যখন বিয়ে করার বয়স হলো তখন কেহ মেয়ে দিলো না। কেহ প্রেম করতেও আসলো না। কারণ, ছেলে পড়াশুনা করে। পড়াশুনা শেষ হোক তারপর দেখা যাবে। পড়াশুনা শেষ হলো। কেহ মেয়ে দিলো না। প্রেম করতে কেহ আসলো না। কারণ, ছেলে এখনো কোন চাকুরী পায়নি। বেকার। চাকরী-বাকরী করুক, তারপর দেখা যাবে। যখন চাকুরী পাওয়া গেল। দু চার বছর চাকুরীও করলাম, তখনো কেহ মেয়ে দিল না। কারণ, ছেলের নিজের কোন বাড়ী-ঘর নেই। বাপের ঘরে থাকে। তখন প্রেম করার সময়ও চলে গেল। যখন বাড়ি-ঘর করলাম, তখন কেহ মেয়ে নিয়ে আগায় না। কারণ, ছেলের বয়স হয়েছে অনেক।
কিন্তু বিয়ে করতে মেয়েরা এমন কোন বাধার সম্মুখীন হয় না। তারা খূব ভাগ্যবান। সহজেই একজন পুরুষ জীবন সঙ্গী পেয়ে যায়।
আসলে মেয়েরা কি কোন পুরুষকে বিয়ে করে? আমার মনে হয়, না। তারা বিয়ে করে পুরুষ লোকটির পড়াশুনা কে। বিয়ে করে তার চাকুরী-কে। বিয়ে করে তার বেতন-কে। বিয়ে করে তার ঘর-বাড়ি-কে।
আমি যখন বিয়ে করতে গেলাম। তখন মেয়ের বাপ প্রথম যা জিজ্ঞেস করল, তাহল : বেতন পাও কত? আমি বললাম, মাসে চার হাজার টাকা। সে বলল, চার হাজার টাকা বেতন দিয়ে বউ রাখবে কিভাবে? বিদেশে যাবে? আমি যদি টাকার ব্যবস্থা করে দেই? উত্তর দিলাম, চাকুরী করার জন্য বিদেশী যাওয়া আমি পছন্দ করি না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


