নাইল্যাকাডা, তেল-গ্যাস সংখ্যা আজ বের হলো। প্রথমে ভেবেছিলাম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচীর আগেই বের করা হবে। পারা যায়নি, অবশেষে আজ পত্রিকাটি প্রকাশিত হলো। আগামীকালের হরতালকে ধরা যাচ্ছে অবশেষে!!
সূচীপত্র:
১। গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম
(Click This Link)
২। বাপেক্স/পেট্রোবাংলাকে নিয়ে যতসব মিথ ও তার জবাবে
(Click This Link)
৩। তেল গ্যাস ও বহুজাতিক কোম্পানি: এলোমেলো করে দে মা লূটেপুটে খাই
(Click This Link)
৪। গ্যাস উৎপাদন কে করবে?
(Click This Link)
প্রাপ্তিস্থান:
১। তক্ষশিলা- আজিজ সুপার মার্কেট
২। পলল - আজিজ সুপার মার্কেট
৩। বিদিত -আজিজ সুপার মার্কেট
৪। প্রথমা -আজিজ সুপার মার্কেট
৫। লোক - আজিজ সুপার মার্কেট
৬। জনান্তিক - আজিজ সুপার মার্কেট
৭। জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী - পল্টনের মোড়
৮। বাসদ অফিস
৯। সিপিবি অফিস
১০। গণসংহতি আন্দোলন অফিস (বাহিরানা)
১১। চট্রগ্রামে পাঠানো হয়েছে- কোথায় পাওয়া যাবে- আগামীকাল জানানো যাবে।
আগ্রহী যারা:
এর বাইরেও সরাসরি আমাদের কাছ থেকেও সংগ্রহ করা যাবে। যারা এই পত্রিকাটির বিলি-বন্টনে অংশ নিতে চান, সরাসরি আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
এছাড়াও আমরা পিডিএফ ভার্সন বের করার চেষ্টা করছি, যাতে পিডিএফ থেকেও সরাসরি প্রিন্ট করে বিতরণ করা যায়।
হরতাল:
আগামীকালের হরতাল সফল করার জন্য সকলের প্রতি আহবান রইলো।
হরতালের বিরুদ্ধে বেশ কিছু প্রচারণা শোনা যাচ্ছে। অনেকেই আজ বেশ জনদরদী সাজছেন দেখে খুব মজা লাগছে। প্রথম আলোর সম্পাদকীয়তে সবচেয়ে বড় কৌতুকটি হয়েছে। এগুলোকে তেমন পাত্তা দেয়ার কিছু নেই (আরেকবার এগুলোর ক্লাস ক্যারেক্টারটাই পরিষ্কার হলো মাত্র)। আমাদের মনে হয় এরই মধ্যে হরতাল সফল হয়েছে। এই হরতালের যে লক্ষ্য- একটা প্রচারণামূলক হরতাল করা- সেই প্রচারণা পুরোমাত্রই হয়েছে। বাকিটুকুও কাল সফল হবে- লড়াই সংগ্রামের ময়দানে।
এবার দরকার আন্দোলনের পরবর্তী ধাপে যাওয়া, মানে শুধু প্রচারণামূলক কার্যক্রম নয়, তীব্র লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দাবী আদায় করা, দাবী মানতে শাসকগোষ্ঠীকে বাধ্য করা। সেই ধাপে সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছি।
সকলকে ধন্যবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

