Jomaloye Jibonto Manush
যমালয়ে জীবন্ত মানুষ- ভানু, জহর, পাহাড়ি সান্যাল প্রমুখ ছিলেন...বেশ মজার বই, সে সময় গল্প বা উপন্যাস থেকে সিনেমা হত বলে সিনেমাকে বই বলত মনে হয়।
Saary Chuattor
সাড়ে চুয়াত্তর- উত্তম-সুচিত্রা জুটির প্রথমদিকের বই। নায়ক –নায়িকা ছাড়াও অন্যান্য পার্শ্ব চরিত্রগুলির ভূমিকাও ভিষণ গুরুত্বপূর্ণ। এতে ভানু, জহর, তুলসী চক্রবর্তী যেমন আছেন তেমনি মানবেন্দ্র, শ্যামল মিত্র প্রমুখ গায়করাও মেস বাড়িতে নায়কের বন্ধু রূপে অভিনয় করেন।
এই বইয়ে উত্তম-সুচিত্রার যুটি ছাড়াও তুলসী চক্রবর্তী ও মলিনা দেবীর প্রৌর গ্রাম্য দাম্পত্য আরেক রিলিফ......
এ প্রসঙ্গে তুলসী চক্রবর্তীর কথা একটু জানাতে ইচ্ছে করছে......এনাকে দেখলেই মন ভাল হয়ে যায়......সত্যজিৎ রায় ওনাকে একজন বড় মাপের কমেডিয়ান মানতেন।
কাগজে পড়লাম ‘পরশপাথর’-এর শুটিং শেষে তুলসী চক্রবর্তী পারিশ্রমিক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন সত্যজিৎবাবুর ঘরের সামনে। সত্যজিৎবাবু বেরিয়ে এসে দেখেন তুলসীবাবুর হাতে ধরা একগোছা টাকা। সত্যজিৎবাবু বললেন-‘আপনার যদি কিছু বলার থাকে, বলুন। আমার ম্যানেজার হয়তো হিসেবে গন্ডগোল করে থাকতে পারেন।’ তুলসীবাবু হাঁ হাঁ করে উঠলেন- ‘কি বলছেন! আমি পাই ৭৫টাকা, সেখানে আপনি আমায় দিয়েছেন ৩০০টাকা। সত্যজিৎবাবু, এরপর তো আমায় লোকে কাজ দেবে না। বলবে তুলসী চক্কোত্তির রেট বেড়ে গেছে মানিকবাবুর ছবিতে কাজ করে।’ সত্যজিৎবাবু শুনে বলেছিলেন –‘আমি জানিনা আপনার রেট কত, কিন্তু আপনার মত শিল্পীর জন্য যা দিয়েছি সেটাও কম। আমার সাধ্য নেই, নাহলে আমি আরও দিতে চেষ্টা করতাম।’
Personal Assistant
পারসোনাল এ্যাসিস্টেন্ট- ভানু এখানে নায়ক। তার নাম রমাকান্ত। বেকার, চাকরীর খোঁজে থাকে। অন্যদিকে নায়িকা রুমা গুহঠাকুরতা, বড়লোক, তার অফিসে পারসোনাল এ্যাসিস্টেন্ট দরকার সেখানে সব কর্মচারী মহিলা। রুমা পারসোনাল এ্যাসিস্টেন্টও চান মহিলা। ভানুও এপ্লাই করে রমা নাম হওয়ায় তাকে কলও করা হয়। কিন্তু পুরুষ দেখে তাকে রিজেক্ট করলে সে রেগে যায়। বাধ্য হয়ে তার ইণ্টারভিউ নেওয়া হয় অন্য মহিলাদের সাথে। দু’হাতে দ্রুত টাইপ-সর্টহ্যান্ড লিখে টপার হওয়ায় তাকে চাকরী দিতে নায়িকা বাধ্য হয়। এরপর আরো মজার ঘটনা ঘটে তার একটু এখানে দেখুন।
bhranti bilash
ভ্রান্তি বিলাশ- এর সম্পর্কে বেশি কিছু বলার নেই। প্রায় সবার দেখা।
এই বইএ উত্তম কুমার ও তার কাজের লোক ভানুর ডবল রোল। সাবিত্রী ও সন্ধ্যা রায় নায়িকা। এছাড়া সবিতা বসু, তরুন কুমার, ছায়া দেবী প্রমুখ অভিনয় করেন। হিন্দীতেও এর অনুকরনে হয় গুলজারের ‘অংগুর’ সঞ্জীব কুমার, মৌসুমী, দীপ্তি নাভাল-প্রমুখ অভিনয় করেন।
Sriman prithwiraj - Tolpitolpa niye ebar bhaloi bhaloi
শ্রীমান পৃথ্বীরাজ- বিভূতি ভূষণ মুখ্যোপাধ্যায়ের গল্প অবলম্বনে খুব মজার, আমার ভাললাগা একটা সিনেমা। এখানে অনেক কিশোর কিশোরীরা অভিনয় করেছে, মূখ্য ভুমিকায় অয়ন বন্দোপাধ্যায়, মহুয়া রায়চৌধুরী এছাড়া সত্য বন্দোপাধ্যায়, উৎপল দত্ত, রবি ঘোষ, চিন্ময়, সন্তোষ দত্ত, সন্ধ্যা রায়, বিশ্বজিৎ প্রমুখ অভিনয় করেন।
ইউটিউব থেকে সিনেমাটা ডাউনলোড করা যাবে। দেখতে পারেন, ভাল লাগবে।
Bari theke paliye
বাড়ি থেকে পালিয়ে- ঋত্তিক ঘটকের ১৯৫৮এর একটা ক্লাসিক কমেডি।
কাঞ্চন একটি বাচ্চা ছেলে যে গ্রামে থাকে। মাকে খুব ভালবাসে। বাবা রাগী। ভয়ে গ্রাম ছেরে শহর কলকাতায় আসে এবং হরেক মানুষ দেখে। একটা ছোট্ট মেয়েকেও পছন্দ হয়, মার কাছে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্নও দেখে......শেষে শহরের কষ্ট দেখে তার গ্রামে মা-বাবার কাছে ফেরার মন হয় এবং ফিরে আসে......তার শহরের অভিজ্ঞতা এখানে খুব সুন্দর ফুঁটে ওঠে।
কাঞ্চন যে সেজেছে তাকে দেখতেও ভীষণ দুষ্টু২! তার নাম Param Bharak Lahiri। এছাড়া পদ্মা দেবী মা ও জ্ঞ্যানেশ মুখার্জি বাবা সাজেন। কালি ব্যানার্জি, জহর রায়, কেষ্ট মুখার্জিরাও আছেন।
Dhanyi Meye
ধন্যি মেয়ে- জয়া ভাদুড়ির প্রথম দিকের বাংলা সিনেমা। খুব জনপ্রিয়। প্রায় সকলেরই দেখা। পার্থ মুখার্জি নায়ক, দাদা-বৌদি সাজেন উত্তম কুমার ও সাবিত্রী চ্যাটার্জি। এছাড়া রবি ঘোষ, জহর রায়, সুখেন দাস, চিন্ময়, অনুভা গুপ্তা(রবি ঘোষের স্ত্রী), তরুন কুমার, হারাধন প্রমুখ অভিনয় করেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

