অর্থনীতির জটিল তত্ত্বগুলো কখনো শিখিনি, শেখার চেষ্টাও করিনি। তবে সূচকগুলো মাঝে মাঝে ফলো করার চেষ্টা করেছি। বুঝে এমন কাউকে পেলে মাঝে মাঝে আলাপ করে দু' একটি ব্যাপার বোঝার চেষ্টা করেছি। যেমন কয়েকদিন আগে একজন কলিগের হাজবেন্ডের সাথে আলাপ হলো।
ভদ্রলোক ঢাকা স্টক এক্সচেন্জ এর গবেষক টাইপের হোমড়া চোমড়া ব্যক্তিত্ত্ব। খুব ভালো পড়াশুনা করেছেন। দেশে বিদেশে অনেক গবেষনা, কাজ করেছেন। তার সাথে এই সরকারের কিছু কাজ নিয়ে আলোচনা হলো। ভদ্রলোক সরকারের কয়েকটি সাহসী কাজের কথা বললেন।
স্টক এক্সচেন্জ এ যত বেশী কোম্পানী রেজিস্টার্ড থাকে, যত বেশী লেনদেন হয়, তত তা বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো ব্যাপার। তাহলে কারো পক্ষে কোন ছল করে দাম বাড়ানো বা কমানো সম্ভব হয় না। এটা ছিল প্রথম যা বুঝতে পারলাম। ভদ্রলোক বললেন এই সরকার বিভিন্ন পলিসি করছে যাতে কোম্পানীগুলো সঠিক লাভ লোকসানের হিসেব দেখাতে বাধ্য হয়। তাতে স্টক এক্সচেন্জ এ কোম্পানীর সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা থাকে এবং বেশী লেনদেন হয়।
ভদ্রলোক আরো বললেন এই কাজটা কোন রাজনৈতিক সরকার করতে চায়নি। ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচ্ছতা আনার ব্যাপারে তারা উদাসীন থাকেন।
বিশ্বের কিছু অর্থনীতির গবেষক কোম্পানী নাকি বাংলাদেশকে আগামী সময়ের সেরা অর্থনীতির একটি হবে বলে ধারনা করছেন। তারা বাংলাদেশে অফিস খুলে নাকি কাজ শুরু করেছেন এবং বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগ করছেন। সাধারনত এই কোম্পানী গুলোর হিসেব সঠিক হয়। - ভদ্রলোকের মুখে ফুল-চন্দন পড়ুক।
আমি শুধু আল্লা আল্লা করছি। গরীব দেশের লোক হওয়াটা খুব কষ্টের। আমি না দেখে যাই, যদি আমার ছেলে এই দেশকে ধনী দেশের কাতারে দেখে যেতে পারে, তবু আমি খুশী।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



