া আপনি যে ড্রাইভে কাজ করেন সেখানেই বা সিকিউর শেল বা এফটিপির মতো রিমোট জায়গাতেও ব্যাকআপ করতে পারেন ।

পরবর্তী ট্যাবে ব্যাকআপ সিডিউল ঠিক করার অপশন পাবেন ।



আমি পরামর্শ দেবো প্রতিদিন আপনি একটি সময়ে ব্যাকআপটা অটোমেটেড করে রাখুন । এই ব্যাকআপ প্রসেস খুবই দ্রুত ও খুব কম রিসোর্স নেয় । আপনি টের পাবেন না কখন এটা ব্যাকআপ করছে ।

এরপর শেষ ট্যাবে আপনি পাবেন পুরনো ব্যাকআপ কিভাবে ডিলিট করে শুধু আপডেটেডটাই রাখবেন সেটা সিলেক্ট করার অপশন পাবেন ।



এতে আমি লগারিদমিক সিলেক্ট করছি । এটাতে পুরোনো ব্যাকআপ ডিলিট না করে নতুন আপডেট গুলো আলাদা আলাদা করে ব্যাকআপ নেবে । অন্য অপশনটাতে পুরোনো ব্যাকআপ ডিলিট করে তারপর নতুন ব্যাকআপ নেবে । ডিলিট করে আবার নতুন করে ব্যাকআপ নেবার সময় পাওয়ার চলে গেলে কি হবে আমি নিশ্চিত না । একারনে এটা না সিলেক্ট করতেই পরামর্শ দেবো । এছাড়া লগারিদমিক অপশনটা দ্রুত কাজ করবে কারন প্রথমবার আমার ল্যাপটপে এটা একটু সময় নিয়ে দেড় গিগার একটি পার্টিশন ক্রিয়েট করেছে । কিন্তু পরবর্তী ব্যাকআপ ফোল্ডারটা তৈরী করেছে মাত্র সাড়ে তিনশো মেগাবাইট । সিম্পল কাটঅফে প্রতিবারই প্রথমে পুরোনোটা ডিলিট করবে তারপর নতুন করে দেড় গিগাবাইট ব্যাকআপ নেবে যেটা সময়সাপেক্ষ ও বাংলাদেশের মতো পাওয়ার সিস্টেমে ঝুকিপূর্ন ।

এই সব গুলো কনফিগারেশন সেট করে সেইভ করুন । তারপর ব্যাকআপ নাউ ক্লিক করুন । একটা ব্যাকআপ শুরু হবার কনফারমেশন আসবে । সেটাতে ক্লোজ ক্লিক করুন । একটু পর চেক করুন ব্যাকআপ ফোল্ডার ।

ব্যাকআপ শেষ হলে আপনি যে ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখছেন সেখানে একটা ফোল্ডার পাবেন । এর মধ্যে আপনি একটা files.tgz ফাইল পাবেন । এই ফাইলটা আপনার ডকুমেন্ট সাইজের ওপর নির্ভর করবে । এই ফাইলটা ৪গিগার বেশী হলে এটা FAT ফাইল সিস্টেমে ক্রিয়েট হবে না । এজন্য আপনার দরকার NTFS বা এরকম কোন ফাইল সিস্টেমে ড্রাইভ ফরম্যাট করা যাতে ৪গিগার বেশী ফাইল সেইভ করা সম্ভব হয় ।

কোন কারনে আপনার ব্যাকআপ রিস্টোর করার দরকার হলে এসব্যাকআপে খুব সহজেই আপনি ব্যাকআপ রিকোভার করতে পারবেন । প্রথম আপনার মেন্যুবার থেকে সিস্টেম > এ্যাডমিনিস্ট্রেশন > সিম্পল ব্যাকআপ রিস্টোর এ ক্লিক করতে হবে ।



তারপর রুট পাসওয়ার্ড দিলে আপনি ঠিক এরকম একটা উইন্ডো পাবেন । এখানে রিস্টোর ক্লিক করলেই ব্যাকআপ রিস্টোর হয়ে যাবে ।




আপনি ইচ্ছা করলে এই ব্যাকআপ ভিন্ন নামের ফোল্ডারেও রিস্টার করতে পারবেন । এরজন্য আপনাকে রিস্টোর এ্যাজ ক্লিক করতে হবে ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28873519 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28873519 2008-11-24 14:10:51
উবুন্টুতে ভার্চুয়াল উইন্ডোজ ইনস্টল এই ভার্চুয়াল অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে হলে রেম একটু বেশী থাকতে হয় । নিদেনপক্ষে ১ গিগা হলে ভালো । এখন আমরা দেখবো কিভাবে আপনার লিনাক্স (উবুন্টু অবশ্যই) পিসিতে একটা ভার্চুয়াল অপারেটিঙ সিস্টেম ইনস্টল করবেন ।

ভার্চুয়াল ওএস চালাতে আপনার প্রথমে লাগবে ভার্চুয়াল বক্স নামে একটা সফটওয়্যার । এখান থেকে ডেব ফাইল টা নামিয়ে ঝটপট ইনস্টল করে ফেলুন ।

ইনস্টল হবার সময় এই সফটওয়্যারটা একটা ইউজার তৈরী করবে আপনার পিসিতে । সেই ইউজারকে প্রয়োজনীয় রাইট দিয়ে দিন । এটা করতে সিস্টেম > এডমিনিস্ট্রেশন > ইউজার এন্ড গ্রুপস এ যান ।



আনলক করুন রুট ইউজারকে পাসওয়ার্ড দিয়ে । তারপর ম্যানেজ গ্রুপসে ক্লিক করুন । সেখান পাওয়া গ্রুপ লিস্টে ভিবক্সইউজারস সিলেক্ট করে প্রপার্টিজ ক্লিক করুন ।


প্রয়োজনমতো ইউজার এ্যাড করে নিন গ্রুপে ।
সিডি/ভিডিডি রোমে ইউন্ডোজ সিডি ঢোকান । এরপর ভার্চুয়ালবক্স সফটওয়্যারটা চালু করে নিউ ক্লিক করুন ।



ওএস টাইপ উইন্ডোজ এক্সপি সিলেক্ট করুন । ভার্চুয়াল বক্সের একটা নাম দিন, যেমন - উইন্ডোজ । নেক্সট ক্লিক করুন ।



বেজ মেমরি ডায়লগ বক্স আসবে । সেখানে রেম সাইজ ঠিক করে দিন । আমার পিসিতে এ্যাভাইলেবল রেম ও উইন্ডোজে যা করতে চান সে অনুযায়ী রেমের সাইজ করে দিন । আবারো নেক্সট ক্লিক করুন ।



এরপর বুট হার্ডডিস্ট সিলেক্ট করতে বলবে । আপনি নিউ ক্রিয়েট করবেন । তারপের উইন্ডোতে ডাইনামিক্যালি এক্সপান্ডেড ইমেজ সিলেক্ট করবেন । ফিক্সড সাইজও দিতে পারেন । আপনার যা অভিরুচি । এরপর আপনার হার্ডডিস্কের সাইজ ঠিক করে দিন । আমি দিলাম ৫গিগা ।



হার্ডডিস্কের সাইজ সিলেক্ট করে নেক্সট > নেক্সট > ফিনিস দিয়ে বের হয়ে আসুন । আপনি এরকম একটা উইন্ডো পাবেন ।



এখানে দেখবেন সিডিরোম নট মাউন্টেড অবস্থায় আছে । আপনার সিডি রোম থেকে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে এটাকে প্রথমে মাউন্ট করতে হবে । এটা করতে সিডি/ডিভিডি রোম লেখাটার ওপরে ক্লিক করুন । সেখান থেকে সিডি রোম সিলেক্ট করে দিন ।



(ছবিটা বড় করে দেখুন

মাউন্ট করা হয়ে গেলে ভার্চুয়াল বক্সে গিয়ে উইন্ডোজ সিলেক্ট করে স্টার্ট ক্লিক করুন । এরকম একটা উইন্ডো আসবে । কি লেখা আছে মন দিয়ে পড়ুন ।



গেস্ট অপারেটিং সিস্টেম (উইন্ডোজ) এ যেতে ভার্চুয়াল উইন্ডোর ওপর ক্লিক করলেই হবে । আর সেখান থেকে হোস্ট অপারেটিং সিস্টেমে (উবুন্টু) ফিরে আসতে ডান দিকের কন্ট্রোল বাটন ব্যবহার করতে হবে ।
এখানে ক্লিক করে আপনি দেখবেন আপনার উইন্ডোজ ইনস্টল শুরু হয়েছে । এক পর্যায়ে ফরম্যাটিং অপশন আসবে ।



এনটিএফএসে ফরম্যাট করে ফেলুন । (এটা আসলে ফরম্যাট করে না । অতএব ভয়ের কিছু নেই । ) তারপর আপনার উইন্ডোজ ইনস্টল করে ফেলুন ।



উইন্ডোজ চালু হবার পর আপনার ডেস্কটপে দেখাবে এরকম । স্কৃন সাইজ বড় করতে হলে উইন্ডোজ থেকে রেজ্যুলেশন বাড়ালেই হবে ।

(পরের পোস্ট : ব্যাকআপ সিস্টেম)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28872183 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28872183 2008-11-21 17:43:04
ফিরে আসার নোটিশ এর পরিপ্রেক্ষিতে আমার হাসিব মাহমুদ নিকটা এখন থেকে লগড-ইন দেখা যাবে না । ওটা থেকে কোন পোস্ট ও কমেন্টও হবে না ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28864213 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28864213 2008-11-03 22:44:03
টেস্টিঙ http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28848655 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28848655 2008-09-27 21:03:35 টেস্ট http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28846705 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28846705 2008-09-23 00:29:33 আমার বই সম্পাদকীয় নীতিমালা
আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে সামহয়ারইন ব্লগ ই-বুকের জন্য আপনার একটি/কয়েকটি লেখা নির্বাচন করা হয়েছে ।আশা করছি আপনি আমাদেরকে আপনার লেখাটি/লেখাগুলি ইবুকে প্রকাশের জন্য অনুমতি দেবেন ।

লেখাটি প্রকাশিত হবে নিন্মলিখিত শর্তের অধীনে ।

১. লেখাটি এনক্রিপটেড পিডিএফ হিসেবে প্রকাশিত হবে । এটি প্রকাশকদের তরফ থেকে সামহয়ার.. ইন ব্লগ ছাড়া আর কোথাও প্রকাশ করা হবে না । পিডিএফ থেকে কপি, প্রিন্ট সংক্রান্ত অধিকার রহিত করা থাকবে ।

২. প্রকাশের জন্য আপনার অনুসৃত বানানরীতিই অনুসরণ করা হবে । কোন ভুল ভ্রান্তি থাকলে সেটা আমাদের মেইল করে অবহিত করতে পারেন ।

৩. লেখক হিসেবে আপনার ব্লগ নিকটাই ব্যবহৃত হবে ।আপনার ব্লগের এ্যাড্রেসও থাকবে সাথে ।

৪. লেখার জন্য কোন সম্মানি দেয়া হবে না ।এবং প্রকাশকদের পক্ষ থেকে এই ইবুকটি থেকে কোন অর্থ উপার্জনের পদক্ষেপও নেয়া হবে না ।

৫. এই ইবুক প্রকাশের সাথে সামহয়ারইন কর্তৃপক্ষের কোন সংযোগ নেই ।


এ শর্তগুলোর অধীনে লেখা প্রকাশে রাজি থাকলে অতি সত্ত্বর আমাদেরকে সেটা জানান ।


ধন্যবাদ

ই-বুক সম্পাদনা পরিষদ ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28786344 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28786344 2008-04-09 14:21:22
ছাগলের দল শুনো - আমি আছি
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28777598 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28777598 2008-03-09 02:27:02
কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ : সারওয়ার গং আসলে কি চান ।
সারওয়ার সাহেব অত্যন্ত গুরুতর ব্যক্তি আক্রমন আমারে করছেন ।
পাকেচক্রে উনি যেইটা বুঝাইছেন সেইটা হলো আমি নাকি তার পাসওয়ার্ড হ্যাকের চেষ্টা চালাইছি ।

যাউগ্গা, সারওয়ার ভাই জ্ঞানী লুক । এইসব লুকের কথা আমলে নিতে অনুরোধ করি । আমলে নিয়া দুইটা কাম করেন ।

কাম - ১
আমার আইপি দেয়া আছে আমার ব্লগে । সেইটা ছাড়াও আপনেরা জানেন আমি কোথা থিকা কোন শহর থিকা লগইন করি । বাসার আইপির মালিক কে সেটাও বের করতে পারবেন আপ্নেরা । অফিসে কি প্রক্সি ইউজ করি সেইটাও জানেন আপনারা । সেইগুলার সাথে এইবার সারওয়ারের লগইন রেকন্ড ঘাইটা দেখেন । দেখেন কোন কোন আইপি থিকা ঐখানে হিট করা হৈ্ছে । আইপি গুলা জানান আমাগো ।

কাম - ২
সারওয়ারের একই আইপি থিকা কয়জন ব্লগায় সেইটাও জানান আমাগোরে । বহুত হাউকাউয়ের উপসম হয় তাহলে ।

আরজ গুজার ।

- হাসিব ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28767797 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28767797 2008-02-07 01:29:46
ট্রেলার পোস্ট : আরেকটি ম্যালফাংশন কাহিনী
Click This Link

ঘটনাটা ছিলো এরকম - ভিমরুর পুস্টে কি থিকা জানি সারোয়াররে খুব ভালা পায়া সম্পর্ক ঘনিষ্ট মনে কৈরা তুমি কয়া ফেলছিলাম । সারোয়ার সাহেব রাগে হিতাহিত জ্ঞানশুন্য হয়া ব্রাউজারের অন্য উইন্ডো যেখানে উনি থেরাপিস্ট নিকে লগইন ছিলেন সেটা দিয়েই জবাব দেন । ফলাফল যা হবার তাই । ওয়ার্ডরোব ম্যালফাংশন ।

আইজকা এইরকমই এক্টা ঘটনা ঘটছে । এক্টু ওয়েইট করেন । জিনিস আইতেছে । কামিং ছুন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28767778 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28767778 2008-02-07 00:18:23
মওদুদি মাদারির গল্প : সু.চৌধুরির ব্লগ থিকা ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:৫৪

জামাতি গো বাপ, মওদুদী মাদারির কিছু কথা পোস্ট করা ফরজ মনে করলাম । বাংলাদেশ বিরোধী রা কানে কর্ক দিয়া রাখেন ।
ভারত বিভাগ ও পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত ঘোষনার ঠিক আগে 10ই মে 1947 ''জামাতে ইসলামী কি দাওয়াৎ" নামে একটি পুস্তিকায় মওদুদী বলেন,''এটা এখন নিশ্চিত যে দেশ বিভক্ত হবে । ভারতের একটি অংশ দেওয়া হবে মুসলসান মংখ্যাগরিষ্টদেরকে এবং অন্য অংশটি নিয়ন্ত্রিত হবে অমুসলমানদের দ্্বারা ।প্রথম অংশে (পাকিস্তান) আমরা সংগঠিত হবো যাতে পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র ইসলামী আইনের ভিত্তিতে প্রণীত হয় । অন্য অংশে আমরা হবো সংখ্যালঘু এবং আপনারা (হিন্দুরা) হবেন সংখ্যাগুরু । আমরা আপনাদেরকে অনুরোধ করবো রামচন্দ্র, কৃষ্ণজী,বুদ্ধ,নানক এবং অন্যান্য সাধুসন্তদের জীবন ও শিক্ষা অধ্যয়ন করতে । দয়া করে বেদ,পুরাণ, শাস্ত্র এবং অন্যান্য বইপুস্তক পাঠ করুন । এইসব থেকে আপনারা যদি কোন ঐশ্বরিক দিক-নির্দেশনা লাভ করেন তাহরে তার ভিত্তিতেই নিজেদের শাসনতন্ত্র তৈরী করুন । আমাদের সঙ্গে একেবারে আপনাদের ধর্মের লাইন অনুযায়ী ব্যবহার করার জন্যই আমরা আপনাদের অনুরোধ করবো । এ নিয়ে আমরা কোন আপত্তি করবো না ।'' .............. পাকিস্তানের বিরোধিতা করা সত্ত্বেও ভারতবিভাগের পর মওদুদী রামচন্দ্র,কৃষ্ণজী,বেদ,পুরাণ ইত্যাদি শাস্ত্রের শাসনের অধীনে থাকার ব্যাবস্থা ভারতীয় মুসলমান দের জণ্যে প্রস্তাব করে নিজে পশ্চিম পাকিস্তানে হিজরত করেন এবং সেখানে ''ইসলামী রাষ্ট্র'' কায়েমের সংগ্রামে নিযুক্ত হন । এই চিন্তা দ্্বারা উদ্্বুদ্ধ হয়ে তিনি সেখানে কোন উল্লেখ যোগ্য অমুসলমান প্রতিপক্ষ না দেখে কাদিয়ানিদেরকে অমুসলমান আখ্যা দিয়ে তাদেরকে পাকিস্তান থেকে শুধু বিতাড়িত করা নয়, শারীরিকভাবে নিমর্ূল করার উদ্দেশ্যে 1953 সালে পাঞ্জাবে, বিশেষত লাহোরে , এক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধান ।সেই দাঙ্গায় অসংখ্য কাদিয়ানি নৃশংস ভাবে নিহত হন । শেষ পর্যন্ত পাকিস্থান সরকারকে সামরিক বাহিনি নামিয়ে দাঙ্গা থামাতে হয় । দাঙ্গার পর পাকিস্তান সরকার সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে একটি কমিশনকে দাঙ্গার তদন্ত ও বিচারের ভার দেন । বিচারে মওদুদীর ফাসির আদেশ হয় । কিন্তু পরে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করে তাকে প্রথমে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং পরে মুক্তি দেওয়া হয় । এই ব্যাপারে তখন আমেরিকার পাওচাটা কুত্তা সৌদি আরবের আইজ্জাও তদবির করছিল । আর পাকিস্তান সরকার তো জন্ম থিকাই স্যাম চাচার ডাকে জায় নামায ছাইড়া দৌড় দেওয়ার অভ্যাস ।

তো সেই বিচার চলাকালীন সময়ে জিজ্ঞাসাবাদের একটা অংশ ইদ্ধৃত করা গেল : বিচারপতি মুনির : আমাদের এখানে পাকিস্তানে যদি একটি ইসলামী রাষ্ট্র হয় তাহলে, আপনি কি হিন্দুদের তাদের শাসনতন্ত্র, তাদের ধর্মের ভিত্তিতে গঠনের অনুমতি দেবেন ? মওদুদী : ভারতের মুসলমানেরা ওইধরনের সরকারে যদি ম্লেচ্ছ ও শুদ্র হিসেবেও বিবেচিত হয় ও সেখানে মনুর আইন জারি হয় এবং তারা সরকারে অংশগ্রহনের ও নাগরিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয় তাতেও আমি কোন আপত্তি করবো না ।(Report of the Court of Enquiry Constituted under Panjab Act 2 of 1954 to enquire in the Panjab disturbances of 1953, P.228 )

মুসলিম উম্মাহ র পরম হিতাথর্ী জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মওলানা আবুল হালা মওদুদী ভারতের মুসলমানদেরকে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার কথা যেভাবে বলেছেন তা বিজেপি তো দুরের কথা, ভারতের চরম প্রতিক্রিয়াশীল হিন্দু ফ্যাসিস্ট সংগঠন আরএসএস, শিবসেনারাও বলেনা ।

সূত্র: বাংলাদেশে ইসলামী মৌলবাদীদের রাজনৈতিক ভূমিকা, বদরুদ্দিন উমর, নতুন দিগন্ত, 4র্থ বর্ষ 2য় সংখ্যা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28767060 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28767060 2008-02-05 01:14:32
এই কথাগুলান সুকুমার রায় অনেক আগেই কয়া গেছেন



বলছি ওরে, ছাগল ছানা, উড়িস নে রে উরিস নে।
জানিস তোদের উড়তে মানা-- হাতপাগুলো ছুড়িস নে।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28766665 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28766665 2008-02-03 19:28:25
এদিকে আহো ছাগাজন এক্টু আলাপ করি
কৈ আছোনি ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28766292 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28766292 2008-02-02 07:53:33
েস্ট ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28765713 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28765713 2008-01-31 03:53:13 .... রেস্টে থাকতে দেয়া হবে না যুদ্ধ চলবেই । সেইটা প‌ছন্দ করো আর না করো ।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28762907 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28762907 2008-01-21 15:41:49 সন্ধ্যাবাতির ব্লগে ব্যান তাই সারওয়ার ভাইকে এখানেই প্রশ্ন করলাম প্রশ্ন ১:

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: একজন নামী নারী লেখক পত্রিকায় রিভিয়ু লিখেছিলেন 'নারী' বইটির। এই মুহুর্তে লেখকের নাম মনে আসছে না। তিনি বলেছিলেন, বইটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে আলোচনার জন্য না। বইটিতে খোলামেলা আলোচনা পর্নপ্রিয়দের আকর্ষণ করেছে। বইটিতে তত্ব ও তথ্যের সমাহার আছে কিন্তু প্যারাডক্স থেকেই গেছে। হুমায়ুন আজাদের ব্যাক্তি জীবনেও সেই প্যারাডক্স ছিল। গুড পোস্ট
এই পত্রিকাটাও কি আপনার বাসা বদলের সময় হারানো গিয়াছে ?

প্রশ্ন ২:

সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: ফ্রয়েডের অনেক কষ্টার্জিত সাইকোএনালিসিস এগজেক্ট সায়েন্সের আওতায় পড়ে না। আর আমেরিকান দুই মনোবিজ্ঞানীর দ্বারা স্বপ্নের বায়োলজিক্যাল ব্যাখ্যা আসার পর সাকোএনালিসিস অকেজো।

এগজেক্ট সায়েন্সের আওতায় এক্টা এ্যানালাইসিস পড়ে কি পড়ে না সেইটা কি দেখে বোঝা যায় ?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28762288 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28762288 2008-01-19 01:55:12
মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল ব্লগারের ব্যান তুলে নিন
নিওরাজাকারদের সমর্থন দেয়ায় ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিতব্য তৃতীয় ব্লগ সম্মেলনে আরিল ও মডুরাম গঙদের বয়কট করুন ।ব্লগারদের যেকোন জমায়েতে তাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করুন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28759033 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28759033 2008-01-08 23:41:43
টিকা আছি এখনো নাকি গেছি ? http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28758749 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28758749 2008-01-08 11:59:12 হমম http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28758604 http://www.somewhereinblog.net/blog/diary/28758604 2008-01-08 05:25:12