আমার প্রিয় পোস্ট
- আজকের বই William Doyle রচিত The French Revolution: A very Short Introduction - ইমন জুবায়ের
- লেখা দিন : সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় সাহিত্য-২০১১ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- মুখ, মুখোশ আর একজন বিক্রয়কারী তরুণী - অন্যমনস্ক শরৎ
- ফ্রি এবং খুবি সহজ পদ্ধতি তে সাইট তৈরি করুন....... - গিফার
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (৩য় দিন) - মদন
- Slava Groshev এর পেইন্টিং......আমর বিশ্বাস হয়না এগুলো আঁকা ছবি....... - রানা
- ফায়ারফক্স এর আকর্ষণীয় কিছু ট্রিকস...... - মানচুমাহারা
- সেই পুরোনো ৩২ বছরের ব্লগ জীবনের কথা..... - মিলটন
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৮ - নামহীন মানব
- আমার বাংলা ই-বুক সংগ্রহের এক বছর - সংগ্রহে দুই শতাধিক বই - তালিকা এখানে - মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা)
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- সামহয়ার বইমেলা Version 1.0 - সামহয়ারের ব্লগারদের কিছু অলিখিত বই (ভবিষ্যতে লিখতে পারেন)
(ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
ডঃ ইউনুসকে ধন্যবাদ...
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৪৬
ডঃ ইউনুসের কথা আমি প্রথম জানি জাফর ইকবালের আমেরিকার অভিক্ষতা নিয়ে কোন একটি লেখাতে। এরপর আমার এক স্কুল বন্ধুর কাছে (যে কিনা এই ব্লগের একজন ব্লগারও) এ বিষয়ে আরো বই পড়ে ভালোভাবে জানতে পারি। এরপর থেকে আমিও অক্টোবর সময়টা টেনসনে কাটাতাম ইউনুস সাহেব নোবেল পাবেন কি না তা নিয়ে।
যেদিন ইউনুস সাহেব নোবেল পেলেন আমি অফিসে আমার সেই বাল্যবন্ধুর থেকে এস এম এস এর মাধ্যমে জানতে পারি। জানামাত্র আমি চিৎকার শুরু করি এবং সবাইকে বলতে থাকি। আরিল্ডকে যখন বলেছিলাম আরিল্ড জবাব দিয়েছিল, তুমি ৭ মিনিট লেট। সে সময় আমার মনে আছে অফিসে সবাইকে খাইয়েছিলাম এই খুশীতে।
২০০৭ সালের জুনে আমি আমার সেই সময়কার টিমের সাথে দ্বিতীয়বারের মত নরওয়ে যাই ট্রেনিং এ। ইন্ডিয়া বেইসড আমাদের এক প্রতিদ্বন্দী টিমও ছিল সংগে। আমাদের ক্লায়েন্ট ডিনার পার্টির আয়োজন করেন আমাদের সম্মানে। সেখানে অনেক কথার মাঝে ইউনুস প্রসংগ উঠে আসে। আমি খুব বড় গলায় তার কথা বলছিলাম আর আমার ইন্ডিয়ান বান্ধুবী নাক বাকা করে বলছিলেন, কই এমন কিছু তো শুনিনি। তো ডিনারের মাঝে একসময় ওয়াইন গ্লাসে টুং টুং শব্দ উঠল। আমরা চুপ করে মনোযোগ দিচ্ছিলাম কেউ কিছু বলবে তা শুনার জন্য। ক্লায়েন্ট কোম্পানীর ফাউন্ডার আমাদের ধন্যবাদ দিয়ে বক্তব্য দেয়ার এক ফাঁকে ইউনুস প্রসংগে টেনে আনলেন এবং বাংলাদেশের অনেক প্রশংসা করলেন। সবাই খুব হাততালি দিচ্ছিল, আমাদের ছয় জনের দিকে এমনভাবে তাকাচ্ছিল যেন আমরা সবাই এক একটা বাচ্চা ইউনুস। গর্বে আমাদের সবার বুক এক ফুট ফুলে উঠেছিল। আড়চোখে দেখলাম আমার সেই ইন্ডিয়ান বান্ধুবী মুখ কালো করে খাবি খাচ্ছেন।
ডঃ ইউনুসের কাছে আমার অনেক ঋণ।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল কিবোর্ড থেকে খুব সহজে করা যায়।
রণদীপম বসু বলেছেন:
ড.ইউনূসের অনেক সমালোচনা আমরা যে যেভাবে পারি করে থাকি। কিন্তু তাঁর প্রতি আমাদের যে বিশাল কৃতজ্ঞতারও একটা বিষয় রয়ে গেছে, তা কিন্তু আমরা এখন পারলে অস্বীকারই করি।
আপনাকে ধন্যবাদ অন্তত ঋণ স্বীকারের বিষয়টিকে ভুলে যান নি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সোনার বাংলা বলেছেন:
রণদীপম বসু বলেছেন:
ড.ইউনূসের অনেক সমালোচনা আমরা যে যেভাবে পারি করে থাকি। কিন্তু তাঁর প্রতি আমাদের যে বিশাল কৃতজ্ঞতারও একটা বিষয় রয়ে গেছে, তা কিন্তু আমরা এখন পারলে অস্বীকারই করি।
আপনাকে ধন্যবাদ অন্তত ঋণ স্বীকারের বিষয়টিকে ভুলে যান নি।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হি হি... ভালো বলেছেন।
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
ইউনুস মিয়া হাজার হাজার গরীবের টিন-ডেকচি কেড়ে নিয়া সারাবিশ্বে ভালই নাম কামাইছে।
মুহিব বলেছেন:
একটা কথা ডঃ ইউনূস নিজেই বলেন যে তিনি ব্যবসা করছেন। আমাদেরও বুঝতে হবে এটা ব্যবসা, দান নয়। তাই ঋন আদায় না হলে অন্যভাবে তা এডজাস্ট করতেই হবে। অন্য ব্যাংকও কিন্তু কোর্ট পর্যন্ত যায়। আর এ ঋন নিতে তিনি কাউকে জোর করেন না।
লেখক বলেছেন: যথার্থ বলেছেন। সামাজিক ব্যবসার কনসেপ্ট আমাদের পরিস্কার নয়। আমরা ধরে নিয়েছি গরীবের সাথে ব্যবসা করা যায়না। তাকে শুধু দয়া দেখাতে হয়। এই ওপেন মার্কেটের সময় অন্য কেউতো ইউনুস সাহেবের চেয়ে ভালো রেটে এই ব্যবসা করতে পারলো না। নিজেরা করতে পারেনা, অন্যে যতটুকু করছে তা নিয়েও গালাগালি, তাকেও করতে দিবে না, কি অদ্ভুদ!!!
হাবীব ইমন বলেছেন:
হাস্যকর ড. ইউনুস এবং তার চরিত্র। চড়াও হচ্ছেন দারিদ্র্য যাঁতাকলে পিষ্ট করতে ... সুদ কারবারি হিসেবে তাকে পুনশ্চ পুরস্কৃত করা উচিত।
নব্য রাজনীতিবিদ হতেও চেয়েছিলেন। সেখানে হয়তো অর্থকড়ি আগমনে সন্ধান পাননি ...
সমকালের গান বলেছেন:
আমি তা একেবারেই মনে করি না। সুদের কারবারি ঢালাও ভাবে তাকে বলাটাও সমর্থন করিনা। এটা ব্যাংক্যি ব্যবসা। সব ব্যাংকই সুদ নেয়, আমি যখন ব্যাংকে টাকা রাখি তখন আমিও নেই। বর্তমান সময়ে আমি এতে কোন অসুবিধা দেখিনা। যে দরিদ্রদের কোন ব্যাংক বা অন্য কোন অর্গানাইজেশন বিশ্বাস করতে পারেনা তখন গ্রামীন ব্যাংক করে। গরীবের সাথে ব্যবসাতো আমি/আপনিও করতে ভয় পাব। আর গ্রামীন ব্যাংকের উচ্চ সুদের হার নিয়ে যে এতো কথা হয়, আর কোন অর্গানাইজেশন কি এর চেয়ে কম রেটে গরীবকে লোন দিতে পেরেছে? বাজারেতো এরকম অনেক ব্যাংক আছে এখন...
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















একানে 'ঋণ' এর 'ঋ' কেমতে লেকে?