somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অর্থনীতির সহজ পাঠঃ বিষয়- বিদেশি বিনিয়োগ

২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এর আগে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম- "বিদেশি বিনিয়োগ সম্পর্কিত কয়েকটি চাপাবাজি" শিরোনামে( Click This Link)। আশা করি- এবারের লেখাটি বিদেশি বিনিয়োগ সম্পর্কে আরও পরিস্কার ধারণা তৈরি করতে সহায়তা করবে।

বিনিয়োগ ও উন্নয়নঃ
সবসময়ই বিদেশি বিনিয়োগ ও উন্নয়নের প্রসঙ্গটি পাশাপশি আসে। আসলেই বিদেশি বিনিয়োগ উন্নয়নের পূর্বশর্ত কি-না বা এটা আদৌ কতখানি উন্নয়নে ভূমিকা রাখে এটা প্রশ্নসাপেক্ষ হলেও- এ সম্পর্কিত বিতর্ককে সাধারণত পাশ কাটানো হয়- এড়িয়ে গিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকে উন্নয়ন নামক 'সোনার ডিম' পাড়া মুরগী হিসাবে বিবেচনা করা হয়। আসল চিত্রটি বুঝতে গেলে- বিদেশি বিনিয়োগকে বুঝা দরকার, আর সে উদ্দেশ্যেই আজকের এই পোস্ট। এখানে অর্থনীতির সহজ-সরল ভাষায় বিদেশি বিনিয়োগ সম্পর্কে আলোচনা করার চেস্টা করেছি।

বিদেশি বিনিয়োগ সম্পর্কিত সত্যঃ
আসল সত্য হচ্ছে- পাশ্চাত্য অর্থনীতিকে তাদের নিজেদের বেঁচে থাকার তাগিদেই মূলধন(ক্যাপিটাল) রপ্তানী করতে হয়- কেননা, এই অর্থনীতি প্রফিটেবিলিটির সমস্যায় ভোগে, এবং এই সমস্যা থেকে উত্তরণের একটি প্রধান উপায় হলো ক্যাপিটাল রপ্তানী করা। নিচের ব্যাখ্যায় বিষয়টি পরিস্কার হতে পারে-
ক) ক্যাপিটাল ও শ্রমের বিরোধঃ
কোন পণ্যের দাম বা বাজার মূল্য প্রধানত ক্যাপিটাল, মজুরি ও মুনাফা যোগ করে পাওয়া যায়- যদি অন্যান্য আনুসঙ্গিক খরচ(যেমন পরিবহন খরচ) বাদ দেয়া হয়। এমনকি মুক্ত বাজার অর্থনীতিতেও উতপাদনের গ্রাফে একদিকে ক্যাপিটাল ও অন্যদিকে মজুরি দেখানো হয়। যাহোক- বিষয়টি একটি সহজ সমীকরণের মাধ্যমে দেখানোর চেস্টা করিঃ

মূল্য= ক্যাপিটাল + মজুরি + মুনাফা

সমীকরণটিতে কিছু সংখ্যা স্থাপন করে দেখিঃ

১২০(মূল্য)= ৫০(ক্যাপিটাল) + ৫০(মজুরি) + ২০(মুনাফা) ------(১)

এই সমীকরণে মুনাফা ২০, ধরি ২০ ইউরো। কিন্তু মুনাফার হার হচ্ছে- ২০ ভাগ ১০০ (ক্যাপিটাল ৫০ + মজুরি ৫০) অর্থাত ২০%। আমরা সবাই মনে করি- পুঁজিপতিরা সবসময় মুনাফা সর্বোচ্চ করার চেস্টা করে, কিন্তু অর্থনীতির ছাত্র মাত্রই জানে- তাদের কাছে মুনাফার চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মুনাফার হারটি - অর্থাত বিনিয়োগের তুলনায় কতখানি মুনাফা এলো।

এখন যদি শ্রমিকরা অনেক বেশি সচেতন হয়, বা তাদের ইউনিয়ন যদি শক্তিশালি হয় এবং তারা যদি মজুরি বাড়াতে সক্ষম হয়, তবে- সমীকরণটি দাঁড়ায়ঃ

১২০(মূল্য)= ৫০(ক্যাপিটাল) + ৬০(মজুরি) + ১০(মুনাফা) ------(২)

এক্ষেত্রে তার মুনাফা নেমে এসেছে- ২০ ইউরো থেকে ১০ ইউরোতে, কিন্তু মুনাফার হার কমে হয়েছে- ২০% থেকে ৯% এ (১০ ভাগ ১১০)।

পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় - অনেক কারণেই পুঁজিপতিরা উতপাদনে মেশিনারি ব্যবহারের দিকে আগ্রহী হয় (যেমন- উতপাদিত দ্রব্যাদির মান বৃদ্ধি); কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো- পুঁজিপতিরা শ্রমশক্তিকে ক্যাপিটাল দিয়ে স্থানান্তর করতে চায় মজুরি কমানোর উদ্দেশ্যেই। একেই বলা হয় উতপাদনের ক্যাপিটাইলেজেশন- শ্রম শক্তির বদলে অধিক ক্যাপিটাল (মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে বিভ্রান্তিকরভাবে যেটাকে উপস্থাপিত করা হয় শ্রম-প্রোডাক্টিভিটির বৃদ্ধি হিসাবে)।

উপরের সমীকরণটিতে বা ঘটনায় মুনাফার হার ২০% থেকে ৯% হওয়ায়- মালিক চাইবে মজুরি খরচ কমাতে। এক্ষেত্রে যদি- কিছু শ্রমিক ছাটাই করা হয়- এবং তাদের কাজটি মেশিনারি দিয়ে করা যায়, অর্থাত শ্রম শক্তিকে ক্যাপিটাল দিয়ে বদল করলে- সমীকরণটি দাঁড়ায়ঃ

১২০(মূল্য)= ৭০(ক্যাপিটাল) + ৩০(মজুরি) + ২০(মুনাফা) ------(৩)

এভাবে, মজুরি কমিয়ে ৩০ ইউরো করে, এবং ক্যাপিটাল বাড়িয়ে ৭০ ইউরো করে- পুনরায় আগের মুনাফা ২০ ইউরো পাওয়া গেলো, এবং মুনাফার হারও আগের মতো অর্জিত হলো (২০%)।

কিন্তু সবক্ষেত্রেই একাজটি করা সম্ভব হয় না। মেশিনারি বাবদ হয়তো- ক্যাপিটাল বাড়ানো সম্ভব হয়- কিন্তু মজুরি কমানো বা শ্রমিক ছাটাই করা অনেক দেশেই- বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, কানাডা, ফ্রান্স প্রভৃতি শিল্পোন্নত দেশসমূহ বা যেখানে শক্তিশালি শ্রমিক ইউনিয়ন আছে সেখানে করা সম্ভব হয় না। ফলে- মেশিনারির দ্বারা ক্যাপিটাল বাড়ানোর পরও শ্রমিক কমাতে না পারলে- বা মজুরি না কমাতে না পারলে যেটি ঘটেঃ

১২০(মূল্য)= ৭০(ক্যাপিটাল) + ৪০(মজুরি) + ১০(মুনাফা) ------(৪)

ফলে- আবার মুনাফার হার গিয়ে ঠেকে ৯% এ।

সরলভাবে বললে- এটিই হলো পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় ক্যাপিটাল ও শ্রমের বিরোধ।
একে মুকাবেলা করার জন্য অন্যতম যে কাজটি পুঁজিবাদীরা করে- সেটি হলো, শ্রমিকদের উপর চাপ তৈরি করা, তাদের ইউনিয়নগুলোকে দুর্বল করে দেয়া ও ভেঙ্গে দেয়া। এটিই করা হয়েছিলো- ১৯৭০ এর দশকে মার্গারেট থ্যাচারের নেতৃত্বে ইংল্যাণ্ডে, তার পরপরই রোনাল্ড রেগ্যানের যুক্তরাষ্ট্রে, এবং ১৯৯০ এর দশক জুড়ে ইউরোপের অন্যদেশসমূহে। সুতরাং এটি একটি উপায়- এবং রাজনৈতিক উপায়- পুঁজিপতিদের মুনাফার হার ধরে রাখা বা বৃদ্ধির জন্য।

খ) ক্যাপিটালের বিচরণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যঃ
দ্বিতীয় উপায়টি হলো- ক্যাপিটাল অন্য এমন দেশে নিয়ে যাওয়া যেখানে শ্রম-মজুরি খুবই নগন্য বা শ্রমিক ইউনিয়নও খুবই দুর্বল বা প্রায় নেই। ধরি, পুঁজিপতি তার ক্যাপিটাল জার্মানি থেকে চীনে নিয়ে আসলো। এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্কে কি ধারণা পাই?

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যটি দ্বারা এটাই বুঝা যাবে যে, ঐ পুঁজিপতি বা বিনিয়োগকারি জার্মানির তুলনায় চীনে অনেক কমে একটি পণ্য উতপাদন করতে পারবে। সে মাত্র ৪৫ ইউরো ক্যাপিটাল খরচ করে এবং আর ৫ ইউরো মজুরি (জার্মানির সাথে চীনের মজুরি পার্থক্য বিশাল) দিয়েই উতপাদন করতে পারবে। ফলে সমীকরণটি দাঁড়ায়ঃ

৭০(মূল্য)= ৪৫(ক্যাপিটাল) + ০৫(মজুরি) + ২০(মুনাফা) ------(৫)

এক্ষেত্রে তার মুনাফা হলো আগের মতই ২০ ইউরো, কিন্তু মুনাফার হার লাফিয়ে হলো- ৪০% (২০ ভাগ ৫০)। ফলে, জার্মানিতে বিনিয়োগ করে যে মুনাফা হতো- চীনে সে একই বিনিয়োগে অনেক বেশি মুনাফা করতে পারে। কেননা, চীনের প্রতি ইউরো বিনিয়োগে সে অধিকতর মুনাফার হার পায়।

অধিকন্তু, সে জার্মানির তুলনায় অনেক কম দামে পণ্য উতপাদন করতে পারে। এবং একই মুনাফা রাখলে দেখা যায় জার্মানিতে যেটার মূল্য ১২০ ইউরো, চীনে সেটির দাম ৭০ ইউরো। ফলে, এবার সে তার পণ্য নিয়ে জার্মানিতে প্রতিযোগিতায় নামতে পারে তাদের সাথে- যারা এখনও উচ্চ মজুরিতে উতপাদন করছে।

মোটামুটি- এটাই হলো বর্তমান মুক্ত বাজার অর্থনীতির তথাকথিত 'বিশ্বায়ন'এর মূল বিষয়। এখন, পণ্যের বাজারই শুধু খোঁজা হয় না- এখন ক্যাপিটালও দুনিয়া জুরে ঘুরে বেড়ায়।

এখানে বুঝতে হবে যে, উপরের উদাহরণে চীন যতখানি বিদেশি বিনিয়োগের জন্য উদগ্রীব- তার চেয়েও জার্মানির বিনিয়োগকারি মরিয়া বিনিয়োগের জন্য অন্য একটি অর্থনীতিতে প্রবেশ করতে। সেকারণেই- 'বিশ্বায়ন', 'মুক্ত বাজার অর্থনীতি' এসব তত্ত্বের উদগাতা পাশ্চাত্য- যারা প্রোফিটেবিলিটি হ্রাসের ক্রাইসিসে ভুগছে, এবং যাদের টিকে থাকার জন্যই ক্যাপিটাল ভিন্নদেশে রপ্তানি করা আবশ্যক।

এখন ক্যাপিটাল সে দেশেই যেতে চাইবে যেখানে মুনাফার হার সবচেয়ে বেশি। কিন্তু অনেকসময়, কোন দেশে মুনাফার হার বেশি হওয়ার পরেও সেখানে বিনিয়োগ হয় না। এক্ষেত্রে একটি বিষয় বিনিয়োগ কর্তারা উল্লেখ করে- সেটি হলো বিনিয়োগের উপযোগি পরিবেশ। বিনিয়োগকারিরা বিনিয়োগের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চায়, এটি ব্যহত হয় বিনিয়োগকৃত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি- সে রাষ্ট্রের তথাকথিত দুর্নীতি-গ্রস্ততা- সে রাষ্ট্রের জনগণের পশ্চাতপদতা- রাষ্ট্রের অবকাঠামোগত পশ্চাতপদতা প্রভৃতি। কিন্তু মুনাফার হার উচ্চ হলে- এসব বাঁধা দূরীকরণে সেই বিনিয়োগকারি রাষ্ট্রকে উদ্যোগ নিতে দেখা যায়।

প্রোফিটেবিলিটি হ্রাসের ক্রাইসিস থেকে উত্তরণের উদ্দেশ্যে গৃহীত পদক্ষেপসমূহঃ

প্রোফিটেবিলিটি ক্রাইসিস থেকে বাঁচতে করপোরেশনগুলো অন্যতম পদক্ষেপ হিসাবে যে কাজটি করে সেটা হলো- নিজ দেশে মজুরি কমায়, শ্রমিক ছাটাই করে, এবং তাদেরকে মেশিনারি দিয়ে প্রতিস্থাপন করে। এছাড়াও আর যেসব কাজ করপোরেশনগুলো করে- সেগুলো হচ্ছে- মার্জার ও অধিগ্রহণের মাধ্যমে উতপাদনকে র‌্যাশনালাইজ করা, অ্যাসেট স্ট্রিপিং করা, রিস্ক কমানোর জন্য নতুন ইনস্ট্রুমেন্ট সৃষ্টি করা প্রভৃতি। রাষ্ট্র তাদের হয়ে যেসব কাজ করে সেসব হচ্ছে- শ্রমিক ইউনিয়নকে নিয়ন্ত্রণ করে, পাবলিক সেক্টরসমূহকে প্রাইভেটাইজেশন করে, সমাজের দুর্বল অংশের উপর বোঝা চাপিয়ে দেয় (যেমন, পেনশনকে কমার্শিয়ালাইজ করা যাতে এই ফাণ্ড কর্পোরেশনগুলো তাদের প্রোফিটেবিলিটি বাড়ানোতে ব্যবহার করতে পারে- এটিই বর্তমানে পাশ্চাত্যের দেশসমূহে পেনশন ক্রাইসিসের অন্যতম মূল কারণ), এবং যুদ্ধ-অর্থনীতি তৈরিতে ভূমিকা রাখে (যুদ্ধে তাতক্ষণিকভাবে বিদ্যমান সমস্ত কিছুই ধ্বংস হয়, এবং সেগুলোকে প্রতিস্থাপন করতে করপোরেশনগুলোর উতপাদন ব্যাপক বৃদ্ধি পায়)।

কিন্তু, উপরিউক্ত পদক্ষেপসমূহের চেয়েও পাশ্চাত্য সরকারসমূহ যেসব পদক্ষেপ নেয়- সেটা হলো তৃতীয় বিশ্বে বোঝাটা চাপিয়ে দেয়া। মোটামুটি তিনটি পদক্ষেপ দেখা যায়ঃ

১। তৃতীয় বিশ্বকে (প্রাচ্যে ও দক্ষিণের দেশসমূহকে) তাদের বাণিজ্যকে উদার বা মুক্ত করতে বাধ্য করে; এটা করা হয় পাশ্চাত্যের করপোরেশনগুলোর জন্য বাজার তৈরি করার উদ্দেশ্যে। (WTO এর প্রধান ভূমিকা)।
২। ক্যাপিটাল-ফ্লো'কে অবাধ করতে তৃতীয় বিশ্বকে বাধ্য করে, এটা করা হয়- করপোরেশনগুলোর বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করার ও একইসাথে সেখানকার প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পাওয়ার উদ্দেশ্যে। (IMF ও World Bank এর প্রধান ভূমিকা; বিনিয়োগ ও প্রতিযোগিতা কেন্দ্রিক বিষয় দেখে WTO)।
৩। তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহের পাবলিক সেক্টরগুলোকে (যেমন- পানি, বিদ্যুত, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, এনার্জি প্রভৃতি এবং সরকারি প্রোকিরমেন্ট) প্রাইভেটাইজ করতে ও মুক্ত করতে বাধ্য করে। (WTO এর পক্ষ থেকে GAT এর প্রধান ভূমিকা)।


এসমস্ত পদক্ষেপ নেয়া হয় - যখন করপোরেশনগুলো নিজ দেশে শ্রমিকদের চাপে প্রোফিটিবেলিটি ক্রাইসিসে ভুগতে থাকে এবং এর থেকে উত্তরণ পেতে চায়। লক্ষণীয় বিষয় হলো- করপোরেশনগুলো কখনোই তৃতীয় বিশ্বে প্রবেশ করতে পারতো না যদি- তাদের রাষ্ট্র এক্ষেত্রে ভূমিকা পালন না করতো। আরও স্পষ্ট করে বললে বলা যায়- World Bank, IMF, WTO, GAT প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানসমূহ না থাকলে করপোরেশনগুলো সফল হতো না। সুতরাং এসব সংস্থার কর্মকাণ্ড ও কার্যক্রম সম্পর্কেও আমাদের পরিস্কার ধারণা থাকা দরকার।

অর্থনৈতিক ইস্যুর বিচারে দুর্ণীতি ও শাসন-ক্ষমতাঃ

এটা স্বাভাবিক যে, কোন একটি রাষ্ট্রের দুর্নীতি ও শাসন-ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯
৪৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×