ইসলামী পানশালা ও পতিতালয় আসছে!
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬
হয়তো বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না। ইতোমধ্যে বাজারে ইসলামী বই, সিনেমা, সিডি, গান, নাটক, পোষাক, ব্যাংক, বীমা, টিভি, কোপারেটিভ এসে পড়েছে। সেদিন ইসলামি টিভি তে দেখলাম 'ইসলামি কনসার্ট' চলছে! সম্ভবত: ইংরেজীতে হামদ/নাত, প্রচলিত বাদ্যযন্ত সমেত। কাল দেখলাম কুমার শানুর 'লোকের মুখে রটে যাবে, আমাদের প্রেম কাহিনী' (মুল হিন্দি গান মনে নাই)র সুরে একদল পাজামা পান্জাবি পরিহিত শিল্পী 'ইসলামি গান' গাইছে। গানের কথা ভিন্ন (এবং ভালো)।
এধরনের নির্লজ্জ অনুকরন: মহান জীবনাদর্শ ইসলামের অপমান বৈ কিছু নয়। নিম্নমেধা ও মননের উদ্ভুত বিভিন্ন ধরনের ইত্যকার 'ইসলামি ব্স্তু'র আবিস্কারকদের নিয়ত খুব ভালো জানি, কিন্তু মুলধর্ম ইসলামের জন্য এটা একধরনের পরাজয়। নি্য়তের পাশাপাশি ইসলাম শিক্ষা, কৌশল, প্রজ্ঞা, জ্ঞান, সংগ্রাম কে প্রচন্ড জোর দেয়। আজ কথা বলি পোশাক নিয়ে-
ইসলামি পোশাক বলতে কোনো পোশাক নেই, থাকার কথাও না। লম্বা আচকান আরবি-আফগানি-পাকি পোষাক। আরবের জলবায়ু ও অভ্যাসের সাথে এর সম্পর্ক। বাংলার সাথে নয়। আরবের মানুষ শক্ত খাবার খায়। পানি কম পান করে। তাদের মল ছাগলের লাদির মত গুটি গুটি। তাই পানি দিয়ে শৌচকর্ম না করলেও চলে। আমাদের পরিস্থিতি ভিন্ন। ঝোল, পানি ছাড়া অচল। এহেন জবরজং আলখেল্লা মোটেও সুবিধের নয়। শখ করে ঈদে-উৎসবে পড়ি সে আলাদা কথা। প্লাস, শুধু নবী করীম (স
নয়, তৎকালীন আবু জাহেল, আবু লাহাব এবং মুসলিম/ কাফের সব আরবই সেইম পোশাক পরতেন!
অথচ এহেন পোশাককে ইসলামি পোশাক বলে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করানো হচ্চে। শুধু তাই নয়, পান্জাবি ও টুপির ডিজাইন ভেদে সঠিক ও বেঠিক গোত্রের মুসলিম বলা হয় 'মাদ্রাসা' কমুনিটিতে। কওমি জাতের লোকগুলো তো এর বাত্যয় হলে- 'বিপথগামি' বলছে তাদের ছাত্রদের। পাচঁকল্লি (ওহাবি/কওমি), গোল(কড়া সুন্নি), জিন্নাহ(জামাতি ও মুসলিমলিগ), বিবিধ (আমরা বাকিরা) টুপিধারি লোক পাওয়া যাচ্চে দেশে। কাটা পান্জাবি পরার দায়ে (শিবির হওয়ার লক্ষন!) 'গোল' শ্রেনির সুন্নি/কওমি মাদ্রাসা থেকে ছাত্রদের বহিস্কার করা হয়। (চলবে)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলাম, ইসলাম ;
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
চাণক্য বলেছেন:
বুদ্ধিদীপ্ত পোস্ট
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
জানজাবিদ বলেছেন:
"পাচঁকল্লি (ওহাবি/কওমি), গোল(কড়া সুন্নি), জিন্নাহ(জামাতি ও মুসলিমলিগ), বিবিধ (আমরা বাকিরা) টুপিধারি লোক পাওয়া যাচ্চে দেশে। কাটা পান্জাবি পরার দায়ে (শিবির হওয়ার লক্ষন!) 'গোল' শ্রেনির সুন্নি/কওমি মাদ্রাসা থেকে ছাত্রদের বহিস্কার করা হয়।"---- এগুলো আরো বিস্তারিত বললে আরো ভাল লাগত।
লেখক বলেছেন: সামনের পর্বগুলোতে চোখ রাখুন।
লেখক বলেছেন: আছে। দেখতেই পাচ্ছেন.
আটকুঁড়ে বলেছেন:
টেষ্ট
ঘনাদা বলেছেন:
ইস্লামী পতিতালয় অবশ্য এই পৃথিবীতেই আছে, মিডলিস্টের শেখদের হারেমগুলি ওটাই। তবে উপ্রে গেলে যেইটা উনি মেন্টেন করেন.. সেইটা হইলো গিয়া একেবারে টপ-ক্লাস! হেহেহে...
পান্হপাদপ বলেছেন:
প্লাস।
লেখক বলেছেন: আছি তো সবসময়। দোয়া করবেন।
আটকুঁড়ে বলেছেন:
জীবনের প্রথম প্লাস
মজিদ বিশ্বাস বলেছেন:
অথচ এহেন পোশাককে ইসলামি পোশাক বলে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করানো হচ্চে। শুধু তাই নয়, পান্জাবি ও টুপির ডিজাইন ভেদে সঠিক ও বেঠিক গোত্রের মুসলিম বলা হয় 'মাদ্রাসা' কমুনিটিতে। কওমি জাতের লোকগুলো তো এর বাত্যয় হলে- 'বিপথগামি' বলছে তাদের ছাত্রদেরঠিক +
ফটিক চাঁদ বলেছেন:
++++............
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
আলহামদুলিল্লাহ! আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি।আপনেদের মত নাস্তিাুরা আমগো এসলামি ওম নষ্ট করতে পারবে না।
(চুপে চুপে +)
তনুজা বলেছেন:
ভাই ব্যাপার কি বলেন তো? গভীর উৎসাহ নিয়ে দেখছি, এখনও কোন মাইনাস পড়ছে না যে আজ(নিজের + টা আগেই দিয়ে ফেলেছি)
তনুজা বলেছেন:
ইসস বলতে বলতে শুরু হল
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
লেখাটার কোন তাৎপর্য বুইঝা পাইলাম না। লেখক প্রমাণ করল যে "ইসলামের জন্য এটা একধরনের পরাজয়"। আরে বেটা ইসলামের পরাজয় নিয়া তোর এত মাথাবেথা কেন বুঝলাম না। আপনরে কেউ ইসলামের জন্য ঝাপায়া পড়তে করে নাই। নিজের চরকায় তেল দেন।আর চুপেচুপে না, বীরদর্পে মাইনাস দিলাম।
লেখক বলেছেন: কারন আমি একজন মুসলিম। সুতরং চরকাটা আমারই।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
ইসলামী পোশাক: লেখক কইছে যে "ইসলামি পোশাক বলতে কোনো পোশাক নেই"। ইসলাম নিয়ে কোন ধরণের ধারণা লেখকের আছে কিনা সন্দেহ। অবশ্যই ইসলামে সতর ঢাকা ফরয। আচকান/আলখাল্লা পরতে হবে সেটা কোথাও নাই। টুপি পড়া সুন্নত, ফরয না। তাই সুন্নত পালন করতে যে কেউ টুপি পরতেই পারে। আপনার আমার সেটা নিয়া মাথাব্যাথা করার দরকার নাই। ঢিলেঢালা পোশাক পড়া নিয়মের মধ্যে পড়ে। যে পোশাক এইসব রুলস মানে তাদের ইসলামি পোশাক বলা যেতেই পারে।বি:দ্র: লেখাটার শিরোনামের তাৎপর্য কি? লেখার কোন বিষয়বস্তু এর সাতে শিরেোনামের সম্পর্ক নাই। পুরাপুরি ফালতু কামে একটা আজাইরা পোস্ট ছাড়া এইডা আর কিছু না। যারা + দিছে তাদের একই মানসিকতার গর্বিত অধিকারী এইটাও বুঝা যাইতেছে।
লেখক বলেছেন: আমার ধারনা নিয়ে আপনার সন্দেহ অমুলক। তাৎপর্য তো আছেই।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
দারুন নাম! আমড়া কাঠের ঢেকি (বানান ভুল আছে অবশ্য)!ভাইসাব, লুঙ্গি কি ইসলামি পোষাক?
জানজাবিদ বলেছেন:
@আমড়া কাঠের ঢেকি, আপনি প্রথম প্যারাটা কি ঠিকমত পড়েছেন? আমার তো মনে হয় ঐটাই লেখার বিষয়বস্তু, যত্রতত্র 'ইসলাম' শব্দের অপব্যবহার।আপনার বীরদর্পে মাইনাস দেয়া ভাল লাগল।
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
ভাই যার যার ধর্ম সে সে পালন করেন। আপনি কেন ইসলাম ধর্মের পিছনে লাগসেন? আপনার ধর্ম নিয়ে কি কিছু বলা হয়েছে? নিজের ধর্ম মন দিয়ে পালন করুন । যদি নাস্তিক হোন তবে সেটাও একটা ধর্ম। খচখচানি স্বভাব বাদ দেন। ধর্ম খারাপ না । মানুষ খারাপ। খারাপ মানুষ নিয়ে কথা বলেন.। অবিবেচক এর মতো কথা বইলেন না।নিজের বুদ্ধি আছে , বুদ্ধি খাটিয়ে চিন্তা করেন।নিজেরে এত সস্তা বানান ক্যান।মুসলমান মানেই সে ভালো লোক এমন কথা আপনারে কেউ বলসে?মুসলিম জঙ্গীরা তো ইতর। তার মানে কি সব মুসলমানই ইতর?মুসলমানরা কি মানবতাবাদী হয় না? তাদের কে আপনি কি বলবেন? আপনার পাশের দেশেই তো হাজী মো: মহসীন এর জন্মস্থান। তাকে আপনি কি বলবেন?
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
পজেটিভ২৯,হাসালেন দেখছি, নাস্তিকতা একটি ধর্ম! হা হা হা... আপনার কাছে ধর্ম কাহাকে বলে এর উত্তর চাই।
তবে মানুষ কিন্তু খারাপ না। ধর্মগুলো মানুষকে শিখিয়েছে, মানুষ খারাপ। এভাবে মানুষকে ধোঁকা দিয়ে তার উপরে চেপে বসেছে।
ঘনাদা বলেছেন:
আমার মনে হচ্ছে.. এই পোস্টে সকলেই প্লাস দিচ্ছেন.. নাস্তিকেরা দেবেন স্বাভাবিক। কিন্তু্ আস্তিকেরা কেন দেচ্ছেন?...
পতিতালয় ও পানশালা এই দুইটাই কি উপ্রে জান্নাতের দুইটা প্রধান গুন নয়? (হুরী ও শরাবন তহুরা)
সুতরাঙ আমাদের ইসলামী বেরাদার গন এই জমিনেই জান্নাতের 'হুরী' ও 'শরাব' (ইসলামী) পাইবার আনন্দে বেচেইন হয়ে উদ্বাহু নৃত্য করিতে করিতে এইখানে পেলাস ফরমাইতেছেন।
সকলে বলেন..হুঙ্কার সহযোগে,,, আলহামদুলিল্লা!!! (হুঙ্কার না দিলে আবার কেন যানি বেফারটা ইসলামী মনে হয় না
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
খিক খিক! @ঘনাদা
মনজু মজুমদার বলেছেন:
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: পজেটিভ২৯,হাসালেন দেখছি, নাস্তিকতা একটি ধর্ম! হা হা হা... আপনার কাছে ধর্ম কাহাকে বলে এর উত্তর চাই।
নাস্তিক্যবাদ : একটি প্রতিষ্ঠিত ধর্ম
ধর্ম আসলে কি? অক্সফোর্ড ডিকশনারী এর মতে, the belief in the existence of a god or gods, and the activities that are connected with the worship of them অর্থাৎ এক বা একাধিক ঈশ্বর এবং তাদের আনুগত্য সংশ্লিষ্ট আচারঅনুষ্ঠানে বিশ্বাস স্থাপনই ধর্ম। সোজা কথায় ধর্ম বলতে আমরা সাধারণ ভাবে বুঝি-ধর্ম মানুষের একটি জীবন-দর্শন, যেখানে মানুষকে এমন কিছুতে বিশ্বাস রাখতে হয়, যার অনেক অংশের সত্য-মিথ্যা নিয়ে কোন প্রত্য প্রমান তার হাতে নেই।
বর্তমানে পৃথিবীতে যে কয়টি ধর্ম আছে-প্রায় প্রত্যেকটিতে (সবগুলোতে নয়)সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কথা বলা আছে-আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে এক ঈশ্বরের কথা ( আমি জানি এখানে অনেকে আপত্তি করবেন যে সব প্রধান ধর্মে এক ঈশ্বরের ধারনা নেই,কিন্তু প্রধান ধর্মগুলোর ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে যারা ভালো জানেন তারা ছাড়া) এছাড়া ধর্মগুলোতে আছে কিছু ধারনা যেমন ফেরেশতা বা দেবদূত, জ্বীন, পরকাল প্রভৃতি যার প্রত্য প্রমান মানুষের সামনে নেই।
ধর্মের ভিত্তিতে পৃথিবীর মানুষকে আমরা তিনভাগে ভাগ করতে পারি। এক-দৃঢ় ধর্মালম্বী, যারা বিভিন্ন ধর্মের দৃঢ় অনুসারী । দুই-ঈষৎ ধর্মালম্বী,যারা প্রচলিত ধর্মের তত্ত্বাবধানে নিজেদের পরিচয় দেয়,সামাজিক অনুষ্ঠানের মত ধর্মীয় রীতি পালন করে । তিন-নাস্তিক, যারা ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রবলভাবে অস্বীকার করে। যার প্রত্য প্রমান নেই সে বিষয় মানতে যারা নারাজ।
কিন্তু তা হলে নাস্তিক্যবাদকে একটি ধর্মমত হিসেবে বলার যৌক্তিকতা কোথায়?
বিষয়টি পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা যাক-
১. ঈশ্বর যে নেই তা একজন নাস্তিক দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় ঈশ্বরের অস্তিত্বহীনতার সত্যিকার অর্থে কোন বিজ্ঞানসম্মত বা যৌক্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব নয়। তার মানে এটা এক ধরনের প্রত্য প্রমান ব্যতিরেকে ধারণা । (একজন আমাকে বলেছিল ঈশ্বর যে নেই তা আপনাকে প্রমান করে দিচ্ছি, এই এখানে আমি একটা কলম রাখছি, ঈশ্বর যদি থেকে থাকে তাহলে এটা সরাক।এ ধরনের উপায় কেউ যদি ঈশ্বরের অস্তিত্বহীনতার প্রমান করতে চান তাহলে আমি বলব,ধরুন ইসলাম সত্য ধর্ম,প্রতি বছর অনেক অমুসলিম এ ধর্ম গ্রহন করছে-তাদের মধ্যে অধিকাংশই সত্য ধর্ম কোনটি তা খুঁেজ ফিরেছে বহু সময় ধরে,তারা দাবি করে কেউ দুই বছর,কেউ তিন কেউবা দশ বছর ধরেও সত্যের সন্ধানে ছিল। এখন কেউ যদি এত সহজে ঈশ্বরের প্রমাণ পেতে চায় সে েেত্র ঈশ্বর নিশ্চয়ই রাজী হবেন না তার অস্তিত্ব এভাবে এত কম আয়াসে তার সামনে হাজির করতে।)
২. বিশ্ব জগতের উৎপত্তি,জীবজগতের সৃষ্টি এসব সম্পর্কে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের মত হল এ সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কর্ম, কিন্তু নাস্তিকরা বলবে প্রকৃতির(ন্যাচার) লীলা। যেসব বিষয় বিজ্ঞান দ্বারা নিশ্চিত নয় সেসব বিষয়ের
দায়িত্ব নাস্তিকগণ প্রকৃতির ঘাড়ে দিয়ে থাকে। তাই প্রকৃতিকে বলা চলে
নাস্তিকদের ঈশ্বর।
৩. বিজ্ঞানের বিভিন্ন তত্ত্বকে প্রধানত দুটি অংশে ভাগ করা চলে। একটি অংশে রয়েছে প্রতিষ্ঠিত সত্য এবং অন্য অংশে নানা থিওরী বা ধারনা । পৃথিবীতে অসংখ্য বৈজ্ঞানিক থিওরী প্রচলিত ছিল এবং আছে-যা কখনো প্রমানিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত সত্যে পরিণত হয় আবার কখনো ভুল প্রমানিত হয়ে আস্তাকুড়ে নিপ্তি হয়। বর্তমানে পৃথিবীতে এরকম বহু থিওরী প্রচলিত যা বহু বছর ধরে প্রতিষ্ঠিত বা ভুল প্রমাণিত হয় নি। যেমন- পৃথিবীতে জীবের উৎপত্তি,বিবর্তনবাদ প্রভৃতি। নাস্তিকগণ এসব থিওরী মানুক বা নাই মানুক তারা দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করে এসব রহস্যময় বা ব্যাখ্যাতীত ব্যাপারে ঈশ্বরের কোন ভূমিকা নেই। যা সত্যিকার অর্থে এক ধরনের প্রমান ব্যতিরেকে ধারনা।
৪. অধিকাংশ নাস্তিক অন্যান্য ধর্মের ঈশ্বরের ধারণা মানতে চান না এই কারনে যে ঈশ্বরের বিধান তাদের মনপূত: হয়না । কেউ বলে পরকালে এত শাস্তি দেয়া হবে কেন? কেউ বলে নারী পুরুষে নিয়ম কানুন ভিন্ন কেন? অমুক নিয়মটা ভালো না-কিন্তু তারা ভুলে যায় যে কারো দেয়া নির্দেশাবলী মনপূত: না হলেই তার অস্তিত্ব কে অস্বীকার করা যায় না। আর কোন কিছু মনপূত: হওয়ার বিষয়টা পুরোই
মনস্তাত্বিক, আজ যেটা ভালো লাগে কাল সেটা ভালো নাও লাগতে পারে। সুতারাং এ উপায় কারো অস্তিত্বহীনতা প্রমানের চেষ্টা নিশ্চয় অযৌক্তিক।
তারমানে আমরা বলতে পারি একজন প্রকৃত নাস্তিককে এমন অনেক বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হয় যা প্রমাণ বা যুক্তি নির্ভর নয়। তাই প্রত্যেক নাস্তিককে তাদের নাস্তিক্যবাদের ধর্মভীরু অনুসারী হতে হয়।
তবে এ কথা হয়তো সত্য যে, প্রচলিত ধর্মমত গুলোর অনুসারীরা তাদের ধর্মকে এমন ভাবে বর্তমানে উপস্থিত করছে যে একজন সাধারণ মুক্তচিন্তার মানুষ সেসব ধর্মবিশ্বাসকে ভিত্তিহীন বলে ধরে নেয়। স্বাভাবিকভাবে প্রচলিত ঈশ্বরের বিশ্বাস নিয়ে তারা সন্দেহে থাকে । অনেকে ভুলে যায় কোন ধর্মকে তার বর্তমান তথাকথিত অনুসারীদের কর্ম দ্বারা বিচার করা চলে না, ধর্মকে বিচার করার নিয়ামক সে ধর্মের প্রকৃত ধর্মগ্রন্থ এবং তদানুযায়ী প্রকৃত অনুসারী দ্বারা। যারা এসব নিয়ামক অনুযায়ী ধর্মকে বিচার করার বা সত্যমিথ্যা যাচাই করার পথে রয়েছে এবং কোন কিছু না জানলে যারা বলতে পারে-“এ সর্ম্পকে আমি এখনো জানি না” আমার মতে তারাই প্রকৃত পথে আছে। আমি এমন অনেককে জানি যারা কোন ধর্মের শুধুমাত্র সমালোচনা পড়ে তার সম্পর্কে বৈরী ধারনা নিয়ে বসে রয়েছে,সে ধর্মের ঈশ্বরকে অস্বীকার করছে; অথচ সে ধর্মের ধর্মগ্রন্থ কখনো ছুঁয়েও দেখেনি। কোন বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসার আগে তার পরে আর বিপরে প্রকৃত মতামত জানা চাই,শুধু বিপীয় ব্যাপার গুলো নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে আসছে তারা।
যারা এভাবে ঈশ্বরের অস্তিত্বকে অস্বীকার করে আমি বলবো তারা নাস্তিকতা ধর্মের অন্ধবিশ্বাসী ধার্মিক....
(ব্লগার মাসুদুল হক এর েলখা থেকে)
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
সাব্বাস!
ঘনাদা বলেছেন:
ব্লগার মাছুদুল এর মতে নাস্তিকতা একটি ধর্ম। উহার কপি করিলেন.. মনজু মজুমদার।
এখানে যুক্তি কোথায়? পুরোটাইতো দেখি নিজের আবিষ্কৃত স্বতঃসিদ্ধ আর মতামত!!
চাচামিঞা বলেছেন:
ধর্ম ব্যবসা খারাপ ......এটা পরিহার করাই উত্তম।
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
আমি যদি বলি সত্য কথা বলা আমার ধর্ম তাহলে কি ঠিক হলো ?আমি যদি বলি বাবা মা কে শ্রদ্ধা করা আমার ধর্ম তাহলে কি ঠিক হলো?
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
খুবই বাল লিখেছেন মনজু মজুমদার (ভাল কপি-পেস্ট হয়েছে)। মাগার নাস্তিকতা কি ধর্ম এটা কি প্রমাণ করতে পারলেন? আপনের (মূল লেখকের) পুরো থিসিস দাঁড়িয়ে আছে, বিশ্বাস এই শব্দটির ওপর। আপনাদের মতে,
১) যেহেতু নাস্তিকরা 'বিশ্বাস' করে ঈশ্বর নেই, তাই নাস্তিকতা একটি ধর্ম।
২) জগৎরহস্যের সমাধান নাস্তিকরা যেহেতু না করতে পেরে (ধর্মগুলো পেরেছে, ঈশ্বরকে ক্রেডিট দিয়ে), প্রকৃতিকে ক্রেডিট দেয়, সুতরাং নাস্তিকতা একটি ধর্ম।
৩) প্রমাণ ছাড়া যেহেতু নাস্তিকরা অনেক বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব মেনে নিয়েছেন সুতরাং নাস্তিকতা একটি ধর্ম।
৪) অধিকাংশ নাস্তিক অন্যান্য ধর্মের ঈশ্বরের ধারণা মানতে চান না এই কারনে যে ঈশ্বরের বিধান তাদের মনপূত: হয়না। এ উপায় কারো অস্তিত্বহীনতা প্রমানের চেষ্টা নিশ্চয় অযৌক্তিক। সুতরাং নাস্তিকতা একটি ধর্ম।
এবার আসুন এক এক করে দেখি আসলে আপনি কি বুঝালেন আর পাবলিক কি বুঝল:
১) বিশ্বাস: বিশ্বাস কি? কেউ বলল 'আমি এক লাফে নদী পার হতে পারি' - আর অমনি আপনি 'বিশ্বাস' করে ফেললেন! কিংবা কেউ বলল 'দেখো না, আমার চুল পেঁকে যাচ্ছে!' তার মাথার কাছে গিয়ে ভাল করে তাকিয়ে দেখলেন, জানলেন এবং বুঝলেন - তারপর মেনে নিলেন, বিশ্বাস করলেন। আপনিই এবার ঠিক করুন, কোন ধরনের বিশ্বাসকে আস্তিকতা বা নাস্তিকতার সাথে রিলেট করবেন।
২) এটি সঠিক নয়, বরং, নাস্তিকরা স্বীকার করে নেয় যে এর উত্তর আমাদের জানা নেই; সুতরাং এর উত্তর খুঁজে পেতে আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আলোচনার খাতিরে আপনার কথা যদি কেউ মেনেও নেয় তাহলেও কিন্তু নাস্তিকতা একটি ধর্ম হয়ে যাচ্ছে না (আপনার উপস্থাপিত সংজ্ঞার সাথে মিনিয়ে দেখিন। দয়া করে সংজ্ঞাটির অপব্যাখ্যা দেবেন না।)
৩) এটি একেবারেই আপনার নিজের মনগড়া। প্রমাণ ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্বই মেনে নেয়া হয়নি। আমার ধারণা ছিল যিনি নাস্তিকতাকে ধর্ম বানানোর চেষ্টা করছেন, তিনি যুক্তি-তর্কে ন্যুনতম পরিমাণে হলেও সৎ হবেন, আফসোস।
৪) এতে আলোচনাট আসলে কোন সুযোগই রাখেননি। এই প্রসঙ্গটা না হয় পাবলিকের হাতেই তুলে দিলাম।
নুভান বলেছেন:
ঘনাদা কেডা? আরিফুর ছাগুটা নাকি? নাম চেইঞ্জ করলা যে মামু?
প্রলয় হাসান বলেছেন:
নির্দিষ্ট ইসলামী পোষাক আসলেও নেই। জুব্বা বা লম্বা পোষাক আমাদের নবীর (সাঃ) এর সুন্নত। তিনি লম্বা ঢিলে ঢালা পোষাক এবং আটোঁ সাটোঁ পোষাক না পরার জন্য রিকোমেন্ড করে গেছেন। তার মানে এই নয় যে সেটা জুব্বাই হতে হবে, বা পান্জাবী বা আচকান বা অন্যকিছু, যেটা নির্দিষ্ট একটা জাতিকে সিম্বলিক করে দেয়। মাদ্রাসা বা মক্তবে যেটা দেখছেন সেটা এইরুপ ব্যবস্থারই একটা বাহ্যিক রুপ। এটাকেই শুধুমাত্র ইসলামী পোষাক বলে যারা দাবী করছেন তারা ভুল করছেন। বড়জোর এটাকে সুন্নতী পোষাক বলা যেতে পারে। ইসলামী পোষাক কথাটার তাৎপর্য অনেক ব্যাপক। আর এর মানে কি এই যে আমি জুব্বা বা আচকান না পরলে নন-ইসলামী হয়ে যাবো? বাংলাদেশ , ভারত এবং পাকিস্থানসহ এশিয়ার অনেক দেশে ইসলাম নিয়ে অনেক ভ্রনান্ত ধারনা আছে, যেগুলো মধ্যপাচ্যের দেশ গুলোতে ইসলাম চর্চা করলে চোখে পড়ে। আমি আমাদের ভুলগুলো বুঝতে পেরেছি অস্ট্রেলিয়ায় এসে। এখানে কিছু মানুষ আছেন যারা খুবই শুদ্ধ এবং সঠিক পন্থায় ইসলাম প্র্যাকটিস করেন। তাদের দেখে আমি অনেক কিছু শিখেছি এবং শিখছি। সেইসাথে আমাদের দেশের গনমানুষের ইসলাম চর্চার মাঝে পার্থক্যও টের পাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: আমার লেখার উদ্দ্যশ্য অবশ্য পোশাক না, বরং সার্বিক কূপমন্ডুকতার মুখোশ উম্মোচন। ব্লগের সাথে থাকুন, ভালো থাকুন। থ্যাংকস।
আয্দা বলেছেন:
* পোস্ট করেছেন: ২টি
* মন্তব্য করেছেন: ১৫টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ৩৬টি
* ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ৫ মাস
* ব্লগটি মোট ২২৪২ বার দেখা হয়েছে
কার কত নুম্বার নেক তা জানা দরকার.......
লেখক বলেছেন: আমার একটাই নিক।
শিট সুজি বলেছেন:
কলেজে থাকতে মসজিদে কোন এক ইসলামী দিবসে আমাদের ইসলামিয়াতের স্যার একটা গজল গেয়েছিলেন । গানের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন হিন্দী গানের মিল পেলাম । খুবই অবাক হয়েছিলাম ।
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালো লাগলো লেখাটি।
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
আয্দা বলেছেন:* পোস্ট করেছেন: ২টি
* মন্তব্য করেছেন: ১৫টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ৩৬টি
* ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ৫ মাস
* ব্লগটি মোট ২২৪২ বার দেখা হয়েছে
কার কত নুম্বার নেক তা জানা দরকার.......
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
লেখক বলেছেন: আমার একটাই নিক।
জি ভাই দিবাচর নিক কিন্তু একটাই.....
শুভ৭৭ বলেছেন:
'লীগ' পানশালা ও 'লীগ' পতিতালয় আসেনি এখনও?আপনি আবার পানশালা ও পতিতালইয়ের খবর বেশি রাখেন, তাই আপনার জানা থাকার কথা। এরকম কিছু হলে আমাদের মত বাকশালীদের একটু খবর দিয়েন।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
+ দিলাম
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
প্রশ্নোত্তোর ভাইজান, আপনি মনে হয় বাংলায় পি.এইছডি ডিগ্রি নিছেন, তাই নামের বানান ভুল ধরতাছেন।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
@লেখক: আপনার মত নামধারী মুসলমানদের জন্যই আজকে ইসলাম নিয়া এত অপপ্রচার।লেখকের উদ্দেশ্য যে ইসলামের নামে পাকনামি করা আর অসুস্থ অপপ্রচার চালানো এটা লিখাটার ট্যাগ দেখলেই বুঝতে পারবেন:
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলাম, ইসলাম ;
মানে কি? লেখক ইসলাম নিয়া তার মতবাদ ছড়াতে চাইতেছে । এরা আসলে নাস্তিক ও না। এইগুলা হল ইসলামের পেছেনে লাগা কীট। ভালো ভালো। আপনার মত ভণ্ডগুলার জন্যই অনেকে কিছু লিখা নাম ছড়াইতে পারে (উদাহরণ: গণাদা)
@ প্রশ্নোত্তোর: লুন্গি নিয়া এত ফালাইতাছেন কেন? সৌদিআরবে লুন্গি রফতানি করবেন? তার আগে "পোষাক" এর ওপর পি.এইছঢি নিয়া নিয়েন
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@আমড়া কাঠের ঢেকিক্ষেপে যাচ্ছেন কেন? শুনেছি হাদিসে নির্দেশ আছে, দাঁড়ানো অবস্থায় ক্ষেপলে বসতে হবে, বসা অবস্থায় ক্ষেপলে শুতে হবে আর শোয়া অবস্থায় ক্ষেপলে অজু করতে হবে
। আসুন আমরা হাদিস মেনে চলি।পোষাক বানানে 'ষ' ই হবে বলে জানি। ভুল হলে সংশোধনে আপত্তি নেই, তবে রেফারেন্স দেন যদি তাহলে মানতে পারি। আমার কাছে এই মুহূর্তে কোন অভিধান নেই।
লুঙ্গী ইসলামি পোষাক কিনা সেটা তো বললেন না
। তাহলে কথা-বার্তা পোস্টের সাথে প্রাসঙ্গিক রাখা যেত।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
পোশাক বিদেশী শব্দ। বিদেশী শব্দে ষ হয় না।ফালতু পেচাল পারছেন কেন? আমি কি কোথাও লিখেছি যে লুন্গি ইসলামী পোশাক? আপনি মিয়া বেহুদা লুন্গির কথা নিয়া আসলেন আবার কন কথা বার্তা প্রাসন্গিক রাখতে
খন্দকার বাবর বলেছেন:
অসাধারন এই লেখার জন্যে লেখক কে ধন্যবাদ।
সহীদুল হক মাণইক বলেছেন:
পলাচ ++++++++++++++
ভদ্র বলেছেন:
আরও তথ্যবহুল হওয়া দরকার ছিল।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















