আমার প্রিয় পোস্ট

কম্পিউটার বিশারদ পেশায়, নেশায় যুক্তিবাদী

বিপা নিয়ে আমার দু'পয়সা

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

শেয়ারঃ
0 0 0

সম্প্রতি বিপা চুক্তি নিয়ে অনেক লেখাজোখা চলছে ব্লগে। আমি ভাবলাম বিষয়টা নিয়ে আমিও কিছুটা পড়াশোনা করে নিই। প্রথমে ভেবেছিলাম ব্যাপারটা যথেষ্ট ঘোরতর। তবে ট্রানজ়িটকে পাশ কাটালেও বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এই চুক্তিটা সহজেই স্বাক্ষরিত হতে দেখে অবাকই হলাম। সপ্তাহান্তে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কিছু পড়াশোনা করে অবশেষে লিখতে বসলাম।

দিনমজুরের ব্লগে বিপা নিয়ে অনেকটা পড়লাম। চুক্তির ভাষ্যও ডেইলি স্টারের কল্যাণে পড়লাম। আরো অনেকের ব্লগেই পড়লাম। সবাইকে ধন্যবাদ এই বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য।

বিভিন্ন লেখায় চুক্তিটার বিপক্ষে যে যে অভিযোগগুলো উঠে এসেছে সেগুলো এরকম -
১) চুক্তিতে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের দেশীয় বিনিয়োগকারীদের সমান সুযোগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে - এতে দেশীয় শিল্প মার খাবে।
২) শিল্প জাতীয়করণের প্রতিবন্ধকতা
৩) সন্ত্রাস বা যুদ্ধ-বিগ্রহের শিকার হলে তার ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা - এতে বিনিয়োগের ঝুঁকি বাংলাদেশ সরকারের ঘাড়ে চাপে।
৪) বিনিয়োগ তুলে নিয়ে যাবার স্বাধীনতা থাকায় দেশ থেকে হঠাৎ পুঁজি বেরিয়ে অর্থনৈতিক ডামাডোলের সৃষ্টি হতে পারে।

এর সাথে এ বিষয়ে অনেকগুলো উদাহরণও পড়েছি। তবে একটা উদাহরণ প্রদত্ত বিষয়ের সাথে মানায় না - সেটা ভারত সরকারের ডাভোলকে দেওয়া ক্ষতিপূরণের উদাহরণ, কারণ আমেরিকার সাথে ভারতের কোনো দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নেই।

আমি অভিযোগগুলো পড়ে প্রথমেই অন্যান্য দেশের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিগুলোর খোঁজ করলাম। জাতিসংঘ পরিচালিত একটি সংস্থার সাইটে বাংলাদেশের অনেকগুলো দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির বয়ান পাওয়া গেল। তার মধ্যে কয়েকটা পড়ে দেখলাম। চুক্তি নিয়ে একটা অভিযোগ হল বড় দেশের সাথে এরকম চুক্তি করে কোনো লাভ নেই, লোকসানই বেশী। তাই আমি আগে আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিটা পড়লাম। চুক্তিটা কোনোভাবেই ভারত-বাংলাদেশ চুক্তির থেকে আলাদা নয়। একই ছাঁচে ফেলে তৈরী উভয় চুক্তিই। আর উপরোক্ত অভিযোগগুলো আমেরিকার সাথে বিরুদ্ধেও খাটে। মজার কথা, এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৮৬ সালে আর তা কার্যকর হয়েছে ১৯৮৯ সালে। মানে, চুক্তিটা এখন ২০ বছর বলবৎ আছে, অথচ এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের প্রচুর ক্ষতি হচ্ছে - এমন কথা আমি কোথাও পেলাম না। একই ধরণের চুক্তি বাংলাদেশের সাথে কোরিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, ইরান, ফিলিপাইন্স, ইন্দোনেশিয়া সহ অন্তত ১৬টি দেশের সাথে আছে। অথচ তাতে দেশীয় শিল্প মারও খাচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছেনা, বাংলাদেশ ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে বলেও কথা উঠছেনা। ব্রিটেনের সাথে চুক্তিটা আরেকটু পুরোনো - ১৯৮০ সালের। তাতে প্রথম সমস্যাটা নেই, দেশীয় শিল্পকে বিদেশী শিল্পের সাথে সমগুরুত্ব দেবার কথা বলা নেই।

এরপরে আমি আরো কিছুটা খুঁজতে দেখি মোটামুটি সব দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিরই বয়ান একই রকম - সে ভারত-শ্রীলঙ্কাই হোক, বা পাকিস্তান-উজবেকিস্তানই হোক - মূল বিষয় এগুলোই। সাইটে খুঁজে দেখে নিতে পারেন কয়েকটা চুক্তির বয়ান। সাধারণত, দুপক্ষের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অনেক বেড়ে গেলে এ ধরণের চুক্তি করা হয়ে থাকে। আমার ধারণা, বাংলাদেশের সাথে পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি হবে চিনের।

তাহলে সমস্যাটা ঠিক কোথায়? আমেরিকার সাথে চুক্তির ফলে যদি দেশীয় শিল্প মার না খায়, সেই চুক্তি নিয়ে যদি ঝামেলা না হয়, তাহলে ভারতের সাথে চুক্তি হতে গেলেই সমস্যার তো কোনো কারণ আমি দেখি না।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: রাজনীতি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
নীল লাল সবুজ বলেছেন: because of Geographical Sensitivity. Also India don't trust us at all, example: the border fence
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: চুক্তির বাকি দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের বর্ডার নেই - থাকলে কাঁটাতার দিত কিনা জানা যাচ্ছে না। তবে এই সব দেশেরই বাংলাদেশী অভিবাসীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করার রেকর্ড আছে। সুতরাং, পাশাপাশি থাকলে বেড়া দিয়ে দিতেই পারত।

২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৬
শুভ৭৭ বলেছেন: এটি পড়ুন এবং জবাব দিন, যদি সময় থাকে।

Click This Link
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্য অনুসারে আমি একমত যে বাংলাদেশের লাভের ঘরে এ চুক্তি থেকে বিশেষ কিছু আসে না। কিন্তু সেভাবে একটা চুক্তি কে আলাদা করে দেখলে তেমন কোনো লাভ নেই - যদি না বিনিয়োগকে লাভ বলে আদৌ মনে করেন। সাফটা থেকে আবার ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের লাভই বেশী, কারণ এতে দুদেশই উভয়কে নিঃশুল্ক আমদানী-রপ্তানীর সুযোগ দেবে। যেহেতু ভারত বাংলাদেশের পণ্যে বেশী শুল্ক আরোপ করে, তাই শুল্ক উঠলে বাংলাদেশের লাভ বেশী। সেজন্য, পশ্চিমবঙ্গে সাফটার বিরোধী কথাবার্তা বেশী হয়, বাংলাদেশে স্বাভাবিকভাবেই বিপা-র বিরোধী কথা বেশী হবে। মজার কথা, ডাব্লিউ-টি-ও র অধীনে সব দেশই একে অপরকে এই সুবিধাগুলো দেবার অঙ্গীকার করবে কিছুদিনের মধ্যেই।

আরো উত্তর দিলাম এই পোস্টটিতে।

৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আপনি যে দেশগুলোর নাম বললেন তার সাথে বাংলাদেশের আমদানী-রপ্তাণীর পরিসংখ্যান দেখুন।তাইলে বুঝতে পারবেন!

বাংলাদেশের সাথে চায়না, ভারতের যে ব্যাপক বাণিজ্য ঘাটতি তার তুলনায় বাকীদেশগুলো সাথে কতটুকু!

আর অন্যদেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের অসমচুক্তির থাকলে সেটা দিয়ে কি ভারত-বাংলাদেশ অসমচুক্তি যায়েজ করা যায়!

আর আমেরিকার সাথে টিফা চুক্তি কিংবা তেল-গ্যাস পি,এস,পি চুক্তি নিয়ে দিনমজুর তো ব্লগে ধারাবাহিকভাবে লিখেন চলেছেন।এখন আপনা দাবী কি এমনই
আগে বাংলাদেশের সবগুলো চুক্তি নিয়ে আলোচনা হোক,তারপরে ভারতের সংগে চুক্তি নিয়ে কথা বলাটা যুক্তিযুক্ত হবে।

আপনি কিন্তু চুক্তির শর্তগুলোর মেরিটস-ডিমেরিটস নিয়ে কিছু বলেন, শুধু বলেছেন
অন্যদেশের সাথে আছে, তাইলে ভারতের সাথে সমস্যা কি।

যাইহোক, আপনি বাংগালী হলে ভারতীয়।সুতরাং যেকোন প্রকারে ভারতের স্বার্থ দেখবেন, এটাও স্বাভাবিক এবং দেশপ্রেমিক ভারতীয় নাগরিক হিসেবে সেটাই আপনার কর্তব্য।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: চুক্তির আপাত কোনো মেরিটস আর ডিমেরিটস নেই। এতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ার কিছু সম্ভাবনা আছে। আর বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রির উত্তর-পূর্ব ভারতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বাড়ে। উভয়-ক্ষেত্রেই লাভ-লোকসান আপেক্ষিক - কারণ বিনিয়োগ হলেই লাভ হবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে বাণিজ্য অল্প কিছু বাড়তে পারে, কিন্তু কে বেশী লাভ পাবে সেটা সময়ই বলে দেবে।

৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
রাজর্ষী বলেছেন: সবার সাথে আছে বলেই যে ভারতের সাথে থাকতে হবে এমন কোন কথা যেমন নেই তেমনি কারো সাথে নেই তাই ভারতের সাথেও করা যাবে না সেটাও ঠিক না। আমাদের যেটা করলে স্বার্থ হাসিল হবে সেটাই আমরা করবো। কিন্তু একজাতীয় কুপমুন্ডক ভারতের সাথে কিছু হচ্ছে শুনলেই ঘেউঘঊ শুরু করে। এরা চরম প্রতিক্রিয়াশীল। এরাই কিন্তু আবার ভারতের কাছে চরমভাবে স্বার্থ জলাণ্জলী দিয়েছে অনেক। এদের কুশিক্ষা দেখে ভাবি যে আমরা কি এই একুশ শতকেও সেই পুরোনো দুষ্ট চক্র থেকে বেরুতে পারবো না?
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, চুক্তিতে ভারত থাকলেই যত সমস্যা।

৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: :) বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা ভারতকে কেন্দ্র করে করা হয়, সেটা অযৌক্তিক না।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

৬. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: কাজে লাগবে আপনার দেওয়া লিঙ্কগুলা। প্রিয়তে রাখলাম।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৩
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আসলে বানিজ্য চুক্তি নিয়ে মাঠ গরম হতে পারে তখনই যখন বিদেশী পণ্যের কারণে দেশের শিল্প মার খাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় ... সেক্ষেত্রে গায়ের সাথে লেগে থাকা ভারতের পোটেনশিয়াল অনেক বেশী ... সেজন্যই সবার সতর্ক অবস্থান

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: এই চুক্তির কোনো ধারা আমদানী-রপ্তানী সংক্রান্ত নয়, বরং বিনিয়োগ সংক্রান্ত। তাই পণ্য মার খাবার কোনো সম্ভাবনা নেই।

৮. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: এখানে আমি যে জিনিসটা বুঝিনা,
১. সবগুলো দেশের সাথে যদি একইরকম চুক্তি থাকে তবে সেটা কি ভারতের সাথে ছিলোনা?

আমি যতদূর বুঝি বাংলাদেশের আমদানীর সবচেয়ে বড় দুটো অংশ আসে ভারত আর চীন থেকে ... যে প্রশ্নগুলো আসে

১. তাহলে এতদিন বাংলাদেশ ভারতের বানিজ্য চলেছে কোন চুক্তির ভিত্তিতে?

২.আগের চুক্তির সাথে বর্তমান চুক্তির (বিপা) পার্থক্য কি?

৩. পার্থক্যের ভিত্তিতে হয়তো এই প্রশ্নটাও করা যাবে যে, এ্তদিন যদি পুরোনো চুক্তিতে চলে তাহলে এখনই বা সেটার বদলে আবার নতুন চুক্তির দরকার কি?
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: এই চুক্তির কোনো ধারা আমদানী-রপ্তানী সংক্রান্ত নয়, বরং বিনিয়োগ সংক্রান্ত। বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ বিনিয়োগ খুব একটা নেই, ভারতের যে বিনিয়োগ বাংলাদেশে হয় সেখানে সেই কোম্পানী সরাসরি বাংলাদেশ সরকারের সাথে কথা বলে ঠিক করে শর্তাবলী।

এই চুক্তির উদ্দেশ্য হল ডাব্লিউ টি ও র অধীনে কিছুদিনের মধ্যেই সব বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে এমনিতেই এই সুবিধাগুলো দিতে হবে। সেগুলো কিছুদিন আগে থেকেই সবার জন্য খুলে দেওয়া - এছাড়া আর কিছু না।

৯. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৯
দিগন্ত বলেছেন: আরো খুঁজে দেখলাম বাংলাদেশের ২৪টা এম-এফ-এন চুক্তি আছে। সবগুলোর লিঙ্ক পাচ্ছি না, পেলেই জানাব।
১০. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৪০
পাগল@মন বলেছেন: ভারতীয় প্রচুর দাদারা বাংলদেশে বিনা অনুমতিতে কাজ করে ভারতে টাকা পাঠাচ্ছে, এই বিষয়ে আপনার জ্ঞাণগর্ভ আলোকপাত চাচ্ছি দাদা
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:০১

লেখক বলেছেন: তাদের তাড়িয়ে দিন ...

১১. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:০৫
নাজিম উদদীন বলেছেন: বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে আপনার মতামত কি? ভারত কেন যেচে পীস-কোর পাঠাতে চাইল?
০১ লা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৩

লেখক বলেছেন: আমি তো এরকম কোনো খবর ভারতীয় সংবাদপত্রে পড়লাম না। আর চাইলেই বাংলাদেশ 'না' বলতে পারে, কেউ তো জোর করেনি। সুতরাং প্রস্তাবের খুব কিছু প্রভাব নেই।

১২. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: আমিও মনে করি ভারত বলেছে, বাংলাদেশ না বললেই হয়।

এখানে পড়ে দেখতে পারেন।


Click This Link

 

মোট সময় লেগেছে ২.৫৭৭৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ