somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্রাণ্ড, ব্রাণ্ডেড শ্রম এবং সংস্কৃতি- শেষাংশ

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ব্রাণ্ড এবং উত্তরাধুনিক ভোগ-সংস্কৃতি
এই পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ করে ষাটের দশকে ধনতান্ত্রিক দেশ গুলোতে পুঁজির শাসন-শোষণ থেকে শুরু করে যে কোন প্রাতিষ্ঠানিকতার বিরুদ্ধে গণজোয়ারের ফলে যে উত্তরাধুনিক সংস্কৃতির আবহ তৈরি হয় তার ফলশ্রুতিতে পণ্য ব্যবসায়ী এবং বাজারজাত কারীদের প্রয়োজন হয় ব্রাণ্ডিং এর নতুন কলাকৌশলের। এই উত্তরাধুনিক সংস্কৃতি ভোগকে একটা স্বাধীন ক্রিয়া হিসাবে দেখতে চায় যার মাধ্যমে ব্যক্তি ঐতিহ্য, সামাজিক নিয়ম, রীতি-নীতির হাত থেকে মুক্ত কোন আইডেন্টিটি গড়ে তুলতে পারে(৭)। ফলে যেসব ব্রাণ্ড তখন কিভাবে জীবন যাপন করা উচিত সে বিষয়ে নাক গলাত সেগুলোকে বর্জন করা হলো, বাজারজাতকারীরা ততদিনে তাদের কৌশল পাল্টে ব্রাণ্ডিং কে নতুন মোড়কে হাজির করে ফেলেছে যার মূল কথা হলো বৈচিত্র। আধুনিক ব্রাণ্ডিং যেখানে কোন একটি নির্দিষ্ট সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে প্রতিনিধিত্ব করতো, উত্তরাধুনিক ব্রাণ্ডিং সেখানে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র প্রত্যাশী ক্রেতার সামনে হাজির করে বৈচিত্রময় সাংস্কৃতিক জীবনের প্রতিশ্রুতিকে যাকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে উত্তরাধুনিক ব্যক্তি গড়ে তুলতে পারে স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি। ফলে উত্তরাধুনিক ব্রাণ্ডিং কেবল কোন একটি সামাজিক/সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা/মূল্যবোধের প্রতিনিধিত্বকারীরূপে সন্তুষ্ট থাকে না, নিজেই একেকটি মূল্যবোধ বা অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়। প্রচলিত স্পন্সরশিপ যেখানে কোন একটি সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে স্পন্সর করতো এই উদ্দেশ্যে যে তার নাম বা লোগো সেখানকার ব্যানারগুলোতে যেন শোভা পায়, সেখানে আধুনিক ব্রাণ্ডিং পদ্ধতিতে কর্পোরেট কোম্পানিগুলো সঙ্গীত, চিত্রকলা, চলচিত্র, খেলাধুলা ইত্যাদি নিজেরাই আয়োজন করে নিজেকে কেবল সহায়ক শক্তির মাঝে সীমাবদ্ধ না থেকে মূল আকর্ষণে পরিণত করে(৮)।

গোটা সংস্কৃতিকে এভাবে স্রেফ ব্রাণ্ডের বর্ধিত অংশে পরিণত করার এই ধান্দা কখনোই সফল হতো না যদি বিরাষ্ট্রীয়করণ এবং অর্থনীতি উন্মুক্ত করণের খেলাটি না খেলা হতো। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সরকারের বরাদ্দ যতই কমতে থাকলো, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো ততই বাধ্য হলো কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর কাছে হাত পাততে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে, বাহ! এতো উভয়ের জন্যই ভালো হলো: সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের কার্যক্রমগুলো ভালোভাবে করতে পারলো আর অন্যদিকে কোম্পানিগুলোও তাদের পণ্যের একটি ভালো পরিচিত পেল। হ্যাঁ, কিছুদিন এরকম হয়তো চলেছিল কিন্তু যতই দিন যেতে লাগলো কর্পোরেট ফাণ্ডিং পাবলিক ফাণ্ডিং এর জায়গা দখল করতে লাগলো, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রগুলোর কর্পোরেট ফাণ্ডিং এর উপর নির্ভরশীলতা বাড়তে লাগলো, ততই কোম্পানিগুলো আরো বেশি বেশি পরিচিতি, অধিক জায়গা এবং অধিকতর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে লাগলো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের উপর। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর বহুল ব্যবহৃত শ্লোগান "শিল্পের জন্য শিল্প" তাদের চোখের সামনেই পরিণত হলো "বিজ্ঞাপনের জন্য শিল্প"। এভাবে চলতে চলতে নির্ভরশীলতা এখন এমন একটা জায়গায় এসে পৌঁছেছে যে, কোন গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়গত ক্ষুদ্র অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে ধর্মীয় অনুষ্ঠান সহ যেকোন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে এটা ধরেই নেয়া হয় যে, কোন কর্পোরেট স্পন্সর না পেলে অনুষ্ঠানটি ভালোভাবে আয়োজন করা যাবে না। 'স্পন্সরড লাইফ' বইয়ের লেখক লেসলি সাভান এটিকেই স্পন্সরড মননের প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য হিসাবে বর্ণনা করেছেনঃ "আমরা যৌথ ভাবে মনে করতে শুরু করি যে কর্পোরেশন গুলো আমাদের সংস্কৃতি নিয়ে ব্যবসা করছে না বরং এটা তাদের একটা বদন্যতা এবং তাদের এই বদান্যতা ছাড়া আমাদের কোন সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ডই অর্থবহ হয়ে উঠতে পারে না"(৯)।

ব্রাণ্ডেড শ্রম
মহামন্দার সময় যখন অনেক বড় বড় কোম্পানি ধরাশয়ী হতে লাগলো, পুঁজিপতিরা তখন একমত হতে লাগলো যে, এই সব বড় বড় কোম্পানি বড় বেশি ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে- এরা বেশি বেশি যন্ত্রপাতির মালিক, বেশি বেশি স্থায়ী শ্রমিকের নিয়োগ কর্তা- এগুলো এগুলো তখন আর সাফল্যের মূলে থাকলো না, হয়ে উঠলো দায়। প্রচলিত কাঠামোর বিশাল বিশাল কোম্পানিগুলো যখন তাদের বিশাল দায় নিয়ে খাবি খাচ্ছে, ঠিক তখনই নাইকি, মাইক্রোসফট, টমি হিলফাইজার, ইন্টেল ইত্যাদি কিছু নতুন ধরণের কর্পোরেশন মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে থাকে। তারা বেশ জোড় গলায় দাবি করে পণ্য উৎপাদন তাদের কর্মকাণ্ডের সামান্য একটা অংশ যার অধিকাংশই তারা কিনা দেশী বিদেশী বিভিন্ন সাবকন্ট্রাকটর কোম্পানী দিয়ে করিয়ে নেয়। যা তারা মূলত উৎপাদন করে তা কোন বস্তু নয়, বরং তাদের ব্রাণ্ডের একটা ইমেজ। তাদের মূল কাজ উৎপাদন নয়, বাজারজাত করণ। এই ফরমুলা অচিরেই চরম লাভজনক বলে প্রতীয়মান হয়, এবং শুরু হয় নতুন ধরণের প্রতিযোগিতা- হালকা হওয়ার দৌড়। যার যত কম স্থায়ী সম্পত্তি থাকবে, যত কম স্থায়ী বেতনভূক শ্রমিক থাকবে এবং যে যত শক্তিশালী ব্রাণ্ড ইমেজ উৎপাদন করবে সে তত বেশি লাভজনক হবে।

কর্পোরেশন গুলো তাদের ব্রাণ্ড নামের আত্মার সন্ধান পেয়ে যাবার পর- কারখানা নামের জঘন্য শারীরিক ব্যাপারটকে ঝেড়ে ফেলতে শুরু করলো। কারণটি খুব সরল: ব্রাণ্ড ইমেজ তৈরি করা এবং ধরে রাখা এক বিশাল ব্যয় সাপেক্ষ ব্যাপার। আর প্রত্যেক কোম্পানিরই খরচের একটা নির্দিষ্ট অংক থাকে যার বাইরে গেলে কোম্পানি আর লাভজনক থাকে না। একদিকে ব্রাণ্ড ইমেজ তৈরির পেছনে বিশাল বরাদ্দ করা আর অন্যদিকে বিক্রয়মূল্যকে প্রতিযোগিতামূলক কম রাখা এই দুইয়ের টানাপোড়েনের ফলাফল হলো খোদ কারখানা জিনিসটিকেই বাদ দিয়ে দেয়া। কেননা কারখানা মানেই স্থানীয় অনেক খরচের বোঝা- যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, ক্রম উন্নয়ন, শ্রমিকের মজুরী-বোনাস ইত্যাদি ইত্যাদি। যে কারণে কর্পোরেশনগুলো নিজেরা পণ্য উৎপাদনকে পুরোপুরি বাদ দিয়ে দিলো। তারা নিজেদের কারখানা বন্ধ করে দিয়ে পণ্য উৎপাদনের দায়িত্ব দিয়ে দিলো বিভিন্ন সাবকন্ট্রাকটর কোম্পানির হাতে। এর ফলাফল হলো দুধরণেরঃ একদিকে যেসব দেশ থেকে কারখানা সরিয়ে নেয়া হচ্ছে সেসব দেশের শ্রমিকের বেকারত্ব (শুধুমাত্র ১৯৯৭ সনেই আমেরিকায় ৪৫ হাজার গার্মেন্টস চাকুরিচ্যুত হয় (১০)), অন্যদিকে যে সব দেশে সাবকন্ট্রাক্ট এর মধ্যে মাধ্যমে পণ্য উৎপাদিত হবে সেসব দেশে নতুন নতুন রপ্তানী প্রক্রিয়াজাত করণ অঞ্চল গড়ে উঠার মাধ্যমে শ্রম শোষণের এক নতুন ক্ষেত্র তৈরী হওয়া। ইন্দোনেশিয়া, চীন, মেক্সিকো, ভিয়েতনাম, ফিলিপিন, ভারত, বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যেখানে শ্রমের মূল্য সস্তা, শ্রম-আইন শিথিল বা অকার্যকর, কর মওকুফ বা ফাঁকির অঢেল সুযোগ সেসব অঞ্চলে বিদেশী বিনিয়োগের নামে গার্মেন্টস, খেলনা, জুতা, ইলেকট্রনিকস ইত্যাদি ভোগ্য পণ্য উৎপাদনের ইপিজেড গড়ে উঠতে লাগলো। সারা বিশ্বে আইএলও'র হিসাব মতে কমপক্ষে ৮৫০ টি ইপিজেড গড়ে উঠে যেখানে কমপক্ষে ২৭ মিলিয়ন শ্রমিক কর্মরত। ইপিজেডগুলো যেদেশেই অবস্থিত হউক বা যে ধরণের পণ্য উৎপাদন করুক এগুলোর কিছু বৈশিষ্ট্য সার্বজনীন: দীর্ঘ শ্রম-ঘন্টা যা শ্রীলংকায় ১৪, ইন্দোনেশিয়ায় ১২, চীনে ১৬, ফিলিপাইনে ১২ আর বাংলাদেশে ১৪ থেকে ১৮ ঘন্টা (১১)। এখানকার বেশিরভাগ শ্রমিকই নারী, অল্পবয়সী তরুনী যারা যারা কোরিয়া, তাইওয়ান, হংকং ইত্যাদি দেশের সাবকন্ট্রাক্টর হয়ে কাজ করছে। এইসব সাবকন্ট্রাক্টররা আবার আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যাণ্ড, জার্মানী বা জাপানের মত ধনী দেশ গুলোর অর্ডারের উপর নির্ভরশীল। এদের ব্যবস্থাপনা সামরিক ধাচের, সুপারভাইজাররা নির্যাতনকারী, মজুরী টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মজুরীর চেয়েও কম, এবং শ্রমের ধরণ অদক্ষ ও কঠোর।

বহুজাতিক বড় বড় ব্রাণ্ড নামধারী কোম্পানীগুলোকে যেখানে নিজের দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া গার্মেন্টস কোম্পানির শ্রমিককে আগে ঘন্টায় ১০ থেকে ১৮ ডলার মজুরি দিতে হতো সেখানে চীনের কারখানাগুলোর শ্রমিকদের বেচে থাকার জন্য ন্যূনতম মজুরি ঘন্টায় ৮৭ সেন্ট দিতেও তাদের আপত্তি- গড়ে সেখানকার মজুরি হলো ঘন্টায় ১৩ সেন্ট। এরকম কোম্পানির তালিকায় রয়েছে ওয়ালমার্ট, র‌্যালফ কারেন, এন টেইলর, ইস্প্রিট, লিজ ক্লাইব্রোন, কে-মার্ট, নাইকি, এডিডাস এর মত নামী দামী ব্রাণ্ডের কোম্পানি। কেমন করে এসব ধনী এবং আপাত দৃষ্টিতে আইন-কানুন মেনে চলার সুনামধারী এসব কোম্পানী আজকের দুনিয়ার শ্রম শোষণকে উনিশ শতকীয় ভয়ংকর শ্রম শোষণের পর্যায়ে নামিয়ে নিয়ে এসেছে তা বোঝা যায় এদের সাবকন্ট্রাক্ট দিয়ে পণ্য উৎপাদন করিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়াটিকে পর্যবেক্ষণ করলে(১২)। যেমন, প্রাইমার্ক ব্রাণ্ডের ক্রয়নীতি সম্পর্কে একটি রিপোর্ট বেরিয়েছিল আইরিশ পত্রিকা 'দি পোস্ট' এঃ
প্রাইমার্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আর্থার রায়ানকে একবার এক সাবকন্ট্রাক্টর একটি পণ্য উৎপাদনের প্রস্তাব দেয় যার উৎপাদন খরচ ৫ পাউণ্ড আর বিক্রয়মূল্য ১০ পাউণ্ড। রায়ান তাতে রাজী নয়। তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য প্রয়োজন হলো এমন এক প্রস্তাবের যেখানে পণ্যটির উৎপাদন খরচ ৩ পাউণ্ড আর বিক্রয়মূল্য ৭ পাউণ্ড। রায়ান তখন বলেছিল, "আমি জানতে চাইনা তুমি এটা কিভাবে করবে। তবে তাড়াতাড়ি বাস্তবায়িত কর, তাড়াতাড়ি"(১৩)। অর্থাৎ ৫ পাউণ্ডের বদলে ৪ পাউণ্ডই না হয় হলো কিন্তু মূল্য তো প্রতিযোগিতা রইলো। মূল্যকে এই প্রতিযোগীতামূলক ৭ পাউণ্ড রাখতে গিয়ে উৎপাদন খরচ নামিয়ে আনতে হলো ৩ পাউণ্ডে যার ধাক্কা পুরোটাই গিয়ে পড়বে বেচারা শ্রমিকের উপর। কন্ট্রাক্টর- সাবকন্ট্রাক্টররা কাজ পাওয়ার আশায় এভাবে উৎপাদনের প্রতিটি স্তরে প্রতিযোগিতা করে উৎপাদন খরচ নামিয়ে আনে। এত করে কাজ যেগাড় করছে যে কন্ট্রাক্টর কোম্পানি সে নিশ্চিত তার লাভের ভাগে ছাড় দিবে না। ফলাফল স্বরূপ মজুরি কমে বেচারা শ্রমিকের। যদি শ্রমিকের মজুরি বাড়াতে হয় তবে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়, ফলে ব্রাণ্ড কোম্পানিগুলো সে দেশের কন্ট্রাক্টর ছেড়ে অন্যদেশের দিকে হাত বাড়ায়। একটি আন্তর্জাতিক ব্রাণ্ড 'বার্বি ডলে'র কথাই ধরা যাক যারা গত বছর ৩ বিলিয়ন ডলার ব্যবসা করেছেঃ

৬০ এর দশকে 'বার্বি ডল' তৈরি হতো জাপানে,
৭০ এর দশকে 'বার্বি ডল' তৈরি হতো হংকং এ,
৮০ এর দশকে 'বার্বি ডল' তৈরি হতো ফিলিপাইনে,
৯০ এর দশকে 'বার্বি ডল' তৈরি হতো ইন্দোনেশিয়াতে

এবং ২০০০ এ 'বার্বি'র উৎপাদন শুরু হয় চীনে(১৪)। যদি চীনে শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যায় তাহলে চলে যাবে আরেক দেশে যেখানে শ্রম অপেক্ষাকৃত সস্তা।

এই চলে যাওয়ার ভয় সমস্ত ইপিজেডকে তাড়িয়ে বেড়ায়। সরকারের ভয় বৈদেশিক বিনিয়োগ হারানোর, কারখানার মালিকের ভয় বড় বড় ব্রাণ্ড নামধারী ক্রেতা হারানোর, আর শ্রমিকের ভয় তার অস্থায়ী চাকুরিটি হারানোর। ইপিজেডগুলোর শ্রমিক শোষণের একটা বড় অংশই ঘটে এই বাস্তবতায়। যে কারণে হণ্ডুরাসের কারখানা মালিকেরা সময়মত পণ্য উৎপাদনের টার্গেট পূরণ করতে এমফিটামিন ইনজেকশান দিয়ে হলেও শ্রমিককে বাধ্য করে টানা ৪৮ ঘন্টা কাজ করতে(১৫)।

এ যেন দেশপ্রেম এবং জাতীয় কর্তব্য বোধ এক হয়ে তরুন শ্রমিককে যার অধিকাংশই নারী, ঠেলে দিচ্ছে নির্মম পরিণতির দিকে যেমন যুগে যুগে তরুনদের উৎসর্গ করা হয় দেশ রক্ষার যুদ্ধে!!


তথ্যসূত্রঃ
৭। Douglas B. Holt- Why do brand causes trouble? A dialectical theory of consumer culture & branding ,
৮। Naoami Klein (2001)- No Logo,
৯। Naoami Klein (2001)- No Logo,
১০। Naoami Klein (2001)- No Logo,
১১। Naoami Klein (2001)- No Logo,
১২। Naoami Klein (2001)- No Logo,
১৩। http://www.waronwant.org এ প্রকাশিত Fashion victims: The true cost of cheap cloths শীর্ষক গবেষণাপত্র,
১৪। BANGLADESH BRAND FORUM পত্রিকায় Alrise এর রচনা "The future of Bangladesh depends on one word: BRAND",
১৫। Naoami Klein (2001)- No Logo

৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×