আমার প্রিয় পোস্ট
- বুকের দুধ খাইলেই কি না খাইলেই কি!!! সৌদি আলেমের মাথায় এই বুদ্ধি আসলো কই থেকে??? ”এই পোস্ট নাস্তিকদের জন্য নয়” - মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মন
- কিছু ইসলামী সাইট.... - উদাসপথিক
- অনলাইনে প্রতিদিন ঃ বাংলা ভাষায় ইসলামিক ওয়েব সাইট/পোষ্ট সমুহ - সিটিজি৪বিডি
- যেসব সহজ-বানান আমরা খুব সহজে ভুল করি-- ৯ম পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- মুসলিম জীবনে ‘সময়’ – শেষ পর্ব - আমি বিপ্লবী
- প্রফেসর হান্টিংটনের সভ্যতার সংঘাত বা ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস বই থেকে - তালহা তিতুমির
- শেয়ার করার মত কিছু চমৎকার ছবি :: সব পর্ব একসাথে , পোষ্টটি নিয়মিত আপডেট হবে :: - কুঁড়ের বাদশা
- Zekr : শক্তিশালী কুরআন সফটওয়্যার ও তার বাংলা এক্সটেনশন : ইন্সটলেশন ও ব্যবহারবিধি - ইঊসুফ সুলতান
- অনলাইনে জিডি করতে পারবেন রাজধানীবাসী - াহো
- পার্বত্য চট্টগ্রাম কি পূর্ব তিমুরের মতো স্বাধীন হতে যাচ্ছে? - মিনহাজ উদ্দিন
- শুদ্ধ বাংলা লেখা শেখার কয়েকটি বইয়ের তালিকা - লেখাজোকা শামীম
- যেভাবে ডিলিট করবেন আনডিলিটেবল ফাইল

- আদনান শওকত
- "অভ্র কিবোর্ড"-এর বিকল্প "গুগল" - স্বপ্নকর
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- শামেলা লাইব্রেরি ৩.৩৮ 3.38 المكتبة الشاملة - সগির আহমাদ চোধুরী
- ইত্যাদির বাংলিশ কালেকশনগুলান একসাথে দেখি আর ব্যাপক মজাক লুইটা নেই
- সীমানা ছাড়িয়ে
- তুমি কি এখন - মতিউর রহমান মল্লিক
- বহু বিবাহ : প্রয়োজন, লোভ ও ভীমরতি - মোহাম্মদ লোমান
- শরীরের যত কলকব্জা (১) - জুহো.
- আমায় কেণ দাওনি তুমি সকল শুণ্য করে? - রোদেলা
- গান ডাউনলোড করার কিছু সাইট - আলাউল হোসেন
- বিচার চাই শুধু বিচার চাই আর কিছু চাই না - আব্দুল্লাহ শহীদ
- শহীদের আম্মুরা : !!!! - স্বর্ণলতা
- কুখ্যাত ম্যাজিট্রেট এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব - মো. বাকীবিল্লাহ
- প্রিয় কবিতাঃ কাজী নজরুল ইসলাম - জলপাই দেশি
- পেনই ড্রাইভে ফাইল খুজে পাচ্ছিনা! - অনির্বান
- PDF হতে Word এ রূপান্তর - গোলাম মাওলা ডলার
- বাংলা PDF ফাইলকে বাংলা MS Word ফাইলে রুপান্তর করবো কিভাবে? - রাজন সান
- উইন্ডোজ এক্সপিতে অটো রিস্টার্ট বন্ধ করার উপায় - আলোকিত পৃথিবী
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান - এস রহমান
- ছবি ব্লগঃ অন্যরকম কিছু ছবি......... - নাজনীন১
- বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম - খলিল মাহ্মুদ
- কম্পিউটারের ফ্রি টিপস(একসাথ+Update) - ০০৭৭৭৭৭
- আপনার আই-পি ইন্টারনেট বিশ্বে আপনার পরিচয়, অনেকেই জানেন না, ইন্টারনেট বিশ্বে আপনার পরিচয় কি ? জানুন সহজেই - বিপ্লব কান্তি
- ইরানের মহিলা পুলিশ - দারাশিকো
- কুরআন ছাড়া কথা বলতেন না যে নারী - দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা
- একটি NGO চালু করতে কি কি করতে হয় - সফট আইটি
- পোর্টেবাল সফটওয়্যারের বিশাল ভান্ডার - আরিফ বল্গ
- বাংলা স্পেলচেকিং - কিছু ওপেন সোর্স প্রজেক্ট - আছহাবুল ইয়ামিন
লিভ টুগেদার : মেয়েরা কেন সহ্য করতে পারে না?
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩
চার বছর আগের কথা বলছি। যে ফ্লাটে থাকতাম, তার পাশে একটি পাচ কক্ষের তিন শেড ঘর। শুনলাম, ওখানে দু জন রাজমিস্ত্রী আর দু জন গার্মেন্টস মেয়ে কর্মী বসবাস করে। স্বামী-স্ত্রীর মত করেই। কিন্তু তারা স্বামী-স্ত্রী নয়। তাদের মধ্যে চুক্তি হল, মেয়ে দুটো ঘর ভাড়া বহন করবে এবং রান্না-বান্না করবে। আর পুরুষ দুটো খাবার খরচ বহন করবে আর বাজার-সদায় করবে। এতে করে মেয়ে দুটোর খাবার খরচ সেভ হবে, বাজার করার ঝামেলা কমবে। আর পুরুষ দুটোর থাকার ব্যবস্থা হবে বিনা পয়সায়, আর রান্না-বান্নার চিন্তা করতে হবে না। বাকী অন্য সব ভোগ-উপভোগ বোনাস। যতক্ষণ না কোন দুর্ঘটনা হানা দেয়।
ভাড়াটিয়াদের একজন বাড়ীওয়ালাকে বলল, ওরা অন্যায়ভাবে বসবাস করছে। বাড়ীর মালিক হিসাবে আপনার কিছু করার আছে। বাড়ীর মালিক বলল, আমার ওখানে নাক-গলানোর কী দরকার? তারা স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে ঠিকঠাক মত ঘর ভাড়া নিয়েছে। আর মাস শেষে ভাড়া দিচ্ছে। আমার সমস্যা কী? আমি কি ওদের কাবিন-নামা চেক করতে যাবো? আপনাকে যখন ঘর ভাড়া দিয়েছি তখন কি আপনাদের নিকাহ-নামা আমি চেক করেছি?
আমি জানি না, ওরা জানত কি না ওদের এ ধরনের বসবাস করার নামটা কি? শিক্ষিত মানুষেরা এটাকে নাম দেবেন লিভটুগেদার। বাংলায় এর একক প্রতিশব্দ আমার জানা নেই। কেহ জানলে আমাকে আমাকে বলে দেবেন।
এ ধরনের কত লিভটুগেদার যে আমাদের ভোগবাদী নগর সভ্যতার বিভিন্ন অলি-গলি, মহাসড়কে পাওয়া যাবে তার সঠিক পরিসংখ্যান বা আনুমানিক পরিসংখ্যানও আমাদের জানা নেই। খবরে যে সব ঘটনা প্রকাশ পায় এর চেয়ে যা প্রকাশ পায় না তার সংখ্যা অনেক বেশী।
গরীবদের খবর আমরা রাখি কজনে। বড় লোকেরা যখন এ কাজ করে বিপদে পড়ে তখন আমরা কিছুটা জানতে পারি মিডিয়ার বরকতে।
এ রকম একটি ঘটনা হল রাজধানীর উত্তরায় কনিকার আত্নহত্যা :
Click This Link
আরেকটি ঘটনা হল, জাবির ছাত্রী রুহির আত্নহত্যা :
Click This Link
লিভটুগেদার সমাজ ও রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে কতটা অন্যায় তা আমি পরিমাপ করতে পারবো না। ভারতের সুপ্র্রিমকোর্ট তো হিন্দু ধর্মের রেফারেন্সে ফতোয়া দিয়ে বলেছে, এটা বিলকুল জায়েয।
Click This Link
আশা করা যায় আমাদের কোর্টও কোন এক সময় লিভটুগেদার-কে কল্যাণকর বলে ঘোষণা দেবে।
লিভটুগেদার সম্পর্কে কোন ধর্মে কি বিধান আছে আমার জানা নেই। তবে ইসলাম যা বলেছে তা স্পষ্ট। আল কুরআনে একাধিক স্থানে বলা হয়েছে, . . .ব্যভিচারিনী বা গোপন যৌনসঙ্গীনি হিসাবে নয়। (৪:২৫)
ইসলাম এ সম্পর্কে কি বলে তা আলোচনা করার প্রয়োজন নেই। প্রতিটি মুসলিম জানে যে, বিষয়টি বৈধ নয়। এমনকি যে সকল মুসলিম ইসলামের ঘরে জন্ম নিয়ে নিজেদেরকে হতভাগা মনে করে বা ইসলামের নাম শুনলে বিব্র্রতবোধ করে তারাও জানে, ইসলাম এ সম্পর্কে কি বলে। ইসলামের একটি বড় সফলতা এখানে যে, সে তার অনুসারীদের জানাতে পেরেছে তার দৃষ্টিতে কোনটি ভাল ও কোনটি খারাপ। লিভটুগেদার ইসলামের দৃষ্টিতে এতটা মন্দ যে, যদি একজন নারী ও একজন পুরুষ এ নিয়্যতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, কয়েক বছর পর প্রয়োজন শেষ হয়ে গেলে আমরা পরস্পরে আলাদা হয়ে যাবো, তাহলে এ বিবাহটিও বৈধ হবে না।
অনেকে বলতে পারেন, লিভটুগেদার মানুষের প্রয়োজনের জন্য। এখানে ইসলামের হস্তক্ষেপ করাটা ঠিক হয়নি।
তাদের বলা যায়, ইসলাম তার অনুসারীদের-কে সকল মন্দ ও নোংড়ামী থেকে সেভ করার চেষ্টা করবেই। এ ক্ষেত্রে সে কোন নিন্দুকের নিন্দার পরোয়া করে না। কোন জাহেলের জাহেলিয়্যাতের দাম দেয় না।
আমরা যখন একটি ছোট প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করি তখন তার সদস্যদের সেভ করার জন্য কিছু বিধি-নিষেধ প্রনয়ণ করি। যা অন্য প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায় না। ইসলাম নামক একটি বিশাল প্রতিষ্ঠান তার অনুসারীদের রক্ষার জন্য কেন এ রকম করবে না?
যদি কোন কিছুতে মানুষের উপকার থাকে সেটা ইসলাম নিষিদ্ধ করবে না, এ ধারনা ঠিক নয়। এখানে ইসলামের নীতি হল, কোন একটি বিষয়ে মানুষের উপকার আছে আবার আছে তাতে ক্ষতিও। আর ক্ষতির পরিমাণটা বেশী। তাহলে ইসলাম ক্ষতির দিকটি বিবেচনা করতে বলে। মদ নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে এ নীতির কথা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে। (২:২১৯)
আলোচ্য ঘটনা দুটোতে আমরা দুটি মুল্যবান প্রাণকে আত্নাহুতি দিতে দেখলাম। এ দুটো ক্ষতি হাজার হাজার লিভ টুগেদারের উপকারভোগীদের উপকারের তুলনায় কত মারাত্নক! জীবন বাচানোর জন্য লিভটুগেদার জরুরী নয়। কিন্তু জীবন বাচানোর জন্য লিভটুগেদার থেকে দুরে থাকা কতখানি জরুরী?
এখানে যে বিষয়টির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই তা হল, লিভটুগেদারের মেয়ে যাত্রীটি কেন বার বার আত্নহত্যা করে? পুরুষ যাত্রীটি একবারও কেন আত্নহত্যা করে না?
অনেকে বলবেন, মেয়েটি কোন একটি দুর্ঘটনার আভাস পেয়েছিল। এতে করে নিজ মান সম্মানের প্রশ্ন জড়িত ছিল। তাই সে আত্নহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।
তাদের এ কথা আমি মেনে নিতে পারছি না। কারণ, মেয়ে দুটো এমন পরিবারের নয়, যেখানে এ ধরনের ঘটনাকে খুব খারাপ চোখে দেখা হয়। তা ছাড়া সেই দুর্ঘটনা তাদের জীবনকে তেমন সমস্যায় ফেলে দিত বলে ধারনা করা যায় না।
আমি মনে করি, মেয়েদের মধ্যে নৈতিকতাবোধ পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশী। যত দিন যায়, অপরাধ বোধ তাদের তত নাড়া দেয়। ফলে তারা এ অপরাধ থেকে মুক্তির জন্য এ পথ বেছে নেয়। বাস্তবতায় প্রমাণ, মেয়েরা পুরুষদের তুলনায় অনেক কম দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে থাকে।
আপনাদের কাছে হয়ত এ প্রশ্নের আরো ভাল কোন উত্তর আছে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রোবোটিক্স বলেছেন:
প্রথম প্লাস
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। প্রথম প্লাস ও প্রথম মন্তব্য।
লেখক বলেছেন: ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
কথাটা অন্যভাবে ঘুরিয়েও বলা যায়, সামাজিকভাবে মেয়েদের বেশি নিন্দা সহ্য করতে হয়, পুরুষদের নয়। যে কোন অপকর্ম নারী ও পুরুষ মিলে করলে সমাজ নারীটিকেই দায়ী বলে মনে করে, পুরুষটিকে নয়। ফলে নারীটি অপরাধবোধে ভোগে বেশি। এই একই কথা পারিবারিক যে কোন ঝামেলার ক্ষেত্রেও সত্য।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। দুর্বলদের সবাই শাসন করতে চায়। শাসাতে চায়। মেয়েরা দুর্বল বলে তাদের বেশী কথা শুনতে হয়।
তবে এই খেলায় পুরুষ মানুষের মজা মনে হয় বেশী ।আফটার ৩৫-৪০ বছর কোন মেয়ে চাইলেও তার সাথে ৩৫-৪০ এর কোন পুরুষ লিভ টুগেদারে রাজী হবে কিনা সন্দেহ আছে, বাট পটন খেলায় অভিজ্ঞ পুরুষ যে কোন মেয়েকেই পটিয়ে এই জগতে নিয়ে আসার বেশ ভাল চান্স আছে......।
এত চিন্তার কি আছে, মজা লইবার চায় মজা লইতে দেন..........কিছু কইতে যাইয়েন না, সুশীল দের কোপানলে পড়বেন.....
বোকা মাইয়া লিভটুগেদার করবি, আবার মনের গহীরে আবেগ ঝুলাইয়া রাখবি তাত হইতে পারেনা।
আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে জাবিতে যা ঘটছে এটাকে ঠিক লিভ টুগেদার বলা যায়না।
নিয়ন্ত্রনহীন যৌন কামনা পূরনের জন্য সাময়িক ব্যবস্হা বলা চলে.......।
লেখক বলেছেন: দায়িত্বহীন সঙ্গমসুখ। ভালোই মনে হয়।
মজা লইতে আর দিতে নিষেধ করার আমরা কে? তবে একটু সচেতন হতে বলি।
এত শিক্ষিত পরিবারে বড় হয়ে এত শিক্ষা লাভ করে যদি বোকা মেয়ে হয়, তাহলে বুদ্ধিমতি হবে কে?
লেখক বলেছেন: আসলেই সত্যি
রিফাত হোসেন বলেছেন:
আপনি খুব ভাল লেখেছেন । কিন্তু যার শেষ ভাল তার সব ভাল । কিন্তু আপনি বলেছেন মেয়েরা পুরুষদের তুলনায় অনেক কম দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে থাকে
আমাদের দেশের দুই রত্ন , দুই আধাঁর, যাদের ছাড়া দেশ অচল হয়ে যায়... হ্যাঁ আমি তাদের কথা বলছি , প্রম শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন প্রম এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া । তাদের দেখে কি মনে হয়
তাই + দিতে গেলেও মাইনাস দিলাম ।
লেখক বলেছেন: দু নেত্রী আমাদেরই নেতা। তারা দুর্নীতিপরায়ন কি না আমি জানি না। তবে তাদের সাথের লোকজন . . . .।
আমি বীরবল বলেছেন:
খুবেই ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
বাংলাআশিক বলেছেন:
বিশ্লেষণ ধর্মী, ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: খুব ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
রিমঝিম খান বলেছেন:
বিশ্লেষণ ধর্মী ....গঠনমুলক আলোচনা............
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
পজিটিভ বাংলাদেশ বলেছেন:
লেখাটি ভাল। আসলে বর্তমানে মেয়েরাই বেশী নির্যাতিত হচ্ছে তবে পুরুষও কমনা। ছেলে মেয়ে উভয়েই সচেতন থাকলে এ ধরণের ঘটনা এড়ানো সম্ভব।
লেখক বলেছেন: সচেতনতা সাথে নৈতিকতা। দুটোই দরকার।
ধন্যবাদ
-- বর্তমান যুগে এটা হয়তো আপাত দৃষ্টিতে অনেক ঘটনায় সত্যি মনে নাও হতে পারে, কিন্তু এখনো বেশির ভাগ মেয়েই প্রথম যাকে ভালবাসে, যত প্রতারিতই হোক, অবহেলিত হোক বা বঞ্চিত হোক তাকেই সবসময়ে ভালবাসে। পরবর্তী সব সম্পর্ক আসলে শুধু জীবন চালিয়ে নেয়া বা ভুলে যাবার চেষ্টা করা.........।
তাই মেয়েরা বেশী সেনসিটিভ হয় সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে, এজন্য আত্মহত্যাও এক্ষেত্রে মেয়েরাই বেশি করে। এটা নৈতিকতাবোধ থেকে না, অনুভূতিবোধ থেকে বলা যায়। সমাজের যে নিগৃহ, সেটা মধ্যবিত্তেরই বেশি, গরীবের বা উচ্চবিত্তের এ ব্যাপারে তেমন মাথা ব্যাথা নেই। তাই হরদম সেখানে লিভ-টুগেদার, বিয়ে, ডিভোর্স চলতেই থাকে। পরকীয়াটা বরং মধ্যবিত্তে বেশি। আমার মতে বললাম, ভুলও হতে পারি।
লেখক বলেছেন: শরৎচন্দ্রের কথাটা আমাদের পুরুষদের জন্য সুখকর নয়।
একজন মেয়ে ও পুরুষ যখন চুক্তিবদ্ধ হয়, প্রয়োজনে আমরা কয়েকটা দিন একত্রে থাকব, তখনও কি সেখানে ভালোবাসা জায়গা করে? মনে হয় না।
ভুল বলেছেন, মনে করি না, তবে কঠিন কথা।
লেখক বলেছেন: আর আত্নহত্যা যদি ওরা ভালোবাসার কারণে করে, তাহলে ভালোবাসার মানুষটিকে ফাসিয়ে যাবে কেন? ওরা তো অবুঝ নয়। বিশেষ করে এ মেয়ে দুটো।
আপেল বলেছেন:
আমাদের সামাজের চারপাশের যে অবস্থা তা আমাদের কে লিভ-টু-গেদারের দিকে ধাবিত করছে।
লেখক বলেছেন: কিন্তু সমাধান কি?
লেখক বলেছেন: দৃষ্টিকটু যদি আমাদের সকলের কাছে হয়, তবে ভাল। আর যদি কারো কাছে ব্যাপারটি দৃষ্টিকটু না লাগে তাকে আমরা কি বলব?
ধর্মের কথা না হয় রেখে দিলাম।
রাজীব বলেছেন:
"লিভটুগেদার ইসলামের দৃষ্টিতে এতটা মন্দ যে, যদি একজন নারী ও একজন পুরুষ এ নিয়্যতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, কয়েক বছর পর প্রয়োজন শেষ হয়ে গেলে আমরা পরস্পরে আলাদা হয়ে যাবো, তাহলে এ বিবাহটিও বৈধ হবে না"তাহেল হিল্লাবিয়েকে কি বলবেন? যেখানে বিয়ের বয়স মাত্র এক রাত?
লেখক বলেছেন: হিল্লা বিয়ে ইসলামের দান নয়। এটা আমাদের মনগড়া আবিস্কার। সমাজ ও পরিবার রক্ষার প্রয়োজনে অনেকে এটাকে অবলম্বন করা দোষের মনে করে না। কিন্তু আসলে দোষের।
হঠাৎ বলেছেন:
live together'e mey'der odhikar bishorjon deya hoy. ekhon kono mey jodi willingly eta'te agree hoy ( dhoren taslima nasrin) taholey to kisu korar nai. dhormo niye ami jodio temon kono gyan rakhi na, tarporeo bolbo Islam dhormo ei beparey chomotkar logic & description diesey. live together'er shobcheye voyonkor dik hossey, er jonno porobortitey family bondage'er proti j honour, seta r thakey na. desperate hoye jae purush & nari. ei beparta giye porey tader children'der upor. their children suffer from lack of confidence and their surroundings severely deprive them from all social rights directly or indirectly.
লেখক বলেছেন: মন্তব্য ভাল লাগল। ধন্যবাদ
আনিসুর র বলেছেন:
লিভটুগেদার যেীন রোগ থেকে রক্ষা করে। ধর্ষন কিছুটা হলেও কমে। ইসলাম ধর্মে মহাপাপ। এ পাপ যেনে যদি কেউ লিভটুগেদার করে করুক। ছেলেরা মজালুটে আর মেয়েরা সব হারায়। মেয়েটি যখন বুজতে পারে সে অনেক কিছু হারিয়েছে তখন নিজেও শেষ হয়। ওই মেয়েরই লিভটুগেদার করা উচিত যার হারাবার ভয় নাই।
লেখক বলেছেন: ওই মেয়ের লিভ টুগেদার করা উচিত যার হারাবার ভয় নেই।
ঠিক, কিন্তু সমস্যা হল, এখন হয়ত সে মনে করে আমি কিছু হারাবো না। পরে বুঝতে শুরু করবে আমি আসলে সব হারিয়েছি। তখন?
অণুসন্ধানী বলেছেন:
হিল্লা বিয়ে চুক্তিভিত্তিক বিয়ের মধ্যে পরে। এটা জায়েয না।
লেখক বলেছেন: আমিও তাই মনে করি।
সপ্নীল বলেছেন:
ভাল এবং প্রাসংগিক লেখা। প্লাস
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ
Brainsex – Anne Moir & David Jessel - এই বইটা পড়ে দেখতে পারেন। এই বই বলতে চায় আমাদের Brain-ও হচ্ছে একটা sex organ - চিন্তায়, ভাবনায়, চেতনায়, কল্পনায়, কাজে, বুদ্ধিতে সব কিছুতেই নারী ও পুরুষ আলাদা - আর সেজন্যই পৃথিবীতে বেঁচে থাকা অর্থবহ। জোর করে সব respect-এ নারী ও পুরুষকে সর্বসম দেখাতে চাওয়াটা পশ্চিমে, নারীবাদী চাপের মুখে, politically correct হলেও biologically correct নয়!
লেখক বলেছেন: আসলে ব্যভিচার শব্দ বললে লিভ টুগেদার বুঝে না। যদি না একটু ব্যাখ্যা করা হয়।
পরের মতের সাথে সহমত।
ধন্যবাদ।
শামসুন হাসনাত বলেছেন:
Rvwei QvÎx i“nx AvZ¥nZ¨v K‡i wb Zv‡K nZ¨v Kiv n‡q‡Q| welqwU Ggb fv‡e wPšZv Ki‡j †Kgb g‡b nq?
লেখক বলেছেন: আহা যদি পড়িতে পারিতাম! ফন্ট সমস্যায় পড়া সম্ভব হইল না।
নাজনীনের বক্তব্য থেকেই বলছি মেয়েরা ভালবাসে সম্পুর্ন সত্বা দিয়ে। এখানে তাদের মূল্ধন শুধুই বিশ্বস। যখন এই বিশ্বাসেই আস্তা কমে আসতে থাকে বা সময়ের প্রেক্ষিতে তার চাহিদা যখন বারে তখন সে এই থাকার একটি সামাজিক সিকৃতি চায়। নিন্দা মেয়েদেরই হয়। সন্তানের মা মেয়েরাই হয়। ভ্রুন হত্যা অপরাধ তাই সম্পুর্ন দায় মেয়েটির উপর যে নিজেই কিনা আমাদের সমাজে অরক্ষিত। ছেলেরা কোণ দায়েই থাকে না।
আর জাবি তে যে ঘটনা তা তো চরম উদ্বেগ জনক। প্রেমিক যদি প্রেমিকাকে ব্লাকমেইলের ভয় দেখিয়ে লিভটুগেদারে বাধ্য করে সেখানে সব প্রশ্নই অবান্তর।
আমি একজনকে ভালবাসলাম আর সেই দুর্বলতার সময়ের ছবি তুলে নিয়ে যখন কারো স্বাধীনতা হরন করে কোণ কাজ করতে বাধ্য করা হয় সেটাকে কি নামে আখ্যায়িত করবো।
ভালবাসার ফাঁদ ফেলে এই ধরনের অপরাধ কিভাবে থামবে আমি ভেবে পাই না।
লেখক বলেছেন: সামাজিক স্বীকৃতি চাওয়ার মাধ্যমেই সে নৈতিকতার প্রতিষ্ঠা ও অপরাধবোধ থেকে মুক্তি পেতে চায়।
প্রশ্ন থেকে যায়, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষিতা মেয়েরা কিভাবে ব্লাকমেইলড হয়? তাহলে শিক্ষা তাকে সচেতন করতে পারেনি।
মেয়ে যেন ভালোবাসার ফাদে পা না দেয় এ জন্য অভিভাবকদের কি কিছু করার নেই?
যে সকল অভিভাবক চান না, তাদের ছেলে-মেয়েরা নৈতিকতায় সমৃদ্ধ হোক তাদের সন্তানেরা এ ফাদে বেশী পা দেয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
কুঁড়ের বাদশা বলেছেন:
লিভ টুগেদার যারা করে তাদের যত দিন দেহের সৌন্দর্য থাকে ততদিন তাদের মাঝে সম্পর্ক থাকে । কিন্তু বিয়ে হলে তাদের মধ্যে একটা দায়বদ্ধতা তৈরী হয়। এই দায়বদ্ধতার কারনেই সাধারনত সংসার দীর্ঘস্থায়ী হয়।
লেখক বলেছেন: তাহলে পুরোপুরি ভোগাবাদিতা। যা সাধারণত, পশু-পাখী দ্বারা সংঘটিত হয়। দায়হীন ভোগ-উপভোগ। মানবতার দাবী উপেক্ষিত।
হারান সত্য বলেছেন:
লিভ টুগেদার একটি সামাজিক বিকৃতিএটাকে সামাজিক ভাবে বৈধতা দিলেও এর কুপ্রভাব থেকে মুক্তির পথ নেই।
মেয়েদের জন্যই বিষয়টা কস্টকর যা ছেলেদের জন্য উপভোগ্য। পশ্চিমা পুরুষরা দ্বায় দ্বায়িত্বহীন ভাবে বহু নারী ভোগের জন্য এই ব্যাবস্থা করেছে। এটা নারীত্বের জন্য চরম অবমাননাকর ব্যাপার। এ'জন্যই নারীরা এটা সহ্য করতে পারে না।
লেখক বলেছেন: সুন্দর উত্তর দিয়েছেন। অনেক ধন্যবাদ।
জাগরূ৪৯ বলেছেন:
@রাজীব বলেছেন:"তাহেল হিল্লাবিয়েকে কি বলবেন? যেখানে বিয়ের বয়স মাত্র এক রাত?"
ইসলামের আইন হচ্ছে, কেউ তার তালাক প্রাপ্তা স্ত্রীকে বিয়ে করতে পারবে না।সেই নারী অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারবে। যদি এমন অবস্থা দাড়ায় যে তার পরের স্বামীর মৃত্যূ হল বা বিবাহ বিচ্ছেদ হলো, তাহলে সে আবারো প্রথম স্বামীর সাথে বিবাহ বন্দ্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে।
এটি একটি situation, Mechanism নয়। হিলা ইসলামের নামে Mechanism হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা ব্যাভিচার ছাড়া আর কিছু নয়।
লেখক বলেছেন: হিল্লা বিয়েটা পুরোপুরি শরীয়ত সম্মত নয়। তবে এটাকে আমি ব্যাভিচার বলতে ভয় পাই। কেহ হিল্লা বিয়ে করলে তাকে ব্যভিচারের শাস্তি দেয়া যাবে না।
বাদশািমন্টু বলেছেন:
আসলে ইমোশনাল একটা বিষয় থেকেই যায়... ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল বা যেকোনো পরিস্থিতিতে এটা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপারই হয়ে দাঁড়িয়েছে । খোলা চোখে বা বন্ধ চোখে যাই ঘটুক এখন সময়ের দাবীতেই এই পথে সবাই এগিয়ে যাচ্ছে । গ্লোবালাইজেশন বলেন আর যাই বলেন এটি এখন আমাদের কাছে আরো সহজলভ্য হবেই । আপনার সঙ্গে একমত ... ভালো ণলখার জন্য ধন্যবাদ..
লেখক বলেছেন: সৃষ্টিকর্তা আমাদের রক্ষা করুন। ধন্যবাদ আপনাকে।
মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মন বলেছেন:
ভালো লিখেছেন।তবে লিভ টুগেদার থেকে আরো আধুনিক জিনিস আছে, আল টু গেদার। মানে যৌন সুখ পাওয়ার জন্য সেক্স পার্টনার চেঞ্জ করা ১/২ দিন বা সপ্তাহের জন্য। উভয়ের সম্মতিতেই এটা হয়ে থাকে। ২টা কাপল অন্য দুইটা কাপলের মধ্যে সঙ্গী পরিবর্তন করে। আর উপভোগ করে।
ঢাকা শহরে প্রাইভেট ভার্সিটির অনেক মেয়েরা কি ভাবে বেশ্যা হয়। বা সহপাঠি দের সাথে গ্রুপ সেক্স করে তাও অনেক চমকপ্রদ।
লেখক বলেছেন: অবস্থা তাহলে খুব খারাপ! আমরা আলো হাতে নিয়ে অন্ধকারে যাচ্ছি।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দায়িত্ব নেয়া এড়াতেই পশ্চিমে লিভ টুগেদার উৎপত্তি। এটাতে পুরুষ ও নারী উভয়েই জড়িত, কেবল পুরুষ নয়। তবে সমাজটা পুরুষশাসিত বলে পুরুষরা বেশি সুবিধা ভোগ করে। ঢাকাইয়া লিভ টুগেদার : রক্ষিতা ও পরকীয়ার জগাখিচুড়ি
লেখক বলেছেন: আপনার পোষ্টের লিংকটা দেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ওটা আমি মিস করেছিলাম।
লেখক বলেছেন: লিভটুগেদার ভাল লাগলে তো করেই ফেলতেন।
ধন্যবাদ অনেক।
অদৃশ্য আলোক বলেছেন:
লিভ টুগেদার খারাপ না। তয় যতদিন ভাল লাগব, ততদিন থাকব, তারপরে ফুটব। কোন বাধা নাই। এরকম ভাবতে হবে। পোলা পরে বিয়া করব, এটা বিশ্বাস করলে মাইয়ারা ধরা খাইব।
লেখক বলেছেন: তাহলে পরে বিয়া করব, এ বিশ্বাস না রেখে লিভটুগেদার করা যাবে?
তাহলে এর ভিত্তি হবে একটি অবিশ্বাস?
অলস ছেলে বলেছেন:
সুন্দর লিখেছেন
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
মেয়েদের কমেন্ট বেশি আসলে কিছুটা ধারনা পাওয়া যেত।এইচএসসি লেভেল এর পরে ছেলে-মেয়ে সবাইকে প্রাপ্ত বয়স্ক ধরা হয়।বুঝেও যারা লিভটুগেদার করে,আবেগের কথা বলে তারা এটাকে যু্ক্তিসংগত করতে পারেনা।
এ টাইপের ছেলেদের ভাবনা টা এমন : আমার টাকা আছে মেয়ে রা আমার সাথে লেগে থাকলে আমি কি করব?আমি ও টাকা ছরিয়ে মেয়ে পটাবো,আমার ক্ষমতা আমি দেখাবো।১,২টা না ১০ টা মেয়ে নিয়ে রুমে ঢুকবো,আপনার কোন প্রবলেম?!!নিজের চরকায় তেল মারেন,নাইলে চিপায় গিয়া হ্যান্ডেল মারেন,মিয়া!!
এ টাইপের মেয়েদের ভাবনা এমন:আমার রুপ,রস,যৌবন এত্ত বেশি যে জামাকাপড়
দিয়ে তা ঢেকে রাখা সম্ভব না,আমার মোহনীয় হাসিতে ছেলে রা কাত না হইলে আমার রুপের ঝলকের ধার বুঝব কেমনে?ওড়না তো পড়তেই চাই না,পাশে ফেলে চলি,বুকটা যদি ছেলে রা না দেখে আর কিই বা দেখবে?আড়ং দুধের এড সবাই দেখছে না ?? সব পুরুষ ই ঐ টাই চায়??!! কিজানি,আমি ঐ টাই হবো।!!
...
আমার কমেন্ট টা কতটা সত্যি তা কেউ ডিফেন্ড করলে বুঝবেন।
এরাই আমাদের জাতি কে এগিয়ে নিয়ে যাবে।নো চিন্তা,ডু ফুর্তি।
আধাঁর...আধাঁর...আধাঁর...দেখছেন?
লেখক বলেছেন: কঠিন সত্য মন্তব্য, সন্দেহ নেই।
হ্যা, চারিদিকে তো আধার দেখতে পাচ্ছি। তাইতো লিখে রেখেছি, এখানে এখন রাত্রি এসেছে নেমে।
আরিফ সিদ্দিকি বলেছেন:
নারীরা আসলে তাদের সমান অধিকারের গণ্ডিটা বুঝে বলে আমার মনে হয়না। এ সুযোগে কিছু ভোগবাদী পুরুষ নারীদের ভোগ করার জন্য বিভিন্নভাবে নাচায়। আর তারা নাচে।নারীরা কেন সববিষয়ে পুরুষের সাথে তুলনা করে। অথচ আল্লার সৃষ্টি মানুষের মধ্যে তারা সতন্ত্র সত্ত্বা । তারা নিজেরাই স্বয়সম্পূর্ন।
লেখক বলেছেন: নারীরা আসলে তাদের সমান অধিকারের গণ্ডিটা বুঝে বলে আমার মনে হয়না . . . .।
সুন্দর বলেছেন।
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
@মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মনআরো কিছু বলেন। নতুন কিছু জানার ইচ্ছা হয়
সিরিয়াসলি যদি আপনার/বন্ধুদের এধরনের অভিজ্ঞতা থাকে ব্লতে পারেন।
লেখক বলেছেন: হ্যা, উনি অল টুগেদার থিউরী উপস্থাপন করেছেন। আমার কাছে এটা একেবারে নতুন। কোন অভিজ্ঞতা নেই।
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
শামসুন হাসনাত বলেছেন: জাবির ছাত্রী রুহী আত্মহত্যা করে নি তাকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি এমন ভাবে চিন্তা করলে কেমন মনে হয়?
লেখক বলেছেন: আত্নহত্যা না হয়ে একটি খুন হতে পারে। তবে আমাদের কাছে আপাতত রিপোর্টটা এ রকম। সত্য বেরিয়ে আসুক। কামনা করছি।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
সহমত! মেয়েদের নিয়ে সর্বশেষ উক্তিটির ব্যাপারে আমার খানিকটা দ্বিমত আছে! এনারা যেমন কোন বিষয় বাছ-বিচার ভালভাবে না করেই দ্রুত গ্রহন করে, তেমনি হজম শক্তির অভাবে দ্রুত পস্তাতেও শুরু করে!!মন্তব্য ২৪ এর শামসুন হাসনাত বলেছেন: জাবির ছাত্রী রুহী আত্মহত্যা করে নি তাকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি এমন ভাবে চিন্তা করলে কেমন মনে হয়?
লেখক বলেছেন: তবে আমার অভিজ্ঞতা একটু ওরকম। আমি একাধিক কাজে বিভিন্ন অফিসে গিয়েছি। যখন মেয়ে কর্মকর্তা পেয়েছি, দেখেছি উনি আমার কাছে কোন ঘুষ বা সুবিধা দাবী করেননি। কিন্তু এমন পুরুষ পাইনি।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
ভাল লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, পড়ার জন্য।
দিদুমিয়া বলেছেন:
প্রকৃতির রাজ্যে বিয়েও লিভ টুগেদার বইটা পড়তে অনুরোধ রইল...ভাল লাগল আপনার লেখাটা.....প্রকৃতির নিজস্ব নীতির বাহিরে চলা যায়না..চললে ধ্বংশ অনিবার্য। সভ্যতার একট পর্যায়ে এটি প্রচলিত ছিল.বলে ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে তার বিলোপ ঘটিয়েছে...তাই আবার আমরা বন্য হতে চলছি...
লেখক বলেছেন: বইটা কার লেখা? কোথায় পাওয়া যাবে?
ধন্যবাদ। আসলে আমরা বন্য হতে চলেছি।
আমগো দেশের মাইয়াগুলা গত কয়েক বৎসরে হলিউড, বলিউড আর টিভি সিরিয়াল গুলার কল্লানে খুব স্মার্ট(!!) হৈছে তো, এইগুলা তার ই ফল। ফরেন কালচার ফলো না করলে কি আর স্মার্ট হওয়া যায় নাকি?
লেখক বলেছেন: ফরেন কালচার ফলো করবে ভাল কথা, কিন্তু তা শুধু নোংড়ামীর ক্ষেত্রে?
স্মার্ট হওয়া খারাপ কি? কিন্তু শুধু অসামাজিক কাজ করার নাম কি স্মার্টনেস?
সোহেল কুমকুম বলেছেন:
বাস্তবতা তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ। আমি ভাল ত জগৎ ভাল ।অসৎ আনন্দের চেয়ে পবীত্র বেদনা অনেক মহৎ।
লেখক বলেছেন: অসৎ আনন্দের চেয়ে পবীত্র বেদনা অনেক মহৎ।
সুন্দর বলেছেন।
নিমা বলেছেন:
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: কথাটা অন্যভাবে ঘুরিয়েও বলা যায়, সামাজিকভাবে মেয়েদের বেশি নিন্দা সহ্য করতে হয়, পুরুষদের নয়। যে কোন অপকর্ম নারী ও পুরুষ মিলে করলে সমাজ নারীটিকেই দায়ী বলে মনে করে, পুরুষটিকে নয়। ফলে নারীটি অপরাধবোধে ভোগে বেশি। তবে বাস্তবতা তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। +
লেখক বলেছেন: সমাজের বীরপুরুষরা দুর্বলদের শাসন করতে চায় বেশী।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
নির্ণয় বলেছেন:
লিভটুগেদার ভাল না খারাপ সেটার ব্যাপারে যাওয়ার আগে আপনার এই ভুল ধারণাটার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।
"লিভটুগেদার ইসলামের দৃষ্টিতে এতটা মন্দ যে, যদি একজন নারী ও একজন পুরুষ এ নিয়্যতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, কয়েক বছর পর প্রয়োজন শেষ হয়ে গেলে আমরা পরস্পরে আলাদা হয়ে যাবো, তাহলে এ বিবাহটিও বৈধ হবে না।"
মুতা বিবাহের ব্যাপারে কি কিছু জানেন? আমার কাছে কয়টা লিংক আছে। লাগলে বলেন।
লেখক বলেছেন: মুতা বা মেয়াদী বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কয়েক দিনের জন্য এটা বৈধ ছিল। পরে তার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মুতা বিবাহের লিংক দরকার নেই। আমি স্থায়ী বিবাহে বন্দি হইয়া সুখে আছি।
অতএব আপনার বক্তব্য আঘাত করলো আমাকে...
আর কিছু বলার নেই ...
লেখক বলেছেন: ওটা আমার বক্তব্য নয়। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের মতামত। আমি হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে জানব কিভাবে?
দুরন্ত ইসলাম বলেছেন:
তবে ঝুকিটা মেয়েদেরই বেশী। তাদের কোন সময় প্রেগন্যান্ট হবার ভয় থাকে।
লেখক বলেছেন: এটা তো জানা কথা। এটা জেনে বুঝেই তো লিভ টুগেদার করে।
দুরন্ত ইসলাম বলেছেন:
২৪ নং মন্তব্যের পাঠোদ্ধার করে দিলাম: হাসনাত বলছেন: জাবির ছাত্রী রুহী আত্মহত্যা করে নি তাকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি এমন ভাবে চিন্তা করলে কেমন মনে হয়? এবার আপনার উত্তর দিয়ে আসুন।
লেখক বলেছেন: পত্র-পত্রিকায় আত্নহত্যার খবর এসেছে।
তাকে হত্যা করা হয়ে থাকলে তদন্ত হোক, বিচার হোক।
গুরু তুমি মহান, তোমারে করি প্রনাম বলেছেন:
আলগা খাওনের মজাই অন্যরকম।দায়িত্ব না নিয়া মজা লুটার সুশীল নাম হইল লিভটুগেদার।
লেখক বলেছেন: লিভপুগেদারের অর্থ তাহলে আলগা খাওন। দারুণ অর্থ করেছেন।
এজি মাহমুদ বলেছেন:
শ।মসীর বলেছেন: তবে এই খেলায় পুরুষ মানুষের মজা মনে হয় বেশী ।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
সব কিছুর মূলেই দ্বায়িত্ব বোধ ও শৃঙ্খলা। আল্লাহ এর জন্যই বিবাহ বর্হিভূত যৌনতা হারাম করেছেন যেন বিষয়টি বিশৃঙ্খল, হানাহানি, অসম্মান ইত্যাদি খারাপ কিছু না ঘটে। অতীতের কথা বাদ দিলাম পাশ্চাত্যে দেখা যায় একদা যে মহিলা পিতার গার্ল ফ্রেন্ড ছিল পরে সে ছেলেরও গার্ল ফ্রেন্ড।
নির্ণয় বলেছেন:
ইসলাম তার অনুসারীদের-কে সকল মন্দ ও নোংড়ামী থেকে সেভ করার চেষ্টা করবেই। এ ক্ষেত্রে সে কোন নিন্দুকের নিন্দার পরোয়া করে না। কোন জাহেলের জাহেলিয়্যাতের দাম দেয় না।[/sbখাইবারের যুদ্ধের আগ পর্যন্ত মহানবীর সম্মতি ছিল মুতাতে। তারপরে নিষেধ। বুখারি
তারপর আবার মক্কা জয়ের সময়ে মহানবী মুতা বিবাহের অনুমতি দিয়েছেন । মুসলিম
মক্কা বিজয়ের পর আবার ও হুনাইনের যুদ্ধের সময় তিনি মুতা বিবাহের অনুমতি দেন। মুসলিম
এছাড়াও নিষেধ করেননি বরং মুতা বিবাহকে আল্লাহর তরফ থেকে আইনসিদ্ধ বলেও জানিয়েছেন মহানবী। বুখারি
পুনশ্চঃ ধর্ম তত বড় সতী না , যতটা বড় বলে আপনি ধারণা করেন।
ধারণা করি পাল্টা চ্যালেঞ্জ করবেন রেফারেন্স নিয়ে। করুন। আমার কাছে হাদিসের নাম্বার আছে। আগেই আর একটা পোস্টের জন্য খুঁজে বের করেছিলাম।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















