আমার প্রিয় পোস্ট

টেলিটক কেন ফুল সুইং এ নামতে পারছে না

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

প্রশ্ন করেছিলাম ( Click This Link) :টেলিটক যদি ফুল সুইং এ নামতো- জিপি/বিএল/একটেল রা কেউ টিকতে পারতো??
পাল্টা প্রশ্ন আসে:টেলিটক কেন ফুল সুইং এ নামতে পারছে না? সাথে সাথে এর জবাবে বলা হচ্ছে: গ্রামীণ ফোন অলরেডি ৩০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে- আমরা কি পারবো একটা খাতে এত টাকা বিনিয়োগ করতে পারতে?

.........>>>

কয়েকটি বিষয়ে প্রথমেই দৃষ্টি দেইঃ
১। এখানে বিনিয়োগ সামর্থ্যের বিষয়টি গৌন।
২। টেলি কমিউনিকেশনে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা এত এগ্রেসিভলি কেন এখানে বিনিয়োগ করেছে? একটাই কারণ এই সেক্টর থেকে রিটার্ণের দারুন ও নিশ্চিন্ত সুযোগ। আমার আগের একটি পোস্ট ( Click This Link) দ্রষ্টব্য।
৩। গ্রামীণ ফোন তার ইনিশিয়াল ইনভেস্ট বছর খানিক আগেই তুলে নিয়েছে। সেটা এখানকার জনগণের পকেট থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার মধ্য দিয়েই। ফলে চিন্তা করুন- আপনি যে ৩০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের কথা বলছেন, সেই টাকার বেশী টাকা অলরেডি আমাদের দেশের মানুষের পকেট থেকে অলরেডি খোয়া গেছে!!
৪। কয়েক বছর থেকেই- গ্রামীণ তার টার্ণ ওভারের বড় অংশ এখানে বিনিয়োগ করছে। অর্থাৎ, এই বিনিয়োগ তারা বাইরে থেকে আনছে না। এটা এ দেশের মানুষের পকেট থেকে হাতিয়ে নিয়ে এখানেই বিনিয়োগ করছে- উদ্দেশ্য আরো বেশী টাকা হাতিয়ে নেয়া।
৫। বাংলালিংকও এতদিনে তার ইনিসিয়াল ইনভেস্ট তুলে ফেলতে পারতো, (বর্তমানে সে মার্জিনের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে)- কিন্তু কমপিটিশনে খুব ভালোভাবে থাকার উদ্দেশে সে তার টার্ণ ওভারের পুরোটাই এখন পর্যন্ত রিইনভেস্ট করছে- সেটারো উদ্দেশ্য আরো বেশী টার্ণ ওভার।
৬। বেশী বিনিয়োগ করা মানে বেশী টার্ণ ওভার। মানে- বেশী সুইচ-বিটিএস-বিএসসি- টিআরএক্স- মানে বেশী কল ক্যাপাসিটি- বেশী গ্রাহক- বেশী কল- বেশী টাকা।
৭। গ্রামীণ ফোনের ইয়ারলি অপারেটিং প্রোফিট (খরচাপাতি বাদে) ৮০০ মিলিয়ন ইউএসডি , আর বাংলালিংক ও একটেলের প্রত্যেকের প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইউএসডি। ৪/৫ বছর আগে (৭টাকা/মিনিটের যুগে) গ্রামীণ ফোনের মান্থলি অপারেটিং প্রোফিটই ছিল প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইউএসডি। (ভিতরে ভিতরে যে আরো অনেক বেশী আয় এদের ছিল এবং এখনো আছে- ভিওআইপির ট্যাক্স ফাঁকির মত- সেটা সাম্প্রতিক ঘটনায় স্পষ্ট )।

এবারে আসি টেলিটকের ব্যাপারে......
৮। টেলিটক/বিটিটিবি মোবাইল মার্কেটে আসার আগেই এর খুব গুরুত্বপূর্ণ দুটি সুবিধা ছিলঃ
ক) অলরেডি প্রিপায়ারড একটা মার্কেট- টেলিটক সিম বাজারে আসার ঘোষণার আগে থেকে সিম কেনার লম্বা লাইন দ্রষ্টব্য, যেটা অন্যান্য অপারেটরদের অর্জন করতে বেশ কিছু বছর পার করে দিতে হয়েছিল।
খ) বিটিটিবির অলরেডি প্রিপায়ারড একটা অবকাঠামো- যা তার ইনিসিয়াল বিনিয়োগকে অর্ধকের বেশী কমাতে সক্ষম।
৯। বাংলাদেশের মার্কেট পোটেনশিয়াল উপরের আলোচনায় যদি বুঝতে পারেন, তবে এটাও বুঝার কথা যে, কলের টাকা থেকেই রিইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে এই খাতে টেলিটক/বিটিটিবি আগাতে পারতো।
১০। একটেল, গ্রামীণ ফোন, বাংলা লিংক এরা যেসব ভেণ্ডর থেকে ইকুয়েপমেন্ট নেয় তার বড়ই অংশই নেয় বাকিতে। হুওয়াই এর সাথে একটেলের চুক্তি বা রিসেন্ট জিপির সাথে হুওয়াইয়ের চুক্তি দেখলে বুঝবেন। ফলে ইনিসিয়াল ইনভেস্টমেন্ট এখন আরো কম, কেননা- এর মানে দাঁড়ায় ব্যবসা করার পর- মুনাফা থেকে ইকুয়েপমেন্টের মূল্য পরিশোধ করার সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। টেলিটক এ ধরণের কন্ট্রাক্টে গেলে, তার জন্য ইনিসিয়াল ইনভেস্টমেন্ট তাহলে কতখানি দরকার?
১১। এখনো এই ঢিলেতালে চলার মধ্যেও টেলিটক কিন্তু প্রতিবছর ভালোই আর্ণ করছে।

ফুল সুইং এ চলে না মানে.....

১২। সরকার থেকে এক্সট্রা এলোকেট নয়- তার ইয়ারলি টার্ণ ওভারকেই রি ইনভেস্টই এরা ঠিক ভাবে করে না।
১৩। যতখানি নেটওয়ার্ক তারা গড়ে তুলেছে, সেটিকেও ঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করে না- এতদিনেও নিজস্ব এক্সপার্টিজ গড়ে তোলেনি।
১৪। বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে লসের পরিমাণ বাড়িয়েছে। তার মধ্যে একটি উদাহরণ দেইঃ সিমেন্স বাংলালিংকে যে দামে ইকুয়েপমেন্ট বেচে- একই ইকুয়েপমেন্ট তার কয়েকগুনে টেলিটকের কাছে বেচে।


প্রশ্নগুলোর জবাব কি হতে পারে ভেবেছেন কি?

১৫। কেন- ফুল সুইং এ চালানো হয় না?
১৬। কেন, টেলিটক সিম বাজারে আসতে এত সময় নেয়া হয়? গ্রামীণ ফোন ও বাংলালিংক মার্কেটে একটা স্ট্যাবলিশড কণ্ডিশনে যাবার পরেই কেন টেলিটক বাজারে আসবে?
১৭। এসবে কাদের লাভ হয়েছে বা এখনো হচ্ছে?

এমন হলে জিপি/বিএল রা কোথায় যেত?
১৮। সিটিসেল/জিপি যে সময় মার্কেটে এসেছিল- সে সময় থেকেই যদি বিটিটিবি মোবাইল মাঠে নামতো?
১৯। বিটিটিবির প্রস্তুত অবকাঠামোতে খুব অল্প খরচে নেটওয়ার্ক স্ট্যাবলিশ করতে জিপি বা বি এল এর তুলনায় অনেক কম সময় কি লাগতো না? (যেখানে জিপি বিটিটিবির- রেলওয়ের ব্যাকবোন নামমাত্র মূল্যে লীজ নিয়ে সেখান থেকে বেআইনি ভাবে সাবলিজ দিয়ে ব্যবসা করতে পারে!)
২০। গুড উইল ধরে রাখার জন্য সামান্য চেস্টা করা কি যেত না?

পরিশেষে.....
২১। জিপি/বিএল রা টেলিটকের সাথে প্রতিযোগীতায় টিকতে পারতো না।
২২। বিদেশী বিনিয়োগকারীরা সবসময়ই এটাই চায়- একটা অবাধ প্রতিযোগীতাহীন মার্কেট।
২৩। সেজন্যই তাদের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান নিয়ে এত এলার্জী।
২৪। সেকারণেই বিশ্বব্যাংকের প্রথম ও প্রধান শর্তই থাকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে বেসরকারী করতে হবে। গ্যাটস চুক্তিরো মূল ধারাই প্রাইভেটাইজেশন!
২৫। এখানে নোবেল বিজয়ী, আমাদের তথাকথিত গর্ব (!!) ইউনুস, মোর্শেদ সহ বিদেশী বিনিয়োগকারীদের নানাধরণের দালালেরা, সরকারে থাকা সুবিধাভোগীরা, ওদের কেনা গোলাম আমলারা- তাদের হয়ে একাজটি সহজ করে দিয়েছে; ওদের কারণেই টেলিটক বাজারে আসতে এত দেরী হয়, জিপি-বিএল রা এত সহজে আরামে এবং এত সুবিধা নিয়ে এখানে অবাধে ব্যবসা করে যেতে পারে!!

 

 

  • ১৭ টি মন্তব্য
  • ২৯৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৯
comment by: উন্মাদ ছেলে বলেছেন: সেভ করে রাখলাম। পরে পড়বো। ধন্যবাদ আপনাকে।:)
২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২২
comment by: কৌশিক বলেছেন: গুড পোস্ট।
পইড়া রইছি টেলিটকে। ছাড়ুম না।
৩. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৬
comment by: শিমু নুমান বলেছেন: আমি তো সেই গেরামীনেই আছি।
বস। ধন্যবাদ।
৪. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
comment by: তপন চৌধুরি বলেছেন: দিনমজ্দুর বহুদিন পরে একটা ঠিকঠাক পোস্ট দিছে৷ আমার মনে হয় mobile phone ব্যবসা মুক্তবাজার যে কত সফল তার একটা উদাহরন৷ call rate কমছে এবং যারা customer দের সস্তায় দিতে পারছে তারা ব্যবশা করছে৷
৫. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭
comment by: যীশূ বলেছেন: আগে টেলিটকের পরিচালক আর কর্মচারীদের বাদ দিয়ে নতুন মানুষ আনতে হবে, যারা নিজের পকেটের ধান্দা করবে না, কম্পানিটাকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করবে স্মার্টলি।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত নই। রাগ গিয়ে যখন ব্যক্তির উপরে পড়ে- তখনই হয় বড় গলদ।

সমস্যা যখন সিস্টেমের- তখন সিস্টেমের সবকটি মানুষকে পাল্টিয়েও কিছু করতে পারবেন না!!!

কোম্পানীকে দাঁড় করানোর দায়িত্ব সরকারের, সরকারের নীতি নির্ধারকদের। তাদের দৃষ্টিভঙ্গী আগে পরিষ্কার করতে হবে। অথবা পরিষ্কার দৃষ্টিভঙ্গী অলা সরকার আনতে হবে।

৬. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: কি কষ্ট করে যে একটা টেলিটক সিম জোগাড় করছিলাম, বলার না।
পরে বাধ্য হয়ে নানা সিম ঘুরে বাংলালিংকে ফিক্সড ছিলাম। সবার উপরেই হতাশ।
টেলিটক আশা পূরণ করবে ভবিষ্যতে সে আশা করি, তবে ভরসা পাইনা।
৭. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৪
comment by: তেলাপোকা বলেছেন:
শো-কেসে রাখলাম।
প্রথম দিকে কিনেছিলাম টেলিটক, ধাক্কাধাক্কি করে। ঢাকার বাইরে খুব যাওয়া আসা করায় ব্যবহার করা হয়না তেমন।

ধন্যবদ সুন্দর পোষ্টের জন্য।
৮. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫
comment by: যীশূ বলেছেন: টেলিটক সরকারের না। তার একটা সতন্ত্র সত্বা আছে। এটা বিটিসিএলএর সাথে লিংকড।

সিস্টেম তো মানুষই তৈরী করে। মানুষ ভালো না হলে সিস্টেম ভালো হবে না।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: টেলিটক সরকারের না- এ কথাটি ঠিক না।


টেলিটক এবং বিটিসিএল উভয়ই সরকারের।

বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড গত ১ জুলাই ২০০৮ হতে বানলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানী লিঃ (বিটিসিএল) হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে, যার ১০০% শেয়ার এখন পর্যন্ত বর্তমান সরকারের হাতে (ভবিষ্যতে এই শেয়ার মার্কেটে ছাড়ার পরিকল্পনা আছে।) ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ইকবাল মাহমুদ এই বিটিসিএল এর চেয়ারম্যান, বিটিটিবির আশরাফুল আলিম এমডি, বাকি ৭ জন পরিচালকের মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব- সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার, ফেডারেশন অব চেম্বার কমার্স এণ্ড ইণ্ড্রাস্ট্রিজ এর প্রেসিডেন্ট আছেন।

আর, টেলিটকের ক্ষেত্রেও সম্পূর্ণ শেয়ার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের হাতে রয়েছে। টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ (কোম্পানী) কোম্পানী এক্ট, ১৯৯৪ এর অধীনে ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বরে ২০,০০০,০০০,০০০ টাকা মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করে। এটিই দেশের একমাত্র সরকারী অর্থায়নে পরিচালিত মোবাইল কোম্পানী। এর চেয়ারম্যানও ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ইকবাল মাহমুদ। ৭ পরিচালকের মধ্যে আছেন বিটিসিএল এর এমডি সহ ৫ জন সদস্য, বাকি দুজন অর্থ মন্ত্রণালয় ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (যারা একই সাথে বিটিসিএল এরও সদস্য)।

আশা করি গঠন ও শেয়ার সম্পর্কে জানার পরে বুঝতে পারছেন যে, টেলিটক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান নয়!!


সিস্টেম মানুষই তৈরী করে, মানুষই ভাঙ্গে। মানুষ অবশ্যই প্রায়োর। কিন্তু এটাও ঠিক যে, একটা সিস্টেম তৈরী হওয়ার পরে- সিস্টেম স্ট্যাবলিশড হওয়ার পরে, সেই সিস্টেম না ভাঙ্গা পর্যন্ত দুএকজন মানুষের আলাদা কাজকারবারে তেমন কিছুই হয় না।

সেখানকার পরিচালক ও কর্মচারীদের বাদ দিয়ে নতুন মানুষ আনতে যারা নিজেদের পেটের ধান্দা করবে না- এই ছিল আপনার মতামত। আমি এটিতে একারণে দ্বিমত করি যে, আপনি সিস্টেম না পল্টিয়ে ঐ মানুষ পাল্টালেও কিছু করতে পারবেন না। কেননা ঘাপলাটা দুএকজনের সততার সমস্যায় নয়, সমস্যা আসলে সিস্টেমের।

ধন্যবাদ।

৯. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: ঠিক ঠিক ঠিক
১০. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: এখানে নোবেল বিজয়ী, আমাদের তথাকথিত গর্ব (!!) ইউনুস, মোর্শেদ সহ বিদেশী বিনিয়োগকারীদের নানাধরণের দালালেরা, সরকারে থাকা সুবিধাভোগীরা, ওদের কেনা গোলাম আমলারা- তাদের হয়ে একাজটি সহজ করে দিয়েছে; ওদের কারণেই টেলিটক বাজারে আসতে এত দেরী হয়, জিপি-বিএল রা এত সহজে আরামে এবং এত সুবিধা নিয়ে এখানে অবাধে ব্যবসা করে যেতে পারে!!
১১. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩০
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: হুমম.....খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা ইস্যু চমৎকারভাবে উঠে এসেছে।অথচ কতো কম হিট।

পাব্লিকের বোধ যে কবে হবে?
১২. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৩
comment by: কাল্পনিক বলেছেন: দিনমজুর: আমি আপনার ফরেন ইনভেষ্টমেন্ট নিয়ে লেখার কিছু অংশ আমার "Socio-economic Issues In Business" কোর্সের একটা এসাইনমেন্ট এ ব্যবহারের জন্য অনুমতি চাচ্ছি। একই সাথে রেফারেন্স হিসেবে আপনার নাম দিতে আগ্রহী।

আপনি কি আমাকে এই এড্রেসে ইমেইল করে জানাতে পারবেন?

ধন্যবাদ।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: দেরীর জন্য দুঃখিত, এ কদিন সামহোয়ারে ঢুকিনি বিধায় আপনার এই কমেন্ট চোখে পড়েনি।

আপনি আপনার এসাইনমেন্টে আমাদের লেখার অংশ ব্যবহার করতে পারেন। আসলে এই ব্লগটি আমরা তিনজন মিলে চালাই ( কল্লোল মোস্তাফা, অনুপম সৈকত শান্ত এবং মাহবুব রুবাইয়াৎ)। বিদেশী বিনিয়োগ ও বিরাষ্ট্রীয়করণ সংক্রান্ত অধিকাংশ লেখাই অনুপম সৈকত শান্তের, বৈদেশিক বিনিয়োগ নিয়ে চাপাবাজি শীর্ষক লেখাটি কল্লোল মোস্তাফার।


যদি সম্ভব হয়- আপনার এসাইনমেন্টের একটি কপি আমাদের উদ্দেশ্যে পাঠালে ভালো লাগবে। ধন্যবাদ।

১৩. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫১
comment by: লাল সবুজের চিঠি বলেছেন: +++++++
১৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৮
comment by: শিবলী বলেছেন: বর্তমানে আমার ধারনা, বাংলালিংক আর টেলিটকের মত বাজে নেটোয়ার্ক দেশে নাই।
ফ্লেক্সিলোডের দোকানে টেলিটক রিচার্জ করতে গেলে দেখা যায়, দিনে ১০-১২টার বেশি কেউ টাকা ভরে না, অথচ গ্রামীনের ঘন্টাতেই এই পরিমান হয়!!!!!

 



 


নাইল্যাকাডা ১ম বর্ষ, ২য় সংখ্যার প্রাপ্তিস্থানঃ
আজিজ সুপার মার্কেট
১। বইপত্র/ ২। জনান্তিক/ ৩। শ্রাবণ/ ৪। প্রথমা (একুশে)/ ৫। তক্ষশীলা/ ৬। লিটল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২৭৯৬৮