আমার প্রিয় পোস্ট

৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”!

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৮

শেয়ারঃ
0 309 0

রুশ বিপ্লবের বিশেষ দশ দিনের উপর লেখা ”দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন” বইটির লেখক জন রিড ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লবকে স্রেফ দশ দিনের ফলাফল হিসেবে চিহ্নিত না করলেও- এই বইটিরই নামকরণ থেকে ধার করা- একুশের সেই ’দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট’ নামের তত্ত্বটির জনক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান একুশে ফেব্রুয়ারিকে তার পূর্বাপর পরিপ্রেক্ষিত থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্রেফ ৩০ মিনিটের ঘটনাপুঞ্জির মধ্যে আকে ফেলেছেন যেন এই তিরিশ মিনিটকে গ্রামীণ ফোনের কর্পোরেট বাণিজ্যের কাজে ব্যাবহার করা যায়! গত ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালের প্রথম আলোর ”মন্তব্য প্রতিবেদন” এ তিনি তত্ত্ব দিয়েছেন- ”সময়টা ছিল ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির বিকেল তিনটা ২০ মিনিট থেকে ৫০ মিনিট। সেই বিকেলের ’৩০ মিনিটে’ তারা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন আমাদের জাতির ভবিষ্যৎকে, আমাদের মাতৃভাষার ভবিষ্যৎকে।” লক্ষণীয় বিষয় হলো এই লেখাটির বিপরীত পৃষ্ঠার প্রায় অর্ধেক জুড়ে গ্রামীণ ফোনের একটি বিজ্ঞাপন ছাপা হয় যেখানে বলা হয়- ”কাছে আসার শক্তিতে মাত্র ৩০ মিনিটেই তৈরী হতে পারে ইতিহাস। চলুন আবারো কাছে আসি। এক হই। এই ২১শে ফেব্রুয়ারি, ঠিক দুপর ৩টায়, সেই আমতলার গেটে(বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ ইমার্জেন্সি গেট)। চলুন আবারো ৫২’র সেই ইতিহাসের মহান সংগ্রামী আহমদ রফিক, ভাষা মতিন ও রওশন আরা বাচ্চু সহ অনেকের সাথে এক হয়ে পৃথিবীকে মনে করিয়ে দেই মানুষের কাছে আসার শক্তি।” বিজ্ঞাপনটিতে ”দুনিয়া কাপানো ৩০ মিনিট” অনুষ্ঠানটির সহযোগী পৃষ্ঠপোষক হিসেবে প্রথম আলো, চ্যানেল আই, এনটিভি, আরটিভি, দেশটিভি, রেডিওটুডে এবং এবিসির রেডিও’র লোগো ব্যাবহার করা হয়েছে।

মজার ব্যাপার হলো এই একই দিনের প্রথম আলোর ৫ম পৃষ্ঠায় গ্রামীণ ফোনের আরেকটি বিজ্ঞাপন ছাপা হয় যার বিষয় বস্তু ছিল ”১০০ টাকার বোনাস টক টাইম”; এই বিজ্ঞাপনটির এক কোণায় বরাবরের মতোই গ্রামীণ ফোনের কর্পোরেট শ্লোগান ”কাছে থাকুন। গ্রামীণ ফোন” কথাটি লেখা থাকলেও আমাদের আলোচ্য ”দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট” শীর্ষক বিজ্ঞাপনটির কোথাও কিন্তু ”কাছে থাকুন। গ্রামীণ ফোন” কথাটি লেখা ছিল না।[img|http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/dinmojurblog_1266695941_2-20022010474.jpg

বিষয়টা কি? গ্রামীণ ফোন কি তার কর্পোরেট শ্লোগান দিতে ভুলে গিয়েছিল নাকি এটা ছাপার ভুল? এর উত্তর মেলে তার দুইদিন পর ১৮ ফেব্রুয়ারি তারিখের প্রথম আলোতে ছাপা গ্রামীণ ফোনের দু্টি বিজ্ঞাপন দেখে। এখানেও একই ব্যাপার- পৃষ্ঠা ২৩ এ ছাপা প্রিপেইড কার্ডের বিজ্ঞাপণটির এক কোনায় ”কাছে থাকুন। গ্রামীণ ফোন” কথাটি লেখা থাকলেও ৩য় পৃষ্ঠার প্রায় অর্ধেক জুড়ে ছাপা ”দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট” শীর্ষক বিজ্ঞাপনটিতে আগের মতোই এই কথাগুলো লেখা ছিল না- ফলে বিষয়টি পরিস্কার যে এটা নিছক কোন ছাপার ভুল বা অবহেলা নয় বরং খুব সুনির্দিষ্ট কারণেই এই শ্লোগানটি বিজ্ঞাপনে দেয়া হয় নি। আর সেই কারণটি হলো- একুশের ৩০ মিনিট কে কেন্দ্র করে দেয়া গোটা বিজ্ঞাপনটিরই গ্রামীণ ফোনের কর্পোরেট শ্লোগানে রূপান্তরিত হয়ে যাওয়া- ফলে ঐ বিজ্ঞাপনে আলাদা করে আর ”কাছে থাকুন। গ্রামীণ ফোন” শ্লোগানটির কোন প্রয়োজন থাকলো না!


এই পর্যন্ত পড়ে যে কেউ প্রশ্ন করতে পারেন - ঠিক আছে, বুঝলাম, গ্রামীণ ফোন, প্রথম আলো এবং অন্যান্য মিডিয়াগুলো তাদের বিজ্ঞাপনের কাজে ২১ শে ফেব্রুয়ারির সেই ৩০ মিনিট কে ব্যাবহার করছে। কিন্তু তাতে সমস্যা কি? সেই ৩০ মিনিটের ঘটনাকি ভাষা আন্দোলনকে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়ার দিকে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করেনি? কর্পোরেট বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যাবহার করলেও তো তারা ভাষা আন্দোলনের মহান ইতিহাসের একটা অংশকেই তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে- তাতে কি সমস্যা? আপাত দৃষ্টিতে কোন সমস্যা মনে না হলেও আমাদের দৃষ্টিতে ভাষা আন্দোলনকে এভাবে পরিপ্রেক্ষিত থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্রেফ ৩০ মিনিটের একট স্বতস্ফুর্ত ঘটনার ফলাফল হিসেবে দেখানোর কর্পোরেট প্রকল্পটি চুড়ান্ত বিচারে ইতিহাস বিকৃতি এবং ইতিহাস বিক্রির প্রকল্প- এতদিন আমরা দেখেছি শাসক শ্রেণীর রাজনৈতিক দলগুলো কেমন করে তাদের দলীয় স্বার্থে ইতিহাসের বিকৃতি ঘটাচ্ছে, এইবার দেখলাম স্রেফ বাণিজ্যের স্বার্থে কর্পোরেটরা কি সুন্দর জোট বাঁধে এবং ইতিহাসের বিকৃতি ও খন্ডায়ন ঘটায় । সে ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে চলুন মতিউর রহমানের আরো কিছু কথা শুনি- তিনি তার তত্ত্বটিতে বলছেন- ”সেই দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিটই নির্ধারণ করে দিয়েছিল আমাদের মহান মাতৃভাষা আর জাতির ভাগ্য, যা কিনা স্ফুলিংগ হিসেবে কাজ করেছে। সেই স্ফুলিংগ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল শহর থেকে গ্রামে, প্রতিটি জনপদে।”- এই যে ভাষা আন্দোলনের ছড়িয়ে পড়ার কারণ হিসেবে ’৩০ মিনিটই’ কথাটির ব্যাবহার এবং মতিউর রহমানের পুরো লেখাটির কোথাও সেই ৩০ মিনিটের আগের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কোন ধরণের উল্লেখ-ই না থাকা- এই দুইয়ে মিলে এমন একটি ধারণা তৈরী করে যে, মনে হয়, সেই ৩০ মিনিটের সাথে বুঝি পুর্বাপর কোন রাজনৈতিক কর্মকান্ডের কোন সংযোগ ছিলনা কিংবা সেই ৩০ মিনিটের আগ পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন বোধহয় কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদেরই ব্যাপার ছিল। কেবল হঠাৎ করে ঘটা এই ৩০ মিনিটের ঘটনায় সালাম-বরকত-রফিক-জব্বারের আত্মত্যাগের ফলেই ভাষা আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল!

চলুন দেখা যাক, এই স্ফুলিংগ ও দাবানল বিষয়ে ভাষা আন্দোলনের প্রধানতম ভাষ্যকার বদরুদ্দীন উমর তার ”ভাষা, শ্রেণী ও সমাজ”(১৯৮৫) বইয়ে কি বলেছেন:

”১৯৫২ সালের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক হত্যাকান্ডগুলি কোন দাবানল সৃষ্টি করতে না পারলেও ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার উপর পুলিশের গুলিবর্ষণ ও হত্যার ঘটনা দাবানল সৃষ্টিকারী স্ফুলিংগের কাজ করেছিলো কারণ দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এই সময়ের মধ্যে ব্যাপক ও গভীরভাবে পরিবর্তিত হয়েছিলো। এ প্রসঙ্গে মনে রাখা দরকার যে, কোন অত্যাচার নির্যাচতন, তা যতই নির্মম হোক, সব সময়ে দাবানল সৃষ্টিকারী স্ফুলিঙ্গের কাজ করতে পারেনা। সেটা সম্ভব হয় তখনই যখন দাবানল সৃষ্টির মতো ক্ষেত্র জনজীবনে তৈরী হয়। এই ক্ষেত্রটিই তৎকালীন পূর্ব-বাঙলায় ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির পূর্বে তৈরী হয়েগিয়েছিল এবং ঠিক সে কারণেই ছাত্র-জনতার উপর পুলিশের গুলিবর্ষণ ও হত্যাকান্ড এমন এক স্ফুলিঙ্গ হিসেবে কাজ করেছিল যা জনগণের রাজনৈতিক জীবনে প্রজ্জ্বলিত করেছিলো এক অদৃষ্টপূর্ব দাবানল।”

আবার ২১শে ফেব্র“য়ারির সাধারণ ধর্মঘটের ডাকে সারাদেশের মানুষের অংশগ্রহনের ব্যাপারে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত সংকলন ’একুশে ফেব্রুয়ারি’ তে কবির উদ্দিন আহমদ তার ’একুশের ইতিহাস’ নামক লেখায় বলেছেন-

”৪ঠা ফেব্রুয়ারি থেকে ২০শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাধারণ ধর্মঘটের জন্য প্রচার প্রস্তুতি চলতে থাকে। ঢাকার রাজনৈতিক আবহাওয়াকে কেন্দ্র করে সমগ্র প্রদেশের জনমনে তখন বিক্ষোভের আগুন জ্বলতে থাকে। স্বরাজোত্তর কালে সরকার বিভিন্ন উৎপীড়নমূলক নীতির মধ্য দিয়ে জাতীয় জীবনে যে প্রাণধবংসী ক্ষতির ভয়াবহতা সৃষ্টি করেছিল, তারই প্রত্যক্ষ আঘাতের ফলে জনসাধারণের দৃষ্টি খুলে গেছে, অন্ধমোহ কেটে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ভাষার কণ্ঠরোধ করার নতুন ষড়যন্ত্র তাদের অসন্তোষকে দ্বিগুণতর করে দিয়েছে। সমগ্র প্রদেশ তখন প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠেছে। দিন দিন অবস্থার দ্রুত পরিবর্তনও পরিলতি হচ্ছে।”

কাজেই এই ”দুনিয়া কাপানো ৩০ মিনিটের” ঘটনার আগে থেকেই সারাদেশের মানুষ ভাষা আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিল এবং সেই সাথে শোষণ বঞ্চনার বারুদ-ই হলো ভাষা আন্দোলনের মূল নিয়ামক- ’৩০ মিনিটের স্ফুলিংগ’ নয়। তাহলে কি কারণে মতিউর রহমান আর গ্রামীণ ফোন চক্র এই বারুদ ঢেকে রেখে স্রেফ ৩০ মিনিটের স্ফুলিঙ্গের দিকে দৃষ্টি দিলেন? এর কারণ হলো কর্পোরেটরা যখন কোন কিছুকে তাদের ব্র্যান্ডিং এর কাজে ব্যাবহার করে তখন সেটাকে তাদের সুবিধা মতো যথেষ্ট নির্বিষ করে নিয়েই ব্যাবহার করে- যেকারণে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী চেগুয়েভারা তাদের কাছে হয়ে উঠে একজন রোমন্টিক বিপ্লবী তারুণ্যের প্রতীক যার ছবি টি-শাটের্র শোভা বাড়ায় কিংবা যাকে নিয়ে ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে সুশীল স্মরণ সভা করা যায়, যেকারণে তাদের কাছে একাত্তরের গণসংগীত হয়ে উঠে ”জাগরণের গান” যেগুলোকে রাজনৈতিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হিসেবে ব্যাবহারের বদলে ড্রয়িংরুমে বসে সিডিতে উপভোগ করা যায় কিংবা ক্যাম্প ফায়ারের রোমান্টিক পরিবেশের উষ্ণতা বাড়ানোর কাজে ব্যাবহার করা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের চিঠি হয়ে প্রতœতাত্ত্বিক ”একাত্তরের চিঠি” কিংবা ভাষা আন্দোলন তার রাজনৈতিক সংগ্রামের পরিপ্রেতি হারিয়ে হয়ে যায় ”৩০ মিনিটের স্ফুলিঙ্গ”। এখন, ভাষা আন্দোলনকে যদি তার পুরো প্রেক্ষাপট সহ তুলে আনতে হয় তাহলে সেটা আর তাদের ব্র্যান্ডিং এর জন্য যথেষ্ট নিরাপদ থাকবে না কারণ এর সাথে যুক্ত হয়ে উঠে আসবে শোষণ বঞ্চণার প্রশ্ন, শ্রেণীর প্রশ্ন এবং শ্রেণী শোষনের আবসানের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রশ্ন-যে প্রশ্ন ১৯৫২ সালের অর্ধশতাব্দিরও বেশি সময় পার করে এসেও আজকের বাংলাদেশে সমানভাবেই প্রাসঙ্গিক এবং সমান ভাবেই শাসক শ্রেণীর এবং সেই শাষক শ্রেণীর অংশ হিসেবে প্রথম আলো কিংবা গ্রামীণ ফোন ওয়ালাদের ভয়ের কারণ।

এই ভয়ের ব্যাপারটি ছাড়াও ইতিহাস বিক্রির এই প্রকল্পের সাথে আরেকটা বিষয় যুক্ত- প্রতিনিয়ত সাবান-শ্যাম্পুর মত পণ্যের মোড়ক নবায়ন, একই পণ্যকে বিভিন্ন রুপে হাজির করে বাজার ধরে রাখার মতই নিত্যনতুন সাংস্কৃতিক উপাদানের সাথে সংযুক্ত হয়ে এবং প্রয়োজনে নয়া সাংস্কৃতিক উপাদান নির্মাণ করার মধ্য দিয়ে কর্পোরেট ব্র্যান্ড ইমেজ নবায়ন ও মানুষের মনে তার একটা স্থায়ী আসন স্থাপনের তাগিদ। মতিউর রহমান তার মন্তব্য প্রতিবেদনটিতে ভাষা দিবসকে নতুন ভাবে উদ্যাপনের কারণ সম্পর্কে বলছেন-”একুশ নিয়ে অনেক বছর ধরে আমরা প্রায় একই ধরনের অনুষ্ঠান করে চলেছি। এ কারণে আমরা এবার নতুন কিছু করতে চেষ্টা করছি... ... আমরা আশা করি, আমরা স্বপ্ন দেখি, এই ’দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট’ স্মরণের অনুষ্ঠান আমাদের সংস্কৃতি ও পরিচয়ের স্থায়ী অংশে পরিণত হবে।” তাদের এই আশা ও স্বপ্নের মাজেজা হলো-রমনার বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সাথে সাথে ছায়ানটের নামটি যেমন বাঙালী মানসে একটা স্থায়ী আসন লাভ করেছে, তেমনি ভাবে এদের আকাংখা অনুসারে ’দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট’ অনুষ্ঠানটি যদি আমাদের সংস্কৃতি ও পরিচয়ের স্থায়ী অংশে পরিণত হয়, তাহলে এ অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে এসব কর্পোরেটও আমাদের ইতিহাস ও জাতীয় সংস্কৃতিতে স্থায়ী আসন গেড়ে বসবে। নতুন ভাবে উদযাপন করার নামে ইতিহাস ও সংস্কৃতির জমিনের এই দখল নেয়ার পায়তারা চলতেই থাকবে যতদিন রাষ্ট্র ইতিহাস ও সংস্কৃতির সংরক্ষক ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তার ঐতিহাসিক ভূমিকাটুকু এড়িয়ে যাবে।

 

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৯
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: এই লেখাটার ই অপেক্ষায় ছিলাম ...... :-)
২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪০
টেকি মামুন বলেছেন: খালি খুত ধইরা বেড়ান ।মাইনাস।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: ভাই প্রথম আলো-গ্রামীন ফোনের এই কর্পোরেট ধান্দা উন্মোচনের প্রচ্ষ্টোকে আপনার কাছে স্রেফ খুত ধরা বলে মনে হলো!

কোন ভাল বিষয়ের সামান্য দোষ ত্রুটি নিয়ে যখন কেউ বাড়াবাড়ি করে তখন সেটাকে খুত ধরার বাতিক বলা যেতে পারে। কিন্তু এখানে ব্যাপারটাতো উল্টো- পুরোপুরি ভয়ংকর মুনাফা লোভী একটা ব্যাবসায়িক গোষ্ঠীর ভালোমানুষির মুখোশ উন্মোচনের এই প্রচেষ্টাকে স্রেফ খুত ধরা বলে বাতিল করে দিয়ে কি সুবিচার করলেন?

৩. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৯
বিপরীত স্রোত বলেছেন:
কমরেড অসাধারণ লেখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ কিংবা ভাষা আন্দোলন নিয়ে মুঠোফোনগুলির করা বিজ্ঞাপনগুলি কখনও খারাপ লাগেনি তবে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানতে অনেক বই পড়ার দরকার আছে এর জন্য শুধু বিজ্ঞাপন বা পত্রিকার লেখার উপর নির্ভর করা যায় না
৪. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫১
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: +


৫০ বছর পরে হয়তো গ্রামীনকে একুশে পদক দেয়া হতে পারে ৩০ মিনিটের ভুমিকা রাখার জন্যে।
৫. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫১
মাসুদ রশিদ বলেছেন: অসাধারণ। আমিও এমন একটি লেখার প্রতীক্ষায় ছিলাম।
৭. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৫
তুতুষার বলেছেন: নতুন ভাবে উদযাপন করার নামে ইতিহাস ও সংস্কৃতির জমিনের এই দখল নেয়ার পায়তারা চলতেই থাকবে যতদিন রাষ্ট্র ইতিহাস ও সংস্কৃতির সংরক ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তার ঐতিহাসিক ভূমিকাটুকু এড়িয়ে যাবে।
----------কথা সত্য।
৮. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৫
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:

মতিউর রহমানের সেই মন্তব্য কলাম এবং তার সাথে সাথেই গ্রামীণফোনের ৩০ মিনিট বিষয়ক বিজ্ঞাপন দেখে আমারও একটু খটকা লেগেছিল।
আপনার লেখাতে বিষয়গুলো পরিস্কার হয়ে উঠেছে।
আসলে গ্রামীণফোন ও প্রথম আলো ছায়ানটের মত আরেকটা অনুষ্ঠান আমাদের বাঙ্গালী সংস্কৃতিতে আমদানি করতে। হায়রে ব্যবসা!!!

চমৎকার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
৯. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৬
চতুষ্কোণ বলেছেন: মুল জায়গাটাতেই হাত দিয়েছেন। স্যালুট কমরেড!
১০. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৭
রাহা বলেছেন: সব কিছুই এখন কর্পোরেট মোড়কে ঢাকা... কিন্তু "দুনিয়া কাপাঁনো ৩০ মিনিট" এর বিজ্ঞাপন দেখে মনটা বিষিয়ে উঠেছে...সবকিছু নিয়েই কি ব্যবসা চলে ???
এমন একটা ঐতিহাসিক গৌরবুজ্জ্বল বিষয়কে এভাবে বিজ্ঞাপনে মুড়িয়ে ধার করা নামে চালিয়ে দেবার জন্য তীব্র ধিক্কার জানাই
১১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০০
সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার বলেছেন: এইখানে দ্যাখেন

Click This Link

ওরা ঐ তিরিশ মিনিটকে ফোকাস করলেও প্রতিদিন পুরো এক পেইজজুড়ে আগের পরের পুরো ঘটনাকেই বর্ননা দিচ্ছে। আপনাকে মনে রাখতে হবে প্রথম আলো বা গ্রামীনফোন কোন চ্যারিটি ফাউন্ডেশন নয় যে ওরা নিজেদের নুন্যতম স্বার্থ ছাড়াই এই ভাবে এর পিছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করবে এবং সেটা আশা করাও বোকামী। আমাদের ইয়ং জেনারেশনের কয়জনই সেই সময়ের প্রকৃত ঘটনা জানে??
সুতরাং কিছুটা ব্যাবসায়িক উদ্দ্যেশ্য থাকলেও আমি মনে করি এটা অবশ্যই ভালো উদ্দ্যোগ। একে স্বাগত জানাই। আপনিও চলে আসুন ২১ ফেব্রুয়ারীর বিকাল তিনটায় ঐতিহাসিক আমতলার গেটে।

আমতলার গেট চিনেন তো ??? (আমি চিনতাম না, গতকাল চিনেছি )।
ধন্যবাদ।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: প্রথম আলো বা গ্রামীন ফোন যে কোন চ্যারিটি ফাউন্ডেশান নয় সেটা আমরা বুঝলেও প্রথমআলো বা গ্রামীন ফোন ওয়ালারা কিন্তু সেটা বুঝতে দিতে চায় না, বারবারই বিভিন্ন প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে আমাদের সামনে চ্যারিটি ফাউন্ডেশন হিসেবে হাজির হওয়ার চেষ্টা করে। আর আমাদের আপত্তি কিন্তু ঠিক এই জায়গাতেই। দেখুন এই মন্তব্য প্রতিবেদনটিতেই তারা কেমন দাবী করছে:

১১ বছর ধরে দেশের মানুষের কল্যাণে যেকোন উদ্যোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রথম আলো সব সময় চেষ্টা করছে।জনগণের সঙ্গে নানাভাবে সংশ্লষ্টি গ্রামীণফোন।

আমরা এই লেখাটিতেই তাদের এই পাশে দাড়ানোর উদ্দেশ্য ও চরিত্রটি উন্মোচনের চেষ্টা করেছি। আর প্রথম আলোর এক কোনায় প্রতিদিন যে একুশের ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয় সেটাও কিন্তু শাসক শ্রেণীরই ইতিহাস বয়ান। আর এ বিষয়টিও যে কেবল প্রথম আলো করে তা নয়- এটা এখন প্রত্যেক ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার কাছে একটা রীতি- রমজান মাসে খবর পাঠিকার ঘোমটা দেয়ার রীতির মতই। এই মন্তব্য প্রতিবেদন ও বিজ্ঞাপন থেকে স্পষ্ট যে - এই রীতিটি সকলেই পালন করে বলে এটা আর ব্র্যান্ড ডিফারেন্সিয়েশান বা ব্র্যান্ড ইমেজের পার্থক্য করার মত বিষয় আর নেই ফলে তাদের কে নতুন মোড়কে ২১শে ফেব্র“য়ারিকে হাজির করে সেটা নিয়ে বাণিজ্য করতে হচ্ছে। আর আমরা যদি আশা করি তারা এভাবে ব্যাবসা করতে করতেই আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ইতিহাস শিা দেবে সেটাই হলো আসল বোকামী- কারণ পরিপ্রেতি থেকে বিচ্ছিন্ন এবং খন্ডিত করে ফেলা হলে সংগ্রামের ইতিহাস আর সংগ্রামের ইতিহাস থাকেনা হয়ে উঠে স্রেফ উদযাপন করার বিষয়- একুশের ইতিহাসে আমতলার গুরুত্ব অনস্বিকার্য কিন্তু ২১কে যদি স্রেফ আমতলার ঘটনার মধ্যেই আটকে ফেলা হয় সেটা কিন্তু ইতিহাস একেবারে না জানার চেয়ে কম ভয়ংকর/ক্ষতিকর থাকে না।

আপনাকে একুশের প্রভাত ফেরীতে আমন্ত্রণ।

১২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০১
ইউনুস খান বলেছেন: অসাধারণ একটা লিখা।

এইখানেও দেখতেছি কিছু কর্পোরেটচামড়া চোষাদের মাইনাস :(
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: কথাটা ভালো বলেছেন: "কর্পোরেট চামড়া চোষা"!

১৩. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০১
অদ্বিতীয়া সিমু বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++=+++++++++++++
১৪. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৩
সাইফুর বলেছেন: সব কিছুই বিজনেস
১৫. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৯
সাইফ হাসনাত বলেছেন: জ্ঞানগর্ভ লেখা...
ইতিহাসের বিকৃতি আগামী প্রজন্মের জন্য খুবই ভয়ংকর... আমাদের সজাগ থাকা উচিৎ।
১৬. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৭
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এই কর্পোরেট চুতিয়াদেরকে যখন মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন এর মতো বিষয়গুলো নিয়ে বাণিজ্য করতে দেখি, ঘৃণায় গা রি রি করে ।

গ্রামীন এর এই ৩০মিনিটের বিজ্ঞাপন দেখে সেদিন এক বন্ধুকে বলেছিলাম, এদের বাণিজ্যিক (কু) বুদ্ধি থেকে নিস্তার পেলনা মহান ভাষা সৈনিকরাও !
১৭. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন: খুব ভালো লাগলো লেখাটি!!

মিনিট বা ঘন্টা হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি হয়নি!!!

ব্যবসা ভালো হলেও পৃথিবীর আদিম ব্যবসাকে কেউ ভালো ব্যবসা বলে না!!

আমরাও এই ৩০ মিনিট তত্ত্ব সমর্থন করি না!!!

১৮. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৪
সত্যান্বেষী বলেছেন: এই কর্পোরেট ক্ষুধা থেকে মুক্তি মনে হয় কেউই পাবে না। নর-নারীর গভীর একান্ত সম্পর্ক (এনিয়েও গ্রামীন বিজ্ঞাপন বানিয়েছে), আমাদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস- কোন কিছুই।

সবকিছুই বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু হতে দেয়া সাংঘাতিক অনৈতিক মনে হয়। এর প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ।
২০. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫
সবাক বলেছেন:
একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই পোস্টের লেখককে খুব উচুমাত্রার মানুষ ভাবি। এও ভাবি, তাকে ধরা যাবে না, ছোঁয়া যাবে না। তার চেতনা, আর দেশপ্রেমও এমন উঁচু মাত্রার যে তার সাথে আমার মুক্তিকামী আত্মার কোন সম্পর্ক নেই।

উল্লেখিত কর্পোরেট ভন্ডামীর বিপরীতে আমরা কোন কর্মযজ্ঞ দেখি না কেন? নাকি আমরা অন্ধ?

সমাজতান্ত্রিকদের এলার্জি, আর কারো চামড়াহীন শরীর
২১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬
শয়তান বলেছেন: সত্যান্বেষী বলেছেন: সবকিছুই বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু হতে দেয়া সাংঘাতিক অনৈতিক মনে হয়। এর প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ।
২২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০১
কিরিটি রায় বলেছেন: কর্পোরেটরা যখন কোন কিছুকে তাদের ব্র্যান্ডিং এর কাজে ব্যাবহার করে তখন সেটাকে তাদের সুবিধা মতো যথেষ্ট নির্বিষ করে নিয়েই ব্যাবহার করে- যেকারণে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী চেগুয়েভারা তাদের কাছে হয়ে উঠে একজন রোমন্টিক বিপ্লবী তারুণ্যের প্রতীক যার ছবি টি-শাটের্র শোভা বাড়ায় কিংবা যাকে নিয়ে ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে সুশীল স্মরণ সভা করা যায়, যেকারণে তাদের কাছে একাত্তরের গণসংগীত হয়ে উঠে ”জাগরণের গান” যেগুলোকে রাজনৈতিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হিসেবে ব্যাবহারের বদলে ড্রয়িংরুমে বসে সিডিতে উপভোগ করা যায় কিংবা ক্যাম্প ফায়ারের রোমান্টিক পরিবেশের উষ্ণতা বাড়ানোর কাজে ব্যাবহার করা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের চিঠি হয়ে প্রতœতাত্ত্বিক ”একাত্তরের চিঠি” কিংবা ভাষা আন্দোলন তার রাজনৈতিক সংগ্রামের পরিপ্রেতি হারিয়ে হয়ে যায় ”৩০ মিনিটের স্ফুলিঙ্গ”
+
২৩. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬
সত্যান্বেষী বলেছেন: ২২ নং মন্তব্যে ঝাজা।
২৪. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: বিজ্ঞাপনটা চোখে পড়ার পর থেকেই মনটা খুঁতখুঁত করছিল। মনে হচ্ছিল কোথায় যেন নির্লজ্জ ব্যবসায়ী বুদ্ধি কাজ করে চলেছে। ১৯৪৮ সাল হতে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা জনমত ১৯৯৫২ সালে যখন ছাইচাপা আগুনের মত জ্বলছিল ২১শে ফেব্রুয়ারীর গুলিবর্ষন সেই আগুনকেই উস্কে দেয়। পূর্বেরকার এই চার বছরের ইতিহাস সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ওয়াকিফহাল না করে খালি ৩০ মিনিট নিয়ে কেন লাফালাফি আমার বুঝে আসছিল না। আপনার লেখায় সেটা অনেকখানিই পরিষ্কার হয়ে উঠল। ধন্যবাদ।

উদার বিপণণের এই যুগে দেখবেন, হুজুগে বাঙালী কাতারে কাতারে ঐ ৩০ মিনিটের মিছিলে সামিল হবে। গলা ছেড়ে স্লোগান দেবে আর সেই অন্তঃসারশুন্য স্লোগানের নিচে ছাপা পড়ে এদেশের অন্য সকল ঘটনার মত ভাষা আন্দোলনের প্রকৃত ইতিহাসও কেঁদে মরবে। এটাই সবচেয়ে কষ্টের কথা।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

২৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১১
অরণ্যচারী বলেছেন: শয়তান বলেছেন: সত্যান্বেষী বলেছেন: সবকিছুই বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু হতে দেয়া সাংঘাতিক অনৈতিক মনে হয়। এর প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ।

একমত। সব কিছুই বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু হতে পারে না।
২৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৭
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:

'৫০ বছর পরে হয়তো গ্রামীনকে একুশে পদক দেয়া হতে পারে ৩০ মিনিটের ভুমিকা রাখার জন্যে।"

৫০ বছর এতো দীর্ঘ সময় মনে হয় অপেক্ষা করতে হবে না
২৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট .... ৩০ মিনিট মিনিটেই কি তৈরী হয়েছিলো ইতিহাস?

আমাদের আবেগ নিয়ে কি নির্লজ্জ বেনিয়াগিরি। আর আমরাও বিক্রি হয়ে যাই কি সহজে। আজীব দ্যাশ। আজীব মানুষ।:(


আমাদের ও সমস্যা আছে। জানি 'বাজার' এর উপরে পাল্লা দেওয়া কঠিন, তাই বলে আমাদের নিজেদের নিজস্ব প্রচেষ্টা নাই, এইটাও দখলদারিত্বের একটা কারণ।
৩০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২২
মো. তারিক মাহমুদ বলেছেন: জন রিডের কাছ থেকে যেমন নামটা চুরি করেছে, তেমনি বাংলাভাষার কাছ থেকে চুরি করেছে ইতিহাস - এসব কর্পোরেট চোরেরা হাজার চুরির মধ্য দিয়েই নিজেকে সাধু সাজাতে চায়। কিন্তু চুরিই যাদের সহজাত ধর্ম, তারা কী আর ধর্ম-কর্মের ধার ধারে ? ঐ যে প্রবাদ দুইটা শোনেন নাই: "চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী" আর "চোরে চোরে মাসতুতু ভাই" ... ... প্রথম আলো,GP, চ্যানেল আই, এনটিভি, আরটিভি, দেশটিভি, রেডিওটুডে এবং এবিসি - এরা সবাই চোর ।
৩১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪
তানিয়া মুন বলেছেন: নতুন ভাবে উদযাপন করার নামে ইতিহাস ও সংস্কৃতির জমিনের এই দখল নেয়ার পায়তারা চলতেই থাকবে যতদিন রাষ্ট্র ইতিহাস ও সংস্কৃতির সংরক্ষক ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তার ঐতিহাসিক ভূমিকাটুকু এড়িয়ে যাবে।

সহমত। এদের প্রতিহত করতে হবে।
৩২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৮
তানিয়া মুন বলেছেন: @ সত্যান্বেষী - ২২ নম্বরটি আসলে মন্তব্য নয়। লেখকের লেখাটিই তুলে দেয়া হয়েছে।
৩৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৫
নাঈম বলেছেন: দুর্দান্ত লেখা, আপনাকে স্যালুট.....
৩৫. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪০
সাগর ঢাকা বলেছেন: অনুমুতি ছাড়াই শেয়ার দিলাম....প্রিয়তে..
৩৬. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৯
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: দুর্দান্ত লেখা। অনেক ধন্যবাদ!
৩৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১০
ভোরের তারা বলেছেন: লেখা গুলো ওদেরকে পড়তে দেয়া উচিত।
অসাধারন লেখা
৩৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৪
বিবর্তনবাদী বলেছেন: বুঝলাম!! কিন্তু কমরেড ভাষা সৈনিকরা কি বুঝে যোগ দিলেন?
৪২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫১
মনজুরুল হক বলেছেন:

@বিবর্তনবাদী। ভাষা সৈনিক বলুন আর মুক্তি সৈনিক বলুন বিকোয় উভয়েই। আর বিক্রিত পণ্যকে দোকান মালিক কিংবা ক্রেতার ইচ্ছানুসারেই উঠতে-বসতে হয়।

আজ এই কর্পোরেট দোকানদাররা ঘটা করে দেখাচ্ছে বলে আমরা দেখছি মোটাদাগে, কিন্তু এটাই তো প্রথম নয়! অনেক আগেই এরা বিক্রি হয়েছেন। যাদের দেখার চোখ আছে তারা দেখেছেন। তবে আগে বিকি-কিনি হয়েছে একটু অবগুণ্ঠনে। এবার খুলে আম! এটুই তফাৎ।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: জবাবটি দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৪৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৯
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: এই পোষ্টের লিঙ্ক আমার মুখপুস্তিকায় দিয়েছিলামঃ
ব্লগার , নন ব্লগার অনেকেরই কিছু প্রতিক্রিয়া দেখলাম। এর মাঝে ব্লগার নন এমন দুয়েকজনের মন্তব্য এখানে দিলাম ঃ

------------------------------------------------------------

মা। আজীজ>>

সবার সাথে আমিও একটু যোগ করি,
অনেকে গ্রামীন ফোনের এই অনুষ্ঠানটা শ্বাগত জানিয়েছে, কারণ হিসাবে বলেছে নতুন প্রজন্ম জানবে। আমি নিজে ৫২'র ৩৬ বছর পর জন্মেছি, তখন গ্রামীনফোনও ছিল না প্রথমআলোও না। কিন্তু ৫২'র ঘটনা আমার অজনা নাই। আমার বাবা ৫২ তে জন্মেছেন বলা বাহুল্য এই ২ বেনিয়া তখনো ছিল না, ৭১'র এ তিনি যুদ্ধ করেছেন, তাকে আম-জাম কোন তলায় গিয়েই দেশপ্রেম শিখতে হয় নি।

মূল ব্লগে আমার মতামত দেবার অনুমতি নেই, তাহলে ১১নং মন্তব্যকারী "সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার" কে বলতাম, ভাই আপনার জন্যই এই অনুষ্ঠান আপনি অবশ্যই যাবেন "পিলিস লাগে"। আমতলার দরজা না চিনলে যে বাংলাভাষার ইতিহাস জানা যায় না, এটা শোনার পর আমার ছালা পেতে আমতলায় বসে থাকতে ইচ্ছা করছে, ইতিহাসের সাথে আম ফ্রি পেতে কি ON লিখে 9999 এ SMS করতে হবে?
... See More
পহেলা ফাল্গুন ফারহান দাউদের একটা লেখা পড়েছিলাম, ফারহান দাউদ আশঙ্কা করছিলেন, পত্রিকা খুলে ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রস্তুতি হিসাবে কোমরবাঁকা বাংলা না জানা তরুনীকে দেখ যাবে ২১শের পোষাকে। মঙ্গলবারই তা সত্য হয়েছে।
আসুন, পণ্যের দুনিয়া থেকে বের হয়ে আসি। বাসার শিশুটিকে একটু সময় দেই, তাদের সাথে গল্প করি, বই পড়ে শুনাই, বই পড়তে অনুপ্রানিত করি, আমার সন্তানকে আমি শিখাব আমি যা শিখেছি, যেভাবে শিখেছি সেভাবে শিখাব। প্রতিদিনের কুকুরের মত জ়ীবনযপন যাদের জন্য তাদের দেবার মত সময় যদি বের না করতে পারেন তাহলে কেন এই ছুটে চলা?

ধর্ম, সংস্কৃতি, শিক্ষা কোনটাই সোনার নেকলেস না যে আমার কাছে আছে আমি কাউকে দিলাম। এটা ধারন করার জিনিস। কোমরবাকা মডেলদের সাথে যদি ৫২ নিয়ে লিখা জহির রায়হানের একটা ছোট গল্পও ছাপা হত অথবা প্রতিদিন অর্ধপাতা জুড়ে থাকা বিজ্ঞাপনের বদলে ১৯৪৮'র মার্চের জনসভার কথা,আরবি হরফে বাংলা লিখার ষড়যন্ত্রের কথা ছাপা হত তাহলে সেটা হত একটা কাজের কাজ।

শেষে একটা মজার গল্প বলি, (শোনা গল্প সত্য নাও হতে পারে) এক ইংরেজী মাধ্যমের ছাত্রী একবার খুব বিরক্ত হয়ে বলেছিল "we observe 21st February only because 5/6 men died?" তার শিক্ষিকা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেন, "No dear, they sacrifice their life so that we can talk in Bangali, our mother tongue" ছাত্রী আবার জিজ্ঞেস করল "miss what is mother tongue?" শিক্ষিকা বলল "the language used by your mom" ছাত্রী হতাশ হয়ে জবাব দিল "total waste! my mom talks in English"

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: লেখাটি আপনার মুখ পুস্তিকায় দেয়ার জন্য এবং সেখানকার এই অসাধারণ মন্তব্যটি আমাদের পড়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।

৪৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০১
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: N J Bobby>>

একদম একমত রাজি আপনার সাথে..মানুষের অনুভুতি গুলোকে ব্যবহার করে আমাদের ভিতরকার কেউ ফায়দা লুঠছে..অথচ এই আবেগের বলে কত অসাধ্য সাধনই না আমরা করেছি..এর যথাযথ ব্যবহার যদি মিডিয়া করতে পারত তবে আমাদের চিত্র ভিন্ন হত..যুদ্ধপরাধীরা দেশের ক্ষমতায় গিয়ে বসতে পারত না I আমাদের বড় সমস্যা হলো আমরা খুব বেশি প্রতিক্রিয়া শীল হয়ে গেছি কিন্তু সঠিক জায়গায় সঠিক ... See Moreexpressionta দিতে পিছু পা হই ..কেন জানি না.মনে যা ধারণ করি মুখে বা কাজে তা প্রকাশ করি না আবার কাজে যা আসে তা মন থেকে করছি বলে মনে হয় না..প্রতিনিয়ত আমরা প্রতারিত হচ্ছি..প্রতারিত করছি..যেখানে আমরা নিজেরাই নিজেদের প্রতারণা করছি..অন্যের সাধ্য কি নতুন করে আমাদের প্রতারণা করে..
শুধু আরব দেশে গিয়ে 16th december পালন কেন ...lux চান্নেল আই সুন্দরী প্রতিযোগিতা কম কিসে..সুন্দরী প্রতিযোগিতার নামে যা হয় এইখানে তা আমাদের সংস্কৃতির কোন জায়গায় আছে আমি ঠিক খুঁজে পাইনা...দেশের নাম ভাগায়ে এরা ব্যবসা করছে করুক..বিষয়টা যদি এত টুকুতে সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে বলার কিছু ছিল না ..কিন্তু সাথে সাথে যে দেশের সংস্কৃতি ..মূল্যবোধ গুলো পায়ে দলছে তার প্রতিবাদ কেউ করে না...কেউ না..অদ্ভুত ভাবে সবাই সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে.এগুলো ভাবলে মন খারাপ হয়ে যায়..কিছুই কি করার নেই আমাদের..!!!
হাদি তোমাকে অনেক দন্যবাদ এমন একটা বিষয় উত্থাপনের জন্য..
স্রষ্টা আমাদের গভীর চিন্তার ধর্য্য দান করুন এই কামনার সাথে সাথে তা বাস্তবায়নের ও ক্ষমতা দান করুন এই কামনাটাও করি .
৪৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
কোন ধরনের সাধনা থাকলে এই রকম একটা জটিল বানিজ্যক বিশ্লেষন এমন সাদামাটা ভাষায় তুলে আনা যায় জানি না।
চমৎকার এই পোস্টটি প্রিয়তে গেল।

মনজুরুল হক বলেছেন: ভাষা সৈনিক বলুন আর মুক্তি সৈনিক বলুন বিকোয় উভয়েই।

@ হক ভাই,
আমি এই বিকোনোর চরম রুচিহীন পর্যায়টি প্রত্যক্ষ করেছি এবং তাদের স্খলন আমাকে ক্রমাগত পীড়ন করে চলেছে। এগুলো নিয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছে হয় না কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতিও হয় না।
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলে একটি কাজের জন্য কয়েকদিন ঘুরাঘরি করে আমি নিজের জন্য কিছু পীড়ন সাথে করে এনেছি।
আমাদের বোধহয় কলংকহীন অহংকার বলতে কিছু নেই।

৪৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৬
সত্যান্বেষী বলেছেন: মনজুরুল হক বলেছেন: "আজ এই কর্পোরেট দোকানদাররা ঘটা করে দেখাচ্ছে বলে আমরা দেখছি মোটাদাগে, কিন্তু এটাই তো প্রথম নয়! অনেক আগেই এরা বিক্রি হয়েছেন। যাদের দেখার চোখ আছে তারা দেখেছেন। তবে আগে বিকি-কিনি হয়েছে একটু অবগুণ্ঠনে। এবার খুলে আম! এটুই তফাৎ।"

অন্তত: একুশ নিয়ে এই কর্পোরেট বাণিজ্য তো সহ্য করার মতো নয়। আমাদের মনে হয় রাস্তায় নামতেই হবে।
৪৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৬
নিত্যানন্দ বলেছেন: টিভিতে অনুষ্ঠানটি দেখছিলাম। সেখানে ভাষা সৈনিকদের এনে দাৎড় করানো হলো। সবার মুখ থেকে একটি শব্দ শুনতে পেলেও আমরা অনুপ্রাণিত হতাম। কিন্তু তাৎদের কথা বলার সুযোগ দেয়া হলো না। বরং অনুষ্ঠানের শুরুতেই দেখলাম - বিশাল বপুর গ্রামীনফোনের কর্মকর্তাকে। তিনি কী বললেন আল্লাহই মালুম!
এই গ্রামীণফোনই ডিজুস ভাষার প্রবর্তক! ভাষা বিকৃতির এমন নজির আর কোথায়?
টাকা দিয়ে তারা এখন সব কিনে নিতে পারে। প্রথম আলো মনে হয় এখন তাদের পকেটেই।
ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য।
৪৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৮
আশরাফ শিশির বলেছেন: সামনের বছর দেখবেন এই প্রোগ্রামটি তারা অাবার করবে অার প্রথম অালো, গ্রামীণ ফোন বলবে "দেশের প্রতি, ভাষার প্রতি, মায়ের প্রতি অাপনার ভালবাসা প্রকাশ করুন অমুক নাম্বারে এসএমএস করে। যত বেশী এসএমএস তত দেশপ্রেম!"
৪৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৭
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: +++++
ঐ কর্পোরেট বুদ্ধিবেশ্যাকে শত ধিক্কার । আমি বিস্মিত এই আয়োজনে অংশগ্রহনকারীদের নিয়ে বিশেষত ভাষা সংগ্রামী আব্দুল মতিন (ভাষা মতিন ) যিনি আটচল্লিশের আন্দোলনেও যুক্ত ছিলেন তিনি কি করে মতির তত্ত্বে সায় দিলেন , তিনিও কি বিক্রি হয়ে গেলেন কর্পোরেট বাজারে যিনি ছিলেন পুঁজির বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠ।
৫০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৬
অদৃশ্য আলোক বলেছেন: মতিমিয়া আর সাংবাদিক নেই। মার্কেটিং এর লোক হয়ে গেছে। গেরামিনের মার্কেটিং বিভাগের সাথে মিলে বাঙালি সংস্কৃতির সবকিছুকে কর্পরেট পণ্য বানিয়ে ফেলছে।
সুশিল সমাজের অংশগ্রহণ অনেকসময় অনুরোধে ঢেকি গেলার মত।
প্র(পচা)আলু ডাকলে, সে ডাকে কোন সুশীলের সাড়া না দিলে বিপদ। সত্যমিথ্যা বানিয়ে লিখে দিয়ে চরিত্রহানি করবে। তারপরও ভাষা সৈনিকরা বিবেকের কাছে পরিস্কার থেকে ভাষা আন্দোলনের বাণিজ্যিকীকরণ পক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে পারতেন।
৫১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫০
বাঙ্গাল বলেছেন: "দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট"- ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের একটা কাটপিস মাত্র। এফডিসির কাটপিসের সাথে এর পার্থক্য হইল নির্মাণ ব্যয় আর প্রচারের আয়তন। ছবির চেয়ে যেমন ট্রেলার ভাল, ইতিহাসের চেয়ে তাই কাটপিস ভাল। কি আজিব জামানা!
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: কাটপিসের উপমাটা ব্যাপক হইছে!

৫২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৪
আহমেদ রাকিব বলেছেন: ভালো লিখছেন।
৫৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৪
তানিয়া মুন বলেছেন: মনজুরুল হক ভাই,
ভাষা মতিনের সঙ্গে আমি দেখা করতে গিয়েছিলাম। ওনার অবস্থা আর ওনার পরিবারের অবস্থা খুরই খারাপ। উনি ঠিকমত খথা বলতে পারছিলেন না, নিজের মনে কি সব বলে যাচ্ছিলেন, অন্যদের কথা জানি না, তবে ভাষা মতিন বিকিয়েছেন, এটা মানতে পারছি না। উনি এখন বার্ধক্যপিড়িত এবং চিন্তাশক্তি আগের মত নেই (বার্ধক্যের কারনেই)। সবাই এই সুযোগটা নিচ্ছে।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: তথ্যটির জন্য ধন্যবাদ।

৫৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪১
দন্ডিত বলেছেন: কর্পোরেট দুনিয়ার কাছে বিকিয়ে যাওয়া বন্ধ করতে হবে। জ্ঞাণ চর্চা যে সার্কাস নয় সেই বোধ কবে আসবে মানুষের!
৫৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৪
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: @তানিয়া মুন ,তথ্যটির জন্য ধন্যবাদ।
৫৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২০
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: গ্রামীণফোন ও প্রথম আলোর উদ্যোগে আয়োজিত ‘দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট’ অনুষ্ঠানে ভাষাসৈনিকেরা-
[img|http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/nuruzzamanmanik_1266833986_1-2010-02-21-19-37-04-035492200-a-01-monirul.jpg
৫৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এই পোষ্টে আগেই মন্তব্য করেছি। ৪২ নং এ মনজুরুল হকের মন্তব্য পড়ে আবার লিখছি।
গতকাল এই একই বিষয়ের উপর "আজ বিকেলে যাঁরা ‘দুনিয়া কাঁপানো ত্রিশ মিনিটের মিছিলে’ যাবেন, তাঁদের জন্য কটকটিওয়ালার গল্প........"শিরোনামে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম।
ঐ পুরো লেখায় আমি সযত্নে ভাষা সৈনিকদের বিকিয়ে যাওয়াটাকে এড়িয়ে গিয়েছি।
আমার মনে হয়েছে, সারাজীবন অবিশ্রান্ত সংগ্রামের পর ক্লান্ত তাঁরা। দেশ-জাতি নূন্যতম মূল্যায়ন করেছে বলে মনে পড়ে না। কাঁপতে থাকা শরীর, কুঁচকে যাওয়া চামড়া আর ক্ষীণ হয়ে আসা দৃষ্টি এখন নিজেদের ভবিষ্যতের চাইতে রেখে যাওয়া উত্তরপুরুষদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভাবছে হয়তো!
:|
৫৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭
দিনমজুর বলেছেন: লেখাটি সাপ্তাহিক বুধবারের আগামী সংখ্যায় ছাপা হবে।
৬০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৯
রুহুল জাকি বলেছেন: অসাধারণ লেখার জন্য ধন্যবাদ।
মনে হয় গ্রামীনফোন এই ৩০ মিনিট বাংলা SMS ফ্রি দিতে পারে!
৬১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০২
যাযাবর আমি বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধকে আগেই বিকিয়েছি...এবার ভাষা আন্দোলনকে বিকালাম...এরপর বিকানোর মত আর কি বাকি রইল...??? পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ। ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হলে বইয়ের কোন বিকল্প নাই। আমাদের আবার বই পড়ায় অরুচি...বিভিষণেরা এর সুযোগতো নেবেই...তাই আসুন ইতিহাস জানার জন্য বই পড়ি...ভাল মন্দ সব ধরণের বই...পার্থক্যটা তখন খুব সহজেই চোখে পড়ে যাবে আর ওদের মুখোশটাও খুলে যাবে...আমতলায় গিয়ে আর ইতিহাস খুঁজে ফিরতে হবে না...
৬৪. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩২
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন: সহমত, প্লাস
৬৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কিছু প্রশ্ন যদিও অনেকের ভাষায় আমি দেশে নাই, দেশে থাকলেও আমি কোনো কিছউই জানি না অথবা কারো তোষামদী করতে কখনো পিছু পা হই না!

১) জিপি বা প্রথম আলো যেহেতু একুশকে সামনে রেখে ব্রান্ডিং করছে তাহলে কি এটা শুধু তাদেরই ব্রান্ডিং হয়ে গেছে? অন্য কেউ যদি ৭১ এর মতো ৫২ কে তাদের বিজ্ঞাপনে ব্যাভার করে নতুন এ্যাড লাইন উপস্হাপন করে তাহলে কি এই ব্যাপারটা একান্ত ব্যাক্তিগত হয়ে যাবে?

২) মতিউর রহমান বা যে কেউ ধরেন সেটা বাঙ্গালি অবাঙ্গালি একটা ব্যাপারে কোনো মত পোষন করলে অথবা তার নিজস্ব যুক্তি দিয়ে যদি কোনো কিছু ব্যাখ্যা এমন ভাবে করে যদি সেটা রাস্ট্রের বিরুদ্ধে না যায় তাহলে কি সেটা দোষের?

৩) সাম আপ বলে একটা কথা আছে অথবা আরেকটা কথা ন্যারো ডাউন করে যার কাছে যতটুকু জিস্টের দরকার শুধু ততটুকু ব্যাব হার করলে সেটা কি অপরাধ?

৪) ৭১, ৫২ নিয়ে অনেকেই নানা ভাবে বিজ্ঞাপন তৈরী করেছে তবে তার সবগুলোই বেশ ডিফেন্সিভ, কিন্তু এটা সবচেয়ে বেশী আক্রমনাত্মক! তাহলে আমরা এটা নিয়ে রাস্তায় নামছি না কেন অহিংস পন্হায়?

৫) জিপি ডিজুস শব্দটার প্রবর্তক----এটা কতটুকু সত? (অন্য এক ব্লগারের কমেন্ট থেকে)


একবার এক বীচ পার্টির শোতে দেখলাম কয়েকজন বিকিনি গার্ল তাদের বিকিনি গুলো আমেরিকার পতাকার মতো বানানো এমনকি তাদের জুতার কালারও। যতদূর মনে পড়ে ওটা মায়ামী বীচেই হয়েছিলো। এখানে দেখলাম মানুষ প্যান্টের ভিতরের শর্টসে এদেশের পতাকা আকা আর নতুন এখটা জুতা বাইর হইছে যার ফটুক বিভিন্ন দেশের পতাকা দিয়ে বানানো, কপাল ভালো বাংলাদেশের পতাকা ওখানে নাই! এগুলোর ব্যাখ্যা কি? এসব সভ্য দেশের সরকার এগুলোকে ইকুইলিব্রিয়ামে কেমনে রাখে?

এই গর্দভ উদাসী বান্দর জানতে চায়, মনে হয় দেশপ্রেম সম্পর্কেও জানতে চায়!
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: নীচে আপনার প্রশ্নগুলোর ব্যাপারে আমাদের মতামত দিচ্ছি:

১) ৭১ বা ৫২ কে যেহেতু ব্যাক্তিগত সম্পত্তির মতো কপিরাইট করা যাচ্ছে না, তাই ৭১ বা ৫২ এর ব্র্যান্ডিং এর জন্য প্রয়োজন হলো ৭১ বা ৫২ এর নয়া-ভাষ্য- নয়া তাতপর্য অনুসন্ধান- সেটা গ্রহন যোগ্য হলে প্রথম আলো বা গ্রামীনও সেটার সাথে জড়িয়ে সংস্কৃতিতে একটা পাকা আসন করে নেবে।

এই ভাবে পরোক্ষভাবে ব্যাক্তিগত করণ ছাড়াও সরাসরি দখলও কিন্তু চলছে যেমন: একাত্তরের চিঠি। একাত্তরের ঐ চিঠিগুলো প্রথম আলোর অনুমতি ছাড়া আর কেউ প্রকাশ করতে পারবে কি না আমাদের জানা নেই।

২) রাষ্ট্রের ক্ষতি বিষয়টা আপেক্ষিক। রাষ্ট্র বলতে কে কি বোঝে সেটা একটা বিষয়- আমরা জনগণের স্বার্থের বাইরে রাষ্ট্রের স্বার্থ দেখাটা ঠিক মনে করি না। মতিউর রহমান ইতিহাসের কোন ব্যাখ্যা হাজির করলে, সেটা জনগণের সংগ্রামের ইতিহাসকে বিক্রি করার প্রকল্প হলে, সেটা ইতিহাসকে খন্ডিত করলে রাষ্ট্রের(জনগনের পক্ষে রাষ্ট্র) জন্য ক্ষতিকর বৈকি!

৩) সাম আপ বা সারমর্মে যদি মর্মটুকু হারিয়ে না যায় তাহলে তো কোন আপত্তি দেখিনা- ন্যারোডাউনে ভীষণ আপত্তি আছে- ইতিহাসকে এতদিন যার যার দলীয় স্বার্থে ন্যারো ডাউন করতে দেখেছি এখন দেখছি ব্যাবসায়িক স্বার্থে ন্যারো ডাউন করতে। ন্যারো ডাউনে কেন আপত্তি সেটা বোধ হয় মূল লেখাটিতে বলার চেষ্টা করেছি।

৪) ৭১ বা ৫২ বা ইতিহাসের যে কোন উপাদান কে যে কোন ধরনের(ডিফেন্সিভ বা অফেন্সিভ যাই হোক না কেন) খন্ডায়ন, বিকৃতিকরণ, বাণিজ্যিকিকরণ ইত্যাদির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার দরকার- তবে আন্দেলনের উপায় হিসেবে শুধু অহিংসার প্রতি বিশেষ কোন আস্থা আমাদের নাই।

৫) জিপি-ই ডিজুস শব্দটার প্রবর্তক এবং প্রচারক কারণ জিপি তরুণদেরকে টার্গেট করে বিশেষ ডিজুস প্যাকেজ নামের এসএমএস, টকটাইম এর নানান সুযোগ সুবিধার সিম বাজারে ছাড়ে এবং সেটাকে প্রমোট করার জন্য বিশেষ ধরণের বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করে যেখানে তরুণ-তরুণীদেরকে দেখা যায় নির্দিষ্ট ধরনের পোষাক পড়তে, নির্দিষ্ট ভাষায় কথা বলতে, নির্দিষ্ট ধরনের সঙ্গীত শুনতে শুনতে নির্দিষ্ট ধরনের সাড়া প্রদান করতে ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই থেকে ডিজুস কথাটা চালু হয়েছে।

আর বীচ পার্টির শো'তে আমেরিকার পতাকার মতো বানানো বিকিনি পরার ব্যাপারে- যেটুকু বলার তা হলো- সভ্যদেশের উদাহরণ হিসেবে আমেরিকার আসন এবং আমেরিকার বর্তমান ভোগবাদি সংস্কৃতি আমাদের অনুসরণীয় কিছু বলে মনে হয় না। সাধারণ ভাবে পোষাক পরিচ্ছদে জাতীয় পতাকার ব্যাবহার নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। আমাদের দেশের কোন জাতীয় পোশাক নাই। ফলে জাতীয় দিবসে জাতীয়তাবাদী আবেগ প্রকাশ করার জন্য জাতীয় পতাকার আদলে পোষাক-আশাক পরে থাকে। এই বাস্তবতায় প্রতীক হিসেবে জাতীয় পতাকার এই ব্যাবহার হতেই পারে কিন্তু আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিতে আন্ডার গার্মেন্টসের যে অবস্থান সে কথাটা মাথায় রাখলে নিশ্চয়ই আপনি জাতীয় পতাকার প্রতীকে আন্ডার গার্মেন্টস হোক এটা চাইবেন না!

প্রসঙ্গত একটা কথা বলে রাখা ভালো এই সুযোগে পোষাকে জাতীয় পতাকার ব্যাপক বাণিজ্যিক ব্যাবহার শুরু করেছে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস এবং তাদের সহযোগী মিডিয়াগুলো, যার মাধ্যমে তারা এমন একটা আবহ তৈরী করছে যে মনে হয় জাতীয় দিবসে জাতীয় পতাকার আদলে পোষাক না পড়লে জাতীয়তাবোধ বুঝি আর থাকেনা!

আমাদের কাছে এই ধরনের পোষাকী জাতীয়তাবাদের চর্চা বেশ হাস্যকর ও ঠুনকো বলে মনে হয়।

৬৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৭
প্রতিবাদী কন্ঠস্বর বলেছেন: মনজুরুল হক বলেছেন

ভাষা সৈনিক বলুন আর মুক্তি সৈনিক বলুন বিকোয় উভয়েই। আর বিক্রিত পণ্যকে দোকান মালিক কিংবা ক্রেতার ইচ্ছানুসারেই উঠতে-বসতে হয়।

আজ এই কর্পোরেট দোকানদাররা ঘটা করে দেখাচ্ছে বলে আমরা দেখছি মোটাদাগে, কিন্তু এটাই তো প্রথম নয়! অনেক আগেই এরা বিক্রি হয়েছেন। যাদের দেখার চোখ আছে তারা দেখেছেন। তবে আগে বিকি-কিনি হয়েছে একটু অবগুণ্ঠনে। এবার খুলে আম! এটুই তফাৎ

সহমত
৬৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৯
প্রতিবাদী কন্ঠস্বর বলেছেন: মনজুরুল হক বলেছেন

ভাষা সৈনিক বলুন আর মুক্তি সৈনিক বলুন বিকোয় উভয়েই। আর বিক্রিত পণ্যকে দোকান মালিক কিংবা ক্রেতার ইচ্ছানুসারেই উঠতে-বসতে হয়।

আজ এই কর্পোরেট দোকানদাররা ঘটা করে দেখাচ্ছে বলে আমরা দেখছি মোটাদাগে, কিন্তু এটাই তো প্রথম নয়! অনেক আগেই এরা বিক্রি হয়েছেন। যাদের দেখার চোখ আছে তারা দেখেছেন। তবে আগে বিকি-কিনি হয়েছে একটু অবগুণ্ঠনে। এবার খুলে আম! এটুই তফাৎ

সহমত
৬৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৩
প্রতিবাদী কন্ঠস্বর বলেছেন: পোস্ট প্রিয়তে ।


সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস হোক.........নিপাত যাক........
৭০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১০
লালপতাকা বলেছেন: প্রথমআলো সম্পাদক মতিউর রহমান কর্পরোট হাউসে নতুন দালাল ।

কল্লোল দা পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের উপর জলপাই রঙের সন্ত্রাসী তথা সেনাবাহিনীর নিপীড়ন নিয়ে আপনার একটি সাহসী লেখার প্রত্যাশায় রইলাম।
৭১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৮
সাইফ সামির বলেছেন:

বরাবরের মতো অসাধারণ লিখেছেন। যাদের নিয়ে লিখেছেন তাদের সংশ্লিষ্ট হতে পারলে অনেকেই বগল বাজায় তাদেরই একটি ব্লগীয় অংশের পোস্টটি ভালো লাগেনি। আমার ভালো লেগেছে তাই + ...
৭২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৪
আবু সালেহ সুমন বলেছেন: উষ্ঠা মারি গ্রামীণফোনের পাছায়...

গ্রামীণফোন একটা নব্য বর্গী..রক্তচোষা ছাড়পোকা...কিংবা জোক..
এদেশের কিছু মানুষের রুটি-রুজির ব্যবস্থা করে সবার মাথা গুলিয়ে দিয়েছে এই অসভ্য বেণিয়া চক্র...

কি নিয়ে গেল, আর বিনিময়ে কি দিচ্ছে, সেটা নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই.. যাদের মাথা ব্যথা করা উচিত, তাদেরকে আগেই কিনে ফেলেছে এই বেণিয়া চক্র..
৭৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৫
তাশমিয়া বলেছেন: বেশি ভালো হয়েছে। :)
৭৫. ০২ রা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৩০
বিপদতাড়িনী বলেছেন:

সহমত। তবে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে এরা আমাদের জাতীয় চেতনা গুলোকে প্যকেজকরণের মাধ্যমে ফ্যশানের বিষয়ে পরিনত করছে কারন তারা জানে এসব কে কেন্দ্র করে জনগনের আবেগ আন্দোলিত হয়, জনগন শিক্ষা নিয়ে নতুন চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে অবস্থিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি পায়। তাই দিবস গুলোকে ফ্যশানের বিষয়ে পরিনত করলে সেগুলোকে অস্বীকারও করা হল না আবার জনগনের চেতানা জাগরুকও থাকল না। এক ঢিলে দুই পাখী্........................................
৭৬. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:২৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: পুরাপুরি ঠিক আছে।
আর এইসব ব্র্যান্ডিং দিয়ে যারা জাতীয়তাবাদ মাপেন, তাদের জন্য একটা জবাব দেই যেটা অনেকদিন আগে একজনকে দিয়েছিলাম, যখন জিজ্ঞেস করেছিল ১৬ ডিসেম্বর কেন পান্ঞ্জাবি না পরে হাতে বাংলাদেশ লেখা ব্যান্ড না লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। ছোট মুখে বড় জবাবটা ছিল, আমার হৃদয়ে বাংলাদেশ, হাতের ব্যান্ড লাগে না।

উপরওয়ালা আমাদের হাতে ব্যান্ডে বাংলাদেশওয়ালাদের হেদায়েত করুন।
৭৭. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১২
সুবিদ্ বলেছেন: আমার কাছে কিন্তু ব্যাপারটা এভাবে ধরা পড়েনা........চিন্তা করে দেখুন, মানুষের মধ্যে যে জোয়ারের সৃষ্টি হয়েছিল তার কি কোন দাম নেই??
৭৮. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১৩
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: কমরেড, এই লেখাটির কয়েকটি কেটেশন ধার নিচ্ছি।
৭৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫
লুৎফুরমুকুল বলেছেন: ব্যাপরটি যদি উল্টা দেকি তবে দাঁড়ায়_আমাদের সম্পাদকেরা বিজ্ঞাপনে আমাদের ইতিহাস গেঁথে দিচ্ছেন। এত আমাদের লাভই হচ্ছে।
৮০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫
লুৎফুরমুকুল বলেছেন: ব্যাপরটি যদি উল্টা দেকি তবে দাঁড়ায়_আমাদের সম্পাদকেরা বিজ্ঞাপনে আমাদের ইতিহাস গেঁথে দিচ্ছেন। এত আমাদের লাভই হচ্ছে।
৮১. ১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১১:৫০
কিশু বলেছেন: কষে প্লাস.....................

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৬৩৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নাইল্যাকাডা ১ম বর্ষ, ২য় সংখ্যার প্রাপ্তিস্থানঃ
আজিজ সুপার মার্কেট
১। বইপত্র/ ২। জনান্তিক/ ৩। শ্রাবণ/ ৪। প্রথমা (একুশে)/ ৫। তক্ষশীলা/ ৬। লিটল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই