আমার প্রিয় পোস্ট

আসছে বিপা(BIPA): ভারতের সাথে বাণিজ্যিক দাসত্ব চুক্তির পায়তারা

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১২

শেয়ার করুন:                   Facebook

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী প্রণব মুখার্জী বেশ কিছু এজেন্ডা নিয়ে বাংলাদেশে আসছেন। তার মধ্যে যতগুলো আমরা পত্র-পত্রিকা মারফত জানতে পেরেছি সেগুলো হলো- সন্ত্রাস দমন বিষয়ক পারস্পরিক সহযোগিতা চুক্তি যেটা আমেরিকার সহকারী সরাষ্ট্র মন্ত্রী রিচার্ড বাউচারের ও একটা এজেন্ডা, ভারত বাংলাদেশ পরিবহন চুক্তির নবায়ন, দ্বিপাক্ষিক পুজি বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ চুক্তি(Bilateral Investment Promotion and Protection Agreement, BIPA) স্বাক্ষর ও ট্রানজিট চুক্তির ব্যাপারে চাপ প্রয়োগ। এর মধ্যে বিশেষ করে মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রের দুনিয়াব্যাপী সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের রকম সকম দেখে সন্ত্রাস দমন বিষয়ক কথাবার্তার মাজেজা বোধহয় আমাদের কাছে ইতোমধ্যেই পরিস্কার। আর ইতিপূর্বেই স্বাক্ষরিত ও কার্যকর পরিবহন চুক্তির নবায়ন নিয়েও যথেষ্ট কথাবার্তা চলছে। তাই এসব বিষয়ে কথা বার্তা না বাড়িয়ে আমরা দ্বিপাক্ষীয় বিনিয়োগ উন্নয়ণ ও সংরক্ষণ বা BIPA চুক্তি বিষয়ে কিছু জরুরী কথা বার্তা তুলতে চাই- কেননা এই চুক্তিটি নাকি মন্ত্রীপরিশোধ ইতোমধ্যেই অনুমোদন করে ফেলেছে, এখন শুধু স্বাক্ষর হওয়া বাকি। ট্রানজিট বিষয়ে পরবর্তীতে কিছু কথা বার্তা বলার নিয়ত আছে।

বিপা(BIPA) চুক্তি প্রসঙ্গে
Bilateral Investment Promotion and Protection Agreement কে চাইলে আমরা BIPPA ও বলতে পারি, তবে ভারত সরকার তার নথি পত্রে BIPA শব্দটি ব্যবহার করে বলে আমরাই তাই ব্যবহার করলাম। আবার ভারত এটাকে BIPA বললেও সাধারণ ভাবে এ ধরনের চুক্তি কে বলা হয় Bilaterla Investment Treaty বা BIT. প্রধান মন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম সাহেব যে এ জাতীয় আরো ২৪ টি চুক্তি থাকার কথা বলেছেন সেগুলো হলো এই BIT চুক্তি। তো এই আগের ২৪ টি চুক্তি কোথায়, কবে, কার কার সাথে কি কি শর্তে করা হয়েছে সেগুলো আমরা জানিনা। তবে আমাদের ইচ্ছা রইল পরবতী কোন এক সময়ে সেগুলোকে একটু জানাবোঝা করার। তবে এখন আমরা আমাদের নাকের ডগায় যে ২৫ তম চুক্তিটি হতে যাচ্ছে, ভারত যেটাকে BIPA বলছে সেইটা সম্পর্কে কিছু জানাবোঝা করতে চাই যদিও আমাদের ডিজিটাল সরকার কোন ভাবেই প্রকাশ করতে চাইছেন না কি আছে এই দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির মাঝে। মন্ত্রী সভায় এই সম্ভাব্য চুক্তির খসড়াটি পাস করিয়ে নেয়ার পর কেবল দেবতার আশ্বাস বাণীর মতো আমাদের কে জানানো হলো প্রধানমন্ত্রী " এই চুক্তি কে একটি ভালো চুক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।" শুধু তাই নয় প্রধানমন্ত্রী এই ভালো জিনিসটি শুধু একবার খাইয়েই সন্তুষ্ট হবেননা. এরকম আরো ভালো ভালো জিনিস আমাদের উপহার দিবেন-‍ "প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত হয় এরকম কাজ সরকার আগামীতে আরো করবে"(ইত্তেফাক, ০৬/০২/০৯)। মাশাল্লা। আগামীরটা আগামীতে দেখা যাবে, এখন চলেন দেখি আমাদের না খাওয়া পেট এইবারেরটাই হজম করতে পারি কি-না!

আমাদের সরকার এই চুক্তি বিষয়ে কোন কিছু প্রকাশ না করলেও মহান ভারত সরকারের ফাইনান্স মিনিস্ট্রির বদৌলতে মহান BIPA চুক্তির মডেলটি সম্পর্কে আমরা জানতে পারি। (সূত্র: Click This Link) ভারত সাধারণ একটি মডেল অনুসরণ করে এই চক্তিটি করে থাকে। চুক্তিকারী অপর দেশের শক্তি সামর্থ বুঝে এর কিছু এদিক সেদিক যে হয়না, তা নয়- তবে সে বিষয়ে আমরা পরে আসছি। আপাতত, এই মডেলটির কয়েকটি ধারার দিকে দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাই।

ভারতীয় শিল্পকে দেশীয় শিল্পের সমান সুযোগ সুবিধা প্রদান:
ARTICLE 4(National Treatment and Most-Favoured-Nation Treatment)

(l)Each Contracting Party shall accord to investments of investors of the other Contracting Party, treatment which shall not be less favourable than that accorded either to investments of its own or investments of investors of any third State.
(2)In addition, each Contracting Party shall accord to investors of the other Contracting Party, including in respect of returns on their investments, treatment which shall not be less favourable than that accorded to investors of any third State.
(3) The provisions of paragraphs (l) and (2) above shall not be construed so as to oblige one Contracting Party to extend to the investors of the other the benefit of any treatment, preference or privilege resulting from:
(a) any existing or future customs unions or similar international agreement to which it is or may become a party, or
(b) any matter pertaining wholly or mainly to taxation

অর্থাৎ এই চুক্তি অনুসারে ভারতীয় বিনিয়োগকারী কোম্পানীকে বাংলাদেশের যে কোন কোম্পানীর মতোই সুযোগ সুবিধা দিতে হবে এবং ভারতকে Most-Favoured-Nation হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। বলতে পারেন ভারত ও তো বাংলাদেশের শিল্পকে একই সুবিধা দেবে- তাহলে সমস্যা কোথায়? সমস্যা আছে, এই ধরণের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি যখন একটি অপেক্ষাকৃত দুর্বল দেশের সাথে একটি শক্তিশালী ও উন্নত দেশের হয় তখনই সমস্যা কেননা, বাংলাদেশ ভারতে কবে বিনিয়োগ করতে যাবে, সেই আশায় আমরা এখন এমন এক চুক্তি করে ফেললাম যে আমাদের দেশের ভেতরেই আমরা ভারতীয় কোম্পানীর সাথে প্রতিযোগীতায় টিকতে পারলাম না! এরকম হলে তো দেশীয় কোন শিল্প কোনদিনও সেই অবস্থানে পৌছতে পারবে না যেখান থেকে সে অন্য একটা দেশে বিনিয়োগ করতে যেতে পারে।

জাতীয়করণ বা প্রায়-জাতীয়করণ প্রসঙ্গ:

ARTICLE 5(Expropriation)
(1)Investments of investors of either Contracting Party shall not be nationalised, expropriated or subjected to measures having effect equivalent to nationalisation or expropriation (hereinafter referred to as " expropriation") in the territory of the other Contracting Party except for a public purpose in accordance with law on a non-discriminatory basis and against fair and equitable compensation. Such compensation shall amount to the genuine value of the investment expropriated immediately before the expropriation or before the impending expropriation became public knowledge, whichever is the earlier, shall include interest at a fair and equitable rate until the date of payment, shall be made without unreasonable delay, be effectively realizable and be freely transferable.


অর্থাৎ শুধুমাত্র বিশেষ জনগুরুত্বপূর্ণ কারণ ছাড়া কোন বিনিয়োগগ্রহীতা দেশ, বিনিয়োগকারীর সম্পদ জাতীয় করণ বা জাতীয়করণের মতো কোন পদক্ষেপ নিতে পারবে না, যদি নেয় তাহলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। হ্যা এটা স্বাভাবিক যে ভারত তার বিনিয়োগকৃত পুজির পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইবে। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। measures having effect equivalent to nationalisation or expropriation বা জাতীয় করণের সমতুল্য কথাটা ভিষণ ভয়ংকর এবং অস্পষ্ট। এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে সরাসরি জাতীয়করণ তো দূরের কথা বাংলাদেশ কর্তৃক দেশীয় শিল্পস্বার্থ রক্ষার প্রয়োজনে বিভিন্ন পদক্ষেপ থেকে শুরু করে ভারতীয় বিনিয়োগকারীর কাজ কারবারের নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি অনেক কিছুই ভারত ঠেকিয়ে দিতে পারবে।

আরেকটা বিষয় বেশ সন্দেহ জনক। বাংলাদেশের বেসরকারী বৈদেশিক বিনিয়োগ(উন্নয়ন ও সংরক্ষণ) আইন,১৯৮০ তে জাতীয়করণের বিষয়ে বৈদেশিক বিনিয়োগকরীদের আশ্বস্ত করে একটি ধারা এমনিতেই রয়েছে। ধারাটি হলো:
Foreign private investment shall not be expropriated or nationalized or be subject to any measures having effect of expropriation or nationalization except for a public purpose against adequate compensation which shall be paid expeditiously and be freely transferable.

এধরণের একটি ধারা থাকা স্বত্তেও কেন ভারত আলাদা ভাবে আশ্বস্ত হতে চাইছে এ প্রশ্নটি আসা স্বাভাবিক। বাংলাদেশে কি এমন বিনিয়োগ কার্যক্রম চালাবে ভারত যে তার বার বার এভাবে আশ্বস্ত হওয়া প্রয়োজন?

ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গ:
ARTICLE 6(Compensation for Losses)
Investors of one Contracting Party whose investments in the territory of the other Contracting Party suffer losses owing to war or other armed conflict, a state of national emergency or civil disturbances in the territory of the latter Contracting Party shall be accorded by the latter Contracting Party treatment, as regards restitution, indemnification, compensation or other settlement, no less favourable than that which the latter Contracting Party accords to its own investors or to investors of any third State. Resulting payments shall be freely transferable.
এই আর্টিক্যাল অনুসারে বাংলাদেশের কোন জরূরী অবস্থা,যুদ্ধ বিগ্রহ বা গণ অসন্তোষের কারণে ভারতীয় বিনিয়োগকারী যদি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাহলে সেটা বাংলাদেশকে পুষিয়ে দিতে হবে! এই ধারার মাধ্যমে ভারত বিদেশে ব্যাবসা-বাণিজ্যের যেসব সাধারণ ঝুকি সব সময়ই থাকে, সেগুলোকেও বাংলাদেশের ঘাড়ে দিয়ে দিতে পারবে।

কিছু উদাহরণ:
BIT চুক্তির ক্ষেত্রে এরকম প্রচুর উদাহরণ পাওয়া যাবে। যেমন: CMS Gas Transmission Company বনাম আর্জেন্টিনা কেইস এর কথাই বলা যায়। ২০০২ সালে অর্থনৈতিক সংকটের কবলে পড়ে আর্জেন্টিনা ডলারের সাথে আর্জেন্টিনার মুদ্রা পেসোর স্থির ১-১ বিনিময়ের হারের নীতি ভেঙে দিতে বাধ্য হয়, ফলে ডলারের বিপরীতে পেসোর মূল্য পতন ঘটে। সেই সাথে CMS এর আয়ও কমতে থাকে কারন সরকার এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের মূল্য বাড়ানোর অনুমতি দিতে রাজী হয়নি। ফলে CMS যুক্তরাষ্ট্র-আর্জেন্টিনার মধ্যকার BIT চুক্তির সুযোগ ক্ষতিপূরণ ধারার সুযোগ নিয়ে বিনিয়োগ কারীদের অতিপ্রিয় বিশ্বব্যাংকের International Centre for Settlement of Investment Disputes (ICSID) ট্রাইবুনালে মামলা করে ক্ষতিপূরণ আদায় করে নেয়। একই ভাবে ট্যাক্স মওকুফের সুযোগ না বাড়ানোর কারণে "জাতীয় করণের সমতুল্য" পদক্ষেপের অযুহাতে আমেরিকা ভিত্তিক অক্সিডেন্টাল ইকুয়েডরের কাছ থেকে এবং বেলজিয়ান Antoine Goetz and Others বুরুন্ডির কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে। (সূত্র: Click This Link)

মুনাফা পাচার ও পুজি প্রত্যাহার:

ARTICLE 7(Repatriation of Investment and Returns)
(l)Each Contracting Party shall permit all funds of an investor of the other Contracting Party related to an investment in its territory to be freely transferred, without unreasonable delay and on a non-discriminatory basis.

এই আর্টিক্যাল অনুসারে ভারতীয় বিনিয়োগকারী যে কোন সময় তার বিনিয়োগকৃত পুজি পুরোপুরি প্রত্যাহার করতে পারবে, মুনাফা পুর্নবিনোয়গের বাধ্য বাধকতা থেকে ও সে মুক্ত। বিদেশী বিনিয়োগের মাধ্যমে উন্নয়নের মডেলের যারা অনুসারী তারাও কিন্তু একটা বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে থাকে যে পুজি হুটহাট প্রত্যাহার করা কিংবা মুনাফা পুনর্বিনিয়োগ বিষয়ে বাধ্যবাধকতা থাকা প্রয়োজন। এ সব বিষয়ে কোন বিধিনিষেধ না থাকার ক্ষতিকর দিকটি খুব পরিস্কার ভাবে ধরাপড়ে গত '৯০ এর দশকের এশিয়ান ক্রাইসিসের সময় যখন বহুজাতিক কোম্পানিগুলো দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ইত্যাদি দেশ থেকে হঠাত পুজি প্রত্যাহার শুরু করে। যে কারণে পরবর্তীতে মালয়েশিয়া, চীন ইত্যাদি দেশে পুজি প্রত্যাহার এবং মুনাফা পুনর্বিনোয়গের বিষয়ে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।


ভারত নিজের বেলায় কি করছে:
এখন একটি প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে ভারত কি নিজের খোড়া গর্তে নিজেই পড়তে পারে না যখন সে অন্য কোন শক্তিশালী দেশের সাথে এ ধরনের চুক্তি করবে? অবশ্যই পারে এবং ইতোমধ্যেই পড়েছেও! ভারতের মহারাষ্ট্রের Dabhol power plant বিনিয়োগ প্রকল্প দেশীয় বিদ্যুত প্রকল্পের চেয়ে ৪ গুণ বেশী ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে মহারষ্ট্র সরকার এ থেকে বিদ্যুত কেনা বন্ধ করে দেয়। ফলে ৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের প্ল্যান্টটি বন্ধ হয়ে যায়। এর পর বিনিয়োগ সংরক্ষণ চুক্তির আওতায় এ প্রকল্পে বিনিয়োগকারী আমেরিকান ব্যাখটেল ও জেনারেল ইলেক্ট্রিক এবং ইউরোপীয় ৭টি ব্যাংক এবং এই সব ব্যাংক ও কোম্পানীর নিজ নিজ দেশ(আমেরিকা, ন্যাদারলেন্ড, ইংল্যান্ড, সুইডেন, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স) লন্ডন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সালিশি বোর্ডে ৬ বিলয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করে। ভারত এরপর ব্যাখটেলকে ১৬০ মিলিয়ন এবং জেনারেল ইলেক্ট্রিককে ১৪৫ মিলিয়ন ইউ এস ডলার দেয়ার বিনিময়ে এই মামলার মীমাংসা করে। (সূত্র: Click This Link )

স্বাভাবিক ভাবেই ভারত মোটামুটি ঝুকি আছে এমন দেশের সাথে চুক্তির ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করছে। আবার দ্বিপাক্ষীয় চুক্তির এই সব বিপদ দেখে অন্যান্য দেশও সাবধান হয়ে উঠছে। যেমন ভারতের সাথে সিঙ্গাপুরের করা দ্বিপাক্ষীয় চুক্তিতে ‌‌‍'Most-Favoured-Nation Treatment' কিংবা 'fair and equitable treatment' কিংবা 'full protection and security' ইত্যাদি শব্দবন্ধ ব্যবহার করে নি কেননা দ্বিপাক্ষীয় চুক্তি নিয়ে যেসব বিবাদ বা ক্ষতিপূরনের দাবী আদালত পর্যন্ত গড়ায় সেগুলোর একটা বড় অংশে এই শব্দবন্ধ গুলো ব্যবহার করে ক্ষতিপূরণ আদায়ের চেষ্টা করা হয়।

অথচ আমাদের সরকার এসব কোন কিছুই বিবেচনা না করে ভারতের সাথে দ্বি-পাক্ষীয় বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সুরক্ষা চুক্তির ফাস গলায় পড়ছে! আমরা অবিলম্বে ভারতের সাথে এই দ্বিপাক্ষিক পুজি বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ চুক্তি স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবী জানাচ্ছি।

 

 

১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২০
সাদাত চৌধরৗ বলেছেন: শালা জামাতের দাস। হারামজাদা পাকিস্তানের বাণিজ্যিক দাসত্ব করবার চাস, তাই না ।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: এই লেখা পইড়া আমারে আপনার জামাতের দাস মনে হইলো!!! আপনার বুদ্ধিবৃত্তির উপর আমার গভীর আস্থার পয়দা হইল!

২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৯
কেমিকেল আলী বলেছেন: চটকদার শিরোনামের সাথে আপনার কনটেন্টে তেমন চটকদারী কোন তথ্য পেলাম না।
বাস্তবতা থেকে সরে গিয়ে নিজের ক্রোধের বসে লেখা বরাবরই একপেশে।
দুঃখিত আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে পারলাম না।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: চটকদারী তথ্য খুজতে চাইলে দিনমজুরের লেখা পইড়েননা। আর যুক্তি জিনিসটা বোধহয় একটু এক পেশেই হয়। তয়, দুই পেশে না লিখতে পারার জন্য আমার কোন দু:খ বোধ নাই।

৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: সাদাত চৌধুরি না জেনে কথা বলাই এই অন্চলের চৌধরীদের পুরনো বাতিক।নামটা খানিকটা পরিবর্তন করলেও আপনি দেখা যাচ্ছে তা থেকে মুক্ত নন।

কেমিকেল আলী আপনাকে বুদ্ধিমান এবং বস্তুনিষ্ঠ ব্লগার হিসেবেই জানি।আপনার ঠিক কি কারনে মনে হলে লেখাটি ক্রোধের বশে লেখা।সেই সাথে বাস্তবতা বিবর্জিত।

যাহোক, দিনমজুরকে ধারাবাহিকভাবে দাসত্বের চুক্তিগুলো নিয়ে লেখার জন্য অসংখ্যা ধন্যবাদ।
৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সাদাত চৌধুরী ও কেমিকেল আলীর প্রতি শুধু করুনাই হতে পারে....

এইরকম লোকেরা যখন রাজাকার বিরোধিতার কথা বলে তখন তার ফলাফল কেমন হয়- তা বুঝাই যায়। এই অন্ধ আওয়ামী ভক্ত লোকেরাই পারে রাজাকারিতাকে নিজ দল-মত-পথের বিরোধিতার সমার্থক বানিয়ে ফেলতে। ট্যাগিং করাটা এদের রাজনৈতিক সংষ্কৃতির অংশ। রাজাকার ইস্যু যে কারণে আওয়ামী লীগের কেবলমাত্র রাজনৈতিক ইস্যু.....

এই গুরুত্বপূর্ণ লেখাটির জন্য দিনমজুরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০২
সমুদ্রের তীরে বলেছেন: বাংলাদেশে অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন লোকদেরও শিক্ষিত হিসাবে ধরা হয়।

এই অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন লোকেরা পড়তে পারলেও, লেখার মূল বিষয়বস্তু ভালভাবে বুঝেনা। সে জন্য বেচারারা ঐ লেখা সর্ম্পকে না বুঝে উল্টা-পাল্টা মন্তব্য করে ফেলে।
৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৪
মিরাজ বলেছেন: মূল সমস্যা হলো আমাদের কূটনৈতিকদের জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণে অদক্ষতা । এটি শুধু ভারতের সাথে সম্পাদিত বা অদূর ভবিষ্যতে বিপা এর মত যে সব অসম চুক্তি সম্পাদিত হতে যাচ্ছে তার ক্ষেত্রে সত্য নয়, দেখা যায় যে জ্বালানী ক্ষেত্রে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানীর সাথে যেসব চুক্তি করা হয়েছে তার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জাতীয় স্বার্থকে বিবেচনার মধ্যে না এনে অসম চুক্তি করা হয়েছে ।

এর কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সরকারগুলির অসততা আর দূর্নীতি দায়ী হলেও, সার্বিকভাবে কূটনৈতিক দরকষাকষিতে আমরা একেবারেই অকর্মণ্যের কাছাকাছি । অবশ্য এই অকর্মণ্যতার পেছনে গোপন লেনদেনেরও বড় ভূমিকা থাকতে পারে ।

দিনমজুরকে ধন্যবাদ লেখাটির জন্য ।
৭. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩০
শিট সুজি বলেছেন: কঠিন বিষয় বাই । কম বুজি ।
৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: অসংখ ধন্যবাদ দিনমজুর।
৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫২
সোনার বাংলা বলেছেন:

হাইরে মানুষের চেতনা!

এ রকম চেতনা দেখলে বলতে ইচ্ছে করে আওয়ামীলীগের কক্টরপন্হীরা কি সত্যেই বাংলাদেশ কে ভালোবাসে? নাকি ভারত প্রেমই সব? যদি তা না হয় তাহলে কেন আওয়ামীলীগের কোন নেতা এ সব দেশ বিরুদ্ধী চুক্তির বিরুদ্ধীতা করিতেছে না?? হাসিনার অন্ধ সমর্থক হইলেই যে দেশ প্রেমিক হওয়া যায় না তা আর কতবার আওয়ামীলীগের নেতারা প্রমান করবো।

আজকাল ভারতীয় চামচামি করলেই সব ভালো ভালো ট্যাগ মিলে! সে ট্যাগের
কারনেই অনেক আগাছা পরগাছা দেশের বিবেক সেজে বসে আছে! ট্যাগ দেয়া
মনিবের বিরুদ্ধীতা কি সে বুদ্ধিজীবি বিবেকেরা করতে পারে?

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মহাস্রোতের সাথে অন্য দেশ বিরুদ্ধী কাজের বিরুদ্ধীতা
করতে হবে। রাজনীতিবিদের প্রতি আমার কোন আস্হা নাই! কেন নাই তার প্রমান তো ৩৭ বছর। তারা চোর কে বলে চুরি কর গৃহের মালিক বলে সজাগ থাকার জন্য!
ফাঁকে দিয়ে তারা নিজের স্বার্থ উদ্ধারে খালি মাঠে দেশ কে উন্নায়নের জোয়ারে
ভাসায়!!

আর কত... আমার তো মনে হয় না গত নির্বাচনে চেতনার বিজয় হয়েছে! বিজয়
হয়েছে পুজিঁবাদী জোটের! যারা নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে নেমে পড়েছে! আর আমাদের রাতারাতি সিংগাপুর হওয়ার স্বপ্ন দেখাইতেছে! ৩৭/৩৮ বছর পরে কেউ
আর বাংলাদেশী বাঙালী থাকতে রাজি নয়!! সবাই সিংগাপুরি, মালয়ী হইতে চায়!! আমরা আমাদের মতো করে উন্নতি অর্জন করবো দেশের স্বার্থ বজায় রেখে।
তা কেউ বলে না! সবাই রাতারাতি সিংগাপুরি হইতে চায়!! যার কারনে কিছুই হইতেছে না!

১০. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৩
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: ধন্যবাদ দিনমজুর। অনেক দ্রুত অনেকটা কষ্ট করতে হয়েছে আপনাকে। কাছে রাখলাম। পড়বো।
সাদাত-আলীদের জন্য শুধুই করুনা।

@না.ধ
‘রাজাকার ইস্যু যে কারণে আওয়ামী লীগের কেবলমাত্র রাজনৈতিক ইস্যু....’
মজা পাইলাম।
১৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: কিন্তু দিনমজুর ভাই, শুধু পায়তারা না। আজ তো এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।
পররাষ্ট্র সচিব গতকাল বলেছেন যে, ''প্রনব মুখার্জির সফরের সময় বিপা স্বাক্ষরিত হবে। এটা আসলে তেমন কিছু নয়। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ এবং ভারত পরস্পরের কাছে সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত দেশের মর্যাদা পাবে। বিশ্বে অন্তত ২৪ টি দেশের সাথে আমাদের এ ধরনের চুক্তি রয়েছে।''

তাইলে মানে কি দাড়াইল?
১৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৫
মনজুরুল হক বলেছেন:

আপনার এই মূল্যবান লেখাটি যখন আমরা পড়ছি বা এ নিয়ে আলোচনা করছি তখন হয়ত বিপা স্বাক্ষর সম্পন্ন! যাই হোক প্রতিবাদ জানানোটাই আসল, সেটা গ্রাহ্য হওয়া না-হওয়া আমাদের গ্রিপে যেহেতু নেই, তাই ও নিয়ে চিন্তারও কিছু নেই। অসাধারণ কাজ। অভিনন্দন নিন।

পোস্টের প্রথমেই এমন বালখিল্য আবালিয় কমেন্ট দেখে হতাশ হলাম ! মানুষ কবে বুঝবে যে চাঁদ কখনো বাঁকা হয়না! বেগুনই শুধুমাতও বাঁকা হতে পারে, আর তেঁতুল!!
১৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৬
মনজুরুল হক বলেছেন: শুধুমাতও > শুধুমাত্র।**
১৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
দিনমজুর বলেছেন: বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে ভয়ংকর বিপা চুক্তি আজ ১০/০২/২০০৮ তারিখে স্বাক্ষরিত হয়েছে। জনগণের কোন মতামত গ্রহন ছাড়াই আওয়ামী লিগ সরকার সফরকারী ভারতীয় পরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জীর সাথে পুরনো পরিবহন চুক্তি নবায়ন সহ বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও সংরক্ষণের এই চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছেন। আমরা অবিলম্বে এই চুক্তির ধারা জনসমুক্ষে প্রকাশের এবং জনগণের মতামত সাপেক্ষে চুক্তি বাতিলের দাবী জানাচ্ছি।



ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)--

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য স¤প্রসারণের লক্ষ্যে সোমবার বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি নতুনসহ দুটি চুক্তি সই হয়েছে।

তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পর সফররত ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জী বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি দূর করা সম্ভব হবেনা।

প্রণব মুখার্জীর সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি নয়াদিল্লিকে এই বলে আশ্বস্ত করেছেন যে, ভারতের বিরুদ্ধে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহৃত হতে দেওয়া হবেনা।

বৈঠক শেষে দুই মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারা সন্ত্রাসবাদ দমনে প্রস্তাবিত দক্ষিণ এশীয় টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

হোটেল শেরাটনে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রণব মুখার্জী বলেন, "আজ আমরা দুটি চুক্তি সই করেছি। এর একটি হলো দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি, অন্যটি হচ্ছে-দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উন্নয়ন ও সুরক্ষা বিষয়ক চুক্তি। এসব চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কাঠামোকে আরো জোরদার করবে।"

সংবাদ সম্মেলনের আগে প্রণব মুখার্জী হোটেল শেরাটনে ওই দুই চুক্তিতে সই করেন।

সোমবার স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষা বিষয়ক চুক্তিটি হচ্ছে নতুন। আর অন্যটি হলো- ১৯৮০ সালে স্বাক্ষরিত পুরনো বাণিজ্য চুক্তির তিন বছরের জন্য নবায়ন।

প্রণব মুখার্জী বলেন "একজন সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের এ কথা বলতে পারি যে, এমন কোন কৌশল নেই যার মাধ্যমে দুটি দেশের (প্রতিটি দেশের নিজস্ব অবস্থা বিচারে) দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ভারসাম্য আনা যায়। এটা অসম্ভব। তবে নিশ্চিতভাবে দু'দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব এবং একে একটি সহনীয় সীমার মধ্যে রাখা সম্ভব।"
১৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৮
মনজুরুল হক বলেছেন:

কত দ্রুত এইসব চুক্তি-টুক্তি স্বাক্ষর হয়ে যায়! অথচসোনিয়া গান্ধীর পীড়াপীড়িতে বাধ্য হয়ে প্রণব বাবুরা যে "আরটিআই" সনদ তৈরী করেছেন সেটির সাথে বাংলাদেশকে সংযুক্ত করার কোন চেষ্টাই তারা করলেন না! এবং আমাদের তত্বাবধায়ক সরকার যে আরটিআই কে মানুষের চোখে ঠুঁসি পরিয়ে গিলিয়ে দিল সেটাকে আরো গণমুখি করারও কোন চেষ্টা করল না নতুন সরকার! ব্রাভো!

আমরা এর পর দেখব "সন্ত্রাসী প্রত্যার্পণ চুক্তি" "সমুদ্রে খনিজ আহরণ চুক্তি" কী অবলীলায় হয়ে যাচ্ছে!

এটাকে আমরা এখন বলতে পারি "করিয়ে নেওয়া" !!
১৯. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১১
ধীবর বলেছেন: দিন মজুর ভাই, বড় খারাপ খবর দিলেন। ২৫ বছরের গোলামী চুক্তির মত এই চুক্তিও আমাদের দেশের হাল কত খারাপ করে দেবে, ভাবলেই আতংকিত হই। পোস্টে প্লাস।
২০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪
শুভ৭৭ বলেছেন: আসুন কিছু লেখাপড়া করি।

রাজাকার ( পাকিস্তানের পক্ষে) = পাকিস্তানি রাজাকার

৭১ এর সময়ে পাকিস্তানি রাজাকার = war criminal

রাজাকার (ভারতের পক্ষে) = ভারতীয় রাজাকার

৭১ এর পরে ভারতীয় রাজাকার = post war criminal
২১. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৫
ব্রাইট বলেছেন: সাদাত চৌধরৗ বলেছেন: শালা জামাতের দাস। হারামজাদা পাকিস্তানের বাণিজ্যিক দাসত্ব করবার চাস, তাই না ।


মন্তব্য পড়ে হা হা প গে....
২২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৯
প্রগতিশীল বলেছেন: দু'টো মজাদার ও ভাললাগা মন্তব্যঃ

১।সমুদ্রের তীরে বলেছেন: বাংলাদেশে অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন লোকদেরও শিক্ষিত হিসাবে ধরা হয়।

এই অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন লোকেরা পড়তে পারলেও, লেখার মূল বিষয়বস্তু ভালভাবে বুঝেনা। সে জন্য বেচারারা ঐ লেখা সর্ম্পকে না বুঝে উল্টা-পাল্টা মন্তব্য করে ফেলে।

২। শুভ৭৭ বলেছেন: আসুন কিছু লেখাপড়া করি।

রাজাকার ( পাকিস্তানের পক্ষে) = পাকিস্তানি রাজাকার

৭১ এর সময়ে পাকিস্তানি রাজাকার = war criminal

রাজাকার (ভারতের পক্ষে) = ভারতীয় রাজাকার

৭১ এর পরে ভারতীয় রাজাকার = post war criminal
২৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৪
ব্যতিক্রমী বলেছেন: এরই নাম দিনবদল। আরো নতুন কতো পরিবর্তন যে দেখবেন এখন ভাবতেই পারবেন না!
২৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৯
মার্ক জুবাবের বলেছেন: প্রচুর রেফারেন্স সহ বস্তুনিষ্ঠ পোস্ট, ব্যাপক আলোচনার দাবী রাখে। দিনমজুরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
২৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৪
পি মুন্সী বলেছেন: আপনার পোষ্ট আমার দেখা হয়নি। আপনি যেসময় পোষ্ট দিয়েছেন বা ব্যস্ত - মনে হচ্ছে ঠিক একই সময় থেকে আমি ব্যস্ত পরপর তিনটা পোষ্ট লিখেছি - যা আমি কখনও করি নাই। ফলে আপনার পোষ্ট নজর করিনি। ফলে নজরে না পড়া-জাত কিছু মন্তব্য আমার শেষ পোষ্টে আছে। আশা করি তা উপেক্ষা করবেন। আমার বিশ্বাস আপনি বুঝবেন কোন বিশেষ অভিপ্রায় নিয়ে কোন কথা আমি বলিনি।
একটু আগে মনজুরুল আর আরজু কাছ থেকে আপনার পোষ্টের খবর পেলাম। এসে অবাকই হলাম। মিলিয়ে দেখছিলাম আমি কোন কোন পয়েন্ট মিস করেছি। নিজেকে বাইরে দাড়িয়ে দেখে মনে হলো, আপনার দেখার কোণ অর্থনৈতিক আর আমারটা রাজনৈতিকতায় ভারী হলেও অদ্ভুত মিলগুলো দেখে অবাক। যাই হোক, একজন সাথী পেলাম ভাল লাগছে।
কিন্তু প্রথম দুটো মন্তব্য দেখে খুবই বিরক্ত হয়েছি। একটা সিনেমায় দেখা ডায়লগ মনে এল, "সীমাহীন অন্ধ আনুগত্য আর বিশ্বাসঘাতকতার মধ্যে ফারাক কেবল একটা সুক্ষ লাইনের "।

আপনার লেখা আর মন্তব্যগুলোর মধ্য - চুক্তি সই হয়ে যাচ্ছে দেখে সকলের মধ্যে এক ধরণের কষ্ট ও কিছুটা হতাশার ছায়া দেখছিলাম। আমি হতাশ নই, এক হাসিনাকে হাতমুছরানী আর লোভ দেখিয়ে চুক্তি হাসিল করে ফেলতে পারা মানে ভারত সব কিছু কব্জায় নিতে পারবেনা। এই দাসত্ত্ব চুক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ অবশ্যম্ভাবী। এটা ২০০৯ সাল, সেই দিন নাই। কিভাবে হবে জানি না। তবে আমি নিশ্চিত এর বাস্তবায়ন হাসিনা করার সুযোগ পাবে না। ভালো থাকবেন।
২৬. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: গত কয়দিন ধরে শুধু টিফা আর বিপা শুনতেছিলাম, এতক্ষণে বুঝলাম। পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ।

ভারতের মত দেশের সাথে কূটনৈ্তিক বিচক্ষণতা না দেখাতে পারলে আমাদের ঠকতে হবে।
২৭. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৬
দিগন্ত বলেছেন: একটা উত্তর দেবার চেষ্টা করলাম আমার ব্লগে -
Click This Link
২৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
বাবুয়া বলেছেন: চমতকার লিখেছেন। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
২৯. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৭
মুসতাইন জহির বলেছেন: অতঃপর আমাদের কি কর্তব্য?
৩০. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৪
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন: "প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত হয় এরকম কাজ সরকার আগামীতে আরো করবে"
এ কেমন কল্যাণ নিজের দেশের না ভারতের ।

প্রথম দুজনের মন্তব্য দেখে আমি হতাশ হলাম কারণ কেমিকেল আলী লেখা আমি আগে পড়েছি । কিন্তু এই মন্তব্য সেই কেমিকেল আলীর ??ভাবতে পারছি না। উনি পুরোপুরি আপনার লেখাটা পড়েছে তো।

প্রিয় কেমিকেল আলী প্রতি
আমরা কেউ আওয়ামী লীগ করব কেউ বিএনপি কেউ জাসদ কেউ বাসদ ....... কিন্তু দেশের স্বার্থে তো আপোষ করব না।
এখন আওয়ামী লীগ করিছি বলে ওদের ভুলকে স্বাগত জানানো ?কেমিকেল আলী পুরো লেখা পড়েন এবং বুঝতে চেষ্টা করেন। আর দিন মুজুরের কথার বিপক্ষে যুক্তি থাকলে আপনি লিখুন...
প্রমাণ করুণ এই চুক্তিতে কতটা লাভবান হচ্ছি আমরা কিংবা দিনমুজুরের ভুল ত্রুটি।
৩১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩১
রাতুল" বলেছেন: পোস্টটা মিস করা ঠিক হয় নাই। +
৩২. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:০৯
বাফড়া বলেছেন: অফটপিক- চালের দাম কত হওয়া উচিত? ... দয়া করে আপনার ভিউ টা জানাবেন... প্লিঝ
৩৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩১
মাত্রা আন্ধা বলেছেন: বরাবরই আপনার পোস্টগুলোআগাগোড়া পড়েছি। এবারও। খুব প্রয়োজনীয় মনে হচ্ছে এবং সময়োপযোগী। নিচের লিংকে হালকা চেষ্টা করেছি।
Click This Link

 

মোট সময় লেগেছে ০.১৩৬২ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
নাইল্যাকাডা ১ম বর্ষ, ২য় সংখ্যার প্রাপ্তিস্থানঃ
আজিজ সুপার মার্কেট
১। বইপত্র/ ২। জনান্তিক/ ৩। শ্রাবণ/ ৪। প্রথমা (একুশে)/ ৫। তক্ষশীলা/ ৬। লিটল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই